> **বিকল্প ফরম্যাটসমূহ:** [এইচটিএমএল](https://golpohub.com/episodes/shishir-bheja-rodudur-s1-ep12) | [জেসন](https://golpohub.com/episodes/shishir-bheja-rodudur-s1-ep12?format=json) | [আরএসএস ফিড](https://golpohub.com/episodes/shishir-bheja-rodudur-s1-ep12?format=rss) | [অ্যাটম ফিড](https://golpohub.com/episodes/shishir-bheja-rodudur-s1-ep12?format=atom)

# হারানো বিজ্ঞপ্তির মাঝে অতীত ক্ষত

![হারানো বিজ্ঞপ্তির মাঝে অতীত ক্ষত](https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-chapter-2563-608ba6.webp)

---
*[নোভা ইসলাম](https://golpohub.com/authors/nova-islam)-এর [শিশির ভেজা রোদ্দুর](https://golpohub.com/series/shishir-bheja-rodudur) সিরিজ থেকে*\n*আনুমানিক পড়ার সময়: 9 মিনিট*
- **মোট শব্দ:** 1,394
- **প্রকাশিত:** Sep 15, 2026
---

“একটি হারানো বিজ্ঞপ্তি,একটি হারানো বিজ্ঞপ্তি, আমার সহজ সরল মনটা কোথায় জানি হারিয়ে গেছে মনটার রং ছিলো সাদা।মনে ছিলো সীমাহীন ভালোবাসা। যদি কোন সহৃদয়বান আমার মনটা পেয়ে থাকেন,তাহলে অনুগ্রহপূর্বক আমার সাথে যোগাযোগ করুন।” সদর দরজা দিয়ে ঢুকে মাইকের মতো চেচিয়ে বিজ্ঞপ্তি দিতে দিতে দিতে আসছিলাম।ছাদ থেকে মাত্রই ফিরছি।খালামণি আস্ত ধনিয়া রোদে দিয়ে আসতে বলেছে।তাই ছাদে গিয়েছিলাম।ভেতরে ঢুকতেই চোখ ছানাবড়া। তায়াং ভাইয়া আর তার দুই বন্ধু সোফায় বসে আমার দিকে অবাক চোখে তাকিয়ে আছে। তারা দুজন হলো ইমরান হাশমি ভাইয়া আর এনজিও সংস্থা। ভাইয়ার বন্ধুদের আসার নির্দিষ্ট একটা সময় আছে। হয় সকাল আটটার দিকে আসবে।নয়তো দুপুরে খাবার আগে কিংবা পরে।তবে এনাজের জন্য কোন সময় বাঁধা নেই। সে যখন খুশি তখন আসতে পারবে।তায়াং ভাইয়ার জানে জিগার দোস্ত বলে কথা।আমি তাদের দেখে বেশ লজ্জায় পরে গেলাম।ইস,কি না কি ভাবছে তারা।হাতে থাকা বড় প্লাস্টিকের থালাটা দিয়ে মুখ ঢেকে ফেললাম।দ্রুত তাদের পাশ কাটিয়ে যেতে নিলেই তায়াং ভাইয়া গম্ভীর গলায় বললো, —তোর মন আবার কোথায় হারিয়ে গেলো?কেউ কি চুরি করে নিয়েছে নাকি?যদি কেউ চুরি করেও তাহলে সে শয়তানি বুদ্ধি ছাড়া আর কিছু পাবে না।তা চোরটা কে? আমি থালা সরিয়ে শুধু চোখ দুটো বের করলাম।তারপর রাগী চোখে তায়াং ভাইয়ার দিকে তাকিয়ে বললাম, —এমনি বলছিলাম।আমার মন কোথাও হারায়নি।আর এই নোভার মন চুরি করা এতো সোজাও নয়। এনাজ মুচকি হেসে তায়াং ভাইয়াকে উদ্দেশ্য করে বললো, —টিডি পোকার মন চুরি করবে কি করে তায়াং?সারাদিন লাফাতে লাফাতে দিন যায়।ওকে কেউ ধরতে পারলে না চুরি করবে।তারচে দেখগা কোথায় লাফাতে গিয়ে ফেলে রেখে এসেছে। যে পেয়েছে সে এবার দিলেই হয়। —এনজিও সংস্থা ভালো হবে না কিন্তু। —উচিত কথা বললে সবারই গায়ে ফোস্কা পরে।তা মিস টিডি পোকা মনটা হারালেন কোথায়?ঘাসে নাকি রাস্তায়?আমি খুঁজে পেলে কিন্তু দিবো না। আমার কাছে রেখে দিবো। ইমরান ভাইয়া এনাজের পিঠে জোরে চাপর মেরে বললো, — কি দোস্ত হাব-ভাব তো ভালো ঠেকছে না ঘটনা কি? এনাজ বললো, —কোন ঘটনা নেই দোস্ত। টিডি পোকার মন পেলে বৈয়ামে ভরে রাখতাম।আর মনটাকে ওয়াশ করে তার থেকে সব শয়তানি বুদ্ধি বের করে ফেলতাম।একবার শুধু হাতে তো পাই।তারপর কি করে সোজা করতে হবে তা আমি দেখে নিবো। ইমরান ভাইয়া আমার দিকে তাকিয়ে বললো, —তা নোভা,মনটা কোথায় হারিয়ে ফেলছো? আমাদের এনাজের মাঝে নাকি?আমাদের এনাজ তো সেই কবে তো…… ইমরান ভাইয়া পুরো কথা শেষ করার আগেই এনাজ তার মুখ চেপে ধরলো।আমি তাদের কান্ড দেখে চোখ, মুখ কুঁচকে তার দিকে তাকালাম।এনাজ ইমরান ভাইয়ার মুখ ছেড়ে মাথায় একটা মৃদু থাপ্পড় মেরে ওকে চোখের ইশারায় কি জানি বলতে মানা করলো।আমি কিছুই বুঝলাম না। তায়াং ভাইয়া মুখ টিপে হাসছে। আমি ইমরান ভাইয়াকে জিজ্ঞেস করলাম, —কি বলতে চাইছিলেন ইমরান হাশমি ভাইয়া? ইমরান ভাইয়া একবার তায়াং ভাইয়ার দিকে তাকিয়ে আরেকবার এনাজের দিকে তাকালো। এনাজ ঠোঁটে আঙুল দিয়ে তাকে চুপ করতে বলছে।আমি বেকুবের মতো তিনজনের দিকে তাকিয়ে বিষয়টা বোঝার চেষ্টা করছি।কিন্তু আমি ব্যর্থ হলাম।তাই তাদের জিজ্ঞেস করলাম, —আপনারা একে অপরকে ইশারা করে কি বলতে মানা করছেন? ইমারান ভাইয়া সবগুলো দাঁত দেখিয়ে হে হে করে হেসে বললো, —কিছু না। —জলদী বলেন ইমরান হাশমি ভাইয়া।আপনারা আমার থেকে কিছু একটা তো অবশ্যই লুকাচ্ছেন। —আমার নাম ইমরান হোসেন। হাশমি নয় রে বোইন।তুমি আমার নামটার তেরটা বাজায় দিলা।এতই যখন আমাকে অন্য নামে ডাকার ইচ্ছে তোমার তাহলে ইমরান মাহমুদুল বলতা।তাহলে নিজেকে সিঙ্গার সিঙ্গার মনে হতো।তা না করে ইমরান হাশমি!!! —আপনার চেহারা আমার কাছে ইমরান হাশমির মতোই লাগে।তাই আমি এই নামে ডাকি🤭। কথাটা বলেই মুখ টিপে হাসতে লাগলাম।আমার হাসির সাথে এনাজ ও তায়াং ভাইয়াও যুক্ত হলো।ইমরান ভাইয়া আমাদের সবার দিকে অগ্নি দৃষ্টি নিক্ষেপ করলো।আমরা কেউ সেটা গায়ে মাখলাম না।ইমরান ভাইয়া ও এনজিও সংস্থা দুজনেই তায়াং ভাইয়ার অনেক বিশ্বস্ত ।তাই তায়াং ভাইয়া এখনো আমাকে এখানে দাঁড়িয়ে থাকতে দিয়েছে। অন্য কেউ থাকলে তায়াং ভাইয়া কবেই এক রামধমক দিয়ে এখান থেকে বিদায় করতো।খালামণি কিচেন থেকে ডাকতেই আমি সেদিকে দৌড়ালাম। 💖💖💖 ছোট তিনটা রুম,একটা ছোট ড্রয়িংরুম,একটা কিচেন নিয়ে তায়াং ভাইয়াদের ছোট ফ্ল্যাট। এখানে গত কয়েক বছর ধরে তারা ভাড়া থাকে।এক রুমে তায়াং ভাইয়া, আরেক রুমে খালামণি আর তন্বীর রুমে আমি ও তন্বী থাকি।প্রত্যেকটা রুমে এডজাস্ট করা বাথরুম। তন্বী ও তায়াং ভাইয়ার রুমে ছোট করে বারান্দা আছে। খালু প্রবাসে থাকে।সবাই কত করে বলে এই বয়সে আর বিদেশ করতে হবে না। কিন্তু তিনি শুনেন না।বলেন তায়াং ভাইয়ার একটা গতি করে তারপর দেশে আসবেন।গতকাল শুনলাম তায়াং ভাইয়া ও এনাজ পার্টনারশিপে ব্যবসা শুরু করবে।কিন্তু কিসের ব্যবসা তা জানি না। কলেজ থেকে ফিরে দুপুরে না খেয়ে ঘুমিয়ে পরেছিলাম।প্রচুর মাথাব্যথা উঠেছিলো।আর আমার মাথাব্যথার ঔষধ একমাত্র ঘুম।পুরো রুম অন্ধকার করে ঘন্টাখানিক ঘুমালে আমার মাথাব্যথা কমবে।মাথাব্যথা হলে আমাকে কেউ ডাকে না।কারণ ঘুম পরিপূর্ণ না হলে আরো বেশি মাথা ধরে।বারান্দার দরজাটা হালকা করে ভিড়ানো ছিলো।যার কারণে পড়ন্ত বিকেলের চিকচিক করা উপচে পরা রোদ অবাধ্য হয়ে আমাদের রুমে ঢুকে পরেছে।সেই আলোতেই জেগে গেছি।আমার ঘুম ভাংতে এতটুকু আলোই যথেষ্ট। পাশে তাকিয়ে দেখি তন্বীও ঘুমে।মাথাটা অনেকটা ঝিমঝিম করছে। আসরের নামাজ পরে কিচেনে চলে গেলাম।গিয়ে দেখি খালামণি এঁটো থালাবাসনগুলো পরিষ্কার করছে।আমাকে দেখে বললো, —মাথাব্যথা কমেছে। —অনেকটা কমেছে। কিন্তু এখনো ঝিমঝিম করছে। —খাবার খেয়ে একটা ঔষধ খা।দেখবি ভালো লাগবে। —ঔষধ খেতে ভালো লাগে না। —ভালো না লাগলেও খেতে হবে। —আমার গলায় বেজে থাকে খালামণি। —পিঠে দুই-চার ঘা দিলে এমনি গলা থেকে নেমে যাবে। —তুমিও আম্মুর মতো কথা শুরু করলে।যাও কথা নেই তোমাদের সাথে। আমি ঠোঁট ফুলিয়ে অন্য দিকে ঘুরতেই খালামণি ফিক করে হেসে উঠলো। আমি তার দিকে কপাল কুঁচকে তাকালাম।খালামণি ঠোঁটের কোণায় হাসি রেখেই বললো, —সেই ছোটবেলার মতো করিস এখনো। আমি খালামণিকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে বললাম, —আমি তো এখনো তোমাদের কাছে ছোটই।যদি ছোট না হতাম তাহলে কি এতবড় ভুলটা করতে যেতাম বলো।এখন ভেবে দেখি কতবড় বোকামি করতে গিয়েছিলাম।তাও একজন বৈঈমান মানুষের জন্য। আমার কথা শুনে খালামণির মুখটা অন্ধকারে ছেয়ে গেলো।কিছুটা রুক্ষ স্বরেই বললো, —বাদ দে এসব কথা। যা চলে গেছে তাতো গেছেই।নিশ্চয়ই তোর জন্য এর থেকে হাজার গুণ ভালো কিছু আছে। —এগুলো আমার বিষাক্ত অতীত খালামণি।আমি চাইলেও ভুলতে পারিনা। এখনো মাঝরাতে মনে হলে আৎকে উঠি। খালামণি হাতের কাজগুলো রেখে আমার দুই বাহু ধরে আমাকে তার বরাবর ঘুরালো।তারপর এক হাত আমার গালে রেখে বললো, —আল্লাহ যা করে ভালোর জন্য করে।তুই না সবসময় এই কথাটা বলিস।তাহলে এখনো কেন পুরাতন নিয়ে পরে আছিস। —সারাদিনতো দুষ্টামী,ফাইজলামিতে নিজেকে ব্যস্ত রেখে তো সব ভুলে থাকি কিন্তু মাঝে মাঝে মনে এলে নিজের মধ্যে থাকি না আমি। —সব ঠিক হয়ে যাবে।আল্লাহর ওপর ভরসা রাখ। —তাই যেনো হয় খালামণি। —নে এবার ভাত খেয়ে ঔষধ খা। আমি খালামণির সামনে থেকে সরে চুলোয় ছোট পানির পাতিল বসাতে বসাতে বললাম, —এখন ভাত খেতে ইচ্ছে করছে না।এক মগ কফি খাবো। —ভাত খেয়ে তারপর খা। —পরে ভাত খাবো।এখন কফি খেয়ে নেই। তাতে যদি মাথাটা একটু ঠিক হয়। —তোর যা ইচ্ছে হয় কর।আমার কথাতো শুনিস না।তিন ভাই-বোন নিজেদের মনমতো চলিস।কফির মগ নেই এখানে।তায়াং-এর রুমে শোকেসের মধ্যে পাবি।সেখান থেকে নিয়ে আসিস। —কেন মিটসেফে না ছিলে একটা? —সেটা সেদিন ধুতে গিয়ে ডাট ভেঙে ফেলেছি।তাই তো নতুন নিয়ে আসতে বললাম। —আচ্ছা তাহলে নিয়ে আসি। তায়াং ভাইয়ার রুমের সামনে গিয়ে দেখলাম দরজা ভিড়ানো।গুটিগুটি পায়ে দরজাটা হালকা খুলে কচ্ছপের মতো মাথা ভেতরে ঢুকিয়ে দেখলাম খাটের ওপর উপুড় হয়ে কেউ শুয়ে আছে। সে নিশ্চয়ই ঘুমে।তারমানে এখন আমাকে চোরের মতো ভিতরে প্রবেশ করে খুব সাবধানে শোকেস খুলে মগ বের করতে হবে। খুব সাবধানে পা টিপে টিপে ভেতরে ঢুকলাম। তারপর যথাসম্ভব শব্দ না করে শোকেস খুললাম।কিন্তু শোকেস খোলার পরই ঘটলো বিপত্তি। ভেতর থেকে শো করে উড়ে একটা তেলাপোকা বের হলো।সেটা গিয়ে উড়ে বসলো উপুড় হয়ে শুয়ে থাকা মানুষটার পিঠের ওপর।এটাকে এখন না মারলে তো কাঁথা, বালিশ কিংবা জামা-কাপড় কেটে ফেলবে।তাই আমি পা টিপে টিপে তার দিকে এগিয়ে গেলাম। মানুষটা তায়াং ভাইয়া নয়।গালের চাপ দাড়ি দেখে বুঝলাম এনজিও সংস্থা। পাশ থেকে বালিশটা নিয়ে ধরাম করে তার পিঠের ওপর যেখানে তেলাপোকা বসেছে সেখানে দিলাম এক বারি।বেচারা আহ শব্দ করে ধরফর করে উঠে বসতে নিলে আমি তাকে থামিয়ে দিলাম। —প্লিজ, প্লিজ উঠবেন না। একটা তেলাপোকা। বেচারা আর উঠলো না।আমি ততক্ষণে বালিশ ছেড়ে তেলাপোকা খোজার মিশনে নেমেছি।তেলাপোকাটাকে খুঁজে পাচ্ছি না। তাই এদিক সেদিক খুঁজে এনাজের পাশে গিয়ে একহাতে ওর টি-শার্ট তুললাম।আমি আসলে দেখতে গিয়েছিলাম তার শরীরের ভেতরে তেলাপোকাটা ঢুকেছে কিনা।এনাজ চোখ, মুখে বিস্ময় নিয়ে আবারো পেছনে ঘাড় ঘুরিয়ে আমার দিকে তাকালো।তেলাপোকার পায়ের মতো কিছু একটা দেখতেই আমি টি-শার্ট ছেড়ে আবার বালিশ নিয়ে একের পর এক এনাজের পিঠে বারি দিতে লাগলাম।এনাজ চেচিয়ে বললো, —টিডি পোকা কি করছো?আমার লাগছে তো।আহ্ আউচ, ও মাগো। তার কথায় আমার হুশ ফিরলো। আসলে যে বালিশটা দিয়ে এতক্ষণ একের পর এক বারি মারছিলাম সেটা অনেক শক্ত। এটা দিয়ে ব্যাথা পাওয়াটা স্বাভাবিক। আমি বারি থামিয়ে এক হাত মুখে দিয়ে বিস্মিত চোখে এনাজের দিকে তাকালাম।এনাজ পিঠে হাত দিয়ে বললো, —আহ্ আমার পিঠ।আটার ডো পেয়েছো নাকি।এত জোরে কেউ বারি দেয়। এদিক সেদিক তাকিয়ে দেখলাম তেলাপোকা নিচের ফ্লোরে ঘাপটি মেরে বসে আছে। আর এতক্ষণ আমি শুধু শুধু বেচারার ওপর বালিশ অভিযান চালিয়েছি।বালিশটাকে ছুঁড়ে ফেলে সেখান থেকে পলাতক আসামী হলাম।এখানে আর আমি নেই। গতকাল আমার অনেক বড় একটা ভুল হয়েছে। আমি সেটা এডিট করে ঠিক করে দিয়েছি। ভিপি কে কখনও প্রিন্সিপাল বাদ দিতে পারে না।কারণ ভিপি নির্বাচিত হয় ছাত্রদের ভোটে।আমি প্রথম ভুল করেছিলাম।পরে আমাকে দুজন ভাইয়া ভুলগুলো ধরিয়ে দিয়েছে।আমি এডিট করে ঠিক করেছি।তাই পুনরায় আগের পর্বটা সবাইকে পড়ার জন্য অনুরোধ জানানো হলো😑।

---

[<< পূর্ববর্তী অধ্যায়](https://golpohub.com/episodes/shishir-bheja-rodudur-s1-ep11) | [সিরিজ সূচি](https://golpohub.com/series/shishir-bheja-rodudur) | [পরবর্তী অধ্যায় >>](https://golpohub.com/episodes/shishir-bheja-rodudur-s1-ep13)