{
    "_links": {
        "html": "https://golpohub.com/episodes/nirobotar-arale-s1-ep26",
        "json": "https://golpohub.com/episodes/nirobotar-arale-s1-ep26?format=json",
        "markdown": "https://golpohub.com/episodes/nirobotar-arale-s1-ep26?format=md",
        "rss": "https://golpohub.com/episodes/nirobotar-arale-s1-ep26?format=rss",
        "atom": "https://golpohub.com/episodes/nirobotar-arale-s1-ep26?format=atom"
    },
    "seo": {
        "canonical_url": "https://golpohub.com/episodes/nirobotar-arale-s1-ep26",
        "title": "নীরবতার আড়ালে পর্ব ২৬ - স্মৃতির অরণ্যে ভাঙা স্বর | Nirobotar Arale Part 26",
        "description": "পড়ুন নীরবতার আড়ালে পর্ব ২৬ (স্মৃতির অরণ্যে ভাঙা স্বর)। কোড ০২১৭ দিয়ে ফোন আনলক এবং মায়ের কান্নাভেজা ভয়েস রেকর্ডিং শ্রবণ।",
        "keywords": "নীরবতার আড়ালে পর্ব ২৬, nirobotar arale porbo 26, nirobotar arale part 26, nirobotar arale episode 26, তানিয়ার অডিও, কোড ০২১৭, মায়ের কণ্ঠ, মাইশা রায়হান",
        "image_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-chapter-3263-45b58d.webp",
        "schema": {
            "@context": "https://schema.org",
            "@graph": [
                {
                    "@type": "Chapter",
                    "name": "স্মৃতির অরণ্যে ভাঙা স্বর",
                    "position": 26,
                    "description": "কোড ০২১৭ চাপতেই বহু বছর পর মায়ের অশ্রুসিক্ত কণ্ঠ শুনতে পায় মাইশা—‘আমি তোকে ছেড়ে যাইনি মাইশু!’ তানিয়ার স্বীকারোক্তি প্রমাণ করে রায়হানের বাবা ছিলেন রক্ষক, শত্রু নন। কিন্তু শেষ অডিও ফাইলে উল্লেখিত সেই অচেনা নারী কে, যে তানিয়াকে নদী পার হতে সাহায্য করেছিল?",
                    "url": "https://golpohub.com/episodes/nirobotar-arale-s1-ep26",
                    "inLanguage": "bn",
                    "timeRequired": "PT9M",
                    "datePublished": "2026-10-15T17:23:32+00:00",
                    "dateModified": "2026-10-15T17:29:28+00:00",
                    "wordCount": 1365,
                    "image": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-chapter-3263-45b58d.webp",
                    "isPartOf": {
                        "@type": [
                            "BookSeries",
                            "CreativeWorkSeries"
                        ],
                        "name": "নীরবতার আড়ালে",
                        "url": "https://golpohub.com/series/nirobotar-arale"
                    },
                    "author": {
                        "@type": "Person",
                        "name": "মেহেজাবিন ইসলাম মাইশা",
                        "url": "https://golpohub.com/authors/mehazabin-islam-maisha"
                    }
                },
                {
                    "@type": "BreadcrumbList",
                    "itemListElement": [
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 1,
                            "name": "Golpo Hub",
                            "item": "https://golpohub.com"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 2,
                            "name": "সিরিজসমূহ",
                            "item": "https://golpohub.com/series"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 3,
                            "name": "নীরবতার আড়ালে",
                            "item": "https://golpohub.com/series/nirobotar-arale"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 4,
                            "name": "স্মৃতির অরণ্যে ভাঙা স্বর",
                            "item": "https://golpohub.com/episodes/nirobotar-arale-s1-ep26"
                        }
                    ]
                }
            ]
        }
    },
    "filters": [],
    "data": {
        "id": 3263,
        "ep_number": 26,
        "title": "স্মৃতির অরণ্যে ভাঙা স্বর",
        "slug": "nirobotar-arale-s1-ep26",
        "url": "https://golpohub.com/episodes/nirobotar-arale-s1-ep26",
        "reading_time": 9,
        "thumbnail_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-chapter-3263-45b58d.webp",
        "yt_video_id": null,
        "yt_video_url": null,
        "timestamps": {
            "published_at": "2026-10-15T17:23:32+00:00",
            "updated_at": "2026-10-15T17:29:28+00:00"
        },
        "meta": {
            "word_count": 1365,
            "seo_title": "নীরবতার আড়ালে পর্ব ২৬ - স্মৃতির অরণ্যে ভাঙা স্বর | Nirobotar Arale Part 26",
            "seo_description": "পড়ুন নীরবতার আড়ালে পর্ব ২৬ (স্মৃতির অরণ্যে ভাঙা স্বর)। কোড ০২১৭ দিয়ে ফোন আনলক এবং মায়ের কান্নাভেজা ভয়েস রেকর্ডিং শ্রবণ।",
            "keywords": "নীরবতার আড়ালে পর্ব ২৬, nirobotar arale porbo 26, nirobotar arale part 26, nirobotar arale episode 26, তানিয়ার অডিও, কোড ০২১৭, মায়ের কণ্ঠ, মাইশা রায়হান",
            "characters_involved": [
                "মাইশা",
                "রায়হান ব্যাপারী"
            ]
        },
        "content": "ধাম!\nপুরোনো পশ্চিম ঘরের দরজাটা হঠাৎ বন্ধ হয়ে যেতেই মাইশা চমকে উঠল।\nসে অজান্তেই রায়হানের হাত শক্ত করে ধরে ফেলল।\n\"রায়হান...\"\nরায়হান সঙ্গে সঙ্গে তার সামনে এসে দাঁড়াল।\n\"ভয় পেয়ো না।\"\nমাইশা ফিসফিস করে বলল,\n\"কেউ কি আমাদের সঙ্গে ভেতরে আছে?\"\nরায়হান চারপাশে তাকাল।\nঘরের ভেতর অন্ধকার।\nজানালাগুলো প্রায় বন্ধ। পুরোনো পর্দা বাতাসে সামান্য নড়ছে। দেয়ালের এক কোণে মাকড়সার জাল, মেঝেতে ধুলো, আর বহু বছর ধরে ব্যবহার না করা আসবাবপত্র।\nকিন্তু মানুষ?\nকেউ নেই।\nরায়হান ধীরে ধীরে ঘরের শেষ প্রান্তে গেল।\n\"কেউ নেই।\"\nমাইশা তখনও দরজার কাছে দাঁড়িয়ে।\n\"কিন্তু দরজাটা বন্ধ হলো কীভাবে?\"\nরায়হান দরজাটা পরীক্ষা করল।\nভেতর থেকে কোনো লক লাগানো নেই।\nসে দরজা খুলতে গেল।\nকড়াৎ...\nদরজা খুলে গেল।\nবাইরে দাঁড়িয়ে ছিল হেমেশ চাচা।\nমাইশা চমকে বলল,\n\"আপনি এখানে?\"\nহেমেশ চাচার মুখে চিন্তার ছাপ।\n\"তোরা ফোনটা পেয়েছিস?\"\nরায়হান সঙ্গে সঙ্গে প্রশ্ন করল,\n\"আপনি জানতেন ফোনটা এখানে আছে?\"\nহেমেশ চাচা কয়েক সেকেন্ড চুপ করে থাকলেন।\nতারপর বললেন,\n\"জানতাম।\"\nমাইশা যেন বিশ্বাসই করতে পারছিল না।\n\"তাহলে এতদিন আমাকে বলেননি কেন?\"\nহেমেশ চাচা নিচু গলায় বললেন,\n\"কারণ তোমার মাকে আমি কথা দিয়েছিলাম—তুমি নিজে খুঁজে না পাওয়া পর্যন্ত আমি কিছু বলব না।\"\nমাইশা এবার আরও অবাক।\n\"আমার মা আপনাকে কী বলেছিল?\"\nহেমেশ চাচা দরজার দিকে তাকালেন।\n\"তোমার মা বলেছিল, একদিন তার মেয়ে এই বাড়িতে ফিরে আসবে।\"\n\"আর তখন?\"\n\"তখন তাকে সবকিছু নিজের চোখে দেখতে দিতে হবে।\"\nমাইশার চোখ ভিজে উঠল।\n\"কিন্তু আমি তো কিছুই জানি না।\"\nহেমেশ চাচা ধীরে বললেন,\n\"জানার জন্যই তো এই ফোন।\"\nরায়হান ফোনটা হাতে তুলে ধরল।\nস্ক্রিনে এখনও একই লেখা—\n02:17\nসে বলল,\n\"ফোনটা চালু হচ্ছে না।\"\nহেমেশ চাচা বললেন,\n\"চালু হওয়ার কথা না।\"\n\"মানে?\"\n\"এটা সাধারণ ফোন না।\"\nরায়হান ভ্রু কুঁচকে তাকাল।\n\"কী বলতে চাইছেন?\"\nহেমেশ চাচা বললেন,\n\"তোমার মা ফোনটা রেখে যাওয়ার সময় বলেছিল, এটা যেন সাধারণভাবে খোলা না হয়।\"\nমাইশা বলল,\n\"তাহলে কীভাবে খুলব?\"\nহেমেশ চাচা মাইশার দিকে তাকিয়ে বললেন,\n\"তুমি চেষ্টা করো।\"\n\"আমি?\"\n\"হ্যাঁ।\"\nমাইশা ফোনটা হাতে নিল।\nস্ক্রিনে আবার ভেসে উঠল—\n02:17\nতার নিচে একটা ছোট লাইন—\nENTER CODE\nমাইশা রায়হানের দিকে তাকাল।\n\"কোড?\"\nরায়হান ঘড়িটার দিকে তাকাল।\n\"০২১৭।\"\nমাইশা ধীরে ধীরে চারটি সংখ্যা চাপল।\n0 — 2 — 1 — 7\nকয়েক সেকেন্ড কোনো প্রতিক্রিয়া নেই।\nতারপর—\nটিক।\nস্ক্রিন খুলে গেল।\nমাইশার নিঃশ্বাস আটকে গেল।\nফোনে মাত্র তিনটা ফাইল।\nVOICE 01\nVOICE 02\nPHOTO 01\nরায়হান বলল,\n\"আগে ভয়েসটা শুনি।\"\nমাইশা মাথা নাড়ল।\nরায়হান ফোনটা একটা টেবিলের ওপর রাখল।\nসবাই চুপ হয়ে গেল।\nসে VOICE 01 চাপল।\nকয়েক সেকেন্ড শুধু শোঁ শোঁ শব্দ।\nতারপর...\nএকটা নারীকণ্ঠ।\nখুব পরিচিত।\nখুব আপন।\nমাইশার বুক কেঁপে উঠল।\n\"মাইশু...\"\nমাইশার চোখ বড় হয়ে গেল।\n\"মা...\"\nতার ঠোঁট কাঁপছিল।\nসে ফোনটার দিকে ঝুঁকে গেল।\nরেকর্ডিংয়ে কণ্ঠটা আবার শোনা গেল।\n\"যদি তুই কোনোদিন এই রেকর্ডিং শুনিস, তাহলে বুঝব... তুই সত্যিটা খুঁজতে শুরু করেছিস।\"\nমাইশার চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ল।\nকণ্ঠটা কিছুক্ষণ থামল।\nতারপর—\n\"আমি চাইনি তুই এই গল্পের মধ্যে বড় হোস।\"\nমাইশা চোখ বন্ধ করে ফেলল।\n\"আমি চেয়েছিলাম তুই একটা সাধারণ জীবন কাটাস। স্কুলে যাস, বন্ধুদের সঙ্গে হাসিস, নিজের স্বপ্ন নিয়ে বাঁচিস...\"\nকণ্ঠটা কেঁপে উঠল।\n\"কিন্তু কিছু সত্যি মানুষ লুকিয়ে রাখতে চাইলেও লুকিয়ে রাখা যায় না।\"\nরায়হান নিঃশব্দে মাইশার দিকে তাকিয়ে ছিল।\nরেকর্ডিং চলতে থাকল।\n\"২০১৪ সালের সেই রাতে আমি যা দেখেছিলাম... সেটা যদি সবাই জানত, তাহলে শুধু আমার জীবন না, আরও কয়েকটা পরিবারের জীবন বদলে যেত।\"\nমাইশার বুক ধড়ফড় করছিল।\nতার মা বলছে—\n\"রাশেদকে নিয়ে যে কথাগুলো শুনবি, তার সব বিশ্বাস করিস না।\"\nরায়হান স্থির হয়ে গেল।\nমাইশা তার দিকে তাকাল।\nরেকর্ডিং চলল।\n\"রাশেদ খারাপ মানুষ না। কিন্তু সে ভয় পেয়েছিল। আর ভয় পাওয়া মানুষ কখনো কখনো ভুল সিদ্ধান্ত নেয়।\"\nমাইশা ধীরে বলল,\n\"তাহলে রাশেদ...\"\nরায়হান চুপ করে শুনছিল।\nরেকর্ডিংয়ের কণ্ঠ আবার শোনা গেল।\n\"যে মানুষটাকে সবাই দোষ দেবে, সে একা দায়ী না।\"\nএকটু বিরতি।\nতারপর—\n\"সেদিন রাতে রায়হানের বাবাও সেখানে ছিলেন।\"\nমাইশার বুকের ভেতরটা যেন থেমে গেল।\nরায়হানও চোখ নামিয়ে ফেলল।\nকণ্ঠটা বলল,\n\"কিন্তু তিনি আমাকে ক্ষতি করতে আসেননি।\"\nমাইশা অবাক হয়ে তাকাল।\nরেকর্ডিংয়ের পরের কথাগুলো আরও ধীর।\n\"তিনি আমাকে সাহায্য করতে চেয়েছিলেন।\"\nরায়হান ফিসফিস করে বলল,\n\"আমার বাবা...\"\nমাইশা চুপ করে রইল।\nতারপর মায়ের কণ্ঠ—\n\"আমি যদি কখনো ফিরে না আসি, তাহলে মাইশুকে বলবি—তার বাবা তাকে কোনোদিন মিথ্যা বলেনি। শুধু সব সত্যি বলতে পারেনি।\"\nমাইশার চোখ দিয়ে অঝোরে পানি পড়তে লাগল।\n\"কেন মা?\"\nসে যেন নিজের মাকে উদ্দেশ্য করেই বলল,\n\"কেন?\"\nরেকর্ডিংয়ের কণ্ঠ যেন সেই প্রশ্নের উত্তরই দিচ্ছিল।\n\"কারণ আমাকে কিছুদিনের জন্য লুকিয়ে থাকতে হয়েছিল।\"\nমাইশা হঠাৎ উঠে দাঁড়াল।\n\"লুকিয়ে?\"\nরায়হানও তাকাল।\n\"মানে তোমার মা তখন...\"\nমাইশা কাঁপা গলায় বলল,\n\"মা মারা যায়নি?\"\nঘরের ভেতর সবাই নিস্তব্ধ।\nকিন্তু রেকর্ডিং তখনও চলছে।\n\"আমি জানি না এই রেকর্ডিং তোর হাতে পৌঁছাতে কত বছর লাগবে।\"\n\"কিন্তু যদি তুই এটা শুনিস, তাহলে একটা জিনিস মনে রাখিস—\"\n\"আমি তোকে ছেড়ে যাইনি।\"\nমাইশার মুখ দিয়ে কান্না বেরিয়ে এল।\nরায়হান তার পাশে এসে দাঁড়াল।\nমাইশা তার হাত ধরে ফেলল।\nমায়ের কণ্ঠ এবার আরও নিচু হয়ে গেল।\n\"আমাকে খুঁজতে হলে প্রথমে সেই মানুষটাকে খুঁজিস, যে ২০১৪ সালের রাত ২টা ১৭ মিনিটে শেষবার আমাকে দেখেছিল।\"\nরেকর্ডিং শেষ।\nঘরে নিস্তব্ধতা।\nকেউ কথা বলছে না।\nমাইশা ধীরে ধীরে বসে পড়ল।\nতার চোখে পানি।\nকিন্তু সেই পানির ভেতর এবার একটা নতুন অনুভূতি—\nআশা।\n\"রায়হান...\"\n\"হুম?\"\n\"আমার মা বেঁচে থাকতে পারে।\"\nরায়হান তার দিকে তাকাল।\n\"হ্যাঁ।\"\n\"তাহলে আমি ওনাকে খুঁজব।\"\nরায়হান মাথা নাড়ল।\n\"আমরা খুঁজব।\"\nকিন্তু একটা প্রশ্ন থেকে গেল\nরায়হান ফোনের দ্বিতীয় রেকর্ডিংয়ের দিকে তাকাল।\nVOICE 02\nসে বলল,\n\"এটাও শুনতে হবে।\"\nমাইশা চোখ মুছে বলল,\n\"হুম।\"\nরায়হান প্লে করল।\nএবার কণ্ঠটা মাইশার মায়ের নয়।\nএকজন পুরুষ।\nগভীর, ক্লান্ত কণ্ঠ।\n\"যদি এই রেকর্ডিং কেউ পেয়ে থাকে, তাহলে ধরে নিতে হবে আমি আর চুপ করে থাকতে পারিনি।\"\nমাইশা রায়হানের দিকে তাকাল।\nপুরুষের কণ্ঠটা আবার বলল,\n\"তানিয়া চলে যাওয়ার পর সবাই ভেবেছিল রাশেদ দায়ী।\"\n\"কিন্তু আসল ঘটনা অন্য।\"\n\"সেই রাতে তানিয়াকে আমি নদীর ঘাটে দেখেছিলাম।\"\nরায়হানের চোখ বড় হয়ে গেল।\n\"নদীর ঘাট...\"\nমাইশা ফিসফিস করে বলল,\n\"যে পুরোনো ঘাটে তুমি আমাকে প্রথম চিঠি দিয়েছিলে?\"\nরায়হান ধীরে মাথা নাড়ল।\nরেকর্ডিংয়ে কণ্ঠটা বলল,\n\"রাত ২টা ১৭ মিনিটে তানিয়ার সঙ্গে একজন নারী ছিল।\"\nমাইশা হঠাৎ থেমে গেল।\n\"একজন নারী?\"\nকণ্ঠটা বলল,\n\"আমি তাকে চিনতাম।\"\nকয়েক সেকেন্ড নীরবতা।\nতারপর—\n\"কিন্তু তার নাম বলা যাবে না।\"\nরেকর্ডিং হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেল।\nমাইশা হতবাক।\n\"এইটা কী?\"\nরায়হান আবার প্লে করল।\nএকই জায়গায় এসে রেকর্ডিং থেমে যাচ্ছে।\n\"ফাইলটা কাটা।\"\nআয়ান বলল,\n\"ইচ্ছে করে কাটা হয়েছে?\"\nরায়হান ফোনটা পরীক্ষা করল।\n\"সম্ভবত।\"\nমোমো বলল,\n\"তাহলে ওই নারী কে?\"\nকেউ উত্তর দিল না।\nPHOTO 01\nরায়হান এবার তৃতীয় ফাইলটা খুলল।\nছবিটা প্রথমে ঝাপসা।\nতারপর স্ক্রিনে ধীরে ধীরে একটা ছবি পরিষ্কার হয়ে উঠল।\nপুরোনো নদীর ঘাট।\nসময়—\n02:17 AM\nএক পাশে মাইশার মা।\nতার সামনে একজন পুরুষ।\nআর একটু দূরে দাঁড়িয়ে একজন নারী।\nমাইশা স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে জমে গেল।\n\"এই নারীটা...\"\nরায়হান বলল,\n\"চেনো?\"\nমাইশা মাথা নাড়ল।\n\"না।\"\nহেমেশ চাচা এতক্ষণ চুপ করে ছিলেন।\nহঠাৎ ছবিটা দেখে তিনি এক পা পিছিয়ে গেলেন।\nমাইশা সেটা দেখে ফেলল।\n\"চাচা?\"\nহেমেশ চাচা মুখ ঘুরিয়ে নিলেন।\nরায়হান কঠিন গলায় বলল,\n\"আপনি ওনাকে চেনেন।\"\nহেমেশ চাচা চুপ।\n\"চেনেন, তাই না?\"\nকিছুক্ষণ পর তিনি খুব আস্তে বললেন,\n\"হ্যাঁ।\"\nমাইশার বুক ধক করে উঠল।\n\"কে উনি?\"\nহেমেশ চাচা উত্তর দিতে পারলেন না।\nরায়হান আবার বলল,\n\"নাম বলুন।\"\nহেমেশ চাচা চোখ বন্ধ করলেন।\nতারপর ধীরে বললেন,\n\"তোমরা এখনো প্রস্তুত না।\"\nমাইশা এবার দৃঢ় গলায় বলল,\n\"আমি আমার মাকে খুঁজছি।\"\n\"জানি।\"\n\"তাহলে আমাকে থামাবেন না।\"\nহেমেশ চাচা মাইশার দিকে তাকালেন।\nতার চোখে অদ্ভুত একটা মায়া।\n\"তোর মায়ের মতোই কথা বলিস।\"\nমাইশার চোখ ভিজে গেল।\n\"তাহলে নামটা বলুন।\"\nহেমেশ চাচা অনেকক্ষণ চুপ থেকে বললেন—\n\"ওই নারী...\"\nতিনি থেমে গেলেন।\nতারপর দরজার বাইরে তাকালেন।\n\"ওই নারীই জানে তোর মা এখন কোথায়।\"\nমাইশার নিঃশ্বাস আটকে গেল।\n\"উনি এখন কোথায়?\"\nহেমেশ চাচা বললেন,\n\"ঢাকায় না।\"\nরায়হান জিজ্ঞেস করল,\n\"নোয়াখালীতেও না?\"\nহেমেশ চাচা মাথা নাড়লেন।\n\"না।\"\n\"তাহলে?\"\nহেমেশ চাচা ধীরে বললেন,\n\"চট্টগ্রাম।\"\nমাইশা অবাক হয়ে গেল।\n\"চট্টগ্রাম?\"\nহেমেশ চাচা মাথা নেড়ে বললেন,\n\"কিন্তু যাওয়ার আগে তোমাদের আরেকটা সত্যি জানতে হবে।\"\nরায়হান বলল,\n\"কী সত্যি?\"\nহেমেশ চাচা উত্তর দিলেন,\n\"তোমার মা একা হারিয়ে যায়নি।\"\nমাইশা স্তব্ধ।\n\"মানে?\"\nহেমেশ চাচা ধীরে বললেন,\n\"আর যে মানুষটা তাকে সেদিন সাহায্য করেছিল...\"\nতিনি রায়হানের দিকে তাকালেন।\n\"সে ছিল তোমার বাবা।\"\nরায়হানের মুখ শক্ত হয়ে গেল।\nআর মাইশা?\nসে প্রথমবার বুঝতে পারল—\nতার বাবা, তার মা, রায়হানের বাবা, রাশেদ—\nচারজনের জীবনই সেই এক রাতের সঙ্গে জড়িয়ে আছে।\nকিন্তু সবচেয়ে বড় প্রশ্নটা এখনো বাকি—\nছবির সেই অচেনা নারী কে?\nআর যদি হেমেশ চাচা সত্যি বলে থাকেন—\nমাইশার মা কি সত্যিই চট্টগ্রামে জীবিত?\nরাত নামার আগেই রায়হানের ফোনে আবার সেই অচেনা নম্বর থেকে একটি মেসেজ এল।\n\"ছবির নারীকে খুঁজতে চট্টগ্রাম যাওয়ার দরকার নেই।\nকারণ সে নিজেই তোমাদের খুঁজে বের করবে।\"\nমাইশা মেসেজটা পড়ে রায়হানের দিকে তাকাল।\nরায়হান ধীরে ফোনটা নামিয়ে বলল,\n\"মাইশু...\"\n\"হুম?\"\n\"আমাদের সময় খুব কম।\"",
        "series": {
            "id": 92,
            "title": "নীরবতার আড়ালে",
            "slug": "nirobotar-arale",
            "url": "https://golpohub.com/series/nirobotar-arale",
            "thumbnail_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/series-neerbtar-arale-92-7cc1ae.webp",
            "progress_status": "ongoing"
        },
        "author": {
            "id": 69,
            "name": "মেহেজাবিন ইসলাম মাইশা",
            "slug": "mehazabin-islam-maisha",
            "url": "https://golpohub.com/authors/mehazabin-islam-maisha",
            "avatar_url": "https://cdn.golpohub.com/avatars/author-mehejabin-islam-maisa-69-4fcdfa.webp",
            "bio": "মেহেজাবিন ইসলাম মাইশা সমকালীন বাংলা ওয়েব ফিকশনের এক সংবেদনশীল ও রহস্যসন্ধানী কণ্ঠস্বর। পারিবারিক সম্পর্কের মনস্তাত্ত্বিক জটিলতা, কৈশোরের অস্ফুট অনুভূতির দোলাচল এবং অতল রহস্যের বুনন তাঁর লেখনীর প্রধান বৈশিষ্ট্য। তাঁর গল্পে চরিত্রগুলোর দ্বিধাদ্বন্দ্ব, অভিমান ও নিখাদ ভালোবাসার আবেগ অত্যন্ত জীবন্ত ও বিশ্বাসযোগ্য রূপে ধরা দেয়।",
            "series_count": 0,
            "meta": {
                "bio": "মেহেজাবিন ইসলাম মাইশা সমকালীন বাংলা ওয়েব ফিকশনের এক সংবেদনশীল ও রহস্যসন্ধানী কণ্ঠস্বর। পারিবারিক সম্পর্কের মনস্তাত্ত্বিক জটিলতা, কৈশোরের অস্ফুট অনুভূতির দোলাচল এবং অতল রহস্যের বুনন তাঁর লেখনীর প্রধান বৈশিষ্ট্য। তাঁর গল্পে চরিত্রগুলোর দ্বিধাদ্বন্দ্ব, অভিমান ও নিখাদ ভালোবাসার আবেগ অত্যন্ত জীবন্ত ও বিশ্বাসযোগ্য রূপে ধরা দেয়।",
                "pen_name": "মেহেজাবিন ইসলাম মাইশা",
                "aliases": [
                    "Mehazabin Islam Maisha",
                    "মাইশা",
                    "Mehazabin Maisha"
                ]
            },
            "timestamps": {
                "created_at": null,
                "updated_at": null
            }
        },
        "navigation": {
            "previous_episode": {
                "id": 3262,
                "ep_number": 25,
                "title": "নানির ফোনে কান্নার প্রতিধ্বনি",
                "slug": "nirobotar-arale-s1-ep25",
                "url": "https://golpohub.com/episodes/nirobotar-arale-s1-ep25",
                "thumbnail_url": "https://golpohub.com/assets/images/og.jpg"
            },
            "next_episode": {
                "id": 3264,
                "ep_number": 27,
                "title": "নদীর মোহনায় শেষ বিদায়",
                "slug": "nirobotar-arale-s1-ep27",
                "url": "https://golpohub.com/episodes/nirobotar-arale-s1-ep27",
                "thumbnail_url": "https://golpohub.com/assets/images/og.jpg"
            }
        }
    }
}