ক্যাটাগরি রোমান্টিক গল্প

অফিডিয়ান | পর্ব – ৭৯ | সর্বশেষ পর্ব

সাফওয়ান বাইরে বের হওয়া মাত্রই ক্যামেরার ক্লিকের শব্দে চারদিক ছেয়ে রইলো, কোনো জনমানুষের কন্ঠস্বর সেখানে শোনা গেলো না। এই অত্যান্ত সুপুরুষ ব্যাক্তিটাকে দেখেতেই লেগে গেলো সবাই৷

অফিডিয়ান | পর্ব – ৭৮

স্তব্ধ হয়ে টেলিভিশনের সামনে বসে আছেন আয়েশা, শামসুল আর রাফসানেরা। সাফওয়ান আহমেদ নাম টা শোনা মাত্রই বুক কেঁপে উঠেছে ওদের সবারই। হতচকিত হয়ে একে অপরের দিকে তাকাচ্ছে ওরা বার বার৷ রাফসানের যেন দম আটকে আসছে।

অফিডিয়ান | পর্ব – ৭৭

নিজের কেবিনে কাগজ পত্রের ভিড়ে বসে আছেন আহনাফ হাসান, তার বিপরীতে টেবিলের অন্য পাশে চেয়ারে বসে আছে কবির৷ সংবাদ সম্মেলনের জন্য সাংবাদিক দের সময় দেওয়া হয়েছে বেলা এগারোটা। এখন আট টা বেজে চল্লিশ মিনিট৷

অফিডিয়ান | পর্ব – ৭৬

সাফওয়ান কে পুলিশ সুপার আর অ্যাসিস্ট্যান্ট পুলিশ সুপার কবির হোসেন এই প্রস্তাবই দিয়ে গেছেন। কিন্তু সাফওয়ান এখনো তাদের ডিসিশন দেয়নি যে সে কি চায়। পরিবারের সবার সাথে আলোচনা করে তবেই সে এই ব্যাপারে কথা বলতে চায়।

অফিডিয়ান | পর্ব – ৭৫

আক্কাস কবিরের কথা টা ট্রান্সলেট করে অবু কে বলল। অবু উত্তরে কিছুই বলল না, দেয়ালে হেলান দিয়ে চোখ বুজে পড়ে রইলো। কবির কিছুক্ষণ চুপ করে অবুর মুখের দিকে তাকিয়ে রইলো উত্তরের আশায়। তারপর আবার আক্কাস কে দিয়ে তাগিদ দিলো অবু কে কথা বলার জন্য।

অফিডিয়ান | পর্ব – ৭৩

স্পেশাল ফোর্সের প্রধান পুলিশ কর্মকর্তা, পুলিশ সদস্য আফতাব হোসেন কে জিজ্ঞেস করলো তাদেরকে সাহায্য করা লোকটার ব্যাপারে, কিন্তু আফতাব হোসেন কিছুই বলতে পারলো না, কোথাও সে লোকটার টিকি পাত্তাও পেলোনা ওরা।

অফিডিয়ান | পর্ব – ৭২

ঘোর বিপদ টের পেয়ে রুমাইশা ঝড়ের গতিতে গাড়ির ভেতর ঢুকে দরজা লাগিয়ে দিলো। ব্লুটুথ ডিভাইসের ওপাশ থেকে সাফওয়ান চাপা সুরে জিজ্ঞেস করলো, — রিমু তুমি ঠিক আছো?

অফিডিয়ান | পর্ব – ৭১

আফসানা কে বই গুলো দিয়ে রুমাইশা যখন রুমে এলো তখন সাফওয়ান বিছানায় বসে বালিশে হেলান দিয়ে ল্যাপটপে কিছু মেইল দেখছিলো। রাশা বিছনায় খেলছে। সাদমান আর শাহমীর সকাল থেকেই নিচ তলায়৷

অফিডিয়ান | পর্ব – ৭০

হলরুমে সোফায় বসে আছে সিনথিয়া, তার মা আর সাথে আর ও কিছু মহিলা। বিবাহ ম্যানেজমেন্ট আন্টিও সেখানেই আছেন৷ সিনথিয়ার মুখ খানা অন্ধকার। কারণ গতকাল সে সাদ্দাত হুসেইন নামের ব্যাক্তির সাথে বিয়ের কথা শুনে নিজের সব কাজিন মহল কে অতি আনন্দের সাথে জানিয়েছিলো, বিশেষ করে তার সেই খালাতো বোন কে, যে কিনা সাদ্দাত হুসেইনের ওপর ক্রাস খেয়ে বসে ছিলো।