{
    "_links": {
        "html": "https://golpohub.com/episodes/nirobotar-arale-s1-ep30",
        "json": "https://golpohub.com/episodes/nirobotar-arale-s1-ep30?format=json",
        "markdown": "https://golpohub.com/episodes/nirobotar-arale-s1-ep30?format=md",
        "rss": "https://golpohub.com/episodes/nirobotar-arale-s1-ep30?format=rss",
        "atom": "https://golpohub.com/episodes/nirobotar-arale-s1-ep30?format=atom"
    },
    "seo": {
        "canonical_url": "https://golpohub.com/episodes/nirobotar-arale-s1-ep30",
        "title": "নীরবতার আড়ালে পর্ব ৩০ - বাবার চোখে গভীর অনুশোচনা | Nirobotar Arale Part 30",
        "description": "পড়ুন নীরবতার আড়ালে পর্ব ৩০ (বাবার চোখে গভীর অনুশোচনা)। বাবার মুখে ২০১৪ সালের রাতের স্বীকারোক্তি এবং রাশেদের জীবিত থাকার খবর!",
        "keywords": "নীরবতার আড়ালে পর্ব ৩০, nirobotar arale porbo 30, nirobotar arale part 30, nirobotar arale episode 30, বাবার স্বীকারোক্তি, রফিকুল ইসলাম মিলন, রাশেদ জীবিত, মাইশা",
        "image_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-chapter-3267-399b3b.webp",
        "schema": {
            "@context": "https://schema.org",
            "@graph": [
                {
                    "@type": "Chapter",
                    "name": "বাবার চোখে গভীর অনুশোচনা",
                    "position": 30,
                    "description": "কালো ডায়েরি সামনে রাখতেই দীর্ঘ বারো বছরের পাথুরে নীরবতা ভাঙতে বাধ্য হন মাইশার বাবা। ২০১৪ সালের সেই রাতে তানিয়াকে বাঁচাতে রাশেদকে নদীর ঘাটে পাঠানোর নেপথ্য কাহিনী স্বীকার করেন তিনি। রাশেদ এখনও বেঁচে আছে জেনে বাবার দিক থেকে আসা নতুন ঠিকানা কি মাইশাকে মায়ের সামনে নিয়ে দাঁড় করাবে?",
                    "url": "https://golpohub.com/episodes/nirobotar-arale-s1-ep30",
                    "inLanguage": "bn",
                    "timeRequired": "PT8M",
                    "datePublished": "2026-10-15T17:23:32+00:00",
                    "dateModified": "2026-10-15T17:29:28+00:00",
                    "wordCount": 1262,
                    "image": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-chapter-3267-399b3b.webp",
                    "isPartOf": {
                        "@type": [
                            "BookSeries",
                            "CreativeWorkSeries"
                        ],
                        "name": "নীরবতার আড়ালে",
                        "url": "https://golpohub.com/series/nirobotar-arale"
                    },
                    "author": {
                        "@type": "Person",
                        "name": "মেহেজাবিন ইসলাম মাইশা",
                        "url": "https://golpohub.com/authors/mehazabin-islam-maisha"
                    }
                },
                {
                    "@type": "BreadcrumbList",
                    "itemListElement": [
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 1,
                            "name": "Golpo Hub",
                            "item": "https://golpohub.com"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 2,
                            "name": "সিরিজসমূহ",
                            "item": "https://golpohub.com/series"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 3,
                            "name": "নীরবতার আড়ালে",
                            "item": "https://golpohub.com/series/nirobotar-arale"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 4,
                            "name": "বাবার চোখে গভীর অনুশোচনা",
                            "item": "https://golpohub.com/episodes/nirobotar-arale-s1-ep30"
                        }
                    ]
                }
            ]
        }
    },
    "filters": [],
    "data": {
        "id": 3267,
        "ep_number": 30,
        "title": "বাবার চোখে গভীর অনুশোচনা",
        "slug": "nirobotar-arale-s1-ep30",
        "url": "https://golpohub.com/episodes/nirobotar-arale-s1-ep30",
        "reading_time": 8,
        "thumbnail_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-chapter-3267-399b3b.webp",
        "yt_video_id": null,
        "yt_video_url": null,
        "timestamps": {
            "published_at": "2026-10-15T17:23:32+00:00",
            "updated_at": "2026-10-15T17:29:28+00:00"
        },
        "meta": {
            "word_count": 1262,
            "seo_title": "নীরবতার আড়ালে পর্ব ৩০ - বাবার চোখে গভীর অনুশোচনা | Nirobotar Arale Part 30",
            "seo_description": "পড়ুন নীরবতার আড়ালে পর্ব ৩০ (বাবার চোখে গভীর অনুশোচনা)। বাবার মুখে ২০১৪ সালের রাতের স্বীকারোক্তি এবং রাশেদের জীবিত থাকার খবর!",
            "keywords": "নীরবতার আড়ালে পর্ব ৩০, nirobotar arale porbo 30, nirobotar arale part 30, nirobotar arale episode 30, বাবার স্বীকারোক্তি, রফিকুল ইসলাম মিলন, রাশেদ জীবিত, মাইশা",
            "characters_involved": [
                "মাইশা",
                "রফিকুল ইসলাম মিলন",
                "রায়হান ব্যাপারী",
                "কামরুল নাহার"
            ]
        },
        "content": "সায়রার ফোন কেটে যাওয়ার পরও মাইশা অনেকক্ষণ একই জায়গায় দাঁড়িয়ে রইল।\nতার হাতে মায়ের কালো ডায়েরি।\nসামনে রাশেদের ঘড়ি।\nআর মাথার ভেতর বারবার ঘুরছে সায়রার শেষ কথাগুলো—\n“সেদিন তোমার বাবা রাশেদকে নদীর ওপারে পাঠিয়েছিলেন।”\nরাশেদকে।\nসায়রাকে।\nতাহলে ২০১৪ সালের সেই রাতে সবাই একই জায়গায় ছিল।\nমাইশার মা তানিয়া।\nরাশেদ।\nসায়রা।\nআর তার বাবা রফিকুল ইসলাম মিলন।\nকিন্তু এখনও একটা মানুষ অদৃশ্য।\nভিডিওর শেষের সেই ছায়ামূর্তি।\nমাইশা ধীরে বলল,\n\"রায়হান...\"\n\"হুম?\"\n\"আমার বাবার সঙ্গে কথা বলতে হবে।\"\nরায়হান মাথা নাড়ল।\n\"আজই।\"\nমোমো আর লামিয়া একে অপরের দিকে তাকাল।\nমোমো আস্তে বলল,\n\"তুই চাইলে আমরা বাইরে থাকি।\"\nমাইশা মাথা নাড়ল।\n\"না। তোমরা থাকো। এতদূর এসে এখন কাউকে একা ছাড়ব না।\"\nরায়হান মাইশার দিকে তাকিয়ে মৃদু হাসল।\n\"এই জন্যই তুমি অন্যরকম।\"\nমাইশা তাকাল।\n\"কী জন্য?\"\n\"ভয় পেলেও পিছিয়ে যাও না।\"\nমাইশা কোনো উত্তর দিল না।\nশুধু ডায়েরিটা শক্ত করে ধরে রাখল।\nসন্ধ্যা নামার আগেই তারা নতুন বাড়িতে ফিরে এল।\nমাইশার বাবা তখন বারান্দায় বসে ছিলেন।\nমুখে ক্লান্তি।\nহাতে ফোন।\nতাদের দেখে তিনি মাথা তুললেন।\n\"এতক্ষণ কোথায় ছিলে?\"\nমাইশা কিছু বলল না।\nসে সরাসরি বাবার সামনে গিয়ে দাঁড়াল।\nরায়হান একটু দূরে থেমে গেল।\nমাইশা ধীরে বলল,\n\"বাবা, তোমার সঙ্গে আমার কথা আছে।\"\nরফিকুল ইসলাম মেয়ের মুখের দিকে তাকালেন।\n\"কী হয়েছে?\"\nমাইশা ব্যাগ থেকে কালো ডায়েরিটা বের করল।\nডায়েরিটা দেখেই তার বাবার মুখের রং বদলে গেল।\nকয়েক সেকেন্ড তিনি কোনো কথা বলতে পারলেন না।\nতারপর খুব নিচু স্বরে বললেন,\n\"এটা তুমি কোথায় পেলে?\"\nমাইশা বলল,\n\"পুরোনো বাড়ির পশ্চিম ঘরে।\"\nতার বাবা চোখ বন্ধ করলেন।\n\"তোমার মা এটা রেখে গিয়েছিল...\"\nমাইশার গলা কেঁপে উঠল।\n\"তুমি জানতেও?\"\n\"হ্যাঁ।\"\n\"তাহলে এতদিন আমাকে বলোনি কেন?\"\nতার বাবা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন।\n\"কারণ তোর মা আমাকে নিষেধ করেছিল।\"\nমাইশা অবাক হয়ে গেল।\n\"মা?\"\n\"হ্যাঁ।\"\n\"কেন?\"\nরফিকুল ইসলাম কিছুক্ষণ চুপ করে থাকলেন।\nতারপর বললেন,\n\"ভেতরে আয়।\"\nসবাই বসার ঘরে গেল।\nরোকেয়া বেগমও এসে বসেছেন।\nকামরুল নাহার একটু দূরে চুপ করে বসে আছেন।\nরায়হানও উপস্থিত।\nরফিকুল ইসলাম চারপাশে তাকিয়ে বললেন,\n\"আজ যা বলব, তার কিছু কথা আমি এত বছর কাউকে বলিনি।\"\nমাইশার বুক ধড়ফড় করতে লাগল।\n\"শুরু করো।\"\nতার বাবা মেয়ের দিকে তাকালেন।\n\"২০১৪ সালে তোর মা একটা সমস্যায় পড়েছিল।\"\n\"কী সমস্যা?\"\n\"কেউ তাকে ভয় দেখাচ্ছিল।\"\n\"কে?\"\n\"প্রথমে আমরা জানতাম না।\"\nমাইশা সঙ্গে সঙ্গে বলল,\n\"রাশেদ?\"\n\"না।\"\nউত্তরটা শুনে মাইশা থেমে গেল।\nরফিকুল ইসলাম বললেন,\n\"রাশেদ তখন আমাদের সাহায্য করছিল।\"\nরায়হানও চুপ করে শুনছিল।\nতার বাবা সম্পর্কে কথা উঠতেই তার মুখ গম্ভীর হয়ে গেল।\nমাইশা জিজ্ঞেস করল,\n\"তাহলে মা রাশেদকে বিশ্বাস করত?\"\n\"হ্যাঁ।\"\n\"আর সায়রা?\"\nরফিকুল ইসলাম এবার আরও অবাক হলেন।\n\"সায়রার নাম তুমি কোথায় পেলে?\"\nমাইশা বলল,\n\"সায়রা নিজেই ফোন করেছিল।\"\nতিনি কিছুক্ষণ চুপ করে থাকলেন।\n\"তাহলে সে এখনও বেঁচে আছে...\"\nমাইশা সঙ্গে সঙ্গে বলল,\n\"আপনি তাকে চিনতেন?\"\n\"হ্যাঁ।\"\n\"সে মায়ের সঙ্গে ছিল?\"\n\"ছিল।\"\n\"তাহলে ওই রাতে আসলে কী হয়েছিল?\"\nরফিকুল ইসলাম দীর্ঘশ্বাস ফেললেন।\n\"তোর মা জানতে পেরেছিল, কেউ আমাদের পরিবারের ভেতরের তথ্য বাইরে দিচ্ছে।\"\nমাইশার চোখ বড় হয়ে গেল।\n\"আমাদের পরিবারের ভেতর থেকে?\"\n\"হ্যাঁ।\"\n\"কে?\"\nতার বাবা মাথা নাড়লেন।\n\"নামটা তখনও নিশ্চিত ছিল না।\"\nরায়হান বলল,\n\"কিন্তু আপনারা কাউকে সন্দেহ করেছিলেন।\"\nরফিকুল ইসলাম তার দিকে তাকালেন।\n\"হ্যাঁ।\"\n\"কে?\"\nতিনি সরাসরি উত্তর দিলেন না।\nবরং বললেন,\n\"সেদিন রাতে তোর মা আমাকে ফোন করেছিল।\"\n২০১৪ সালের সেই রাত\nরাত তখন প্রায় দুইটা।\nরফিকুল ইসলাম ফোনের দিকে তাকিয়ে দেখলেন—\nতানিয়া কল করছে।\nতিনি ফোন ধরলেন।\n\"তানিয়া?\"\nওপাশ থেকে তানিয়ার কাঁপা কণ্ঠ—\n\"মিলন, তুমি এখন কোথায়?\"\n\"বাড়িতে।\"\n\"তুমি কি কাউকে আমার কাছে পাঠাতে পারবে?\"\n\"কোথায়?\"\nতানিয়া কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলেছিল,\n\"নদীর ঘাটে।\"\nমিলন অবাক হয়ে গিয়েছিল।\n\"এত রাতে?\"\n\"আমার সময় নেই।\"\n\"কী হয়েছে?\"\nতানিয়া বলেছিল,\n\"আমি এখন সব বলতে পারব না। শুধু একজনকে পাঠাও। এমন একজন, যাকে আমি বিশ্বাস করতে পারি।\"\nমিলন তখন রাশেদের কথা ভেবেছিল।\nকারণ রাশেদ আগে থেকেই তানিয়াকে সাহায্য করছিল।\nতিনি রাশেদকে ফোন করেছিলেন।\n\"রাশেদ, তুমি কোথায়?\"\n\"বাড়িতে।\"\n\"এখনই নদীর ঘাটে যাও।\"\n\"কেন?\"\n\"তানিয়া সেখানে আছে।\"\nরাশেদ কয়েক সেকেন্ড চুপ করে ছিল।\nতারপর বলেছিল,\n\"আমি যাচ্ছি।\"\nকিন্তু রাশেদ একা যায়নি।\nসায়রাও তার সঙ্গে গিয়েছিল।\nকারণ সায়রা তখন তানিয়ার সবচেয়ে কাছের মানুষদের একজন ছিল।\nমাইশা নিঃশ্বাস আটকে বাবার কথা শুনছিল।\n\"তারপর?\"\nরফিকুল ইসলাম বললেন,\n\"রাশেদ আমাকে ফোন করে বলেছিল, তোর মা খুব ভয় পেয়েছে।\"\n\"তারপর?\"\n\"আমি তাকে বলেছিলাম, তানিয়াকে নিয়ে নিরাপদ জায়গায় যেতে।\"\nমাইশা বলল,\n\"তাহলে মা তোমার কাছ থেকে পালায়নি?\"\n\"না।\"\n\"তুমি তাকে লুকাওনি?\"\n\"না।\"\n\"তাহলে মা কোথায় গেল?\"\nতার বাবা এবার চোখ নামিয়ে ফেললেন।\n\"সেটাই আমি জানি না।\"\nমাইশা হতভম্ব হয়ে গেল।\n\"মানে?\"\n\"আমি রাশেদকে নির্দেশ দিয়েছিলাম তানিয়াকে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যেতে। কিন্তু কয়েক ঘণ্টা পর রাশেদ আমাকে ফোন করে বলেছিল—তানিয়া আর তার সঙ্গে নেই।\"\nঘরের ভেতর নিস্তব্ধতা।\nমাইশা ধীরে বলল,\n\"কীভাবে নেই?\"\n\"রাশেদ বলেছিল, নদীর ঘাটে একটা গাড়ি এসেছিল। তোর মা কারও সঙ্গে কথা বলেছিল। তারপর...\"\nতিনি থেমে গেলেন।\nরায়হান জিজ্ঞেস করল,\n\"তারপর?\"\n\"তারপর তানিয়া সেই গাড়িতে ওঠে।\"\nমাইশার চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ল।\n\"কে ছিল গাড়িতে?\"\nরফিকুল ইসলাম মাথা নাড়লেন।\n\"রাশেদ দেখতে পারেনি।\"\nমাইশা হঠাৎ ডায়েরির একটা পৃষ্ঠা খুলে বাবার সামনে ধরল।\n\"কিন্তু মা লিখেছে—‘ওকে আমি চিনতাম।’\"\nতার বাবা ডায়েরিটার দিকে তাকিয়ে রইলেন।\n\"হ্যাঁ।\"\n\"মানে মা সেই মানুষটাকে চিনত?\"\n\"সম্ভবত।\"\n\"আর তুমি?\"\nরফিকুল ইসলাম দীর্ঘশ্বাস ফেললেন।\n\"আমি সন্দেহ করেছিলাম।\"\nমাইশা দ্রুত বলল,\n\"কাকে?\"\nতিনি উত্তর দিলেন না।\nমাইশার গলা শক্ত হয়ে গেল।\n\"বাবা, এত বছর ধরে সবাই আমাকে অর্ধেক সত্য বলেছে। এবার তুমি পুরোটা বলো।\"\nরফিকুল ইসলাম মেয়ের চোখের দিকে তাকালেন।\nতারপর বললেন,\n\"আমি যে মানুষটাকে সন্দেহ করেছিলাম, সে ছিল আমাদের পরিবারের খুব কাছের একজন।\"\n\"নাম?\"\nকিছুক্ষণ নীরবতা।\nতারপর তিনি ধীরে নামটা বললেন।\nমাইশার মুখের রং বদলে গেল।\nরায়হানও স্থির হয়ে গেল।\nকারণ নামটা তারা দুজনেই চিনত।\nকিন্তু রফিকুল ইসলাম সঙ্গে সঙ্গে বললেন,\n\"তবে শোন—আমি কখনো নিশ্চিত প্রমাণ পাইনি যে সে দোষী।\"\nমাইশা হতভম্ব।\n\"তাহলে এতদিন বলোনি কেন?\"\n\"কারণ সন্দেহের ওপর একটা পরিবারের মানুষকে অপরাধী বানানো যায় না।\"\nতিনি আরও বললেন,\n\"আর তোর মা চেয়েছিল, তুই বড় না হওয়া পর্যন্ত এই বিষয় থেকে দূরে থাকিস।\"\nমাইশা কাঁদতে কাঁদতে বলল,\n\"কিন্তু মা তো আমাকে একা রেখে গেল!\"\nতার বাবা ধীরে বললেন,\n\"তোর মা তোকে ছেড়ে যেতে চায়নি।\"\nএই কথায় মাইশার চোখ আরও ভিজে উঠল।\n\"তাহলে?\"\n\"সে তোকে বাঁচাতে চেয়েছিল।\"\nরায়হান এতক্ষণ চুপ করে ছিল।\nহঠাৎ সে বলল,\n\"আঙ্কেল...\"\nরফিকুল ইসলাম তাকালেন।\n\"আমার বাবার কথা?\"\nমাইশাও তাকাল।\nরায়হান বলল,\n\"২০১৪ সালের ওই রাতে আমার বাবা কী জানতেন?\"\nরফিকুল ইসলাম কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললেন,\n\"তোমার বাবা অনেক কিছু জানতেন।\"\n\"কী?\"\n\"তোমার বাবা রাশেদকে বিশ্বাস করতেন।\"\nরায়হান অবাক।\n\"আর আমাকে?\"\n\"তোমাকে তখন এসবের মধ্যে আনা হয়নি। তুমি খুব ছোট ছিলে।\"\nরায়হান মাথা নিচু করল।\nরফিকুল ইসলাম আবার বললেন,\n\"তোমার বাবা তানিয়াকে সাহায্য করতে চেয়েছিল। সে কারণে তোমার বাবাকে কখনো আমি দোষী ভাবিনি।\"\nমাইশা রায়হানের দিকে তাকাল।\nরায়হানের চোখে অদ্ভুত একটা স্বস্তি।\nতার বাবা এই রহস্যের অপরাধী নন—এটা এবার আরও পরিষ্কার হলো।\nহঠাৎ মাইশার ফোনে একটা নোটিফিকেশন এল।\nঅচেনা নম্বর।\nএকটা ছবি পাঠানো হয়েছে।\nমাইশা ছবিটা খুলল।\nপুরোনো নদীর ঘাট।\nএক পাশে তানিয়া।\nতার পাশে সায়রা।\nকিছুটা দূরে রাশেদ।\nআর পেছনে—\nএকজন মানুষ।\nমাইশা ছবিটা জুম করল।\nতারপর হঠাৎ তার মুখ থেকে শব্দ বের হলো না।\nরায়হান ফোনটা হাতে নিল।\nসে কয়েক সেকেন্ড ছবিটার দিকে তাকিয়ে রইল।\nতারপর বলল,\n\"এই মানুষটা...\"\nমাইশা ফিসফিস করে বলল,\n\"তুমি চেনো?\"\nরায়হান মাথা নাড়ল।\n\"হ্যাঁ।\"\n\"কে?\"\nরায়হান ধীরে ছবির পেছনের মানুষটার দিকে আঙুল দেখাল।\n\"এটা সেই মানুষ, যাকে আমি ছোটবেলায় আমাদের বাড়িতে দেখেছি।\"\nমাইশার বুক কেঁপে উঠল।\n\"কে?\"\nরায়হান উত্তর দেওয়ার আগেই নতুন মেসেজ এল।\n“এবার বুঝতে পারছ, ২০১৪ সালের সেই রাতে আসলে কে ছিল?”\nতারপর আরেকটি—\n“তোমাদের দুজনের পরিবারই সত্যিটা জানে।”\nশেষ মেসেজটি ছিল—\n“কিন্তু সত্যিটা পুরোপুরি জানতে হলে রাশেদকে খুঁজে বের করো। সে এখনও বেঁচে আছে।”\nমাইশা স্থির হয়ে গেল।\nরায়হানও।\nকারণ এতদিন তারা রাশেদকে শুধু অতীতের একজন মানুষ ভেবেছিল।\nকিন্তু এবার প্রথমবারের মতো তারা নিশ্চিত হলো—\nরাশেদ এখনও জীবিত।\nআর সে-ই হয়তো জানে—\n২০১৪ সালের সেই রাতে তানিয়াকে শেষবার কে নিয়ে গিয়েছিল।\nমাইশা ধীরে বাবার দিকে তাকাল।\n\"বাবা...\"\nরফিকুল ইসলাম মেয়ের চোখের দিকে তাকালেন।\nমাইশা বলল,\n\"রাশেদ কোথায়?\"\nতার বাবা এবার আর চুপ করলেন না।\nতিনি ধীরে বললেন—\n\"আমি জানি।\"\nঘরের সবাই স্তব্ধ হয়ে গেল।\nআর মাইশার মনে হলো— সবচেয়ে বড় সত্যিটা এখন আর দূরে নেই।",
        "series": {
            "id": 92,
            "title": "নীরবতার আড়ালে",
            "slug": "nirobotar-arale",
            "url": "https://golpohub.com/series/nirobotar-arale",
            "thumbnail_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/series-neerbtar-arale-92-7cc1ae.webp",
            "progress_status": "ongoing"
        },
        "author": {
            "id": 69,
            "name": "মেহেজাবিন ইসলাম মাইশা",
            "slug": "mehazabin-islam-maisha",
            "url": "https://golpohub.com/authors/mehazabin-islam-maisha",
            "avatar_url": "https://cdn.golpohub.com/avatars/author-mehejabin-islam-maisa-69-4fcdfa.webp",
            "bio": "মেহেজাবিন ইসলাম মাইশা সমকালীন বাংলা ওয়েব ফিকশনের এক সংবেদনশীল ও রহস্যসন্ধানী কণ্ঠস্বর। পারিবারিক সম্পর্কের মনস্তাত্ত্বিক জটিলতা, কৈশোরের অস্ফুট অনুভূতির দোলাচল এবং অতল রহস্যের বুনন তাঁর লেখনীর প্রধান বৈশিষ্ট্য। তাঁর গল্পে চরিত্রগুলোর দ্বিধাদ্বন্দ্ব, অভিমান ও নিখাদ ভালোবাসার আবেগ অত্যন্ত জীবন্ত ও বিশ্বাসযোগ্য রূপে ধরা দেয়।",
            "series_count": 0,
            "meta": {
                "bio": "মেহেজাবিন ইসলাম মাইশা সমকালীন বাংলা ওয়েব ফিকশনের এক সংবেদনশীল ও রহস্যসন্ধানী কণ্ঠস্বর। পারিবারিক সম্পর্কের মনস্তাত্ত্বিক জটিলতা, কৈশোরের অস্ফুট অনুভূতির দোলাচল এবং অতল রহস্যের বুনন তাঁর লেখনীর প্রধান বৈশিষ্ট্য। তাঁর গল্পে চরিত্রগুলোর দ্বিধাদ্বন্দ্ব, অভিমান ও নিখাদ ভালোবাসার আবেগ অত্যন্ত জীবন্ত ও বিশ্বাসযোগ্য রূপে ধরা দেয়।",
                "pen_name": "মেহেজাবিন ইসলাম মাইশা",
                "aliases": [
                    "Mehazabin Islam Maisha",
                    "মাইশা",
                    "Mehazabin Maisha"
                ]
            },
            "timestamps": {
                "created_at": null,
                "updated_at": null
            }
        },
        "navigation": {
            "previous_episode": {
                "id": 3266,
                "ep_number": 29,
                "title": "ছেঁড়া ডায়েরির অশ্রুভেজা পাতা",
                "slug": "nirobotar-arale-s1-ep29",
                "url": "https://golpohub.com/episodes/nirobotar-arale-s1-ep29",
                "thumbnail_url": "https://golpohub.com/assets/images/og.jpg"
            },
            "next_episode": {
                "id": 3268,
                "ep_number": 31,
                "title": "চৌকাঠের ওপাশে দাঁড়িয়ে থাকা অতীত",
                "slug": "nirobotar-arale-s1-ep31",
                "url": "https://golpohub.com/episodes/nirobotar-arale-s1-ep31",
                "thumbnail_url": "https://golpohub.com/assets/images/og.jpg"
            }
        }
    }
}