পিস্তল হাতে অচেনা ছায়া

•6 মিনিট পড়া•903 শব্দ
পিস্তল হাতে অচেনা ছায়া

হঠাৎ গুলিটা এসে বুকের ঠিক মাঝ খানে লেগে গেলো..

গুলিটা আমাকে মারার উদ্দেশ্য চালানো হয় নি বরং সাঈদকে মারাট জন্য চালানো হয়েছিলো..

।

তাই নিজেই গিয়ে সাঈদের সামনে গিয়ে দাড়ালাম আর গুলিটা ঠিক এসে আমার বুকের মধ্যে লাগলো…

।

।

সাঈদঃ কতক্ষণে এম্বুলেন্স আসবে তার আগেই তামান্না পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে গিয়েছে…

।

সাঈদঃ কেনো করলো মেয়েটা এমন আমার জীবন বাচাতে গিয়ে নিজেই মারা গেলো…

।

আদ্রিতাঃ তামান্না আপু এই তামান্না আপু কথা বলছো না…

।

সাঈদঃ আদ্রিতা উঠো তামান্না আর কোন দিন কথা বলবে না তার কিছু খন পরেই এম্বুলেন্স চলে আসলো আর তামান্নার লাশটাকে নিয়ে চলে গেলো…

।

মেয়ের মৃত্যুর খবরটা শুনলে হয়তো তার বাবা মার মনটা পাথর হয়ে যাবে…

।

তবে যে এই কাজটা করেছে তাকে উচিত শাস্তি পেতে হবে…

।

।

।

( ডিসকাসটিং ম্যন হঠাৎ করে এই মেয়েটা কেনো সামনে চলে আসলো না হলে আজি এই লোকটিকে উপরে পাঠিয়ে দিতাম)

।

।

সাঈদঃ সে সেই ব্যক্তি যে আমাকে মারতে চেয়েছিলো…

।

আদ্রিতাঃ তাড়াতাড়ি বাড়িতে চলুন এখানে থাকাটা বটেও ভালো না..

।

সাঈদঃ হুম তার পরে বাসায় ফিরে আসলাম..

।

বাসায় এসেও বার বার একটা কথাই মাথায় ঘুরতেছিলো কে সে….

।

সব কিছু যেনো রহস্য হয়ে যাচ্ছে

।

এই রহস্যের সমাধান কী করে করবো…

।

।

আদ্রিতাঃ আপনাকে এমন দেখাচ্ছে কেনো কী নিয়ে ভাবতেছেন এতো..

।

সাঈদঃ কিছু না এমনি তামান্নার কথা ভেবে খারাপ লাগতেছিলো..

।

আদ্রিতাঃ খারাপ তো আমাকেও লাগতেছে আচ্ছা তামান্না আপুর উপর কে গুলি করতে পারে আমার মনে হচ্ছে তামান্না আপুর বয় ফ্রেন্ড এ এমনটা করেছে..

।

সাঈদঃ আদ্রিতা হয়তো জানে না তামান্নাকে নয় আমাকে মারার জন্য চালানো হয়েছিলো আর তখনি আমার সামনে তামান্না চলে আসায় গুলিটা তার বুকে লাগে..

।

আদ্রিতাঃ আপনি ফ্রেশ হয়ে আসুন আমি খাবার টা নিয়ে আসতেছি…

।

।

সাঈদঃ বাথরুমে গোসল করার সময় মনে হচ্ছে কেউ আমার উপর নজর রেখেছে কিন্তু কে সে আমি তো কাউকে দেখতে পাচ্ছি না..

।

তামান্নার মৃত্যুর আগে থেকেই মনে হচ্ছিলো কেউ আমায় ফলো করতেছে কিন্তু যখনি পিছনি তাকিয়ে দেখি কাউকে দেখতে পাই না…

।

।

আজও ঠিক তেমনটাই মনে হচ্ছে সত্যিই কী কেউ আমায় ফলো করতেছে নাকি এটা আমার মনের ভুল…

।

আদ্রিতাঃ সেই যে গোসল করতে গেছে এখনো আসতেছে না কেনো…

।

কথাটা বলতে না বলতেই ওনি চলে আসলেন তার পর দুজনে মিলে এক সঙ্গে খেয়ে নিলাম..

।

এর পর গল্প করতে শুরু করলাম..

।

রাত ১২ টা আমি ওনার বুকে ঘুমিয়ে ছিলাম হঠাৎ কেনো জানি ঘুমটা ভেঙ্গে গেলো তখনি যা দেখলাম তা দেখে নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছি না জানালার পাশে কেউ দাড়িয়ে আমাদের কে দেখতেছে ..

।

।

আমি কী সত্যি এসব দেখতেছি নাকি স্বপ্ন যখনি চোখ গুলো মুছে জানালায় দেখলাম তখন কাউকে দেখতে পেলাম না হয়তো আমারি দেখতে কোথায় ভুল হয়েছে…

।

তাই আবারো ওনার বুকে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়লাম..

।

( যাক বাবা আরেকটু হলেই ধরা পড়ে যেতাম এই মেয়েটা এত রাত পযন্ত জেগে কী করছিলো.. যাই করুক তাতে আমার কী একবার সুযোগ পাই তার পরে সোজা পৃথিবী থেকে বিদাই করে দিবো..)

।

।

আদ্রিতাঃ সকাল বেলা বৃষ্টির আওয়াজে ঘুমটা ভেঙ্গে গেলো..

।

প্রতিদিনি বৃষ্টি হচ্ছে জানি না কেনো হালকা হালকা ঠান্ডাও করতেছে আর ওনাকে ছেড়ে উঠতেও মন চাইছে না তাই আবারো শক্ত করে জরিয়ে ধরলাম ওনাকে আর ওনার বুকেই শুয়ে রইলাম….

।

।

সাঈদঃ আজ মনে হয় একটু বেশিই ঘুমিয়ে ফেলেছি কিন্তু আদ্রিতা তো এখনো উঠে নি তাহলে কী এখনো সকাল হয় নি কে জানে বাইরে তো আবার বৃষ্টি হচ্ছে ততক্ষণে আর বুঝতে বাকি রইলো না যে আদ্রিতা জেগে রয়েছে…

।

।

সাঈদঃ আজ এখনো উঠো নি যে,..

.।

আদ্রিতাঃ এমনি আজ সারাটা দিন এভাবে জরিয়ে ধরে শুয়ে থাকবো…

।

।

সাঈদঃ কেনো..

।

আদ্রিতাঃ এমনি…

।

সাঈদঃ?

।

আদ্রিতাঃ?

।

সাঈদঃ উঠো আমি একটু কাজে বাইরে বেড়োবো..

।

আদ্রিতাঃ একা একা তো কোথাও যেতে পারবেন না আমিও আপনার সাথে যাবো..

।

সাঈদঃ ছোট বাচ্চার মতো জেদ করো না তো অনেক ইমপোর্টেন্স কাজে যাচ্ছি..

।

আদ্রিতাঃ আমার থেকেও কাজটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে গেলো

।

সাঈদঃ আমি কী সে কথা বলেছি..

।

আদ্রিতাঃ তাহলে নিয়ে যেতে চাচ্ছেন না কেনো

।

সাঈদঃ এই মেয়েটার সঙ্গে কথায় পারা যাবে না তাই সঙ্গে নিয়ে আসতেই হলো..

।

সাঈদঃ গাড়িতে চুপটি করে বসে থাকো আমি ভিতর থেকে মিটিং টা সেরে আসতেছি..

।

আদ্রিতাঃ আমিও যাবো ভিতরে এর আগে কখনো তো যায় নি তাই একবার দেখতাম..

।

সাঈদঃ আচ্ছা আসো তবে চুপচাপ হয়ে বসে থাকবা…

।

আদ্রিতাঃ হুম..

।

সাঈদঃ ভিতর গিয়ে মিটিংটা শেষ করে…

।

রাজ ইনড্রাসটির বস রাজ..

।

রাজঃ মেয়েটা তো অনেক কিউট আর অনেক নম্র ভদ্র তা মেয়েটা কে হয় আপনার মিঃ সাঈদ

।

সাঈদঃ জ্বী আমার বউ…

।

রাজঃ ওয়াও অনেক সুন্দরী একটা বউ পাইছেন কয় জনে বা পায় এমন বউ…

।

তা তোমার নামটা কী.

।

আদ্রিতাঃ জ্বী আদ্রিতা…

।

রাজঃ Really Nice Name..

।

আদ্রিতাঃ ধন্যবাদ

।

সাঈদঃ তার পর বাইরে বেড়াতেই মনে হলো পিছনে কেউ একজন আমায় ফলো করতেছে হঠাৎ পিছনে তাকাতেই যা দেখলাম তা পুরোই অবিশ্বাস্য একটা মেয়ে পিস্তল হাতে নিয়ে আমার পিছনে দাড়িয়ে আছে ..

।

সাঈদঃ এই কে আপনি আমায় ফলো করেছেন কেনো..

।

মেয়েটাঃ ওখানেই দাড়ান একটু আগে আসার চেষ্টা করলে গুলি করে দিবো কিন্তু..

।

আদ্রিতাঃ কে গো ওনি আমার কিন্তু খুব ভয় লাগতেছে…

।

সাঈদঃ কে আপনি আর আমার সাথেই বা শএুতা কীসের…

।

মেয়েটাঃ এত তাড়াতাড়ি ভুলে গেলেন আমায়..

।

সাঈদঃ ভুলে গেলাম মানে আপনাকে তো আমি চিনিই না.

।

মেয়েটাঃ এখন তো চিনবেনই না কেনো না আমায় ভোগ করা তো অনেক আগেই হয়ে গেছে..

।

সাঈদঃ আপনি কী পাগল নাকি মাথায় কোনো সমস্যা আছে…

।

মেয়েটাঃ পাগল আমি না পাগল আপনি…

।

সাঈদঃ মানে…

।

।

মেয়েটাঃ আমি আপনার প্রথম স্থী তুলি আর আপনি কী আমাকেই ভুলে গেলেন…

অধ্যায় 22 সমাপ্ত

আপনি এই অধ্যায়টি পড়া শেষ করেছেন। পরবর্তী পর্বে যান অথবা আপনার প্রতিক্রিয়া জানান!

মন্তব্যসমূহ

0

আলোচনায় যোগ দিন

মতামত জানাতে এবং পাঠকদের সাথে আলোচনায় অংশ নিতে লগইন করুন।

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

প্রথম মন্তব্যটি করে আলোচনা শুরু করুন!

রকমারি কালেকশন

বইপ্রেমীদের জন্য রকমারি বেস্টসেলার

অধ্যায় পাঠ শেষে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের ঘরানার সেরা বই ও বিশেষ ডিসকাউন্ট

পিস্তল হাতে অচেনা ছায়া

অনুচ্ছেদ 1 / 1 • চলছে
বিজ্ঞাপন