তোমার স্বীমীকে ডিভোর্স দিতে হবে না হলে কোন দিন তাকে আর জীবিত দেখতে পাবে না….
।
স্নেহাঃ কথা গুলো শুনার পর নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারতেছি না কী করবো আমি এখন এই একটা মাএ রাস্তায় খোলা আছে আমার কাছে…
।
কিন্তু আমি ওনাকে কীভাবে ডিভোর্স দিবো আমি মরে গেলেও ওনাকে ডিভোর্স দিতে পারবো না আর যদি ডিভোর্স না দিয় তাহলে ওরা ওনাকে মেরে ফেলবে…
।
।
হাজার চিন্তা ভাবনা করে দেখলাম না এবার মনে হচ্ছে সত্যি সত্যি ওনাকে ডিভোর্স দিতে হবে তার পর এক রাত ওই শয়তান জানোয়ার মানুষদের সঙ্গে কাটাতে হবে এতে যদি ওনি সুস্থ ভাবে ফিরে আসতে পারেন তাহলে ওনার জন্য আমি খুশি খুশি মরতেও রাজি….
।
।
ওই জানোয়ার দের যেখানে টাকা দেওয়ার কথা হইছিলো সেখানেই আমাকে যেতে বলছে কিন্তু যাওয়ার মতো একটা টাকাও নেই আমার কাছে হাঠতে হাঠতে প্রায় চলে এসেছি সামনে সেই ভয়ানক জঙ্গল ভয়ে হাত পা ঠান্ডা হয়ে আসছিলো তবুও বুকের মাঝে সাহস নিয়ে এগিয়ে যেতে থাকলাম…
।
।
জঙ্গলে ডুকার সময় হঠাৎ মনে হলো পিছনের ঝোপঝাড়ে কিছু পড়ে রয়েছে কিন্তু কী সেটা…
।
যাই থাক তাতে আমার কী…
।
একটু সামনে এগোতেই মনে একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিলো ওদের সব কথা মেনে নেওয়ার পরও ওরা যদি ওনাকে না ছেড়ে দেয় তখন কী হবে…
।
এক পা এগোচ্ছি তো তিন পা পিছনে যাচ্ছি..
।
না আমি থাকতে ওনার কিছু হতে দিবো না হটাতে হটাতে হঠাৎ গাছের শিকরের সাথে ধাক্কা খেয়ে একটা রক্তাক্ত জিনিসের উপর এসে পড়লাম…
।
চোখ খুলে তাকাতেই……
।
হাত পা গুলো ঠান্ডা হয়ে আসছিলো নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছি না ওনি আমার সামনে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন জানোয়ার গুলো কী অবস্থা করেছেন ওনার আমি তো ওদের সব সত্য মেনে নিয়েছিলাম তাহলে কেনো করলো ওরা এমন…
।
এই মুহূর্তে ভেঙ্গে পড়লে চলবে না নিজেকে শক্ত করতে হবে…
।
চোখর পানি গুলো মুছে ওনাকে তুলার চেষ্টা করলাম কিন্তু বার বার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছি ওনার শরীর টা ভীষণ ভারি…
।
আমার পক্ষে তুলা সম্ভব না কিন্তু তাই বলে আমি হার মেনে নিতে পারবো না রবার্ট ব্রুস সাত বার যুদ্ধে হেরে গিয়েও আশা ছাড়েন নি তাহলে আমি কেনো আশা ছাড়বো শত চেষ্টা করার পর কোনো ভাবে ওনাকে তুলতে পারছি….
।
ওনাকে উঠিয়ে কোনো ভাবে জঙ্গলের রাস্তায় নিয়ে আসলাম এই রাস্তা দিয়ে সব সময় কোনো না কোনো গাড়ি যায়..
।
ওনাকে একটা গাছের সাথে হেলান দিয়ে বসিয়ে দিয়ে রাস্তায় গাড়ি আটকানোর চেষ্টা করলাম কিন্তু কোনো গাড়ি আটকাচ্ছে না হঠাৎ একটা অটোরিকশা থামলো কিন্তু সে পৌঁছে দিতে নাকি এক হাজার টাকা নিবে আমি এই মুহূর্তে এক হাজার কেনো এক কোটি টাকা দিতেও রাজি ওনার জন্য এক হাজার টাকা আমার কাছে কিছু না অটো ওয়ালা দাদাকে নিয়ে ওনাকে তুলে অটোতে বসলাম তার পর বাসায় নিয়ে আসলাম ওনাকে…
।
।
ওনাকে রুমে এনে শুয়েই দেওয়ার পর…
।
অটোওয়ালাঃ মেডাম আমার টাকা টা…
।
স্নেহাঃ এক হাজার টাকা এখন কোথায় পাবো তাই নিজের হাতের মোবাইলটা দিয়ে দেখেন দাদা এই মুহূর্তে আমার কাছে কোনো টাকা নেই আপনি এই ফোনটা রাখেন বিক্রি করে অনেক টাকা পাবেন..
।
অটোওয়ালাঃ অনেক আশা ছিলো একটা টার্চ ফোন নিবো তাহলে উপর ওয়ালা আমার মনের ইচ্ছে পুরণ করছে…
।
খুশি মনে মোবাইলটা নিয়ে চলে আসলাম…
।
।
স্নেহাঃ অটো ওয়ালা চলে যাওয়ার পর ..
।
বাড়ির সমস্ত জানালা দরজা ভিতর থেকে ভালোভাবে বন্ধ করে দিলাম…
।
তার পর রুমে এসে ওনার শার্ট টা খুলে ফেললাম রক্তে ওনার সাদা শার্ট টা লাল হয়ে গেছে ভিজে কাপড় দিয়ে সারা শরীর টা মুছে দেওয়ার পর বাসায় কিছু ব্যান্ডেজ ছিলো সে গুলো কেটে যাওয়া জায়গায় লাগিয়ে দিলাম..
।
কী অবস্থা করেছে ওই জানোয়ার গুলো এনার হাতের মধ্যে এখনো দাড়ি দিয়ে বেধে রাখার দাগ গুলো রয়েছে…
।
কিন্তু কারা ওরা এনার সঙ্গে ওদের কীসের শএুতা কেনো ওরা এনার পিছনে ওঠে পড়ে লেগেছে….
।
।
এনার তো হাত পা গুলো ঠান্ডা হয়ে আসতেছে নিচে দৌড়ে গিয়ে সরষের তেলে বোতলটা নিয়ে এসে ওনার হাত পায়ে সরষের তেল ঘষতে লাগলাম…
।
কিন্তু এতেও কাজ হচ্ছে শরীর টা আরো ঠান্ডা হয়ে আসতেছে…
।
আলমারী থেকে সমস্ত কম্বল গুলো বের করে ওনার শরীর এর ডেকে দিলাম এবার মনে হচ্ছে কিছু টা হলেও ওনার শরীর টা গরম হচ্ছে…
।
।
এদিকে সময় যত যাচ্ছে রাত ততই গভীর হয়ে আসছে কিন্তু ওনার জ্ঞান তো এখনো ফিরে আসছে না কী করবো আমি এখন…
।
।
।
অপর দিকে…
।
।
রুম থেকে এত রক্ত বেরোচ্ছে কেনো রে…
।
।
জানি না বস..
।
গিয়ে দেখতো বেপার টা কী…
।
জ্বী বস…
