{
    "_links": {
        "html": "https://golpohub.com/episodes/sindurshuddhi-s1-ep8",
        "json": "https://golpohub.com/episodes/sindurshuddhi-s1-ep8?format=json",
        "markdown": "https://golpohub.com/episodes/sindurshuddhi-s1-ep8?format=md",
        "rss": "https://golpohub.com/episodes/sindurshuddhi-s1-ep8?format=rss",
        "atom": "https://golpohub.com/episodes/sindurshuddhi-s1-ep8?format=atom"
    },
    "seo": {
        "canonical_url": "https://golpohub.com/episodes/sindurshuddhi-s1-ep8",
        "title": "সিঁদুরশুদ্ধি পর্ব ৮ - মহাশ্মশানের বলিদান ও শুভ্র আজান | Sindurshuddhi Part 8",
        "description": "পড়ুন সিঁদুরশুদ্ধি পর্ব ৮। অপুর মর্মান্তিক প্রয়াণ এবং মুমিন জ্বীন গালিবের পবিত্র আজানে শংকর তান্ত্রিকের বিনাশ।",
        "keywords": "সিঁদুরশুদ্ধি পর্ব ৮, sindurshuddhi porbo 8, sindurshuddhi part 8, অপুর মৃত্যু, গালিব জ্বীন, বিদ্যা বিধবা, মহাশ্মশান",
        "image_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-chapter-2696-7ffe55.webp",
        "schema": {
            "@context": "https://schema.org",
            "@graph": [
                {
                    "@type": "Chapter",
                    "name": "মহাশ্মশানের বলিদান ও শুভ্র আজান",
                    "position": 8,
                    "description": "যজ্ঞের অনলে বৃন্দার দেহ ভস্মীভূত হওয়ার পর লালপ্রভার বিষাক্ত ছোবলে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে অপু। ঠিক তখনই জুব্বাপরিহিত মুমিন জ্বীন গালিবের কণ্ঠে প্রকম্পিত পবিত্র আজানের ধ্বনিতে কি পিশাচের কবল থেকে মুক্ত হতে পারবে ছয় বছরের শিশুবিধবা বিদ্যা?",
                    "url": "https://golpohub.com/episodes/sindurshuddhi-s1-ep8",
                    "inLanguage": "bn",
                    "timeRequired": "PT17M",
                    "datePublished": "2026-09-16T00:34:00+00:00",
                    "dateModified": "2026-09-16T00:37:38+00:00",
                    "wordCount": 2667,
                    "image": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-chapter-2696-7ffe55.webp",
                    "accessibilityFeature": [
                        "readingOrder",
                        "structuralNavigation",
                        "displayTransformability",
                        "uncontracted"
                    ],
                    "accessibilityControl": [
                        "fullKeyboardControl",
                        "fullTouchControl"
                    ],
                    "accessibilityHazard": [
                        "none"
                    ],
                    "potentialAction": {
                        "@type": "ReadAction",
                        "target": "https://golpohub.com/episodes/sindurshuddhi-s1-ep8"
                    },
                    "isPartOf": {
                        "@type": [
                            "BookSeries",
                            "CreativeWorkSeries"
                        ],
                        "name": "সিঁদুরশুদ্ধি",
                        "url": "https://golpohub.com/series/sindurshuddhi"
                    },
                    "author": {
                        "@type": "Person",
                        "name": "নাফিসা মুনতাহা পরী",
                        "url": "https://golpohub.com/authors/nafisa-muntaha-pori"
                    }
                },
                {
                    "@type": "BreadcrumbList",
                    "itemListElement": [
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 1,
                            "name": "Golpo Hub",
                            "item": "https://golpohub.com"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 2,
                            "name": "সিরিজসমূহ",
                            "item": "https://golpohub.com/series"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 3,
                            "name": "সিঁদুরশুদ্ধি",
                            "item": "https://golpohub.com/series/sindurshuddhi"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 4,
                            "name": "মহাশ্মশানের বলিদান ও শুভ্র আজান",
                            "item": "https://golpohub.com/episodes/sindurshuddhi-s1-ep8"
                        }
                    ]
                }
            ]
        }
    },
    "filters": [],
    "data": {
        "id": 2696,
        "ep_number": 8,
        "title": "মহাশ্মশানের বলিদান ও শুভ্র আজান",
        "slug": "sindurshuddhi-s1-ep8",
        "url": "https://golpohub.com/episodes/sindurshuddhi-s1-ep8",
        "reading_time": 17,
        "thumbnail_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-chapter-2696-7ffe55.webp",
        "yt_video_id": null,
        "yt_video_url": null,
        "timestamps": {
            "published_at": "2026-09-16T00:34:00+00:00",
            "updated_at": "2026-09-16T00:37:38+00:00"
        },
        "meta": {
            "word_count": 2667,
            "seo_title": "সিঁদুরশুদ্ধি পর্ব ৮ - মহাশ্মশানের বলিদান ও শুভ্র আজান | Sindurshuddhi Part 8",
            "seo_description": "পড়ুন সিঁদুরশুদ্ধি পর্ব ৮। অপুর মর্মান্তিক প্রয়াণ এবং মুমিন জ্বীন গালিবের পবিত্র আজানে শংকর তান্ত্রিকের বিনাশ।",
            "keywords": "সিঁদুরশুদ্ধি পর্ব ৮, sindurshuddhi porbo 8, sindurshuddhi part 8, অপুর মৃত্যু, গালিব জ্বীন, বিদ্যা বিধবা, মহাশ্মশান",
            "characters_involved": [
                "অপু",
                "বিদ্যা",
                "বৃন্দা",
                "শংকর",
                "গালিব ইবনে জাব্বার",
                "রঘুনাথ"
            ]
        },
        "content": "এই অমূল্য পানি থেকে বৃন্দার বাঁচা একদম অসম্ভব। বৃন্দা একনিমিষেই কালো কুচকুচে ছোট্ট সাপ হয়ে গেল এবং একটা রুপোর ছোট্ট পানি ভর্তি পেয়ালার মধ্য পড়ে গেল। পানির সংস্পর্শে আসতেই বৃন্দার শরীর দাউ দাউ করে জ্বলতে লাগল।\n\nএমন সময় অবয়করুপী বিদ্যা অপুর রুম থেকে বের হতেই দেখল, ওর মা আগুনে জ্বলছে। বিদ্যার উপস্থিতি মানে, বৃন্দার শক্তি আরও বৃদ্ধি পাওয়া। আর সেই সুযোগ বৃন্দা একদমই নষ্ট করলোনা। নিজেকে অবয়ক রুপে এনে ঐ পাত্র থেকে বের হয়েই বিদ্যার শরীরে প্রবশ করলো।\n\nসাথে সাথে বিদ্যার চোখ দু’টি কালো হয়ে গেল তারপর অদৃশ্য।\n\nএক অঘোরী তান্ত্রিক দৌড়ে এসে দেখল, শিকার পালিয়ে গেছে। শত্রুর কাছে এমন পরাজিত হতে দেখে ক্ষেপে গেল সে। বাড়ান্দার কিনারায় দাড়িয়ে মাথা নিচু করে বলল,” গুরুদেব, শিকার মুক্ত হয়ে গেছে।”\n\nকিহ্ বলেই চোখ বন্ধ করলো শংকর গুরু। ১৬ বছর তপস্যা করে আজ সে সাফল্য হয়েছে। তাই এতগুলো অঘোরীর গুরু হতে পেরেছে সে। একটা সামান্য পিচাশ তাকে পরাজিত করলো?\n\nশংকর গুরু চোখ খুলে বলল,” অনেক সময় আছে তাই ভেব না।”\n\n♥\n\nবাসার সবাই ব্যস্ত হয়ে গেল তাদের আপ্যায়ন করার জন্য। সব পুরুষ মানুষ তাদের সেবা যত্ন করলো। ওদের সামনে নারীদের প্রবেশ করা নিসিদ্ধ। এমন কি বিপরীত লিঙ্গের চিত্রকর্ম দেখাও নিষেধ। ওদের আয়না দেখাও নিষেধ। তাই বৃন্দা আয়নাবিদ্যা প্রয়োগ করেছে। প্রথম চ্যালেই এক শত্রু খতম। এটা বৃন্দার জন্য একটা প্লাস পয়েন্ট।\n\nঅঘোরীদের প্রধান খাদ্য পঁচা-গলা মৃত দেহের মাংস, শশ্মানে মানুষের পোড়া দেহের অবশিষ্ট মাংস। তবে তারা দুর্ঘনার শিকার মৃত দেহের মাংস ভক্ষন করেনা। যেমন, সাপে কাটা লাশ, ডাইরিয়ায় মরা লাশ। তবে এরা মাথার ঘিলুটা ভক্ষন করে থাকে। তারা মানুষের মাথার খুলিতে করে খাবার খেয়ে থাকে। তাদের এসব নোংরামি জিবন ধারনের জন্য তারা আজ সমাজ চ্যুত।\n\nএকজন ভক্ত একটা ফুলের মালা এনে শংকরগুরুকে পড়াতে যাবে, এমন সময় শংকর হাত দিয়ে বাধা দিয়ে বলল,” আমি নিষ্কাম তান্ত্রিক। তাই লোকে আমায় ফুলের মালা দিলে সেটা আমার কাছে জুতোর মালার সমতূল্য। আর জুতোর মালা গলায় দিলে ফুলের মালা মানতে হবে। আমার কাছে পদ্ম ফুল আর ধুতরা ফুল একই। তাই এসব জিনিস আমাকে দেসনা।”\n\nরঘুনাথ ইশারা করে ঐ লোকটিকে চলে যেতে বলল।\n\n♥\n\nবৃন্দা চিলেকোঠার অন্ধকার রুমে এসে বসে পড়ল। সাথে বিদ্যার অবয়কও চলে আসল। বৃন্দা কষ্টে কাৎরাচ্ছে।\n\n” মা তোমার কি হয়েছে?”\n\nবৃন্দা অনেক কষ্টে মুখে হাসি টেনে বলল,” আমার কিচ্ছু হয়নি বাবা। আজ আমাদের কিন্তু অনেক বড় কঠিন কাজ করতে হবে। মনে আছে তোমার?”\n\n” হ্যাঁ মা, মনে আছে তো!”\n\nতোমার বিদ্যা দিদির সুরক্ষার জন্য আমার অনেক শক্তি নষ্ট হয়ে গেছে। তাই তোমাকে সব কিছু করতে হবে কিন্তু!\n\n” জ্বী মা।”\n\nতাহলে এখুনি চল বলে বৃন্দা ওকে নিয়ে অজানা পথে চলে গেল।\n\n♥\n\nপুরোটা দিন আর রুম থেকে বের হলোনা অপু। খাবার অবদি খায়নি। বিদ্যা আর ওঠেনি ঘুম থেকে। কি হতে চলছে অপু কিছুই বুঝতে পারছেনা। সবাই অঘোরীদের সেবায় ব্যস্ত আছে। তাই অপুর খোঁজ নেওয়ার মত কেউ নেই। একদিক থেকে অপুর জন্য ভালয় হল।\nবিদ্যার মায়ের সাথে পরিচয় হয়ে অপুর মনটা হালকা হয়ে গেছে। এতদিন জানত, শুধু অপুই বিদ্যার ভাল চায়। কিন্তু বিদ্যাকে রক্ষা করার জন্য সয়ং ওর মা নিজেই উপস্থিত আছে। এখন আর বিদ্যাকে নিয়ে খুব একটা ভয় হচ্ছেনা অপুর।\n\nসন্ধ্যার একটু আগে পুরো গ্রামে রটে গেল ১৭ জন জুয়ান ছেলেমেয়ে মারা গেছে। তাদের মৃত্যুটা অস্বাভাবিক। একই দিনে একসাথে এতগুলো প্রাপ্তবয়ষ্ক ছেলেমেয়ে মারা যাওয়া চাট্টিখানী ব্যাপার নয়। পুরো গ্রামে হৈচৈ উঠে গেল। সবার ধারনা চ্যাটার্জী বাড়ীতে যে অঘোরীরা এসেছে তাদের এসব কৃর্তিকালাপ। কেউ ভয়ে বাসা থেকেও বের হয়না। কিন্তু পুলিশের আনাগোনা বেড়ে গেল।\n\nগ্রামের প্রঞ্চায়েত প্রধান এসে রঘুনাথ চ্যাটার্জীকে সাবধান করে বলে গেল, তারা যেন আগুন নিয়ে না খেলে। তাহলে সেই আগুনেই তাদের পুরে মরতে হবে। অঘোরীরা বিনিময় ছাড়া কোন কাজ করেনা। এতগুলো মানুষের সর্বনাশ করেছ তুমি, সয়ং ঈশ্বর এসে তোমার ক্ষতি করবে।\n\nরঘুনাথ কথাগুলো গায়ে মাখলেন না। কোন কথায় তিনি কানে নিলেন না। আগামী কাল শুল্কপক্ষের গোপনীয় ৪র্থ নবমীর রাত। খুবই তাৎপর্য একটা রাত। আশ্বিন মাসে এই রাত পড়ে। সব সমস্যা সমাধান হলে এবার এই বাড়ীতে সবচেয়ে বড় দূর্গা উৎসব পালিত করবো।\n\n♥\n\nবৃন্দা আর ছোট বিদ্যা একটা বিশাল কড়ই গাছের মগডালে বসে আছে। আজ তারা ২ হাজার বছর বয়সী পিশাচকে শিকার করবে। যা ওদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ শিকার। সবাই মানুষের রক্ত খায় কিন্তু বিদ্যার শক্তি বাড়ানোর জন্য বৃন্দা পিশাচদের শিকার করে তাও অতি গোপনে। কোন প্রমান রাখার সুযোগ নেই এখানে। যদি কেউ ঘুনাক্ষরে টের পায় তাহলে সব শেষ হয়ে যাবে।\n\nএকটু পর তাদের অপেক্ষার প্রহর গুটিয়ে নিয়ে গাছ থেকে নামলো দু’জনেই। তারপর সামনের দিকে এগিয়ে গেল। বিদ্যা এক কালো কিশকিশে ছোট বাটি নিয়ে চলে গেল গন্তব্য স্থলে। আর বৃন্দা সেখানেই অপেক্ষা করতে লাগলো।\n\nবিদ্যার চোখ বন্ধ অবস্থায় চলতে লাগলো আর ওর চোখে শক্তি জমাতে লাগলো।\nএক পর্যায়ে চলে আসলো বিদ্যা সেই হাজার বছর বয়সী পিচাশ নারীর কাছে। সে রাতের আহার করতে ব্যস্ত ছিল। বিদ্যা কাছে আসতেই সে খাবার ফেলে বিদ্যার দিকে চোখ কটমট করে তাকালো। সে বিদ্যার উপস্থিতি পছন্দ করছেনা। আবার ছোট পিচাশ কন্যা বলেও কিছু বলছেনা। বিদ্যা এটারই সুযোগ নিল।\n\nএবার বিদ্যা চট করে চোখ খুলল। সাথে সাথে অসহ্য যন্ত্রনাময় আলোর ঝলকানি বিদ্যার চোখ থেকে বের হয়ে পিশাচের চোখে গিয়ে আঘাত করলো। কিছুক্ষনের জন্য পিশাচ শক্তিহীন ও অন্ধ হয়ে গেল।\n\nবিদ্যা চেঁচিয়ে উঠলো, মা জলদি করো?\n\nএকটা লক্ষ্য, একটাই অস্ত্র, একবারই সুযোগ। এই কাজে যদি বৃন্দা ব্যার্থ হয় তাহলে ওর নিজের জিবন তো যাবেই সাথে ছোট্ট বিদ্যাকেও প্রান হারাতে হবে।\nবৃন্দা নিষানা লাগিয়েই অস্ত্র ছুড়লো পিচাশের দিকে। ইয়েশ! নিষানা সফল। অস্ত্রটা একদম পিচাশের কপালে গিয়ে গেঁথে গেল।\n\nইয়াহু, আমরা পেরেছি বলে লাফিয়ে উঠলো বিদ্যা। তারপর সেই কালো কষ্টিপাথরের পেয়ালা পিশাচের কপালে ধরতেই সেখান থেকে টপটপ করে রক্ত পড়তে লাগল। সেটা বিন্দা আর বিদ্যা পান করলো। শেষ্ট বিন্দু পর্যন্ত শুষে নিয়ে বিদ্যা বলল,” মা, আমরা এবার আরো শক্তিশালী হয়ে গেলাম তাই না?”\n\n” জ্বী মা, আমরা অনেক শক্তিশালী হয়ে গেলাম। এবার আমরা প্রস্তুত ওদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে।”\nএখনি এখান চলে যেতে হবে বলেই বৃন্দা বিদ্যাকে নিয়ে ভ্যানিস হয়ে গেল আর পিশাচের শরীর হাওয়ায় মিলে গেল।\n\n♥\n\nঅপুদের বাসার পিছনে বড় বাঁশঝাড়ের কিছু জায়গা পরিষ্কার করা হয়েছে যজ্ঞের জন্য। পুরো জায়গা একরকম ভুতুরে পরিবেশ। এমনি এই জায়গাটা দিনের বেলায়ও অন্ধকার হয়ে থাকে তাহলে রাতের হাল তো আরো খারাপ। চাঁদের আলো আসাও দায়।\n\nঅঘোরীরা যজ্ঞের সমস্তু জিনিসপত্র গুছিয়ে নিয়ে রঘুনাথ কে বলল,” যান, আপনার পুত্রবধুকে নিয়ে আসেন।”\n\nরঘুনাথ নিজে অপুর রুমে এসে দেখে বিদ্যা ঘুমিয়ে আছে। ও ঘুমিয়ে আছে বলে রঘুনাথের জন্য বেশ ভালয় হলো। নিয়ে যেতে সুবিধা হবে। অপু রুমে ছিলনা। এই সুযোগে রঘুনাথ বিদ্যাকে কোলে নিয়ে সেই যজ্ঞের কাছে হাজির হল।\n\nশংকরগুরুর নির্দেশে এক অঘোরী গিয়ে বিদ্যাকে কোলে নিয়ে এক স্থানে রেখে আবার আসনে এসে বসলো।\nশংকরগুরু মন্ত্র পড়তেই বিদ্যার চারদিকে বিশাল একটা চক্র তৈরি হল। এবার বিদ্যাকে এর ভিতর থেকে কারো সাধ্য নেই বের করবার।\n\nবিদ্যার শরীর যখন মহা মৃত্যুঞ্জয় কবজ আর নীল সরস্বতী কবজ দিয়ে বন্ধন করা হয় তখন সাথে সাথে বৃন্দা টের পেয়ে যায়, ওদের কাছে বিদ্যার শরীর আবদ্ধ হয়ে গেছে। এখন হয় বাঁচার মত বাঁচবে না হয় নিজের প্রান বির্সজন দিয়ে ওদের প্রানও হরন করতে হবে। যুদ্ধের ঘন্টা বেজে গেছে।\n\nবৃন্দা অপুর রুমে হাজির হয়ে দেখে অপু পাগলের মত বিদ্যাকে খুঁজছে।\n\nবিদ্যা ওদের হাতে সোপার্দ হয়েছে। এখন যুদ্ধ করা ছাড়া আমাদের আর কোন উপায় নেই।\nতুমি এখানেই অবস্থান করবে। আমি বিদ্যাকে তোমার কাছে রেখে যাচ্ছি। এই সত্ত্বা যদি দুর্বল হয়ে যায় তাহলে সাথে সাথে এই জারে তোমার কয়েক ফোটা রক্ত দিও। ও সাথে সাথে শক্তিশালী হয়ে যাবে। বৃন্দা জারটা অপুর হাতে দিয়ে চলে গেল।\n\nঅপু জানেনা আজ তার সাথে কি কি ঘটতে চলছে। অপু শুধু চায় বিদ্যা যেন ঠিক থাকে।\n\n♥\n\nযজ্ঞে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। শংকর একটা মানুষের মাথার খুলি আর হাড় নিয়ে পুরো যজ্ঞ চক্রপাক দিয়ে মন্ত্র পড়ছে আর অন্যরা একসাথে মন্ত্র জপ করেই চলছে। যজ্ঞ সম্পন্ন হলে বিদ্যাকে পিশাচে পরিনিত করে তার থেকে সমস্ত শক্তি হরন করে তারপরই বিদ্যাকে বলি দেওয়া হবে।\n\nবিদ্যার কাছে এসে বৃন্দা হাজির হল। অনেক চেষ্টা করেও বৃন্দা বিদ্যার কাছে যেতে পারছেনা। বৃন্দা রেগে গিয়ে চিৎকার দিয়ে বলল,” এই ৬ বছরে আমি হাজার হাজার বয়সী পিচাশদের রক্ত পান করে নিজের শক্তি আরো বৃদ্ধি করেছি। তোরা যদি বাঁচতে চাস তাহলে এক্ষুনি এখান চলে যা।”\n\nযাবতো অবশ্য, তবে যাওয়ার আগে তোর আর বিদ্যার ঐ মহাশক্তি খর্ব করেই যাবো। প্রস্তত হ বলেই শংকর আবার মন্ত্র পড়া শুরু করলো।\n\nনাহ, কথায় কাজ হবেনা বলে বিন্দা ওখানেই বসে পড়ল। সাথে সাথে বৃন্দার আশেপাশে শতশত মোমবাতি জ্বলে উঠলো।\n\nতন্ত্রে বিদ্যায় সাধারনত দুটি মার্গ থাকে। দক্ষিন মার্গ ও বাম মার্গ।\nঅঘোরীরা যেহেতু কালোজাদুকর তাই তারা বাম মার্গ অর্থাৎ মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী কিছু জিনিসপত্র যেমন, শশ্মানে পড়ে থাকা বস্তু, কাপড়, মৃতদেহ ইত্যাদির সাহার্য্য কালো জাদু সম্প্রদান করে থাকে। বাঁকি রইল দক্ষিন মার্গ। এটা সাধারনত পূজা, যজ্ঞ, প্রার্থনা, সংগীত দ্বারা করা হয়।\n\nবৃন্দা একজন পিশাচ, তাই তার বাম মার্গ তন্ত্র দিয়ে ওদের আঘাত করা উচিত কিন্তু ওদের বিপরীত চ্যাল দিতে হবে বলেই বৃন্দা দক্ষিন মার্গ অবলম্বল করে একের পর এক মন্ত্র পড়তে শুরু করে। তারপর সামনে সমস্ত অঘোরীর উদ্দেশ্য একটা ফু দিতেই সেই ফু আগুনের গোলকের ন্যায় হয়ে অঘোরীদের আঘাত করে। এতে শংকর ব্যতীত সব অঘোরীরা পুড়ে ভষ্ম হয়ে যায়।\n\nশংকর খিট খিট করে হেঁসে উঠল। আমি যা পরিকল্পনা করেছি তাই তুই করেছিস।\nআমি জানতাম তুই একজন শক্তিশালী পিচাস। তোর সাথে পেরে ওঠা কঠিন। তাই এদের আত্ত্বার শক্তির আমার খুব প্রয়োজন ছিল। এবার আমায় কে আটকায়? দেখ কি করি বলেই বৃন্দার দিকে ওর মরনোস্ত্র নিক্ষেপ করলো। বৃন্দার কপালে গিয়ে সেটা আঘাত করতেই বৃন্দা মাটিতে লুটিয়ে পড়ল। বৃন্দা আস্তে আস্তে মৃত্যুর দিকে ঢলে পড়ছে।\n\nএদিকে রুমের ভিতর অপু ফ্লোরে বসে আছে বিদ্যার অবয়কের জার নিয়ে। অপু লক্ষ্য করল বিদ্যা হাঁপিয়ে চলছে আর ছটপট করছে। অপু বুঝতে পারলো হিতে বিপরীত হয়ে যাচ্ছে। অপু ওর নিজের হাতটা কেটে ফেলে। হাত দিয়ে চুয়ে চুয়ে রক্ত পড়া শুরু করলো। অপু কেবল সেই রক্ত বিদ্যাকে দিতে যাবে এমন সময় লালপ্রভা কোথা থেকে যেন এসে অপুর পা ধরে টেনেই অপুকে দুরে ছুড়ে ফেলে। তারপর অপুকে পরপর তিনটা ছোবল দিয়ে বলল, তুই যদি সেই দিন না আমার সন্তান হত্যা করতিস, না আমার জেদ চেপে ধরতো, না তুই এভাবে মরতি, না আমি আমার অর্ধেক শক্তি হারাতাম। না বিদ্যা মরতো, না ওর মায়ের এতকিছু হত। এই জন্মের মত তোর এখানেই জিবন সমাপ্ত। লালপ্রভা আর একমুহুত্ত্বও দেরী করলোনা। লালপ্রভার বিষাক্ত ছোবলে অপু প্রান হারালো। আর বিদ্যার জার শংকরের হাতে চলে গেল।\n\nবৃন্দার চোখের সামনে ওর ছোট্ট মেয়ে ছটপট করতে লাগল। বৃন্দা আর সহ্য করতে পারলোনা। বৃন্দা হাতের ইশারা করতেই একটা পাখি উড়ে গেল। মেয়েটাকে বাঁচানোর এই একটাই রাস্তা।\nবৃন্দার শরীরে আগুন ধরে যায় আর ও পুড়ে ভষ্ম হয়ে গেল এবং ওর শক্তি শংকর হরন করে নেয়। এবার বিদ্যার পালা কিন্তু তার আগে তাকে সোমলতার রস পান করতে হবে।\nসোমলতার রস যা দেখতে একদম দুধের মত। শংকর কেবল সোমলতার রস পান করবে এমন সময় সেখানে হাজির হল এক জুব্বা পরিহিত উজ্জ্বল চেহারার জ্বীন। যার চোখমুখ দেখা যায়না শুধু চেহারা থেকে নূরের আলো ঠিকরে পড়ছে। জ্বীনটির নাম গালিব ইবনে জাব্বার।\n\nগালিব ওখানে হাজির হতেই ওনার পিছনে শতশত মুমীন জ্বীন এসে দাড়ালো। গালীব সবাইকে নির্দেশ দিল পবিত্র আল কুরানের বিভিন্ন আয়াত দ্বারা এসব সমস্ত ব্যান কেটে দাও। আগে মেয়েটাকে বাঁচাতে হবে। তার মায়ের শেষ ইচ্ছা সফল করতেই হবে।\n\nশংকর বিপদ উপস্থিতির টের পেয়ে জলদি সোমরস পান করেই বিদ্যার শরীরে তার ২য় সত্ত্বার চালান করে দিল। বিদ্যা সাথে সাথে ওর শীতঘুম থেকে বের হয়ে এল।\nবিদ্যার জ্ঞান ফিরতেই ও চোখ খুলল আর ওর পা দু’টি উল্টা দিকে ফিরে গেল। একদম শক্তিশালী ছোট্ট পিশাচ কন্যাতে পরিনিত হল বিদ্যা। এখন জলদি শয়তানের উদ্দেশ্যতে বিদ্যাকে বলি দিতে পারলেই শংকরের সাফল্য লাভ হবে।\n\nএই শয়তান পূজারী খামোস! এখন যদি তোর মন্ত্র পড়া বন্ধ না করে দিস তাহলে তোকে এমন শাস্তি দিব যা দেখে তোর রুহু কেঁপে উঠবে সাথে তোর শয়তান দুনিয়াকেও কাপাবো।\n\nগালিবের এমন হুংকার শুনে শংকর মন্ত্রপড়া থামিয়ে দিয়ে বলল, “হে মুসলিম জ্বীন জগতের অধিপুরুষ, আমার কাজে আপনি বাঁধা দিতে আসলে আপনাকে এখানেই পুঁতে ফেলব। আপনার লাশের জানাযার ভাগ্যও হবেনা। তাই আমার পথ থেকে সরে দাড়ান।”\n\nএই গ্রামের নিরাপরাধ ১৭ জন নরনারী কে হত্যা করেছিস, এক অসহায় নারীকে হত্যা করেছিস এবং তার নিষ্পাপ সন্তানকে হত্যা করার চেষ্টা করছিস। আমার পবিত্র কোরআন সাক্ষ্য দেয়,” বিনা অপরাধে একটা মানুষকে যে হত্যা করে, সে যেন পুরো পৃথিবীর মানুষকেই হত্যা করলো।”\nআমি তোকে সাজা দেওয়ার ক্ষমতা রাখিনা কিন্তু আমার প্রভু নিশ্চয় তোকে কঠিন থেকে কঠিনতম সাজা দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। সবচেয়ে কঠিন সাজা দিতে আমার প্রভুর থেকে উত্তম আর এই পৃথিবীতে কে আছে?\n\nগালিব এক নারী জ্বীনকে আহ্ববান করে বলল,” তাহেরা, তুমি ঐ শিশুকন্যার পা সোজা করে চেপে ধর, বাঁকিটা আল্লাহ্ সুবহানাতালার রহমতে আমি সমাধান করছি।”\n\nগালিবের কথা অনুযায়ী তাহেরা গিয়ে বিদ্যাকে ওর মায়াবলে আবদ্ধ করেই ওর পা দু’টি সোজা করে চেঁপে ধরলো। এতে বিদ্যা এমন গগনবিদারী চিৎকার দিল যার চিৎকার এই অন্ধকার রাতেও বহুদুর পর্যন্ত শোনা গেল।\n\nগালিব একটা শুকনো হাঁসি দিয়ে বলল,” শংকর, আমি কেন তোর সাথে লড়াই করব! লড়াই করবে তো, আল্লাহ্ প্রদত্ত সেই শ্রেষ্ট ও পবিত্র বাণী, যা তিনি উপহার হিসেবে তার বান্দাদের দিয়েছেন। আমি সেই পবিত্রবানী দিয়ে তোকে আর তোর শয়তান দুনিয়াকে আঘাত করবো।”\n\n“হে আমার প্রিয় মুমিন জ্বীন ভ্রাতাগন, তোমরা প্রস্তুত তো?”\n\n“হ্যাঁ ভাই আমরা প্রস্তুত। আমরা শয়তানের বিরুদ্ধে জিহাদ করতে প্রস্তুত।”\n\n“তাহলে দেরী কেন! আল্লাহু আকবার বলে শুরু করো।”\n\nশতশত জ্বীন, যে যেখানে ছিল সেখান থেকেই\n“আল্লাহু আকবার” বলে মধুর কন্ঠে আযান দিতে শুরু করলো।\n\nহে আমার বন্ধুগন এই শয়তান ধংস না পর্যন্ত তোমরা আযান বন্ধ করোনা বলে গালিব পবিত্র জমজম পানি শংকরের উপর নিক্ষেপ করলো।\n\nশংকরও থেমে নেই। ওর সমস্ত শক্তিকে আহ্ববান করে ও একবার হাতির রুপ ধরে আবার বিশাল সাপের রুপ ধরে ছোবল মারতে আসে। কখনওবা বিকট চেহারায় গালিবকে ওর পায়ের নিচে পৃষ্ট করতে চায়। কিন্তু কোন কিছুতেই কিছু হয়না। আযানের শব্দে শংকরের শরীরের চামড়া খসে পড়ে তারপর মাংস তারপর হাড়। এভাবে সব ঝলসে পড়ে সেখানে আগুন জ্বলে যায়। এক কালো অধ্যায় শেষ হয়ে গেল।\n\nযে জাতি নিরাপরাধ শিশু ও নারীর উপর অত্যাচার করে সে জাতির ধংস অনিবার্য। ওরা সবাই বিদ্যাকে রেখেই ওখান থেকে চলে যায়।\n\nখানিক পড়ে রঘুনাথ সহ ওর দুই ভাই এসে দেখে সেখানে পুজার সামগ্রী আর বিদ্যা ছাড়া কেউ নেই। বিদ্যার পা দিয়ে রক্ত ঝড়ছে। বিদ্যার কোন সেন্স নেই। রমেশ গিয়ে বিদ্যাকে কোলে তুলেই বলল,” দাদা, তোমার সিদ্ধান্ত নেওয়াটা মনে হয় ভূল ছিল। জানিনা এর খেসারত আমাদের কি দিতে হবে।”\n\nএমন সময় বাসা থেকে চিৎকার চেঁচামিচির শব্দ আসে। রঘুনাথ সহ সবাই দৌড়ে বাসায় গিয়ে দেখে অঞ্জনা অপুর লাশ নিয়ে চিৎকার করে বিলাপ করে কাঁদছে। রঘুনাথ ধপ করে মাটিতে পড়ে গেল। যার জন্য এত কিছু করা সেই তাদের ছেড়ে গেল।\n\nপুরো বাসায় শোকের মাতাম চলতে লাগলো। শেষ রক্ষাও আর করা গেলনা। ঈশ্বর আমায় শাস্তি দিয়েছেন, ঈশ্বর আমায় শাস্তি দিয়েছেন বলে মাথা চাপড়াতে লাগলো রঘুনাথ। তারপর সেন্সলেস হয়ে পড়ে যায় রঘুনাথ।\n\nএকই দিন আর রাত মিলে মোট ১৯ জনের জিবন গেল শুধু মাত্র রঘুনাথের ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য।\n\n♥\n\nতিন দিন পরে,\n\nআজ তিনদিন পর বিদ্যার জ্ঞান ফিরেছে। পাশে অঞ্জনা সহ রঘুনাথ বসে আছে। ডাক্তার বাবু বিদ্যাকে চেকাপ করে বলল,” সমস্যা হওয়ার কথা নয়। যদি হয় আমাকে একবার খবর দিবেন।”\n\nডাক্তার চলে যেতেই অঞ্জনা বিদ্যাকে তুলে বলল,” কিছু খাবি বিদ্যা?”\n\n“অপু দাদা কই?”\n\nএবার অঞ্জনা ডুকরে কেঁদে সেখান থেকে বের হয়ে গেল। রঘুনাথ বিদ্যাকে কাছে টেনে বলল,” তোর দাদা নেই বিদ্যা, সে তো বিদেশ গেছে।”\n\n” ই, বললেই হল! দাদা আমাকে ছেড়ে কোথাও যাবেনা। দাদা কই বলেই বিদ্যা খাট থেকে নেমে হাটতে গিয়েই ধপ করে পড়ে গেল। সেখান থেকে কষ্ট করে উঠেই আবার দৌড় দিল অপুকে খুঁজতে। পুরো রুম, সাবার রুম, পুরো বাস সহ বাহিরের রাস্তা পর্যন্ত, বিজয়দের বাসাও খুঁজতেও বাদ দিলনা। কিন্তু কোথাও অপুকে খুঁজে পেলনা। ছোট্ট বিদ্যার বুকের ভিতর ধকধক করতে লাগল। এবার বিদ্যা অঞ্জনার কাছে গিয়ে অঞ্জনার আচল ধরে বলল,” ও জেঠি আমার দাদাকে কোথায় লুকিয়ে রাখছো, আমি আর তোমাদের জ্বালাতন করবোনা তবুও দাদাকে বের করে দাও।”\n\nঅঞ্জনা শুধু কেঁদেই চলছে কিছু বলতে পারছেনা। শেষে ওখান থেকে হাঁপাতে হাঁপাতে অনুরাধার কাছে গিয়ে বলে,” অনু দিদি তুমি জানো, আমার দাদা কোথায়? তুমি দাদাকে লুকিয়ে রাখছো, তাই না? ”\n\nকেউ কোন কথা বলেনা। শুধু কেঁদেই চলে সবাই। বিদ্যা এবার রেগে গিয়ে উঠানে দাড়িয়ে দাদা,দাদা বলে চিৎকার দিতে লাগলো। কিন্তু ওর দাদা আসেনা।কাঁদতে কাঁদতে বিদ্যার গলা ভেঙ্গে গেল। যার জন্য এতদিন বিদ্যা এই বাসায় ছিল আজ সেই নেই। বিদ্যা যে জানেনা, তার অপু দাদা আর পৃথিবীতেই নেই। তাকে দু,দিন আগে কবর দেওয়া হয়েছে। সাপে কাটা রোগী বলে তাকে আর পোড়া হয়নি।\n\nবিদ্যার সিঁদুর মুছে দেওয়া হল, শাঁখা খুলে নেওয়া হল। শাখা খুলতেই বিদ্যা চেঁচিয়ে উঠলো, “এটা আমার দাদা দিয়েছে, তোমরা কেন খুলে নিচ্ছো?”\n\n” এটা আর পড়তে নেই মা বলে এক মহিলা বিদ্যার কাছ থেকে সধবার সমস্ত চিহ্ন মুছে ফেলল।”\n\nবিদ্যাকে সবাই মিলে ধরে উঠানে বসে গোসল দিয়ে দিল। মাথার চুল কামিয়ে দেওয়া হল। সাদা ধবধবে ফ্রগ পড়ে দেওয়া হল। শুধু সাদা ভাত খেতে দেওয়া হল। বিদ্যা যে এখন শিশুবিধবা।\n\nঅপুকে ছাড়া বিদ্যাতো ভাত মুখেই তুলবেনা। দাদা এবার আসলে বলে দিব, তোমরা আমার চুল কেটে দিয়েছ, আমাকে খেতে দাওনা বলে বিদ্যা কেঁদে উঠলো।\n\nবিদ্যার এমন দিন রাত আর্তনাদে সবার চোখের জল ঝরে। তারা বিদ্যার অপু দাদাকে কই পাবে! বিদ্যার যে তার অপু দাদাকে চাই চাই। অপুদাকে ছাড়া যে তার চলেনা……",
        "series": {
            "id": 74,
            "title": "সিঁদুরশুদ্ধি",
            "slug": "sindurshuddhi",
            "url": "https://golpohub.com/series/sindurshuddhi",
            "thumbnail_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/series-sinndursuddhi-74-bfe384.webp",
            "progress_status": "completed"
        },
        "author": {
            "id": 37,
            "name": "নাফিসা মুনতাহা পরী",
            "slug": "nafisa-muntaha-pori",
            "url": "https://golpohub.com/authors/nafisa-muntaha-pori",
            "avatar_url": "https://cdn.golpohub.com/avatars/nafisa-muntaha-pree-37-9f7c4d.webp",
            "bio": "নাফিসা মুনতাহা পরী সমসাময়িক বাংলা অনলাইন সাহিত্যের একজন অন্যতম জনপ্রিয় ও রহস্য-রোমাঞ্চ ঘরানার শক্তিশালী লেখিকা। মানবিক আবেগের জটিল রসায়ন, চিরায়ত প্রেমের অবিনাশী টান এবং অতিপ্রাকৃত অলৌকিক আখ্যানের মেলবন্ধনে তিনি একের পর এক সৃষ্টি করেছেন পাঠকপ্রিয় সব উপন্যাস। তাঁর লেখনীতে প্রতিটি চরিত্রের মানসিক দ্বন্দ্ব, নিঃশব্দ আত্মত্যাগ এবং সামাজিক বাস্তবতার নিখুঁত প্রতিফলন ঘটে।\n\n'সিঁদুরশুদ্ধি' উপন্যাসে তিনি চিরাচরিত রোম্যান্সের গণ্ডি পেরিয়ে পুনর্জন্ম, অতিপ্রাকৃত পিশাচলোক ও অমল বিশ্বাসের যে রূপরেখা নির্মাণ করেছেন, তা বাংলা ওয়েব ফিকশনের জগতে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। পাঠকদের ধরে রাখার তীব্র সাসপেন্স ও হৃদয়স্পর্শী সংলাপ তাঁর লেখার প্রধানতম শক্তি।",
            "series_count": 0,
            "meta": {
                "bio": "নাফিসা মুনতাহা পরী সমসাময়িক বাংলা অনলাইন সাহিত্যের একজন অন্যতম জনপ্রিয় ও রহস্য-রোমাঞ্চ ঘরানার শক্তিশালী লেখিকা। মানবিক আবেগের জটিল রসায়ন, চিরায়ত প্রেমের অবিনাশী টান এবং অতিপ্রাকৃত অলৌকিক আখ্যানের মেলবন্ধনে তিনি একের পর এক সৃষ্টি করেছেন পাঠকপ্রিয় সব উপন্যাস। তাঁর লেখনীতে প্রতিটি চরিত্রের মানসিক দ্বন্দ্ব, নিঃশব্দ আত্মত্যাগ এবং সামাজিক বাস্তবতার নিখুঁত প্রতিফলন ঘটে।\n\n'সিঁদুরশুদ্ধি' উপন্যাসে তিনি চিরাচরিত রোম্যান্সের গণ্ডি পেরিয়ে পুনর্জন্ম, অতিপ্রাকৃত পিশাচলোক ও অমল বিশ্বাসের যে রূপরেখা নির্মাণ করেছেন, তা বাংলা ওয়েব ফিকশনের জগতে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। পাঠকদের ধরে রাখার তীব্র সাসপেন্স ও হৃদয়স্পর্শী সংলাপ তাঁর লেখার প্রধানতম শক্তি।",
                "phone": null,
                "gender": null,
                "address": [],
                "birth_date": null,
                "social_links": [],
                "pen_name": "নাফিসা মুনতাহা পরী",
                "aliases": [
                    "Nafisa Muntaha Pori",
                    "পরী",
                    "Nafisa Muntaha"
                ]
            },
            "timestamps": {
                "created_at": null,
                "updated_at": null
            }
        },
        "navigation": {
            "previous_episode": {
                "id": 2695,
                "ep_number": 7,
                "title": "মায়াবিনীর গুপ্ত পরিচয়",
                "slug": "sindurshuddhi-s1-ep7",
                "url": "https://golpohub.com/episodes/sindurshuddhi-s1-ep7",
                "thumbnail_url": "https://golpohub.com/assets/images/og.jpg"
            },
            "next_episode": {
                "id": 2697,
                "ep_number": 9,
                "title": "পঁচিশ বছরের নির্জন কান্না",
                "slug": "sindurshuddhi-s1-ep9",
                "url": "https://golpohub.com/episodes/sindurshuddhi-s1-ep9",
                "thumbnail_url": "https://golpohub.com/assets/images/og.jpg"
            }
        }
    }
}