{
    "_links": {
        "html": "https://golpohub.com/episodes/sehser-patay-shuru-s1-ep54",
        "json": "https://golpohub.com/episodes/sehser-patay-shuru-s1-ep54?format=json",
        "markdown": "https://golpohub.com/episodes/sehser-patay-shuru-s1-ep54?format=md",
        "rss": "https://golpohub.com/episodes/sehser-patay-shuru-s1-ep54?format=rss",
        "atom": "https://golpohub.com/episodes/sehser-patay-shuru-s1-ep54?format=atom"
    },
    "seo": {
        "canonical_url": "https://golpohub.com/episodes/sehser-patay-shuru-s1-ep54",
        "title": "শেষের পাতায় শুরু পর্ব ৫৪ - বৃষ্টির রাতে কঠিন চপেটাঘাত | Sesher Patay Shuru Part 54",
        "description": "পড়ুন শেষের পাতায় শুরু পর্ব ৫৪ (বৃষ্টির রাতে কঠিন চপেটাঘাত)। বৃষ্টির রাতে রিতিকার চরম শিক্ষা ও রিশুর মনের মোহভঙ্গের চরম অধ্যায়।",
        "keywords": "শেষের পাতায় শুরু পর্ব ৫৪, sesher patay shuru porbo 54, sesher patay shuru part 54, sehser patay shuru episode 54, sesher patay shuru part 54 link, রিশু, রিতিকা, থাপ্পড়, মোহভঙ্গ",
        "image_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-chapter-2527-2c6aa9.webp",
        "schema": {
            "@context": "https://schema.org",
            "@graph": [
                {
                    "@type": "Chapter",
                    "name": "বৃষ্টির রাতে কঠিন চপেটাঘাত",
                    "position": 54,
                    "description": "ঝড়ের রাতে রিশুর ফ্ল্যাটে এসে রিতিকা যখন আবেগ ও নিঃসঙ্গতার মুখে এক অপ্রত্যাশিত চড় কষিয়ে বলে—'তুমি বই পড়তে জানো, মানুষ পড়তে শেখোনি!' তখন কি রিশু তার ভুলের গভীরতা বুঝতে পারবে?",
                    "url": "https://golpohub.com/episodes/sehser-patay-shuru-s1-ep54",
                    "inLanguage": "bn",
                    "timeRequired": "PT15M",
                    "datePublished": "2026-09-14T16:50:40+00:00",
                    "dateModified": "2026-09-14T16:54:33+00:00",
                    "wordCount": 2324,
                    "image": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-chapter-2527-2c6aa9.webp",
                    "accessibilityFeature": [
                        "readingOrder",
                        "structuralNavigation",
                        "displayTransformability",
                        "uncontracted"
                    ],
                    "accessibilityControl": [
                        "fullKeyboardControl",
                        "fullTouchControl"
                    ],
                    "accessibilityHazard": [
                        "none"
                    ],
                    "potentialAction": {
                        "@type": "ReadAction",
                        "target": "https://golpohub.com/episodes/sehser-patay-shuru-s1-ep54"
                    },
                    "isPartOf": {
                        "@type": [
                            "BookSeries",
                            "CreativeWorkSeries"
                        ],
                        "name": "শেষের পাতায় শুরু",
                        "url": "https://golpohub.com/series/sehser-patay-shuru"
                    },
                    "author": {
                        "@type": "Person",
                        "name": "পিনুরাম",
                        "url": "https://golpohub.com/authors/pinuram"
                    }
                },
                {
                    "@type": "BreadcrumbList",
                    "itemListElement": [
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 1,
                            "name": "Golpo Hub",
                            "item": "https://golpohub.com"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 2,
                            "name": "সিরিজসমূহ",
                            "item": "https://golpohub.com/series"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 3,
                            "name": "শেষের পাতায় শুরু",
                            "item": "https://golpohub.com/series/sehser-patay-shuru"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 4,
                            "name": "বৃষ্টির রাতে কঠিন চপেটাঘাত",
                            "item": "https://golpohub.com/episodes/sehser-patay-shuru-s1-ep54"
                        }
                    ]
                }
            ]
        }
    },
    "filters": [],
    "data": {
        "id": 2527,
        "ep_number": 54,
        "title": "বৃষ্টির রাতে কঠিন চপেটাঘাত",
        "slug": "sehser-patay-shuru-s1-ep54",
        "url": "https://golpohub.com/episodes/sehser-patay-shuru-s1-ep54",
        "reading_time": 15,
        "thumbnail_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-chapter-2527-2c6aa9.webp",
        "yt_video_id": null,
        "yt_video_url": null,
        "timestamps": {
            "published_at": "2026-09-14T16:50:40+00:00",
            "updated_at": "2026-09-14T16:54:33+00:00"
        },
        "meta": {
            "word_count": 2324,
            "seo_title": "শেষের পাতায় শুরু পর্ব ৫৪ - বৃষ্টির রাতে কঠিন চপেটাঘাত | Sesher Patay Shuru Part 54",
            "seo_description": "পড়ুন শেষের পাতায় শুরু পর্ব ৫৪ (বৃষ্টির রাতে কঠিন চপেটাঘাত)। বৃষ্টির রাতে রিতিকার চরম শিক্ষা ও রিশুর মনের মোহভঙ্গের চরম অধ্যায়।",
            "keywords": "শেষের পাতায় শুরু পর্ব ৫৪, sesher patay shuru porbo 54, sesher patay shuru part 54, sehser patay shuru episode 54, sesher patay shuru part 54 link, রিশু, রিতিকা, থাপ্পড়, মোহভঙ্গ",
            "characters_involved": [
                "অম্বরীশ (রিশু)",
                "রিতিকা"
            ]
        },
        "content": "রেস্তোরাঁ থেকে বেড়িয়ে রিতিকা রিশুকে নিয়ে মার্কেটে যায়। তিন জোড়া উলের মোজা, একটা ছোট টুথপেস্ট আরো কিছু জিনিসপত্র কিনে বাড়ি ফেরে রিতিকা আর রিশু। আকাশটা একটু মেঘলা করে এসেছে। এই শীতে যদি বৃষ্টি হয় তাহলে রাতে অনেক ঠান্ডা পরবে। সারাটা রাস্তা, রিশুর পিঠ ঘেঁষে চুপ করে বসে থাকে রিতিকা। কারুর মুখে কোন কথা নেই। রিতিকার মাথায় হেলমেট ছিল না, তাই বাইক চালানর সময়ে মাঝে মাঝেই ওর মুখের ওপরে রিতিকার রেশমি চুলের পর্দা চলে আসে, সেই সাথে নাকে ভেসে আসে রিতিকার নধর লাস্যময়ী দেহপল্লবের মদির গন্ধ। বাড়ির সামনে বাইক থেকে নেমে রিতিকা ওর কাছ থেকে বাড়ির চাবি চেয়ে নেয়। রিতিকার হাতে বাড়ির চাবি ধরিয়ে দিয়ে বাইক পার্ক করে রিশু। বাইকটা পার্ক করার সময়ে ওর মনে হল অদুরে রাতের অন্ধকারে একটা স্কুটি দাঁড়িয়ে, স্কুটির ওপরে দুইজন বসে। অন্ধকারে তাদের ঠিক ভাবে দেখা গেল না। মাথা নাড়ায় রিশু, হয়ত ওর চোখের ভুল, হয়ত কোন প্রেমিক প্রেমিকা।\n\nসিঁড়ির দিকে তাকাতেই রিশুর বুকের ভেতরটা ছ্যাঁত করে ওঠে। অর্ধেক সিঁড়ি উঠে, সিঁড়ির আধো আলো আঁধারে দাঁড়িয়ে তীব্র আকর্ষণীয় এক সুন্দরী ললনা। কাজল কালো টানা টানা চোখের ভাষায় সম্মোহিত করে তোলে রিশুকে। মেরুন রঙের ঠোঁট জোড়া অল্প মেলে ধরে চাঁপার কলি কোমল আঙ্গুল ওর দিকে নাড়িয়ে ডাক দেয়।\n\nরিশুর ব্যাথিত হৃদয়, সেই দৃশ্য দেখে মাথা দুলিয়ে হেসে ফেলে, “চলো, দাঁড়িয়ে কেন?”\n\nরিতিকা ওর দিকে ডান হাতের তর্জনী নাড়িয়ে কাছে ডেকে বলে, “আমি একা একা কি করে যাবো?”\n\nরিশু হেসে ফেলে, “ইয়ার্কি মেরো না।”\n\nখিলখিল করে হাসতে হাসতে রিশুর বাজুর ওপরে ঢলে পরে রিতিকা, “ইসসস, একটু ইয়ার্কিও মারা যাবে না।”\n\nবাড়িতে ঢুকে, খাওয়ার টেবিলের ওপরে কিনে আনা জিনিস গুলো রেখে দেয় রিতিকা। রিশু শোয়ার ঘর দেখিয়ে দিতেই রিতিকা হেসে জানিয়ে দেয় যে ওর বাড়িতে এর আগেও দুইবার এসেছে। গায়ের অভারকোট খুলতে খুলতে শোয়ার ঘরে ঢুকে পরে রিতিকা। আলমারি খুলে ঝিনুকের জামা কাপড় গুলোর দিকে তাকিয়ে থাকে। পাট পাট করে বেশ সুন্দর করে সাজানো ঝিনুকের জামা কাপড়। আলমারির দরজার একটা আংটাতে রিশুর একটা হাল্কা রঙ ওঠা কমলা রঙের শার্ট দেখতে পেল। সেটাই হাতে নিয়ে বেড়িয়ে এলো রিতিকা। রিশুর দিকে দেখে ওর সুটকেস আর কি কি নেবে সেইগুলো বের করে রাখতে বলে বাথরুমে ঢুকে পরে। দিন দশেকের মতন থাকতে হবে বাইরে, তাই আলমারি খুলে বেশ কয়েকটা জামা আর প্যান্ট বার করে। মেডিকেল সেমিনার আর ওয়ার্কশপ, তাই হাল্কা রঙের শার্ট বার করে।\n\nরুম হিটার চালিয়ে দেয় রিশু। নিজের জামা কাপড় নিয়ে বসার ঘরে এসে রিতিকার অপেক্ষা। বেশ কিছুক্ষন পরে বাথরুম থেকে বেড়িয়ে আসে রিতিকা। পরনে ওর শার্ট দেখে কিঞ্চিত আশ্চর্য হয়ে যায় রিশু। মসৃণ মরলি গর্দানে একটা পাতলা সোনার চেন। পরনে শুধু মাত্র রিশুর শার্ট ছাড়া আর কিছুই নেই। শার্টটা রিতিকার নধর সুগোল নিটোল নিতম্ব জোড়া কোনমতে ঢাকতে সক্ষম। পাতলা কোমরের নিচে নিতম্ব জোড়া একটু বেশি করেই যেন ঠেলে বেড়িয়ে গেছে পেছনের দিকে। মাথায় ঢালাও কালো মেঘের মতন চুল। ওপরের বেশ কয়েকটা বোতাম খোলা, ফর্সা মসৃণ গভীর উপরিবক্ষে আর গভীর স্তনের মাঝের খাঁজে আলো আঁধারের খেলা চলছে। কালো ব্রার কিছু অংশ উঁকি মারে বোতাম খোলা শার্টের ভেতর থেকে। নিটোল পীনোন্নত স্তন জোড়া ভীষণ ভাবে আঁটো রক্ত লাল রঙের ব্রার বাঁধন থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ছটফট করছে। শার্টের নিচ থেকে অনাবৃত মসৃণ সুগোল থামের মতন ঊরু জোড়া সরু হয়ে নেমে গেছে পাতলা গোড়ালিতে। ঝিনুকের মতন ওর পায়ের গোড়ালিতে রুপোর নুপুর বাঁধা নেই তবে বাঁ পায়ের গোড়ালিতে একটা কালো সুতো বাঁধা। রিতিকা ঝিনুকের মতন অতটা ফর্সা না হলেও ওকে ফর্সা বলাই চলে। দুই নয়নে এক অজানা আকর্ষণ আর একটু লজ্জা নিয়ে ওর দিকে তাকিয়ে থাকে রিতিকা। ঠোঁট জোড়ায় আর সেই মেরুন রঙ নেই, মুখ ধোয়ার ফলে গোলাপি আকর্ষণীয় ফোলা নরম অধর জুরে লোভনীয় লাজুক হাসি মাখা।\n\nনিচের ঠোঁট কেটে রিশুর দিকে তাকাতে গিয়েও চোখ নামিয়ে বলে, “এই একদম ওইভাবে আমার দিকে তাকাবে না কিন্তু।”\n\nরিতিকার মদির কন্ঠ শুনে বুকের বাম দিকে তুষের আগুন জ্বলে ওঠে রিশুর। মাথা নাড়িয়ে সেই আগুন নিভিয়ে মুচকি হেসে ওকে বলে, “তুমি আমার শার্ট পড়লে?”\n\nরিতিকা তীব্র লাস্যময়ী দেহ পল্লবে রম্ভার মতন সারা অঙ্গে ঢেউ তুলে, শোয়ার ঘরের দিকে এগিয়ে যেতে যেতে ওকে বলে, “তুমি যাও তো বাথরুমে।” বাম হাতে বুকের খোলা বোতাম চেপে ধরে ডান হাতে চপেটা ঘাতের ইশারা করে বলে, “না হলে কিন্তু...”\n\nরিশু বাথরুমের দিকে এগিয়ে যেতে যেতে বলে, “বিছানায় আমার সব জিনিস রাখা আছে। আমি এই দুই মিনিটে স্নান সেরে এসে তোমায় হেল্প করছি।”\n\nএকটু আশ্চর্য হয়ে যায় রিতিকা, বড় বড় চোখ করে ওকে প্রশ্ন করে, “এই রাত দশটায় তুমি স্নান করবে?”\n\nবাথরুমের দরজায় দাঁড়িয়ে ওকে উত্তর দেয়, “হ্যাঁ, হসপিটাল থেকে ফিরে আমাকে স্নানে যেতেই হয় না হলে ভালো লাগে না।”\n\nরিশু ঢুকে পরে বাথরুমের মধ্যে। আয়নার সামনে আবার সেই দাঁড়িয়ে পরে। মুচকি হাসে নিজেকে দেখে। হ্যালো বস কি খবর?\n\nপ্রতিফলন উত্তর দেয়, চলছে এই আর কি।\n\nরিশু প্রশ্ন করে, সত্যি কি দুধ আর লেবু মিলতে পারে?\n\nপ্রতিফলন উত্তর দেয়, না, একদম সম্ভব নয়। কিন্তু ঝিনুক যে তোমার বাড়িতে চলে গেছে?\n\nভুরু কুঁচকে কিছুক্ষন আয়নায় তাকিয়ে তারপরে বলে, মুশকিল ব্যাপার আর সেটা একটা ভীষণ ভয়ের কারণ।\n\nপ্রশ্ন করে ওর প্রতিফলন, ভয় কেন ভয়?\n\nরিশু উত্তর দেয়, জানি না তবে একটা অজানা আশঙ্কায় বুক দুরু দুরু করছে।\n\nচিন্তিত ওর প্রতিফলন, বটে। মাম্মাকে কি বলবে?\n\nএকটু ভাবে রিশু, এখন ভাবিনি। একটা ঘোরের মধ্যেই রয়েছি। লন্ডন থেকে ফিরে সিদ্ধান্ত নেব। তবে আমি শেষ বারের মতন বলছি...\n\nহেসে ফেলে ওর প্রতিফলন, দুধে লেবুতে মিশতে পারে না। এই তো?\n\nহেসে ফেলে রিশু, হ্যাঁ।\n\nস্নান সেরে বাইরে এসে দেখে যে বিছানার ওপরে সুটকেস খুলে এক এক করে জিনিসপত্র গুছাতে ব্যাস্ত রিতিকা। সামনের দিকে ঝুঁকে যাওয়ার ফলে নিটোল ভারী নিতম্ব জোড়ার ওপর থেকে শার্ট সরে গেছে। পেছনের দিকে ভীষণ অসভ্যের মতন উঁচিয়ে দুই নিটোল অনাবৃত বর্তুল। ফর্সা মসৃণ ভারী নিতম্বের ত্বকের ওপরে ঘরের আলো পিছল খেয়ে পড়ছে। নিতম্বের খাঁজের মাঝে আটকা পরে থাকা ছোট লাল প্যান্টিটা হারিয়ে গেছে। সেই অনাবৃত সুগোল নিতম্ব দেখে রিশুর তলপেটের পেশিতে একটা টান অনুভব হয়। এই অনুভূতি অজানা নয় রিশুর। দেহের ধমনীতে ইতিমধ্যে রক্ত চলাচল বেড়ে গেছে। গলা খ্যাঁকরে নিজের জানান দিতেই সজাগ হয়ে যায় রিতিকা। সঙ্গে সঙ্গে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে নিতম্বের ওপরে জামাটা টেনে ধরে নিজেকে রিশুর কামুক দৃষ্টি থেকে অসহায়ের মতন বাঁচাতে বৃথা প্রচেষ্টা করে। রিতিকার তীব্র লোভনীয় দেহবল্লরির শোভা দেখে রিশুর চোখে লাগে আগুন।\n\nরিতিকা দুই পা পিছিয়ে গিয়ে রিশুকে জিজ্ঞেস করে, “তোমার স্নান হল?”\n\nমাথা দোলায় রিশু, “হ্যাঁ। তোমার গুছানো হল?”\n\nরিতিকা বিছানার ওপরে সুটকেস দেখিয়ে ওকে বলে, “হ্যাঁ মোটামুটি, তুমি একবার দেখে নাও সব কিছু।”\n\nসুটকেসের মধ্যে একবার চোখ বুলিয়ে নেয় রিশু। সুচারু ভাবে রিতিকা ওর সুটকেস গুছিয়ে দিয়েছে। সেদিন ঝিনুকও ঠিক এইভাবে অতি নিপুণ হাতে ওর সুটকেস গুছিয়ে দিয়েছিল। মনে মনে হেসে ফেলে রিশু, দুই লাস্যময়ী কমনীয় সুন্দরীর মধ্যে পার্থক্য বিশেষ নেই। একজন একটু বেশি বালিকা সুলভ চরিত্রের অন্যজনে একটু পরিপক্ক।\n\nরিতিকা আরো দুই পা পিছিয়ে রিশুকে জিজ্ঞেস করে, “কাল ডিউটি আছে নাকি?”\n\nবিছানার ওপরে খোলা সুটকেস বন্ধ করতে করতে মাথা দোলায় রিশু, “না, কাল অফ নিয়েছি।”\n\nরিতিকা প্রশ্ন করে, “কখন বের হবে?”\n\nরিশু উত্তর দেয়, “এই ধর সাতটা নাগাদ। ইমিগ্রেশানে সময় লেগে যাবে।”\n\nবুকের ওপরে হাত ভাঁজ করে রিশুর চোখের দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে বলে, “জানো তোমরা যেদিন দিল্লী পৌঁছালে, সেদিন আমি ফোন করেছিলাম?”\n\nরিশুর মনে পরে যায়, হ্যাঁ সেদিন একজন কেউ ঝিনুকের বান্ধবী ফোন করেছিল বটে। রিশু ওকে বলে, “সেটা তুমি ছিলে?”\n\nমাথা দোলায় রিতিকা, “হ্যাঁ, আমি ছিলাম।” একটু থেমে বলে, “জানো তখন আমার মধ্যে সেই কলেজের প্রতিদ্বন্দ্বী কাজ করছিল।” বলেই হেসে ফেলে রিতিকা।\n\nরিশুও হেসে ফেলে, “বাপ রে, তাহলে তো বড় মুশকিল।”\n\nরিতিকা কিছুক্ষন রিশুর দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করে, “কি ভাবলে শেষ পর্যন্ত?”\n\nমাথা নাড়ায় রিশু, “দেখো সত্যি বলছি এখন কোন কিছু ভাবছি না। আমার সেমিনার সব থেকে আগে তারপরে ফিরে এসে দেখা যাবে কি হবে।”\n\nকিছুক্ষন চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকার পরে রিতিকা ওর দিকে এগিয়ে আসে। একদম ওর সামনে দাঁড়িয়ে ওর দিকে মুখ তুলে চেয়ে থাকে। রিতিকার পীনোন্নত নিটোল উদ্ধত স্তন জোড়ার উষ্ণতা জামা ছাপিয়ে রিশুর ছাতির ওপরে অগ্নিবর্ষণ করে। হাল্কা গোলাপি রসালো অধর জোড়া তিরতির করে কেঁপে ওঠে। দুই ভাসা ভাসা নয়ন যেন কিছু বলতে চায় রিশুকে। রিশুর মাথা নেমে আসে রিতিকার মুখের ওপরে। রিতিকার শ্বাস ফুলতে শুরু করে দেয়।\n\nকাঁপা গলায় রিতিকা ওকে বলে, “রিশু, হাতের সোজা পিঠ দিয়ে যেমন আমরা লজ্জা পেলে আমাদের চোখ ঢাকি তেমন হাতের উল্টো পিঠ দিয়ে চোখের জল মুছি।” রিশুর পরনের গেঞ্জি দুই হাতে খামচে ধরে রিতিকা, “হাত কিন্তু হাত থাকে, রিশু।”\n\nরিশু গভীর ভাবেই রিতিকার দুই ভাসা ভাসা বাষ্পীভূত আঁখির দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করে, “তুমি সে হাত হবে?”\n\nহটাত করেই আকাশে গুড়গুড় চড়চড় ধ্বনি শুরু হয়ে যায় সেই সাথে রিশুর বুকের কাছে জড়সড় হয়ে আসে রিতিকা। রাতের অন্ধকারে আকাশের অবস্থা বোঝা যায়নি, কিন্তু শীতল হাওয়া বইছিল। ভুমধ্য সাগরের জলীয় হাওয়ায় মাঝে মাঝে দিল্লীতে শীতকালেও বৃষ্টি নামে। ঘরের লাইটটা একটু কেঁপে উঠল, সেই সাথে দুই নিঃসঙ্গ হৃদপিণ্ড। রিশু আঁজলা করে ধরে রিতিকার পান পাতার আকারের মুখ খানি। উষ্ণ হাতের ছোঁয়ায় রিতিকার চোখের পাতা ভারী হয়ে নেমে আসে বুকের ওপরে। রিতিকার শ্বাস ফুলে ওঠে আসন্ন উত্তেজনায়। কোমল পীনোন্নত স্তন জোড়ায় লাগে তীব্র কামনার ঢেউ। উষ্ণ হাতের পরশে রিতিকার কমনীয় দেহপল্লব মোমের মতন গলতে শুরু করে দেয়। রিশুর শরীরের ধমনীতে জ্বলে ওঠে কামাগ্নির লেলিহান শিখা। রিতিকার মুখ ছেড়ে দিয়ে কোমরে হাত রেখে নিজের দিকে টেনে আনে। সারা শরীরে কাঁটা দিয়ে ওঠে রিতিকার। একি হতে চলেছে ওর, এটা কি সত্যি রিতিকা চেয়েছিল? নিজের শরীর আর নিজের আয়ত্তে নেই। বাইরে ঝড়ের আওয়াজ শোনা যায় সেই সাথে বুকের মধ্যে ঝড় ওঠে রিশুর, তীব্র ঝঞ্ঝা, এই ঝঞ্ঝায় সব কিছু হারিয়ে দিতে চায় বুভুক্ষু প্রান। রিতিকার বন্ধ নয়নের কোল বেয়ে এক ফোঁটা জল অতি সরু ধারায় বেড়িয়ে আসে।\n\nমুখের ওপরে রিশুর উষ্ণ শ্বাসের ঢেউ বয়ে যেতেই ওর গেঞ্জি খামচে ধরে অস্ফুট ধরা গলায় বলে ওঠে, “নাহহহহ... আমি... নাহহহ...”\n\nতুলতুলে নরম সুগোল পেটের উপরে রিশুর কঠিন লিঙ্গের পরশে কেঁপে ওঠে রিতিকার নধর কমনীয় দেহবল্লরী। নিজের অজান্তেই রিতিকা রিশুর গলা জড়িয়ে ধরে প্রসস্থ বুকের ওপরে নিটোল দুই স্তন চেপে ধরে। ওর শরীর অবশ হয়ে এসেছে। চোখ খলার শক্তি হারিয়ে ফেলে রিতিকা। পাঁজর শুন্য হয়ে আসে ওর, সেই সাথে রিশুর বলশালী বাহুপাশে হারিয়ে যেতে ইচ্ছে করে প্রবল ভাবে। অবশ হয়ে আসা শরীর পায়ের পাতায় ভর দিয়ে রিশুর নেমে আসা ঠোঁটের সাথে নিজেকে মিশিয়ে দিতে প্রানপন চেষ্টা করে। ধিরে ধিরে রিতিকার বন্ধ ঠোঁট জোড়া খুলে যায়। রিশুর ঘাড় একদিকে কাত হয়ে যায়, চেপে ধরে পুরু ঠোঁট জোড়া রিতিকার সুমিষ্ট গোলাপি কোমল ঠোঁটের সাথে। রিশুর মাথার চুল দুই হাতে আঁকরে ধরে রিতিকা। দুই বলিষ্ট হাতে পিষে ধরে রিতিকার নধর কমনীয় শরীর। পাগলের মতন রিশু রিতিকাকে চুম্বনে চুম্বনে অস্থির করে তোলে। হেরে যাওয়া ভাঙা হৃদয় কিছু একটা খুঁজতে ভীষণ ব্যাস্ত। কামনা মদির রিতিকার দেহের মাঝে ঝিনুককে খুঁজতে চেষ্টা করে রিশু। রিতিকার কোমল নিচের ঠোঁট মুখের মধ্যে পুরে নিয়ে চুষে দেয় রিশু। দুষ্টু রিতিকা রিশুর মুখের মধ্যে জিব ঢুকিয়ে লালা দিয়ে ভিজিয়ে দেয় রিশুর মুখ। পাগলের মতন অস্থির চুম্বনে মেতে ওঠে দুই কাতর নর নারী। শরীরী কামনা নয়, বুকের মাঝে এক দাউদাউ করে জ্বলে ওঠা আগুন নেভানোর জ্বালা দুই প্রানকে তাড়িয়ে বেড়ায়।\n\nরিশুর মাথা রিতিকার কানের লতি, গাল ঘাড় গর্দানের উপরে নেমে আসে। পাগলের মতন চুমু খেতে শুরু করে দেয় রিতিকাকে। চুমু খেতে খেতেই রিশু একটানে নিজের গেঞ্জি খুলে ফেলে। রিতিকাকে ঠেলে দেয়ালের সাথে চেপে ধরে রিশু। রিশুর প্রসস্থ বুকের উপরে হাতের তালু মেলে ধরে নখের আঁচর কেটে দেয় রিতিকা। রিতিকার নখের আঁচরের সুখানুভূতি রিশুর শরীর তীব্র কামনার আগুনে দাউদাউ করে জ্বালিয়ে দেয়। রিতিকার দুই ভাসা ভাসা আঁধারে ঢাকা বেদনা মাখা চোখ জোড়া রিশুর পরাজিত পরাস্ত চোখের উপরে নিবদ্ধ।\n\nঠাস করে সজোরে একটা চড় কষিয়ে দেয় রিশুর গালে। রিতিকার দুই চোখে বন্যা, “তুমি যদি আমার ঝিনুকের রিশু না হতে পারো তাহলে তুমি আমার কেউ নয়।”\n\nমুখ চাপা দিয়ে দৌড়ে শোয়ার ঘর ছেড়ে বেড়িয়ে যায় রিতিকা। যেতে যেতে হাতে নিজের জামা কাপড় নিয়ে পাশের ঘরের মধ্যে ঢুকে যায়। পরাজিত রিশুর হাত মুঠো হয়ে আসে, সারা শরীর কাঁপতে শুরু করে দেয় ওর। মাথার চুল আঁকরে ধরে বিছানায় বসে পরে রিশু। কাকে হারাতে গিয়ে কাকে হারিয়ে বসলো? বাইরে প্রবল বৃষ্টি, বুকের মাঝে তাণ্ডব, পাশের ঘরে এক বিধ্বস্ত পরাজিত নারীর নিস্তব্দ ক্রদন। সব মিলিয়ে রিশুকে ছারখার করে দেয়। কতক্ষন ওইভাবে মাথা নিচু করে বসেছিল খেয়াল নেই রিশুর।\n\nওর সম্বিত ফেরে রিতিকার ধরা গলা শুনে, “আমি চললাম।”\n\nমাথা উঠিয়ে রিতিকার দিকে তাকায় রিশু। জামা কাপড় পরে তৈরি। হাতে ফাইল আর কাঁধে ব্যাগ নিয়ে তৈরি। চোখ জোড়া ফুলে গেছে এইটুকু কান্নায়, সারা চেহারায় ভীষণ এক বেদনার ছবি। ঘড়ি দেখে রিশু, রাত এগারোটা, গভীর রাত সেই সাথে বাইরে প্রবল বৃষ্টি।\n\nরিতিকার ওই বিধ্বস্ত রূপ দেখে রিশু হাত তুলে ওকে বলে, “না যেও না।”\n\nরিতিকা চেঁচিয়ে ওঠে ওর দিকে, “কেন থাকব?”\n\nরিশু নিচু গলায় বলে, “বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে।”\n\nরিতিকা চিবিয়ে চিবিয়ে বলে, “হয় হোক, তোমার কি যায় আসে তাতে।”\n\nরিশুর চোয়াল শক্ত হয়ে যায়, বিছানা ছেড়ে ওর দিকে এগিয়ে এসে চিবিয়ে চিবিয়ে বলে, “তুমি এখন নাটক করছ? তুমি তো ইচ্ছে করেই আমার জামা পরে...”\n\nকথাটা শেষ হওয়ার আগেই হাসিতে ফেটে পরে রিতিকা, কপালে করাঘাত করে বলে, “হ্যাহ... তোমার জন্য?” ওর দিকে আঙ্গুল তুলে বলে, “তুমি বুঝবে না। তুমি শুধু মাত্র বই পড়তে জানো, ডক্টর সান্যাল, মানুষ পড়তে এখন শেখোনি। ঝিনুকের জামা কাপড় গায়ে দিতে ইচ্ছে করছিল না আমার। ওর সাধ করে পাট পাট করে সাজিয়ে রাখা জামা কাপড় ভাঙতে ইচ্ছে করেনি আমার। ওর সাধের বাগান আমি ভাঙতে আসিনি, ডক্টর সান্যাল। যদি সেটাই করতে হত আমাকে তাহলে আলমারিতে ঝিনুকের অনেক সেক্সি লঞ্জারি ছিল, তোমার কাচা শার্ট ও ছিল। না, আমি তো শুধু মাত্র ... ছিঃ তোমার মানসিকতা। এই নাকি সার্জেন। আরো একটা কথা। সব মানুষের মা থাকে। মায়ের ওপরে কারুর কিছু বলার থাকে না। তবে কি জানো, ডক্টর সান্যাল, বিয়ের পরে বেশি মা মা করতে নেই। তখন তোমার জীবনে আরও একজন আসে। মন বোঝ কি তুমি? শ্বাশুরি বোউমা, দুজনের মনের কোন অবচেতন কোনায় এক প্রতিদ্বন্দ্বিতা কাজ করে। একজনের মনে হয় অন্যজনে ওর ভালোবাসার মানুষটাকে ছিনিয়ে নিচ্ছে। একদিকে মাতৃ স্নেহ অন্যদিকে প্রেম। বিয়ের পরে সেটা বুঝতে হয় ডক্টর সান্যাল। বউ শুধু মাত্র তোমার শরীরের খিধে মেটাতে আসেনি। শুধু মাত্র বই পড়লে মানুষ হওয়া যায় না, কখন বইয়ের বাইরে চোখ মেলে তাকাতে হয়। সব কথা বইয়ে লেখা থাকে না। আর সত্যি বলতে, আমিও সেখানে ছিলাম। ঝিনুক কি বলেছে? আন্টিকে অপমান করেছে কি? সত্যি কথাটা খুব আঁতে লেগে গেছে, তাই না। কেন তোমাদের কিছু বলা যাবে না? সোনার আংটি বেঁকা হলেও সোনা, তাই? আজ আমি বলছি ডক্টর সান্যাল, তুমি ঝিনুকের যোগ্য নয়।”\n\nরিতিকা আর দাঁড়ায় না। বাইরে ক্যাবের আওয়াজ পেতেই রিতিকা দরজা খুলে বেড়িয়ে যায়।\n\nবিধ্বস্ত পরাজিত সৈনিক, শুন্য যুদ্ধক্ষেত্রে নিজের বর্ম, নিজের ঢাল তরোয়াল সব খুইয়ে বসে থাকে। অনেকক্ষণ চুপচাপ বিছানায় বসে থাকে রিশু, যেন এক ধাক্কায় রিতিকা ওর সব কিছু ভেঙ্গে গুঁড়িয়ে পায়ের নিচে দলে চলে গেল। বাইরের বৃষ্টির ঝড়ো হাওয়ায় দরজাটা ভীষণ ভাবেই দুমদুম করছে, সেই সাথে দুমদুম করছে রিশুর হৃদপিণ্ড। দরজা বন্ধ করে শোয়ার ঘরে ঢুকে আলমারি খুলে দাঁড়িয়ে থাকে। তাকে পাট পাট করে সাজানো ঝিনুকের জামা কাপড়। গোলাপি রঙের একটা টপ হাতে নিয়ে নাকের কাছে এনে বুক ভরে শ্বাস নিয়ে ঝিনুকের গায়ের গন্ধে নিজেকে মাখিয়ে নেয়।",
        "series": {
            "id": 70,
            "title": "শেষের পাতায় শুরু",
            "slug": "sehser-patay-shuru",
            "url": "https://golpohub.com/series/sehser-patay-shuru",
            "thumbnail_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/series-sesher-patay-suru-70-3cb003.webp",
            "progress_status": "completed"
        },
        "author": {
            "id": 22,
            "name": "পিনুরাম",
            "slug": "pinuram",
            "url": "https://golpohub.com/authors/pinuram",
            "avatar_url": "https://cdn.golpohub.com/avatars/pinuram-22-995484.webp",
            "bio": "পিনুরাম বাংলা কথাসাহিত্যের এক সংবেদনশীল ও মননশীল রূপকার। মানবজীবনের টানাপোড়েন, দায়িত্ববোধের কঠিন আত্মত্যাগ এবং সামাজিক শৃঙ্খলের ভেতর লুকিয়ে থাকা সূক্ষ্ম অনুভূতির রূপায়ণে তাঁর লেখনী অনন্য। তাঁর চরিত্ররা আবেগতাড়িত ভুলের ভেতর দিয়ে হেঁটে এসে অবশেষে গভীর আত্মোপলব্ধি ও দায়িত্বশীল মানবিকতায় পূর্ণতা পায়। বাস্তব জীবনের জটিল মনস্তত্ত্ব ও আত্মশুদ্ধির মেলবন্ধনে গড়ে ওঠা তাঁর গল্পগুলো পাঠকদের চিত্তে শুভ ও ইতিবাচক চেতনার বিস্তার ঘটায়।",
            "series_count": 0,
            "meta": {
                "bio": "পিনুরাম বাংলা কথাসাহিত্যের এক সংবেদনশীল ও মননশীল রূপকার। মানবজীবনের টানাপোড়েন, দায়িত্ববোধের কঠিন আত্মত্যাগ এবং সামাজিক শৃঙ্খলের ভেতর লুকিয়ে থাকা সূক্ষ্ম অনুভূতির রূপায়ণে তাঁর লেখনী অনন্য। তাঁর চরিত্ররা আবেগতাড়িত ভুলের ভেতর দিয়ে হেঁটে এসে অবশেষে গভীর আত্মোপলব্ধি ও দায়িত্বশীল মানবিকতায় পূর্ণতা পায়। বাস্তব জীবনের জটিল মনস্তত্ত্ব ও আত্মশুদ্ধির মেলবন্ধনে গড়ে ওঠা তাঁর গল্পগুলো পাঠকদের চিত্তে শুভ ও ইতিবাচক চেতনার বিস্তার ঘটায়।",
                "phone": null,
                "gender": "male",
                "address": {
                    "country": "India"
                },
                "birth_date": null,
                "social_links": [],
                "pen_name": "পিনুরাম",
                "aliases": [
                    "Pinuram",
                    "Pinu Ram"
                ]
            },
            "timestamps": {
                "created_at": null,
                "updated_at": null
            }
        },
        "navigation": {
            "previous_episode": {
                "id": 2526,
                "ep_number": 53,
                "title": "সত্যের কঠিন আয়না",
                "slug": "sehser-patay-shuru-s1-ep53",
                "url": "https://golpohub.com/episodes/sehser-patay-shuru-s1-ep53",
                "thumbnail_url": "https://golpohub.com/assets/images/og.jpg"
            },
            "next_episode": {
                "id": 2528,
                "ep_number": 55,
                "title": "শেষের পাতায় নতুন শুরু",
                "slug": "sehser-patay-shuru-s1-ep55",
                "url": "https://golpohub.com/episodes/sehser-patay-shuru-s1-ep55",
                "thumbnail_url": "https://golpohub.com/assets/images/og.jpg"
            }
        }
    }
}