সিজন 1 অধ্যায় 7 পারিবারিক ড্রামা #মিথ্যা অপবাদ #অসুস্থতা নীলাআবির হকমমিতাদাদী

রক্তাক্ত শাসন ও অপমান

•4 মিনিট পড়া•592 শব্দ
রক্তাক্ত শাসন ও অপমান

হঠাৎ নিলার দুলাভাইকে পেছন থেকে টেনে আবির দিল একটা ঘুসি।

নিলার দুলাভাই আবিরকে দেখে ভয় পেয়ে গেল। নিলা ও আবিরকে দেখে অবাক।

আবির : শালা বিয়াদবি তো অনেক বড় করে ফেলেছিস।

তবে মেইন ডোর অফ করে বিয়াদবি করলে আজ তুই হয়তো আমার থেকে বেচে যেতি।

আবির আর নিলার দুলাভাই দুজনে মারামারি শুরু করে দেয়। নিলা আবিরকে ছুটিয়ে আনার চেষ্টা করছে তাও পারছে না। আবির অনেক রেগে গেছে।

শেষে অনেক জোড়াজোড়ি করে নিলা আবিরকে সরিয়ে আনে।

নিলা আবিরকে অন্য রুমে নিয়ে চলে যায়।

আবির : নিলা তুমি কিন্তু একদম ঠিক করছো না। ও বিয়াদবির সীমানা পাড় করে ফেলেছে।

নিলা : আপনি শান্ত হোন প্লিজ। আমি জানি অনি যা করেছে ঠিক করেনি। কিন্তু আমি আমার বোনের সংসার না ভাঙার জন্যই কাউকে কিছু বলিনি।

আবির : (রেগে গিয়ে) সংসার এইরকম একটা অমানুষের সাথে।

নিলা : আমি চায়না আমার কারনে কারো ক্ষতি হোক।

আবির : ওহ ফাইন!! তুমি চাওনা তোমার কারনে কারো ক্ষতি হোক। তবে কারোর কারনে তোমার ক্ষতি হোক। Disgusting নিলা আমারতো ইচ্ছা হচ্ছে ওই শালাকে এক্ষুনি গুলি করে মারি।?

নিলা : আরে কই যাচ্ছেন দাড়ান আপনি শান্তু হোন। প্লিজ।

আবির : নিলা তুমি জানো যদি আজ আমি এই সময় তোমাদের বাসায় না আসতাম তোমার কি হতো!!

নিলা : জি!! থেংক ইউ এসবের জন্য।

আবির : নিলা এভাবে জীবন যায় না। আজ হয়তো আমি এসেছি। কাল? কালতো আমি থাকবো না।

নিলা : তবে আজ আপনি ওনাকে যা ধোলায় দিয়েছেন না….আমার মনে হয়না অনি আর কখনো আমার উপর নজর দিবে হি-হি!!

আবির : হাসি আসছে না তোমার? আমারতো আফসোস হচ্ছে ওকে আরো ধোলায় করতে পারিনি বলে। তবে তুমি ওকে অনি অনি করছো কেন। তুই করে বলবা ওকে তুই…. বুজেছো ?

নিলা : হি-হি-হি ওকে বুজেছি।

আবির : না না শোনো ওর সাথে তোমার কোনো কথা বলার প্রয়োজোন নেই।

নিলা : আচ্ছা ঠিকাছে। তবে আপনি কেন এসেছেন?

আবির : ও হে নিলা!!!! তুমি বলেছো মামা মামিকে।

নিলা : জি! না আমি এখনো বলিনি।

আবির : কবে বলবে নিলা। দেরি হয়ে যাচ্ছে তো। বাবা বিয়ের কার্ড এর অর্ডার সহ করে দিয়েছে।

নিলা : আচ্ছা আমি বলবো আজ।

আবির : ওকে নিলা বলবা কিন্তু আজ। বাই!!! ও হে সাবধানে থাকবা।

নিলা : জি!!

আবির চলে যাওয়ার কিছুক্ষন পরে নিলার পরিবাররা চলে আসে।

নিলার মামাতো বোন মমিতাকে নিলার দুলাভাই উল্টাপাল্টা অনেক বুঝিয়ে দিয়েছে নিলা আর আবিরের ব্যপারে।

মমিতা : নিলা! তোর আবির নিজেকে কি মনে করে বড়লোকের ছেলে বলে যা ইচ্ছা তাই করবে।

তুই ও তো কিছু করলিনা। ও হে আমিতো ভুলে গেছি তোর এখন বড় ঘরে বিয়ে হচ্ছে গাড়ি করে আসবি গাড়ি করে যাবি। হক পরিবারের হবু বউ বলে কথা।

নিলা : আপু তুমি যা ভাবছো তা কিছুই না।

মমিতা : চোরের আবার বড় গলা। তোর দুলাভাইকে কি তোর লম্পট মনে হয়। পৃথিবীতে মেয়ে আর খুজে পাইনি যে না তোর সাথে বেহায়াপনা করতে গিয়েছিল।

নিলা : আপু তুমি ভুল বুঝছো আমাদের।

মমিতা : হয়েছে ভুল শুধ্রাতে আসতে হবে না আর।

দুলাভাই : আরে হয়েছে মমিতা! ছোট মানুষ তাই হয়তো না বুঝে করেছে।

মমিতা : ঐ আবির মেরে আপনাকে নাক দিয়ে রক্ত নিয়ে এসেছে আপনি বলছেন না বুঝে করেছে। এগুলো সব নিলার চাল।বাবা বাড়ীতে খাল কেটে কুমির এনেছে।

নিলা তার রুমে চলে গিয়েছে কারন নিলা জানে হাজার বললে ও নিলার কথা বিশ্বাস করবে না মমিতা।

নিলার মাথায় ঘুরছে কিভাবে বলবে মামা মামিকে এই বিয়ে কেন্সেল করতে।

এসব টেনশন করতে করতে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। খুব জর নিলার।মাথা তুলে বসতে ও পারছে না।

আবির আর দাদি এসেছে নিলাকে দেখতে।

দাদি নিলার মাথায় কিছুক্ষন হাত বুলিয়ে ড্রইং রুমে চলে যায় নিলার মামির সাথে।

আবিরকে নিলার পাশে বসিয়ে।

আবির : নিলা ডাক্তার বলেছেন তুমি নাকি খুব টেনশন করছো? কি হয়েছে তোমার। তুমি জানো তোমার প্রেশার কতো বেড়েছে। এই বয়সে কারো প্রেশার থাকে নাকি?

অধ্যায় 7 সমাপ্ত

আপনি এই অধ্যায়টি পড়া শেষ করেছেন। পরবর্তী পর্বে যান অথবা আপনার প্রতিক্রিয়া জানান!

মন্তব্যসমূহ

0

আলোচনায় যোগ দিন

মতামত জানাতে এবং পাঠকদের সাথে আলোচনায় অংশ নিতে লগইন করুন।

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

প্রথম মন্তব্যটি করে আলোচনা শুরু করুন!

রকমারি কালেকশন

বইপ্রেমীদের জন্য রকমারি বেস্টসেলার

অধ্যায় পাঠ শেষে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের ঘরানার সেরা বই ও বিশেষ ডিসকাউন্ট

রক্তাক্ত শাসন ও অপমান

অনুচ্ছেদ 1 / 1 • চলছে
বিজ্ঞাপন