{
    "_links": {
        "html": "https://golpohub.com/episodes/sehser-patay-shuru-s1-ep13",
        "json": "https://golpohub.com/episodes/sehser-patay-shuru-s1-ep13?format=json",
        "markdown": "https://golpohub.com/episodes/sehser-patay-shuru-s1-ep13?format=md",
        "rss": "https://golpohub.com/episodes/sehser-patay-shuru-s1-ep13?format=rss",
        "atom": "https://golpohub.com/episodes/sehser-patay-shuru-s1-ep13?format=atom"
    },
    "seo": {
        "canonical_url": "https://golpohub.com/episodes/sehser-patay-shuru-s1-ep13",
        "title": "শেষের পাতায় শুরু পর্ব ১৩ - অবিশ্বাসের বিষাক্ত ছোবল | Sesher Patay Shuru Part 13",
        "description": "পড়ুন শেষের পাতায় শুরু পর্ব ১৩ (অবিশ্বাসের বিষাক্ত ছোবল)। শালিনীকে সাহায্য করতে গিয়ে চন্দ্রিকার চরম ভুল বোঝাবুঝি ও বিচ্ছেদের করুণ অধ্যায়।",
        "keywords": "শেষের পাতায় শুরু পর্ব ১৩, sesher patay shuru porbo 13, sesher patay shuru part 13, sehser patay shuru episode 13, sesher patay shuru part 13 link, রিশু, শালিনী, চন্দ্রিকা, ভুল বোঝাবুঝি",
        "image_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-chapter-2486-d8850e.webp",
        "schema": {
            "@context": "https://schema.org",
            "@graph": [
                {
                    "@type": "Chapter",
                    "name": "অবিশ্বাসের বিষাক্ত ছোবল",
                    "position": 13,
                    "description": "বন্ধুর বিশ্বাসঘাতকতায় বিধ্বস্ত শালিনীকে আশ্রয় দিয়ে নিজের ফ্ল্যাটে নিয়ে আসে রিশু। কিন্তু ভুল সময়ে সেখানে পৌঁছে চন্দ্রিকা যে নোংরা সন্দেহ ছুঁড়ে দেয়, তার জবাবে রিশু কি নিজের আত্মসম্মান বিসর্জন দেবে?",
                    "url": "https://golpohub.com/episodes/sehser-patay-shuru-s1-ep13",
                    "inLanguage": "bn",
                    "timeRequired": "PT11M",
                    "datePublished": "2026-09-14T16:50:40+00:00",
                    "dateModified": "2026-09-14T16:54:33+00:00",
                    "wordCount": 1652,
                    "image": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-chapter-2486-d8850e.webp",
                    "accessibilityFeature": [
                        "readingOrder",
                        "structuralNavigation",
                        "displayTransformability",
                        "uncontracted"
                    ],
                    "accessibilityControl": [
                        "fullKeyboardControl",
                        "fullTouchControl"
                    ],
                    "accessibilityHazard": [
                        "none"
                    ],
                    "potentialAction": {
                        "@type": "ReadAction",
                        "target": "https://golpohub.com/episodes/sehser-patay-shuru-s1-ep13"
                    },
                    "isPartOf": {
                        "@type": [
                            "BookSeries",
                            "CreativeWorkSeries"
                        ],
                        "name": "শেষের পাতায় শুরু",
                        "url": "https://golpohub.com/series/sehser-patay-shuru"
                    },
                    "author": {
                        "@type": "Person",
                        "name": "পিনুরাম",
                        "url": "https://golpohub.com/authors/pinuram"
                    }
                },
                {
                    "@type": "BreadcrumbList",
                    "itemListElement": [
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 1,
                            "name": "Golpo Hub",
                            "item": "https://golpohub.com"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 2,
                            "name": "সিরিজসমূহ",
                            "item": "https://golpohub.com/series"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 3,
                            "name": "শেষের পাতায় শুরু",
                            "item": "https://golpohub.com/series/sehser-patay-shuru"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 4,
                            "name": "অবিশ্বাসের বিষাক্ত ছোবল",
                            "item": "https://golpohub.com/episodes/sehser-patay-shuru-s1-ep13"
                        }
                    ]
                }
            ]
        }
    },
    "filters": [],
    "data": {
        "id": 2486,
        "ep_number": 13,
        "title": "অবিশ্বাসের বিষাক্ত ছোবল",
        "slug": "sehser-patay-shuru-s1-ep13",
        "url": "https://golpohub.com/episodes/sehser-patay-shuru-s1-ep13",
        "reading_time": 11,
        "thumbnail_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-chapter-2486-d8850e.webp",
        "yt_video_id": null,
        "yt_video_url": null,
        "timestamps": {
            "published_at": "2026-09-14T16:50:40+00:00",
            "updated_at": "2026-09-14T16:54:33+00:00"
        },
        "meta": {
            "word_count": 1652,
            "seo_title": "শেষের পাতায় শুরু পর্ব ১৩ - অবিশ্বাসের বিষাক্ত ছোবল | Sesher Patay Shuru Part 13",
            "seo_description": "পড়ুন শেষের পাতায় শুরু পর্ব ১৩ (অবিশ্বাসের বিষাক্ত ছোবল)। শালিনীকে সাহায্য করতে গিয়ে চন্দ্রিকার চরম ভুল বোঝাবুঝি ও বিচ্ছেদের করুণ অধ্যায়।",
            "keywords": "শেষের পাতায় শুরু পর্ব ১৩, sesher patay shuru porbo 13, sesher patay shuru part 13, sehser patay shuru episode 13, sesher patay shuru part 13 link, রিশু, শালিনী, চন্দ্রিকা, ভুল বোঝাবুঝি",
            "characters_involved": [
                "অম্বরীশ (রিশু)",
                "শালিনী",
                "চন্দ্রিকা",
                "ইন্দ্রজিৎ"
            ]
        },
        "content": "এমবিবিএস পড়ার সময় থেকেই ইন্দ্রজিতের সাথে ওর পরিচয়, এক ব্যাচের বন্ধু। ডাক্তারি পাশ করার পরে ইন্দ্রজিত এক জুনিয়ার ডাক্তার, শালিনীর প্রেমে পাগল। ইন্দ্রজিতের বাড়ি চণ্ডীগড়ে আর শালিনী হরিদ্বারের মেয়ে। শালিনী বেশ মিশুকে মেয়ে অনায়াসে সবার সাথে মিশে যেতে পারত, রিশুকে দাদা হিসাবে সন্মান করত শালিনী। তবে ইন্দ্রজিতের একটা বদ অভ্যেস ছিল, কোন মেয়ে যদি একটু ওর দিকে ঢলে পড়ত তাহলে ইন্দ্রজিত নিজেকে একদম সামলাতে পারত না, কোন না কোন আছিলায় সেই মেয়ের সাথে প্রেমের ঢলানিতে ঢলে যেত। শালিনীর সাথে প্রেম করার সময়েও ওর এই স্বভাব বদলায়নি, এই নিয়ে শালিনীর সাথে অনেকবার ঝগড়া মন কষাকষি হয়েছে, রিশুও ওকে অনেকবার এইসব করতে বারন করেছে, কয়েক মাসের জন্য সব কিছু বন্ধ থাকার পরে আবার সেই পুরানো স্বভাব ফিরে আসে ইন্দ্রজিতের। বারবার বারন করা সত্ত্বেও শালিনীর অবর্তমানে ইন্দ্রজিত বেশ কয়েক জন মেয়ের সাথে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হয়েছিল, সেটা রিশুর অজানা ছিল না।\n\nসেদিন ওপিডিতে ডিউটি ছিল রিশুর, দুপুরের দিকে হটাত ওর হসপিটালে শালিনী এসে উপস্থিত, বলে যে ওর বাড়ির চাবি চাই। রিশু বুঝে যায় যে নিশ্চয় আবার ইন্দ্রজিতের সাথে রাগারাগি হয়েছে। শালিনীকে বাড়ির চাবি দিয়ে বুঝায় যে হসপিটাল থেকে ফিরে সোজা ইন্দ্রজিতের সাথে দেখা করে একটা ফয়সলা করবে। শালিনী বিশেষ কথা না বাড়িয়ে জল ভরা চোখে ওর হাত থেকে বাড়ির চাবি নিয়ে চলে যায়।\n\nবাড়ি ফিরতে সন্ধ্যে হয়ে যায় রিশুর, দরজায় নক করতেই দরজা খুলে যায়। বসার ঘরে পা রেখে শালিনীর বিধ্বস্ত চেহারা দেখে হতভম্ব হয়ে যায়। সোফার ওপরে ওর একটা শারট গায়ে অর্ধ শায়িত শালিনীকে দেখেই রিশুর মনে দুশ্চিন্তা জেগে ওঠে। শালিনী ওর দিকে ভগ্ন হৃদয়ে তাকায়, দুই চোখের কোলে জল টলমল করছে, এক হাতে মদের গেলাস অন্য হাতের দুই আঙ্গুলের মাঝে একটা আধা জ্বলা সিগারেট। ঘর ভর্তি সিগারেটের বোটকা গন্ধ যেটা রিশুর একদম সহ্য হয় না। শারটের সামনের দিকে বেশ কয়েকটা বোতাম খোলা, অনায়াসে বুঝে যায় যে ওই শারটের নিচে কিছুই পরে নেই শালিনী। এলোমেলো মাথার চুল, চোখে চুড়ান্ত নেশার ঘোর, ঘাড়ে গালে লাল দাগ মনে হয় দাঁতের, সুগোল মোটা ঊরুর ওপরে নখের আঁচর। মেঝের ওপরে শালিনীর পরনের পোশাক এদিকে ওদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে, সোফার পাশেই একটা অর্ধেক শেষ হয়ে যাওয়া মদের বোতল। শালিনীর এই অবস্থা দেখে রিশুর চোয়াল কঠিন হয়ে যায়, কিন্তু ওর নিজের ঘরের এই অবস্থার কারণ খুঁজে পায় না।\n\nরিশু ওর সামনে হাঁটু গেড়ে বসতেই রিশুর কলার ধরে কেঁদে ফেলে শালিনী, “ইওর সিস্টার ইজ আর হোড় ডক্টর অম্বরীশ, তোমার বোন একজন বেশ্যা হয়ে গেছে।”\n\nশালিনীর হাত থেকে মদের গেলাস কেড়ে নেয়, সিগারেট নিভিয়ে জিজ্ঞেস করে, “কি করেছ তুমি? তোমার এমন অবস্থা কেন?”\n\nচোয়াল চেপে কাঁপা গলায় উত্তর দেয় শালিনী, “আই ফাকড আ গাই, আমি একজনের সাথে সেক্স করেছি, ভাইয়া।” ভাঙা বুক নিয়ে পাগলের মতন হেসে ওঠে শালিনী, “যদি ইন্দ্রজিত অন্য মেয়ের সাথে শুতে পারে তাহলে আমি কেন পারব না? আমিও তাই অন্য একজনের সাথে সেক্স করেছি।” বলেই ওর বুকের ওপরে মাথা রেখে কেঁদে ফেলে।\n\nরিশু শালিনীর মুখ আঁজলা করে ধরে জিজ্ঞেস করে, “ইন্দ্রজিত কি করেছে?”\n\nউলটো হাতে চোখ নাক মুছে সম্পূর্ণ বিবরন দেয় শালিনী, “আমি কয়েক দিনের জন্য বাড়ি গিয়েছিলাম, আমার আজকে ফেরার কথাও ছিল না। গতদিন যখন ইন্দ্রজিতের সাথে কথা হল তখন আমার একটু সন্দেহ হয়েছিল, মনে হল কিছু একটা লুকাচ্ছে। আমিও রাতের বাস ধরে হরিদ্বার থেকে ওকে না বলেই রওনা দিলাম, সকালে এসে দিল্লী পৌঁছে সোজা বাড়ি গেলাম। আমাকে এই সময়ে বাড়ির দরজায় দেখতে পাবে সেটা একদম আশা করেনি। ভীষণ ভাবেই আশ্চর্য হয়ে যায় ইন্দ্রজিত, চেহারা ফ্যাকাসে হয়ে যায়। ওর ইতস্তত ভাব দেখেই বুঝতে পারি কিছু একটা লুকাচ্ছে। জিজ্ঞেস করলাম কি হয়েছে, সঠিক উত্তর দিতে পারল না। শোয়ার ঘরের দিকে যেতেই আমার পথ আটকে দাঁড়িয়ে পরল, আমার মাথায় রক্ত চেপে গেল, বুঝে গেলাম কামুক স্বভাবের সেই পুরানো ইন্দ্রজিত ফিরে এসেছে। ওকে ঠেলে দিয়ে দরজা খুলতেই দেখি আমার বিছানায় এক অর্ধ উলঙ্গ মেয়ে ঘুমিয়ে। আমার সারা শরীর ঘৃণায় রিরি করে জ্বলে উঠল, দিগ্বিদিক জ্ঞান শুন্য হয়ে ঘুমিয়ে থাকা মেয়েটাকে সপাটে এক চড় কসিয়ে দিলাম। ঘুমন্ত মেয়েটা হটাত করে ওইভাবে চড় খেয়ে ধরমর করে উঠে বসে। ইন্দ্রজিত আমাকে শান্ত করতে চেষ্টা করে, আমি ইন্দ্রজিতকে যথেচ্ছ গালিগালাজ করে জিনিস পত্র লন্ডভন্ড করে বেড়িয়ে এলাম বাড়ি থেকে। কি করব ভাইয়া, বলতে পার? আমি ত শুধুমাত্র ইন্দ্রজিতকেই মন থেকে ভালোবেসে ছিলাম ভাইয়া।”\n\nকথা গুলো শুনতে শুনতে রিশুর চোয়াল শক্ত হয়ে যায় রাগে। শালিনী তারপরে বলে, “বাড়ি থেকে বেড়িয়ে কোথায় যাবো, কারুর কাছে যেতে ইচ্ছে করল না। তারপরে ভাবলাম, আমার ভাইয়া আছে ওর বাড়িতে যাবো। তাই হসপিটাল গিয়ে তোমার কাছ থেকে চাবি নিয়ে তোমার বাড়ি চলে এলাম। বসে বসে অনেকক্ষণ কাঁদলাম, কিন্তু মন কে কিছুতেই সান্ত্বনা দিতে পারলাম না। আমিও ভাবলাম যে আমিও অন্যের সাথে শোব, ওকে দেখাব যে আমিও করতে পারি তখন হয়ত বুঝবে যে প্রেমে এইভাবে ভীষণ ধাক্কা খেলে কেমন লাগে। আমি ইন্টারনেট খুলে গিগোলো খুঁজলাম, খুঁজে পেলাম একটা ছেলেকে। বললাম যে টাকা দেব এসে আমার সাথে উদ্দম সেক্স করতে হবে। তোমরা ছেলেরা সব এক জাত, পায়ের মাঝের কুকুরটাকে সামলে রাখতে পার না। এক কথায় রাজি হয়ে গেল ছেলেটা, ওকে বললাম যে হুইস্কি আর সিগারেট নিয়ে এস। এল সে ছেলেটা, জানি না কে, নামটাও হয়ত ভুয়ো।” দুই চোখে অঝোর ধারায় বন্যা বয়ে চলেছে শালিনীর, রিশুর বুকের ওপর আছড়ে বলে, “আই হ্যাড আ অয়াইল্ড সেক্স, পাগলের মতন সেক্স করেছে আমার সাথে। আমি ছেলেটাকে খুব মেরেছি আর গালাগালি দিয়েছি, চুপ করে সব শুনে গেছে। আমি সেই ভিডিও ইন্দ্রজিত কে পাঠিয়ে দিয়েছি।”\n\nসব কিছু শোনার পরে দীর্ঘশ্বাস ফেলে রিশু, ইন্দ্রজিতের ওপরে ভীষণ ক্রোধে সারা শরীর জ্বলে ওঠে। এই অচেনা দেশে কেউই কারুর হয় না, সবাই কোন মতলবে বন্ধুত্ত পাতায়, সেখানে ইন্দ্রজিতের সাথে একমাত্র ওর ভালো সম্পর্ক ছিল। সেই সুত্রে শালিনীর সাথে খুব ভালো সম্পর্ক হয়ে যায় রিশুর। যতদিন শালিনীর সাথে ওর প্রেম হয়নি ততদিন রিশু ওকে বারন করত না। কিন্তু শালিনীর সাথে প্রেম করার পরে রিশু বারন করে অন্য মেয়েদের দিকে তাকাতে, অন্য কোন মেয়ের সাথে সম্পর্ক রাখতে। হটাত ছেলেটার কি যে হয়ে গেল, এবারে শেষ বারের মতন একটা বোঝা পরা করতে হবে ওর সাথে।\n\nইন্দ্রজিতের সাথে এখুনি একবার কথা বলা দরকার, ফোন উঠাতেই শালিনী ওর হাত থেকে ফোন কেড়ে নিয়ে বলে, “না ভাইয়া আর নয় আর তুমি ওকে ফোন করবে না। ওর সাথে আমার সব সম্পর্ক শেষ হয়ে গেছে।”\n\nরিশু ওকে বুঝানোর শেষ চেষ্টা করে বলে, “তাও একবার ওর সাথে কথা বলতে দাও।”\n\nশালিনীর চোখ জোড়া বুজে আসে, মাথা ধরে টলে পরে রিশুর দিকে, সেই সাথে হড়হড় করে বমি করে দেয়। রাগে দুঃখে এতক্ষন যত মদ খেয়েছিল সব রিশুর গায়ের ওপরে বমি করে দেয়। থরথর করে বার কয়েক সকেঁপে ওঠে শালিনীর দেহ, বমি করে চোখ বুজে নিস্তেজ হয়ে ঢলে পরে রিশুর গায়ের ওপরে। নিজের দিকে তাকিয়ে দেখে রিশু, সারা জামায় বমির দুর্গন্ধে রিরি করে ওঠে ওর শরীর। তাও নিস্তেজ হয়ে যাওয়া শালিনীর দেহ পাঁজাকোলা করে তুলে বিছানায় নিয়ে গিয়ে শুয়েই দেয়। বমি করে এতটাই নিস্তেজ হয়ে পড়েছিল শালিনী যে চোখ খুলে দেখার মতন শক্তি টুকুও ছিল না ওর দেহে। শালিনীকে বিছানায় শুইয়ে দিয়ে বাথরুমে ঢুকে তোয়ালে ভিজিয়ে নিয়ে এসে চোখ মুখ মুছিয়ে দেয়। শালিনী ততক্ষনে গভীর ঘুমে তলিয়ে যায়। বুক ভরে শ্বাস নিয়ে শালিনীর দিকে তাকিয়ে দেখে, ঊরুর ভেতর দিকের নরম মাংসে, দুই পেলব বাজুতে নখের আঁচর, ঘাড়ে কাঁধে দাঁতের দাগ, মেয়েটাকে সেই ছেলেটা নরখাদক রাক্ষসের মতন সম্ভোগ করেছে। চোখ ফেটে জল বেড়িয়ে আসার যোগার হয় ওর।\n\nবাথরুমে ঢুকে জামা কাপড় খুলে স্নান সেরে বেড়িয়ে আসতেই আরো এক আশাতীত চমক ওর জন্যে ওর বসার ঘরে অপেক্ষা করেছিল, চন্দ্রিকা। ঘরে ঢুকে শালিনীর ওই অবস্থা দেখে হয়ত দরজা বন্ধ করতেই ভুলে গিয়েছিল রিশু। চন্দ্রিকার চোখের দিকে তাকিয়ে রিশু বুঝে যায় যে ওর ঘরের এই দুরাবস্থা দেখে ওর মনের মধ্যে হাজার প্রশ্নের ঝড় উঠেছে।\n\nচোয়াল চেপে কাঁপা কন্ঠে জিজ্ঞেস করে রিশুকে, “এসবের মানে কি অম্বরীশ?”\n\nরিশু তোয়ালে দিয়ে মাথা মুছতে মুছতে মুচকি হেসে বলে, “কেমন আছো?”\n\nঝাঁঝিয়ে ওঠে চন্দ্রিকা, “এসবের মানে কি অম্বরীশ?”\n\nচড়া গলার আওয়াজ শুনে দাঁড়িয়ে পরে রিশু, ওর দিকে হাত তুলে থামিয়ে বলে, “কিসের মানে জানতে চাইছ?”\n\nমেঝের ওপরে ছড়ান শালিনীর জামাকাপড় আর মেঝেতে পড়া মদের বোতল দেখিয়ে বলে, “তুমি নাকি ড্রিঙ্ক কর না, তুমি নাকি সিগারেট খাও না? আর এই মেয়েদের পোশাক এইভাবে তোমার মেঝেতে ছড়িয়ে?” শোয়ার ঘরের মধ্যে উঁকি মেরে দেখে বিছানায় অর্ধ নগ্ন শালিনী রিশুর একটা জামা গায়ে বেহুঁশ হয়ে ঘুমিয়ে। কাঁপা কন্ঠে চাপা চেঁচিয়ে ওঠে রিশুর দিকে, “শেষ পর্যন্ত তুমি আমার সাথে...”\n\nরিশু চোয়াল চেপে দাঁত পিষে উত্তর দেয়, “তুমি যা ভাবছ তার বিন্দুমাত্র কিছুই সত্য নয়। এইসব দেখে তুমি যা ধারনা করছ ……”\n\nছলছল চোখে চেঁচিয়ে ওঠে চন্দ্রিকা, “আমি যা দেখছি তা সব মিথ্যে? সেই দুপুর থেকে তোমাকে ফোন করে যাচ্ছি, এক বারের জন্যেও আমার ফোন রিসিভ করনি। তুমি ব্যাস্ত জানি তাই ভেবেছিলাম বাড়ি ফিরলে একটু গল্প করব, কিন্তু তুমি যে এইভাবে এত ব্যাস্ত সেটা ঘুনাক্ষরেও টের পাইনি। তুমি কি না শেষ পর্যন্ত নিজের বেস্ট ফ্রেন্ডের প্রেমিকার সাথে সেক্স করলে?”\n\nভীষণ রেগে যায় রিশু, চন্দ্রিকার দিকে আঙ্গুল তুলে গর্জে ওঠে, “চুপ, একদম চুপ, আগে আমার কথা ঠিক করে শোন তারপরে নিজের কথা বলবে।”\n\nচন্দ্রিকা কিছুই শুনতে নারাজ, চেঁচিয়ে ওঠে রিশুর দিকে, “কি ভাবতে বলছ অম্বরীশ, তোমার বিছানায় তোমার জামা পরে শালিনী শুয়ে রয়েছে, দেখেই বোঝা যায় ওর গায়ে শারট ছাড়া আর কিছুই নেই। এইদিকে তুমি শুধু মাত্র একটা তোয়ালে কোমরে জড়িয়ে দাঁড়িয়ে আছ। শালিনীর জামা কাপড় থেকে পরনের অন্তর্বাস পর্যন্ত তোমার ঘরের মেঝেতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে। সিগারেট আর মদের গন্ধে ঘরে টেকা দায়। এইসব দেখার পরেও তুমি বলবে যে তুমি কিছু করনি? তুমি নাকি শালিনীকে বোন বলে ডাকো? ও নাকি তোমাকে রাখী পড়িয়েছে, এই তোমাদের ভাই বোনের সম্পর্ক?”\n\nশেষের কথাটা কানে যেতেই মাথায় রক্ত চেপে যায় রিশুর, চোয়াল চেপে চন্দ্রিকার দিকে আঙ্গুল তুলে দরজা দেখিয়ে বলে, “তোমার যখন আমার প্রতি কোন বিশ্বাস নেই, তুমি যখন আমার কথা কিছু শুনতে চাইছ না তখন বেড়িয়ে যাও বাড়ি থেকে। মিস চন্দ্রিকা পশুপতি, আমার মা ছাড়া অন্য কারুর কাছে আমি জবাবদিহি দিতে নারাজ। আমি আজ পর্যন্ত আমার মা ছাড়া অন্য কারুর সামনে মাথা নত করিনি, এমন কি পাপার সামনেও নয়। তবে যাওয়ার আগে একটা কথা জেনে রাখো, ভুল আমি নই ভুল তুমি করছ।”\n\nখোলা দরজা দিয়ে ভাঙা বুক নিয়ে সেদিন বেড়িয়ে যায় চন্দ্রিকা, সেদিনের পরে আর কোনদিন ওদের দেখা হয়নি, সেটাই ছিল ওদের শেষ দেখা। চন্দ্রিকা বেড়িয়ে যাওয়ার পরে অনেকক্ষণ চুপচাপ বসেছিল রিশু, রাগে দুঃখে সারা শরীর জ্বলে উঠেছিল ওর, ভালোবাসার অপর নাম বিশ্বাস, সেই বিশ্বাস যখন নেই তখন ভালোবাসার ওপর থেকে বিশ্বাসটাই চলে যায়। রিশু এটাও বুঝতে পেরেছিল যে চন্দ্রিকা কোনদিন হয়ত কোলকাতা যেত না, হয়ত ওকে জোর করত দিল্লীতেই থেকে যেতে, ওর বাড়ির সাথে যে মানিয়ে নিতে পারবে না সেটা অবশ্য অনেক আগেই বুঝে গিয়েছিল রিশু। সেদিন প্রতিজ্ঞা করে রিশু আর কাউকে প্রেম করবে না, কোন তৃতীয় ব্যাক্তিকে নিজের পরিবারের মধ্যে টেনে আনবে না।",
        "series": {
            "id": 70,
            "title": "শেষের পাতায় শুরু",
            "slug": "sehser-patay-shuru",
            "url": "https://golpohub.com/series/sehser-patay-shuru",
            "thumbnail_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/series-sesher-patay-suru-70-3cb003.webp",
            "progress_status": "completed"
        },
        "author": {
            "id": 22,
            "name": "পিনুরাম",
            "slug": "pinuram",
            "url": "https://golpohub.com/authors/pinuram",
            "avatar_url": "https://cdn.golpohub.com/avatars/pinuram-22-995484.webp",
            "bio": "পিনুরাম বাংলা কথাসাহিত্যের এক সংবেদনশীল ও মননশীল রূপকার। মানবজীবনের টানাপোড়েন, দায়িত্ববোধের কঠিন আত্মত্যাগ এবং সামাজিক শৃঙ্খলের ভেতর লুকিয়ে থাকা সূক্ষ্ম অনুভূতির রূপায়ণে তাঁর লেখনী অনন্য। তাঁর চরিত্ররা আবেগতাড়িত ভুলের ভেতর দিয়ে হেঁটে এসে অবশেষে গভীর আত্মোপলব্ধি ও দায়িত্বশীল মানবিকতায় পূর্ণতা পায়। বাস্তব জীবনের জটিল মনস্তত্ত্ব ও আত্মশুদ্ধির মেলবন্ধনে গড়ে ওঠা তাঁর গল্পগুলো পাঠকদের চিত্তে শুভ ও ইতিবাচক চেতনার বিস্তার ঘটায়।",
            "series_count": 0,
            "meta": {
                "bio": "পিনুরাম বাংলা কথাসাহিত্যের এক সংবেদনশীল ও মননশীল রূপকার। মানবজীবনের টানাপোড়েন, দায়িত্ববোধের কঠিন আত্মত্যাগ এবং সামাজিক শৃঙ্খলের ভেতর লুকিয়ে থাকা সূক্ষ্ম অনুভূতির রূপায়ণে তাঁর লেখনী অনন্য। তাঁর চরিত্ররা আবেগতাড়িত ভুলের ভেতর দিয়ে হেঁটে এসে অবশেষে গভীর আত্মোপলব্ধি ও দায়িত্বশীল মানবিকতায় পূর্ণতা পায়। বাস্তব জীবনের জটিল মনস্তত্ত্ব ও আত্মশুদ্ধির মেলবন্ধনে গড়ে ওঠা তাঁর গল্পগুলো পাঠকদের চিত্তে শুভ ও ইতিবাচক চেতনার বিস্তার ঘটায়।",
                "phone": null,
                "gender": "male",
                "address": {
                    "country": "India"
                },
                "birth_date": null,
                "social_links": [],
                "pen_name": "পিনুরাম",
                "aliases": [
                    "Pinuram",
                    "Pinu Ram"
                ]
            },
            "timestamps": {
                "created_at": null,
                "updated_at": null
            }
        },
        "navigation": {
            "previous_episode": {
                "id": 2485,
                "ep_number": 12,
                "title": "মায়ের ছায়া বনাম অধিকার",
                "slug": "sehser-patay-shuru-s1-ep12",
                "url": "https://golpohub.com/episodes/sehser-patay-shuru-s1-ep12",
                "thumbnail_url": "https://golpohub.com/assets/images/og.jpg"
            },
            "next_episode": {
                "id": 2487,
                "ep_number": 14,
                "title": "অতীতের শেষ চিঠি",
                "slug": "sehser-patay-shuru-s1-ep14",
                "url": "https://golpohub.com/episodes/sehser-patay-shuru-s1-ep14",
                "thumbnail_url": "https://golpohub.com/assets/images/og.jpg"
            }
        }
    }
}