{
    "_links": {
        "html": "https://golpohub.com/episodes/projapotir-rong-s1-ep38",
        "json": "https://golpohub.com/episodes/projapotir-rong-s1-ep38?format=json",
        "markdown": "https://golpohub.com/episodes/projapotir-rong-s1-ep38?format=md",
        "rss": "https://golpohub.com/episodes/projapotir-rong-s1-ep38?format=rss",
        "atom": "https://golpohub.com/episodes/projapotir-rong-s1-ep38?format=atom"
    },
    "seo": {
        "canonical_url": "https://golpohub.com/episodes/projapotir-rong-s1-ep38",
        "title": "প্রজাপতির রং পর্ব ৩৮ - সফলতার উৎসব ও তীব্র অধিকারবোধ | Projapotir Rong Part 38",
        "description": "পড়ুন প্রজাপতির রং পর্ব ৩৮। কোম্পানির পার্টিতে রোশানের উপস্থিতি এবং এনাজের তীব্র ঈর্ষা ও হাত ধোয়ানোর চরম পজেসিভ মুহূর্ত।",
        "keywords": "প্রজাপতির রং পর্ব ৩৮, প্রজাপতির রং ৩৮, projapotir rong porbo 38, projapotir rong part 38, পার্টি, রোশান, জারা, এনাজ, ঈর্ষা",
        "image_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-chapter-2824-8e69fa.webp",
        "schema": {
            "@context": "https://schema.org",
            "@graph": [
                {
                    "@type": "Chapter",
                    "name": "সফলতার উৎসব ও তীব্র অধিকারবোধ",
                    "position": 38,
                    "description": "পার্টির আলোর ঝলকানিতে রোশানের সাথে জারার উপস্থিতি যখন সব অস্বস্তির অবসান ঘটায়, তখনই নোভার হাতে রোশানের অপ্রত্যাশিত চুম্বন ডেকে আনে এক মহা বিপদ। এনাজের রক্তচক্ষুর সামনে বেসিনে নিয়ে গিয়ে দশ মিনিট ধরে হাত ধোয়ার এই উগ্র ভালোবাসার মাঝেই দরজায় কে এসে দাঁড়ায়?",
                    "url": "https://golpohub.com/episodes/projapotir-rong-s1-ep38",
                    "inLanguage": "bn",
                    "timeRequired": "PT15M",
                    "datePublished": "2026-09-17T19:05:06+00:00",
                    "dateModified": "2026-09-17T19:10:57+00:00",
                    "wordCount": 2341,
                    "image": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-chapter-2824-8e69fa.webp",
                    "accessibilityFeature": [
                        "readingOrder",
                        "structuralNavigation",
                        "displayTransformability",
                        "uncontracted"
                    ],
                    "accessibilityControl": [
                        "fullKeyboardControl",
                        "fullTouchControl"
                    ],
                    "accessibilityHazard": [
                        "none"
                    ],
                    "potentialAction": {
                        "@type": "ReadAction",
                        "target": "https://golpohub.com/episodes/projapotir-rong-s1-ep38"
                    },
                    "isPartOf": {
                        "@type": [
                            "BookSeries",
                            "CreativeWorkSeries"
                        ],
                        "name": "প্রজাপতির রং",
                        "url": "https://golpohub.com/series/projapotir-rong"
                    },
                    "author": {
                        "@type": "Person",
                        "name": "নোভা ইসলাম",
                        "url": "https://golpohub.com/authors/nova-islam"
                    }
                },
                {
                    "@type": "BreadcrumbList",
                    "itemListElement": [
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 1,
                            "name": "Golpo Hub",
                            "item": "https://golpohub.com"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 2,
                            "name": "সিরিজসমূহ",
                            "item": "https://golpohub.com/series"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 3,
                            "name": "প্রজাপতির রং",
                            "item": "https://golpohub.com/series/projapotir-rong"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 4,
                            "name": "সফলতার উৎসব ও তীব্র অধিকারবোধ",
                            "item": "https://golpohub.com/episodes/projapotir-rong-s1-ep38"
                        }
                    ]
                }
            ]
        }
    },
    "filters": [],
    "data": {
        "id": 2824,
        "ep_number": 38,
        "title": "সফলতার উৎসব ও তীব্র অধিকারবোধ",
        "slug": "projapotir-rong-s1-ep38",
        "url": "https://golpohub.com/episodes/projapotir-rong-s1-ep38",
        "reading_time": 15,
        "thumbnail_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-chapter-2824-8e69fa.webp",
        "yt_video_id": null,
        "yt_video_url": null,
        "timestamps": {
            "published_at": "2026-09-17T19:05:06+00:00",
            "updated_at": "2026-09-17T19:10:57+00:00"
        },
        "meta": {
            "word_count": 2341,
            "seo_title": "প্রজাপতির রং পর্ব ৩৮ - সফলতার উৎসব ও তীব্র অধিকারবোধ | Projapotir Rong Part 38",
            "seo_description": "পড়ুন প্রজাপতির রং পর্ব ৩৮। কোম্পানির পার্টিতে রোশানের উপস্থিতি এবং এনাজের তীব্র ঈর্ষা ও হাত ধোয়ানোর চরম পজেসিভ মুহূর্ত।",
            "keywords": "প্রজাপতির রং পর্ব ৩৮, প্রজাপতির রং ৩৮, projapotir rong porbo 38, projapotir rong part 38, পার্টি, রোশান, জারা, এনাজ, ঈর্ষা",
            "characters_involved": [
                "নোভা",
                "এনাজ",
                "নাভান",
                "নূর",
                "তায়াং",
                "রোশান",
                "জারা",
                "আদর"
            ]
        },
        "content": "সারা পার্টির পরিবেশটা একদম নিরব।সাধারণত পার্টির পরিবেশ যেরকম হৈ-হল্লোর থাকা উচিত। সেরকম নয়।একপাশে সফট মিউজিকে বাজছে।তার তালে তালে নাচছে কয়েকজন যুবক-যুবতী। তবে তারা সবাই বিদেশি। আরেকপাশে ড্রিংকসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেগুলোও বিদেশি ক্লায়েন্টদের জন্য। নাভান ওর বাবার হাত ধরে এদিক সেদিক ঘুরছে।আজ আমরা ফুল ফ্যামেলী কালো পরেছি।এনাজ কালো ব্লেজার,কালো প্যান্ট। নাভান কালো শর্ট প্যান্ট, কালো শার্ট সাথে কালো কোটি।আমার পরনে কালো গাউন।চুলগুলো ছেড়ে পেছন দিকে রেখেছি।ওড়নাটা গলায় প্যাচানো।আমি অসহায়ের মতো এদিক সেদিক তাকাচ্ছি। এরিনকে সবার সাথে পরিচয় করে দিচ্ছে আরিয়ান।হিমি এসেছে ওর বয়ফ্রেন্ড রাজের সাথে। রাজ ও হিমিকে একটু আগে এদিকে দেখেছিলাম। কিন্তু এখন আর খুঁজে পাচ্ছি না। মুসকান কিসের জন্য যেনো রাগ করেছে। আদর সেই রাগ ভাঙাতে ব্যস্ত আছে।তায়াং ভাইয়া এখনো আসেনি।সে কল করে বললো আমার জন্য নাকি সারপ্রাইজ আছে। কে জানে কি সারপ্রাইজ।সবাই ব্যস্ত শুধু আমি ছাড়া। জুসের গ্লাস হাতে নিয়ে এদিক সেদিক তাকিয়ে সবার কান্ড দেখছি।নিজেকে সিঙ্গেল মানুষ মনে হচ্ছে। হুট করে আমার পিঠে একটা তাল পরলো।আমি চিৎকার করে উঠলাম।\n\nআমিঃ ও আল্লাহ গো!!! আমার পিঠ।\n\n—- চুপ কর ছেমড়ি।চিল্লাইলে আরেকটা খাবি।\n\nকারো শাসানো গলা পেয়ে আমার কপালে চিন্তার ভাজ পরলো।এটা তো নূর আপির গলা।কিন্তু সে এখানে আসবে কি করে? আমি পেছনে ঘুরে অবাক হয়ে গেলাম।আরে সত্যিতো নূর আপি। আমি নূর আপিকে জড়িয়ে ধরলাম।\n\nআমিঃ নূর আপি-ই-ই-ই-ই-ই-ই-ই-ই!!!!\n\nনূরঃ আস্তে বোইন।আমর কান ধরে গেলো।\n\nআমিঃ তুমি এখানে? কার সাথে আসছো?\n\nনূরঃ সারপ্রাইজ!!! তায়াং-এর সাথে আসছি।\n\nআমিঃ ওহ্ তায়াং ভাইয়া তাহলে আমার জন্য এই সারপ্রাইজের কথা বলছে।\n\nআমি নূর আপিকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলাম।সেটা দেখে পেছন থেকে তায়াং ভাইয়া চেচিয়ে বললো।\n\nতায়াংঃ শাঁকচুন্নিরে, আমারে কি তোর চোখে পরে না।\n\nআমিঃ যা ভাগ।তোর সাথে কথা বলে কে?\n\nতায়াংঃ ওহ্ বোনকে পাইয়া আমারে এখন ভুইল্লা গেছিস।আবার আসিস আমার কাছে।চুল টেনে ছিঁড়বো তোর।\n\nআমিঃ নূর আপি দেখো তোমার সামনে আমাকে বকছে।কিছু বলো এই পাঠারে🥺।\n\nনূরঃ তোমার সাহস তো কম বড় না।আমার বোনুটাকে বকতাছে।এতটুকু বকলে কি হয়? আরো বেশি করে বকো।তুমি বকবা আর আমি পিঠে তাল ফেলবো।এতদিন আমাদের সাথে যোগাযোগ না রাখার শাস্তি এটা।ও লাপাত্তা কেন হয়েছিলো? সেই শাস্তিতো এখনো বাকিই আছে।\n\nআমিঃ তোমারা হবু জামাই-বউ এই প্ল্যান করে আসছো?কথা নেই তোমাদের সাথে যাও।নূর আপি তুমি আমার ভাইরে পাইয়া আমার সাথে এমন করলা।যাও কারো সাথে কথা কমু না।আড়ি তোমাদের সাথে।\n\nনূরঃ সর, তোর সাথে কথা নেই আমার।আমাকে তো ভুলেই গেছিস। কে হই আমি তোর? আমি তোর আপন কেউ হলে তো আমার সাথে যোগাযোগ রাখতি।\n\nআমিঃ নূর আপি, প্লিজ রাগ করো না। তুমি আমার একমাত্র খালাতো ভাইয়ের একমাত্র হবু বউ। তুমি যদি আমার সাথে রাগ করে থাকো তাহলে কি বিষয়টা ভালো দেখায়,তুমিই বলো।\n\nতায়াংঃ ওর সাথে কোন কথা বলবে না নূর।এই শাঁকচুন্নি মোটেও ভালো না।চলো আমরা অন্যদিকে চলে যায়।ও কে? ওকে আমরা চিনিই না।\n\nআমিঃ পাঠারে😤!!!!! মাইর না খাইতে চাইলে সামনে থিকা সর কইতাছি।আসছে আমার ও নূর আপির সাথে প্যাচ লাগাইতে।\n\nতায়াংঃ অামার সাথে এমন করলি না।যা থাকমুই না তোর সাথে। এখুনি আমি আমার বউ নিয়া পার্টি থিকা চইলা যামু।\n\nআমিঃ এ্যাহ আসছে।যা ভাগ।তোরে ধইরা রাখছে কে? তুই থাকলে আমাদের আরো ৫ জনের খাবার বেশি লাগবো।তুই তো আবার ৫ জনের খাবার একসাথে শেষ করিস।এর জন্যই তো এমন হইছিস পাঠা।দেহটা দেখছিস তোর? এবার তোরে হাটে উঠাইলে ভালো দামে বেচতে পারতাম।\n\nতায়াংঃ খবরদার পাঠা বলবি না শাঁকচুন্নি। (রেগে)\n\nআমিঃ তাহলে কি বলবো? মাননীয় ব্লাক বেঙ্গল ছাগল মহাদোয়। এবার ঠিক আছে না।\n\nতায়াংঃ তোরে আমি………..😤।(রেগে)\n\nআমিঃ কিচ্ছু করতে পারবি না।তার আগেই আমি কি করবো জানিস?\n\nআমাদের দুই ভাই-বোনের কান্ড দেখে নূর আপি হাসতে হাসতে পেট ধরে বসে পরেছে।আমি দুই হাত কোমড়ে রেখে ঝগড়া করার ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে আছি। তায়াং ভাইয়া লুচির মতো ফুলছে।নূর আপির সামনে তাকে এতকিছু বলায় বেচারার আত্মসম্মানে লেগেছে বোধহয়। তাতে আমার কি,হুহ😏।তায়াং ভাইয়া সামনে এগিয়ে আসতে আসতে বললো।\n\nতায়াংঃ কি করবি তুই?\n\nআমিঃ পেছনের দিকে দৌড় লাগামু।ভাগ নোভা ভাগ।নয়তো তোরে মাননীয় ব্লাক বেঙ্গল ছাগল মহাদোয় গুঁতা মারবে।\n\nআমার কথাটা বলতে দেরী কিন্তু দৌড় দিতে দেরী নয়।আমি উল্টো দিকে দৌড়ে অন্য দিকে চলে এলাম।হাঁটুর ওপর ভর দিয়ে হাঁপাতে লাগলাম।আরেকটু সময় থাকলে আমি নির্ঘাত তায়াং ভাইয়ার হাতে মার খেতাম।বেচারাকে বেশ রাগানো হয়েছে।আরেকটু সময় থাকলে ওর মান-সম্মান ফালুদা বানিয়ে ফেলতাম।কিন্তু তা আর হলো না।আফসোস!!! ভালো করে তায়াং ভাইয়াকে পচাতে পারিনি বলে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আফসোস করছিলাম।তখুনি হুট করে কেউ একজন হাত ধরে টেনে বাইরের দিকে নিয়ে যেতে লাগলো।ঘটনার আকস্মিকতায় আমি হতবাক।\n\nআমিঃ আরে কে আপনি? আমার হাত ধরেছেন কেন? কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন আমাকে? ছাড়ুন বলছি। জলদী ছাড়ুন।নয়তো কামড় দিবো বলে দিলাম।\n\nআমি গাত ছাড়ানোর জন্য মোচড়ামুচড়ি করতে লাগলাম।কিন্তু সে এসবে তোয়াক্কা না করে আমার হাত ধরে টেনে বাইরে নিয়ে যেতে লাগলো।পরনে তার হালকা পেঁয়াজ কালার ব্লেজার, সেই রঙের প্যান্ট।সারা পার্টিতে আবছা আলো জ্বলছে। সেই আলোতে এতটুকুই দেখতে পেরেছি।বাইরের ছোট বাগানের এনে সে আমাকে নিয়ে দাঁড়ালো। আমি ঝাড়া মেরে তার হাত সরিয়ে ফেললাম।\n\n🦋🦋🦋\n\n—– কেমন আছো পাখি?\n\nআমি হাত ঝাড়া মেরে সরাতেই সে কথাটা বলে উঠলো।আমি চোখ, মুখ কুঞ্চিত করে তার দিকে তাকালাম।একি!!! এ তো দেখছি রোশান।ও এখানে কি করছে? ওফস সরি। আমি তো ভুলেই গিয়েছিলাম।আজ এনাজের সকল বিজনেস ডিলারকে এই পার্টিতে আমন্ত্রণ করা হয়েছে। শেয়ার ব্যবসার সুবাদে রোশান তো এখানে থাকবেই। রোশান আলতো করে তার হাতটা আমার গালে রাখলো।আমি তার হাত সরিয়ে দুই কদম পিছিয়ে গেলাম।\n\nআমিঃ দেখুন রোশান, আমি একজনের স্ত্রী। তাই হুটহাট আমার হাত,গাল ধরা আমি নিশ্চয়ই টলারেট করবো না। আমার দুই হাত দূরে থাকুন।কাছে আসার একদম চেষ্টা করবেন না।\n\nথেমে থেমে কথাগুলো বলে আমি ওড়নার কোণা মোচড়াতে লাগলাম।আমার অনেক অস্বস্তিকর লাগছে।কেউ আমাদের একসাথে দেখলে খারাপ ভাবতে পারে।এনাজ দেখলে তো আমার সাথে তুলকালাম কান্ড বাঁধিয়ে ফেলবে।রোশান নিষ্পলক চোখে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আমি কিছুটা দম ছেড়ে আবার বলা শুরু করলাম।\n\nআমিঃ আমার স্বামী, সন্তান আছে। আপনিও বিয়ে করে নিন।তাহলে সব ভুলে যাবেন।আমি চাই না আপনার কারণে আমাদের সংসার নষ্ট হোক।\nআর আমার কারণে আপনি কষ্ট পান।আপনি হয়তো মানুষ হিসেবে কখনো চাইবেন না আপনার কারণে আমার সংসারে অশান্তি হোক।আমার সন্তানটা দুই বছর পর ওর বাবাকে পেয়েছে। প্লিজ ওর কাছ থেকে ওর বাবাকে দূরে সরিয়ে দিয়েন না।কাউকে বিয়ে করে নতুন সংসার গড়ুন।\n\nরোশানঃ বিয়ে করলে তোমাকেই করবো।তুমি না করলে তোমার ছোট বোনকে করবো।\n\nআমিঃ মানে?\n\nকথাটা বলে আমাকে এক চোখ মারলো রোশান।তারপর পাগলের মতো হাসতে লাগলো।আমি এর কান্ডে হতবাক হয়ে তাকিয়ে রইলাম।একি আমার শোকে পাগল হয়ে গেলে নাকি?\n\nরোশানঃ মানে বোঝো নাই।আচ্ছা বুঝিয়ে বলছি।আসলে আমি মজা করছিলাম।তুমি সিরায়াসলি নিয়ো না।হয়েছে কি………\n\n—- রোশান, তুমি এখানে।আর আমি তোমাকে সারা পার্টিতে খুঁজে খুঁজে মরছি।এখানে কি করছো তুমি?\n\nপেঁয়াজ কালার নেটের শাড়ি পরা একটা মেয়ে এসে রোশানকে উদ্দেশ্য করে কথাগুলো বললো।মেয়েটাকে আমি আগে কখনও দেখিনি।আমি চোখ দুটো ছোট ছোট করে তার দিকে তাকালাম।রোশান ওর কোমড় ধরে নিজের সাথে মিশিয়ে নিয়ে তাকে বললো।\n\nরোশানঃ ওহ জারা সুইটহার্ট। তুমি আমায় খুঁজছিলে বুঝি? আমি তো তোমায় মনে মনে মিস করছিলাম।তোমার সাথে একজনের পরিচয় করিয়ে দেই।(আমাকে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে)এই হচ্ছে মিসেস এনাজ আহমেদ।\n\nজারাঃ মিসেস এনাজ আহমেদ???\n\nরোশানঃ চিনতে পারোনি তো।ওর নাম নোভা।\n\nজারা চমকে আমার দিকে ভালো করে তাকালো।তবে ওর চাহনিতে আমি বিরক্ত দেখতে পেলাম।কিন্তু ও আমাকে দেখে বিরক্ত কেন হচ্ছে তা খুঁজে পেলাম না।অস্পষ্ট সুরে বলে উঠলো।\n\nজারাঃ ওহ্ নোভা।\n\nজারা এমন করে আমার নাম নিলো যেনো আমাকে কত আগের থেকে চিনে।কি হচ্ছে আমি কিছুই বুঝতে পারছি না। রোশান আমাকে উদ্দেশ্য করে বললো।\n\nরোশানঃ পাখি, ওর নাম জারা।আমার বাবার বন্ধুর মেয়ে। আমার হবু বউ।\n\nআমিঃ হবু বউ!!!!\n\nআমি কপাল কুঁচকে হবু বউ শব্দটা উচ্চারণ করলাম।রোশান মুচকি হেসে উত্তর দিলো।\n\nরোশানঃ হ্যাঁ, আমার হবু বউ। আমরা খুব শীঘ্রই বিয়ের পিঁড়িতে বসবো।\n\nআমিঃ কথাটা শুনে খুশি হলাম।\n\nহঠাৎ জারার মোবাইলে একটা কল এলো।জারা কথা বলতে অন্য দিকে চলে গেল।আমি মনে মনে বেশ খুশি হয়েছি।যাক, এমপি সাহেবের অবশেষে সুমতি হলো।আমি হাত বাড়িয়ে বললাম।\n\nআমিঃ কংগ্রাচুলেশনস।\n\nরোশানঃ Thank You।\n\nরোশান হাত মিলিয়ে নিলো।তারপর একটা অদ্ভুত কান্ড করে বসলো।হাতের উল্টোপিঠে শব্দ করে একটা চুমু খেলো। আমি তড়িৎ গতিতে হাত সরিয়ে নিলাম।হাত মুছতে লাগলাম।আমি যদি জানতাম রোশান এমন কিছু করবে তাহলে কখনো হাত মেলাতে দিতাম না।এখন নিজের ওপর রাগ হচ্ছে। কেন যে এর সাথে হাত মেলাতে গিয়েছিলাম।আমার কান্ড দেখে রোশান মিটমিট করে হাসছে।\n\nএনাজঃ এখানে কি করছো বাটারফ্লাই?\n\nপেছন থেকে রাগী স্বরে কথাটা বলে উঠলো এনাজ।আমি ভয় পেয়ে গেলাম।এনাজ আবার সবকিছু দেখে ফেলেনি তো।তাহলে তো আরেক ঝামেলা।নিজের চুল নিজেরই ছিঁড়তে ইচ্ছে করছে। এই ব্যাটার সাথে কেন যে আগ বাড়িয়ে হাত মিলাতে গেলাম।\n\nরোশানঃ কিছুই হচ্ছে না।কথা বলছিলাম আমরা দুজন।এখন আপনিও চলে এসেছেন।আপনি চাইলেও যোগ দিতে পারেন।\n\nএনাজঃ ওহ আচ্ছা। শুধু কথাই হচ্ছিলো নাকি অন্য কিছুও।\n\nএনাজ রাগী চোখে আমার দিকে তাকিয়ে৷ দাঁতে দাঁত চেপে কথাগুলো বললো।আমি তো ভয়ে শেষ। এনাজ কাঠ কাঠ গলায় আমাকে বললো।\n\nএনাজঃ ভেতরে চলো।বলেছিলাম না আমার আশেপাশে থাকতে।তুমি কার অনুমতি নিয়ে বাইরে এসেছো।তোমাকে আমি বলেছি বাইরে আসতে? কিংবা তুমি কি আমাকে বলে এসেছো?\n\nআমিঃ না।(মাথা নিচু করে)\n\nএনাজঃ তাহলে কেন এসেছো?( ধমকের সুরে)\n\nরোশানঃ আপনি ওকে শুধু শুধু বকছেন।আমি ওকে নিয়ে এসেছি।\n\nএনাজঃ আপনি চুপ থাকুন।আমি আমার ওয়াইফকে জিজ্ঞেস করছি আপনাকে নয়।\n\nরোশানঃ আপনি ওকে জিজ্ঞেস করছেন।কিন্তু এভাবে জিজ্ঞেস করতে পারেন না।\n\nএনাজ রেগে আমার দিক থেকে রোশনের দিকে ঘুরে কঠিন গলায় জবাব দিলো।\n\nএনাজঃ এখন আমার বউকে আমি কিভাবে জিজ্ঞেস করবো তাও কি আপনাকে বলে করতে হবে আমাকে? আমাদের স্বামী-স্ত্রীর কথার মাঝখানে আপনি কথা বলার কে?\n\nরোশানঃ আমি কেউ না।তবে একটা কথা ভালো করে শুনে রাখুন।আপনি ওকে কখনো কষ্ট দিতে পারবেন না।ওর কথা ভেবে আমি এবারের মতো ছাড় দিলাম।কিন্তু পরেরবার দিবো না।বাই চান্স যদি আপনার কারণে আমার পাখি একটু কষ্টও পায় তাহলে আমি কিন্তু আপনাকে ছেড়ে দিবো না।জোর করে হলেও ওকে আপনার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিবো।একটু ভুলের কারণে নিজের স্ত্রী, সন্তানকে হারিয়েন না।আমি যদি কোনভাবে খবর পাই আমার পাখিকে আপনি কষ্ট দিয়েছেন। তাহলে সত্যি আমি ওকে আপনার কাছ থেকে কেড়ে নিতে দ্বিতীয় বার ভাববো না।সো বি কেয়ারফুল মিস্টার এনাজ।নিজের জিনিস নিজের কাছে যত্ন করতে শিখুন। নয়তো হারিয়ে গেলে আফসোস করবেন।একববার ফিরে পেয়েছেন বলে যে ২য় বার পাবেন এমনটা কিন্তু কোথাও লিখা নেই। আর হ্যাঁ একবার ওকে আমি কেড়ে নিলে ওর কোন খোঁজ আপনি পাবেন না।কথাগুলো ভালো করে মাথায় ঢুকিয়ে নিন।\n\n🦋🦋🦋\n\nইতিমধ্যে জারাও চলে এসেছে। সে মেবি রোশানের কথাগুলো শুনেছে। যার কারণে ওর মুখ কালো হয়ে আছে।এনাজ রাগে ফোঁস ফোঁস করতে লাগলো।আমি ভয় পাচ্ছি। আমার কারণে না ওরা দুজন আবার মারামারি শুরু করে দেয়।কিন্তু আমার ধারণা ভুল করে দিয়ে এনাজ রাগে গটগট করে ভেতরের দিকে যেতে লাগলো।আমিও ওর পিছু পিছু নিলাম।তবে যাওয়ার আগে জারা ও রোশানের কিছু কথা শুনে মনটা ভালো হয়ে গেলো।\n\nজারাঃ তুমি এসব কি বললে? তুমি কি আমাকে বিয়ে করবে না।\n\nরোশানঃ আমি তোমাকেই বিয়ে করবো।\n\nজারাঃ তাহলে এনাজকে এসব কথা বললে কেন?\n\nরোশানঃ তুমি কি করে বুঝলে এটা এনাজ?\n\nজারাঃ নোভাকে নিয়ে এতটা কেয়ারিং তো তোমার ও এনাজেরই আছে। তুমিই তো গত পরশু বললে।তাই ছেলেটার মুখের রিয়েকশন দেখে আমি সিউর হয়ে গেলাম এটা এনাজ ছাড়া অন্য কেউ নয়।\n\nরোশানঃ ওহ আচ্ছা।আমার বউ দেখছি ভেরী ইন্টেলিজেন্ট।\n\nজারাঃ হয়েছে আর প্রশংসা করতে হবে না। এখন বলো এসব কথা কেন বললে?\n\nরোশানঃ আসলে ওকে একটু ভয় দেখালাম। আমি কখনো ওর কাছ থেকে নোভাকে কেড়ে নিবো না। নোভাকে ছাড়া ও পুরো নিঃস্ব। আমার তো বাবা-মা, তুমি আছো।কিন্তু ওর তো নোভা ছাড়া কেউ নেই। নোভাও ওকে ছাড়া ভালো থাকবে না। কিন্তু এখন এই ভয়টা দেখানো দরকার ছিলো।এনাজ এখন থেকে ভেবেচিন্তে নোভার সাথে রাগ দেখাবে।ওর মাথায় সবসময় এটাই ঘুরবে।যদি সে নোভার সাথে খারাপ বিহেভ করে আর তাতে নোভা কষ্ট পায় তাহলে আমি নোভাকে নিয়ে যাবো।এই ভয় পেয়ে ওকে কখনো কষ্ট দিবে না। যদিও এমনিও এই ভয় দেখানোর কোন দরকার ছিলো না। তারপরেও আমি দেখালাম। যাতে সে তার প্রেয়সীকে হারানোর ভয়ে আরো বেশি ভালোবাসে।\n\nজারাঃ এতো বুদ্ধি রাখো কোথায় তুমি?\n\nরোশানঃ এমপি তো আর এমনি এমনি হয়নি ম্যাডাম।বুদ্ধি না থাকলে এই পদে টিকতে পারতাম না। এসব কথা বাদ।সামনের মাসে আমরা বিয়েটা করছি।অনেক কষ্ট দিয়েছি তোমাকে এবার ভালোবাসা দিয়ে সেসব পুষিয়ে দিবো।\n\nরোশানের কথা শুনে জারা লজ্জায় লাল টমেটো হয়ে গেলো।আমি মুচকি হেসে সেখান থেকে প্রস্থান হলাম। ওরা ওদের মতো কথা বলুক।আমি বরং আমার স্বামী মহাদোয়ের রাগ ভাঙাতে যাই।\n\nIn Party………..\n\nএকটা পিচ্চি ছেলেকে নাভান ভেবে কোলে নিতে গিয়েছিলাম।পরে দেখি একটা বিদেশি ছেলে।পরনে নাভানের মতো কালো ড্রেস। পেছন থেকে পুরো নাভানের মতো লাগে।\n\nআমিঃ ওফস সরি বাবু।\n\n—-ইট’স ওকে আন্টি।\n\nআমিঃ হোয়াট ইজ ইউর নেম?\n\n—- মাই নেম ইজ লিয়ন জ্যামস।\n\nআমিঃ নাইস নেম।\n\nলিয়নঃ Thanks.\n\nআমিঃ হোয়ার আর ইউ ফোরাম?\n\nলিয়নঃ ইংলেন্ড।\n\nআমিঃ ইউ আর সো কিউট।\n\nআমি ওর গাল টেনে দিয়ে কথাটা বলতেই দেখি আমার পুত্র মহাশয় অগ্নি চোখে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। যার মানে হলো তুমি ঐ বাচ্চাকে আদর কেন করলে।আদরের হাত ধরে সে আমার পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলো।বাচ্চাটা নাভানকে দেখে এগিয়ে গেলো।তারপর ওর গালে নিজের হাত দুটো রেখে সামনের একটা লোককে উদ্দেশ্য করে বললো।\n\nলিয়নঃ ওয়াও সো কিউট বেবী।থ্যান্কুও ডেডি।হি লুকস সো কিউট।\n\nবাচ্চার কথা শুনে আমি অবাক।বলে কি পিচ্চি ছেলে। নিজের বয়স বড়জোর ৩ বছরের একটু বেশি হবে।সেখানে নাভানকে বেবী বলে।নাভান বাচ্চাটাকে দেখে আমার পেছনে এসে লুকালো।ওয়েস্টার্ন ড্রেস পরা এক মহিলা হাত নাড়িয়ে ডাক দিতেই ওর বাবা লিয়নকে কোলে করে সে দিকে চলে গেল।\n\nআদরঃ ভাবী,স্যার আপনাকে ডাকছে।\n\nআমিঃ তোমার স্যার কোথায়?\n\nআদরঃ উত্তর দিকে গেলেই পাবেন।আপনি যান। নাভানকে নিয়ে আমি একটু পর আসছি।\n\nআদর নাভানকে নিয়ে অন্য দিকে চলে গেলো। আমি উত্তর দিকে যেতেই দেখলাম এনাজ দাঁড়িয়ে কারো সাথে হাসিমুখে কথা বলছে।আমাকে দেখেই তার মুখের হাসি ফুস।রোশান তো আমার ভালো করলো না।উল্টো আমাকে আরেক ফ্যাসাদে ফেলে দিলো।এই মহাশয়ের রাগ ভাঙাতে না জানি কত কাঠ-খড় পোড়াতে হয় আমার।এত রাগ যে আমার জামাই কোথা থেকে আমদানি করে আল্লাহ জানে।এনাজ লোকটাকে বিদায় দিয়ে আমার হাত ধরে ওয়াসরুমের বেসিনের কাছে নিয়ে গেল।তারপর রোশান যেই হাতে ঠোঁট ছুঁয়েছিলো সেই হাত ইচ্ছে মতো হ্যান্ড ওয়াশ দিয়ে ধুতে লাগলো।এই রে কাজ সেরেছে!! সে তাহলে দেখে ফেলেছে রোশান যে আমার হাতে ঠোঁট লাগিয়েছে।এমনভাবে হাত ডলছে মনে হচ্ছে আমার হাতের চামড়া উঠিয়ে ফেলবে।আমি মুখটাকে ইনোসেন্ট করে ভয়ে ভয়ে বললাম।\n\nআমিঃ আরে আস্তে।আমি ব্যাথা পাচ্ছি তো।\n\nএনাজঃ আমার জিনিসে অন্য কারো স্পর্শ আমি কিছুতেই সহ্য করবো না।আগেও করিনি,এখন করবো না। এমনকি ভবিষ্যতেও করবো না।কথাটা ভালো করে মাথায় ঢুকিয়ে নেও। যতখন পর্যন্ত আমার মনে না হবে ঐ রোশানের ঠোঁটের স্পর্শ তোমার হাত থেকে চলে গেছে ততক্ষণ পর্যন্ত তোমার হাত ধুতেই থাকবো।\n\nএনাজের মুখটা রাগে লাল হয়ে গেছে। আমি আর কিছু বললাম না।এমনি আইটেম বোম হয়ে আছে। তারপর আবার কিছু বললে সে বোম ফেটেই যাবে।চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইলাম।পাক্কা দশ মিনিট আমার হাতটাকে ডলে, মুছে,ধুয়ে তারপর শান্ত হলো।আমার হাতটা লাল হয়ে গেছে। সেদিকে তাকিয়ে আমার কান্না পাচ্ছে। টিস্যু দিয়ে হাত মুছিয়ে দিলো।তারপর হাত ধরে টেনে পার্টির জায়গায় নিয়ে গেলো।সেখানকার একটা চেয়ারে বসিয়ে দিলো।\n\nএনাজঃ এখান থেকে এক পাও নড়বা না।যদি আমি এসে তোমাকে না পাই তাহলে কিন্তু অনেক খারাপ হয়ে যাবে। আর ঐ রোশানকে যেনো তোমার আশেপাশে না দেখি।যদি দেখি তাহলে এখানে কিন্তু রক্তারক্তি হয়ে যাবে।\n\nআমাকে বেশ কিছু সময় শাসালো।তারপর অন্য দিকে চলে গেল। আমি মুখটাকে বাংলার পাঁচ বানিয়ে চেয়ারে বসে রইলাম।কিছু সময় পর নাভানকে কোলে নিয়ে ফিরে এলো।সাথে একজন ক্যামেরাম্যান।নাভানকে আমার কোলে বসিয়ে নিজে চেয়ার ধরে দাঁড়ালো। কি হচ্ছে তা বোঝার জন্য আমি একবার এনাজের দিকে তাকিয়ে সামনে ক্যামেরাম্যানের দিকে তাকাতেই সে ফট করে ছবি তুলে ফেললো।বেশ কয়েকটা ছবি তোলার পর ক্যামেরাম্যান চলে গেল। হঠাৎ হলরুমের দরজায় দাঁড়িয়ে একজন বলে উঠলো।\n\n—- মে আই কাম ইন??",
        "series": {
            "id": 76,
            "title": "প্রজাপতির রং",
            "slug": "projapotir-rong",
            "url": "https://golpohub.com/series/projapotir-rong",
            "thumbnail_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/series-prjaptir-rng-76-4967c3.webp",
            "progress_status": "completed"
        },
        "author": {
            "id": 57,
            "name": "নোভা ইসলাম",
            "slug": "nova-islam",
            "url": "https://golpohub.com/authors/nova-islam",
            "avatar_url": "https://cdn.golpohub.com/avatars/author-nova-57-49c18b.webp",
            "bio": "নোভা বাংলা অনলাইন সাহিত্যের এক অনন্য ও সংবেদনশীল কথাসাহিত্যিক। মানবিক সম্পর্কের জটিল সমীকরণ, পারিবারিক টানাপোড়েন এবং রহস্য-রোমাঞ্চের আবহে ভালোবাসার চিরন্তন রূপ উন্মোচনে তিনি সিদ্ধহস্ত। তাঁর সাবলীল ও দৃশ্যমান লেখনী পাঠকদের শুরু থেকে শেষ অবধি তীব্র কৌতূহল ও আবেগের দোলাচলে আচ্ছন্ন করে রাখে।",
            "series_count": 0,
            "meta": {
                "bio": "নোভা বাংলা অনলাইন সাহিত্যের এক অনন্য ও সংবেদনশীল কথাসাহিত্যিক। মানবিক সম্পর্কের জটিল সমীকরণ, পারিবারিক টানাপোড়েন এবং রহস্য-রোমাঞ্চের আবহে ভালোবাসার চিরন্তন রূপ উন্মোচনে তিনি সিদ্ধহস্ত। তাঁর সাবলীল ও দৃশ্যমান লেখনী পাঠকদের শুরু থেকে শেষ অবধি তীব্র কৌতূহল ও আবেগের দোলাচলে আচ্ছন্ন করে রাখে।",
                "pen_name": "নোভা",
                "aliases": [
                    "Nova",
                    "লেখিকা নোভা",
                    "নোভা ইসলাম"
                ]
            },
            "timestamps": {
                "created_at": null,
                "updated_at": null
            }
        },
        "navigation": {
            "previous_episode": {
                "id": 2823,
                "ep_number": 37,
                "title": "শিশিরভেজা সকাল ও পুরোনো প্রেম",
                "slug": "projapotir-rong-s1-ep37",
                "url": "https://golpohub.com/episodes/projapotir-rong-s1-ep37",
                "thumbnail_url": "https://golpohub.com/assets/images/og.jpg"
            },
            "next_episode": {
                "id": 2825,
                "ep_number": 39,
                "title": "ভাইদের মিলন ও চার জুটির বন্ধন",
                "slug": "projapotir-rong-s1-ep39",
                "url": "https://golpohub.com/episodes/projapotir-rong-s1-ep39",
                "thumbnail_url": "https://golpohub.com/assets/images/og.jpg"
            }
        }
    }
}