> **বিকল্প ফরম্যাটসমূহ:** [এইচটিএমএল](https://golpohub.com/episodes/confusion-s1-ep47) | [জেসন](https://golpohub.com/episodes/confusion-s1-ep47?format=json) | [আরএসএস ফিড](https://golpohub.com/episodes/confusion-s1-ep47?format=rss) | [অ্যাটম ফিড](https://golpohub.com/episodes/confusion-s1-ep47?format=atom)

# ভুলের চোরাবালি ও আকাশপথের লড়াই

![ভুলের চোরাবালি ও আকাশপথের লড়াই](https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-chapter-2785-67fde8.webp)

---
*[মৌরি মরিয়ম](https://golpohub.com/authors/mouri-morium)-এর [কনফিউশন](https://golpohub.com/series/confusion) সিরিজ থেকে*\n*আনুমানিক পড়ার সময়: 10 মিনিট*
- **মোট শব্দ:** 1,540
- **প্রকাশিত:** Sep 16, 2026
---

আরশি ঘর থেকে বেরিয়ে ড্রয়িং রুমে গিয়ে দাঁড়ালো। সাহিল এতক্ষণ টিভি দেখছিল। বন্ধ করে ঘরে যাচ্ছিল ঠিক সেই সময় আরশিকে দেখতে পেল। সাহিল বলল, “কীরে এত রাত হয়ে গেছে এখনো ঘুমাসনি যে?” “ভাইয়া বিয়ের জন্য আমি রাজি। তুমি ওদের সাথে কথা বলো।” “এত তাড়াতাড়ি ভাবা হয়ে গেল?” “হ্যাঁ। তুমি বিয়ের ব্যবস্থা করো।” “আচ্ছা তুই দাঁড়া আমি আনন্দের বায়োডাটা আর ছবিটা নিয়ে আসি।” “লাগবে না। তোমার পছন্দের উপর ভরসা আছে।” আরশি এ কথা বলে ঘরে চলে গেল। সাহিল ঘরে গিয়ে দেখে রশ্নি ঘুমিয়ে পড়েছে। ডেকে ওঠাতেই বলল, “সাহিল এতরাতে আবার ডাকছো কেন?” “আরশি বিয়েতে রাজী হয়েছে।” রশ্নি চমকে বলল, “কীভাবে?” “জানিনা। হুট করে এসে বলল বিয়ের ব্যবস্থা করতে। ওর তো মুখ দেখে মনের অবস্থা বোঝার উপায় নেই। কাল সকাল সকাল কথা বলোতো ওর সাথে। কোনো সমস্যা হলো কিনা। সন্ধ্যা পর্যন্ত তো রাজীই হচ্ছিল না৷ হঠাৎ কী হলো?” “আচ্ছা কথা বলব। এখন তুমি ঘুমোও।” কাব্য শুয়ে শুয়ে কথা বলছিল। আরশি ফোন রাখতেই ধড়মড়িয়ে উঠে বসে বলল, “শিট!” রাজীব ঠিক সেই সময়েই কাব্যকে ডিনারের জন্য ডাকতে ঘরে ঢুকছিল। ওকে এই অবস্থায় দেখে বলল, “কী হয়েছে তোর?” রাজীব কাব্যর পাশের ঘরে থাকে। কাব্য ওকে দেখে বলল, “সর্বনাশ হতে হতে একটুর জন্য বেঁচে গেছি। এবার তুই আরেকটু বাঁচা। টিকিট ক্যান্সেল করতে হবে।” “টিকিটের জন্য না পাগল হয়ে গেলি? দিন গুনছিলি কবে ঢাকা যাবি। এখন আবার ক্যান্সেল কেন?” “১৫ দিন পরের টিকিট দিয়ে এখন আর আমার কাজ হবে না। এক্ষুণি ঢাকা যেতে হবে।” “পাগল হয়েছিস! এক্ষুণি কিভাবে যাবি? এটা কি তোর ঢাকা টু কক্সবাজার যে বললাম আর গাড়ি নিয়ে চলে গেলাম! কী হয়েছে সেটা বল।” কাব্য আরশির সাথে হওয়া পুরো কনভার্সেশনের কথা রাজীবকে বলল। রাজীব অবাক হয়ে বলল, “যাহ দিল তো তোর সারপ্রাইজের বারোটা বাজিয়ে!” “সারপ্রাইজের বারোটা বাজেনি৷ এখন আমি টিকিট ক্যান্সেল করে এনিহাও কালকের ফ্লাইট ধরব।” “কালকের ফ্লাইটে সিট কি তোর শ্বশুর বুক করে রেখেছে?” “আরে তোদের এয়ারলাইন্সে দেখ না। কেউ না কেউ নিশ্চয়ই টিকিট ক্যান্সেল করবে!” “আমি দেখছি। তবে না পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।” “আচ্ছা আগে তুই টিকিট ক্যান্সেলের ব্যবস্থা করে দে। আমি দেখি এর আগে কোন টিকিট পাই কিনা। কোনো না কোনো এয়ারলাইন্সে তো ডেফিনিটলি পাব।” “আচ্ছা।” রাজীব নিজের ঘরে গিয়ে ল্যাপটপ নিয়ে এলো। কাব্যও তার ল্যাপটপ খুলে টিকিট খুঁজতে লাগলো। কাব্যর টিকিট ক্যান্সেল করে রাজীব বলল, “হয়ে গেছে। তুই পেলি কিছু?” “কাতার এয়ারলাইন্সে ১১ আর টার্কিশ এয়ারলাইন্সে ৯ দিন পর আছে। এর আগে কোথাও কিছু নেই।” “কী করবি তাহলে?” “কী করব আর? টার্কিশ এয়ারে ৯ দিন পরেই যাব। আর এখন আরশিকে ফোন করে প্রোপোজ করব তারপর সাহিল ভাইয়ার সাথে কথা বলব। মাকে তো আগেই বলেছি গিয়েই বিয়ে করব। প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে।” “তাহলে সারপ্রাইজ দিবিনা? মাত্র ৯ দিনই তো। অপেক্ষা কর। দেখতে দেখতে কেটে যাবে।” “মেয়েটা কোনোদিন কারো কাছে সারপ্রাইজ পায়নি৷ কিন্তু আমাকে অনেকবার সারপ্রাইজ দিয়েছে৷ তাই ভেবেছিলাম এবার আমি সারপ্রাইজ দিয়ে ওর হাসিটা দেখব। তুই চিন্তা কর ও জানে আমি ৪/৫ মাস পর যাব। অথচ ১৫ দিন পরেই ওর সামনে যেতাম। ৫ বছর পর আমাকে দেখে ও খুব নার্ভাস হয়ে যেত। আমি চুপ করে থাকতাম। ও হয়তো প্রথম কথাটা বলতো কাব্য কেমন আছো? আর আমি উত্তরে বলতাম, তোমাকে অনেক ভালোবাসি। ওর এক্সপ্রেশন টা কেমন হতো ভেবে দেখ।” “দারুন হবে। তুই আর ৯ টা দিন অপেক্ষা কর ভাই।” “ইম্পসিবল। আরশি অনেক কষ্ট পেয়েছে। কাল পরশুর মধ্যে কোনো না কোনো ফ্লাইট পেয়ে যাব ভেবেছিলাম। তাই একটু আগে ওসব বলেছি। যেহেতু ৯ দিন পর যাব, যেতে যেতে ১০ দিন পর হয়ে যাবে। সেহেতু এখনই সব বলে দেব। ১০ দিন ধরে ওকে কষ্ট দিতে পারব না।” “আরে ব্যাটা এখন যে কষ্ট দিবি তা তো তোর সারপ্রাইজ পেয়ে এক নিমিষেই ভুলে যাবে।” “আরশি কষ্টে কষ্টেই পুরোটা জীবন কাটিয়েছে।আমি এত কষ্ট দিতে পারব না ওকে। সারপ্রাইজের চেয়ে ওর সুখটা বেশি ইম্পরট্যান্ট।” “কিন্তু এত কষ্ট পাওয়ার কী আছে? ভালোবাসিস না এমন কিছু তো বলিসনি।” “ভালবাসি সেটাও স্বীকার করিনি। বিয়ের কথা ভাবিনি বলেছি।” “শোন বুদ্ধি দেই। তুই ওকে ফোন করে বল ৭ দিন টাইম দিতে। ভেবে জানাবি।” “অসম্ভব। আরশি আমাকে কনফিউজড ভাববে।” “তাইলে সারপ্রাইজ প্ল্যান বাদ?” “হ্যাঁ। ভবিষ্যতে বহুত সারপ্রাইজ দেয়া যাবে।” “তাইলে আর কি! দে প্রোপোজ করে।” কাব্য হেসে বলল, “যা ব্যাটা নিজের ঘরে যা। তোর সামনে প্রপোজ করব নাকি?” রাজীব হাসতে হাসতে নিজের ঘরে চলে গেল। কাব্য আরশিকে ফোন করল। কিন্তু আরশির ফোন বন্ধ। একটু ভয় পেয়ে গেল কাব্য। অনলাইনে ঢুকলো মেসেজ দেয়ার জন্য। কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার হচ্ছে আরশির ফেসবুক আইডি ডিএকটিভেট। হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইভার একাউন্টও পাচ্ছে না। মেইল করতে গিয়ে দেখে মেইল একাউন্টও আর এক্সিস্ট করছে না। এবার টেনশনে মাথা খারাপ হয়ে গেল কাব্যর। রাজীবের ঘরে গিয়ে বলল, “রাজীব শেষ আমি।” “কেন?” “আরশির ফোন অফ। সোস্যাল মিডিয়াতেও কোনো একাউন্ট খুঁজে পাচ্ছি না।” “এইটুকু সময়ের মধ্যে এতকিছু?” কাব্যর প্রেশার বেড়ে গেছে। ঘাড়ের রগ টানছে। ঘাড়ে হাত দিয়ে সারা ঘরময় পায়চারি করতে করতে ভাবছে কী করা যায়। রাজীব চুপচাপ দেখছে ওকে। কাব্য একসময় বলল, “দোস্ত এখন তো বাংলাদেশ সময় রাত ১ টা। এটা কাউকে ফোন করার জন্য অনেক বেশি রাত?” রাজীব জানতে চাইলো, “কাকে ফোন করবি?” “সাহিল ভাইয়াকে। ফোন করে আরশিকে চাইব। ওকে প্রোপোজ করে তারপর সাহিল ভাইয়ার সাথে বিয়ের কথা বলব।” “হ্যাঁ এটা করতে পারিস।” কাব্য সাহিলের নাম্বারে কল করল। কিন্তু তার নাম্বারও বন্ধ। কাব্য বলল, “এটা কিভাবে সম্ভব? আরশি নিশ্চয়ই ওর ভাইয়াকেও ফোন অফ করতে বলেনি?” “ভাইয়ার সাথে তোর লাস্ট ফোনে কথা হয়েছে কবে?” “বাংলাদেশে থাকতে।” “এতদিনে নাম্বার চেঞ্জ করতে পারে।” “হায় খোদা মাফ করো!” “ভাইয়ার ফেসবুকে মেসেজ দে।” “আমি সাহিল ভাইয়ার সাথে এড নাই। আইডিও চিনি না। দাঁড়া অনন্ত ভাইয়ার কাছ থেকে নেই।” কাব্য অনন্তকে ফোন করল। অনন্ত ঘুমিয়ে পড়েছিল। এত রাতে ফোন পেয়ে অবাক হলো, “কী ব্যাপার? এত রাতে তুই ফোন করেছিস! কোনো সমস্যা?” “না ভাইয়া। সাহিল ভাইয়ার ফোন নাম্বার টা দরকার ছিল।” “আচ্ছা মেসেজ করে দিচ্ছি।” “ওকে ভাইয়া। আর সরি তোকে এত রাতে জাগালাম। একটু আর্জেন্ট দরকার ছিল।” “ঠিকাছে।” সাথে সাথেই অনন্ত সাহিলের নাম্বার মেসেজ করে দিল কাব্যকে। কাব্য ডায়াল করে দেখে আগের নাম্বারটাই দিয়েছে যেটা ওর নিজের কাছেই আছ এবং এখন বন্ধ। কাব্য আবার ফোন করল অনন্তকে। অনন্ত বলল, “তোর ভাবি এবার আমার ফোন ভেঙে ফেলবে। বারবার ফোন না করে একবারে সব বল।” “সরি ভাইয়া। নাম্বারটা বন্ধ।” “কী বলিস?” “আর কোনো নাম্বার আছে?” “না।” “তোমার সাথে লাস্ট কথা হয়েছে কবে?” “সেতো অনেকদিন।” “নাম্বার চেঞ্জ করতে পারে। রশ্নি ভাবির নাম্বার আছে?” “না ওর বউয়ের নাম্বার দিয়ে আমি কী করব?” “সাহিল ভাইয়ার ফেসবুক আইডি?” “সাহিল ফেসবুক চালায় না।” “রশ্নি ভাবি চালায়?” “কাব্য পরের বউয়ের খবর আমার কাছে নাই।” “আচ্ছা তোমাকে বিরক্ত করার জন্য সরি।” “ঠিকাছে রাখ এখন।” কাব্য ছটফট করতে লাগলো। টেনশনে চুল টানছে সে। রাজীব বলল, “এত টেনশন নিস না।” “আরশির একটা কাজিন ছিল তিরা। আমার সাথে ভাল বন্ধুত্ব ছিল। কিন্তু বিয়েশাদি করে একদম শেষ হয়ে গিয়েছে। বিয়ের পরেও কিছুদিন যোগাযোগ ছিল এরপর কোথায় যেন হারিয়ে গেল। ওর সাথে যোগাযোগ থাকলেই আরশিকে পাওয়া যেত।” “এখন আর আফসোস করিস না। ৯ দিনে এমন কিছু পাল্টে যাবে না।” “আরশি এতদিন ধরে কষ্ট পাবে এটা আমি সহ্য করব না। তুই দেখ কাল কোন ফ্লাইটের টিকিট ক্যান্সেল হয়েছে কিনা। প্লিজ ভাই প্লিজ।” “একটু আগেই তো দেখলাম।” “আবার দেখ।” “আচ্ছা দেখতেছি তুই ঠান্ডা হয়ে বস।” রাজীব খুঁজে দেখলো কোনো ফ্লাইট ক্যান্সেল হয়নি। কাব্য এবার দুহাতে মাথা ধরে ফ্লোরে বসে পড়লো। রাজীব বলল, “তুই এত টেনশন নিচ্ছিস কেন? আরশি কি সুইসাইড টুইসাইড…” পুরো কথা বলল না, থেমে গেল রাজীব। কাব্য আত্মবিশ্বাসের সাথে বলল, “আরে নাহ আরশি ওসব করবে না। অনেক শক্ত মেয়ে। ও কষ্ট পাচ্ছে তাই অস্থির লাগছে। আমি ভুল করেছি, তখনই ওকে সব বলে দেয়া উচিত ছিল।” “নিজের উপর দোষ নিস না। তুই কি জানতি আরশি এইটুকু সময়ের মধ্যে এত কাহিনী করে ফেলবে?” “লং ডিস্টেন্স রিলেশনশিপ একটা অভিশাপ রাজীব। এই ৫ বছরে কত মিস আন্ডারস্ট্যান্ডিং হয়েছে। আরশি রাগও করেছে কিন্তু এরকম কখনো করেনি। অবশ্য আমিও তো কখনো ভালোবাসা অস্বীকার করিনি।” রাজীব কাব্যর কাধে হাত রেখে বলল, “অনেক বেশি ভাবছিস। শান্ত হ। ৯ দিন চোখের পলকে কেটে যাবে।” “চোখের পলকে কাটবে না। ৯ দিন কাটতে ৯ দিনই লাগবে। পিএইচডি করতে আসাই ভুল ছিল আমার।” “তুই তো বলেছিলি আরশির যোগ্য হওয়ার জন্যই পিএইচডি করতে এসেছিস। ভুল কিভাবে হলো?” “জানিনা মাথা কাজ করছে না এখন আমার।” সকালবেলা রাজীব কাব্যর ঘরে গিয়ে দেখে কাব্য সিগারেট খাচ্ছে। রাজীব অবাক হয়ে বলল, “কী করলি তুই এটা? ৩ তা বছর কাটিয়ে দিলি সিগারেট না ছুঁয়ে। আর এখন?” কাব্য তাকাতেই রাজীব দেখল ও কিছুটা কাঁপছে। চুলগুলো এলোমেলো হয়ে আছে। চোখ লাল টকটকে। রাজীব বলল, “সারারাত ঘুমাস নাই? পাগলের মত দেখাচ্ছে তোকে।” “মরে যাচ্ছি। একটা রাত কাটাতে পারলাম না ৯ দিন কীভাবে যাবে আমার?” “আমি আবার দেখছি কোনো ফ্লাইট ক্যান্সেল হয়েছে কিনা।” “প্লিজ দেখ।” রাজীব তার ঘরে গেল। কাব্য গেল পিছুপিছু। রাজীব চেক করে বলল, “দোস্ত একটা ফ্লাইট ক্যান্সেল হয়েছে একটু আগে। একটুর জন্য তোর কাজে লাগলো না।” “কেন?” “ফ্লাইটটা স্টকহোম থেকে কলম্বো।” “ফ্লাইট কবে?” “পরশু রাতে।” “পরশু রাতে রওনা দিলে পরদিন বিকেলে পৌঁছাব, পরশুর পরদিন বিকেলে কলম্বো টু ঢাকা কোনো ফ্লাইটের টিকিট পাস নাকি দেখ।” “তুই শ্রীলঙ্কা হয়ে যাবি?” “সমস্যা কী? শ্রীলঙ্কায় তো অন এরাইভাল ভিসা।” “এত ঘুরবি? গথেনবার্গ থেকে স্টোকহোম। স্টকহোম থেকে কলম্বো। আবার কলম্বো থেকে ঢাকা।” “গথেনবার্গ থেকে ট্রেন ধরলে স্টকহোম ৩ ঘন্টার রাস্তা। আর কমম্বো থেকে ঢাকা ফ্লাইটে ৩ ঘন্টা। ঘোরা হলেও ৬/৭ দিন আগে যেতে পারব।” রাজীব চেক করে বলল, “কলম্বো টু ঢাকা বিকেলে নেই তবে রাতে আছে।” “তাহলে কেটে ফেল।” “যদি ফ্লাইট ডিলে করে?” “ডিলে করলে বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত নিশ্চয়ই করবে না? দোয়া কর এমন কিছু যেন না হয়। আর তাড়াতাড়ি টিকিট টা কাট। নাহলে এটাও মিস করব।” রাজীব টিকিট কাটতে গিয়ে বলল, “শিট! স্টকহোম টু কলম্বো সিট টা তো বিজনেস ক্লাস!” “কেটে ফেল।” রাজীব অবাক হয়ে বলল, “বিজনেস ক্লাসে যাবি? তিনগুণ খরচ।” “তুই টাকার কথা ভাবছিস? এদিকে আমি মরে যাচ্ছি।” কাব্যর স্টকহোম টু কলম্বো ফ্লাইট ডিলে করেনি। কিন্তু অঘটন ঘটলো কলম্বো টু ঢাকা ফ্লাইটটিতে। ফ্লাইটটি আবহাওয়া জনিত কারণে পিছিয়ে গিয়েছে। পরদিন সকালে যাবে। এবার কাব্য একেবারেই ধৈর্য্যহারা হয়ে গেল। অসহ্য লাগছে তার!

---

[<< পূর্ববর্তী অধ্যায়](https://golpohub.com/episodes/confusion-s1-ep46) | [সিরিজ সূচি](https://golpohub.com/series/confusion) | [পরবর্তী অধ্যায় >>](https://golpohub.com/episodes/confusion-s1-ep48)