{
    "_links": {
        "html": "https://golpohub.com/episodes/premalingon-s1-ep9",
        "json": "https://golpohub.com/episodes/premalingon-s1-ep9?format=json",
        "markdown": "https://golpohub.com/episodes/premalingon-s1-ep9?format=md",
        "rss": "https://golpohub.com/episodes/premalingon-s1-ep9?format=rss",
        "atom": "https://golpohub.com/episodes/premalingon-s1-ep9?format=atom"
    },
    "seo": {
        "canonical_url": "https://golpohub.com/episodes/premalingon-s1-ep9",
        "title": "প্রেমালিঙ্গণ পর্ব ৯ - না-বলা কথার স্বীকারোক্তি | Premalingon Part 9",
        "description": "পড়ুন প্রেমালিঙ্গণ পর্ব ৯ (না-বলা কথার স্বীকারোক্তি)। তন্দ্রার আঘাত আর স্বাক্ষরের দ্বিধাহীন ভালোবাসা প্রকাশের এক সন্ধিক্ষণ।",
        "keywords": "প্রেমালিঙ্গণ পর্ব ৯, প্রেমালিঙ্গণ ৯, ৯ম পর্ব, premalingon porbo 9, premalingon part 9, premalingon episode 9, প্রেমালিঙ্গণ পর্ব ৯ লিংক, তন্দ্রা, স্বাক্ষর, স্বীকারোক্তি",
        "image_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-430-f2b5e9.webp",
        "schema": {
            "@context": "https://schema.org",
            "@graph": [
                {
                    "@type": "Chapter",
                    "name": "না-বলা কথার স্বীকারোক্তি",
                    "position": 9,
                    "description": "সিঁড়ি থেকে পা পিছলে পড়ে যাওয়া তন্দ্রাকে কোলে তুলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার মুহূর্তে স্বাক্ষরের চোখে ভাসে চরম ব্যাকুলতা। গাড়িতে বসে করা তন্দ্রার সোজাসাপ্টা প্রেমের প্রশ্নের মুখে ডাক্তার স্বাক্ষর কি তার মনের আগল খুলবে?",
                    "url": "https://golpohub.com/episodes/premalingon-s1-ep9",
                    "inLanguage": "bn",
                    "timeRequired": "PT8M",
                    "datePublished": "2026-08-27T22:01:36+00:00",
                    "dateModified": "2026-09-06T00:07:32+00:00",
                    "wordCount": 1278,
                    "image": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-430-f2b5e9.webp",
                    "isPartOf": {
                        "@type": [
                            "BookSeries",
                            "CreativeWorkSeries"
                        ],
                        "name": "প্রেমালিঙ্গণ",
                        "url": "https://golpohub.com/series/premalingon"
                    },
                    "author": {
                        "@type": "Person",
                        "name": "ঊর্মি আক্তার ঊষা (তরঙ্গিণী)",
                        "url": "https://golpohub.com/authors/urmi-aktar-usha"
                    }
                },
                {
                    "@type": "BreadcrumbList",
                    "itemListElement": [
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 1,
                            "name": "Golpo Hub",
                            "item": "https://golpohub.com"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 2,
                            "name": "সিরিজসমূহ",
                            "item": "https://golpohub.com/series"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 3,
                            "name": "প্রেমালিঙ্গণ",
                            "item": "https://golpohub.com/series/premalingon"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 4,
                            "name": "না-বলা কথার স্বীকারোক্তি",
                            "item": "https://golpohub.com/episodes/premalingon-s1-ep9"
                        }
                    ]
                }
            ]
        }
    },
    "filters": [],
    "data": {
        "id": 430,
        "ep_number": 9,
        "title": "না-বলা কথার স্বীকারোক্তি",
        "slug": "premalingon-s1-ep9",
        "url": "https://golpohub.com/episodes/premalingon-s1-ep9",
        "reading_time": 8,
        "thumbnail_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-430-f2b5e9.webp",
        "yt_video_id": null,
        "yt_video_url": null,
        "timestamps": {
            "published_at": "2026-08-27T22:01:36+00:00",
            "updated_at": "2026-09-06T00:07:32+00:00"
        },
        "meta": {
            "word_count": 1278,
            "chapter_number": 9,
            "seo_title": "প্রেমালিঙ্গণ পর্ব ৯ - না-বলা কথার স্বীকারোক্তি | Premalingon Part 9",
            "seo_description": "পড়ুন প্রেমালিঙ্গণ পর্ব ৯ (না-বলা কথার স্বীকারোক্তি)। তন্দ্রার আঘাত আর স্বাক্ষরের দ্বিধাহীন ভালোবাসা প্রকাশের এক সন্ধিক্ষণ।",
            "keywords": "প্রেমালিঙ্গণ পর্ব ৯, প্রেমালিঙ্গণ ৯, ৯ম পর্ব, premalingon porbo 9, premalingon part 9, premalingon episode 9, প্রেমালিঙ্গণ পর্ব ৯ লিংক, তন্দ্রা, স্বাক্ষর, স্বীকারোক্তি",
            "characters_involved": [
                "তন্দ্রা",
                "স্বাক্ষর",
                "ইউসুফ মাহমুদ",
                "সাহেরা মাহমুদ",
                "তাহেরা মাহমুদ",
                "তুলি",
                "শুভ"
            ]
        },
        "content": "<p>স্বাক্ষরের মতিগতি তন্দ্রা ঠিক বুঝে উঠতে পারছে না। মাঝে মাঝে মনে হয় স্বাক্ষর তাকে নিয়ে আলাদা কিছু অনুভব করে। খুব পসেসিভ তন্দ্রার বিষয়ে। আবার মাঝে মাঝে মনে হয় তার সব ধারণাই ভুল। স্বাক্ষরের মনে আসলে কী চলছে তা-ই বুঝার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তন্দ্রা। অনুভূতির এই লুকোচুরি খেলা তন্দ্রার ঠিক বোধগম্য হচ্ছে না। ইদানীং সবকিছু ছেড়ে ছুড়ে তার শুধু স্বাক্ষরের কথাই ভাবতে ইচ্ছে হয়। সে কাছাকাছি থাকলে তন্দ্রার মনের মাঝে এক অদ্ভুত শিহরণ বয়ে যায়। স্বাক্ষরের দেওয়া ছোট্টো ছোট্টো উপহার গুলো সে খুব যত্নে নিজের কাছে আগলে রেখেছে। তার দেওয়া পায়েলটা তন্দ্রা সবসময়ই পায়ে পড়ে থাকে৷ এর থেকে হালকা ঝুনঝুন শব্দ শোনা যায়। </p>\n<p>এই সমস্ত কথা ভাবতে ভাবতেই তন্দ্রা যখন রান্না ঘরের সামনে দিয়ে ঘরের দিকে যেতে থাকে তখন তার মায়ের গলার আওয়াজ শুনতে পায়। তাহেরা মাহমুদ ঘরের দরজা খুলে দেখেন তন্দ্রা রান্নাঘর থেকে যাচ্ছে তাই তিনি মেয়েকে জিজ্ঞেস করেন‚</p>\n<p>“কীরে ঘুমোস নি? রান্না ঘরে কি করছিলি?”</p>\n<p>“পানি খেতে এসেছিলাম মা।”</p>\n<p>“ওহ। খেয়েছিস?”</p>\n<p>“হুম।”</p>\n<p>“তাহলে যা। শুয়ে পড়।”</p>\n<p>“আচ্ছা।”</p>\n<p>তন্দ্রা দ্রুত পায়ে তার ঘরে চলে আসে। ভাগ্যিস মিসেস তাহেরা তাকে রান্না ঘরের সামনে দেখেছে। সিঁড়ির সামনে দেখলে তো নানা ধরনের প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হত তাকে। অন্যদিকে স্বাক্ষর এখনো আগের ন্যায় ছাদের বসে আছে। এক দৃষ্টিতে দরজার দিকে তাকিয়ে আছে সে। বার বার তন্দ্রার বলা “তোমাকে প্রেমিক প্রেমিক লাগছে” এই কথাটাই মনে পড়ছে। স্বাক্ষর খোলা আকাশের নিচে ছাদের ফ্লোরে শুয়ে পড়ল। আকাশের দিকে তাকিয়ে ভাবতে থাকল‚</p>\n<p>“এই মুহুর্তে আমার ঠিক ঈদ ঈদ আনন্দ হচ্ছে। ওই চোখে কিছু একটা ছিল। হয়তো কিছুটা হলেও আমার তন্দ্রাবতী&#8217;র মন পড়তে পেরেছি। তোমার কাছে আমার ভালোবাসা একটু একটু করে প্রকাশ পাবে তন্দ্রাবতী। অনুভূতি গুলো যখন মিলেমিশে একাকার হয়ে যাবে তখনই প্রণয়ের পরিনতি ঘটবে। তার আগে একটু আধটু লুকোচুরি খেলা চলতেই পারে।”</p>\n<p>তন্দ্রা ঘুম থেকে উঠেছে বেশ অনেক সময় হলো। ভোরের আলো ফুটতে শুরু করার পরপরই তার ঘুম ভেঙে গেল। আড়মোড়া ভেঙে বিছানা ছেড়ে উঠল সে। তুলি ঘুমোচ্ছে কোলবালিশ আঁকড়ে। তন্দ্রা সন্তপর্ণে উঠে ফ্রেশ হয়ে নিল। এখনো হয়তো কেউ উঠেনি। নামাজ আদায় করেই সে ছাদে চলে আসে। এতোক্ষণ খুব করে ইচ্ছে করছিল ছাদে আসার। ছাদের দক্ষিণ দিকের একটা ছোটোখাটো বাগান আছে। তন্দ্রা বাগান করা খুবই পছন্দ করে। অনেক রকমের ফুল গাছ লাগানো। এখানে তন্দ্রার সব থেকে পছন্দের ফুলগাছটা হচ্ছে কাঠগোলাপ এবং বেলী। গত বছর নার্সারি থেকে কিনে এনেছিল গাছ দুটো। স্বাক্ষর তাকে কিনে দিয়েছিল। সেই জন্যই আরও বেশি প্রিয় এই গাছ দুটো। গাছ দুটোতেই আজ অনেক ফুল ফুটেছে। এক বছরেই যেন গাছ দুটো খুব দ্রুত শাখা প্রশাখা ছড়িয়ে বড় হয়ে গেছে। তন্দ্রা কাঠগোলাপ গাছ থেকে একটা ফুল ছিড়ে নিজের কানে গুজে নেয়। হাতে করে কয়েকটা বেলীফুলও নিয়ে নেয়। দু&#8217;হাতের মাঝে ফুলগুলোর ঘ্রাণ নিচ্ছে। তীব্র সুবাস ছড়াচ্ছে ফুল থেকে। </p>\n<p>বেশ অনেকটা সময় তন্দ্রা ছাদে কাটায়। সকাল হয়ে এসেছে প্রায় অনেকক্ষণ। এতোটা সময় তন্দ্রা ছাদে থাকা দোলনাটায় বসে কাটিয়েছে৷ আজকের সকালটা খুব ভালো লাগছে তার। সকালটাকে ভীষণ আদুরে আদুরে লাগছে। দোলনায় রেখে দেওয়া বেলীফুল গুলোকে নিয়ে নিজের দুহাতের মাঝে নিয়ে নিল। প্রাণ ভরে এর সুবাস নিয়ে‚ নিচে যাওয়ার জন্য ছুট লাগাল। সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় অসাবধানতা-বসত পা পিছলে পড়ে যায় তন্দ্রা। পায়ে হয়তো খুব বেশি ব্যথা লেগেছে তাই “মা” বলে চেঁচিয়ে উঠল। তদ্রার চিৎকার শুনে রান্না ঘর থেকে মিসেস সাহেরা এবং মিসেস তাহেরা ছুটে আসলেন। উনারা এসে দেখেন তন্দ্রা পায়ে হাত দিয়ে বসে আছে। চোখে পানি টইটম্বুর। যেন যেকোনো মুহুর্তে স্রোতধারা বয়ে যাবে। ঘুমের মাঝেই স্বাক্ষর চমকে উঠল। তার তন্দ্রাবতী’র কিছু হয়নি তো! নিমিষেই চোখ থেকে ঘুম দূর হয়ে যায়। আড়মোড়া ভেঙে শোয়া থেকে উঠে বসল সে। বাইরে থেকে তন্দ্রার কান্নার আওয়াজ আসছে। ঘুম ঘুম চোখে দ্রুত ঘর থেকে বের হয়। তন্দ্রার চিৎকার শুনে এতোক্ষণে সবাই সিঁড়ির কাছে চলে এসেছে। স্বাক্ষর ব্যস্ত ভঙ্গিতে তন্দ্রা দিকে এগিয়ে যায়। </p>\n<p>“তন্দ্রাবতী আর ইউ ওকে?”</p>\n<p>“পায়ে লেগেছে!”</p>\n<p>তন্দ্রা কান্না করতে করতে কথাটা বলে। পায়ে চো&#8217;ট বেশ ভালোই পেয়েছে। উঠে দাঁড়াতে পারছে না। সাঁত পাঁচ না ভেবেই স্বাক্ষর তন্দ্রাকে কোলে তুলে নিল। তারপর তাকে ঘরে নিয়ে গেল। আধশোয়া হয়ে বসাল। ওদের পেছন পেছন এ ঘরে সবাই চলে এলো। তুলি তখন সবে মাত্র স্কুল ড্রেস পড়ে তন্দ্রার জন্য অপেক্ষা করছিল। সবসময় তো তন্দ্রা’ই তাকে স্কুল যাওয়ার জন্য তৈরি করে দেয়৷ স্বাক্ষর ঠিক বুঝতে পারছে না তন্দ্রা পা মচকে গেছে নাকি কোনো ফ্র‍্যাকচার হয়েছে। একবার এক্সরে করিয়ে আনা প্রয়োজন। মি. ইউসুফ মাহমুদ মেয়ের কাছে এগিয়ে গিয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে বলেন‚</p>\n<p>“মা কোথায় ব্যথা পেয়েছ?”</p>\n<p>“পায়ের গোড়ালির হাড়ে ব্যথা করছে খুব।”</p>\n<p>তন্দ্রার কষ্ট স্বাক্ষরের কিছুতেই সহ্য হচ্ছে না। সবাইকে উদ্দেশ্য করে বলল‚</p>\n<p>“একটা এক্সরে করিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। তোমরা টেনশন করো না।” </p>\n<p>স্বাক্ষর তন্দ্রাকে নিয়ে হসপিটালে যাওয়ার জন্য বের হয়। তন্দ্রাকে পাশের সিটে বসিয়ে স্বাক্ষর ড্রাইভ করতে থাকে। স্বাক্ষরকে দেখে কিছুটা আপসেট মনে হচ্ছে। এদিকে তন্দ্রার এভাবে চুপ করে বসে থাকতেও বোর ফিল করছে। পায়ে এখন আগের মতো সেই তীব্র ব্যথাটা নেই। তবে একটু একটু ব্যথা করছে।</p>\n<p>“ভালোবাসো আমাকে?”</p>\n<p>নিজের উদ্ভট প্রশ্নে তন্দ্রা নিজেই খুব বিরক্ত। তার প্রশ্নে কিঞ্চিৎ চমকে গেলেও তা প্রকাশ্য করল না স্বাক্ষর। সে স্বাভাবিক ভঙ্গিতেই নিজের মতো করে ড্রাইভ করছে। তন্দ্রা এখনো উত্তরের আশায় তার দিকে তাকিয়ে। প্রশ্ন যখন করেই ফেলেছে তখন জেনে নেওয়াই ভালো।</p>\n<p>“তুমি আমার কথা গুলোকে ইগনোর করছ কেন?”</p>\n<p>“কে বলল আমি ইগনোর করছি!”</p>\n<p>“তা নয়তো কী? আমার কোনো প্রশ্নেরই তো উত্তর দাও না তুমি।”</p>\n<p>“আমি কী না বলেছি একবারও।”</p>\n<p>“হ্যাঁ’ও তো বলছ না! </p>\n<p>“সব কথা মুখে বলতে হয় না। না বলা কথা যেদিন বুঝতে পারবি‚ সেদিন প্রণয়ে পরিণয় হয়েই যাবে। </p>\n<p>এরপর আর দুজনের মাঝে একটা কথাও হয় না। স্বাক্ষরের বলা শেষ কথাটা তন্দ্রার কানে বার বার বাজছে। সে এখন নিশ্চিত স্বাক্ষর তাকে ভালোবাসে। ভালোবাসলে মুখে কেন বলছে না‚ তা নিয়ে তন্দ্রার কিছুটা রাগ হয়। সে চুপ করে জানালার বাইরে তাকিয়ে থাকে। হসপিটালের সামনে এসে গাড়ি থামে৷ স্বাক্ষর এসে তাকে ধরে নামাতে চাইলে তন্দ্রা এতে কপট রাগ দেখায়। স্বাক্ষর বুঝতে পারে তন্দ্রার অভিমান হয়েছে৷ </p>\n<p>“কিছু অভিমান তোলা থাকুক। আমি সুযোগ বুঝে ভাঙিয়ে দিব।”</p>\n<p>হসপিটালে এসে স্বাক্ষর নিজ দায়িত্বে তন্দ্রার পায়ের এক্সরে করায়৷ যা সন্দেহ হয়েছিল তাই হলো। পায়ের গোড়ালির হাড়ে কিছুটা ফ্র‍্যাকচার হয়েছে। স্বাক্ষরের আজ হসপিটালে থাকা হয় না। সে তন্দ্রাকে নিয়ে বাসার চলে যায়। বাসায় আসতেই মিসেস সাহেরা এবং মিসেস তাহেরা তন্দ্রাকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন। স্বাক্ষর সবাইকে উদ্দেশ্য করে বলল‚</p>\n<p>“পায়ের গোড়ালিতে একটা ফ্র‍্যাকচার হয়েছে। কয়েকদিন বেড রেস্ট নিলেই ঠিক হয়ে যাবে।”</p>\n<p>কথাটা বলেই সে তার ঘরে চলে গেল। গায়ের শার্টটা ঘেমে শরীরের সাথে লেগে আছে। এই মুহূর্তে তার একটা লম্বা শাওয়ার নেওয়া প্রয়োজন। হাতে করে টাওয়াল নিয়ে ওয়াশরুমে চলে যায় সে। তন্দ্রাকে মিসেস তাহেরা ধরে ধরে ঘরে নিয়ে গেলেন। তন্দ্রার ঘরে শুভ, সাইফ, হেনা, শিরিন আর হাসনা একজোট হয়ে বসে আছে। তখনই তুলি ঘরে আসে। কাঁধ থেকে স্কুল ব্যাগটা স্টাডি টেবিলের উপর রাখতে রাখতে জিজ্ঞেস করে‚</p>\n<p>“আপু তোমার পায়ে এখনো ব্যথা হচ্ছে?”</p>\n<p>“না রে পাখি।”</p>\n<p>নিজের প্রতি তুলির চিন্তা দেখে তন্দ্রা কিঞ্চিৎ হাসল। বালিশের পাশে দুটো চকলেট লুকিয়ে রেখেছে সে তুলির জন্য। </p>\n<p>“স্কুল ড্রেস চেঞ্জ করে আমার কাছে আয়।”</p>\n<p>তন্দ্রার কথা মতো তুলি নিজের জামা নিয়ে ওয়াশরুমে চলে গেল। চেঞ্জ করে হাত মুখ ধুয়ে এসে তন্দ্রার কাছে বসল। </p>\n<p>“এগুলো তোর জন্য।”</p>\n<p>তুলি চকলেট দুটো নিয়ে নিল৷ চকলেট তার খুব পছন্দের। খুশি হয়ে তন্দ্রার গালে চুমু দিল সে। তুলির এমন কান্ডে তন্দ্রা হেসে দেয়। শুভ তুলির গাল টেনে বলল‚</p>\n<p>“আমাদেরকে চকলেটের ভাগ দিবি না তুলি রানী?</p>\n<p>“তোমরা তো বড়ো হয়ে গেছো ভাইয়া।”</p>\n<p>“বড়ো হলে কী চকলেট খাওয়া যায় না?”</p>\n<p>“না তো।”</p>\n<p>তুলি ড্রইং রুমে চলে যায়। এই সময় তার ফেবারিট কার্টুন হয়। সেটাই সে মনোযোগ দিয়ে দেখছে। শুভ‚ সাইফ‚ হেনা‚ শিরিন আর হাসনা এখনো তন্দ্রার কাছেই বসে আসে। ওরা একেক ধরনের কথা বলছে আর হাসছে। দুপুরের খাওয়ার সময় হয়ে এসেছে। মিসেস সাহেরা ডাইনিং টেবিলে খাবার বাড়ছেন। মিসেস তাহেরা তন্দ্রার জন্য প্লেটে করে খাবার নিয়ে আসলেন। </p>\n<p>“তোরা গিয়ে খেয়ে নে। আপা তোদের জন্য টেবিলে খাবার বেড়ে রেখেছে। যাওয়ার সময় স্বাক্ষরকে বলে যাস।” </p>\n<p>ওরা এ ঘর থেকে চলে যাওয়ার কিছুক্ষণ পরই স্বাক্ষর এলো। একটা টেবলেট তন্দ্রার দিকে এগিয়ে দিয়ে বলল “এটা খাবার খাওয়ার পর খেতে হবে” স্বাক্ষর বরাবরই সবার প্রতি খুবই যত্নবান। তার এই দিকটা তন্দ্রাকে বারংবার মুগ্ধ করে। তন্দ্রা চেয়ে আছে স্বাক্ষরের দিকে কিন্তু স্বাক্ষর একবারও তার দিকে তাকায় না। টেবলেটটা তাহেরা মাহমুদকে দিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল সে। তন্দ্রা মনে মনে একটা কথাই আওড়াল‚ “তার আবার কি হলো?”</p>",
        "series": {
            "id": 7,
            "title": "প্রেমালিঙ্গণ",
            "slug": "premalingon",
            "url": "https://golpohub.com/series/premalingon",
            "thumbnail_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/series-premalingon-7-396552.webp",
            "progress_status": "completed"
        },
        "author": {
            "id": 6,
            "name": "ঊর্মি আক্তার ঊষা (তরঙ্গিণী)",
            "slug": "urmi-aktar-usha",
            "url": "https://golpohub.com/authors/urmi-aktar-usha",
            "avatar_url": "https://cdn.golpohub.com/avatars/uurmi-aktar-uusha-trnginee-6-83b01f.webp",
            "bio": "ঊর্মি আক্তার ঊষা (সাহিত্যিক ছদ্মনাম তরঙ্গিণী) সমকালীন বাংলা রোমান্টিক ও পারিবারিক কথাসাহিত্যের এক প্রতিশ্রুতিশীল লেখক। পারিবারিক সম্পর্কের সূক্ষ্ম বন্ধন, কাজিন রোম্যান্স, না-বলা ভালোবাসার নীরব ব্যাকুলতা এবং মানবিক আবেগের মনস্তাত্ত্বিক রূপায়ণে তিনি অনন্য। তাঁর লেখনীর সাবলীল গতি, স্নিগ্ধ অনুভূতি এবং চরিত্রের গভীর মনস্তত্ত্ব তরুণ পাঠকহৃদয়ে দারুণ সমাদৃত।",
            "series_count": 0,
            "meta": {
                "bio": "ঊর্মি আক্তার ঊষা (সাহিত্যিক ছদ্মনাম তরঙ্গিণী) সমকালীন বাংলা রোমান্টিক ও পারিবারিক কথাসাহিত্যের এক প্রতিশ্রুতিশীল লেখক। পারিবারিক সম্পর্কের সূক্ষ্ম বন্ধন, কাজিন রোম্যান্স, না-বলা ভালোবাসার নীরব ব্যাকুলতা এবং মানবিক আবেগের মনস্তাত্ত্বিক রূপায়ণে তিনি অনন্য। তাঁর লেখনীর সাবলীল গতি, স্নিগ্ধ অনুভূতি এবং চরিত্রের গভীর মনস্তত্ত্ব তরুণ পাঠকহৃদয়ে দারুণ সমাদৃত।",
                "phone": null,
                "gender": "female",
                "address": {
                    "city": "\nMymensingh",
                    "street": "\nMymensingh",
                    "country": "Bangladesh"
                },
                "birth_date": null,
                "social_links": {
                    "facebook": "https://facebook.com/urmi1067",
                    "instagram": "https://instagram.com/urmi_sha5"
                },
                "pen_name": "তরঙ্গিণী",
                "aliases": [
                    "ঊর্মি আক্তার ঊষা",
                    "Urmi Aktar Usha",
                    "Urmi Akter Usha",
                    "তরঙ্গিণী",
                    "Torangini"
                ]
            },
            "timestamps": {
                "created_at": null,
                "updated_at": null
            }
        },
        "navigation": {
            "previous_episode": {
                "id": 429,
                "ep_number": 8,
                "title": "ছাদের কোণে নিঃশব্দ আত্মসমর্পণ",
                "slug": "premalingon-s1-ep8",
                "url": "https://golpohub.com/episodes/premalingon-s1-ep8",
                "thumbnail_url": "https://golpohub.com/assets/images/og.jpg"
            },
            "next_episode": {
                "id": 431,
                "ep_number": 10,
                "title": "গিটারে ভাসা একলা আকাশ",
                "slug": "premalingon-s1-ep10",
                "url": "https://golpohub.com/episodes/premalingon-s1-ep10",
                "thumbnail_url": "https://golpohub.com/assets/images/og.jpg"
            }
        }
    }
}