সিজন 1 অধ্যায় 3 ড্রামা আবেগঘন #মৃত্যু #অপমান #আশ্রয় সাঈদআদ্রিতাআদ্রিতার মাসাঈদের মাতামান্না

অন্তিম বিদায়ের বুকভাঙা আর্তি

•6 মিনিট পড়া•945 শব্দ
অন্তিম বিদায়ের বুকভাঙা আর্তি

আমার মেয়েটাকে তোমার কাছে রেখে গেলাম…

আমার মন বলছে তুমি কখনো তাকে অবহেলা করবে না….

।

।

সাঈদঃ কথা দিলাম তাকে যত্নে রাখবো কথাটা বলার সাথে সাথে তিনি পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে গেছেন।

।

।

মেয়েটা তার মার পাশে বসে প্রচুর কাদছে আর কাদবেই না বা কেনো পৃথিবীতে তার আপন বলতে তার মায়েই ছিলো..

।

।

ততক্ষণে পুলিশ চলে এসেছে..

।

।

সাঈদঃ এই যে উঠো এভাবে কাদলে তো আর তিনি ফিরে আসবেন না…

।

।

মেয়েটার কোনো respond এ নেই আজব তো…

।

।

সাঈদঃ এভাবে হবে না তার হাতটা ধরে দাড়করালাম….

।

।

সাঈদঃ কেদে কেদে মেয়েটা চোখ গুলো লাল করে ফেলেছে…

।

।

সাঈদঃ এখন থেকে চলো..

।

।

মেয়েটাঃ না আমি মা ছাড়া কোথাও যাবো না…

আমি ছাড়ুন আমি মার কাছে যাবো…

।

।

সাঈদঃ দেখতেছো তো পুলিশ তোমার আম্মুকে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছে আমরা তো আর সেই গাড়িও যেতে পারবো না তাই তুমি আমার সাথে যাবা আর তোমার আম্মু কী বলেছিলো মনে নেই..

।

।

।

মেয়েটাঃ হুম আছে…

।

।

সাঈদঃ তাহলে গাড়িতে বসো

।

এর পর মেয়েটাকে গাড়িতে বসিয়ে দিয়ে আমিও বসে পড়লাম..

।

মেয়েটা মনে হয় সকাল থেকে কিছুই খাই নি তাই একটা বড় রেস্টুরেন্টের সামনে এসে গাড়ি দাড় করালাম

।

।

মেয়েটাঃ এটা আমরা কোথায় আসলাম

।

।

সাঈদঃ তুমি তো সকাল থেকে কিছুই খাওয় নি তাই এখানে তোমাকে কিছু খেতে নিয়ে এসেছি…

।

।

মেয়েটাঃ আপনি কীভাবে বুঝলেন যে আমি সকাল থেকে কিছুই খাই নি…

।

।

সাঈদঃ সেটা হয় নাই জানলে এখন ভিতরে চলো..

।

।

এই হোটেলের একা গুন রয়েছে এখানে পারসোনাল রুম পাওয়া যায় তাই আমিও একটা রুম বুক করলাম

।

।

সাঈদঃ ফ্রেশ হয়ে নাও আমি ততক্ষণে কিছু অর্ডার করি..

।

।

মেয়েটাকে ভিতরে ডুকিয়ে দিয়ে ভাত আর চিকেন ফ্রাই অর্ডার করলাম

।

।

তখনি মেয়েটা

।

।

মেয়েটাঃ এটা কী হচ্ছে দেখুন পানি নিজে থেকে পড়তেছে,..

।

।

সাঈদঃ ভিতরে গিয়ে আরে এটা ঘুরালে আবার বন্ধ হয়ে যাবে তার পর সেখানে দাঁড়িয়ে সব কিছু শিখিয়ে দিলাম

।

।

মেয়েটা যখন তার মুখ থেকে কাপড়টা সরালো তখন আবারো তার উপর cRush খেলাম এত সুন্দর কীভাবে একটা মানুষ হতে পারে…

।

।

মেয়েটা আবার মুখটা ডেকে ফেললো..

।

।

তার পর বাইরে এসে..

।

।

ভাত গুলো খেয়ে নাও

।

।

মেয়েটাঃ না খিদে পাই নি

।

।

সাঈদঃ তা বললে হয় কিছু খেয়ে নাও

।

।

মেয়েটাঃ না আমি খাবো না..

।

।

সাঈদঃ এভাবে হবে না আমাকেই কিছু করতে হবে

।

।

এই নাও আমি খাইয়ে দিচ্ছি হা করো..

।

।

মেয়েটাঃ মুখটা না খুলে আর থাকতে পারলাম না তিনি খুব আদরে করে খাইয়ে দিচ্ছিলো….

।

।

।

।

অপর দিকে

।

।

মাঃ ওই যে ছেলেটা সকাল বেলা বেড় হয়েছে দিন গরিয়ে রাত হয়ে গেলো এখনো ফিরছে না কেনো তখনি ফোনটা বেজে উঠলো..

।

।

।

মাঃ হ্যালো..

।

।

অন্য দিক থেকে…

হ্যালো আপনার সাথে জরুরি কথা রয়েছে..

।

।

মাঃ কে আপনি..

।

।

আমি কে সেটা বড় কথা নয় আপনার ছেলে আজ কাল পতিতালয়ে আসতে শুরু করেছে আজ পতিতালয় থেকে একটা মেয়েকে নিয়ে যাবে …

।

।

মাঃ হ্যালো কে আপনি কথাটা বলার আগেই কলটা কেটে দিলো…

।

।

কথাটা শুনার পর টেনশনে পড়ে গেলাম আমার সাঈদ তো এইরকম ছেলে না তাহলে কে মেয়ে যে এই কথাটা বললো…

।

।

।

সাঈদঃ মেয়েটাকে খাইয়ে দিয়ে আচ্ছা তোমার নামটাই তো জানা হলো না..

।

।

মেয়েটাঃ আমার নাম আদ্রিতা…

।

।

সাঈদঃ বা খুব সুন্দর নাম তো…

।

।

তার মেয়েটাকে নিয়ে বাসায় চলে আসলাম

।

।

আদ্রিতাঃ এটা আমরা কোথায় এসেছি

।

।

সাঈদঃ এটা আমার বাসা..

।

।

আদ্রিতাঃ এত বড় বাড়ি আমার তো স্বপ্নের মতো লাগছে আচ্ছা আমরা মার কাছে কখন যাবো

।

।

সাঈদঃ কাল সকালে…

।

।

মাঃ গাড়ির শব্দ পেয়ে বাইরে এসে যা দেখলাম তা দেখে নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছি না

।

।

তার মানে সাঈদ সত্যি খারাপ হয়ে গেছে ছিঃ কখনো ভাবতেও পারি নি সাঈদ এমন কাজ করবে..

।

।

সাঈদঃ ভিতরে চলো এখানেই দাঁড়িয়ে থাকবে নাকি..

।

।

তখনি মা

মাঃ কে এই মেয়ে আর এত রাতে তোর সাথে কী করছে ..

।

।

সাঈদঃ মা এ আদ্রিতা আজ থেকে আমাদের সাথেই থাকবে..

।

।

মাঃ ছিঃ লজ্জা করে না বাসায় একটা পতিতা নিয়ে আসার তোর কী লজ্জা সরম সব পুরে খেয়েছিস…

।

।

তোর চরিত্র যে এতটা খারাপ আমি আগে জানতাম না

।

।

সাঈদঃ আম্মু তুমি এসব কী বলছো ও পতিতা হতে যাবে কেনো এর মতো ভদ্র মেয়ে পাওয়া ভাগ্যর বেপার আর তুমি কী তার চরিত্রে দাগ বসছো..

।

।

মাঃ তুই আমার ছেলে বলতেই লজ্জা করে কে করবে তোকে বিয়ে..

।

।

সাঈদঃ মাথাটা গরম করে দিয়েছে আম্মু কী আজে বাজে বকছে আদ্রিতা কেদেই দিয়েছে..

।

।

সাঈদঃ আম্মু তুমি যদি আরেকটা আজে বাজে কথা বলো তাহলে আমাকে এই বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে হবে কেনো আমি এসব কথা শুনার জন্য মেয়েটাকে আনি নি…

।

।

।

মাঃ থাক তুই মেয়েটাকে নিয়ে আমাকে মা বলে ডাকবি না

।

।

আদ্রিতাঃ আমাকে ছেড়ে দিন আমি আপনাদের মাঝে কাটা হয়ে থাকতে পারবো না

।

।

।

সাঈদঃ আমি যতদিন বেচে রয়েছি ততদিন আমার সাথেই থাকবে এতে সমাজ কী বললো তাতে আমার কিছু যায় আসে না..

।

।

আদ্রিতাঃ আচ্ছা পতিতা কাকে বলে…

।

।

সাঈদঃ মেয়েটা কোন দিন বাড়ি থেকে বেড় হয় নি তাই পতিতা কাকে বলে জানে না

।

।

ওই যে কোনো ছেলে যদি কোনো অপরিচিত মেয়েকে নিয়ে আসে ততখন তাকে পতিতা বলে এমনিতে..

।

।

আদ্রিতাঃ ওও

।

।

এর পর তাকে আমার রুমে নিয়ে আসলাম..

।

।

।

।

অন্য দিকে

।

।

তামান্নাঃ হ্যালো আন্টি …

।

।

মাঃ হুম বলো তামান্না

।

।

তামান্নাঃ আমি সাঈদকে ভালোবাসি আর তাকেই বিয়ে করতে চাই

।

।

মাঃ এটাই সুযোগ সাঈদের সাথে তামান্নার বিয়ে দেওয়ার যেভাবে হোক তামান্নার সাথে বিয়েটা দিতে হবে..

।

।

মাঃ আচ্ছা তাই তুমি বিয়ের প্রস্তুতি নাও আমি সাঈদকে রাজি করাচ্ছি

অধ্যায় 3 সমাপ্ত

আপনি এই অধ্যায়টি পড়া শেষ করেছেন। পরবর্তী পর্বে যান অথবা আপনার প্রতিক্রিয়া জানান!

মন্তব্যসমূহ

0

আলোচনায় যোগ দিন

মতামত জানাতে এবং পাঠকদের সাথে আলোচনায় অংশ নিতে লগইন করুন।

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

প্রথম মন্তব্যটি করে আলোচনা শুরু করুন!

রকমারি কালেকশন

বইপ্রেমীদের জন্য রকমারি বেস্টসেলার

অধ্যায় পাঠ শেষে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের ঘরানার সেরা বই ও বিশেষ ডিসকাউন্ট

অন্তিম বিদায়ের বুকভাঙা আর্তি

অনুচ্ছেদ 1 / 1 • চলছে
বিজ্ঞাপন