ডার্ক রোম্যান্স
ডার্ক রোম্যান্স ক্যাটাগরির পর্বসমূহ।
২৯. অফিডিয়ান | অভিশাপের ছোবল
সাফওয়ানের ভেতরের পশুটা আবার জেগে ওঠে এবং সে নিজের অজান্তেই রুমাইশাকে আক্রমণ করে। তার বিষের ছোবলে রুমাইশার জীবন সংকটাপন্ন। নিজের ভালোবাসার মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়ে সাফওয়ান কি নিজেকে ক্ষমা করতে পারবে? সে কি পারবে রুমাইশাকে ফিরিয়ে আনতে?
২০. অফিডিয়ান | হত্যার দায় যখন ভালোবাসার
সাফওয়ানের হাতে দুজন লোকের নৃশংস খুনের খবর টিভিতে দেখে ভয়ে জমে যায় রুমাইশা। সে কি তার ভালোবাসার মানুষের এই ভয়ঙ্কর রূপ মেনে নিতে পারবে? সাফওয়ান কি তাকে বোঝাতে পারবে যে এই খুন সে তার সম্মান রক্ষার জন্যই করেছে? নাকি এই ঘটনা তাদের মাঝে এক অলঙ্ঘনীয় প্রাচীর তৈরি করবে?
১৫. অফিডিয়ান | অভিশপ্ত রাতের পর
সাফওয়ানের ভয়ঙ্কর আক্রমণের পর রুমাইশা জ্বরে কাতর হয়ে পড়ে। শারীরিক ও মানসিক যন্ত্রণায় সে যখন ছটফট করছে, তখন সাফওয়ান তাকে এক অজানা জায়গায় নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এই রহস্যময় যাত্রার শেষ কোথায়? সাফওয়ানের অনুশোচনা কি ভালোবাসায় রূপ নেবে, নাকি এটা আরও বড় কোনো ঝড়ের পূর্বাভাস?
১৪. অফিডিয়ান | শীতল স্পর্শের হুমকি
সাফওয়ানের গোপন রহস্য জেনে ফেলায় রুমাইশার জীবন এখন হুমকির মুখে। মাঝরাতে সাফওয়ান তার ঘরে প্রবেশ করে, আর তার শীতল স্পর্শে রুমাইশার নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসে। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা রুমাইশা কি সাফওয়ানের দেওয়া হুমকির কাছে নতি স্বীকার করবে, নাকি নিজের জীবন বাজি রেখে শেষ চেষ্টা করবে?
৯. অফিডিয়ান | নিশুতি রাতের অপ্রত্যাশিত আহ্বান
রুমাইশার মন খারাপের কারণ জানতে চেয়ে গভীর রাতে তার দরজায় এসে দাঁড়ায় স্বয়ং সাফওয়ান। তার গম্ভীর কণ্ঠের আদেশে রুমাইশা হতবাক হয়ে যায়। যে মানুষটা তাকে দিনের আলোয় সহ্য করতে পারে না, সে কেন তার কষ্টের কারণ জানতে এত আগ্রহী? সাফওয়ানের এই দ্বৈত আচরণের পেছনে কি কোনো গভীর উদ্দেশ্য লুকিয়ে আছে?
৬. অফিডিয়ান | এক গাড়িতে দুই পৃথিবী
বহু বছর পর মুখোমুখি হয়েও সাফওয়ানের কাছ থেকে শুধু তিরস্কারই পায় রুমাইশা। পরদিন সকালে কলেজে যাওয়ার জন্য সেই সাফওয়ানের সঙ্গেই এক গাড়িতে উঠতে বাধ্য হয় সে। গাড়ির ভেতরের হিমশীতল নীরবতা আর মাঝ রাস্তায় নামিয়ে দেওয়ার অপমান কি তাদের সম্পর্কের ভাঙা কাচগুলোকে আরও চূর্ণবিচূর্ণ করে দেবে?
৫. অঙ্গারের নেশা | স্পর্শের শাস্তি
ভালোবাসার মানুষ রেয়ানকে ফিরে পেয়ে জড়িয়ে ধরে প্রানেশা, কিন্তু তার এই ভুলের জন্য অপেক্ষা করছিল এক নারকীয় শাস্তি। স্বামীর অধিকার ফলাতে সুফিয়ান কতটা নীচে নামতে পারে?
৪. অঙ্গারের নেশা | নিষ্ঠুর নাকি প্রেমিক?
ডিভোর্সের কথা শুনতেই বেরিয়ে এলো সুফিয়ানের ভয়ঙ্কর রূপ। কিন্তু পরক্ষণেই তার অদ্ভুত আচরণ প্রানেশাকে দ্বিধায় ফেলে দেয়। এই মানুষটার কোন রূপটা সত্যি?
৩. অঙ্গারের নেশা | অঙ্গারের প্রথম দহন
বাসর রাতে উন্মোচিত হলো স্বামীর আসল পরিচয়। সে রেয়ানের বড় ভাই সুফিয়ান। কেন এই ছলনা? কীসের নেশায় সুফিয়ান এতটা মরিয়া হয়ে উঠেছে?
৩৬. ১৬ বছর বয়স | শেষ রাতের হুমকি
শাওনকে না জানিয়ে মিলা বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ায় শাওন প্রচণ্ড রেগে যায়। তাকে ফিরিয়ে আনার পর যখন সে মিলার উপর নিজের অধিকার জাহির করে, মিলা ভয় পেয়ে যায়। শাওনের এই possessiveness কি ভালোবাসার প্রকাশ, নাকি বিপদের সংকেত?
১৪. ১৬ বছর বয়স | অমানুষের নমুনা
অফিসের অপমানের প্রতিশোধ নিতে শাওন মিলাকে এক নির্জন জায়গায় নিয়ে যায়। রাগের মাথায় সে এমন কিছু করে যা মিলার আত্মসম্মানে আঘাত হানে। শাওনের এই নিষ্ঠুরতার পর মিলা কি তাকে ক্ষমা করতে পারবে, নাকি তাদের পথ চিরদিনের জন্য আলাদা হয়ে যাবে?
১২. ১৬ বছর বয়স | এবার আমার পালা
শাওনের প্রাক্তন প্রেমিকা সুইটির মেসেজ দেখে ফেলায় তাদের মধ্যে শুরু হয় নতুন করে দ্বন্দ্ব। শাওনের রাগের পারদ যখন চরমে ওঠে, সে মিলাকে দেয়ালের সাথে চেপে ধরে বলে, 'এবার আমার পালা'। শাওন কি তার রাগের বহিঃপ্রকাশ ঘটাবে, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য আছে?
