{
    "_links": {
        "html": "https://golpohub.com/episodes/projapotir-rong-s1-ep20",
        "json": "https://golpohub.com/episodes/projapotir-rong-s1-ep20?format=json",
        "markdown": "https://golpohub.com/episodes/projapotir-rong-s1-ep20?format=md",
        "rss": "https://golpohub.com/episodes/projapotir-rong-s1-ep20?format=rss",
        "atom": "https://golpohub.com/episodes/projapotir-rong-s1-ep20?format=atom"
    },
    "seo": {
        "canonical_url": "https://golpohub.com/episodes/projapotir-rong-s1-ep20",
        "title": "প্রজাপতির রং পর্ব ২০ - চুক্তির শেকল ও পরোক্ষ পরোয়ানা | Projapotir Rong Part 20",
        "description": "পড়ুন প্রজাপতির রং পর্ব ২০। তিন মাসের চাকরির বাধ্যবাধকতা এবং রোশানের কাছে নোভা ও নাভানের প্রাণনাশের নতুন হুমকি।",
        "keywords": "প্রজাপতির রং পর্ব ২০, প্রজাপতির রং ২০, projapotir rong porbo 20, projapotir rong part 20, নোভা, ইভা, রোশান, তমাল, হুমকি",
        "image_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-chapter-2806-65a8fc.webp",
        "schema": {
            "@context": "https://schema.org",
            "@graph": [
                {
                    "@type": "Chapter",
                    "name": "চুক্তির শেকল ও পরোক্ষ পরোয়ানা",
                    "position": 20,
                    "description": "চাকরি ছাড়ার নোটিশ দিতে গিয়ে তিন মাসের বাধ্যতামূলক চুক্তির জালে আটকে পড়ে নোভা, আর এনাজও হঠাৎ দেশ ছেড়ে পাড়ি জমায় দূর পরবাসে। এর মাঝেই রোশানের ফোনে ভেসে আসে সেই ঘাতকের নারকীয় আল্টিমেটাম—নায়িকা আর তার সন্তানকে লাশ বানানোর খেলা কি শুরু হয়ে গেল?",
                    "url": "https://golpohub.com/episodes/projapotir-rong-s1-ep20",
                    "inLanguage": "bn",
                    "timeRequired": "PT11M",
                    "datePublished": "2026-09-17T19:05:06+00:00",
                    "dateModified": "2026-09-17T19:10:57+00:00",
                    "wordCount": 1698,
                    "image": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-chapter-2806-65a8fc.webp",
                    "accessibilityFeature": [
                        "readingOrder",
                        "structuralNavigation",
                        "displayTransformability",
                        "uncontracted"
                    ],
                    "accessibilityControl": [
                        "fullKeyboardControl",
                        "fullTouchControl"
                    ],
                    "accessibilityHazard": [
                        "none"
                    ],
                    "potentialAction": {
                        "@type": "ReadAction",
                        "target": "https://golpohub.com/episodes/projapotir-rong-s1-ep20"
                    },
                    "isPartOf": {
                        "@type": [
                            "BookSeries",
                            "CreativeWorkSeries"
                        ],
                        "name": "প্রজাপতির রং",
                        "url": "https://golpohub.com/series/projapotir-rong"
                    },
                    "author": {
                        "@type": "Person",
                        "name": "নোভা ইসলাম",
                        "url": "https://golpohub.com/authors/nova-islam"
                    }
                },
                {
                    "@type": "BreadcrumbList",
                    "itemListElement": [
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 1,
                            "name": "Golpo Hub",
                            "item": "https://golpohub.com"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 2,
                            "name": "সিরিজসমূহ",
                            "item": "https://golpohub.com/series"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 3,
                            "name": "প্রজাপতির রং",
                            "item": "https://golpohub.com/series/projapotir-rong"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 4,
                            "name": "চুক্তির শেকল ও পরোক্ষ পরোয়ানা",
                            "item": "https://golpohub.com/episodes/projapotir-rong-s1-ep20"
                        }
                    ]
                }
            ]
        }
    },
    "filters": [],
    "data": {
        "id": 2806,
        "ep_number": 20,
        "title": "চুক্তির শেকল ও পরোক্ষ পরোয়ানা",
        "slug": "projapotir-rong-s1-ep20",
        "url": "https://golpohub.com/episodes/projapotir-rong-s1-ep20",
        "reading_time": 11,
        "thumbnail_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-chapter-2806-65a8fc.webp",
        "yt_video_id": null,
        "yt_video_url": null,
        "timestamps": {
            "published_at": "2026-09-17T19:05:06+00:00",
            "updated_at": "2026-09-17T19:10:57+00:00"
        },
        "meta": {
            "word_count": 1698,
            "seo_title": "প্রজাপতির রং পর্ব ২০ - চুক্তির শেকল ও পরোক্ষ পরোয়ানা | Projapotir Rong Part 20",
            "seo_description": "পড়ুন প্রজাপতির রং পর্ব ২০। তিন মাসের চাকরির বাধ্যবাধকতা এবং রোশানের কাছে নোভা ও নাভানের প্রাণনাশের নতুন হুমকি।",
            "keywords": "প্রজাপতির রং পর্ব ২০, প্রজাপতির রং ২০, projapotir rong porbo 20, projapotir rong part 20, নোভা, ইভা, রোশান, তমাল, হুমকি",
            "characters_involved": [
                "নোভা",
                "ইভা",
                "নাভান",
                "রোশান",
                "তমাল"
            ]
        },
        "content": "পূর্ব দিগন্তে রক্তিম আভা দেখা যাচ্ছে। কিছু সময় পর সূর্য তার রশ্মি ভুবনে ছড়িয়ে দিবে।অন্ধকার তখন লেজ গুটিয়ে পালাবে।চাইলেও সে তার অস্বস্তি গেড়ে বসে থাকতে পারবে না।সূর্যের আলোক রশ্মির কাছে তাকে হার মেনে নিতে হবে। সবকিছুর কত সুন্দর একটা নিজস্ব নিয়ম আছে। চাইলেও কেউ তার নির্দিষ্ট সময় অতিক্রম করতে পারবে না।\n\nবারান্দায় নাভানকে কোলে নিয়ে পূর্ব দিগন্তে তাকিয়ে আছি। ডিমের কুসুমের মতো সূর্যটাকে ইচ্ছে করছে চিমটি দিয়ে ফাটিয়ে ফেলতে।নিজের এই অদ্ভুত ইচ্ছের কথা ভেবে নিজেই একদফা হাসলাম।নাভান গলা জড়িয়ে কাঁধে মাথা দিয়ে রেখেছে। চুপচাপ আছে। যেকোনো সময় আবার ঘুমিয়ে যেতে পারে। চোখ দুটোও আজকাল বৈঈমান হয়ে গেছে। পানি পরতে চায় না। এর মধ্যে এক সপ্তাহ কেটে গেছে। তাজের সাথে আমার আর কোন কথা হয়নি।হবে কি করে? ও নাকি ব্যবসায়ের কাজে ইংল্যান্ডে গেছে। আমি ভেবেছিলাম চাকরিটা আর করবো না। তাই পরেরদিন চাকরী ছেড়ে দিতে চেয়েছিলাম।কিন্তু জয়েনিং লেটারের শেষ একটা লাইন দেখে ভীষণ রাগ উঠে গিয়েছিল। সেখানে স্পষ্ট লেখা ছিলো আমি জয়েন করার পর তিন মাসের মধ্যে চাকরীটা ছাড়তে পারবো না। আমি প্রথমে এই লেখাটা খেয়াল করিনি। নিজের চুল নিজেরী ছিঁড়তে ইচ্ছে করছিলো তখন।মোবাইলের রিংটোনে হুশ ফিরলো। নাভানও ততক্ষণে মাথা তুলে ফেলেছে। আজ আমার কোন শো নেই। নাভানকে কোলে নিয়ে মোবাইলটা নিয়ে আবার বারান্দায় ফিরে এলাম।মোবাইল হাতে নিয়ে দেখি স্ক্রিনে আমার ছোট বোন ইভার নাম।কপাল কুঁচকে গেলো।বাসার কারো কোন ক্ষতি হয়নি তো আবার।দুরুদুরু বুকে কলটা রিসিভ করলাম।\n\nইভাঃ হ্যালো বোইনে।কেমন আছো?\n\nআমিঃ আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।তোরা সবাই কেমন আছিস? বাসার সবকিছু ঠিক আছে তো?এত সকালে কল করলি যে।\n\nইভাঃ আলহামদুলিল্লাহ সবাই ঠিক আছে। এমনি তোমার সাথে কথা বলতে মন চাইলো তাই কল করলাম।\n\nআমিঃ আমার সাথে কারো আবার কথা বলতেও মন চায়।(তাচ্ছিল্যের সুরে)\n\nইভাঃ এভাবে বলতাছো কেন?\n\nআমিঃ তাহলে কিভাবে বলবো?\n\nইভাঃ নাভান কই? ওর কাছে একটু দেও না আমি কথা বলি। ও কেমন আছে?অনেক বড় হয়ে গেছে তাই না।\n\nআমিঃ আমার কোলেই আছে।(নাভানের দিকে তাকিয়ে) নাভান, মণির সাথে কথা বলবে?তোমার মণি তোমার সাথে কথা বলছে বলবে।\n\nনাভানঃ না।\n\nআমিঃ একটু কথা বলো।\n\nনাভানঃ না কতা(কথা) বলুম না।\n\nইভাঃ ওর কাছে দেও না।\n\nআমিঃ ও কথা বলবে না। ঘুম হয় নাই তাই মনমর্জি করছে।মন ভালো থাকলে বলতো।\n\nইভাঃ ওহ্।\n\nআমিঃ মন খারাপ করিস না।বিকালে আমি কল দিয়ে ওর সাথে কথা বলিয়ে দিবোনি।আব্বু-আম্মু কেমন আছে রে?\n\nইভাঃ তোমার জন্য আম্মু অনেক কান্না করে বোইনে।তুমি একবার নাভানকে নিয়ে আইসো প্লিজ। ওরে অনেক দেখতে ইচ্ছে করছে। আমি ভিডিও কল দেই।\n\nআমিঃ কারেন্ট নেই। যার কারণে ওয়াইফাই নেই। আমি এক্সট্রা এমবি ভরি না।তাই সরি রে বোন।\n\nইভাঃ এর মধ্যে একবার আসো না। তুমি আসলে আম্মু-আব্বুর মনও ভালো হয়ে যাবে।নাভানরে দেখলে সবকিছু ভুলে যাবে।প্রায় তোমার আর নাভানের খবর তায়াং ভাইয়ার থেকে নেয়।আমার তো সেমিস্টার চলছে।নিশ্বাস নেওয়ার সময় পাই না।যার কারণে মোবাইল ধরা হয় না।কিন্তু তোমারে অনেক মিস করি বোইনে।তুমি আসো না প্লিজ!!!\n\nআমিঃ তুই তো আসতে মানা করলি।আসবো কি করে?(দুষ্টমীর সুরে)\n\nইভাঃ তুমি মজা করতাছো😤।কবে আসবা বলো জলদী।আমাদের তো ভুলেই গেছো।তাই এখন আর খোঁজ খবর নেও না।তুমি অনেক বদলে গেছো বোইনে।আমার কথাও মনে করো না। আব্বু না হয় রাগ করে বলছে যে তোমার সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নেই। তাই বলে কি তুমি তা ধরে বসে থাকবা।আব্বু-আম্মু তো কতকিছুই বলে।তা মনে কইরা কি তাদের ওপর রাগ করে থাকাটা কি ঠিক?\n\nআমিঃ তুই অনেক বড় হয়ে গেছিস ইভা।বড় বোনকে ঠিক, ভুল শিখাচ্ছিস।পরীক্ষা শেষ হলে সময় করে একদিন আমার কাছে আসে কয়েকদিন বেড়িয়ে যাস।তোর জন্য আমার বাসার দরজা সবসময় খোলা।\n\nইভাঃ কথা পাল্টে ফেললা।\n\nআমিঃ আমার কারো ওপর রাগ নেই রে পুচকি।আমি শুধু নিজের ওপর রাগ করি।আম্মু,আব্বু কি করে?\n\nইভাঃ আব্বু এখনো ফজরের নামাজ পরে বাসায় আসে নাই।আম্মু নামাজ পরে একটু শুইছে।\n\nহঠাৎ করে দুজনের মধ্যে একটা পিনপিনে নীরবতা বয়ে গেলো।আমি একটা দীর্ঘ শ্বাস ছেড়ে আকাশের দিকে তাকালাম।সব অন্ধকার পারি দিয়ে আলোকিত হচ্ছে পৃথিবী।আচ্ছা, আমার জীবনের অন্ধকার যদি এভাবেই নিঃশেষ হয়ে যেতো তাহলে কি খুব বেশি অপরাধ হয়ে যেতো।অপরপাশ থেকে ইভার ফোঁপানোর আওয়াজ আসছে।নিশ্চয়ই পাগলীটা কাঁদছে। একটু বেশি ভালোবাসে আমায়।\n\nআমিঃ তুই কেন আমার এতো ভালোবাসিস বলতো? আমি তো এগুলোর যোগ্য নই।\n\nঅপরপাশ থেকে ইভার কোন আওয়াজ আসলো না।ও এখনো নাক টেনে কাঁদছে। ওর কান্নার শব্দ আমার হৃৎপিণ্ডটাকে ক্ষত-বিক্ষত করে দিলেও আমি ঠায় দাঁড়িয়ে আছি। মনের প্রভাব নাকি মুখ দেখলে বোঝা যায়। কিন্তু কেউ এখন আমার মুখ দেখলে কিছুতেই মনের অবস্থা ঠাওর করতে পারবে না। নাভান হয়তো ঘুমিয়ে পরেছে। কারণ ওর হাতের বাঁধন আলগা হয়ে গেছে। ইভার সাথে আরো কিছু টুকটাক কথা বলে রেখে দিলাম।নাভানকে রুমে এসে শুইয়ে দিলাম। কি নিষ্পাপ মুখটা।এর দিকে তাকিয়ে সারাজীবন পাড় করতে পারবো আমি।আর কাউকে প্রয়োজন নেই আমার।কপালে আলতো করে ঠোঁট ছুঁয়ে, মাথায় হাত বুলিয়ে দিলাম।বেড থেকে উঠে রওনা দিলাম কিচেনের দিকে। সকালের রান্না চড়াতে হবে তো।\n\n🦋🦋🦋\n\nব্যস্ত শহরের ব্যস্ত মানুষগুলো ছুটে যাচ্ছে তাদের কাজের পানে।কারো দিকে নজর দেওয়ার সময় কারো নেই। যে যার যার মতো নিজস্ব গতিতে ছুটছে।এই ব্যস্ত শহরে দেখা মিলে হাজার রকমের মানুষের। কারো সাথে হয়তোবা ঘুরো ফিরে দেখা হয়।কারো সাথে দেখা হয় না।তারপরেও ছুটে চলার গতিতে কত রকম মানুষের দেখা যে মিলে তা গুণে শেষ করা যাবে না।চারিদিকে কত ঝামেলা,কোলহল,বিরক্তিকর সবকিছু।কখনও কখনও এই কোলহলে বিরক্ত হয়ে যায় মানুষ। তারপরেও কেউ থেমে থাকে না।\n\nদোতলা বিশিষ্ট এক ডুপ্লেক্স বাড়িতে একাই থাকে রোশান।তার পুরো পরিবার গ্রামে থাকে।বাসায় কয়েকজন সার্ভেন্ট ছাড়া কারো দেখা নেই। রোশানের সাথে বেশিরভাগ সময় ওর সেক্রেটারি তমালকে দেখা যায়।কতগুলো ফাইল ছড়িয়ে ছিটিয়ে তার মাঝখানে ল্যাপটপ নিয়ে কাজ করছে রোশান।দুপুর একটার দিকে আবার মন্ত্রীদের সাথে মিটিং আছে।ওর গ্রামের উন্নয়নের জন্য কতগুলো রাস্তা, ব্রীজের অনুমোদন লাগবে।সেগুলোই সুন্দর করে প্রেজেন্টেশন করছে।পাশে থাকা গরম কফির মগ থেকে ধোঁয়া উঠে বাতাসে মিলে যাচ্ছে। সেদিকে রোশানের খেয়াল নেই। সে এক ধ্যানে নিজের কাজে ব্যস্ত।বাইরের রাস্তায় দূর থেকে সবজিওয়ালা একঘেয়ে সুরে ডাক শোনা যাচ্ছে, “ঐ সবজি,ঐ সবজি”বলে। রিকশার টুংটাং শব্দও কানে এসে বারি খাচ্ছে। ওর বাসাটা মেইন রোডের থেকে কিছুটা দূরে হওয়ায় প্রতিদিন এসব শোনা যায়। রোশান যদিও বাইরে বেশি সময় থাকে।তবুও যেদিন বাসায় থাকে সেদিন পুরো বিরক্ত হয়ে যায়। এতো কোলাহল তার ভালো লাগে না।\n\nতমালঃ বস, ডেকেছিলেন?\n\nরোশান ল্যাপটপ থেকে চোখ না সরিয়েই উত্তর দিলো।\n\nরোশানঃ হুম।\n\nতমালঃ কোন দরকার?\n\nরোশানঃ দরকার ছাড়া কি তোমাকে ডাকতে পারি না?\n\nতমালঃ না বস,তেমন কথা নয়।\n\nরোশানঃ কফি ঠান্ডা হয়ে গেছে। নতুন করে বানিয়ে নিয়ে এসো।\n\nতমাল চোখ,মুখ কুঁচকে ফেললো। ও স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছে কফির মগ থেকে এখনো ধোঁয়া উঠছে।আর তার বস বলছে কফি ঠান্ডা হয়ে গেছে। এগুলো কি মানা যায়। তমাল কিছু সময় হাসফাস করে মৃদুস্বরে বললো।\n\nতমালঃ বস, কফি তো এখনো ঠান্ডা হয়নি।দেখুন ধোঁয়া উঠছে।\n\nরোশান ল্যাপটপ থেকে চোখ উঠিয়ে তমালের দিকে দৃষ্টি দিলো।রোশানের চাহনীটা শান্ত হলেও তমাল তাতে ভয় পেয়ে গেল।ছেলেটার রাগের বিষয়ে তার ভালো আইডিয়া আছে।\n\nরোশানঃ আমি তোমাকে কিছু বলেছি।\n\nতমালঃ জ্বি বস।\n\nতমাল মুখ কালো করে কফির মগ নিয়ে বেরিয়ে গেলো। তমাল বের হতেই রোশান মিটমিট করে হাসতে লাগলো।মাঝে মাঝে কারণ ছাড়াই কারো সাথে রাগ দেখিয়ে ভয় পাওয়াতে ওর ভীষণ ভালো লাগে। তমাল কফির মগ দিয়ে বেশি সময় রইলো না। রোশানের মতিগতি বোঝা দুষ্কর। কখন আবার বলে বসে এটাও ঠান্ডা হয়ে গেছে নিয়ে আসতে আসতে।তাই কফির মগ রেখে দ্রুত কেটে পরলো।সেই বিষয়টা বুঝতে পেরে রোশান আরেক দফা হাসলো।তবে একটা ফোন কল এসে ওর হাসিটাকে স্থায়ী হতে দিলো না।এক হাতে ল্যাপটপে টাইপ করতে করতে আরেকহাতে কল ধরলো সে।চোখ দুটো ল্যাপটপের স্কিনে থাকায় কে কল করেছে তা আর দেখতে পেলো না।\n\nরোশানঃ আসসালামু আলাইকুম। কে বলছেন?\n\n—- অলাইকুমুস সালাম।কি খবর এমপি সাহেব?\n\nরোশানঃ কে বলছেন?\n\n—- এত তাড়াতাড়ি ভুলে গেলেন? প্রতিবার কি আমায় সবকিছু মনে করিয়ে দিতে হবে?\n\nরোশানঃ সরি, আমি চিনতে পারছি না।\n\n—- আমি আপনার শুভাকাঙ্ক্ষী। আমাকে না চিনলেও চলবে আপনার।আপনিও তো আমার সাথে স্বার্থপরের মতো ব্যবহার করলেন।\n\nরোশানের লোকটাকে চিনতে একটু দেরী হলেও সে অবশেষে চিনতে পারলো।এটাই তো সে লোক যে রোশানকে বলেছিলো তায়াং কে মেরে ফেলতে।এতদিন কাজের চাপে সে এই বিষয়গুলো মাথা থেকে পুরো দমে ঝেড়ে ফেলেছিলো।কিন্তু এখন কি করবে?\n\nরোশানঃ চিনতে পেরেছি।কি বলবেন বলুন?\n\n—— আপনাকে একটা কাজ দিয়েছিলাম।কিন্তু আপনি তা করেন নি।এর জন্য আপনার কি জরিমানা করতে পারি বলুন তো?\n\nরোশানঃ আমি কাজটা করতে পারবো না। যে আমার কোন ক্ষতি করেনি তার কোন ক্ষতি আমি করবো না। আপনি আমার যতবড় উপকার কিংবা সর্বনাশই করুন।এর বিনিময়ে আপনি যত টাকা জরিমানা চান তা নিতে পারেন।\n\nরোশানের কথা শুনে অপরপাশের মানুষটা হো হো করে হেসে উঠলো। এমন একটা পরিস্থিতি যেনো রোশান কত মজার এক জোকস বলেছে।তার হাসির কারণে রোশান কিঞ্চিত চটে গেল রোশান। তবে তা প্রকাশ করলো না।\n\nরোশানঃ আশ্চর্য, হাসছেন কেন!!! আপনাকে জরিমানা কত দিতে হবে বলুন।আমি পাঠিয়ে দিবো।\n\n—- টাকা দিয়ে আমায় কিনতে চাইছেন।আমাকে কেনার মতো টাকা আপনার নেই এমপি সাহেব। বরং আমি আপনার মতো হাজারটা রোশান দেওয়ানকে কিনে আবার বিক্রি করে দিতে পারবো।\n\nরোশানঃ তাহলে আপনি কি চান?\n\n—- জরিমানা হিসেবে আপনার পাখি ও পাখির বাচ্চাকেই না হয় দিয়ে দিন আমাকে।আমি এদের খাঁচায় বন্দী করে রাখবো।\n\nরোশানের পিলে চমকে উঠলো। কি বলে লোকটা? জরিমানা হিসেবে নোভা আর নাভানকে কেন চাইছে? সে যে তার দূর্বলতার সুযোগ নিচ্ছে। সেটা বুঝতে পেরে কি রোশান চুপ করে থাকবে।নাকি প্রতিবাদ করবে?তাও বুঝতে পারছে না।\n\nরোশানঃ ওদের দিকে নজর দিবেন না।আপনার টাকা লাগলে বলুন আমি পাঠিয়ে দিচ্ছি।\n\n—- ওদের থেকে নজর আমার বহু আগের থেকে এমপি সাহেব। কথায় কথায় টাকার পাওয়ার দেখাবেন না আমায়।আপনি তো তায়াং-এর কোন ক্ষতি করবেন না।তাহলে আমার আর কি করার। আপনার পাখি আর পাখির বাচ্চাকেই শেষ করে দেই বরং।এরা দুজন শেষ হলেই সব ভেজাল শেষ। তৈরি হয়ে থেকেন তাদের লাশ হাতে পাওয়ার জন্য। আমি যেভাবে গুটি সাজিয়েছি তাতে সবাইকে ধরা দিতেই হবে।আর আমি আড়ালে বসে ছক্কা মারবো।আল্লাহ হাফেজ এমপি সাহেব। আপনাকে খবরগুলো জানানোর ছিলো তাই কল করেছিলাম।আর কোন দরকার নেই আমার।আপনি যদি তায়াং কে মেরে ফেলতেন তাহলে ওদের কোন সমস্যাই হতো না। কিন্তু আপনি তো তা করবেন না।তাই বাকি ব্যবস্থা আমিই করি। কি বলেন এমপি সাহেব?\n\nরোশানঃ আপনি এমনটা………….. হ্যালো, হ্যালো। কলটা কেটে দিলো।\n\nকল ব্যাক করেও লাভ হলো না। ততক্ষণে সিম বন্ধ করে ফেলেছে। বারবার অপরপাশ থেকে সুরেলা কন্ঠেট মহিলাটা বলে যাচ্ছে “এই মুহুর্তে সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। একটু পর আবার ডায়েল করুন।” রোশান রাগে নিজের চুল মুঠ করে ধরে মোবাইলটাকে ফ্লোরে আছাড় মেরে কয়েক টুকরো করে ফেললো।তারপরেও রাগ কমেনি তার।এখন যদি ঐ লোকটাকে হাতের সামনে পেতো তাহলে খুন করে জেলে যেতেও ওর কোন সমস্যা নেই। ওর পাখির দিকে নজর দিয়েছে।এত সহজে কি সে ছেড়ে দিবে?মোটেও না।চোখ তুলে মার্বেল খেলবে সে।তবে এর জন্য তো ঐ লোকটাকে খুঁজে বের করতে হবে তার।\nকিন্তু কিভাবে????\n\nঅনেকে এখনো নায়ক নিয়ে কনফিউশানে আছেন।নায়ক কে রোশান নাকি তাজ?তাদের কে বলতে চাই নায়ক হলো তাজ ওরফে এনাজ।রোশানকে আমি ভিলেন চরিত্রে রাখতে চেয়েছিলাম।কিন্তু ওকে আমি খারাপ চরিত্রে দিতেই পারছি না। ও কি ভিলেন নাকি সাইড নায়ক তা আমি সিউর বলতে পারছি না।কারণ ওকে আমি ভিলেনেও দিতে পারি,আবার সাইড নায়কেও দিতে পারি। যত চাইতেছি গল্পটাকে শর্টকাটে শেষ করে দিতে।আমার মনে হচ্ছে ততই যেনো বড় হয়ে যাচ্ছে😵। মাথার মধ্যে নতুন গল্পের থিম গুতাগুতি শুরু করে দিছে।এর মধ্যে এই গল্পও শেষ হওয়ার নাম নেয় না।আরো বহু বড় হবে মনে হয়। এটা বোধহয় এবার উপন্যাসও হতে পারে।",
        "series": {
            "id": 76,
            "title": "প্রজাপতির রং",
            "slug": "projapotir-rong",
            "url": "https://golpohub.com/series/projapotir-rong",
            "thumbnail_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/series-prjaptir-rng-76-4967c3.webp",
            "progress_status": "completed"
        },
        "author": {
            "id": 57,
            "name": "নোভা ইসলাম",
            "slug": "nova-islam",
            "url": "https://golpohub.com/authors/nova-islam",
            "avatar_url": "https://cdn.golpohub.com/avatars/author-nova-57-49c18b.webp",
            "bio": "নোভা বাংলা অনলাইন সাহিত্যের এক অনন্য ও সংবেদনশীল কথাসাহিত্যিক। মানবিক সম্পর্কের জটিল সমীকরণ, পারিবারিক টানাপোড়েন এবং রহস্য-রোমাঞ্চের আবহে ভালোবাসার চিরন্তন রূপ উন্মোচনে তিনি সিদ্ধহস্ত। তাঁর সাবলীল ও দৃশ্যমান লেখনী পাঠকদের শুরু থেকে শেষ অবধি তীব্র কৌতূহল ও আবেগের দোলাচলে আচ্ছন্ন করে রাখে।",
            "series_count": 0,
            "meta": {
                "bio": "নোভা বাংলা অনলাইন সাহিত্যের এক অনন্য ও সংবেদনশীল কথাসাহিত্যিক। মানবিক সম্পর্কের জটিল সমীকরণ, পারিবারিক টানাপোড়েন এবং রহস্য-রোমাঞ্চের আবহে ভালোবাসার চিরন্তন রূপ উন্মোচনে তিনি সিদ্ধহস্ত। তাঁর সাবলীল ও দৃশ্যমান লেখনী পাঠকদের শুরু থেকে শেষ অবধি তীব্র কৌতূহল ও আবেগের দোলাচলে আচ্ছন্ন করে রাখে।",
                "pen_name": "নোভা",
                "aliases": [
                    "Nova",
                    "লেখিকা নোভা",
                    "নোভা ইসলাম"
                ]
            },
            "timestamps": {
                "created_at": null,
                "updated_at": null
            }
        },
        "navigation": {
            "previous_episode": {
                "id": 2805,
                "ep_number": 19,
                "title": "ঈর্ষার আগুন ও পাহাড়সম অভিমান",
                "slug": "projapotir-rong-s1-ep19",
                "url": "https://golpohub.com/episodes/projapotir-rong-s1-ep19",
                "thumbnail_url": "https://golpohub.com/assets/images/og.jpg"
            },
            "next_episode": {
                "id": 2807,
                "ep_number": 21,
                "title": "আলিঙ্গনের দৃশ্য ও ভাঙা বিশ্বাস",
                "slug": "projapotir-rong-s1-ep21",
                "url": "https://golpohub.com/episodes/projapotir-rong-s1-ep21",
                "thumbnail_url": "https://golpohub.com/assets/images/og.jpg"
            }
        }
    }
}