রাজপথের চরম অবমাননা

•6 মিনিট পড়া•914 শব্দ
রাজপথের চরম অবমাননা

পরের দিন সকাল

বেলা….

।

সারা রাত যে পরিমাণ

বৃষ্টি হইছে তাতে

রাস্তা ঘাটে অনেকটাই

পানি লেগে আছে…

।

স্নেহাঃ এই উঠো…

উঠো বলছি…

।

সাঈদঃ কী হয়ছে হুম এত

সকাল সকাল ডাকছো

কেনো…

।

স্নেহাঃ রাতে আমার

ঘুম নষ্ট করে এখন নিজে

আমার করে ঘুমানো

হচ্ছে..

।

সাঈদঃ তো আমি কী

তোমাক ঘুমাতে বারণ

করছি..

।

স্নেহাঃ হুম ৮ঃ৩০ বাজে

এখন..

।

সাঈদঃ কীহ সাড়ে আট

টা বেজে গেছে

।

স্নেহাঃ হুম..

।

সাঈদঃ একটু আগে ডাক

দিবা না..

।

স্নেহাঃ এখনি উঠতে

চাইছিলে না আর একটু

আগে ডাক দিলা উঠতা

এই কথাটা বিশ্বাস করা

যায়…

।

সাঈদঃ হুম যায়…

।

তার পর বিছানা থেকে

উঠে বাথরুম থেকে

ফ্রেশ হয়ে নিচে

আসলাম…

।

নিচে আসতেই দেখলাম

মায়া আগেই এসে বসে

আছে…

।

সাঈদঃ good morning

maya..

।

মায়াঃ good morning…

।

সাঈদঃ এত তাড়াতাড়ি

উঠে পড়ছো যে..

।

মায়াঃ আমার আবার

একটু সকালে উঠার

অভ্যাস আছে…

।

সাঈদঃ হুম সকালে উঠা

টা স্বাস্থের জন্য

উপকার…

।

মায়াঃ আপু কোথায়

আমাকে আবার চলে

যেতে হবে…

।

সাঈদঃ এত সকাল

সকাল..

।

মায়াঃ জ্বী গাড়ি

পাইতে অনেক দেরি

হবে..

।

সাঈদঃ তুমি গাড়িতে

যাবে কেনো আমাদের

গাড়ির ড্রাইভার টা

গিয়ে তোমাকে রেখে

আসবে…

।

মায়াঃ তার কোনো

দরকার হবে না…

।

সাঈদঃ সেটা তোমার

না ভাবলেও চলবে

একবারে খেয়ে দেয়ে

তার পর যাবা…

।

স্নেহাঃ ফ্রেশ হয়ে

নিচে আসতেই…

।

সাঈদঃ চলে আসছে

তোমার আপু ..

।

মায়াঃ আপু দেখো না

দুলাভাই আমাকে এখন

যেতেই দিচ্ছে না…

।

স্নেহাঃ এখনি তুই

কোথায় যাবি হুম…

।

একবারে বিকেল এ

যাবি…

।

মায়াঃ আপু তুমিও

তোমার থেকে দুলাভাই

অনেক ভালো

।

স্নেহাঃ কেনো

।

মায়াঃ দুলাভাই তো

আমাক নাস্তা করে তার

পর যেতে বলছে তুমি

বলছো বিকেল এ যেতে

।

স্নেহাঃ ও বললেই হবে

তুই বিকেল এ যাবি

এটাই ফাইনাল এ বিষয়ে

আর একটাও কথা বলবি

না…

।

সাঈদঃ হয়ে গেলো…

।

স্নেহাঃ কী…

।

সাঈদঃ কিছু না..

।

তার পর হালকা নাস্তা

করে…

।

সাঈদঃ আচ্ছা মায়া

তোমার কোন রং পছন্দ..

।

মায়াঃ সাদা বেগুনী

আর টিয়া .

।

সাঈদঃ ও…

।

তোমার আপুর তো আবার

নীল আর লাল রং খুব

পছন্দ…

।

মায়াঃ হুম জানি…

।

সাঈদঃ রেডি হয়ে

আসো একটু মার্কেট এ

যাবো…

।

মায়াঃ কেনো…

।

সাঈদঃ রেডি হয়ে

আসো তার পর সব

জানতে পারবা…

।

।

সাঈদঃ তুমি আবার হা

করে দাড়িয়ে আছেো

কেনো তুমিও গিয়ে

রেডি হয়ে আসো..

।

স্নেহাঃ কেনো..

।

সাঈদঃ সব কথার উওর

জানতে হয় না যাও

গিয়ে কাপড় চেনজ করে

আসো..

।

স্নেহাঃ আচ্ছা ঠিক

আছে

।

উপরে এসে কাপড় চেনজ

করে নিচে আসলাম…

।

সাঈদঃ এই খানে ১৫

হাজার টাকা আছে

মায়াকে নিয়ে শপিং

মলে গিয়ে ওর যে ড্রেস

গুলো ভালো লাগবে

কিনে দিও…

।

স্নেহাঃ আমি নিবো

না…

।

সাঈদঃ রাতে আমি

তোমাক নিয়ে যাবো

আচ্ছা ড্রাইভার গাড়ি

নিয়ে বাইরে দাড়িয়ে

আছে তাড়াতাড়ি গিয়ে

শপিং করে চলে

আসবা…

।

স্নেহাঃ আচ্ছা…

।

।

।

তার পর দুই বোন মিলে

ইচ্ছে মতো শপিং

করলাম…

।

টোটাল ১৩ হাজার দুইশো

টাকা মার্কেট করলাম

…

।

এর পর বাসায় ফিরে

আসলাম বাসায় এসে…

।

মায়াঃ এসবের কী

দরকার ছিলো হুম..

।

স্নেহাঃ ছিলো সেটা

তুই বুজবি না…

।

।

এই নাও…

।

সাঈদঃ কী…

।

স্নেহাঃ টাকা গুলো…

।

সাঈদঃ আমি কী করবো

এই টাকা গুলো তুমি

তোমার কাছে রেখে

দাও…

।

স্নেহাঃ আমি কী

করবো টাকা গুলো…

।

সাঈদঃ বিপদে কাজে

লাগবে..।

।

স্নেহাঃ তুমি থাকতে

আমার আবার বিপদ

আসবে কোথা থেকে..

।

আমার টাকার প্রয়োজন

হলে চেয়ে নিবো

তোমার কাছ থেকে

এগুলো তোমার কাছে

রেখে দাও…

।

।

সাঈদঃ জীবনে প্রথম

বার এমন মেয়েকে

দেখলাম যার টাকার

প্রতি বিন্দু মাএও লোভ

নেই এমন একটা

মেয়েকে নিজের বউ

হিসাবে পাওয়া অনেক

ভাগ্যর বেপার…

।

।

দুপুর বেলা খাওয়া

দাওয়া করে মায়াকে

বিদায় দিলাম…

।

।

স্নেহাঃ বিকেল বেলা

গেলে কী হতো…

।

সাঈদঃ অনেক তো জোর

করলাম থাকার জন্য

কিন্তু সে তো থাকবেই

না কাউকে জোর করে

রাখাটা ঠিক না..

।

স্নেহাঃ হয়তো বা ..

।

সাঈদঃ তুমি গিয়ে

রেস্ট নাও আমি একটু

বাইরে যাবো..

।

স্নেহাঃ দুপুর বেলা

কোথায় যাবা…

।

সাঈদঃ অফিসের কিছু

কাজ আছে.

।

স্নেহাঃ না গেলে হয়

না…

।

সাঈদঃ না….

।

আচ্ছা এখান তাহলে

আমি আসি তুমি কিন্তু

গিয়ে ঘুমাবা এখন

ভালো মেয়ের মতো…

।

স্নেহাঃ আচ্ছা

।

সাঈদঃ আসি তাহলে

উম্মাহ

।

তার পর বাসা থেকে

বেড়িয়ে পড়লাম হঠাৎ

রাস্তায় তানিশার

সাথে দেখা…

।

।

তানিশাঃ পাচটা

মিনিট কথা বলা যাবে

।

সাঈদঃ আপনার সঙ্গে

আমার কোন কথা

থাকতে পারে বলে মনে

হয় না…

।

তবুও বলেন..

।

।

তানিশাঃ একটা সত্যি

কথা বলবেন আপনি

এখনো আমাক

ভালোবাসেন তাই না

আমি ও আপনাকে এখনো

অনেক ভালোবাসি

আমি কী আপনার

লাইফে ফিরে আসতে

পারি…

।

সাঈদঃ কথাটা শেষ

হতে না হতেই কষিয়ে

গালে একটা থাপ্পর

বসিয়ে দিলাম…

।

রাস্তার মানুষ জন গুলো

আমার দিকে তাকিয়ে

আছে..

।

থাকুক তাতে আমার

কী…

।

সাঈদঃ এই কথাটা যদি

দ্বিতীয় বার বলছেন

তাহলে চলন্ত গাড়ির

নিচে ফেলে দিবো

আপনাকে ভালোবাসবো

আমি হা হা হা…

।

।

ঘৃণা করি আপনাকে যে

কী না টাকার জন্য

নিজের স্বামীকে

ছেড়ে চলে যায় তাকে

আবার আমি

ভালোবাসবো…

।

কীসের অভাব ছিলো

আমার তিন বেলা পেট

ভরে খেতে তো পারতে

কোন দিন কী না খেয়ে

ছিলেন আরে এসব কথা

এখন বলে লাভ কী…

।

।

যা বলছেন আর যেনো

কোন দিন না শুনি

স্নেহা শুনলে কষ্ট

পাবে…

।

আপনি তো টাকার জন্য

ছেড়ে গেছিলেন আর

স্নেহা আমার কাছে

আসছিলো আমার টাকা

ছিলো না বলে….

।

।

আপনার মতো টাকার

প্রতি ওর বিন্দু মাএ

লোভ নেই …

।

।

কথাটা শেষ হতে না

হতেই…

।

নীলঃ রাস্তা দিয়ে

যাওয়ার সময় সব শুনে

ফেলছি…

নিজেকে কন্ট্রোল না

করতে পেরে শরীরের

যতটা শক্তি ছিলো

সেটা দিয়ে দুই গালে

দুটো থাপড় বসিয়ে

দিলাম….

অধ্যায় 11 সমাপ্ত

আপনি এই অধ্যায়টি পড়া শেষ করেছেন। পরবর্তী পর্বে যান অথবা আপনার প্রতিক্রিয়া জানান!

মন্তব্যসমূহ

0

আলোচনায় যোগ দিন

মতামত জানাতে এবং পাঠকদের সাথে আলোচনায় অংশ নিতে লগইন করুন।

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

প্রথম মন্তব্যটি করে আলোচনা শুরু করুন!

রকমারি কালেকশন

বইপ্রেমীদের জন্য রকমারি বেস্টসেলার

অধ্যায় পাঠ শেষে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের ঘরানার সেরা বই ও বিশেষ ডিসকাউন্ট

রাজপথের চরম অবমাননা

অনুচ্ছেদ 1 / 1 • চলছে
বিজ্ঞাপন