> **বিকল্প ফরম্যাটসমূহ:** [এইচটিএমএল](https://golpohub.com/episodes/romantic-ottachar-s2-ep8) | [জেসন](https://golpohub.com/episodes/romantic-ottachar-s2-ep8?format=json) | [আরএসএস ফিড](https://golpohub.com/episodes/romantic-ottachar-s2-ep8?format=rss) | [অ্যাটম ফিড](https://golpohub.com/episodes/romantic-ottachar-s2-ep8?format=atom)

# প্রেম ও রূপান্তরের গল্প

![প্রেম ও রূপান্তরের গল্প](https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-chapter-2325-fc7a41.webp)

---
*[ইসরাত জাহান](https://golpohub.com/authors/israt-jahan)-এর [রোমান্টিক অত্যাচার](https://golpohub.com/series/romantic-ottachar) সিরিজ থেকে*\n*আনুমানিক পড়ার সময়: 11 মিনিট*
- **মোট শব্দ:** 1,614
- **প্রকাশিত:** Sep 12, 2026
---

মাহিঃকি?সেটা আবার কিভাবে? আশফিঃএইযে গোসল করার সময় তোমার সাথে যে রোমান্সটা হবে সেটা তো গোসল করার রোমান্স।তারপর রান্না করার সময় তোমার সাথে রোমান্সটা করবো সেটা রান্না করার রোমান্স।আবার ঘুমোনোর আগে তোমার সাথে যে রোমান্সটা করি সেটা ঘুমোনোর রোমান্স। আরো আছে…….. মাহিঃথাক বুঝেছি।আর বলতে হবেনা আশফিঃবোঝার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।তাহলে এবার শুরু করি? -ওকে জাপটে ধরে আমার সাবান মাখা পিচ্ছিল গাল ওর দু গালের সাথে মিশিয়ে ওর গালটাও পিচ্ছিল করে দিলাম।আস্তে আস্তে ওর ঘাড়ের কাছে মুখ নিয়ে গেলাম।তারপর ওর ঘাড়ে যখন চুমু দিতে শুরু করলাম তখন ও আমাকে জড়িয়ে ধরে আমার পিঠ দু হাত দিয়ে চেপে ধরলো।আমাকে এভাবে চেপে ধরার কারণে ওকে আরো বেশি করে আদর করার ইচ্ছা হলো।ওর ঘাড় থেকে শুরু করে গলা পর্যন্ত আদর করে যাচ্ছিলাম হঠাৎ করে এর মাঝেই ও হাঁচি দিয়ে উঠলো। রোমান্সটা আর বেশিক্ষণ হলোনা। কি হলো?তুমি হাঁচি দিলে কেনো? মাহিঃ কি বলবো এখন ওকে?ও যদি জানতে পারে যে আইসক্রিম খেয়ে আমার ঠান্ডা লেগে গেছে তাহলে আজকে আর রক্ষা নেই। -আসলে তুমি যেভাবে আমাকে আদর করছিলে আমার কেমন যেনো শুরশুরি লাগছিলো তাই হাঁচি চলে এসেছে। আশফিঃকিন্তু এটা তো নতুন নয়।আমি তো তোমাকে এভাবেই আদর করি। মাহিঃ তাইতো?এখন কি বলবো ওকে? -আরে তুমি ভিজে গায়ে এভাবে আমাকে জড়িয়ে ধরে ছিলেনা তাই ঠান্ডা লেগে গেছে।আমার যদি সর্দিকাশি লেগে যায় না তোমার খুব খারাপ অবস্থা হবে বলে দিলাম।কিভাবে তোমাকে নাজেহাল করবো তুমি ভাবতেও পারবেনা। যাও সরো নিজের মত নিজে গোসল করে এসো। ওকে হালকা ধাক্কা দিয়ে বাথরুম থেকে বেরিয়ে এলাম।হাসি পাচ্ছে খুব।কেমন বোকা বানিয়ে দিলাম। আশফিঃ যাহ্ বাবা আমি কি করলাম?পুরোটা ভেজাতেও পারলাম না আর ঠান্ডা লেগে গেলো? আলিশাঃ মাহি সেই কখন থেকে বসে আছি টেবিলে এখন পর্যন্ত আশফির আসার খবর নেই। কি করছে বলো তো ও? মাহিঃ আমি ও তো সেটাই ভাবছি।মেয়েদের মত সময় নেওয়া শুরু করেছে দেখছি। আলিশাঃতুমি গিয়ে দেখো তো কি করছে? মাহিঃ হুম। আশফি?? আআআ…..ছিঃ।(চোখ বন্দ করে ফেললো) আশফিঃWhat happened? মাহিঃ তুমি এটা কি করছো?তোমার লজ্জা বলে কোনো জিনিস নেই নাকি? আশফিঃলজ্জা? লজ্জা করার মত কি কাজ করলাম আমি?কিছুই তো বুঝলাম না। মাহিঃ কিছুই বুঝতে পারছোনা? তুমি….. ও গড দরজাটা আটকে দিই না হলে কেউ দেখে ফেলবে। আশফিঃআরে আরে দরজা আটকাচ্ছো কেনো? মাহিঃলুচু কোথাকার? তুমি এইভাবে আইডলটার জামাকাপড় সব খুলে ফেলোছো কেনো?খুলে ফেলে কি দেখছো তুমি? আশফিঃ কৈ কি দেখছি আমি?আমি তো ওর…… মাহিঃ চুপ বজ্জাত ছেলে। কিরকম দেখা যাচ্ছে ওটাকে। ছি, আমি নিজেই লজ্জা পাচ্ছি আর তোমার একটু ও লজ্জা লাগছেনা? আশফিঃআরে পাগল আমি তো ওর ড্রেস পাল্টাবো। অনেকদিন হলো সেই একই ড্রেস পরিয়ে রেখেছি। ভাবছু নতুন কিছু পরাবো ওকে। মাহিঃ নতুন কিছু মানে? সে যাই হোক।তুমি ড্রেস চেঞ্জ করতে চাও আমাকে বলতে পারতে আমি চেঞ্জ করে দিতাম।তাই বলে তুমি? আশফিঃ তো কি হয়েছে? আমি চেঞ্জ করলে সমস্যা কি?আর আমিই তো এতোকাল ধরে ওর ড্রেস চেঞ্জ করে আসছি। মাহিঃ তুমি?আমি তো ভেবেছি এটা সার্ভেন্টরা(মেয়ে)করতো। আশফিঃডিয়ার তুমি লজ্জা পাচ্ছো কেনো?আমি তো ভাবছি এখন থেকে তোমার ড্রেস চেঞ্জ করার দায়িত্বটা ও আমি নিবো।?? মাহিঃ ইয়ারকি হচ্ছে? কি বিশ্রি লাগছে দেখতে ওকে। আশফিঃআমার কাছে ওকে সবভাবেই সুন্দর লাগে। মাহিঃএই একদম তুমি ওটার দিকে তাকাবেনা। পাঁজি ছেলে। আশফিঃতাকাবো হাজার বার তাকাবো।এখন এসো তো আমাকে হেল্প করো। ওকে কোন ড্রেসটা পড়াবো বলো? মাহিঃ আমি জানিনা।? আশফিঃএতো রাগ করছো কেনো?আমিই তো দেখছি আর তো কেউ দেখছে না। আচ্ছা ওকে একটা ব্ল্যাক কালারের ড্রেস পরাই। মাহিঃ ব্ল্যাক এঞ্জেল? আশফিঃহুম।ব্ল্যাক এঞ্জেল। আইডলটাকে পুরো ব্ল্যাক ড্রেস পড়িয়ে দিলাম।অসম্ভব সুন্দর লাগছে আইডলটাকে।আমি আইডলটার দিকে তাকিয়ে আছি আর মাহি আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আইডলটার থেকে চোখ ফিরিয়ে ওর দিকে তাকালাম। -কি দেখছো? মাহিঃ তোমাকে। আশফিঃআমাকে কেনো? মাহিঃ আল্লাহ্ পাকের অপরূপ সৃষ্টির কাছে এসব যে একদমই তুচ্ছ। আয়নার দিকে তাকাও। আমার কথা শুনে ও আয়নার দিকে তাকালো।আমি ওর হাতটা জড়িয়ে ধরে কাঁধের ওপর মাথা রাখলাম। -দেখছো কতোটা সুন্দর তুমি?কতোটা নিখুঁতভাবে সৃষ্টি করেছে তোমাকে? আশফিঃ তোমার মাঝে বুঝি খুঁত আছে? মাহিঃ হয়তো। আশফিঃএকটু ও না। আমার সামনে তুমি যেমন ভাবেই উপস্থাপন হউনা কেনো তুমি আমার কাছে নিখুঁত ই থাকবে। মাহিঃ সারাজীবন এভাবেই ভালোবাসতে পারবে তো আমাকে? আশফিঃকোনো সন্দেহ আছে? মাহিঃ ভয় আছে। আশফিঃকিসের ভয়? মাহিঃ তুমি যদি কখনো আমার থেকে দূরে সরে যাও? আশফিঃওর খুব কাছে এসে ওকে জড়িয়ে ধরলাম। -এভাবে তোমাকে ধরে রাখবো যতদিন বেঁচে থাকবো। মাহিঃ আমিও ওকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলাম। আলিশাঃআশফি? মাহি? তোমরা কি দিনে দুপুরে রোমান্সে ডুবে গেলে?আজকে কি আর দুপুরের খাওয়া হবে না আমাদের? আশফিঃতুমি ডাকতে এসেছিলে।আর এসে নিজেই রোমান্স শুরু করে দিয়েছো? মাহিঃ আমি? আশফিঃহয়েছে হয়েছে। সবসময় খালি কাছে আসার ধান্দা।যাও দরজাটা খুলো গিয়ে। মাহিঃ পরে দেখছি তোমাকে। গিয়ে দরজাটা খুললাম।আলিশা আইডলটাকে দেখে ওটার প্রশংসায় ডুবে গেলো। তারপর ওদের ডেকে নিয়ে তিনজন একসাথে দুপুরের খাবার খেলাম।বিকাল হলে তিনজনে একসাথে বসে অনেক্ষণ আড্ডা দিলাম। ★রাতে★ আশফিঃআজকাল দেখছি যখনই সময় পাচ্ছে তখনই আলিশার সাথে গল্পে মেতে থাকছে।আমাকে ভুলেই যাচ্ছে।আমি সেই কখন এসে ঘরে বসে আছি একা একা সেদিকে কোনো খেয়ালই নেই? ডাকতে গেলে তো আবার আলিশা অন্যকিছু ভাববে।ধুর অসহ্য লাগছে।কি পরিমাণ যে রাগ হচ্ছে ওর উপর।ডাকবোনা দেখি কখন আসেন তিনি। পাক্কা আধা ঘন্টা পর রুমে এলেন তাও আবার হাঁচতে হাঁচতে রুমে ঢুকলেন। নাখ ও শিটকোচ্ছে সর্দি লেগে গেলো নাকি? -এতো তাড়াতাড়ি চলে এলে?গল্প শেষ? মাহিঃ না।ওর একটা ফোন আসলো কথা বলতে বলতে দূরে চলে গেলো। বেশকিছুক্ষণ বসে ছিলাম। আলিশার কথা শুনে মনে হলো কিছুটা ইমোশোনালি কথা বলছে তার সাথে। আশফিঃইমোশোনালি বলতে? মাহিঃ মনে হলো ফোনের ওপাশে কোনো ছেলে হবে। আলিশা তাকে ওর ফিলিং বা উইকনেস এরকম কিছু বোঝানোর চেষ্টা করছে। আশফিঃহবে হয়তো। সবার ই তো নিজস্ব জগত বলে একটা জায়গা আছে। মাহিঃ উহ…মাথাটা ভীষণ যন্ত্রণা করছে।শুতে দাও আমাকে। আশফিঃআমি একটা বিষয় বুঝতে পারছিনা তখন ওতোটুকু ভিজে যাওয়ার কারণে তোমার ঠান্ডা লেগে গেলো?এই তুমি সত্যি কথা বলো তো কিভাবে ঠান্ডা লাগিয়েছো? মাহিঃ এইরে ধরা পড়ে যাবো নাকি?যে করেই হোক ওকে ভুলভাল বোঝাতে হবে। -সেটা কি আমি জানি? তুমি জানো। আশফিঃআমি কিভাবে জানবো? মাহিঃ তুমিই তো আমাকে কতক্ষণ ভিজা শরীরে জড়িয়ে ধরে রেখেছিলে। এই কারণেই তো আমার ঠান্ডা লেগে গেলো। আমার যে মাথা চোখ আর নাখের ভেতর কি পরিমাণ খারাপ লাগছে তা যদি তুমি বুঝতে তাহলে এতো কৈফিয়ত চাইতেনা। এমনিতেই রাত্রে ঘুম হতে চাইনা আমার তার উপর সর্দিকাশি লেগে গেলো। আশফিঃআচ্ছা স্যরি।আর এমন করবোনা।তুমি বসো আমি ওষুধ আনছি খেয়ে দাও। মাহিঃ তার কোনো প্রয়োজন নেই।আমি খেয়েছি।এখন আমার মাথাটা একটু টিপে দাও। ভালো লাগছেনা। আশফিঃআচ্ছা ঠিক আছে। -ওর গায়ে কাঁথাটা টেনে দিয়ে মাথা টিপে দিচ্ছিলাম।তার মাঝখানে আমাকে বললো কাঁথাটা নামিয়ে দিয়ে এসিটা বাড়িয়ে দিতে। তাই ই করলাম।আবার বললো শীত করছে কাঁথাটা গায়ে দিয়ে দাও।সেটাই করলাম। মহারাণী অসুস্থ হয়ে পড়লে তো সে দোষটা ও আমার ঘাড়ে আসে এখন।তাই তার সব হুকুম তামিল করতে আমি বাধ্য।কি পাপটা যে করেছিলাম আমার চান্দুকে আনতে গিয়ে।কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছি ওর মাথার কাছে। আমি বুঝতেই পারিনি ওর ডাকে আমার ঘুম ভাঙ্গলো। মাহিঃ এই শুনছো তুমি কি ঘুমিয়ে পড়েছো? আশফিঃহুম? না কৈ? ঘুমোনোর চেষ্টা করছিলাম আর কি। মাহিঃ আর চেষ্টা করতে হবেনা।আমার নাখ থেকে এটা একটু ফেলে দাও তো। আশফিঃকোনটা ফেলে দিবো জাদু? মাহিঃ আরে এইযে একদম নাখের সামনে এসে রয়েছে।কেমন যেনো অসহ্য লাগছে একটু ফেলে দাও।আমার উঠতে ইচ্ছা করছেনা। আশফিঃও নাখ শিটকিয়ে আমাকে দেখালো নাখের ঐ বিজলা পদার্থ টা। -ডিয়ার তুমি আমাকে এটা ফেলে দিতে বলছো? মাহিঃ আশেপাশে তো আর কাউকেই দেখতে পাচ্ছিনা।তাহলে তোমাকেই বলেছি। আশফিঃহায় আল্লাহ্ আর কি বাকি আছে? কোনো কথা না বলে টিসু পেপাড় এনে ওর নাখ থেকে ওটা মুছে ফেলে দিলাম। মাহিঃ অনেক ধন্যবাদ। আশফিঃতোমাকেও অনেক ধন্যবাদ। মাহিঃ আমাকে ধন্যবাদ কেনো? আশফিঃএইযে আমাকে অভ্যাস করাচ্ছো।এখন না হয় তোমার নাখের ইয়েটা পরিষ্কার করে দিলাম কিছুদিন পর তো আমার চান্দুর ঠান্ডা লাগলে তাকেও পরিষ্কার করে দিতে হবে। মাহিঃ ও।হ্যা তা করতেই হবে। -ও হাত ধুয়ে আমার পাশে এসে শুয়ে পড়লো। এই তুমি ঘুমাচ্ছো? আশফিঃকেনো?আবারো করতে হবে? মাহিঃ না।আমার ঘুম আসছেনা। আশফিঃআমার বুকের মাথা রাখো।আমি তোমার চুলের মাঝে বিলি কেটে দিই তাহলে ঘুম চলে আসবে। মাহিঃ ওর বুকের উপর মাথা রেখে শুয়ে রইলাম।আর ও আমার চুলের মাঝে বিলি কেটে দিচ্ছে।হঠাৎ একটা জিনিস মনে পড়লো। -এই আশফি? আশফিঃহুম। মাহিঃ তুমি না কাল একটা গল্প শোনাচ্ছিলে আমাকে? সেটা তো আমাকে পুরোপুরি শোনাওনি। আশফিঃকি করে শুনাবো? তুমি তো তার আগেই ঘুমিয়ে পড়েছিলে। মাহিঃ তাহলে আজকে শোনাও। আশফিঃআজ না।কাল শোনাবো।এখন তুমি ঘুমাউ। মাহিঃ না প্লিজ।একটু শোনাও না।বেশি শুনবোনা ঘুমিয়ে পড়বো তাড়াতাড়ি। সত্যি বলছি। আশফিঃঅনেক দেরি জয়ে যাবে তো। মাহিঃদেরি হবেনা। প্রতিদিন রাতে একটু একটু করে শোনাবে।গল্পটা শুনেই আমি ঘুমিয়ে পড়বো। আশফিঃ ঠিক আছে তাহলে শুনো। যতটুকু বলেছিলাম তার পর থেকেই শুরু করি। মাহিঃ ওকে। আশফিঃরাজা ফালাক তাজ পরিকল্পনা করলো সে প্রথমে শেরপুর রাজ্যে ছদ্মবেশে যাবে। তারপর রাজা জাভেদ খানের কাছে গিয়ে একটা কাজ চাইবে। সে ঠিক তাই করলো।রাজা জাভেদ খানের কাছে গিয়ে আকুতি মিনতি করে একটা কাজ চাইলো।আর রাজা জাভেদ খান একটু দয়ালু প্রকৃতির ছিলো।তাই সে বিশ্বাস করে রাজা ফালাক কে কাজ দিয়ে দিলো। কিছুদিন পর রাজা জাভেদ খানের হাতিশালে সব হাতি আর ঘোড়াশালে সব ঘোড়া আস্তে আস্তে মারা যেতে লাগলো।রাজা জাভেদ খান ভেবে পাইনা এর রহস্যটা কি?একদিন রাজকন্যা মেহেরুন তার পিতার সাথে এই বিষয়ে কথা বলার জন্য তার পিতার কক্ষে প্রবেশ করে। \[#বিষয়বস্তুঃফালাকা\_মেহের\] মেহেরুনঃঅনুমতি পেলে ভেতোরে আসবো পিতা? জাবেদ খানঃআরে মেহেরুন মা যে এসে। মেহেরুনঃআপনাকে খুব চিন্তিত দেখাচ্ছে পিতা। পিতাঃঅনেক বড় চিন্তার মাঝে আছি মা।আমার হাতিশাল ঘোড়াশাল সব যে শূণ্য হয়ে গেলো।এখন আমি আমার শত্রুদের মোকাবেলা করবো কি করে? আমার প্রজাদের বিপদে আপদে তাদের নিকট ছুটে যাবে কি করে? মেহেরুনঃআমি এই বিষয়ে কথা বলতে এসেছি পিতা। আমাদের হাতি আর ঘোড়া গুলো যেভাবে মারা গেলো তাতে আমার মনে হচ্ছেনা যে শুধু মাত্র কোনো রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণে এগুলো মারা গেছে। এসবের পেছনে আমি রহস্যের গন্ধ পাচ্ছি। পিতাঃকি বলছো তুমি মা? রহস্য? মেহেরুনঃহ্যা পিতা। আমি খবর নিয়েছি রাজমহলে আপনি একজন নতুন কর্মী নিয়োগ করেছেন সেটা বেশিদিন হয়নি। পিতাঃহ্যা।কিন্তু তার সাথে এগুলোর কি সম্পর্ক? মেহেরুনঃসম্পর্ক আছে পিতা।আপনি অতি দয়া দেখাতে গিয়ে বোকামির পরিচয় দিয়েছেন পিতা। মাফ করবেন কথা বলার জন্য। কিন্তু আমি বলতে বাধ্য হলাম। পিতাঃতুমি কি বলতে চাইছো আমাকে পরিষ্কার করে বলো মেহেরুন। মেহেরুনঃপিতা আপনি একবার ভেবে দেখলেন না ঐ লোক কোনো ভীনদেশী চর ও হতে পারে।কারণ সে আমাদের রাজমহলে প্রবেশ করার পর দিন থেকে এই করুণ ঘটনাগুলো ঘটেছে। আপনি এতক্ষণে নিশ্চই বুঝতে পেরেছেন? পিতাঃহ্যা আমি বুঝতে পেরেছি।সেদিন তার মায়াভরা মুখ দেখে তার প্রতি আমার দয়া হয়েছিলো। কিন্তু একবারও তাকে যাচাই করে দেখার প্রয়োজন বোধ করলাম না।কি করে এতো বড় ভুল করলাম? তাকে এক্ষণি হাজির হতে বলো। মেহেরুনঃআপনি বলার আরো অনেক আগে আমি তাকে ডেকে পাঠিয়েছিলাম কিন্তু তিনি আসেননি। অন্যসব কর্মীরা বললো তাকে কাল রাত থেকে আর কোথাও দেখা যাইনি।

---

[<< পূর্ববর্তী অধ্যায়](https://golpohub.com/episodes/romantic-ottachar-s2-ep7) | [সিরিজ সূচি](https://golpohub.com/series/romantic-ottachar) | [পরবর্তী অধ্যায় >>](https://golpohub.com/episodes/romantic-ottachar-s2-ep9)