মাঃ আজ ছেলেটার এত বড় এক্সিডেন্টের কারণ আমিই আমি মা হয়ে নিজের ছেলেকে সন্দেহ করেছি কত গুলো উল্টো পাল্টা কথা বলেছি এই মুখ নিয়ে তার সামনে যাওয়ার সাহস টুকু আমার নেই..
।
আদ্রিতাঃ আপনি ওমন ভাবে বাইরে তাকিয়ে আছেন কেনো আপনি একবার সুস্থ হয়ে বাড়িতে চলুন আপনাকে আমি কোথাও একা একা যেতে দিবো না এই বলে দিলাম কিন্তু
।
।
সাঈদঃ আমার পাশে একটু শুয়ো না কথাটা হয়তো শুনতে পাই নি হাতের ইশারায় বললাম..
।
।
আদ্রিতাঃ কী ওমন ভাবে দেখিয়ে দিচ্ছেন আপনার পাশে শুতে বলতেছেন.
।
সাঈদঃ হয়তো সে বুঝতে পেরেছে তাই মাথা নাড়িয়ে হ্যা বললাম..
।
তখনি..
।
নার্সঃ দেখুন ওনার সাথে একদমি কথা বলার চেষ্টা করবেন না ওনি কথা বললে ব্রেণে চাপ পড়বে এতে ওনার প্রচুর ক্ষতি হতে পারে..
।
এই আমি ঘুমের ইনজেকশন দিয়ে গেলাম ওনি আরামে ১২ ঘন্টা ঘুমিয়ে থাকবেন আপনি চাইলে পাশের বেড টাতে ঘুমাতে পারেন..
।
আদ্রিতাঃ নার্স চলে যাওয়ার পর কে শুনে কার কথা আমি ওনার পাশে শুয়ে পড়লাম আর ওনাকে হালকা ভাবে জরিয়ে ধরলাম সারাটা রাত ওনাকে জরিয়ে ধরে শুয়ে ছিলাম..
।
সকাল বেলা..
।
ডাক্তারঃ আপনি বাইরে গিয়ে বসুন আমি এনার শরীরটা চেক করবো..
।
আদ্রিতাঃ আমি থাকলে কী হবে.
।
ডাক্তারঃ থাকতে পারবেন না বললসম তো এখন যান তো..
।
আদ্রিতাঃ না চাইতেও বেড়িয়ে পড়লাম…
।
।
কিন্তু খন পর..
।
ডাক্তারঃ রোগীর অবস্থা কিছু টা ভালো তবে একটা সমস্যা হয়ে গেছে…
।
আদ্রিতাঃ কী বলুন আমাকে…
।
ডাক্তারঃ ওনার মাথায় প্রচন্ড আঘাত লাগার ফলে ওনি কথা বলতে পারবেন না হয়তো চিরদিনের মতো কথা বলার শক্তি টুকু. হারিয়ে ফেলেছেন ওনি..
।
আদ্রিতাঃ না এটা হতে পারে না..
আপনি মিথ্যা কথা বলছেন না না এটা হতে পারে না দৌড়ে গিয়ে ওনাকে জরিয়ে ধরে কাদতে লাগলাম এটা কী হয়ে গেলো আপনার আপনি নাকি কথা বলতে পারবেন না…
বলুন না এ কথাটা মিথ্যা.
।
সাঈদঃ বলতে যেও কিছু বলতে পারছি না মুখ ফুটে কিছু বেড়াচ্ছোই না…
।
।
এভাবে কয়েক দিন যাওয়ার পর রিলিজ দিয়ে দিলো বাসায় গিয়ে সবাই আমাকে দেখতে আসলেও আম্মু আসে নি আম্মুকে দেখতে প্রচুর মন চাইছিলো কিন্তু আম্মু একটি বারো দেখতে আসলো না আমায়
।
।
আদ্রিতাঃ আপনাকে এমন দেখাচ্ছে কেনো আমায় বলুন..
।
সাঈদঃ হাতের ইশারায় ( কিছু না মন খারাপ)
।
আদ্রিতাঃ ভেঙ্গে পড়বেন না আপনি যদি ভেঙ্গে পড়েন তাহলে আমার কী হবে
।
।
সাঈদঃ
।
আদ্রিতাঃ আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন দেখবেন একদিন না একদিন ওনি আপনার কথা বলার শক্তি টুকু ফিরিয়ে দিয়েছেন..
।
সাঈদঃ তোমার কথাই যেনো সত্যি হয় হয়তো আল্লাহ তায়ালা তোমার জন্যই আমাকে বাচিয়ে রেখেছেন…
।
আদ্রিতাঃ কিছু খেয়ে নিন কাল থেকে কিছুই মুখে তুলেন নি….
।
সাঈদঃ খাওয়ার ইচ্ছে টাই যে মরে গেছে..
।
আদ্রিতাঃ আমি খাবার নিয়ে আসছি মুখ হা করুন আমি নিজের হাতে খাইয়ে দিবো আপনাকে..
।
সাঈদঃ জানি কিছু বললেও সে বুঝবে না তাই চুপ চাপ খেয়ে নিলাম..
।
আদ্রিতাঃ এবার শুয়ে পড়ুন আমি আসতেছি ওনাকে শুইয়ে দিয়ে আমিও ওনার পাশে শুয়ে পড়লাম..
।
আদ্রিতাঃ আচ্ছা আমি তো রোজ আপনার বুকে মাথা রেখে ঘুমাতাম আজ আপনি আমার বুকে মাথা রেখে ঘমাবেন
।
সাঈদঃ মেয়েটা পারেও বটে..
।
আদ্রিতাঃ ওনি আমার বুকে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়লেন আমি চুপ করে ওনার দিকে তাকিয়ে রয়েছি আর মাঝে মাঝে আস্তে করে মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছি…
।
ঘুমন্ত অবস্থায় ওনাকে ছোট বাচ্চাদের মতো দেখাচ্ছে…
।
আজ ওনার জন্যই আমি বেচে রয়েছি যদি ওনার কিছু হয়ে যেতো সত্যি সত্যি আমি মরে যেতাম এই পৃথিবীতে ওনি ছাড়া আমার কেউ নেই…
।
।
।
অপর দিকে..
।
তামান্নাঃ এত কিছুর পরেও বেচে যায় কিভাবে আজ রাতেই কিছু একটা করতে হবে..
হ্যালো সোহেল একটা কাজ করে দিতে হবে এর বদলে যা চাইবি তাই দিবো…
।
।
সোহেলঃ সত্যি একটা রাত আমার সঙ্গে কাটাতে হবে বেবি..
।
তামান্নাঃ What..,
।
সোহেলঃ এক রাত আমার সঙ্গে থাকতে হবে যদি রাজি থাকিস তাহলে আমিও তোর কাজ করে দিবো..
।
।
তামান্নাঃ হ্যা আমি তাতেও রাজি কিন্তু কাজ হওয়া চাই..
।
সোহেলঃ প্রথমে রুম ডেট তার পর বাকি কাজ…
।
তামান্নাঃ তাই বলে আজ..
।
সোহেলঃ হ্যা এখনি আমার বাসায় চলে আয়…
।
।
তামান্নাঃ সাঈদ কে মারতে যা করতে লাগে সব করবো তবুও ওকে বাচতে দিবো না..
।
কিছু খন পরে সোহেলদের বাসায় যাওয়ার পরে..
।
সোহেল ধাক্কা মেরে বিছানায় ফেলে দিলো আমায় আমার ঠোঁটের সাথে তার ঠোঁট মিলিয়ে দিয়ে স্বাদ নিতে থাকলো এক সময় আমার জামাটাও খুলে ফেললো তার পর…
