{
    "_links": {
        "html": "https://golpohub.com/episodes/amar-chondraboti-s1-ep9",
        "json": "https://golpohub.com/episodes/amar-chondraboti-s1-ep9?format=json",
        "markdown": "https://golpohub.com/episodes/amar-chondraboti-s1-ep9?format=md",
        "rss": "https://golpohub.com/episodes/amar-chondraboti-s1-ep9?format=rss",
        "atom": "https://golpohub.com/episodes/amar-chondraboti-s1-ep9?format=atom"
    },
    "seo": {
        "canonical_url": "https://golpohub.com/episodes/amar-chondraboti-s1-ep9",
        "title": "আমার চন্দ্রাবতী পর্ব ৯ - অপমানের দহন ও গোপন আঁখি | Amar Chondraboti Part 9",
        "description": "পড়ুন আমার চন্দ্রাবতী পর্ব ৯। তাসনিমের নির্মম অপমান ও দুআর কান্না দেখে ইয়াদের ভেতরে জেগে ওঠা অজানা ব্যাকুলতা।",
        "keywords": "আমার চন্দ্রাবতী পর্ব ৯, amar chondraboti porbo 9, amar chondraboti part 9, amar chondraboti episode 9, দুআ, ইয়াদ, তাসনিম, মারিয়া, অপমানের কান্না",
        "image_url": "https://golpohub.com/assets/images/og.jpg",
        "schema": {
            "@context": "https://schema.org",
            "@graph": [
                {
                    "@type": "Chapter",
                    "name": "অপমানের দহন ও গোপন আঁখি",
                    "position": 9,
                    "description": "ভোরের ব্যালকনিতে একলা দাঁড়িয়ে থাকা দুআকে একা পেয়ে চরম আক্রোশে তার হাত মুচড়ে দেয় তাসনিম, স্মরণ করিয়ে দেয় তার ত্বকের গোপন দাগের কথা। কান্নায় ভেঙে পড়া দুআকে দেখে ভেতরে ভেতরে জ্বলে ওঠে ইয়াদ। মারিয়াকে দিয়ে কান্নার আসল কারণ খুঁজতে গিয়ে ছাদে দাঁড়িয়ে ইয়াদের ফেলা তীব্র দৃষ্টি কি দুআর মনে নতুন কোনো ঝড়ের বার্তা দিচ্ছে?",
                    "url": "https://golpohub.com/episodes/amar-chondraboti-s1-ep9",
                    "inLanguage": "bn",
                    "timeRequired": "PT9M",
                    "datePublished": "2026-09-19T22:44:39+00:00",
                    "dateModified": "2026-09-19T23:41:52+00:00",
                    "wordCount": 1420,
                    "image": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-chapter-2921-06e6dc.webp",
                    "accessibilityFeature": [
                        "readingOrder",
                        "structuralNavigation",
                        "displayTransformability",
                        "uncontracted"
                    ],
                    "accessibilityControl": [
                        "fullKeyboardControl",
                        "fullTouchControl"
                    ],
                    "accessibilityHazard": [
                        "none"
                    ],
                    "potentialAction": {
                        "@type": "ReadAction",
                        "target": "https://golpohub.com/episodes/amar-chondraboti-s1-ep9"
                    },
                    "isPartOf": {
                        "@type": [
                            "BookSeries",
                            "CreativeWorkSeries"
                        ],
                        "name": "আমার চন্দ্রাবতী",
                        "url": "https://golpohub.com/series/amar-chondraboti"
                    },
                    "author": {
                        "@type": "Person",
                        "name": "সালসাবিল সারা",
                        "url": "https://golpohub.com/authors/salsabil-sara"
                    }
                },
                {
                    "@type": "BreadcrumbList",
                    "itemListElement": [
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 1,
                            "name": "Golpo Hub",
                            "item": "https://golpohub.com"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 2,
                            "name": "সিরিজসমূহ",
                            "item": "https://golpohub.com/series"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 3,
                            "name": "আমার চন্দ্রাবতী",
                            "item": "https://golpohub.com/series/amar-chondraboti"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 4,
                            "name": "অপমানের দহন ও গোপন আঁখি",
                            "item": "https://golpohub.com/episodes/amar-chondraboti-s1-ep9"
                        }
                    ]
                }
            ]
        }
    },
    "filters": [],
    "data": {
        "id": 2921,
        "ep_number": 9,
        "title": "অপমানের দহন ও গোপন আঁখি",
        "slug": "amar-chondraboti-s1-ep9",
        "url": "https://golpohub.com/episodes/amar-chondraboti-s1-ep9",
        "reading_time": 9,
        "thumbnail_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-chapter-2921-06e6dc.webp",
        "yt_video_id": null,
        "yt_video_url": null,
        "timestamps": {
            "published_at": "2026-09-19T22:44:39+00:00",
            "updated_at": "2026-09-19T23:41:52+00:00"
        },
        "meta": {
            "word_count": 1420,
            "seo_title": "আমার চন্দ্রাবতী পর্ব ৯ - অপমানের দহন ও গোপন আঁখি | Amar Chondraboti Part 9",
            "seo_description": "পড়ুন আমার চন্দ্রাবতী পর্ব ৯। তাসনিমের নির্মম অপমান ও দুআর কান্না দেখে ইয়াদের ভেতরে জেগে ওঠা অজানা ব্যাকুলতা।",
            "keywords": "আমার চন্দ্রাবতী পর্ব ৯, amar chondraboti porbo 9, amar chondraboti part 9, amar chondraboti episode 9, দুআ, ইয়াদ, তাসনিম, মারিয়া, অপমানের কান্না",
            "characters_involved": [
                "দুআ",
                "তাসনিম",
                "মারিয়া",
                "ইয়াদ",
                "রামিসা",
                "জিয়া"
            ]
        },
        "content": "রাতভর তীব্র বর্ষণের কারণে ঢাকা শহর পানিতে থৈথৈ।এখনো প্রবল বৃষ্টির আগমন হচ্ছে ক্ষণে ক্ষণে। গগণের রং কালচে ধূসর।আপাতত বৃষ্টির বেগ কম।তবে গগণের রূপই জানিয়ে দিচ্ছে যেকোনো মুহূর্তে আকাশ ভেঙে আবারও প্রবল বর্ষণের আগমন ঘটতে পারে!\n\nপ্রকৃতি ছিলো তার নিজের বর্ষণে মত্ত্ব, তো অন্যদিকে একজন মানবের মনের বর্ষণের কারণে তার রাতটুকু নিদ্রাহীন কাটিয়েছে।যখনই নিদ্রা তার আঁখিতে উঁকিঝুঁকি দিয়েছে তখনই তার চক্ষুজোড়ায় দুআ নামের মেয়েটার পবিত্র মুখশ্রী ভেসে উঠেছে বারংবার। যার দরুণ রাতভর মনের বর্ষণে ক্লান্ত হয়ে ভোরের দিকেই তার নেত্র যুগলে নিদ্রা হানা দিয়েছে।ইয়াদ এর মস্তিষ্ক এখনো ব্যাপারটা না বুঝলেও তার হৃদয় ঠিকই বুঝে নিয়েছে,প্রথম দেখায় দুআ মেয়েটা তার হৃদয়ে দাগ কেটেছে পবিত্রতার।এমন পবিত্র মুখশ্রী মানবীর অপেক্ষায় ছিলো যেনো ইয়াদের হৃদয়।এখন শুধু হৃদয়ের কথাটা মস্তিষ্ক ধারণ করার জন্যেই অপেক্ষা।এমন অনুভূতিতে মন এবং মস্তিষ্ক দুইটাই যেনো সচল হওয়া বাধ্যতামূলক!\n.\nদুআ বিছানায় বসে আছে দুই পা ঝুলিয়ে।মারিয়া এবং রামিসা দুইজনই ঘুমে আচ্ছন্ন।দুআর হঠাৎ আজ এতো জলদি জাগ্রত হওয়ার কারণটা তার অজানা।অনেক্ষণ যাবত বসে থেকে দুআ বিছানা ত্যাগ করে রুমে বিদ্যমান ব্যালকনিতে গেলো।চারিদিকে বৃষ্টির পানিতে চকচকে ভাবের সৃষ্টি করেছে।বিশেষ করে গাছের পাতা।একেবারে যেনো গাঢ় সবুজ রঙের স্বচ্ছ পাতা গাছে গাছে অবস্থান করছে।কিছু কর্মচারী বাড়ির সামনের দিকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করছে।এটা উচ্চ আবাসিক এলাকা বিধেয় এইখানে জমানো পানির কোনো উচ্চতার দেখা নেই।কিন্তু,দুআ যদি এখন আবাসিক থেকে বাহির হয়,তাহলে সে ঢাকার সবচেয়ে বিখ্যাত মুখ দেখবে অর্থাৎ চারদিকে পানির টইটুম্বুর অবস্থা!দুআ দাঁড়িয়ে থেকে বিরক্তবোধ করছে।কামরায় ফিরে পুনরায় ঘড়ি দেখল সে,সকাল সাড়ে আটটা বাজে।এখনো এইখানে কেউ সজাগ হয়নি কেনো এটাই দুআ বুঝছে না।এইদিকে পেট খিদায় জ্বলছে তার।বাড়িতে থাকলে নিশ্চয় সে মা এবং কাকীর পেছনে খাবারের জন্যে ঘ্যানঘ্যান করতো!দুআ নিস্তব্দ হাঁটছে কামরার চারিদিকে।পরক্ষণে তার মনে এলো মারিয়া তাকে গতকাল বলেছিলো, তার মন খারাপ লাগলে সে যেকোনো সময় বাম দিকের শেষ প্রান্তের ব্যালকনিতে যেতে পারবে।দুআর কাছে গতকাল জায়গাটা অতীব ভালো লেগেছে।কারণ, সেখানে বসেই সুন্দর পানির ফোয়ারা এবং ছোট্ট সুইমিং পুল দেখা যায়।অত্যধিক সুন্দর বাগানটাও সেখান থেকে দৃশ্যমান।দুআ নির্দ্বিধায় বেরিয়ে পড়লো রুম থেকে।তাকে কেই বা বারণ করবে! তাছাড়া দুআর পরিকল্পনা হলো সেখানে মিনিট দশেক ব্যায় করে পুনরায় কামরায় ফিরবে সে।দরকার পড়লে আবারও কম্বলের নিচে নিজেকে শায়িত করবে।পা চলমান অবস্থায় দুআ নিজের মাথায় কাপড় তুললো।স্টাডি রুমের পাশেই ইয়াদের রুম,এমনটাই বলেছিলো কাল মারিয়া তাকে।দুআর সাথে গতকাল ইয়াদের ধাক্কার সম্মুখীন হওয়ার মুহূর্তটা তার স্মৃতিচারণে এলো নিমিষেই।দুআ নিজেকে শান্ত করলো।ইয়াদ মাননটাকে দুআর অন্যরকম লাগে।কেমন যেনো দৃষ্টি নিক্ষেপ করে থাকে লোকটা তার দিকে!তবে তার দৃষ্টিতে কোনো নোংরামি খুঁজে পায়না সে।তারপরও দুআর অদ্ভুত লাগে ইয়াদের এমন নজর।\n\nপানির ফোয়ারা এখন থেমে আছে। হয়তো এখনো পানির লাইন দেওয়া হয়নি! দুআ ব্যালকনিতে ঝুঁকে চারপাশে দৃষ্টি বুলাচ্ছে।ফুলের বাগানে উপর তীব্র বৃষ্টি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্যে ছোট ছাউনী দেওয়া হলো।দুআ তারিফ করলো মনে মনে এমন চালু বুদ্ধি দেখে।মুহূর্তেই সে এইখানকার মালিকে ব্যাপক বুদ্ধিমানের খেতাব দিলো।\n–“চাঁদমুখী; ঢাকায় এসে তো সবার হাতের চাঁদ সেজেছিস!তোর যে এইসব ঢং,তা আমার ঢের জানা আছে।”\nদুআ নিজের মাথার কাপড়ে টান অনুভব করলো।পেছনে ফিরতেই তাসনিমকে দেখে ভরকে গেলো দুআ। বিপরীতে বিদ্যমান তার দুই হাত ব্যালকনির রেলিং আঁকড়ে ধরলো।তাসনিম এসে পুনরায় দুআর হাত চাপলো,\n–“কি?তোর কাজ কি ঢাকায়?তোর আসার কি দরকার ছিলো?ওহ,ক্রিকেটার সাহেবকে ফাঁসাতে এসেছিস?হুম,পারবি তুই এমনটা করতে।রূপে যে তুই ঠাসা!কিন্তু,তোর ভেতরকার চামড়া দেখে কি তোর মনে হয় তোকে কেউ আপন করে নিবে?হাহা দুআ,নিবে না।”\n–“আমি কিছুই করতে আসিনি ঢাকায়।আর আপনি..আপনি আমাকে এইসব কেনো বলবেন?”\nদুআর কণ্ঠস্বর ভেঙে আসছে।চোখ তার জলে ভর্তি।\n–“এই!একদম মুখ চালাবি না।জমিদারের মেয়ে হয়েছিস বলে আমি তোকে আহ্লাদ করবো এমনটা কখনোই হবে না তুই জানিস।তোর জন্যে আমার এতো ঘৃণা সেটা তোর জানার দরকার নেই।কিন্তু,আমি তোকে ঘৃণা করি।আর শুনে রাখ,তোর সাথে কারো পিরিতি দেখলেই সেখানে তোর চামড়ার রোগের কথা আমি ঢাকঢোল পিটিয়ে তাকে জানিয়ে দিবো।”\nতাসনিম হাতটা মুচড়ে দিলো দুআর।ব্যাথায় অস্ফুট স্বরে মুখে হাত রাখলো সে।অশ্রু এসে ভিড় করলো তার গালের দুইপাশের আয়তনে।তাসনিম চলে গেলো।দুআ মুখে হাত রেখে অবাক ভঙ্গিতে দুয়ারের দিকে তাকিয়ে আছে।তাকে এতো ঘৃণা কেনো করে এই মহিলা সেটা তার অজানা।কিন্তু,দুআর ভাবনা তার ভেতরকার ত্বকের জন্যেই মহিলাটা তাকে ঘৃণা করে!এই মহিলার কথা যদি সে বাসায় জানায় তাহলে মহিলার ধ্বংস নিশ্চিত।তবে দুআ চাই না,এমন কাজের জন্যে কেউ একেবারে দুনিয়া থেকেই বিদেয় হোক!\nদুআ নিজের অশ্রু বিসর্জন সংযত করার চেষ্টায় রইলো।কিন্তু,সে নিরুপায়।হাতের মোচড় দেওয়া অংশে তীব্র জ্বালাপোড়া করছে তার।বিপরীত দিকে ফিরে নিচের অধর চেপে কান্না সংবরণ করতে ব্যস্ত হয়ে পড়লো দুআ।\n\n–“দুআ আপু,তুমি উঠে পড়েছো!রুমে তোমাকে না পেয়ে এইখানে চলে এসেছি সোজা।আমি জানতাম তুমি এইখানেই থাকবে।”\nমারিয়া এসে দুআর পাশাপাশি অবস্থান করলো।\nনিজের আঁখি জোড়া হাতের উল্টো পিঠে ঘষলো দুআ,\n–“গুড মর্নিং, মারু।”\nমারিয়ার কাছে দুআর কণ্ঠস্বর অন্যরকম মনে হলে মারিয়া দুআর বাহু চেপে নিজের দিকে ফেরালো,\n–“কান্না করছো কেনো,চাঁদ আপু?”\n–“উম,না।আমি ঠিক আছি।”\nকথাটা বলে দুআ আর দাঁড়ালো না।দ্রুত গতিতে সম্মুখে পা ফেললো।\n\nইয়াদ প্র্যাক্টিসের জন্যে রুম থেকে বের হতেই দেখে দুআ এক প্রকার দৌড়াচ্ছে।কোমরের নিচে থাকা চুলগুলো দুলছে সমানতালে।ইয়াদের ভ্রুযুগল সংকুচিত হয়ে এলো।মারিয়া দুআর পিছু ছুটতে নিলে ইয়াদ কর্কশ শব্দে তাকে বলে,\n–“দুআ, দৌড় দিলো কেনো?”\n–“জানিনা।চাঁদ আপু,কান্না করছিলো।”\nইয়াদ বুঝলো দুআকে তার কাছের মানুষেরা চাঁদ নামে ডাকে।সেদিন দুআর মাও তাকে চাঁদ বলে ডেকেছিল।\n\nতবে,ইয়াদের আমলে এলো না, দুআ কাদঁছে কেনো?\n–“তুমি কিছু বললে নাকি আবার?”\n–“আমি?আমি কেনো কিছু বলবো?তুমি কি জানো এক দিনেই আপু আমার আপনজনের খাতায় নাম লিখিয়েছে, আর আমিও আপুর আপনজনের খাতায় নাম লিখিয়েছি।তাই তো আমাকে আপু ‘মারু’ আর আমি আপুকে ‘চাঁদ’ বলেই ডাকি।”\nমারিয়া এক নিশ্বাসে জবাব দিলো।\n–“বুঝলাম।এখন কান্নার ব্যাপারটা উদ্ধার করো।ছাদে গিয়ে আমাকে খবর দিয়ে আসবে,কান্নার কারণ কি ছিলো?”\n–“আচ্ছা ভাইয়া।”\nমারিয়া ইয়াদের দিকে সন্দেহভাজন দৃষ্টি নিক্ষেপ করে রুমের দিকে ছুটলো।ইয়াদ দুআর প্রতি একটু যত্নশীল হচ্ছে,মারিয়া এই ব্যাপারটা আন্দাজ করতে পারছে।মনে মনে মারিয়া খুশি হলো যেনো!\n\nরুমে গিয়ে সে দেখলো দুআ রামিসার পাশে শুয়ে আছে।মারিয়া অনেক প্রশ্ন করলো দুআকে।কিন্তু, দুআর মুখ বন্ধ।শেষে সে জবাব দিলো,\n–“বাসার কথা মনে আসছিলো।ইচ্ছা করছে এখনই চলে যায় বাসায়।”\n–“নাহ নাহ।তুমি আরো দুইদিন থাকবে এরপর যাবে বাসায়।তাছাড়া ঢাকায় চারদিকে পানি আর পানি।এমন অবস্থায় যাওয়াটা ভালো হবে না।দেখো এখনো বৃষ্টির আগমন হওয়ার অপেক্ষায় আছে আকাশটা।”\n–“তুই কেনো ওর কান্না নিয়ে এতো মাথা ঘামাচ্ছিস মারিয়ার বাচ্চা?তুই ওর প্রেমিক?”\nমারিয়া হেসে মাথা দোলালো দুইদিকে রামিসার প্রশ্নে,\n–“ইয়াদ ভাইয়া বলেছিলো,দুআ আপুর কান্নার কারণটা উদঘাটন করতে।যদি জবাব না দিতে পারতাম,তবে ভাইয়া ভাবত তার বোন কাঁচকলা।”\nরামিসা সন্দেহের দৃষ্টিতে দুআর পানে দেখলো।\n\nকিন্তু,দুআর মুখ দেখে কোনো কিছুর হাদীস পেলো না সে।বরং তার মনে হলো,দুআ আসলেই দুঃখিত কিছু নিয়ে।মারিয়ার সম্মুখে আর প্রশ্ন করলো না সে দুআকে।\nঅন্যদিকে দুআ চোখ বুজেই ভাবছে,\n–“আমার কান্না করার ব্যাপারে উনার জিজ্ঞেস করার কিই বা আছে?আমার মতো সাধারণ মানুষের কথা ভাবার সময় কি ইয়াদের আছে?হয়তো বা,মেহমান বলে একটু ভাবছেন!”\nদুআ কিছু চিন্তা করলো না আর।আপাতত হাতার আড়ালেই দাগটুকু ঢেকে রাখার সিদ্ধান্ত নিলো সে।\n\nসকালের নাস্তা সেরে মারিয়া এবং জিয়া তাদের দুইজনকে নিয়ে ছাদে পৌঁছালো।দুআর নজর গেলো ছাদের এককোণে টাঙানো নেট এর বাউন্ডারির দিকে।কালো রঙের ফুল হাতা গেঞ্জি পড়ুয়া ইয়াদের অবয়ব দেখা যাচ্ছে সেখানে।ফর্সা মানবের উপর কালো জামা যেনো দূর থেকে আকর্ষণ করছে দুআর নজরকে!ইয়াদ বল উপরে ছুঁড়ে ব্যাটের সাহায্যে সেটাতে কয়েকবার আঘাত করে সাইডে রেখে দিলো।হাত থেকে গ্লাভস খুলে সে ব্যাগে রাখতে শুরু করলো তার জিনিসপত্র।জিয়া দুআকে নিয়ে অন্য পাশের সবকিছু দেখিয়ে দিচ্ছে।ছাদে বিদ্যমান দোলনায় ইতিমধ্যে রামিসা এক পা ঝুলিয়ে বসে পড়লো।\n\nমারিয়া চললো তার ভাইয়ের কাছে।\n\n–“ঘটনা জেনেছো?”\n–“হ্যাঁ।”\n–“ঘটনা কি?”\nইয়াদ ভ্রু নাচিয়ে প্রশ্ন করলো।\n–“আপু তার বাবা মাকে মিস করছে।এটাই বললো।”\n–“এতটুক ব্যাপারে কেউ কান্না করে?”\nইয়াদ ঠোঁট বাঁকিয়ে জবাব দিলো।\n–“দুআ আপু একটু বেশি সেনসিটিভ তো তাই।জানো,\nআপুকে যদি বাহিরের কেউ কিছু বললে বা ধমক দিলে আপু এক বিন্দু প্রতিবাদ করে না।সবসময় নাকি রামিসা আপু আর তাদের বাহিনী দুআ আপুকে রক্ষা করে।কিন্তু,যাদের সাথে আপু মিশে,আপু একদম মন প্রাণ দিয়ে কথা বলে।এইযে দেখো,আমার সাথে আপু কতো সুন্দর কথা বলে;আমাকে রাতে ঘুম পাড়িয়ে দিয়েছিল।”\nইয়াদের কর্ণগহ্বরে দুআর তারিফ প্রবেশ করছে সাথে ইয়াদের দৃষ্টি দুআর মাঝেই সীমাবদ্ধ।মারিয়া তার ভাইয়ের পানে তাকাতেই দেখলো তার ভাইয়ের দৃষ্টি এখনো নিবদ্ধ দুআতে।\n–“দুআ আপু অনেক বেশি শুভ্র,তাই না ভাইয়া?”\n–“হুম,অনেক বেশি।”\nইয়াদ অন্যমনস্ক হয়ে বললো।\n–“হাহাহা ভাইয়া,এই কথা এখন সবার কানে যাবে!”\nমারিয়া কথাটা বলে দৌড় দিলেই ইয়াদের জ্ঞান ফিরে আসে।সে ঘটনা চাপা দিতে তীব্র স্বরে মারিয়াকে চিল্লিয়ে উঠলো,\n–“মুখ খুললেই কিন্তু ভাইয়া আর কখনো তোমাকে আদর করবে না।”\nতার চিৎকারে দুআ হাত চেপে ধরলো জিয়ার।মারিয়ার পা গেলো থমকে।\n\nদুআ ভীত নজরে সেদিকে দৃষ্টি জ্ঞাপন করলো।ইয়াদের মুখে যেনো এখন প্রচুর বিরক্তির ছুটাছুটি।পাশে থাকা ব্যাগ নিয়ে মনবটা হনহন করে বেরিয়ে যেতে আরম্ভ করলো।তবে এর পূর্বে হয়ে গেলো এক অজানা কান্ড।ইয়াদ দুআর পানে এক তীক্ষ্ণ নজর ব্যক্ত করলো।এই তীক্ষ্ণ নজরে দুআর সর্ব সত্ত্বা যেনো ঝনঝন করে তৈরি করলো এক নতুন শব্দের!\n\n–“এই ছেলেটা কেনো এতো চিল্লায়,আমি কিছু বুঝি না।দুআ তুমি ভয় পেয়েছো?”\nজিয়ার প্রশ্নে দুআর নজর সেদিক থেকে সরলো,\n–“নাহ ভয় পায়নি।একটু চমকে গেলাম।”\n–“এই মারিয়া,ইয়াদ চিল্লিয়েছে কেনো?”\n–“জানিনা।”\nজিয়ার প্রশ্নে মারিয়া রাগ দেখিয়ে বললো।\nমারিয়া হনহন করে বেরিয়ে পড়লো ছাদ থেকে।\n–“মারিয়া কি রাগ করেছে?”\nদুআর চিন্তামাখা কণ্ঠ।\n–“আরে ধুর।আমি দেখছি গিয়ে।”\nরামিসা উঠে পড়লো দোলনা থেকে।\n\nজিয়া বকবক করা শুরু করলো তার আর জামালের প্রেম কাহিনীর সম্পর্কে।দুআ সেখানে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। এতে জিয়া আরো বেশি খুশি হলো। কারণ, সে বুঝলো দুআর নিরবতা তাদের কাহিনী শোনার জন্যে আগ্রহ প্রকাশ করছে। তবে,দুআ ভাবছে,\n–“এই খেলোয়াড় এইভাবে হুটহাট রেগে যায় কেনো?এখন শান্ত তো এখন অশান্ত।অদ্ভুত!”",
        "series": {
            "id": 79,
            "title": "আমার চন্দ্রাবতী",
            "slug": "amar-chondraboti",
            "url": "https://golpohub.com/series/amar-chondraboti",
            "thumbnail_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/series-amar-cndrabtee-79-40bf09.webp",
            "progress_status": "completed"
        },
        "author": {
            "id": 61,
            "name": "সালসাবিল সারা",
            "slug": "salsabil-sara",
            "url": "https://golpohub.com/authors/salsabil-sara",
            "avatar_url": "https://cdn.golpohub.com/avatars/author-salsabil-sara-61-71192d.webp",
            "bio": "সালসাবিল সারা সমসাময়িক বাংলা ডিজিটাল কথাসাহিত্যের এক সংবেদনশীল ও প্রতিভাবান কণ্ঠস্বর। মানবমনের নিভৃত দ্বিধা, সম্পর্কের গভীর বোঝাপড়া, গ্রামীণ সারল্য এবং শহুরে বাস্তবতার টানাপোড়েনকে তিনি তাঁর লেখনীতে চমৎকার দক্ষতায় ফুটিয়ে তোলেন। তাঁর সৃষ্ট চরিত্রগুলো সাধারণের ভিড়ে থেকেও নিজস্ব আত্মসম্মান, লুকানো ক্ষত ও অন্তর্গত শুভ্রতায় অনন্য হয়ে ওঠে।\n\nপ্রেমের গভীরতায় কেবল বাহ্যিক সৌন্দর্য নয়, বরং আত্মার পবিত্রতা ও নিঃশর্ত আত্মনিবেদনকে প্রাধান্য দিয়ে তিনি পাঠকমনে এক স্থায়ী মায়াজাল সৃষ্টি করেন। 'আমার চন্দ্রাবতী' উপন্যাসে ক্রীড়াজগতের চাকচিক্য ও গ্রামীণ জমিদারি ঐতিহ্যের পটভূমিকায় তিনি যে রোমান্টিক আবেশ ও মনস্তাত্ত্বিক নির্ভরতার চিত্র এঁকেছেন, তা বাংলা অনলাইন পাঠকমহলে বিপুল প্রশংসা কুড়িয়েছে।",
            "series_count": 0,
            "meta": {
                "bio": "সালসাবিল সারা সমসাময়িক বাংলা ডিজিটাল কথাসাহিত্যের এক সংবেদনশীল ও প্রতিভাবান কণ্ঠস্বর। মানবমনের নিভৃত দ্বিধা, সম্পর্কের গভীর বোঝাপড়া, গ্রামীণ সারল্য এবং শহুরে বাস্তবতার টানাপোড়েনকে তিনি তাঁর লেখনীতে চমৎকার দক্ষতায় ফুটিয়ে তোলেন। তাঁর সৃষ্ট চরিত্রগুলো সাধারণের ভিড়ে থেকেও নিজস্ব আত্মসম্মান, লুকানো ক্ষত ও অন্তর্গত শুভ্রতায় অনন্য হয়ে ওঠে।\n\nপ্রেমের গভীরতায় কেবল বাহ্যিক সৌন্দর্য নয়, বরং আত্মার পবিত্রতা ও নিঃশর্ত আত্মনিবেদনকে প্রাধান্য দিয়ে তিনি পাঠকমনে এক স্থায়ী মায়াজাল সৃষ্টি করেন। 'আমার চন্দ্রাবতী' উপন্যাসে ক্রীড়াজগতের চাকচিক্য ও গ্রামীণ জমিদারি ঐতিহ্যের পটভূমিকায় তিনি যে রোমান্টিক আবেশ ও মনস্তাত্ত্বিক নির্ভরতার চিত্র এঁকেছেন, তা বাংলা অনলাইন পাঠকমহলে বিপুল প্রশংসা কুড়িয়েছে।",
                "pen_name": "সালসাবিল সারা",
                "aliases": [
                    "Salsabil Sara",
                    "সালসাবিল",
                    "Sara Salsabil"
                ]
            },
            "timestamps": {
                "created_at": null,
                "updated_at": null
            }
        },
        "navigation": {
            "previous_episode": {
                "id": 2920,
                "ep_number": 8,
                "title": "দৃষ্টির সীমানায় নীরব বন্দনা",
                "slug": "amar-chondraboti-s1-ep8",
                "url": "https://golpohub.com/episodes/amar-chondraboti-s1-ep8",
                "thumbnail_url": "https://golpohub.com/assets/images/og.jpg"
            },
            "next_episode": {
                "id": 2922,
                "ep_number": 10,
                "title": "বিদায়ের বিষাদ ও মোহমুক্তিহীন হৃদয়",
                "slug": "amar-chondraboti-s1-ep10",
                "url": "https://golpohub.com/episodes/amar-chondraboti-s1-ep10",
                "thumbnail_url": "https://golpohub.com/assets/images/og.jpg"
            }
        }
    }
}