{
    "_links": {
        "html": "https://golpohub.com/episodes/ami-padmaja-s1-ep85",
        "json": "https://golpohub.com/episodes/ami-padmaja-s1-ep85?format=json",
        "markdown": "https://golpohub.com/episodes/ami-padmaja-s1-ep85?format=md",
        "rss": "https://golpohub.com/episodes/ami-padmaja-s1-ep85?format=rss",
        "atom": "https://golpohub.com/episodes/ami-padmaja-s1-ep85?format=atom"
    },
    "seo": {
        "canonical_url": "https://golpohub.com/episodes/ami-padmaja-s1-ep85",
        "title": "আমি পদ্মজা পর্ব ৮৫ - সাদা শাড়িতে রক্তের প্রথম ছাপ | Ami Padmaja Part 85",
        "description": "পড়ুন আমি পদ্মজা পর্ব ৮৫। সাদা শাড়ি পরে পদ্মজার রুদ্রমূর্তি এবং জসিমকে রাম দা দিয়ে এক কোপে বধ।",
        "keywords": "আমি পদ্মজা পর্ব ৮৫, ami padmaja porbo 85, ami padmaja part 85, জসিম, খুন, পদ্মজা, লতিফা, সাদা শাড়ি",
        "image_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-197-1be7e0.webp",
        "schema": {
            "@context": "https://schema.org",
            "@graph": [
                {
                    "@type": "Chapter",
                    "name": "সাদা শাড়িতে রক্তের প্রথম ছাপ",
                    "position": 85,
                    "description": "নিজেকে বিধবা ঘোষণা করে সাদা শাড়ি গায়ে জড়ায় পদ্মজা। রাতের আঁধারে লতিফাকে ধর্ষণের চেষ্টা করতেই জসিমের গলার অর্ধেক রাম দা দিয়ে এক কোপে নামিয়ে দেয় পদ্মজা!",
                    "url": "https://golpohub.com/episodes/ami-padmaja-s1-ep85",
                    "inLanguage": "bn",
                    "timeRequired": "PT14M",
                    "datePublished": "2026-08-27T22:01:27+00:00",
                    "dateModified": "2026-09-05T22:50:38+00:00",
                    "wordCount": 2104,
                    "image": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-197-1be7e0.webp",
                    "isPartOf": {
                        "@type": [
                            "BookSeries",
                            "CreativeWorkSeries"
                        ],
                        "name": "আমি পদ্মজা",
                        "url": "https://golpohub.com/series/ami-padmaja"
                    },
                    "author": {
                        "@type": "Person",
                        "name": "ইলমা বেহরোজ",
                        "url": "https://golpohub.com/authors/elma-behrooz"
                    }
                },
                {
                    "@type": "BreadcrumbList",
                    "itemListElement": [
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 1,
                            "name": "Golpo Hub",
                            "item": "https://golpohub.com"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 2,
                            "name": "সিরিজসমূহ",
                            "item": "https://golpohub.com/series"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 3,
                            "name": "আমি পদ্মজা",
                            "item": "https://golpohub.com/series/ami-padmaja"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 4,
                            "name": "সাদা শাড়িতে রক্তের প্রথম ছাপ",
                            "item": "https://golpohub.com/episodes/ami-padmaja-s1-ep85"
                        }
                    ]
                }
            ]
        }
    },
    "filters": [],
    "data": {
        "id": 197,
        "ep_number": 85,
        "title": "সাদা শাড়িতে রক্তের প্রথম ছাপ",
        "slug": "ami-padmaja-s1-ep85",
        "url": "https://golpohub.com/episodes/ami-padmaja-s1-ep85",
        "reading_time": 14,
        "thumbnail_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-197-1be7e0.webp",
        "yt_video_id": null,
        "yt_video_url": null,
        "timestamps": {
            "published_at": "2026-08-27T22:01:27+00:00",
            "updated_at": "2026-09-05T22:50:38+00:00"
        },
        "meta": {
            "word_count": 2104,
            "chapter_number": 85,
            "seo_title": "আমি পদ্মজা পর্ব ৮৫ - সাদা শাড়িতে রক্তের প্রথম ছাপ | Ami Padmaja Part 85",
            "seo_description": "পড়ুন আমি পদ্মজা পর্ব ৮৫। সাদা শাড়ি পরে পদ্মজার রুদ্রমূর্তি এবং জসিমকে রাম দা দিয়ে এক কোপে বধ।",
            "keywords": "আমি পদ্মজা পর্ব ৮৫, ami padmaja porbo 85, ami padmaja part 85, জসিম, খুন, পদ্মজা, লতিফা, সাদা শাড়ি",
            "characters_involved": [
                "পদ্মজা",
                "লতিফা",
                "জসিম",
                "আমির"
            ]
        },
        "content": "<p>মঙ্গলবার দুপুর বারোটা। হাওলাদার বাড়িতে কারো কোনো সাড়াশব্দ নেই। আলগ ঘরের বারান্দায় মজিদ বসে আছেন। তার সামনে খলিল এবং রিদওয়ান। রিদওয়ান চারপাশ দেখে মজিদের দিকে ঝুঁকে বললো,&#8217; কাকা,পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাবে। তার আগে আমাদের কিছু করতে হবে।&#8217;</p>\n<p>মজিদ পান চিবোতে চিবোতে বললেন,&#8217; কোন পরিস্থিতি?&#8217;</p>\n<p>&#8216;আমিরের হাব-ভাব  ভালো না। ও কখন আমাদের উপর চড়া হয়ে যায় জানি না। আপনি আমি আব্বা সবাই জানি আমির কী কী করতে পারে! আমির আমাকে আর আব্বাকে কখনোই পছন্দ করেনি। আপনাকেও সেদিন মারলো। তাছাড়া আমাদের উপর আমিরের পুরনো একটা ক্ষোভ আছে।&#8217;</p>\n<p>মজিদ পান চিবানো বন্ধ করে বললেন,&#8217; বাবু আমাদের খুন করবে?&#8217;</p>\n<p>রিদওয়ান সোজা হয়ে বসলো। লম্বা করে নিঃশ্বাস নিয়ে বললো,&#8217; কাকা, আমির পদ্মজার জন্য পাগল। পদ্মজার জন্য অনেক কিছু করতে পারে। আমাদের খুন করে পদ্মজাকে নিয়ে ভালো থাকতে চাইতেই পারে।&#8217;</p>\n<p>মজিদ হাসলেন। যেন রিদওয়ান কোনো কৌতুক বলেছে। রিদওয়ান অধৈর্য্য হয়ে পড়ে। বললো,&#8217;কাকা,বিশ্বাস করুন আমি আমিরর চোখেমুখে কিছু একটা দেখেছি। ও কিছু একটা করতে যাচ্ছে। আর পদ্মজা তো আছেই। পদ্মজা এতো শান্ত-স্বাভাবিক,মনে হচ্ছে কিছুই হয়নি। এসব লক্ষণ কিন্তু ভালো না কাকা। আমির যেমন ভয়ংকর পদ্মজাও তেমন ভয়ংকর। যেকোনো মুহূর্তে আমাদের ক্ষতি করতে পারে।&#8217;</p>\n<p>মজিদ হাওলাদার মেরুদণ্ড সোজা করে বসলেন। গুরুতর ভঙ্গিতে বললেন,&#8217; পদ্মজাকে নিয়ে আমারও চিন্তা আছে। এই মেয়ের চোখের দিকে তাকানো যায় না।&#8221;</p>\n<p>মজিদ হাওলাদারের কল্পনায় পদ্মজার চোখ দুটি ভেসে উঠে। সবসময় তিনি  পদ্মজার চোখের ভেতর আগ্নেয়গিরি দেখতে পান। তিনি দ্রুত মাথা ঝাঁকালেন। বললেন,&#8217;খলিল, পদ্মজার কিছু একটা করতে হবে। এই মেয়ে ক্ষতিকর। ধরে-বেঁধে রাখার মেয়ে না। &#8216;</p>\n<p>খলিল বললেন,&#8217;এই ছেড়ি এতোকিছু দেইক্ষাও ডরায় নাই। আর কেমনে ডরাইবো?&#8217;</p>\n<p>মজিদ থুথু ফেলে বললেন,&#8217; পদ্মজাকে রাখাই যাবে না। এই দায়িত্ব রিদুর।&#8217;</p>\n<p>রিদওয়ানের চোখ দুটি জ্বলজ্বল করে উঠলো। পরপরই সেই আলো নিভে গেল। সে প্রশ্ন করলো,&#8217; আর আমির? আমির পদ্মজার ক্ষতি মানবে না।&#8217;</p>\n<p>মজিদ চিন্তায় পড়ে যান। কিছু বলতে পারলেন না। রিদওয়ান উত্তেজিত। সে চেয়ার ছেড়ে মজিদের পায়ের কাছে বসলো। বললো,&#8217; কাকা, গত পরশু যা হলো,আমির জানতে পারলে আপনাকে, আমাকে আর আব্বাকে কাউকে ছাড়বে না। আমির গ্রামের সবাইকে ডেকে সবকিছু বলে দিতে পারে।&#8217;</p>\n<p>মজিদ ধমকে উঠলেন,&#8217; বাবু এটা কখনো করবে না। নিজের ক্ষতি করবে না।&#8217;</p>\n<p>&#8216;করবে কাকা,করবে। ওর মাথা ঠিক নাই। আমাদের ক্ষতি করতে ওর হাত কাঁপবে না। মাথাও কাজ করবে না। আর নিজের ক্ষতি তো এখনই করতেছে। পরেও করতে পারবে।&#8217;</p>\n<p>মজিদ হাওলাদারের চোখেমুখে দুশ্চিন্তার ছাপ পড়ে। রিদওয়ানের কথায় যুক্তি আছে। রিদওয়ান বললো,&#8217; কাকা,আমির এখন আমাদের জন্যও হুমকি।&#8217;</p>\n<p>মজিদ হাওলাদার রিদওয়ানের দিকে ঝুঁকে বললেন,&#8217;আমির ছাড়া আমরা অচল রিদু। এখনের মানুষ সচেতন,বুদ্ধিমান,আইন শক্তিশালী এমন অবস্থায় আমির ছাড়া কী করে চলবে? আমিরের মাথা পরিষ্কার। একবার-দুইবার না বার বার পুলিশ সন্দেহ করেও সন্দেহ ধরে রাখতে পারেনি। আমির সামলিয়েছে।&#8217;</p>\n<p>রিদওয়ান আশ্বাস দিল,&#8217;কাকা,আমরা সাবধান থাকব। আপনাদের পঞ্চাশ বছরের অভিজ্ঞতা আছে আর আমার বিশ বছরের অভিজ্ঞতা। আমরা চাইলে সামলাতে পারবো।&#8217;</p>\n<p>মজিদ হাওলাদার রিদওয়ানের দিকে তীক্ষ্ণ চোখে তাকালেন। বললেন,&#8217; বাবুর জায়গা নেয়ার জন্য এসব বলছিস?&#8217;</p>\n<p>রিদওয়ানের চোখেমুখে হতাশার ছাপ পড়লো। সে চেয়ারে উঠে বসলো। বললো,&#8217; আমার একার কোনো স্বার্থসিদ্ধি নাই কাকা। আব্বা আর আপনাকেও বাঁচাতে চাইছি। আমির আগের আমির নাই। আপনার বড় ভুল পদ্মজার সাথে আমিরের বিয়ে দেয়া।&#8217;</p>\n<p>মজিদ হাওলাদার উঠে দাঁড়ালেন। গম্ভীর স্বরে বললেন,&#8217; আমার ছেলের সাথে আমি কথা বলবো। তারপর সিদ্ধান্ত নেব।&#8217;</p>\n<p>মজিদ হাওলাদার চলে যান। তিনি চোখের আড়াল হতেই রিদওয়ান মজিদের চেয়ার লাথি দিয়ে ফেলে দিল। রাগে গজগজ করতে করতে বললো,&#8217; শু*** বাচ্চা।&#8217;</p>\n<p>খলিল রিদওয়ানের উরুতে এক হাত রেখে বললেন,&#8217; মাথাডা ঠান্ডা করো আব্বা।&#8217;</p>\n<p>রিদওয়ান চোখ বড়-বড় করে বললো,&#8217; আর কতদিন ওদের বাপ-ব্যাঠার কামলা খাটব? আদেশ মানব? মার খাব? বলতে পারেন? আমার বাধ্য হয়ে বলতে হচ্ছে,আপনি অকর্মার ঢেকি আব্বা। কাকা সবকিছু আমিরের নামে করে দিল আপনি টু শব্দও করেননি। &#8216;</p>\n<p>খলিল হাওলাদার দাঁতে দাঁত চেপে চুপ করে রইলেন। তিনি ছোট থেকেই মনে মনে মজিদের উপর ক্ষিপ্ত। গোপনে অনেক পরিকল্পনাই করেছেন কখনো তা বাস্তবে রূপ নেয়নি!</p>\n<p>লতিফা পদ্মজার ঘরে প্রবেশ করে দেখলো,পদ্মজা নেই। সে হাতের বস্তা পালঙ্কের নিচে রাখলো। বস্তার ভেতর পদ্মজার চাওয়া কিছু জিনিসপত্র রয়েছে। লতিফা ঘর থেকে বের হওয়ার জন্য উদ্যত হয়। তখন গোসলখানা থেকে পদ্মজা বের হলো। পদ্মজাকে দেখে লতিফার শরীর কেঁপে উঠে। পদ্মজার পরনে একদম সাদা শাড়ি! ভেজা চুল থেকে টুপটুপ করে জল পড়ছে। এই সন্ধ্যাবেলা সে গোসল করেছে! বাঁকানো কোমর,ধবধবে ফর্সা গায়ের রঙ,ঘন কালো লম্বা চুল,রক্তজবা ঠোঁট,মসৃণ ত্বক থাকা সত্ত্বেও তাকে ভয়ংকর দেখাচ্ছে। পদ্মজা তো বিবাহিত সে কেন সাদা শাড়ি পরলো? লতিফার অনুভব হয়,তার পায়ের তলার মেঝে কেঁপে উঠেছে। পদ্মজা চুল মুছতে মুছতে বললো,&#8217; যা আনতে বলছিলাম এনেছো?&#8217;</p>\n<p>লতিফা নিরুত্তর। পদ্মজা লতিফার দিকে তাকালো। লতিফা হা করে তাকিয়ে আছে। পদ্মজা ডাকলো,&#8217;লুতু বুবু?&#8217;</p>\n<p>লতিফা এগিয়ে আসে। তার বিস্ময়কর চাহনি। পদ্মজা লতিফার বিস্ময়ের কারণ বুঝতে পেরেছে। লতিফা বললো,&#8217; তুমি সাদা কাপড় পিনছো কেরে?&#8217;</p>\n<p>পদ্মজা হেসে বললো,&#8217;বলা যাবে না।&#8217;</p>\n<p>লতিফা বলার মতো কথা খুঁজে পেল না। পদ্মজা আলমারি থেকে ছাই রঙা ব্লাউজ বের করলো। বিছানার উপর বসে বললো,&#8217; লুতু বুবু, ব্লাউজের এ পাশটা সেলাই করে দাও। তোমার হাতের সেলাই খুব সুন্দর হয়।&#8217;</p>\n<p>লতিফার ধীর পায়ে পদ্মজা সামনে এসে দাঁড়ালো। পদ্মজার হাত থেকে ব্লাউজ নিয়ে বিছানায় বসলো। পদ্মজা একটা ছোট বাক্স থেকে সুই-সুতা বের করে লতিফাকে দিল। লতিফা রয়ে সয়ে বললো,&#8217; শাড়িডা কি বুড়ির?&#8217;</p>\n<p>পদ্মজা ছোট করে জবাব দিল &#8216;হু।&#8217;</p>\n<p>লতিফা বললো,&#8217; হ,কাপড়ডা দেইক্ষাই চিনছি।&#8217;</p>\n<p>পদ্মজা বললো,&#8221;দাদুর অবস্থা খুব বাজে। শরীরে মাছি বসে,বাজে গন্ধ বের হয়। যন্ত্রণায় ছটফট করে।&#8217;</p>\n<p>লতিফা হঠাৎ করেই হইহই করে উঠলো,&#8217; আল্লাহর শাস্তি আল্লাহই দেয় বইন। বুড়ির সাথে উচিত অইতাছে। বুড়ি কানলে আমার যে কি শান্তি লাগে পদ্ম। মরুক বুড়ি,মরুক! &#8216;</p>\n<p>পদ্মজা নরম স্বরে বললো,&#8217; এভাবে বলো না বুবু। এভাবে বলতে নেই।&#8217;</p>\n<p>লতিফা পদ্মজার চোখের দিকে তাকালো। হাতের ব্লাউজটা বিছানায় রেখে পদ্মজার এক হাত চেপে ধরে বললো,&#8217; তুমি সাদা কাপড় কেরে পিনছো পদ্ম? আমারে কও।&#8217;</p>\n<p>লতিফার চোখেমুখে জানার প্রবল আগ্রহ। পদ্মজা ধীরেসুস্থে বললো,&#8217; আমি ধরে নিয়েছি আমার স্বামী মৃত।&#8217;</p>\n<p>&#8216;কিন্তু এইডা তো মিছা।&#8217;</p>\n<p>পদ্মজা গাঢ় নিঃশ্বাস ফেলে বললো,&#8217;এটা সত্য হবে বুবু।&#8217;</p>\n<p>&#8216;পদ্মজা&#8230;&#8217;</p>\n<p>&#8216;কিছু বলো না বুবু। এই সাদা রঙ আমার আত্মবিশ্বাস আর সাহসকে দ্বিগুণ করে দিয়েছে। সারাজীবন ভয়ে চুপ থেকেছো,অন্যায়কে-পাপকে সমর্থন করেছো। এবার অন্তত থেকো না। মরতে হবে তো তাই না? কবরে কী জবাব দিবে?&#8217;</p>\n<p>লতিফা মাথা নিচু করলো। ক্ষণমুহূর্ত পর বললো,&#8217; আমিতো কইছি তোমার সব কথা মাইননা চলাম। এখনো কইতাছি,সব মাইননা চলাম।&#8217;</p>\n<p>&#8216;এবার বলো,যা আনতে বলেছিলাম এনেছো?&#8217;</p>\n<p>&#8216;হ আনছি। পালঙ্কের নিচে রাখছি।&#8217;</p>\n<p>পদ্মজা পালঙ্কের নিচে থেকে বস্তা বের করে মেঝেতে বসলো। লতিফা ব্লাউজ সেলাই করা শুরু করে। পদ্মজা বস্তার ভেতর থেকে দুটো রাম দা, একটা চাপাতি বের করলো। লতিফা বললো,&#8217; পদ্ম, আমার অনেক ডর লাগতাছে। &#8216;</p>\n<p>পদ্মজা রাম দায়ের আগা দেখতে দেখতে বললো,&#8217; কী জন্য?&#8217;</p>\n<p>&#8216;তুমি যদি না পারো তুমারে ওরা মাইরা ফেলব।&#8217; লতিফার কণ্ঠে ভয়।</p>\n<p>পদ্মজা ঘাড় ঘুরিয়ে লতিফার দিকে তাকালো। তার চোখ-মুখের রঙ পাল্টে গেছে। পদ্মজা বললো,&#8217; আজ অনুশীলন করব। দেখা যাক,আমার হাত কতোটা সাহসী।&#8217;</p>\n<p>কথা শেষ করে পদ্মজা হাসলো। লতিফার অশান্তি হচ্ছে। সামনে কী হবে সে জানে না! কিন্তু যা ই হোক, খুব খারাপ হবে! পদ্মজা চাপাতি হাতে নিয়ে লতিফাকে ডাকলো,&#8217; বুবু?&#8217;</p>\n<p>&#8216;কও পদ্ম।&#8217;</p>\n<p>&#8216;জসিম গতকাল থেকে তোমার পিছনে ঘুরঘুর করছে দেখলাম।&#8217;</p>\n<p>লতিফার মনোযোগ সেলাইয়ে। সে সেলাই করতে করতে বললো,&#8217;জসিম আমারে খারাপ প্রস্তাব দিছে। ডর দেহাইছে,রাজি না হইলে জোর কইরা নাকি খারাপ কাম করব।&#8217;</p>\n<p>&#8216;ধর্ষণের হুমকি দিল?&#8217;</p>\n<p>&#8216;হ।&#8217;</p>\n<p>&#8216;জসিম,হাবু কতদিন ধরে কাজ করে এখানে?&#8217;</p>\n<p>&#8216;অনেক বছর। দশ-বারো বছর তো হইবই।&#8217;</p>\n<p>পদ্মজা চাপাতি দিয়ে রামদায় মৃদু আঘাত করে বললো,&#8217;হাবু তো এখন নাই। তাহলে শুরুটা জসিমকে দিয়েই হউক!&#8217;</p>\n<p>লতিফা চুপ রইলো। তার কাছে খুন স্বাভাবিক ব্যাপার। অনেক খুন সে নিজের চোখে দেখেছে। তাই খুনখারাপিতে তার ভয় নেই। কিন্তু এইবার ভয় হচ্ছে। খুব ভয় হচ্ছে। পদ্মজা সরাসরি কিছু বলেনি। তবে বুঝা যাচ্ছে সে কী করতে চলেছে। যদি পদ্মজা ধরা পড়ে যায়? তখন কী হবে! লতিফা ঢোক গিলল। সেলাইয়ে মন দেয়ার চেষ্টা করলো। পদ্মজা প্রশ্ন করলো,&#8217;মগা কি এসবের সাথে জড়িত?&#8217;</p>\n<p>&#8216;মগা অনেক ভালা পদ্ম। বাড়ির টুকটাক কাম করে। বেক্কলের মতো। আর খালি ঘুমায়। ওর ভিতরে প্যাচঁগোচ নাই।&#8217;</p>\n<p>&#8216;বাড়ির ভেতর কখনো মেয়ে নিয়ে আসা হয়নি?&#8217;</p>\n<p>&#8216;বাঁইচা আছে এমন আনে নাই। মরা আনছে।&#8217;</p>\n<p>পদ্মজা চমকে তাকাল। প্রশ্ন করলো,&#8217;মৃত মেয়ে দিয়ে কী করে?&#8217;</p>\n<p>লতিফা দরজার দিকে তাকালো। পদ্মজা দ্রুত উঠে যায় দরজা বন্ধ করতে। তারপর লতিফার সামনে এসে বসলো। লতিফা বললো,&#8217; যে ছেড়ি বেশি সুন্দর থাকে, জানে মারার পরেও রিদওয়ান ভাইজানে তারে ছাড়ে না।  মরা মানুষের শরীরের উপর টান খলিল কাকার আছিলো। রিদওয়ান ভাইজানেও এই স্বভাব পাইছে।&#8217;</p>\n<p>পদ্মজার গা গুলিয়ে উঠে। বমি গলায় চলে আসে। সে এক হাতে মুখ চেপে ধরলো। ঘৃণায় তার চোখে জলে ছলছল করে উঠে। লতিফা বললো,&#8217;রিদু ভাইজানে  কয়দিন আগেও বস্তাত ভইরা এক ছেড়িরে বাড়ির ছাদে আনছিলো। তিন তলা ঘরের দরজায় তালা আছিলো। তাই ছাদে গেছিল। পরে আমি চাবি লইয়া গেছি। বস্তা থাইকা রক্ত পড়ছিল। শীতের মাঝে কাঁইপা-কাঁইপা আমি রক্ত ধুইছি।&#8217;</p>\n<p>পদ্মজা কোনোমতে বললো,&#8217; তখন আমি এখানে ছিলাম?&#8217;</p>\n<p>&#8216;হ। পূর্ণা আর মৃদুল ভাইজানেও আছিলো।&#8217;</p>\n<p>পদ্মজা এক হাত কপালে ঠেকিয়ে বললো,&#8217;আল্লাহ! তাও আমার চোখে পড়েনি!&#8217;</p>\n<p>পদ্মজা সেকেন্ড দুয়েকের জন্য থামলো তারপর বললো,&#8217; এমনকি আমি তিন তলার এক ঘর থেকে বোটকা গন্ধ পেয়েছিলাম তবুও ভাবিনি এই বাড়িতে এতো ভয়ংকর ঘটনা ঘটে!&#8217;</p>\n<p>লতিফার সেলাই শেষ। সে ব্লাউজটি পদ্মজার উরুর উপর রেখে বললো,&#8217; লও তোমার বেলাউজ(ব্লাউজ)।&#8217;</p>\n<p>পদ্মজা রাগে কিড়মিড় করে লতিফাকে বললো,&#8217;দেখো,রিদওয়ানের শরীর টুকরো,টুকরো করে কুকুরের সামনে ছুঁড়ে দেব আমি।&#8217;</p>\n<p>লতিফা এতক্ষণে হাসলো। বললো,&#8217; আল্লাহ তোমারে শক্তি দেউক।&#8217;</p>\n<p>পদ্মজার ডান হাত কাঁপছে। সে তার ধৈর্য্য ধরে রাখতে পারছে না। এই মুহূর্তে সে যা শুনেছে, তারপর শান্ত থাকা সম্ভব নয়। লতিফা পদ্মজার মস্তিষ্ক অন্য প্রসঙ্গে নেয়ার জন্য বললো,&#8217; পারিজারে কেলা মারছে জানো পদ্ম?&#8217;</p>\n<p>পদ্মজা লতিফার দিকে তাকালো। পারিজার কথা মনে পড়লেই তার বুকের ব্যথা বেড়ে যায়। সে ম্লান হেসে বললো,&#8217; না। কিন্তু আন্দাজ করতে পেরেছি।&#8217;</p>\n<p>&#8216;আমির ভাইজানে জানে।&#8217;</p>\n<p>&#8216;সেটাও এখন বুঝতে পারছি। শুনেছি,তার আড়ালে একটা পাখিও উড়ে যেতে পারে না। সেখানে আমার মেয়ের খুনিকে সে চিনবে না? অবশ্যই চিনবে। কিন্তু কিছু করেনি কারণ এতে তার লোক কমে যাবে। ব্যবসার ক্ষতি হবে।&#8217;</p>\n<p>&#8216;কিছু যে করে নাই এইডাও ঠিক না। এক মাস পরে আমির ভাইজানে জানছে,রিদু ভাইজানে হাবলু মিয়ারে দিয়া পারিজারে খুন করাইছে। সব জাইননা হাবলু মিয়ারে আমির ভাইজানে কুড়াল দিয়া কুপাইছে। রিদু ভাইজানরে আমির ভাইজানে খুন করতে চাইছিলো কিন্তু বড় কাকার লাইগগা পারে নাই। তয় মাসখানেক হাসপাতালে আছিলো। বছরখানেক রিদু ভাইজানে আমির ভাইজানের সামনে যায় নাই।&#8217;</p>\n<p>পদ্মজা দুই হাতে চাদর খামচে ধরলো। তার চোখ থেকে জল গড়িয়ে পড়ে। সে কান্নামাখা স্বরে বললো,&#8217; কী নিষ্ঠুর ওরা! আমার ছোট বাচ্চা!&#8217;</p>\n<p>লতিফার পদ্মজার জন্য খুব মায়া হয়। মেয়েটা বড় বড় আঘাত সহ্য করেছে,করে যাচ্ছে! পদ্মজা বললো,&#8217; আমির হাওলাদার তার কাছ থেকে সবকিছু কেড়ে নিত বলে সে আমার মেয়েকে কেড়ে নিয়েছে তাই না?&#8217;</p>\n<p>লতিফা হ্যাঁ সূচক মাথা নাড়াল। পদ্মজা কাঁদো-কাঁদো স্বরে বললো,&#8217;প্রতিশোধ নিয়েছে সে! আমিও নেব। করুণ মৃত্যু হবে তার। এতো বড় সাহস কী করে পেলো সে? আমির হাওলাদারের মেয়েকে খুন করার সাহস রিদওয়ানের থাকার কথা না। তার পিছনে মজিদ হাওলাদার আর তার ভাই ছিল। তাদের সমর্থন ছিল।  সে জানতো,তাকে বাঁচানোর জন্য ঢাল হবে তারা।&#8217;</p>\n<p>লতিফা বিচলিত হয়ে বললো,&#8217; কাইন্দো না পদ্ম। আর কাইন্দো না।&#8217;</p>\n<p>পদ্মজা দুই হাতে চোখের জল মুছে বললো,&#8217; কাঁদব না আমি। আমার ছোট মেয়ে জান্নাতে তার নানুর সাথে আছে। সে সুখে আছে। এই জগতে তার না থাকাটাই ভালো হয়েছে বুবু।&#8217;</p>\n<p>পদ্মজাকে যত দেখে তত অবাক হয় লতিফা। এই নারী কীসের তৈরি? এতো যন্ত্রণা, এতো দুঃখ নিয়েও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। গ্রামবাসীর ছিঃ চিৎকার তাকে দূর্বল করতে পারেনি। যতবার ভেঙে যায় ততবার চোখের জল মুছে নতুন উদ্যমে বেঁচে উঠে। লতিফা দ্বিধাভরা কণ্ঠে বললো,&#8217;আমি তোমারে একবার জড়ায়া ধরি পদ্ম?&#8217;</p>\n<p>লতিফা ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গেছে অনেকক্ষণ। এশার নামায আদায় করে</p>\n<p>পদ্মজা ঘর থেকে বের হলো। দরজার পাশে জসিম নেই। একটু আগেই সে জসিমের কাশি শুনেছে। কোথায় গেল? অন্দরমহল অন্ধকারে ছেয়ে আছে। সন্ধ্যার পরপর বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার ব্যাপারটা বিরক্তিকর। বাড়িতে সাড়াশব্দও নেই। কখনোই থাকে না। সন্ধ্যা হলেই আলো ঘুমিয়ে পড়ে। রিনু তার ঘরে শুয়ে থাকে। লতিফা রান্নাঘরে টুকটাক কাজ করে,সবার আদেশ শুনে। আর এখন সবার খেয়েদেয়ে নিজের ঘরে যাওয়ার সময়। আর এই মুহূর্তেই জসিম উধাও! পদ্মজার স্নায়ু সাবধান হয়ে উঠলো।</p>\n<p>লতিফা রান্নাঘরে থালাবাসন ধুচ্ছে। থালাবাসন ধোয়া শেষে পানি গরম করার জন্য চুলায় আগুন ধরালো। রান্নাঘরে আর আলো নেই। জসিম লতিফার পিছনে গিয়ে দাঁড়ায়। লতিফা জসিমের উপস্থিতি টের পেয়ে কপাল কুঞ্চিত করলো। পিছনে ফিরে বললো,&#8217; আপনে আমার পিছনে ঘুরতাছেন কেরে?&#8217;</p>\n<p>&#8216;তোরে আমার পছন্দ অইছে। আমার লগে আয়।&#8217;</p>\n<p>&#8216;আমি যাইতাম না।&#8217;</p>\n<p>&#8216;আরে আয়,আয়।&#8217;</p>\n<p>জসিম হাসলো। তার বিদঘুটে হাসি। সে অনেক চিকন হলেও তালগাছের মতো লম্বা। লতিফার মাথা উঁচু করে তাকাতে হয়। লতিফা জসিমের আক্রমণের জন্য মনে মনে প্রস্তুত ছিল। সে সজোরে প্রবল কণ্ঠে বললো,&#8217; এন থাইকা বাইর হইয়া যা কুত্তার বাচ্চা! নাইলে তোরে আমি দা দিয়া কুপাইয়াম।&#8217;</p>\n<p>জসিম লতিফার ব্লাউজ টেনে ধরে। লতিফা চিৎকার করে দা হাতে নিতে নেয় জসিম লাথি দিয়ে দা সরিয়ে দেয়। লতিফা জসিমকে তার কাছ থেকে সরানোর চেষ্টা করে। দুজনের মাঝে ধ্বস্তাধস্তি শুরু হয়।  জসিম গায়ের জোরে লতিফার স্পর্শকাতর স্থানে ছুঁতেই লতিফা চিৎকার করে মজিদ আর আমিনাকে ডাকলো। জসিম টেনেহিঁচড়ে লতিফার শাড়ি খুলে ফেললো।  লতিফার গায়ে হাত দেয়ার অনুমতি সে খলিলের কাছে পেয়েছে। যদিও খলিল বলেছিল,বাড়িতে কিছু না করতে। কিন্তু জসিম সে কথা শুনেনি। ফলে,তার পরিণতি ভয়ংকর হয়। সাদা শাড়ির আবরণে আচ্ছাদিত পদ্মজা রান্নাঘরের দরজার সামনে এসে দাঁড়ায়। তার হাতে রাম দা। লতিফা পদ্মজাকে দেখে জসিমকে দুই হাতে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে। পদ্মজা শক্ত করে রাম দা ধরলো। তারপর &#8216;জারজের বাচ্চা, মর&#8217; বলে পিছন থেকে জসিমের গলায় কোপ বসাল। জসিমের গলা অর্ধেক কেটে যায়। রক্ত ছিটকে পড়ে পদ্মজার গায়ে। লতিফার নাকমুখ রক্তে ভেসে যায়। কিছু রক্ত ছিটকে আগুনে পড়ে। রক্তে রান্নাঘরের থালাবাসন,পাতিল রাঙা হয়ে উঠে। দেহটি সজোরে শব্দ তুলে মেঝেতে পড়ে গেল। লতিফার মুখ দিয়ে রক্ত প্রবেশ করায় সে বমি করতে থাকে। পদ্মজার বুক হাঁপড়ের মতো উঠানামা করছে। সে চোখ বুজে লম্বা করে নিঃশ্বাস নিয়ে স্থির হলো।  তারপর লতিফার দিকে তাকিয়ে মৃদু হেসে বললো,&#8217; এটা  কিন্তু আমার দ্বিতীয় শিকার ছিল।&#8217;</p>",
        "series": {
            "id": 3,
            "title": "আমি পদ্মজা",
            "slug": "ami-padmaja",
            "url": "https://golpohub.com/series/ami-padmaja",
            "thumbnail_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/series-ami-pdmja-3-76884d.webp",
            "progress_status": "completed"
        },
        "author": {
            "id": 3,
            "name": "ইলমা বেহরোজ",
            "slug": "elma-behrooz",
            "url": "https://golpohub.com/authors/elma-behrooz",
            "avatar_url": "https://cdn.golpohub.com/avatars/ilma-behroj-3-87a9ea.webp",
            "bio": "ইলমা বেহরোজ সমকালীন বাংলা অনলাইন কথাসাহিত্যের এক শক্তিমান ও তুমুল জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক। মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন, গ্রামীণ পটভূমিতে গড়ে ওঠা সামাজিক বাস্তবতার অন্ধকার গহ্বর এবং রক্ত হিম করা থ্রিলারধর্মী আখ্যান নির্মাণে তাঁর কলম অনন্য। 'আমি পদ্মজা' উপন্যাসের মধ্য দিয়ে তিনি বাংলা পাঠকমহলে এক অবিস্মরণীয় আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন, যা তাঁকে এনে দিয়েছে পাঠকহৃদয়ের অপার ভালোবাসা ও সাহিত্যিক মর্যাদা।",
            "series_count": 0,
            "meta": {
                "bio": "ইলমা বেহরোজ সমকালীন বাংলা অনলাইন কথাসাহিত্যের এক শক্তিমান ও তুমুল জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক। মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন, গ্রামীণ পটভূমিতে গড়ে ওঠা সামাজিক বাস্তবতার অন্ধকার গহ্বর এবং রক্ত হিম করা থ্রিলারধর্মী আখ্যান নির্মাণে তাঁর কলম অনন্য। 'আমি পদ্মজা' উপন্যাসের মধ্য দিয়ে তিনি বাংলা পাঠকমহলে এক অবিস্মরণীয় আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন, যা তাঁকে এনে দিয়েছে পাঠকহৃদয়ের অপার ভালোবাসা ও সাহিত্যিক মর্যাদা।",
                "phone": null,
                "gender": "female",
                "address": {
                    "city": "Sylhet",
                    "country": "Bangladesh"
                },
                "birth_date": null,
                "social_links": {
                    "facebook": "https://facebook.com/458485514942456",
                    "instagram": "https://instagram.com/alabalatalatula"
                },
                "pen_name": "ইলমা বেহরোজ",
                "aliases": [
                    "Elma Behrooz",
                    "Ilma Behroz",
                    "ইলমা"
                ]
            },
            "timestamps": {
                "created_at": null,
                "updated_at": null
            }
        },
        "navigation": {
            "previous_episode": {
                "id": 196,
                "ep_number": 84,
                "title": "প্রত্যাখ্যানের আগুন ও কান্নার রোল",
                "slug": "ami-padmaja-s1-ep84",
                "url": "https://golpohub.com/episodes/ami-padmaja-s1-ep84",
                "thumbnail_url": "https://golpohub.com/assets/images/og.jpg"
            },
            "next_episode": {
                "id": 198,
                "ep_number": 86,
                "title": "রাতের আঁধারে জোড়া লাগা মন",
                "slug": "ami-padmaja-s1-ep86",
                "url": "https://golpohub.com/episodes/ami-padmaja-s1-ep86",
                "thumbnail_url": "https://golpohub.com/assets/images/og.jpg"
            }
        }
    }
}