{
    "_links": {
        "html": "https://golpohub.com/episodes/sindurshuddhi-s1-ep33",
        "json": "https://golpohub.com/episodes/sindurshuddhi-s1-ep33?format=json",
        "markdown": "https://golpohub.com/episodes/sindurshuddhi-s1-ep33?format=md",
        "rss": "https://golpohub.com/episodes/sindurshuddhi-s1-ep33?format=rss",
        "atom": "https://golpohub.com/episodes/sindurshuddhi-s1-ep33?format=atom"
    },
    "seo": {
        "canonical_url": "https://golpohub.com/episodes/sindurshuddhi-s1-ep33",
        "title": "সিঁদুরশুদ্ধি পর্ব ৩৩ - সাদা লেহেঙ্গায় ছাদের মাতলামি | Sindurshuddhi Part 33",
        "description": "পড়ুন সিঁদুরশুদ্ধি পর্ব ৩৩। বিয়েবাড়ির অপমানে বিদ্যার মদ্যপান এবং ছাদের ওপর অভির সাথে মাতাল খুনসুটি।",
        "keywords": "সিঁদুরশুদ্ধি পর্ব ৩৩, sindurshuddhi porbo 33, sindurshuddhi part 33, ছাদ, মাতলামি, অভি, বিদ্যা, সাদা লেহেঙ্গা",
        "image_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-chapter-2721-8d13b3.webp",
        "schema": {
            "@context": "https://schema.org",
            "@graph": [
                {
                    "@type": "Chapter",
                    "name": "সাদা লেহেঙ্গায় ছাদের মাতলামি",
                    "position": 33,
                    "description": "রিয়ার বিয়ের আনন্দঘন আসরে বিধবা অপবাদে জর্জরিত হয়ে সাদা পোশাকে ছাদে গিয়ে ওয়াইনের বোতলে মাতাল হয় বিদ্যা। কিন্তু রেলিং থেকে ঝাঁপ দেওয়ার হুমকি দিয়ে অভির মুখে শ্যাম্পেন ছুড়ে মেরে বিদ্যা যখন তাকে বুকে টেনে নিল, তখন অভির প্রতিক্রিয়া কী ছিল?",
                    "url": "https://golpohub.com/episodes/sindurshuddhi-s1-ep33",
                    "inLanguage": "bn",
                    "timeRequired": "PT16M",
                    "datePublished": "2026-09-16T00:34:00+00:00",
                    "dateModified": "2026-09-16T00:37:39+00:00",
                    "wordCount": 2413,
                    "image": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-chapter-2721-8d13b3.webp",
                    "accessibilityFeature": [
                        "readingOrder",
                        "structuralNavigation",
                        "displayTransformability",
                        "uncontracted"
                    ],
                    "accessibilityControl": [
                        "fullKeyboardControl",
                        "fullTouchControl"
                    ],
                    "accessibilityHazard": [
                        "none"
                    ],
                    "potentialAction": {
                        "@type": "ReadAction",
                        "target": "https://golpohub.com/episodes/sindurshuddhi-s1-ep33"
                    },
                    "isPartOf": {
                        "@type": [
                            "BookSeries",
                            "CreativeWorkSeries"
                        ],
                        "name": "সিঁদুরশুদ্ধি",
                        "url": "https://golpohub.com/series/sindurshuddhi"
                    },
                    "author": {
                        "@type": "Person",
                        "name": "নাফিসা মুনতাহা পরী",
                        "url": "https://golpohub.com/authors/nafisa-muntaha-pori"
                    }
                },
                {
                    "@type": "BreadcrumbList",
                    "itemListElement": [
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 1,
                            "name": "Golpo Hub",
                            "item": "https://golpohub.com"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 2,
                            "name": "সিরিজসমূহ",
                            "item": "https://golpohub.com/series"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 3,
                            "name": "সিঁদুরশুদ্ধি",
                            "item": "https://golpohub.com/series/sindurshuddhi"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 4,
                            "name": "সাদা লেহেঙ্গায় ছাদের মাতলামি",
                            "item": "https://golpohub.com/episodes/sindurshuddhi-s1-ep33"
                        }
                    ]
                }
            ]
        }
    },
    "filters": [],
    "data": {
        "id": 2721,
        "ep_number": 33,
        "title": "সাদা লেহেঙ্গায় ছাদের মাতলামি",
        "slug": "sindurshuddhi-s1-ep33",
        "url": "https://golpohub.com/episodes/sindurshuddhi-s1-ep33",
        "reading_time": 16,
        "thumbnail_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-chapter-2721-8d13b3.webp",
        "yt_video_id": null,
        "yt_video_url": null,
        "timestamps": {
            "published_at": "2026-09-16T00:34:00+00:00",
            "updated_at": "2026-09-16T00:37:39+00:00"
        },
        "meta": {
            "word_count": 2413,
            "seo_title": "সিঁদুরশুদ্ধি পর্ব ৩৩ - সাদা লেহেঙ্গায় ছাদের মাতলামি | Sindurshuddhi Part 33",
            "seo_description": "পড়ুন সিঁদুরশুদ্ধি পর্ব ৩৩। বিয়েবাড়ির অপমানে বিদ্যার মদ্যপান এবং ছাদের ওপর অভির সাথে মাতাল খুনসুটি।",
            "keywords": "সিঁদুরশুদ্ধি পর্ব ৩৩, sindurshuddhi porbo 33, sindurshuddhi part 33, ছাদ, মাতলামি, অভি, বিদ্যা, সাদা লেহেঙ্গা",
            "characters_involved": [
                "বিদ্যা",
                "অভি",
                "আয়ান",
                "কাবির",
                "রিয়া"
            ]
        },
        "content": "রাত বাড়ছে, রাত্রির নিঃস্তব্ধতার সাথে বিয়ের হৈচৈ বেড়েই চলছে। চারদিকে আবছা কুয়াশার চাদর দিয়ে ঢেকে রয়েছে প্রকৃতি। ঠান্ডা বাতাস বইছে। ছাদে রং বে-রঙ্গের বাতি জ্বলছে আর নিভছে। দারুন একটা ভুতুরে পরিবেশ।\n\nবিদ্যা অভির ঘাড়ে মাথা রেখে বিরবির করেই চলছে।\nবাঁকি কথাগুলো আর বুঝা গেলোনা। বিদ্যা দুলতে দুলতে অভির ঘাড় থেকে পড়ে যেতেই অভি ওকে খপ করে ধরে ফেললো। তারপর অভি বিদ্যাকে কোলে তুলে নিয়ে দোলনাতে গিয়ে বসলো। এমন সময় বিদ্যা আধা আধা অস্পষ্ট স্বরে বলল,\n\n—” অভি, তুমি কি সত্যি এসেছে?”\n\nঅভি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। তারপর বলল,\n\n—” যেটা খেলে নিজের ভারসাম্যই ঠিক রাখতে পারোনা সেটা খাও কেন?”\n\nআমার গা গুলাচ্ছে, আমার মনে হয় কিছু হবে বলেই বিদ্যা ওঠার চেষ্টা করলো। কিন্তু উঠতে পারলোনা। শেষে অভি চট করে ওকে ধরে ছাদের কিনারে নিয়ে গেল। তারপর বিদ্যাকে সামনের দিকে ঝুকিয়ে অভি বিদ্যার পেটে চাপ প্রয়োগ করতেই বিদ্যা ভিতরের সবকিছু উগলে বের করে দিল। বিদ্যা অস্থির হয়ে বড় বড় নিঃশ্বাস ফেলতে লাগলো। তারপর দ্রুত বলে উঠলো,\n\n—” জল, জল দাও আমায়।”\n\nনা আর একটু ট্রাই করো, তাহলে সব বের হয়ে যাবে বলেই অভি ওকে আর একটু চাপ দিতেই আবার গলগল করে বমি করতে লাগলো। এবার অভি রুমাল বের করে ওর মুখ মুছে দিয়ে রুমাল নিচে ফেলে দিল। কিন্তু কি আশ্চর্য, রুমাল গিয়ে মাটিতে পরার সাথে সাথে বিদ্যার মুখ থেকে বের হওয়া সবকিছু অদৃশ্য হয়ে গেল। এবার অভি ওকে জলের বোতল দিয়ে বলল,\n\n—” বিদ্যা, তুমি কি সকাল থেকে কিছুই খাওনি?”\n\nবিদ্যার চোখ দিয়ে জল পড়ছে। মুখমণ্ডল নীলচে হয়ে গেছে। অভি বোতলের মুখ খুলে দিয়ে বিদ্যার মুখে একটু জল দিতেই ও জল ফেলে দিয়ে অভির শেরওয়ানী খামচে ধরে চুপ হয়ে রইলো। অভি অনেকটা জোর করেই বিদ্যাকে জল খাওয়ালো। হয়ত কিছুক্ষণ পর ও স্বাভাবিক হয়ে যাবে। অভি ওকে নিয়ে আবার দোলনাতে বসলো। তারপর বলল,\n\n—” আমাকে ছেড়ে যখন থাকতেই পারবেনা, তাহলে আমার সাথে এত জেদ করো কেন? তুমি কি জানোনা, আমি তোমাকে কতটা চাই?”\n\nতুমি আমাকে না জানিয়ে কোথায় চলে গিয়েছিলে! কোথাও দেখছো, হাবি তার ওয়াইফ কে ছেড়ে এভাবে চলে যায়? পাগলের মত তোমাকে খুজেছি আমি। কিন্তু কোথায়ও পাইনি তোমাকে। আমি যদি এত স্ট্রেস না নিতে পারতাম! যদি আমি পাগল হয়ে যেতাম, এত সব দুঃশ্চিন্তা করতে করতে! কেটে কেটে বলে উঠলো বিদ্যা।\n\nঅভি বিদ্যার গলায় মুখ ডুবিয়ে কিছুক্ষন চুপ হয়ে রইলো। তারপর বিদ্যার কানে আদুরে গলায় ফিসফিসিয়ে বলল,\n\n—” কি আর হবে! একটা পাগলির সাথে সংসার করতে হত। ওকে যা বলতাম ও আমার সব কথা শুনতো। তোমার থেকে হয়তো সেই পাগলিটাই ভালো হত।”\n\nঅভির কথা শুনে বিদ্যা দোলনা থেকে উঠতেই অভি ওকে ধরে ফেলল। বিদ্যা, তোমার নেশার রেশ এখনো কাটেনি। বস এখানে।\n\nবিদ্যা অভির কথা না শুনে ওর হাত ঝিটকানি মেরে সরিয়ে দিয়ে টলতে টলতে অভির কাছে এসে নিজের বুকের ওড়না সরিয়ে দিয়ে অভিকে ওর বুকের সাথে জড়িয়ে ধরে বলল,\n\n—” আমি ঐ পাগলির থেকেও তোমায় অনেক অনেক অনেক বেশি ভালোবাসি অভি?”\n\nকতটা ভালোবাস সেটাতো তোমার ব্যবহারেই দেখতে পাচ্ছি। কথাগুলো বলেই অভি আস্তে আস্তে ওর দু’হাত বিদ্যার কোমড়ে রেখেই জোড়ে একটা টান দিল। এতে বিদ্যা একদম অভির সাথে মিশে গেলো। বিদ্যাকে নিজের সাথে খুব শক্ত করে জড়িয়ে ধরে আছে অভি। অভির নিঃশ্বাসের পাল্লা বেশ ভারি হয়ে আসছে। সেই পাল্লাকে আরো ভারি করে অভি ছোট বাচ্চাদের মত বলে উঠলো,\n\n—” বিদ্যা, তোমার অপুদা কি তোমায় খুব ভালোবাসতো! আমার থেকেও কি বেশি ভালোবাসতো তোমায়?”\n\nবিদ্যা দু’হাতে অভির মাথার চুলগুলো শক্ত করে মুঠোয় নিয়ে পিছন দিকে টেনে ধরল। তারপর অভির মুখের কাছে ঝুকে গিয়ে প্রান ভরে আদর করে বলল,\n\n—” তোমার গা থেকে অপুদা, অপুদা তো গন্ধ আসে কিন্তু তুমি এখনো অপুদা হয়ে উঠতে পারোনি অভি। আমি সেই অপুদাকে খুব মিস করি।”\n\nঅভি বিদ্যার কথা শুনে চুপ হয়ে রইলো। অভি সব কিছু জানেনা নিজের অতীত সম্পর্কে। আরো কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। তারপর সে সব কিছু জানতে পারবে।\n\nবিদ্যা অভিকে ছেড়ে দিয়ে কিছুটা দুরে গিয়ে বলল,\n\n—” অপুদা তার অবাধ্য বিদ্যাকে খু্ব সুন্দর করে নিজের কন্ট্রোলে রাখতো। এতটাই কন্ট্রোলে রাখতো যে, সেই ৬ বছর বয়সী বিদ্যা তার ব্যবহারে মুগ্ধ হয় সেই সময় তাকে বিয়ের প্রপোজ করে। কারন তার কাছে সেই মানুষটাই শ্রেষ্ট একটা মানুষ ছিল।”\n\nবিদ্যা কথাগুলো বলে হাসতে লাগলো। কতোটা পাগল ছিলাম আমি। ঐ বয়সেই তাকে বিয়ের প্রপোজাল করেছিলাম। আমি নিজেও তখন বুঝতামনা, বিয়ে জিনিসটাই কাকে বলে? শুধু মাত্র তার কাছে থাকার জন্য ওমন কথা তাকে বলছিলাম।\n\nবিদ্যার কথা বলার মাঝখানে অভির ফোনটা বেজে উঠলো। অভি ফোন বের করে দেখলো, কাবিরের কল। অভি রিসিভ করে বলল,\n\n—” হ্যাঁ কাবির বল।”\n\nঅভি কল রিসিভ করতেই কনক কাবিরকে ইশারা করে বলল, সে কল রিসিভ করেছে?\n\nকাবির মাথা নাড়িয়ে উৎসুক কন্ঠে বলে উঠলো,\n\n—” অভি তুই কোথায় বলতো? তোকে সবাই খুঁজতে খুঁজতে হয়রান হয়ে গেছে। এখুনি এখানে আয়।”\n\nওকে যাচ্ছি বলেই অভি কল কেটে দিয়ে বিদ্যাকে বলল,\n\n—” বিদ্যা নিচে চল।”\n\nবিদ্যা কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে গেছে। কতদিন পর সে তার কাছে এল আর এখন বলছে চলে যাবে! আমার কাছে তার একমুহুত্ত্বও সময় নেই। কেমন ভালোবাসে সে! যে আমাকে বুঝার চেষ্টা করেনা! বিদ্যা আবার জেদ ধরে বলল,\n\n—” আমি যাবোনা। তোমার যাওয়ার ইচ্ছা হলে তুমি যাও। আমার জন্য কি কারো সময় আছে নাকি! মনে তো হচ্ছে আমি তার কাছে বানের জলের মত ভেসেঁ এসেছি। আমার কারোর দরকার নেই সহানুভূতি দেখা।”\n\nবিদ্যার এমন জেদ আর অহেতুক কথা শুনার একদম সময় নেই অভির কাছে। হাতে কিছু কাজ আছে, সেগুলো শেষ করে দ্রুত আবার ব্যাক করতে হবে। অভি কোন কথা না বলে দ্রুত চলে গেল।\n\nবিদ্যা পিছন থেকে কয়েকবার ডাকলো কিন্তু অভি আর না দাড়িয়ে চলে গেল। অগত্যা বিদ্যা ফোনটা হাতে নিয়েই অভির পিছনে ছুটলো। একটা ছেলে ড্রিংকস সার্ভ করছিল। যার যার দরকার তাকেই শুধু দেওয়া হচ্ছে। বিদ্যার সামনে ছেলেটি পড়তেই ছেলেটিকে দাড়াতে বলে বিদ্যা এক পেগ মারলো। মনে ভিতর যেন ময়ূর ডান্স করতে লাগলো। পুরো শরীর আবার ঝিম ধরে গেল। ট্রেতে যতগুলো গ্লাসে ড্রিংক ছিল সব কটা পান করলো। তারপর আবার অভির পিছন ছুটলো। মনের ভিতর ভালোবাসার লাড্ডু ফুটতে শুরু করছে বিদ্যার। হঠাৎ অভি পিছন ফিরতেই দেখলো বিদ্যা ড্রিংক করছে। অভি চোখ বড় বড় করে ইশারা করলো ওগুলো না খেতে।\n\nবিদ্যাও অভিকে দেখে দাড়িয়ে ভ্রু নাচিয়ে আরো এক পেগ মারলো। অভি দ্রুত পায়ে বিদ্যার দিকে আসতেই বিদ্যা আরও একবার ট্রাই করলো। অভি সাথে সাথে এসে বিদ্যার হাত ধরলো। ড্রিংক সার্ভ করা ছেলেটিকে ধমক দিয়ে বলল,\n\n—” একটা মেয়ে মানুষকে কিভাবে এত ড্রিংক পান করাচ্ছো! তোমার মাথা কি পাগল হয়েছে?”\n\nছেলেটি মাথা নিচু করে বলল,\n\n—” ম্যাডাম যে বলল, তার নাকি আরো চাই।”\n\nঅভির শরীর রাগে হিরহির করতে লাগলো। মন চাচ্ছে এক থাপ্পরে গাল ফাটিয়ে দিতে। অভি উচ্চস্বরে বলল,\n\n—” ম্যাডাম তোমাকে এখুনি মরতে বলছে। এখন যাও তার কথামত রশিতে লটকে পড়ো। দেখি তুমি কেমন ম্যাডামের বাধ্য কাজের মানুষ।”\n\nছেলেটি এবার মুখ ফুটে বলল,\n\n—” স্যরি স্যার, আমার ভুল হয়ে গেছে। আমি এখুনি লেবু জল আনছি। জাষ্ট একটু ওয়েট করুন স্যার।”\n\nছেলেটি চলে যেতেই বিদ্যা ওর ট্রে থেকে আরও একটা গ্লাস তুলে নিল। এবার অভিকে পায় কে? চোখমুখ শক্ত করে বলল,\n\n—” তুমি আবার ড্রিংক করেছ! একটু আগে তোমার কি অবস্থা হয়েছিল, সব ভুলে গেছ?”\n\nবিদ্যা ড্রিংকের গ্লাস পিছনে লুকিয়েই জ্বীভে কামড় মেরে খিলখিলিয়ে হেসে মাথা নাড়িয়েই চুপ হয়ে দাড়িয়ে রইলো।\n\nঅহ্ গড, আমি কাকে কথাগুলো বলছি বলতেই বিদ্যা আরও এক পেগ নিল। অভির এবার ধৈর্য্যর বাঁধ ভেঙ্গে গেল। বিদ্যার হাত ধরে টেনে আড়ালে নিয়ে গিয়ে একটা ওয়ালের সাথে চেপে ধরে রাগী কন্ঠে বলে উঠলো,\n\n—” একে তো তুই আজ সাদা ড্রেস পড়েছিস তার উপর এমন তান্ডপ চালাচ্ছিস? কেন সাদা ড্রেস পড়তে গেলি হুম! আমি কি মরে গেছি, তাই বিধবা সাজার শখ জেগেছে? না তোর ড্রেসের অভাব ছিল বলে এই ড্রেস পড়েছিস? তোর কি কোন ড্রেস ছিলোনা? কল গার্ল হয়েছিস? পুরুষ পটানোর জন্য মাঠে নেমেছিস? আমাকে চিনতে তোর এখনো অনেক দেরি আছে। একদম হাত-পা ভেঙ্গে রুমে বসিয়ে রাখবো।”\n\nঅভি কথাগুলো শেষ করতে পারেনা। তার আগেই বিদ্যা মুখ থেকে শাম্পিং এর ফোয়ারা ছুটলো অভির চোখে মুখে।\n\nঅভি সাথে সাথে চোখ মুখ বন্ধ করলো। বিদ্যার মুখের সব শাম্পিং অভির মুখে ছুড়ে মারা খতম করে বিদ্যা বলল,\n\n—” আমার জানটা, এমন করে আমায় দেখনা। আমি কিন্তু তোমাকে চুরি করে এই বুকের ভিরত রেখে দিব। তখন তুমি কোথাও যেতে পারবেনা।”\n\nঅভির পুরো চোখ-মুখ ভিজে গেছে। অভির রাগ তখন আকাশ ছুই ছুই অবস্থায়। কখন যে সেটা বাষ্ট হবে তার কোন ঠিকানা নেই। অভির কোন রেসপন্স না পেয়ে নিজের ওড়না দিয়ে অভির মুখ মুছে দিতে লাগলো বিদ্যা। তারপর বলল,\n\n—-” তুমি আমার সামনে আসলেই আমার বুকের ভিতরের হৃদস্পন্দন বড্ড বাড়াবাড়ি ভাবে নড়তে শুরু করে। সেই প্রথম দিন থেকে আজ অবদি এর কোন পরিবর্তনই হচ্ছেনা।”\n\nঅভি অনেক কষ্টে নিজেকে ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করলো। আজ যদি বিয়ে বাসা না হত, তাহলে এতক্ষনে বিদ্যার খবর হয়ে যেত। তাছাড়া অভি সিনক্রিয়েট করা একদম পছন্দ করেনা। বউকে শাসন করার জন্য রুমই যথেষ্ট। অভি দীর্ঘ একটা শ্বাস ফেলে বলল,\n\n—” আর যদি এমন করছো, তাহলে কিন্তু আমি সারা জিবনের জন্য তোমার কাছ থেকে চলে যাব। সব সময় মনে রাখবে, এসব আমার একদম পছন্দ না।”\n\nঅভি বিদ্যাকে ছেড়ে দিয়ে হন হন করে চলে গেল। অভির চলে যাওয়া দেখে বিদ্যা চোখ পিটপিট করে বলল,\n\n—” এটা কি হল! বর মশাইতো আমার উপর ভিষন রেগে গেছে। আমি আবার কি করলাম।”\n\nওয়েটার ছেলেটি বিদ্যাকে এদিক ওদিক খুঁজতে খুঁজতে শেষে দেখতে পেল। ছেলেটি আধা দৌড়ে বিদ্যার কাছে এসে বলল,\n\n— ” ম্যাডাম, স্যার এটা খেতে বলেছে।”\n\nবিদ্যা মুখটা বাউন্স করে বলল,\n\n— ” স্যার বলেছে? উমম স্যারের কথাতো শুনতে হয়। দাও……।”\n\nজ্বী ধরেন বলে ছেলেটি বিদ্যাকে লেবু জল দিয়ে দাড়িয়ে রইল।\n\nবিদ্যা লেবু জল মুখে দিয়েই চোখ মুখ বিষিয়ে তুলল। এ্যা ছিহ্, এটা কোন খাওয়ার জিনিস হল! খাওয়ার জিনিস তো ঐ গুলো বলে লোভনীয় চোখে দুরের ড্রিংকসের বোতলের দিকে আঙ্গুল তুলে দেখিয়ে দিল।\n\nছেলেটি মহা বিপদে পড়ে গেল বিদ্যাকে নিয়ে। অনুরোধ সুরে ছেলেটি বলল,\n\n—” ম্যাডাম, আপনার উপর আমার চাকরিটা নির্ভর করছে। স্যার আমাকে একদম জবটা থেকে আউট করে দিবে। প্লিজ, জলটা খান।”\n\nবিদ্যা ঢুলতে ঢুলতে ফিক করে হেসে বলল,\n\n—” স্যার বলেছে তাইনা! স্যার বলেছে…..। স্যারের কথাতো শুনতে হয়। এই দেখ, আমি এখুনি খতম করছি। এই ওয়েট ওয়েট, আমি এটা খাব কিন্তু স্যারের কাছে আমাকে নিয়ে যাবে তো?”\n\nমা, আপনি যাহা বলিবেন তাহা শুনবো। দয়া করে জলটা খেয়ে নেন। আর আমাকে বাঁচান।\n\nবিদ্যা আর দেরি না করে ঢকঢক করে সব জল খেয়ে বাম হাতে মুখ মুছে বলল,\n\n—” আহ্, সব শেষ করে ফেলেছি। এবার আমি স্যার যাব।”\n\nজ্বী ম্যাডাম জ্বী, আসুন আমার সাথে বলে বিদ্যাকে নিয়ে গেল। কিন্তু মাঝপথে তমালের বাবা বিদ্যাকে দেখতে পেয়ে ওর কাছে এসে বলল,\n\n—” কিরে, তোর কি হয়েছে! এমন ঢুলেঢুলে হাটছিস কেন?”\n\nবিদ্যা ওর দাদার দিকে চেয়ে খুব তীক্ষ্ণ নজরে পরখ করে বলল,\n\n—” তুমিতো আমার দাদা। কিন্তু কোন দাদা!”\n\nবিদ্যার কথা শুনে তমালের বাবা তাজ্জব বনে গেল। তারপর ওয়েটারকে বলল,\n\n—” ওতো মনে হয় ড্রিংক করেছে। ওকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছো।”\n\nওদের কথা কেড়ে নিয়ে বিদ্যা ওর দাদার দিকে ঝুকে পড়লো। তারপর হাত দিয়ে দাদার শেরওয়ানী পরখ করে বলল,\n\n—” তোমায় বেশ মানিয়েছে দাদা। বৌদি তোমাকে দেখে আজ ইমপ্রেস হয়ে যাবে।”\n\nতমালের বাবা যে এমন বিব্রত অবস্থায় পড়বে, সেটা তিনি ভাবতেও পারেননি। নিজের ছোট বোনের কাছ থেকে এমন কথা শুনতে হল!\nবিদ্যা,,,,! অনেক হয়েছে। এগুলো কেন খেয়েছিস?\n\nএদিকে বিদ্যা বিরবির করে বলেই চলছে, তুমি কত নাম্বার যেন আমার দাদা হও! উম্ বলে হাত উচু করে গুনতে শুরু করলো, এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ। পেয়ে গেছি বলে উল্লাসিত কন্ঠে ছোটখাটো চিৎকার দিল বিদ্যা। তারপর ওর দাদার কানের কাছে মুখ এনে বলল,\n\n—” তুমি আমার সবচেয়ে ছোট দাদা তাইনা?”\n\nএ আর সম্মান রাখবেনা বলে তমালের বাবা ছেলেটিকে চলে যেতে বলে বিদ্যা ধরে রুমে পথে পা বাড়ালো। বিদ্যা হঠাৎ সামনে দেখতে পেল অভি ছাতনা তলায় দাড়িয়ে আছে। স্যার বলেই বিদ্যা ওর দাদার হাত থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নিয়ে অভির দিকে দৌড় দিল। দৌড় তো দিল, কিন্তু শেষে গিয়ে তাকে শর্মিষ্ঠার সাথেই ধাক্কা খেতে হল। শর্মিষ্ঠা পড়তে পড়তে আর পরেনি। পড়ে গেল কি হত? কেলেংকারী হয়ে যেত। শর্মিষ্ঠা রেগে গিয়ে বিদ্যাকে অসভ্য মেয়ে বলে একটা গালী দিল।\n\nশর্মিষ্ঠার গালি শুনে বিদ্যা একদম ৬ বছর বয়সে ফিরে গেল। শর্মিষ্ঠার দিকে চোখ বড় বড় করে তাকিয়েই মুখ ছুটালো। হিংসুটে মহিলা কোথাকার, সবসময় আমার বিরুদ্ধে মায়ের কাছে কথা লাগাতেই থাকে। মায়ের কি তুমি কর্মচারী হয়েছ? কত টাকা স্যালারী দেয় মা তোমায় হুম! সবসময় আমার পিছে পড়েই থাকে। আর ইদানিং দেখি আমার স্যারের পিছনে পিছনেও ঘোরে। আর একদিন যদি দেখছি স্যারকে বিরক্ত করা, তাহলে একদম চোখে গুলি করে দিব বলে বিদ্যা শর্মিষ্ঠাকে হাত দিয়ে ইশারা করে দেখিয়ে দিল, সে কিভাবে তাকে গুলি করবে।\n\nদুর থেকে বিদ্যার ছোট দাদা এসে বলল,\n\n—” কাকি, ওকে কে যেন ইচ্ছা করে ড্রিংকস করাইছে। ওর কথা কিছু মনে করেন না।”\n\nতোমার বোনের ব্যবহার আজ সহ্য সীমানা পার করে দিয়েছে। ওকে থামাও বলতেই বিদ্যা শর্মিষ্ঠাকে একটা ধমক দিয়ে বলল,\n\n—” দাদা, এই বাজে মহিলার কথা শুনবানা। ইদানিং সে স্যারের পিছে লেগেছে। মনে হচ্ছে কাকাইকে ডির্ভোস দিয়ে স্যারের কাছে যাবে।”\n\nকথাগুলো বলেই বিদ্যা অভির কাছে দৌড় দিয়েই বলল,\n\n—” স্যার, আমি আসছি।”\nতমালের বাবাও বিদ্যার পিছু পিছু গেল।\n\nশর্মিষ্ঠা তো রেগেমেগে আগুন।এত অপমান! এর সব শোধ তোলবো । দাড়াও বিয়েটার ঝামেলা শেষ হোকনা।\n\n♥\n\nঅভির পাশে এসে বিদ্যা চুপ করে দাড়িয়েই নিজের শরীর দিয়ে অভিকে একটা ধাক্কা দিতেই অভি ওর দিকে চেয়ে চোখ গরম করে তাকালো। অভির এমন শাসনে বিদ্যা মুখ লুকিয়ে হেঁসে তারপর মুখে আঙ্গুল পুরে দাড়িয়ে রইল।\n\nবিদ্যার ছোট দাদা এসে বিদ্যাকে ধরেই বলল,\n\n—” অভি, ওতো তোমায় আবার কিছু বলেনিতো! সবাইকে যা ইচ্ছা তাই বলে যাচ্ছে। মুখ লাগামহীন ভাবে বকবক করেই চলছে।”\n\nমি. সতীশ, ওকে আমি সামলিয়ে নিব। এখনতো রিয়াকে আনতে হবে। আপনি বরং ও দিকটাই দেখেন।\n\nওকে অভি, ওকে একটু দেখে রেখ বলে সতীশ চলে গেলে। আর এদিকে বিদ্যা অভির গা ঘেষে এসে দাড়ালো। অভি শুধু একবার বিদ্যার দিকে চাইলো। তারপর কিছু না বলে কাবিরের সাথে কথায় মশগুল হয়ে গেল।\n\nকাবিরতো বিদ্যাকে দেখেই হেসে উঠলো। তারপর বলল,\n\n—” অভি থাকা শর্তেও পিনিক লাগাইছো বিদ্যা! ও কি তোমায় এমনি এমনি ছেড়ে দিল?”\n\nবিদ্যা শুধু হেসে মাথা নাড়িয়ে সায় দিয়ে অভির দিকে তাকালো। তারপর অভিকে ফিসফিসিয়ে বলল,\n\n—” স্যার পিনিক মানে কি!”\n\nএমন সময় সবাই উলু দিয়ে উঠলো। রিয়াকে পিড়িতে করে নিয়ে আশা হল। রিয়া পানপাতা দিয়ে মুখ ঢেকে আছে। তারপর রিয়াকে পিঁড়িতে করে কাবিরের চারপাশে সাতপাক ঘোরানো হয়।\n\nএরপর শুভদৃষ্টির পালা। বিবাহের মন্ডপে জনসমক্ষে বর ও কন্যা একে অপরের দিকে চেয়ে দেখল। বিদ্যা রিয়াকে পানপাতা সরানো দেখেই চেঁচিয়ে বলল,\n\n—” রিয়া, তোকে ফাটাফাটি দেখাচ্ছে।”\n\nরিয়াও সাথে সাথে বিদ্যার দিকে চেয়ে বলল,\n\n—” পিসি, তোমাকে আরও ভালো দেখাচ্ছে। হোল’স স্কয়ার ফাটাফাটি।”\n\nবিদ্যা দু’হাত ঘুড়িয়ে বলল,\n\n—” নজর যেন না লাগে।”\n\nমন্ডপে কাবিরের বাবা কিছু বলতে যাবেন এমন সময় কাবির নিষেধ করলো কিছু না বলতে। তাই কাবিরের বাবা চুপ হয়ে রইলেন।\n\nসাতপাঁকে বাধার সময় সবার হাতে কিছু ফুল দিয়ে গেল একটা মেয়ে। সবাই বর-কনেকে ফুল ছিটিয়ে দিচ্ছে। আর বিদ্যা অভির গায়ে ফুল ছিটিয়ে দিচ্ছে। অভি কিছু বলতে গিয়ে বললোনা। এতে বিদ্যার সাহস বেড়ে গেল। অভি যখন ফুল ছিটিয়ে দিচ্ছিলো তখন বিদ্যা এসে অভির সামনে দাড়ালো। অভি বাধ্য হয়ে বিদ্যাকে পাশে টেনে এনে ওর গায়ে ফুলের পাপড়ী ছিটিয়ে বলল,\n\n—” এবার খুঁশি!”\n\nবিদ্যা অভির হাত ধরে বলল,\n\n—” খুব খুঁশি। ”\n\nঅভি আর এমুহুত্বও দেরী না করে বিদ্যাকে টেনে নিয়ে গেল ওখান থেকে। মান-সম্মান যা বাঁকি ছিল সেটাও আজ শেষ করবে। বিদ্যাকে নিয়ে ওর রুমে যেতেই দেখলো, বেডে বিভিন্ন জিনিসপত্র ছড়ানো-ছিটানো। অভি সেগুলো পরিষ্কার করতে এগিয়ে যেতেই বিদ্যা দরজা বন্ধ করে দিল। তারপর দেয়ালের সাথে হেলান দিয়ে অভির দিকে মুগ্ধ নয়নে চেয়ে রইলো। আজ তোমায় ছাড়ছিনা অভি। আজ বিদ্যার অভিকে খুব খুব খুব প্রয়োজন।",
        "series": {
            "id": 74,
            "title": "সিঁদুরশুদ্ধি",
            "slug": "sindurshuddhi",
            "url": "https://golpohub.com/series/sindurshuddhi",
            "thumbnail_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/series-sinndursuddhi-74-bfe384.webp",
            "progress_status": "completed"
        },
        "author": {
            "id": 37,
            "name": "নাফিসা মুনতাহা পরী",
            "slug": "nafisa-muntaha-pori",
            "url": "https://golpohub.com/authors/nafisa-muntaha-pori",
            "avatar_url": "https://cdn.golpohub.com/avatars/nafisa-muntaha-pree-37-9f7c4d.webp",
            "bio": "নাফিসা মুনতাহা পরী সমসাময়িক বাংলা অনলাইন সাহিত্যের একজন অন্যতম জনপ্রিয় ও রহস্য-রোমাঞ্চ ঘরানার শক্তিশালী লেখিকা। মানবিক আবেগের জটিল রসায়ন, চিরায়ত প্রেমের অবিনাশী টান এবং অতিপ্রাকৃত অলৌকিক আখ্যানের মেলবন্ধনে তিনি একের পর এক সৃষ্টি করেছেন পাঠকপ্রিয় সব উপন্যাস। তাঁর লেখনীতে প্রতিটি চরিত্রের মানসিক দ্বন্দ্ব, নিঃশব্দ আত্মত্যাগ এবং সামাজিক বাস্তবতার নিখুঁত প্রতিফলন ঘটে।\n\n'সিঁদুরশুদ্ধি' উপন্যাসে তিনি চিরাচরিত রোম্যান্সের গণ্ডি পেরিয়ে পুনর্জন্ম, অতিপ্রাকৃত পিশাচলোক ও অমল বিশ্বাসের যে রূপরেখা নির্মাণ করেছেন, তা বাংলা ওয়েব ফিকশনের জগতে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। পাঠকদের ধরে রাখার তীব্র সাসপেন্স ও হৃদয়স্পর্শী সংলাপ তাঁর লেখার প্রধানতম শক্তি।",
            "series_count": 0,
            "meta": {
                "bio": "নাফিসা মুনতাহা পরী সমসাময়িক বাংলা অনলাইন সাহিত্যের একজন অন্যতম জনপ্রিয় ও রহস্য-রোমাঞ্চ ঘরানার শক্তিশালী লেখিকা। মানবিক আবেগের জটিল রসায়ন, চিরায়ত প্রেমের অবিনাশী টান এবং অতিপ্রাকৃত অলৌকিক আখ্যানের মেলবন্ধনে তিনি একের পর এক সৃষ্টি করেছেন পাঠকপ্রিয় সব উপন্যাস। তাঁর লেখনীতে প্রতিটি চরিত্রের মানসিক দ্বন্দ্ব, নিঃশব্দ আত্মত্যাগ এবং সামাজিক বাস্তবতার নিখুঁত প্রতিফলন ঘটে।\n\n'সিঁদুরশুদ্ধি' উপন্যাসে তিনি চিরাচরিত রোম্যান্সের গণ্ডি পেরিয়ে পুনর্জন্ম, অতিপ্রাকৃত পিশাচলোক ও অমল বিশ্বাসের যে রূপরেখা নির্মাণ করেছেন, তা বাংলা ওয়েব ফিকশনের জগতে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। পাঠকদের ধরে রাখার তীব্র সাসপেন্স ও হৃদয়স্পর্শী সংলাপ তাঁর লেখার প্রধানতম শক্তি।",
                "phone": null,
                "gender": null,
                "address": [],
                "birth_date": null,
                "social_links": [],
                "pen_name": "নাফিসা মুনতাহা পরী",
                "aliases": [
                    "Nafisa Muntaha Pori",
                    "পরী",
                    "Nafisa Muntaha"
                ]
            },
            "timestamps": {
                "created_at": null,
                "updated_at": null
            }
        },
        "navigation": {
            "previous_episode": {
                "id": 2720,
                "ep_number": 32,
                "title": "গর্ভধারিণীর অশ্রু ও শ্মশান চিতায় মুক্তি",
                "slug": "sindurshuddhi-s1-ep32",
                "url": "https://golpohub.com/episodes/sindurshuddhi-s1-ep32",
                "thumbnail_url": "https://golpohub.com/assets/images/og.jpg"
            },
            "next_episode": {
                "id": 2722,
                "ep_number": 34,
                "title": "শুভদৃষ্টির আগুনে খইপোড়া",
                "slug": "sindurshuddhi-s1-ep34",
                "url": "https://golpohub.com/episodes/sindurshuddhi-s1-ep34",
                "thumbnail_url": "https://golpohub.com/assets/images/og.jpg"
            }
        }
    }
}