স্নেহাঃ এই মায়া কী কোথায়ও আমাদের শান্তিতে থাকতে দিবে না..
।
।
।
➡ অন্য দিকে
।
।
স্নেহার মাঃ মায়া এদিকে আয় তো…
।
মায়াঃ হ্যা মা বলো কী বলতে চাচ্ছো…
।
স্নেহার মাঃ কীভাবে কথাটা তোকে বলবো তুই আবার তোর বাবাকে বলে দিবি না তো…
।
মায়াঃ কী যে বলো মা আচ্ছা বলো বলবো প্রোমিশ…
।
স্নেহার মাঃ তুই তো স্নেহার বাসায় গেছিলিস তা ওর নাম্বার আছে তোর কাছে খুব দেখতে ইচ্ছে করছে মেয়েটাকে…
।
১০ মাস ১০ দিন এই পেটে রেখেছিলাম কীভাবে ভুলে থাকবো ওকে…
।
।
মায়াঃ কই না তো স্নেহা আপুর তো ফোন এ নেই…
।
স্নেহার মাঃ মেয়েটা জানি না কীভাবে এমন একটা কাজ করে ফেললো আগে তো ও এমন ছিলো না কত সহজ সরল ছিলো হঠাৎ কী হলো যে তাকে এই ভাবে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করতে হলো…
।
জানিস এর জন্য গ্রামের মানুষেরা তোর বাবাকে কত কিছু বলছে মানুষ টা রাতের বেলা শান্তিতে ঘুৃমোতেও পারে না…
।
তোর বাবাও স্নেহাকে ছেড়ে থাকতে পারে না কিন্তু মুখ ফুটে বলতে পারছে না নিজের বিবেকটা আটায় দেয়…
।
মায়াঃ যা হবার তাই তো হয়ে গেছে আপুকে ক্ষমা করে দিলে কী হয় সব কিছু কী আগের মতো শুরু করা যায় না তাছাড়া দুলভাই তো অনেক বড় ফ্যামিলির ছেলে গাড়ি আছে বাড়ি আছে সরকারি চাকরি আছে এত কিছু থাকার পরেও তোমরা কেনো মেনে নিতে পারছো না এটাই বুঝতে পারছি না…
।
।
স্নেহার মাঃ তুই জানিস না আমি তোর বাবার উপর কোনো কথা বলতে পারি না ওনি যাই বলেন আমি তাই করি..
।
মায়াঃ মা তুৃমিও না পারো বটে এখন এসব বাদ দাও তো আমি তোমাকে নিয়ে একদিন স্নেহা আপুর বাসায় যাবো কেমন বাবা জানতেও পারবে না…
।
।
স্নেহার মাঃ সত্যি বলছিস…
।
মায়াঃ হুম সত্যি….
।
।
।
।
।
।
স্নেহাঃ এখানে নাকি মা বাবা আর মায়া আসতেছে..
।
সাঈদঃ কখন..
।
স্নেহাঃ কালকে আসবে..
।
সাঈদঃ তাহলে তো এখানে আমরা থাকতে পারবো না…
।
স্নেহাঃ সেটাই তো কিন্তু যাওয়ার মতো তো কোথায় জায়গা নেই…
।
সাঈদঃ কেনো আমার আমার বাসাটা কী হয়েছে…
।
স্নেহাঃ সেখানে যেতে আমার ভয় লাগে…
।
সাঈদঃ আরে বাবা ভয় কে এবার আমাদের জয় করতে হবে অনেক হয়ে গেছে এই ছেলে মানুষি খেলা তুমি ছটফট কাপড় গুলো গুছিয়ে ফেলো আজ রাতেই আমাদের চলে যেতে হবে…
।
।
স্নেহাঃ হুম…
।
।
স্নেহার খালাঃ কী করিস এসব তুই…
।
স্নেহাঃ আমরা আজ রাতেই চলে যাবো যদি মা বাবা জানতে পারে এসব তাহলে হয়তো ওরা তোমার সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করে দিবে আমি চাই না তোমার সঙ্গে ওদের সম্পর্ক টা নষ্ট হোক…
।
।
স্নেহার খালাঃ তাই বলে এভাবে চলে যাবি তোরা…
।
স্নেহাঃ কী করবো বলো সব নিয়তির খেলা…
।
রাতের বেলা..
।
সাঈদঃ আসি তাহলে খালা আম্মা আপনি আমাদের অনেক সাহায্য করছেন আপনার কথা আমি কখনো ভুলবো না…
।
স্নেহাঃ খালা তুমি কিন্তু আমাদের বাসায় আসবে…
।
আর মাইসা তুইও আসবি কিন্তু…
।
।
স্নেহার খালাঃ আচ্ছা বাবা যাবো তোর বাসায় না গেলে আর কোথায় যাবো বল…
।
সাঈদঃ আচ্ছা আসি তাহলে…
।
স্নেহার খালাঃ আচ্ছা বাবা আবার আসিও…
।
স্নেহাঃ আচ্ছা…
।
।
তার পর সবার কাছ থেকে বিদাই নিয়ে…
।
গাড়িতে উঠে বসলাম…
।
।
সাঈদঃ গাড়িতে উঠার পর আমার গাড়িটার কথা মনে পড়ে গেলো জানি না আমার গাড়িটা এখন কী অবস্থায় রয়েছে…
।
।
কয়েক ঘন্টা পর শহরে পৌঁছে গেলাম…
।
বাসায় আসতে আসতে রাত ৪ টা বেজে গেছে গাড়ি থেকে নেমে গাড়ির ভাড়াটা দিয়ে ভিতরেই ডুকতেই দেখলাম সব কিছুতে ধুলো জমে গেছে…
।
স্নেহাঃ কিছু দিন ছিলাম না বলে কী অবস্থায় হয়ছে দেখচ্ছো..
।
সাঈদঃ হুম…
।
স্নেহাঃ কাল এ গুলো সব পরিষ্কার করতে হবে…
।
সাঈদঃ তুমিও এগুলো পরিষ্কার করতে যাবা না এগুলোতে অনেক জীবানু লেগে আছে আমি একটা কাজের বুয়া নিয়ে আসবো…
।
স্নেহাঃ আমি থাকতে কাজের বুয়ার কী দরকার…
।
সাঈদঃ আছে তুমি এসব নাড়বে মানে নাড়বে না…
।
।
স্নেহাঃ???
।
সাঈদঃ রুমে চলো তো দেখি রুমের কী অবস্থা…
।
স্নেহাঃ রুমে এসে হায় আল্লাহ পুরো রুমটার কী অবস্থা রুমের সব জিনিস পএ গুলো কেউ ভেঙ্গে মেঝেতে ফেলে রেখেছে ঘরের একটা জিনিস ও জায়গা মতো নেই…
।
তার মানে আমরা চলে যাওয়ার পর কেউ নিশ্চয়ই আসছিলো…
।
সাঈদঃ এখানে থাকাটা ঠিক হবে না…
।
স্নেহাঃ কিন্তু কী করবো এখন…
।
সাঈদঃ এখান থেকে কিছু দুরেই একটা হোটেল আছে ওটাতে আজকের রাত টা থাকতে হবে…
।
।
স্নেহাঃ তোমার যা ইচ্ছে…
।
সাঈদঃ হুম চলো….
।
।
তার পর বাসা থেকে বেড়িয়ে কিছুখন পর হোটেলে এসে একটা রুম বুক করে ফেললাম রুমে এসে লাইট বন্ধ করে দিয়ে শুয়ে পড়লাম কেনো না শরীরটা ভীষণ ক্লান্ত লাগতেছিলো…
।
।
পরের দিন…
।
।
স্নেহার বাবাঃ চলো গাড়ি চলে আসছে তো…
।
স্নেহার মাঃ হুম চলো…
।
।
তার পর তিনজনে উঠে বসলাম…
।
।
তার পর কয়েক ঘন্টা পর নীলাদ্রির বাসায় পৌঁছে গেলাম..
।
।
স্নেহার মাঃ কেমন আছিস বোন..
।
স্নেহার খালাঃ হুমভালো..আরে মায়া তো অনেক বড় হয়ে গেছে…
।
মায়াঃ হুম খালা মুনি…
।
।
স্নেহার বাবাঃ অনেক দিন পর আসা হলো এখানে মাইসা কোথায়…
।
স্নেহার খালাঃ নিজের রুমে আছে…
।
স্নেহার বাবাঃ অনেক দিন হলো মেয়েটাকে দেখি নি একটু কথা বলে আসি রুমে এসে মাইসা মা কেমন আছো…
।
মাইসাঃ ভালো তুমি কেমন আছো…
।
স্নেহার বাবাঃ ভালো এই জামাটা তোমাক তো খুব সুন্দর মানাচ্ছে কে দিয়েছে এটা…
।
।
মাইসাঃ স্নেহা আপু… ☺☺☺☺
।
স্নেহার বাবাঃ কীহ….
।
স্নেহার খালাঃ আমি বাইরে থেকে সব শুনতে পাচ্ছিলাম রুমে দৌড়ে গিয়ে…
।
স্নেহার খালাঃ কিছু মনে করবেন ও এখনো ছোটো আসলে হয়েছেছিলো টা কী জানেন কয় দিন আগে আমার উপর খুব রাগ করছিলো তাই আমি ওর রাগ ভাঙ্গানোর জন্য জামাটা কিনে বলেছিলাম ওর স্নেহা আপু দিয়েছে..
।
।
স্নেহার বাবাঃ ওও…
।
।
।
দেখতে দেখতে রাত গেলো…
।
এদিকে স্নেহার বাবাঃ রাত তখন ১ টা বাজে হঠাৎ মনে হলো বাইরে কেউ কথা বলতেছে সেটা দেখতেই যখন বাইরে আসলাম তখন যা দেখলাম সেটা দেখে অবাক হয়ে যাচ্ছি এত রাতে কার সাথে কথা বলতেছে মেয়েটা?..
