{
    "_links": {
        "html": "https://golpohub.com/episodes/prematal-s1-ep12",
        "json": "https://golpohub.com/episodes/prematal-s1-ep12?format=json",
        "markdown": "https://golpohub.com/episodes/prematal-s1-ep12?format=md",
        "rss": "https://golpohub.com/episodes/prematal-s1-ep12?format=rss",
        "atom": "https://golpohub.com/episodes/prematal-s1-ep12?format=atom"
    },
    "seo": {
        "canonical_url": "https://golpohub.com/episodes/prematal-s1-ep12",
        "title": "প্রেমাতাল পর্ব ১২ - স্বামী-স্ত্রী ও কাজলের ছদ্মবেশ | Prematal Part 12",
        "description": "পড়ুন প্রেমাতাল পর্ব ১২। থানচিতে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দেওয়া এবং তিতিরকে সুরক্ষার জন্য মুগ্ধর কাজলের ছদ্মবেশ পরাবার গল্প।",
        "keywords": "প্রেমাতাল পর্ব ১২, prematal part 12, prematal porbo 12, স্বামী-স্ত্রী পরিচয়, কাজলের ছদ্মবেশ, তিতির, মুগ্ধ",
        "image_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-1225-f03934.webp",
        "schema": {
            "@context": "https://schema.org",
            "@graph": [
                {
                    "@type": "Chapter",
                    "name": "স্বামী-স্ত্রী ও কাজলের ছদ্মবেশ",
                    "position": 12,
                    "description": "থানচি গেস্ট হাউজে রুম পাওয়ার জন্য তিতিরকে নিজের নতুন বিয়ে করা স্ত্রী পরিচয় দেয় মুগ্ধ। কিন্তু গোসল সেরে জারুল ফুলের মতো স্নিগ্ধ রূপ নিয়ে তিতির বের হতেই কেন মুগ্ধ জোর করে তার সারা মুখে আর কানে কাজলের কালো ছোপ মেখে তাকে কুৎসিত বানাতে চাইল?",
                    "url": "https://golpohub.com/episodes/prematal-s1-ep12",
                    "inLanguage": "bn",
                    "timeRequired": "PT13M",
                    "datePublished": "2026-08-27T22:02:09+00:00",
                    "dateModified": "2026-09-06T01:33:41+00:00",
                    "wordCount": 2011,
                    "image": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-1225-f03934.webp",
                    "isPartOf": {
                        "@type": [
                            "BookSeries",
                            "CreativeWorkSeries"
                        ],
                        "name": "প্রেমাতাল",
                        "url": "https://golpohub.com/series/prematal"
                    },
                    "author": {
                        "@type": "Person",
                        "name": "মৌরি মরিয়ম",
                        "url": "https://golpohub.com/authors/mouri-morium"
                    }
                },
                {
                    "@type": "BreadcrumbList",
                    "itemListElement": [
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 1,
                            "name": "Golpo Hub",
                            "item": "https://golpohub.com"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 2,
                            "name": "সিরিজসমূহ",
                            "item": "https://golpohub.com/series"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 3,
                            "name": "প্রেমাতাল",
                            "item": "https://golpohub.com/series/prematal"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 4,
                            "name": "স্বামী-স্ত্রী ও কাজলের ছদ্মবেশ",
                            "item": "https://golpohub.com/episodes/prematal-s1-ep12"
                        }
                    ]
                }
            ]
        }
    },
    "filters": [],
    "data": {
        "id": 1225,
        "ep_number": 12,
        "title": "স্বামী-স্ত্রী ও কাজলের ছদ্মবেশ",
        "slug": "prematal-s1-ep12",
        "url": "https://golpohub.com/episodes/prematal-s1-ep12",
        "reading_time": 13,
        "thumbnail_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-1225-f03934.webp",
        "yt_video_id": null,
        "yt_video_url": null,
        "timestamps": {
            "published_at": "2026-08-27T22:02:09+00:00",
            "updated_at": "2026-09-06T01:33:41+00:00"
        },
        "meta": {
            "word_count": 2011,
            "chapter_number": 12,
            "seo_title": "প্রেমাতাল পর্ব ১২ - স্বামী-স্ত্রী ও কাজলের ছদ্মবেশ | Prematal Part 12",
            "seo_description": "পড়ুন প্রেমাতাল পর্ব ১২। থানচিতে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দেওয়া এবং তিতিরকে সুরক্ষার জন্য মুগ্ধর কাজলের ছদ্মবেশ পরাবার গল্প।",
            "keywords": "প্রেমাতাল পর্ব ১২, prematal part 12, prematal porbo 12, স্বামী-স্ত্রী পরিচয়, কাজলের ছদ্মবেশ, তিতির, মুগ্ধ",
            "characters_involved": [
                "তিতির",
                "মুগ্ধ"
            ]
        },
        "content": "<p>মুগ্ধ-তিতির আলো ফুটতেই মানে ৫ টার দিকে রওনা দিয়েছিল। ৩ ঘন্টা হাটা আর প্রায় ১ ঘন্টা বাস জার্নির পর ওরা থানচি পৌঁছেছিল। থানচি গেস্ট হাউজে ঢুকেই মুগ্ধ রিসিপশনের দিকে গেল। পিছন পিছন গেল তিতির। ঘড়ির কাটা ছিল তখন ৯ টার আশেপাশে। মুগ্ধ জিজ্ঞেস করলো,</p>\n<p>-“আচ্ছা ২৬ জনের একটা দল এসেছে না কাল?”</p>\n<p>-“ওনারা তো আজ ভোরেই রেমাক্রি রওনা দিয়ে দিয়েছে। তা প্রায় ৩/৪ ঘন্টা হবে। আপনারা ওনাদের খুঁজছেন কেন?”</p>\n<p>-“আমরাও ওই দলেই নাফাখুম ট্রিপে এসেছি। পথে আমরা ওদের হারিয়ে ফেলি।”</p>\n<p>-“ওহ হ্যা। ওনারা তো ২৮ জনেরই বুকিং দিয়েছিল।”</p>\n<p>-“হ্যা। এত আগে রওনা দিয়েছে। এখন তো ধরতেও পারবোনা ওদের।”</p>\n<p>-“ওনারা যদি টানা নৌকায় যেত তাহলে আপনারা ইঞ্জিন নৌকায় গিয়ে ধরতে পারতেন। কিন্তু ওনারা তো ইঞ্জিন নৌকা নিয়েছে সবগুলোই।”</p>\n<p>-“ওরা কোনো মেসেজ দিয়ে গেছে আমাদের জন্য?”</p>\n<p>-“না কিছু বলেনি।”</p>\n<p>তিতির বলল,</p>\n<p>-“এখন কি হবে?”</p>\n<p>-“দাড়াও দেখছি।”</p>\n<p>তারপর মুগ্ধ আবার ম্যানেজারকে জিজ্ঞেস করলো,</p>\n<p>-“একটা ঘর হবে?”</p>\n<p>-“দুজনের জন্য?”</p>\n<p>-“হ্যা।”</p>\n<p>-“আপনাদের সম্পর্ক?”</p>\n<p>-“আমরা স্বামী-স্ত্রী।”</p>\n<p>তিতির অবাক হয়ে চাইলো মুগ্ধর দিকে। মুগ্ধ সেদিকে ভ্রুক্ষেপ করলো না। ম্যানেজার বলল,</p>\n<p>-“সব রুম বুকিং দেয়া আছে। দিব কিভাবে বলুন।”</p>\n<p>-“আমরা রাতে থাকব না। জাস্ট গোসল করে ফ্রেশ হবো, খাবো এটুকু সময়।”</p>\n<p>-“ওহ তাহলে একটা রুম দেয়া যাবে। যদিও বুকিং আছে কিন্তু ওনাদের আসতে বিকাল হবে।”</p>\n<p>-“ওহ, থ্যাংকস।”</p>\n<p>রুমে খুলে দিতে দিতে ম্যানেজার জিজ্ঞেস করলো,</p>\n<p>-“নতুন বিয়ে করেছেন বুঝি?”</p>\n<p>-“হ্যা। গত সপ্তাহে।”</p>\n<p>-“হানিমুনে এলেন এই জঙ্গলে?”</p>\n<p>-“আসলে আমাদের দুজনেরই পাহাড়, জঙ্গল পছন্দ!”</p>\n<p>ম্যানেজার সবগুলো দাঁত বের করে বলল,</p>\n<p>-“ভাবীর তো দেখি একদম কম বয়স।”</p>\n<p>তিতিরের বলতে ইচ্ছে করছিল, ‘তাতে তোর কিরে ব্যাটা!’ কিন্তু বললনা। মুগ্ধ বলল,</p>\n<p>-“হ্যা, এরেঞ্জ ম্যারেজ তো।”</p>\n<p>-“ও। আচ্ছা ভাই ৩ টার মধ্যে রুম ছেড়ে দিতে হবে কিন্তু।”</p>\n<p>-“হ্যা হ্যা নো প্রব্লেম।”</p>\n<p>ম্যানেজার বেড়িয়ে যেতেই মুগ্ধ দরজা লাগিয়ে দিল। তিতির বলল,</p>\n<p>-“এটা কি হলো?”</p>\n<p>মুগ্ধ কাধ থেকে ব্যাগ নামিয়ে বলল,</p>\n<p>-“কি হলো?”</p>\n<p>-“স্বামী-স্ত্রী বললেন কেন?”</p>\n<p>-“তো? তোমাকে বউ বলেছি বলে কি তোমার জাত গেল?”</p>\n<p>তারপর নিজের কলারটা একটু ঠিক করে বলল,</p>\n<p>-“আমি কি ফেলনা নাকি?”</p>\n<p>-“এসব বলার কি দরকার ছিল?”</p>\n<p>-“না বললে রুম পেতাম না। আর তুমি রিয়াক্ট করছো কেন? বলেছি বলেই কি আমি রুমে ঢুকেই স্বামীদের মত বিহেভিয়ার শুরু করেছি?”</p>\n<p>তিতির আর কথা বাড়ালো না। মুখে যাই বলুক কথাটা শুনে তো ওর ভালই লেগেছে। বরং কাজের কথা বলা যাক। বলল,</p>\n<p>-“আচ্ছা আচ্ছা। এখন আমরা কি করবো?”</p>\n<p>মুগ্ধ বিছানায় শুয়ে বলল,</p>\n<p>-“গোসল করবো, খাব। তারপর বান্দরবান ফিরে যাব। আর তুমি যদি চাও তো রেমাক্রিও যেতে পারি। কারন, ওরা তো দুপুরে রেমাক্রি পৌঁছে ওখানকার গেস্ট হাউজে থাকবে। ভোরে নাফাখুমের উদ্দেশ্যে যাত্রা। আর আমরা এখন রওনা দিলে সন্ধ্যার মধ্যে পৌঁছে যাব।”</p>\n<p>-“ফিরে যাওয়ার জন্য কি এত কষ্ট করে এসেছি নাকি? আমি নাফাখুম যাবই যাব।”</p>\n<p>-“আচ্ছা। কিন্তু চিন্তা হচ্ছে কিভাবে যাব সেটা নিয়ে।”</p>\n<p>তিতির চেয়ার টেনে বসতে বসতে বলল,</p>\n<p>-“কেন নৌকা ছাড়া অন্য কোনভাবে যাওয়া যায় নাকি?”</p>\n<p>-“নাহ, একমাত্র উপায় নৌকা। কিন্তু দলছাড়া শুধু দুজন নৌকার জন্য রিস্কি হয়ে যায়। তার উপর একটা ছেলে একটা মেয়ের জন্য তো রিস্কটা আরো বেশি হয়ে যায়।”</p>\n<p>-“এখানেও ডাকাত আছে?”</p>\n<p>-“ডাকাতরা এদিকে আসেনা। এদিকটা জলদস্যুদের।”</p>\n<p>-“ওমাগো! জলদস্যু!”</p>\n<p>-“হুম, তবে জলদস্যুরা কাউকে ধরেছে এরকমটা কমই শোনা গেছে। ওরা সমুদ্রেই যায় বেশি। যখন ওখানে সুবিধা করতে পারেনা তখন এদিকে আসে। আর এদিকে এসে করবেই বা কি বলো? এদিকের মানুষের তো আর অত টাকা পয়সা নেই। ট্যুরিস্টও খুবই কম।”</p>\n<p>-“ওরাও কি ডাকাতদের মত মেয়েদের প্রতি… ?”</p>\n<p>থেমে গেল তিতির। তারপর মুগ্ধ বলল,</p>\n<p>-“মেয়েদের প্রতি লোভ কার নেই বলো? ডাকাত, জলদস্যুরা না হয় বুঝলাম অশিক্ষিত, অভাবে বড় হওয়া। তাই শিক্ষা পায়নি, মানবিক বোধ জন্মেনি। কিন্তু আমাদের শিক্ষিত সমাজে এমন অমানবিক পিশাচ কি নেই? সব মুখোশ পড়ে ঘুরছে। সুযোগ পেলেই মুখোশটা টেনে খুলে ফেলছে।”</p>\n<p>-“কই আপনার তো কোনো লোভ নেই।”</p>\n<p>কথাটা বলে ফেলে কি যে ভাল লাগছিল তিতিরের! ইশ, সব ছেলেই যদি মুগ্ধর মত করে ভাবতো। মুগ্ধ হেসে বলল,</p>\n<p>-“আসল ব্যাপারটা কি জানো?”</p>\n<p>-“না তবে জানতে চাই।”</p>\n<p>-“সব পুরুষ মানুষ খারাপ না। কিন্তু ওদের জন্য পুরো পুরুষ জাতটাকেই কুকুরের সাথে তুলনা করা হয়। ওদের জন্যই সবার খারাপ কথা শুনতে হয়। অথচ প্রোপরশন টা কিন্তু ওই এক বাটি দুধে একটা মাছির মতই।”</p>\n<p>-“কিন্তু রাস্তায় বেরোলে তো স্টেপে স্টেপে ছেলেরা পাশ দিয়ে আয় আর খারাপ খারাপ কথা বলে। তাহলে প্রোপরশনটা কোথায় গিয়ে দাড়ায় ভাবুন তো?”</p>\n<p>-“ওটা তো টিজিং। টিজিং তারাই করে যারা রাস্তায় রাস্তায় থাকে। ওদের সংখ্যা তো কমই। ওদের দেখছো কিন্তু যারা রাস্তায় নেই বাসায় আছে তাদেরকে কি দেখতে পাচ্ছো?”</p>\n<p>-“তা অবশ্য দেখছি না।”</p>\n<p>-“আর ওদের দেখলে মনে হবে ওরা ভদ্র ফ্যামিলির ছেলে। কিন্তু আদৌ তা না। আমি তো কখনো ১ মিনিট রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকার টাইম পাইনি। আমার ছোটভাই দৌড়ের উপর থাকে স্কুল, কোচিং নিয়ে। সেও টাইম পায় না। আমরাও আড্ডা দেই তবে বাসায় কাজিনদের সাথে। বাইরে আড্ডা দেই স্কুল, কলেজ, ভার্সিটিতে বন্ধুদের সাথে ক্লাসের ফাঁকে। রাস্তায় রাস্তায় টাইম পাস করার মত সময় আমাদের মত ফ্যামিলির ছেলেরা পায়না। আর আমাদের মত ফ্যামিলিই দেশে সবচেয়ে বেশি।”</p>\n<p>মুগ্ধ ঘড়ি দেখে বলল,</p>\n<p>-“দেরী হয়ে যাচ্ছে আমাদের। পরে গল্প করবো। এখন বাসায় একটা ফোন করো। তারপর গোসলে যাও।”</p>\n<p>-“ও হ্যা। কিন্তু আপনি গোসল করবেন না?”</p>\n<p>-“তুমি আগে করো।”</p>\n<p>-“বাসায় ফোন করলে সবার সাথে কথা বলতে হবে আলাদা করে। তখন অনেক সময় লাগবে ততক্ষণে আপনি বোধহয় গোসল করে ফেলতে পারবেন।”</p>\n<p>-“ও। ঠিকাছে তাহলে আমি আগে যাচ্ছি।”</p>\n<p>তিতির মোবাইল বের করে দেখলো নেটওয়ার্ক নেই। মুগ্ধর দিকে তাকিয়ে বলল,</p>\n<p>-“নেটওয়ার্ক নেই তো। আমার বাবা তো টেনশনে হার্ট অ্যাটাক করবে।”</p>\n<p>মুগ্ধ ব্যাগ থেকে কাপড় বের করছিল। তাকিয়ে বলল,</p>\n<p>-“এয়ারটেল?”</p>\n<p>-“হুম!”</p>\n<p>-“কোন ভরসায় যে পাহাড়ে এয়ারটেল নিয়ে আসতে পারো!”</p>\n<p>-“জানতাম না তো!”</p>\n<p>-“আচ্ছা প্রব্লেম নাই আমারটা নাও।”</p>\n<p>পকেট থেকে মোবাইল বের করে এগিয়ে দিল মুগ্ধ। তারপর গোসলে ঢুকে গেল। তিতির মোবাইল হাতে নিয়ে দেখলো সিম্পল লক। কোনো প্যাটার্ন নেই। বাবার নাম্বারে ডায়াল করলো। বাবা চিন্তায় ছিলো। বাবাকে বুঝিয়ে বলল যে ও ভাল আছে আর আগামী ৬/৭ দিন কথা হবে না। কারন, এদিকে নেটওয়ার্ক নেই। বাবা বলল ভাইয়া নাকি আগেই বলেছে এসব। তারপরেও মন কেমন করছিল, এখন কথা বলে ভাল লাগছে। মায়ের সাথেও হাই হ্যালো করে রেখে দিল।</p>\n<p>ফোন রাখতেই তিতিরের কেন যেন ইচ্ছে করলো মোবাইলটা ঘাটতে। জানে এটা ঠিক না। তবু সোজা মেসেজ অপশনে চলে গেল। সব ফোন কোম্পানি আর মায়ের, বোনের, ভাইয়ের আর ফ্রেন্ডদের মেসেজ। সত্যিই কি ওর গার্লফ্রেন্ড নেই? তখন হঠাৎ একটা মেসেজে চোখ আটকে গেল। নাম্বারটা “প্যারা” দিয়ে সেভ করা। কনভারসেশন টা এরকম ছিল,</p>\n<p>Pera: Mugdho, ami tor proti mugdho!</p>\n<p>Mugdho: Being mugdho is good for health.</p>\n<p>Pera: I love you!</p>\n<p>Mugdho: So? what can i do for u?</p>\n<p>Pera: You should love me too.</p>\n<p>Mugdho: Ken ami ki tor kase matha bandhaisi?</p>\n<p>Pera: Emn korish kn always?</p>\n<p>Mugdho: Ami emn e..</p>\n<p>Pera: Eto vab kisher tor?</p>\n<p>Mugdho: Tui e ajaira msg diya vab baraisos.</p>\n<p>Pera: kauke valobasha ki dosh?</p>\n<p>Mugdho: Na onk boro gun. ei onk boro gun onno kono channel e dekha ga.. kame dibo! Amr piche somoy noshto korish na amma.. khema de!</p>\n<p>Pera: Amare amma boltesish kn tui? amare to amma koibo tor polapain.</p>\n<p>Mugdho: Amr polapainer ki theka porseni tore amma koibo?</p>\n<p>Pera: Ami jonmo dimu tyle ki arek betire amma koibo?</p>\n<p>Mugdho: U are mad.. chaogol ekta.</p>\n<p>Pera: Chagol pagol ja mon chay ko.. kintu ami shotti tor bacchar ma hoite chai</p>\n<p>Mugdho: Tar mane tui amar loge sex korte chash?</p>\n<p>Pera: sex, biya, baccha shob korte chai.</p>\n<p>Mugdho: Biye to 100 miles dure.. tor moto behayar loge ami sex o korina.</p>\n<p>বাথরুমের দরজা খোলার শব্দে তিতির তাড়াতাড়ি ব্যাকে গিয়ে গিয়ে কাটল। যাতে হাইলাইটসে মেসেজ অপশনটা এসে না থাকে। ভাগ্যিস মুগ্ধ দরজাটা খুলে বের হওয়ার আগেই তিতির ফোনটা হাত থেকে রাখতে পেরেছিল।</p>\n<p>মুগ্ধ শুধু জিন্স পড়ে বেড়িয়ে এসেছে খালি গায়ে। এটা কোন কথা? সদ্যভেজা লোমগুলো প্রথমবারের মত দেখে তিতির চোখ ফেরাতে পারছিল না। মুগ্ধ তাকাতেই চোখ ফিরিয়ে নিল।</p>\n<p>মুগ্ধ শার্ট পড়তে পড়তে বলল,</p>\n<p>-“তিতির তুমি গোসলে যাও। আমি খাবার কিনে নিয়ে আসি। আর আমাদের তো রেমাক্রি পৌঁছতে সন্ধ্যা হয়ে যাবে। দুপুরে নৌকায় রান্না করার জন্য কিছু বাজার করতে হবে। ওটাও করে নিয়ে আসি।”</p>\n<p>-“নৌকায় রান্না কিভাবে সম্ভব?”</p>\n<p>-“এখানের নৌকাগুলো তো অনেক দূরে দূরে যায়। নৌকাতেই রান্নার সব ব্যবস্থা থাকে। চুলা, হাড়ি, বটি, ইভেন মশলা বাটার পাটা সব থাকে মাঝিদের কাছে।”</p>\n<p>কথা শেষ করেই একটা হাসি দিল মুগ্ধ। তিতির বলল,</p>\n<p>-“ওহ।”</p>\n<p>-“এখন কি খাবে সেটা বল?”</p>\n<p>-“ভাত। যা দিয়ে হোক ভাত হলেই হবে। খুব ক্ষিদে পেয়েছে।”</p>\n<p>-“একদম মনের কথা বলেছো। আমার মনটাও এখন ভাত চাইছিল।”</p>\n<p>-“সকালে ভাত খেতে পারিনা। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে ভাত না খেতে পেলে মরেই যাব।”</p>\n<p>-“এক্সাক্টলি! আচ্ছা এখন তো সাড়ে নয়টা বাজে। আমি আধা ঘন্টার মধ্যে ফিরবো। তুমি গোসল করে একেবারে রেডি হয়ে নেবে। আর হ্যা, সালোয়ার-কামিজ পড়বে।”</p>\n<p>-“আচ্ছা।”</p>\n<p>বের হতে গিয়ে আবার ফিরলো মুগ্ধ। জিজ্ঞেস করলো,</p>\n<p>-“আচ্ছা তোমার কি কোনো স্কিন প্রব্লেম আছে? মানে এলারজি কিংবা অন্যকিছু?”</p>\n<p>-“নাহ। কেন বলুন তো?”</p>\n<p>-“এসে বলছি। দরজা লাগাও। আর কেউ আসলে দরজা খোলার আগে জিজ্ঞেস করবে কে? আমি না হলে দরজা খুলবে না। যেই হোক। ম্যানেজার আসলেও না, কোন অজুহাত দিয়ে দেবে।”</p>\n<p>-“আচ্ছা।”</p>\n<p>মুগ্ধ বেড়িয়ে যেতেই তিতিরের মনটা আনন্দে নেচে উঠলো। যেই ছেলেটা অন্য মেয়েদের সাথে ওইভাবে কথা বলে সেই ছেলেটাই ওর এত খেয়াল রাখছে! সেটা কি শুধুই ওর সাথে আছে বলে নাকি অন্য কিছু!</p>\n<p>মুগ্ধ বাইরে যেতে যেতে মাকে ফোন করে কথা বলল। বাবাকে ফোন করে ৫ হাজার টাকা বিকাশ করতে বলল ইন্সট্যান্ট। কখন কিসে লাগে বলা যায়না। এরপর সামনে কি আছে কে জানে! কিন্তু আল্লাহর কাছে হাজার শুকরিয়া জানালো মুগ্ধ! ভাগ্যিস সাফিদের হারিয়েছিল। নাহলে হয়তো এসব কিছুই হতোনা। গতকাল সারাদিন আর সারারাত.. ভয় ছিল, বিপদ ছিল তবু জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়ের অন্যতম একটা সময় ছিল। তিতিরের জন্য অন্যরকম একটা ফিলিং হচ্ছে যা কখনো অন্য কারো জন্য হয়নি! কিন্তু তিতিরেরও কি কোনো ফিলিং হচ্ছে? নাকি হচ্ছে না? ফিলিং না হলে কি কাল রাতে ওভাবে পা থেকে মাথা পর্যন্ত খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখতো? ফিলিং না হলে কি জিজ্ঞেস করতো কিরকম মেয়ে ওর পছন্দ? মুগ্ধ সিওর যে তিতিরেরও কিছু ফিল হচ্ছে। যদি না হয় তাহলে ও বুঝবে ভালবাসার কিছুই বোঝেনা ও। ব্যাপারটা আরেকটু ঘাটিয়ে দেখতে হবে ১০০% সিওরিটির জন্য।</p>\n<p>কেনাকাটা শেষ করে এসে মুগ্ধ দরজায় নক করলো। তিতির জিজ্ঞেস করলো,</p>\n<p>-“কে?”</p>\n<p>মুগ্ধর মাথায় দুষ্টুমি চাপলো তাই কিছু বলল না। আবার নক করলো। তিতির বলল,</p>\n<p>-“কে?”</p>\n<p>এবারও মুগ্ধ কথা বলল না। নক করলো। তিতির বলল,</p>\n<p>-“না বললে খুলবো না তো!”</p>\n<p>-“আরে বাবা খুলো।”</p>\n<p>তিতির দরজা খুলে বলল,</p>\n<p>-“ঢং তো ভালই করতে পারেন।”</p>\n<p>মুগ্ধ কিছু বলতে পারলো না। ওর চোখ আটকে গেছে। তিতির গোসল করে হালকা বেগুনী মানে জারুল ফুলের রঙের একটা সালোয়ার কামিজ পড়েছে। ওর গায়ের হালকা গোলাপী রঙের সাথে মিশে যাচ্ছে সব। কোনো প্রসাধনী নেই মুখে। চুলগুলো এখনো আঁচড়ায়নি। এলোমেলো চুল বেয়ে বেয়ে ফোটা ফোটা পানি পড়ছে। এত স্নিগ্ধ রূপ কেবল বৃষ্টি হয়ে যাওয়ার পর প্রকৃতিতেই দেখেছে ও, কোনো মানুষের মাঝে দেখেনি। এক ফোটা পানিকেই তখন খুব হিংসে হচ্ছিল। কারন সেটা ছিল তিতিরের চোখের বরাবর গালের উপর।</p>\n<p>মুগ্ধকে এভাবে হা করে চেয়ে থাকতে তিতির অপ্রস্তুতবোধ করছিল। আবার কেন জানি ভালও লাগছিল খুব। কত মানুষই তো ওকে হা করে চেয়ে দেখেছে। এত ভাল তো লাগেনি কখনো।</p>\n<p>কিছুক্ষণ কারো মুখে কোনো কথা ছিলনা। মুগ্ধর হঠাৎ খেয়াল হলো ও বেহায়ার মত অপলক দৃষ্টিতে দেখছে তিতিরকে। স্বাভাবিক হয়ে বলল,</p>\n<p>-“চলো খেয়ে নেই। ভাত পাইনি। রুটি-ভাজি চলবে তো?”</p>\n<p>-“হ্যা, ঠিক আছে।”</p>\n<p>-“বাজার করে এনেছি। নৌকায় উঠেই ভাত রান্না করবো।”</p>\n<p>-“আচ্ছা।”</p>\n<p>খেয়েদেয়ে সব গুছিয়ে ফেলার পর মুগ্ধ বলল,</p>\n<p>-“তুমি কি সুতির ওড়নাওয়ালা কোন সালোয়ার-কামিজ এনেছো?”</p>\n<p>-“হ্যা কেন?”</p>\n<p>-“আসলে ওড়না দিয়ে ঘোমটা দিতে হবে। জর্জেট দিয়ে দিলে তো আর লাভ নেই। কিছু মনে করোনা এভাবে বলছি বলে। এই যায়গাগুলো দুজনের জন্য রিস্কি। একবার যে বিপদে পড়েছি তাতে আবার পড়তে চাইনা।”</p>\n<p>-“বুঝেছি। আচ্ছা চেঞ্জ করতে হবেনা আমি ওড়নাটা রেখে শাল নিয়ে নিচ্ছি।”</p>\n<p>তিতির একটা শাল বের করে মাথায় ঘোমটা দিল। মুগ্ধ শালটা মাথা থেকে খুলে ওর গায়ে পেঁচিয়ে দিয়ে বলল,</p>\n<p>-“মাথা ঢাকা কম্পলসারি না। গা ঢাকাটা কম্পলসারি, সরাসরি না বললে কিছুই বোঝোনা দেখছি।”</p>\n<p>তিতির লজ্জা পেয়ে গেল। মুগ্ধ বাজারের ব্যাগ থেকে একটা কাজলের কৌটা বের করে তিতিরের হাতে দিল। তিতির অবাক হয়ে বলল,</p>\n<p>-“কাজল লাগাবো? কিন্তু আমি তো পেনসিল কাজল ছাড়া দিতে পারিনা।”</p>\n<p>মুগ্ধ হেসে বলল,</p>\n<p>-“মুখে আর হাত পায়ে যতটুকু দেখা যাচ্ছে তাতে এই কাজলটা ভাল করে ব্লেন্ড করে লাগাবে।”</p>\n<p>-“মানে মুখে কালি মেখে কালো সাজব?”</p>\n<p>-“জানি এখন তুমি আমাকে অনেক খারাপ ভাববে। সন্দেহবাতিক ভাববে বাট আমি তোমার সেফটির জন্য এটা করতে বলছি। পাহাড়ে লুকানোর যায়গা ছিল লুকিয়েছিলাম। নদীতে কিন্তু চারপাশে পানি বিপদ এলে কোথাও যেতে পারবো না।”</p>\n<p>তিতিরের বুকের মধ্যে হু হু করে লিলুয়া বাতাস বয়ে গেল। এতটা ভাবে মুগ্ধ ওকে নিয়ে! তিতির মুগ্ধর কথা মতই কাজলের কালি দিয়ে মুখ, হাত, পা, সব কালো করে ফেললো। তারপর মুগ্ধর দিকে ফিরে বলল,</p>\n<p>-“ঠিক আছে?”</p>\n<p>মুগ্ধ এগিয়ে এসে একটু কাজল নিজের দুহাতের অঙুলে ব্লেন্ড করে তিতিরের সামনে দাঁড়িয়ে হেসে বলল,</p>\n<p>-“কানে লাগাবে কে সুন্দরী?”</p>\n<p>তারপর মুগ্ধ তিতিরের দুই কানে কালি লাগালো। ওর ছোঁয়া পেয়েই তিতির শিউরে উঠলো। তা দেখেই মুগ্ধর ভেতরে কি যেন হলো। সরে গিয়ে বলল,</p>\n<p>-“তুমি নিজেই লাগাও।”</p>",
        "series": {
            "id": 27,
            "title": "প্রেমাতাল",
            "slug": "prematal",
            "url": "https://golpohub.com/series/prematal",
            "thumbnail_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/series-prematal-27-b7a775.webp",
            "progress_status": "completed"
        },
        "author": {
            "id": 24,
            "name": "মৌরি মরিয়ম",
            "slug": "mouri-morium",
            "url": "https://golpohub.com/authors/mouri-morium",
            "avatar_url": "https://cdn.golpohub.com/avatars/mouri-mriym-24-320cea.webp",
            "bio": "মৌরি মরিয়ম সমকালীন বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী ঔপন্যাসিক। মানবমনের গভীর অনুভূতি, সম্পর্কের জটিল রসায়ন এবং বাস্তবধর্মী মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব নিপুণ ভঙ্গিতে ফুটিয়ে তোলাই তাঁর লেখার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। সংবেদনশীল চরিত্র নির্মাণ ও প্রাঞ্জল সংলাপে পাঠককে শেষ পৃষ্ঠা পর্যন্ত বেঁধে রাখার অনন্য দক্ষতার কারণে তাঁর উপন্যাসগুলো তরুণ প্রজন্মের পাঠকদের মাঝে বিশেষভাবে সমাদৃত।",
            "series_count": 0,
            "meta": {
                "bio": "মৌরি মরিয়ম সমকালীন বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী ঔপন্যাসিক। মানবমনের গভীর অনুভূতি, সম্পর্কের জটিল রসায়ন এবং বাস্তবধর্মী মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব নিপুণ ভঙ্গিতে ফুটিয়ে তোলাই তাঁর লেখার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। সংবেদনশীল চরিত্র নির্মাণ ও প্রাঞ্জল সংলাপে পাঠককে শেষ পৃষ্ঠা পর্যন্ত বেঁধে রাখার অনন্য দক্ষতার কারণে তাঁর উপন্যাসগুলো তরুণ প্রজন্মের পাঠকদের মাঝে বিশেষভাবে সমাদৃত।",
                "phone": null,
                "gender": "female",
                "address": {
                    "country": "Bangladesh"
                },
                "birth_date": "1991-05-25",
                "social_links": {
                    "facebook": "https://facebook.com/1948097932123549"
                },
                "pen_name": "মৌরি মরিয়ম",
                "aliases": [
                    "Mouri Morium",
                    "Mouri Mariam",
                    "মৌরি মারিয়াম"
                ]
            },
            "timestamps": {
                "created_at": null,
                "updated_at": null
            }
        },
        "navigation": {
            "previous_episode": {
                "id": 1224,
                "ep_number": 11,
                "title": "প্রাক্তনের গল্প ও বাসের ভিড়",
                "slug": "prematal-s1-ep11",
                "url": "https://golpohub.com/episodes/prematal-s1-ep11",
                "thumbnail_url": "https://golpohub.com/assets/images/og.jpg"
            },
            "next_episode": {
                "id": 1226,
                "ep_number": 13,
                "title": "সাঙ্গুর বুকে কৃষ্ণকলির রূপ",
                "slug": "prematal-s1-ep13",
                "url": "https://golpohub.com/episodes/prematal-s1-ep13",
                "thumbnail_url": "https://golpohub.com/assets/images/og.jpg"
            }
        }
    }
}