{
    "_links": {
        "html": "https://golpohub.com/episodes/projapotir-rong-s1-ep41",
        "json": "https://golpohub.com/episodes/projapotir-rong-s1-ep41?format=json",
        "markdown": "https://golpohub.com/episodes/projapotir-rong-s1-ep41?format=md",
        "rss": "https://golpohub.com/episodes/projapotir-rong-s1-ep41?format=rss",
        "atom": "https://golpohub.com/episodes/projapotir-rong-s1-ep41?format=atom"
    },
    "seo": {
        "canonical_url": "https://golpohub.com/episodes/projapotir-rong-s1-ep41",
        "title": "প্রজাপতির রং পর্ব ৪১ - ভালোবাসার শেষ ঠিকানা ও প্রজাপতির রং | Projapotir Rong Part 41",
        "description": "পড়ুন প্রজাপতির রং পর্ব ৪১ (সমাপ্ত পর্ব)। এনাজ ও নোভার পরিপূর্ণ ভালোবাসা, প্রজাপতির দর্শন এবং এক সুখী সমাপ্তি।",
        "keywords": "প্রজাপতির রং পর্ব ৪১, প্রজাপতির রং শেষ পর্ব, প্রজাপতির রং ৪১, projapotir rong porbo 41, projapotir rong last part, এনাজ নোভা শেষ পর্ব, happy ending",
        "image_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-chapter-2827-56c499.webp",
        "schema": {
            "@context": "https://schema.org",
            "@graph": [
                {
                    "@type": "Chapter",
                    "name": "ভালোবাসার শেষ ঠিকানা ও প্রজাপতির রং",
                    "position": 41,
                    "description": "মাঝরাতে স্ত্রীর চুলে বিলি কেটে পরম যত্নে খাবার মুখে তুলে দেয় এনাজ, আর পেটে কান পেতে কথা বলে তার অনাগত কন্যার সাথে। ভালোবাসাকে প্রজাপতির মতো আলতোও নয়, শক্তও নয়—কেবল অগাধ যত্নে আগলে রাখার যে শিক্ষা এনাজ দিয়েছিল, সেই প্রজাপতির রঙে কীভাবে রঙিন হয়ে ওঠে তাদের আজীবনের সুখের ঠিকানা?",
                    "url": "https://golpohub.com/episodes/projapotir-rong-s1-ep41",
                    "inLanguage": "bn",
                    "timeRequired": "PT15M",
                    "datePublished": "2026-09-17T19:05:06+00:00",
                    "dateModified": "2026-09-17T19:10:57+00:00",
                    "wordCount": 2313,
                    "image": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-chapter-2827-56c499.webp",
                    "accessibilityFeature": [
                        "readingOrder",
                        "structuralNavigation",
                        "displayTransformability",
                        "uncontracted"
                    ],
                    "accessibilityControl": [
                        "fullKeyboardControl",
                        "fullTouchControl"
                    ],
                    "accessibilityHazard": [
                        "none"
                    ],
                    "potentialAction": {
                        "@type": "ReadAction",
                        "target": "https://golpohub.com/episodes/projapotir-rong-s1-ep41"
                    },
                    "isPartOf": {
                        "@type": [
                            "BookSeries",
                            "CreativeWorkSeries"
                        ],
                        "name": "প্রজাপতির রং",
                        "url": "https://golpohub.com/series/projapotir-rong"
                    },
                    "author": {
                        "@type": "Person",
                        "name": "নোভা ইসলাম",
                        "url": "https://golpohub.com/authors/nova-islam"
                    }
                },
                {
                    "@type": "BreadcrumbList",
                    "itemListElement": [
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 1,
                            "name": "Golpo Hub",
                            "item": "https://golpohub.com"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 2,
                            "name": "সিরিজসমূহ",
                            "item": "https://golpohub.com/series"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 3,
                            "name": "প্রজাপতির রং",
                            "item": "https://golpohub.com/series/projapotir-rong"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 4,
                            "name": "ভালোবাসার শেষ ঠিকানা ও প্রজাপতির রং",
                            "item": "https://golpohub.com/episodes/projapotir-rong-s1-ep41"
                        }
                    ]
                }
            ]
        }
    },
    "filters": [],
    "data": {
        "id": 2827,
        "ep_number": 41,
        "title": "ভালোবাসার শেষ ঠিকানা ও প্রজাপতির রং",
        "slug": "projapotir-rong-s1-ep41",
        "url": "https://golpohub.com/episodes/projapotir-rong-s1-ep41",
        "reading_time": 15,
        "thumbnail_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-chapter-2827-56c499.webp",
        "yt_video_id": null,
        "yt_video_url": null,
        "timestamps": {
            "published_at": "2026-09-17T19:05:06+00:00",
            "updated_at": "2026-09-17T19:10:57+00:00"
        },
        "meta": {
            "word_count": 2313,
            "seo_title": "প্রজাপতির রং পর্ব ৪১ - ভালোবাসার শেষ ঠিকানা ও প্রজাপতির রং | Projapotir Rong Part 41",
            "seo_description": "পড়ুন প্রজাপতির রং পর্ব ৪১ (সমাপ্ত পর্ব)। এনাজ ও নোভার পরিপূর্ণ ভালোবাসা, প্রজাপতির দর্শন এবং এক সুখী সমাপ্তি।",
            "keywords": "প্রজাপতির রং পর্ব ৪১, প্রজাপতির রং শেষ পর্ব, প্রজাপতির রং ৪১, projapotir rong porbo 41, projapotir rong last part, এনাজ নোভা শেষ পর্ব, happy ending",
            "characters_involved": [
                "নোভা",
                "এনাজ",
                "নাভান"
            ]
        },
        "content": "আমার কথা শুনে সবাই একসাথে বলে উঠলো,,,,\n\n— না মেয়ে চাই!!!\n\nআমি সবার দিকে চোখ বুলিয়ে কিছুটা ঝাঁঝালো কণ্ঠে উত্তর দিলাম।\n\nআমিঃ মেয়ে কি এখন আমি বানিয়ে আনবো?আল্লাহ খুশি হয়ে যা দিবে তাতেই আমি সন্তুষ্ট।\n\nআম্মুঃ আল্লাহ যা দিবে তাতেই খুশি।\n\nআমিঃ তোমাদের জামাই,নাতি তো পুতুল বেবীর জন্য পাগল হয়ে গেছে। জানো আম্মু এনাজ ছেলের মাথাটা খেয়েছে।ওকে পুতুল বেবী চাই বলে উসকানি দিয়েছে।প্রথম যেবার অফিসে বেবীর কথা বললো।সেদিন নাভানের কানে কানে কি জানি বলে ওকে রাজী করে ফেললো।পরে জিজ্ঞেস করে জানি সে নাকি বলেছে যদি আমার কাছে পুতুল বেবী চায় তাহলে নাভানকে অনেকগুলো ট্রয়(খেলনা) কিনে দিবে। সেই খুশিতে আমার ছেলে এই যে শুরু করলো পুতুল বেবী চাই। শেষ অব্দি তার আবদার মানতে আরেকজনকে আনতেই হচ্ছে।\n\nনূরঃ নোভা, তুই বেশি বেশি নামাজ পরে মেয়ে চাইবি।তাহলেই আল্লাহ মেয়ে দিবে।\n\nআমিঃ আমি একা চাইলে হবে না। আপনারাও চাইয়েন।আমার ছেলেকে মেয়ের জামাই বানাতে চাইলে জলদী জলদী মেয়ে নিয়ে আসেন।\n\nআমার কথা শুনে নূর আপি মাথা নিচু করে ফেললো।তায়াং ভাইয়া আপিকে কি জানি চোখের ইশারায় বললো সেটা দেখে নূর আপি তাকে চোখ রাঙালো।এনাজ,এনাম,নিতু,নাভান, নূর আপি,তায়াং মোট কথা সবাই মেয়ে বাবুর জন্য পাগল হয়ে গেছে। এবার আল্লাহ সবার কথা কবুল করলেই হলো।\n\nতায়াংঃ নূর, খেয়ে রেডি হও।আমাদের বের হতে হবে তো।\n\nআমিঃ কোথায় যাবি তুই? এই রাতের বেলা কোথাও যেতে পারবি না। তোর যদি যেতে হয় তাহলে চলে যা।নূর আপি কোথাও যাচ্ছে না।\n\nআব্বুঃ এলেই তো সন্ধ্যার সময়।এখন আবার কোথায় যাবে রাতটা থেকে যাও,তায়াং।এত রাতে যাওয়ার দরকার নেই।\n\nএনাজঃ কোথাও যাচ্ছিস না তোরা।এক পা বাইরে দিয়ে তো দেখ।তোর সাথে আর কোন কথা নাই।\n\nতায়াংঃ কিন্তু এনাজ!!!\n\nআম্মুঃ তোর খালু, জামাই যখন বলেছে থাকতে তাহলে আবার কিসের কথা।কতদিন পর সবাই একসাথে হয়েছি।আবার কবে হবে তার ঠিক আছে।\n\nতায়াং ভাইয়া আর মানা করতে পারলো না।এনায়েতকে খাইয়ে,ঘুম পারিয়ে নীতু চলে এলো।সবশেষে আমি,নীতু ও নূর আপি খেতে বসলাম।আমার খাওয়া মাটিই গেলো।এক পিস মাছ নিয়ে খেতে বসছিলাম তারপর ইতিহাস।গা গুলানো শুরু হয়ে গেলো।বমি বমি লাগতেই না খেয়ে উঠে পরলাম।\n\n🦋🦋🦋\n\nসবাই একদফা গল্প করে ১২ টার দিকে ঘুমাতে গেলো।সবার বিছানা ঠিক করে দিয়ে, খাবার-দাবার গুছিয়ে আমি রুমে ঢুকলাম সাড়ে ১২টার দিকে।নীতু একা কত সমলাবে।অবশ্য আমাকে করতে মানা করেছিলো।কিন্তু আমি জোর করে বাকি কাজগুলো করে নিয়েছি।রুমে ঢুকতেই দেখি এনাজ নাভানকে ঘুম পারিয়ে ফেলেছে। সে নিজেও ল্যাপটপে কাজ করতে করতে ঝিমাচ্ছে। আমার আসার শব্দ পেয়ে ফট করে চোখ খুলে আমার দিকে তাকালো।\n\nআমিঃ কি ব্যাপার ঘুমাচ্ছো না কেন?\n\nএনাজঃ তোমার আসার সময় হলো?\n\nআমিঃ রান্নাঘরের কাজ সেরে ফিরলাম।\n\nএনাজঃ তুমি বসো আমি আসছি।\n\nআমিঃ কোথায় যাচ্ছো? সবাই তো শুয়ে পরেছে।আগামীকাল অফিসে যাবে তো তুমি। এবার ঘুমাও।আমার মাথা ঘুরাচ্ছে। একটু তেল দিলে বোধহয় ভালো লাগতো।\n\nএনাজঃ কে বলেছিলো কাজ করতে যেতে?\n\nআমিঃ কিরকম কথা বলো? মেয়েটা একা একা সারাদিন সব করলো।এখনো কি কষ্ট দিবো? তাছাড়া মেহমান তো আমার এসেছে। আমি যদি কাজ এগিয়ে না দেই তাহলে কি বিষয়টা ভালো লাগে।\n\nআমার কথার মধ্যে এনাজ ল্যাপটপটা পাশে রেখে খাট থেকে উঠলো।তারপর ডেসিং টেবিল থেকে তেলের বোতল নিয়ে এলো।\n\nএনাজঃ হ্যাঁ,বুঝেছি কামিনী মহাশয়া।এবার এদিকে আসেন।চুপ করে খাটে বসেন তো।আমাকে একটু আপনার সেবা করতে দেন।\n\nআমিঃ তুমি তেলের বোতল দিয়ে কি করবে?\n\nএনাজ আমার দুই বাহু ধরে খাটে বসিয়ে দিলো।তারপর কোন কথা না বলে পেছনে বসে খুব যত্ন সহকারে তেল দিতে মনোযোগ দিলো।\n\nএনাজঃ এতো নড়ো কেন? চুপ করে বসে থাকো।আমাকে ঠিকমতো তেলটা তো দিতে দিবে।\n\nআমিঃ কই নরলাম? এই শুনো না।\n\nএনাজঃ হুম বলো।\n\nআমিঃ তুমি কি ঠিকানাবিহীন বাড়ির সবাইকে আগামীকাল দুপুরে আসতে বলেছো তো? মুসকান,আদরকে বলেছো তো?কেউ বাদ রইনি তো আবার?\n\nএনাজঃ সবাইকে বলেছি।ঠিকানাবিহীন বাসায় নিজে গিয়ে বাবা-মাকে আসতে বলেছি।আদরের বাসায়ও গিয়েছিলাম। একটা সুখবর আছে।\n\nআমিঃ কি?\n\nএনাজঃ তোমাকে এরিন কিছু বলেনি?\n\nআমিঃ এরিন কল করেছিলো কিন্তু আমি ধরতে পারিনি।কিন্তু সুখবরটা কি?\n\nএনাজঃ এরিনও তো প্র্যাগনেন্ট।\n\nআমিঃ সেকি!!! কয়মাস?\n\nএনাজঃ দুই মাস।\n\nআমিঃ মুসকানের খবর কি গো? মেয়েটার সাথে ঠিকমতো কথাই হয় না।\n\nএনাজঃ মুসকানের খবর ভালোই। ওদের পরিবারে এখনো কোন সদস্য আসেনি।তবে খুব শীঘ্রই আসতে পারে।যদি ওরা প্রসেসিং শুরু করে।\n\nআমি মাথা উঠিয়ে এনাজের বুকে একটা হালকা চাপর মেরে বললাম।\n\nআমিঃ ছোট বোন হয় তোমার।কথাবার্তা সাবধানে বলো।\n\nএনাজঃ আমি কি ভুল কিছু বলছি?\n\nআমিঃ আরিয়ানের সাথে থাকতে থাকতে তোমার মুখেও কিছু আটকায় না।\n\nএনাজঃ নেও তোমার মাথায় তেল দেয়া হয়ে গেছে। এবার একটা বেণী করে দেই।\n\nআমিঃ দিবে যখন মানা করে কে? নাভান কখন ঘুমালো?\n\nএনাজঃ মিনিট দশ হবে।\n\nএনাজ সুন্দর করে মাথায় তেল দিয়ে চুল বেণী করে দিলো।তারপর আমার মাথাটা পেছন দিকে উঁচু করে কপালে গাঢ় করে একটা চুমু খেলো।\n\nএনাজঃ হয়ে গেছে। এবার তুমি একটু বসো।আমি আসছি।\n\nআমিঃ কোথায় যাবে?\n\nএনাজঃ তুমি যে রাতে কিছু খাওনি তা কি আমি জানি না ভাবছো।চুপ করে বসে থাকো।কোথাও যাবে না।\n\nআমিঃ এখন আর কিছু খাবো না।\n\nএনাজঃ তুমি না খাও।আমার মেয়েকে আমি না খাইয়ে রাখবো না।\n\nআমিঃ ইস, এখন আসলের থেকে সুদের মায়া বেশি। কথা নেই তোমার সাথে। যাও ভাগো।\n\nআমি অভিমানি সুরে কথাগুলো বলে গাল ফুলিয়ে রাখলাম।এনাজ ডেসিং টেবিলে তেলের বোতলটা রেখে আমার সামনে এসে বললো।\n\nএনাজঃ এখন গাল ফুলালেও কাজে দিবে না। তুমি রাতে না খেয়ে ঘুমাতেই পারবে না।\n\n🦋🦋🦋\n\nকথাটা বলে হনহন করে কিচেনে চলে গেল এনাজ। আমি উঠে আয়ানায় সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। মাথার মধ্যে জামাই আমার ইচ্ছে মতো তেল দিছে।তেলের আন্দাজ করতে পারেনি।সেগুলো বেয়ে-চেয়ে আমার কানের পাশ দিয়ে, কপাল দিয়ে পরছে।সেগুলো মুছে নিলাম।বেণীটা খুব সুন্দর করে করেছে। জামার ওপর দিয়ে একটু পেটে হাত দিলাম।পেটটা এখনো ফুলেনি।স্বাভাবিকভাবেই আছে। আমি কত মোটা হয়ে গেছি😵।দিনকে দিন আরো হবো। সেটা ভেবেই কান্না পাচ্ছে। হঠাৎ মনে হলো নাভান ঘুমের মধ্যে বিরবির করছে।আয়না দেখা বাদ দিয়ে নাভানের মুখের সামনে কান পাতলাম।\n\nনাভানঃ না আমার একটা মেয়ে পুতুল বেবী চাই,পুতুল বেবী চাই । আমার বোইনা লাগবে।\n\nলোও ঠেলা,পোলা আমার ঘুমের মধ্যেও বোন চাইছে।এবার আল্লাহ সবার কথা শুনে একটা মেয়ে দিলেই হলো।\n\nএনাজঃ কি করছো?\n\nএনাজের কথায় চমকে গেলাম।তাড়াতাড়ি নাভানের কাছ থেকে সরে চুপ করে বসলাম।\n\nআমিঃ তোমার ছেলে ঘুমের মধ্যেও বোন চাইছে।তাই শুনছিলাম।\n\nএনাজঃ আল্লাহ এবার কবুল করলেই হলো।এদিকে আসো।\n\nআমিঃ আমি এখন খাবো না। আজকের মতো মাফ করো।\n\nএনাজঃ তুমি জীবনে ভালো কথায় কিছু করলে না।আমি এখন একটা ধমক দিবো তাহলে এখানে আসবে।তাই ভালোয় ভালোয় বলছি বকা খাওয়ার আগে চলে এসো।\n\nআমিঃ দেখেন ভাই চমক, আমারে দিবেন না ধমক।\n\nএনাজঃ এটা কি??\n\nআমিঃ এটা একটা নাটকের ডায়লগ বললাম আরকি।আর কিছুই না।হে হে!!\n\nএনাজের ভয়ে আমি গুটি গুটি পায়ে ওর সামনে এসে বসলাম।সে হাত ধুয়ে আমাকে খাইয়ে দেওয়ার জন্য এক লোকমা ভাত মুখের সামনে ধরলো।ওমনি আমার গা গুলানো আরম্ভ হয়ে গেলো।আমি এক হাতে নাক ধরে আরেক হাতে মুখ আটকে রাখলাম।\n\nএনাজঃ হাত সরাও।\n\nআমিঃ আমার বমি পাচ্ছে।\n\nএনাজঃ পাক,বমি পেলে খেয়ে বমি করবে।\n\nভাতের প্লেটটা নিচে রেখে আমার হাত সরিয়ে জোর করে এক লোকমা ভাত মুখের ভেতর ঢুকিয়ে দিলো।আমি কাঁদো কাঁদো ফেস করে তা বহু কষ্টে চাবাতে লাগলাম।পুরো এক প্লেট ভাত আমাকে জোর করে খাইয়ে দিয়ে তবেই উঠলো।আমি যে কত কষ্টে তা শেষ করেছি সেটা একমাত্র আমিই জানি।খাওয়া শেষ হতেই এনাজ আমাকে পানি খাইয়ে প্লেট নিয়ে কিচেনে চলে গেল।এর এত এত কেয়ারিং মাঝে মাঝে বিরক্ত ধরে যায়।যেমন এখনও ধরেছে।কে বলছিলো এখন নিজের ঘুম বাদ দিয়ে এতগুলো ভাত খাওয়াতে আমাকে।\n\nএনাজঃ এখনো বসে আছো।ঘুমাবে না?\n\nআমিঃ কথা নেই তোমার সাথে😶।\n\nএনাজঃ আচ্ছা। আমি আমার মেয়ের সাথে কথা বলি তাহলে।\n\nআমার সামনে হাঁটু মুড়ে বসে পেটের মধ্যে নিজের কানটা রাখলো।আমি একটু নড়েচড়ে সরতে নিলেই আমার দুই বাহু শক্ত করে ধরলো। যাতে আমি দূরে সরতে না পারি।\n\nএনাজঃ আমার আম্মুটা কি করতাছে?তুমি কি ঘুমাচ্ছো মা-মণি।তোমার আম্মু দেখো কত কেয়ারলেস। ঠিকমতো খাবার খেতে চায় না।আমি জোর করে খাইয়ে দিলে উল্টো আমার সাথে রাগ করে।তুমি পৃথিবীতে এলে আমি, তুমি আর তোমার ভাইয়া মিলে তোমার আম্মুকে বকে দিবো।ওকে?\n\nআমিঃ সরো তো।এই রাত দুপুরে কি শুরু করছো?আমি ঘুমাবো।\n\nএনাজঃ আমি আমার মেয়ের সাথে কথা বলছি\nদেখছো না।\n\nআমিঃ আমার ঘুমে ধরছে।\n\nএনাজঃ এই হুটহাট রাগগুলো কবে কমাবে? এখন তো আরো বেড়ে যাবে।সেই ক্লাশ নাইনের বাচ্চা মেয়ের মতো এখনো ছেনছেন করো।\n\nযদিও আমি জানি কেন ক্লাশ নাইনের কথাটা বললো।তারপরেও না জানার ভান করে জিজ্ঞেস করলাম।\n\nআমিঃ ক্লাশ নাইনে আমি এমন করতাম তা জানলে কিভাবে?\n\nএনাজ ফ্লোরের থেকে উঠে আমার কোলে মাথা রেখে লম্বা হয়ে শুয়ে পরলো।তারপর আমার হাত ওর চুলে রেখে বললো।\n\nএনাজঃ মাথায় বিলি কেটে দেও তো।\n\nআমিঃ আমি কিছু জিজ্ঞেস করছিলাম।\n\nএনাজঃ কেন তুমি জানো না? তোমাকে যে আমি ক্লাশ নাইনে থাকতে প্রথম দেখেছিলাম।আচ্ছা আবার বলি তাহলে।\n\nএনাজ একটু থেমে রূপকথার গল্প বলার মতো করে বলা শুরু করলো।\n\nএনাজঃ সেই বহুকাল আগের কথা। আমি ও তায়াং গিয়েছিলাম গ্রামে।আমাদের দুজনের একটা কাজ ছিলো।আর সেদিনই তায়াং-এর মা আমাদের পাঠিয়েছিলো সেই বাচ্চা মেয়েটার বাড়িতে।সিলেট থেকে অনেক কিছু এনেছিলো আন্টি।মূলতো সেগুলো দিতেই আমাদের গ্রামে যেতে হবে।এদিকে কলেজে সেদিন নবীন বরণ অনুষ্ঠান। তার দায়িত্ব পরেছিলো আমাদের কাঁধে। আন্টিও পিড়াপিড়ি শুরু করছে যাওয়ার জন্য। কাঁচা বাজার হওয়ায় সেগুলো নষ্ট হয়ে যাবে বলে আমাদের দুজনকে ভোরে পাঠিয়ে দিলো।সময় কম থাকায় বাসায়ও যেতে পারবো না। তাই শীতের সকালে জ্যাকেট,টুপি,মুখে মাফলার পেচিয়ে বাইক নিয়ে রওনা দিলাম গ্রামের দিকে। বাসার সামনে তায়াং তার বাচ্চা খালাতো বোনকে আসতে বলেছে।ওর কাছে সবকিছু দিয়ে আবার চলে আসবো।বাসায় গেলে আবার ঝামেলা।মেয়েটার বাসার সামনের তিন রাস্তা মোড়ে শীতে জুবুথুবু হয়ে দাঁড়িয়ে আছি। কিন্তু কারো আসার নাম নেই। বাইকে করে আসায় শীতটা বেশি লাগছে।কিছু সময় পর স্কাট পরহিত, খালি পায়ে শিশির ভেজা ঘাসের ওপর দিয়ে একটা বাচ্চা মেয়ে আমাদের সামনে দৌড়ে এসে থামলো।গলায় ওড়না পেঁচানো, মাথায় এক ঝুটি।পরনে পেস্ট কালার একটা সোয়েটার।শীতের সকালে তাকে খালি পায়ে আমার দিকে দৌড়ে আসতে দেখে আমি অবাক চোখে তার দিকে তাকিয়ে রইলাম।আমাদের সামনে এসে হাঁটুতে হাত রেখে হাঁপাত হাঁপাতে তায়াং কে বললো,”রাস্তায় জুতো ছিঁড়ে গেছে। তাই ফেলে দিয়ে দৌড়ে চলে এলাম।জলদী কি দিবি দে,নয়তো চলে যাবো কিন্তু।” বাচ্চা মেয়ের মুখে শাসানো কথা শুনে আমি ফিক করে হেসে উঠলাম।সে এতটাই ব্যস্ত ছিলো তায়াং-এর সাথে কথা বলতে যে আমার দিকে খেয়ালই করিনি।জিনিসপত্র নিয়ে আবার ছুটলো বাসার দিকে।হয়তো তারও আমাদের মতো তাড়া ছিলো। সেই যে ঐ বাচ্চা মেয়ের প্রেমে পরে গেলাম।আজ অব্দিও তার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছি। আর সেই মেয়েটা এখন আমার বউ।\n\n🦋🦋🦋\n\nআমি মিটমিট করে হাসলাম।এই ঘটনাটা আমি এনাজের মুখে আগেও বহু শুনেছি।তারপরেও আমার শুনতে ভালো লাগে। আমি মুচকি হেসে বললাম।\n\nআমিঃ তোমাকে চিনবো কি করে? তুমি তো মাফলার দিয়ে মুখ ঢেকে রেখেছিলে।তাছাড়া তায়াং ভাইয়া আসলে মাঝে মাঝেই তার কোন না কোন বন্ধুকে নিয়ে আসে।তাদের দিকে আমি কখনো তাকাতাম না।আমার ধারণা ছিলো তায়াং ভাইয়ার মতো ওর বন্ধুগুলো বদের হাড্ডি। কিন্তু আমার কাছ থেকে যখন সব আপন মানুষগুলো দূরে সরে গেলো, তখন আমি নতুন তায়াং-কে আবিষ্কার করলাম।যার মধ্যে পুরনো কোন অভ্যাসই ছিলো না।সারা পৃথিবীর সাথে যুদ্ধ করে আমাকে সেভ রেখেছে। ওর মতো ভাই পেয়ে সত্যি আমি ধন্য।কিন্তু তোমাকে আমি দেখেছিলাম অনার্স ১ম বর্ষে।সিবিআই এর ট্রেনিং শেষ করে যেদিন বিদেশ থেকে ফিরলে সেদিন তো আমি তায়াং ভাইয়ার সাথে তোমাকে রিসিভ করতে এয়ারপোর্টে গিয়েছিলাম।সেদিন প্রথম দেখা।আমি কিন্তু তোমাকে মনে মনে পছন্দ করে ফেলেছিলাম।তা মহাশয় আমাকে ক্লাশ নাইনে দেখলেও আমার সামনে এত বছর পর কেন এসেছিলে? যদি তোমার আগে আমাকে অন্য কেউ নিয়ে যেতো।\n\nএনাজঃ এত সোজা নাকি😏!! এনাজের প্রাণপাখি অন্য কেউ নিয়ে যাবে।আর এনাজ তাকিয়ে তাকিয়ে দেখতো বুঝি।কখনো না।তাকে মেরে তোমায় তুলে আনতাম।\n\nআমিঃ হইছে ঢপ কম মারেন।কেন এতবছর পর আমার সামনে এসেছিলেন তাই বলেন।(মুখ ভেংচিয়ে)\n\nএনাজঃ আমি নিজেকে প্রস্তুত করছিলাম।নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে যাতে তোমার বাবা-মায়ের কাছে বিয়ের প্রস্তাব দিতে পারি তার জন্য নিজেকে সময় দিচ্ছিলাম।আর তোমার সামনে এলে এসব বাদ দিয়ে প্রেম করতে মন চাইতো। তাই তোমার দূরে থেকেছি।তবে তায়াং-এর থেকে তোমার কম-বেশি সব খবরই নিতাম।\n\nআমি চুপ হয়ে গেলাম।আলতো হাতে এনাজের চুলে বিলি কাটতে লাগলাম।মানুষটা আমায় একটু বেশি ভালোবাসে।এতটা ভালোবাসার যোগ্য কি আদোও আমি?তাও মাঝে মাঝে ভাবি।\n\nএনাজঃ বাটারফ্লাই!!!\n\nআমিঃ হুম।\n\nএনাজঃ তোমার নাম আমি বাটারফ্লাই কেন রেখেছিলাম জানো?\n\nআমিঃ কেন?\n\nএনাজঃ তুমি না ছোট থাকতে অনেকটা প্রজাপতির মতো ফরফর করতে।কোন কিছুতে স্থির হয়ে থাকতে না।প্রথম দেখায় তুমি কিরকম ছটফট করছিলে।অনেক চঞ্চল টাইপের ছিলে।প্রজাপতি যেমন কোন ফুলে স্থির হয়ে থাকে না। তার মধু পান শেষ হলেই অন্য কোথাও যাওয়ার জন্য ছটফট করে।তুমিও তেমন করতে।তাই তোমার নাম রেখেছিলাম বাটারফ্লাই।\n\nআমিঃ আর আপনি আমাকে তায়াং ভাইয়ার মতো, না ভাইয়ার থেকে বেশি শাসন করতেন বলে আমি রেগে আপনাকে আনাইজ্জা কলা বলতাম।\n\nএনাজঃ পাগলী একটা। ভালোবাসি!!!\n\nআমিঃ আমিও।\n\nএনাজঃ বাকি জীবনটা কি আমাকে প্রজাপতির রং-এ রাঙিয়ে রাখবে।প্রমিস আর কখনো ছেড়ে যাবো না। আল্লাহ যতদিন হায়াত রেখেছে ততদিন তোমার সাথে থাকবো।\n\nআমি মুচকি হেসে তার কপালে আলতো করে ঠোঁট ছুঁয়ে দিয়ে বললাম।\n\nআমিঃ রাখবো। সারাটা জীবন প্রজাপতির রং না ভালোবাসার রং দিয়ে রাঙিয়ে রাখবো।\n\nএনাজঃ প্রজাপতির রং।\n\nআমিঃ না ভালোবাসার রং।\n\nএনাজঃ এটাকে ভালোবাসার রং না বলে প্রজাপতির রং বলবে।\n\nআমিঃ আচ্ছা তাই বলবো।তবে তুমি কিন্তু আবার প্রজাপতির মতো ফুড়ুৎ করে উড়ে যেয়ো না।\n\nএনাজঃ কখনো না।আল্লাহ না নিলে আমি এই জীবনে তোমায় ছাড়ছি না।\n\nআমিঃ তাহলে আমিও প্রজাপতির সব রং নিয়ে বাকি জীবনটা তোমার সাথে কাটাতে চাই।\n\nএনাজঃ জানো বাটারফ্লাই, সবশেষে আমি একটা কথাই বলবো।যেটা আমি আগেও বলতাম।ভালোবাসা হলো প্রজাপতির মতো।আলতো করে ধরবে তো উড়ে যাবে। শক্ত করে ধরবে তো মরে যাবে।আর যত্ন করবে তো কাছে রবে।আমি আমার ভালোবাসাকে শক্ত করেও ধরিনি, আলতো করেও ধরিনি।বরং যত্ন করেছি।তাইতো আমার প্রজাপতি আজ আমার কাছেই রয়েছে। সবার উচিত ভালোবাসাকে যত্ন করার।\n\nআমিঃ সবাই তোমার মতো বুঝতো।তাহলে হয়তো পৃথিবীতে নারী নির্যাতন নামক কোন শব্দই থাকতো না।\n\nএনাজ মুচকি হাসলো।তবে কোন উত্তর দিলো না।মাথা উঠিয়ে টুপ করে পেটে একটা চুমু খেলো।তারপর শক্ত করে তার দুই হাত দিয়ে আমাকে জড়িয়ে ধরলো। এমনভাবে ধরেছে যেনো ছেড়ে দিলেই আমি চলে যাবো। আমি একবার এনাজের দিকে তাকিয়ে আরেকবার নাভানের দিকে তাকালাম।যেই আমিটা সাত মাস আগেও একা ছিলাম।আজ আমার সব আছে। একেই হয়তো সৌভাগ্য বলে।আজ নিজের একটা ঘর আছে, সংসার আছে, স্বামী আছে, সন্তান আছে। ভরসার একটা হাত আছে। জড়িয়ে ধরে কান্না করার জন্য একটা মানুষ আছে। আর কি লাগে আমার?আল্লাহর দরবারে লাখো কোটি শুকরিয়া। তিনি আমার সব ফিরিয়ে দিয়েছেন।\n\nএসব ভেবে চোখ বেয়ে নোনা জল গড়িয়ে পরলো।এনাজ চট করে মাথা উঠিয়ে ফেললো।উঠে আমার চোখের পানি মুছে দিলো।এই মানুষটা কি করে জানি বুঝে যায় আমার মনের কথা।আমি নিঃশব্দে কাঁদলাম তাও টের পেয়ে গেলো।চোখের পানি মুছিয়ে দিয়ে আমার মাথাটা তার বুকের সাথে শক্ত করে মিশিয়ে রেখে দুই হাতে আমাকে জড়িয়ে ধরলো।পারলে আমায় তার হৃৎপিণ্ডে ঢুকিয়ে রাখে।আমার আর কি করার, তাকে দুই হাতে জড়িয়ে ধরে তার হৃৎপিণ্ডের ধুকপুকানি শুনতে ব্যস্ত হয়ে গেলাম।ভালোবাসি এই মানুষটাকে। ভীষণ ভালোবাসি!! এই মানুষটাকে ভালো না বেসে আমি থাকতেই পারবোই না।কারণ সে যে আমার জীবনকে রাঙিয়ে দিতে, প্রজাপতির রং নিয়ে হাজির হয়েছে।\n\n~~~~~~~~~~~~(সমাপ্ত)~~~~~~~~~~~~~\n\nআসসালামু আলাইকুম। অবশেষে গল্পটা শেষ হয়েই গেলো।আমি জানি না এন্ডিংটা কেমন হয়েছে। তবে আশা করছি আপনাদের ভালো লাগবে।এই গল্পে আর পুতুল বেবী আনলাম না।তবে হ্যাঁ,অন্য কোন গল্পে নিশ্চয়ই আনবো।অনেকে নোভানাজের ক্লাইমেক্স দেখতে চেয়েছেন।সেটাও না হয় পরবর্তী গল্পে দেখিয়ে দিবো।এই গল্পে বিয়ের আগের কোন কিছুই দিতে পারিনি। তার জন্য এই জুটির আরেকটা গল্প আনতে চাইছি।তবে সেটা আরো পরে।আপাতত কিছু দিন বিশ্রাম নিয়ে নতুন কোন জুটির গল্প আনবো।ততদিন পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন আর নিজের খেয়াল রাখবেন।সবশেষে আপনাদের কাছে একটা অনুরোধ ।আজকে অন্তত গল্পের আলোকে দুই লাইন ভালো কিংবা খারাপ বলে যান।",
        "series": {
            "id": 76,
            "title": "প্রজাপতির রং",
            "slug": "projapotir-rong",
            "url": "https://golpohub.com/series/projapotir-rong",
            "thumbnail_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/series-prjaptir-rng-76-4967c3.webp",
            "progress_status": "completed"
        },
        "author": {
            "id": 57,
            "name": "নোভা ইসলাম",
            "slug": "nova-islam",
            "url": "https://golpohub.com/authors/nova-islam",
            "avatar_url": "https://cdn.golpohub.com/avatars/author-nova-57-49c18b.webp",
            "bio": "নোভা বাংলা অনলাইন সাহিত্যের এক অনন্য ও সংবেদনশীল কথাসাহিত্যিক। মানবিক সম্পর্কের জটিল সমীকরণ, পারিবারিক টানাপোড়েন এবং রহস্য-রোমাঞ্চের আবহে ভালোবাসার চিরন্তন রূপ উন্মোচনে তিনি সিদ্ধহস্ত। তাঁর সাবলীল ও দৃশ্যমান লেখনী পাঠকদের শুরু থেকে শেষ অবধি তীব্র কৌতূহল ও আবেগের দোলাচলে আচ্ছন্ন করে রাখে।",
            "series_count": 0,
            "meta": {
                "bio": "নোভা বাংলা অনলাইন সাহিত্যের এক অনন্য ও সংবেদনশীল কথাসাহিত্যিক। মানবিক সম্পর্কের জটিল সমীকরণ, পারিবারিক টানাপোড়েন এবং রহস্য-রোমাঞ্চের আবহে ভালোবাসার চিরন্তন রূপ উন্মোচনে তিনি সিদ্ধহস্ত। তাঁর সাবলীল ও দৃশ্যমান লেখনী পাঠকদের শুরু থেকে শেষ অবধি তীব্র কৌতূহল ও আবেগের দোলাচলে আচ্ছন্ন করে রাখে।",
                "pen_name": "নোভা",
                "aliases": [
                    "Nova",
                    "লেখিকা নোভা",
                    "নোভা ইসলাম"
                ]
            },
            "timestamps": {
                "created_at": null,
                "updated_at": null
            }
        },
        "navigation": {
            "previous_episode": {
                "id": 2826,
                "ep_number": 40,
                "title": "পাঁচ মাস পর ও নতুন প্রাণের আগমন",
                "slug": "projapotir-rong-s1-ep40",
                "url": "https://golpohub.com/episodes/projapotir-rong-s1-ep40",
                "thumbnail_url": "https://golpohub.com/assets/images/og.jpg"
            },
            "next_episode": null
        }
    }
}