নির্যাতন
নির্যাতন ক্যাটাগরির পর্বসমূহ।
১৭. আমার ক্রাশ | দ্বিতীয় আঘাত
হলুদের অনুষ্ঠানে তুলিকে একা পেয়ে সায়ান তার মুখোমুখি হয়। কিন্তু ক্ষমা চাওয়ার বদলে রাগের মাথায় সে আবার তুলিকে আঘাত করে। এই ভুলের কি কোনো ক্ষমা আছে?
৮. সঙ্গীন প্রণয়াসক্তি | আগুনের পরশ
বাড়ির কর্তার জন্মদিনে অরু আন্তরিকতা নিয়ে পায়েস তৈরি করে, কিন্তু প্রতিদানে পায় শুধু অপমান। সন্ধ্যায় তার বন্ধুদের আগমনে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। এক বান্ধবীর সামান্য ভুলে অরুর হাতে গরম কফি পড়তেই জ্বলে ওঠে ক্রীতিকের হিংস্র সত্তা। সবার আড়ালে অরুকে নিয়ে গিয়ে ক্রীতিক কি তার যত্ন নেবে, নাকি তার উপরই ঝাড়বে নিজের সব ক্রোধ?
৬. সঙ্গীন প্রণয়াসক্তি | কান্নার আওয়াজ
প্রিয় মানুষটির খোঁজ নিতে বাংলাদেশে ফোন করে অরু, কিন্তু ফোনের ওপাশ থেকে ভেসে আসা কথায় তার পৃথিবীটাই দুলে ওঠে। বন্ধুর বিশ্বাসঘাতকতায় যখন সে কান্নায় ভেঙে পরে, তখন সাহায্য নয়, ক্রীতিকের কাছ থেকে সে পায় এক নির্মম শাস্তি। কনকনে ঠান্ডায় ক্রীতিক কেন অরুকে বাড়ির বাইরে বের করে দিলো?
৫. প্রেমের পরশ | অবিশ্বাসের আঘাত
আত্মীয়ের কুমন্ত্রণায় শুভ নিরুর চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তোলে, যার ফলে নিরুর উপর নেমে আসে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। অবশেষে নিরু প্রকাশ করে ছাদের সেই রাতের ভয়ংকর সত্য। এই সত্য জানার পর কি তাদের সম্পর্কের ফাটল জোড়া লাগবে?
১২. অপেক্ষা | আরহামের হুংকার
মাইমুনার মা-বাবা তুলে করা অপমান হাফসার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে দেয়। আরহাম যখন এই ঘটনার কথা জানতে পারে, তখন তার ক্রোধের আগুনে পুরো বাড়ি কেঁপে ওঠে। সে মাইমুনাকে এমনভাবে চড় মারে যা তাদের সম্পর্কের ইতিহাসে প্রথম। এই ঘটনার পর তাদের দাম্পত্য জীবনের ভবিষ্যৎ কী?
৮. অপেক্ষা | অপমানের কারাগারে
মাইমুনার ষড়যন্ত্র আরো গভীর হয়। সে হাফসাকে দিয়ে বাড়ির সমস্ত কাজ করিয়েও আরহামের কাছে তাকেই দোষী সাব্যস্ত করে। আরহামের কঠোর তিরস্কারে হাফসার কোমল মন ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। যখন বাড়ির কাজের মেয়েরা সব সত্য প্রকাশ করে দেয়, তখন অনুশোচনায় দগ্ধ আরহাম কি পারবে হাফসার ভাঙা বিশ্বাস জোড়া লাগাতে?
৫৩. অফিডিয়ান | বন্দী বাঘের খাঁচা
শত্রুর হাতে বন্দী হয়ে সাফওয়ান এক গোপন ল্যাবে আটকা পড়ে। সেখানে তাকে অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়। এই বন্দিদশা থেকে কি সে মুক্তি পাবে? নাকি তার জীবনের গল্পটা এখানেই শেষ হয়ে যাবে?
১৪. অফিডিয়ান | শীতল স্পর্শের হুমকি
সাফওয়ানের গোপন রহস্য জেনে ফেলায় রুমাইশার জীবন এখন হুমকির মুখে। মাঝরাতে সাফওয়ান তার ঘরে প্রবেশ করে, আর তার শীতল স্পর্শে রুমাইশার নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসে। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা রুমাইশা কি সাফওয়ানের দেওয়া হুমকির কাছে নতি স্বীকার করবে, নাকি নিজের জীবন বাজি রেখে শেষ চেষ্টা করবে?
৫. অঙ্গারের নেশা | স্পর্শের শাস্তি
ভালোবাসার মানুষ রেয়ানকে ফিরে পেয়ে জড়িয়ে ধরে প্রানেশা, কিন্তু তার এই ভুলের জন্য অপেক্ষা করছিল এক নারকীয় শাস্তি। স্বামীর অধিকার ফলাতে সুফিয়ান কতটা নীচে নামতে পারে?
৪. ১৬ বছর বয়স | দরজার ওপারে নির্বাসন
পিশামশাইয়ের ফিরে যাওয়ার কথা থাকলেও তিনি ওকে একা ফেলেই চলে গেলেন। স্বামীর বাড়িতে একা থাকা মেয়েটি যখন সামান্য ভুলের জন্য তর্কে জড়ায়, শাওন তাকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয় বাসা থেকে। এই অচেনা শহরে, খালি পায়ে সে এখন কোথায় যাবে?