{
    "_links": {
        "html": "https://golpohub.com/episodes/tomatei-purno-ami-s1-ep11",
        "json": "https://golpohub.com/episodes/tomatei-purno-ami-s1-ep11?format=json",
        "markdown": "https://golpohub.com/episodes/tomatei-purno-ami-s1-ep11?format=md",
        "rss": "https://golpohub.com/episodes/tomatei-purno-ami-s1-ep11?format=rss",
        "atom": "https://golpohub.com/episodes/tomatei-purno-ami-s1-ep11?format=atom"
    },
    "seo": {
        "canonical_url": "https://golpohub.com/episodes/tomatei-purno-ami-s1-ep11",
        "title": "তোমাতেই পূর্ণ আমি পর্ব ১১ - ক্ষতের মলম ও বিষাক্ত বাক্য | Tomatei Purno Ami Part 11",
        "description": "পড়ুন তোমাতেই পূর্ণ আমি পর্ব ১১। তূর্যর মুখে নিজের স্ত্রী পরিচয় এবং পরক্ষণেই অন্ধ সন্দেহে বিষাক্ত অপবাদের তীব্র হাহাকার।",
        "keywords": "তোমাতেই পূর্ণ আমি পর্ব ১১, tomatei purno ami porbo 11, tomatei purno ami part 11, tomatei purno ami 11, শ্রেয়সী, তূর্য চৌধুরী, ক্ষতের মলম ও বিষাক্ত বাক্য",
        "image_url": "https://golpohub.com/assets/images/og.jpg",
        "schema": {
            "@context": "https://schema.org",
            "@graph": [
                {
                    "@type": "Chapter",
                    "name": "ক্ষতের মলম ও বিষাক্ত বাক্য",
                    "position": 11,
                    "description": "ডাক্তারের কাছে শ্রেয়াকে নিজের স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দিয়ে পরম মমতায় সেবা করে তূর্য। কিন্তু আয়ুশের নাম উঠতেই অন্ধ ঈর্ষায় হিংস্র হয়ে ওঠে সে; দেয়াল ভেঙে রক্তাক্ত করে নিজের হাত আর মুখে ছুড়ে দেয় চরম অপবাদ। ডুকরে কেঁদে ওঠা শ্রেয়া রাতের আঁধারে কপালে অনুভব করে সেই রক্তচক্ষু প্রেমিকেরই কান্নাভেজা ওষ্ঠের স্পর্শ!",
                    "url": "https://golpohub.com/episodes/tomatei-purno-ami-s1-ep11",
                    "inLanguage": "bn",
                    "timeRequired": "PT11M",
                    "datePublished": "2026-09-23T16:29:40+00:00",
                    "dateModified": "2026-09-23T16:35:56+00:00",
                    "wordCount": 1667,
                    "image": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-chapter-2996-b89bf1.webp",
                    "isPartOf": {
                        "@type": [
                            "BookSeries",
                            "CreativeWorkSeries"
                        ],
                        "name": "তোমাতেই পূর্ণ আমি",
                        "url": "https://golpohub.com/series/tomatei-purno-ami"
                    },
                    "author": {
                        "@type": "Person",
                        "name": "আসরিফা সুলতানা জেবা",
                        "url": "https://golpohub.com/authors/asrifa-sultana-zeba"
                    }
                },
                {
                    "@type": "BreadcrumbList",
                    "itemListElement": [
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 1,
                            "name": "Golpo Hub",
                            "item": "https://golpohub.com"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 2,
                            "name": "সিরিজসমূহ",
                            "item": "https://golpohub.com/series"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 3,
                            "name": "তোমাতেই পূর্ণ আমি",
                            "item": "https://golpohub.com/series/tomatei-purno-ami"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 4,
                            "name": "ক্ষতের মলম ও বিষাক্ত বাক্য",
                            "item": "https://golpohub.com/episodes/tomatei-purno-ami-s1-ep11"
                        }
                    ]
                }
            ]
        }
    },
    "filters": [],
    "data": {
        "id": 2996,
        "ep_number": 11,
        "title": "ক্ষতের মলম ও বিষাক্ত বাক্য",
        "slug": "tomatei-purno-ami-s1-ep11",
        "url": "https://golpohub.com/episodes/tomatei-purno-ami-s1-ep11",
        "reading_time": 11,
        "thumbnail_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-chapter-2996-b89bf1.webp",
        "yt_video_id": null,
        "yt_video_url": null,
        "timestamps": {
            "published_at": "2026-09-23T16:29:40+00:00",
            "updated_at": "2026-09-23T16:35:56+00:00"
        },
        "meta": {
            "word_count": 1667,
            "seo_title": "তোমাতেই পূর্ণ আমি পর্ব ১১ - ক্ষতের মলম ও বিষাক্ত বাক্য | Tomatei Purno Ami Part 11",
            "seo_description": "পড়ুন তোমাতেই পূর্ণ আমি পর্ব ১১। তূর্যর মুখে নিজের স্ত্রী পরিচয় এবং পরক্ষণেই অন্ধ সন্দেহে বিষাক্ত অপবাদের তীব্র হাহাকার।",
            "keywords": "তোমাতেই পূর্ণ আমি পর্ব ১১, tomatei purno ami porbo 11, tomatei purno ami part 11, tomatei purno ami 11, শ্রেয়সী, তূর্য চৌধুরী, ক্ষতের মলম ও বিষাক্ত বাক্য",
            "characters_involved": [
                "শ্রেয়সী",
                "তূর্য চৌধুরী",
                "প্রিয়ু",
                "আয়ুশ"
            ]
        },
        "content": "পায়ের দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে তূর্য ভাইয়া । কোনো হেলদোল নেই ওনার। হোটেল রুমে বিছানায় হেলান দিয়ে বসে আছি আমি পা দুটো একদম সোজা রেখে। ডক্টর এসে ব্যান্ডেজ করে দিয়ে গেছেন একটু আগে। ব্যান্ডেজ করার পর ইনজেকশন দিতে গিয়ে ডক্টর ভেবেছিলেন আমি হয়তো ভয় পাব তাই তূর্যর দিকে তাকিয়ে বললেন,,,\n\n—মিষ্টার চৌধুরী ওনার হাত টা চেপে ধরুন নয়তো ইনজেকশন দেওয়ার সময় ভয়ে হাত সরিয়ে নিতে পারেন।\n\nতৎক্ষণাৎ তূর্য বলে উঠলেন,,,\n\n—ধরার প্রয়োজন নেই ডক্টর। শি ইজ ভেরি স্ট্রং। রাইট মিস শ্রেয়সী?\nকথাটা বলে আমার দিকে তাকালেন তূর্য। সত্যিই তো আমার এসবে ভয় সেই ছোট বেলায় কেটে গেছে। যেখানে নিজের জীবন টা টিকিয়ে রাখার জন্য লড়াই করতে হচ্ছে আমাকে প্রতি মুহূর্তে সেখানে সামান্য ইনজেকশনে ভয় পাওয়া টা নিতান্তই ন্যাকামি। তাই ডক্টর আংকেলের দিকে তাকিয়ে বললাম,,,,\n\n——আমার এসবে ভীতি নেই আংকেল। আপনি নিশ্চিন্তে ইনজেকশন দিতে পারেন।আমি হাত একটু ও নাড়াব না।\n\nকথাটা বলেই তূর্যর দিকে তাকাতেই দেখলাম অন্য দিকে তাকিয়ে আছেন তিনি। চোখ দুটো এখনও লাল। মুখের ভাব ভঙ্গি বুঝা বড্ড মুশকিল।ডক্টর আংকেল ইনজেকশন পুশ করতেই চোখ দুটো খিঁচে বন্ধ করে রইলাম আমি।\n\nশ্রেয়া চোখ দুটো খিঁচে বন্ধ করা মুখটা দেখে ঠোঁট দুটো প্রশস্ত করে ফেলল তূর্য। তূর্যর কাছে শ্রেয়া কে ছোট বাচ্চাদের মতো লাগছে। মুখে যতই নিজেকে স্ট্রং বলুক ভিতর থেকে একদম নরম মেয়েটা। শুধু পরিস্থিতির চাপে পড়ে জীবনের টানাপোড়নে কঠিন হওয়ার চেষ্টা। শ্রেয়া আহ্ শব্দ করতেই উৎকন্ঠা হয়ে পড়ল তূর্য। ডক্টরের উদ্দেশ্য ভয়ার্ত গলায় বলল,,,\n\n— সাবধানে ডক্টর\n—- এতো বিচলিত হতে হবে না মিষ্টার চৌধুরী। ইনজেকশন দেওয়া শেষ। আপনার ওয়াইফ কয়েকদিন হাটা চলা বন্ধ রেখে নিয়মিত ওষুধ খেলেই একদম ঠিক হয়ে যাবে পা টা। (হেসে)\n\nডাক্তারের কথা শুনেই বিষম খেলাম আমি। মনটা কেঁপে উঠল।আমি ওনার বউ এটা হয়তো কখনও স্বপ্নে ও সম্ভব না। তূর্যর জবাবের আশায় অপেক্ষা করে রইলাম কিছু না বলে।ওনার দিকে তাকানোর সাহস নেই এখন।ডক্টর সাহেব কেমন লজ্জায় ফেলে দিলেন। মাথাটা নিচু করে বিছানার চাদরের দিকে চেয়ে রইলাম আমি। হঠাৎ হৃদয়ে হানা দিল অন্যরকম অনুভূতি। সারা হৃদয় জুড়ে বিস্তার করে চলেছে নতুন এই অনুভূতিটা। শিরদাঁড়া বেয়ে গেল এক শীতল স্রোত। অশ্রুসিক্ত হয়ে এলো আঁখি দুটো। এ কেমন অনুভূতি! কথাটা কানে বাজছে বার বার।তূর্যর দিকে অশ্রুসিক্ত আখি দুটো নিবদ্ধ করতেই মুচকি হেসে এগিয়ে এলেন তিনি।একটু আগেই ডক্টরের কথার জবাবে তূর্য বললেন,,,\n\n—আমি আমার বউয়ের প্রপার খেয়াল রাখব ডক্টর। বউটা আমার বড্ড বেসামাল তো তাই নিজের বাচ্চামির কারণেই পায়ের এই দশা।( হেসে)\n\nব্যাস তূর্যর এই কথাটায় হৃদয়ে হাতুড়ি পিটাচ্ছে অনেক জোরে। যেই ডাকটা শোনার জন্য তৃষ্ণাত ছিলাম বহু মাস আগে। সে ডাক শুনে আজ ইচ্ছে করছে চিতকার করে কাঁদতে। প্রচন্ড বেগে আছড়ে পড়তে মানুষটার বুকে। চিতকার করে বলতে আমি আগেও আপনাকে চেয়েছি আজও চাই তূর্য। সুখী একটা জীবন চাই। একটু শান্তি চাই।হেরে যাচ্ছি বার বার এই কঠিন জীবনে। ক্লান্ত আপনার শুভ্রপরী,, অনেক ক্লান্ত। কিন্তু সেই অধিকার সেই সাধ্য আজ আর নেই। এখন তো আমি অন্য কারো বিধবা। অশ্রুসিক্ত নয়নে ওনার দিকে তাকাতেই কিছু না বলে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন আমার কাটা পায়ের দিকে।\n।\n।\nপাঁচ মিনিট যাবত পায়ের দিকে তাকিয়েই আছেন তিনি।কি দেখছেন ওনি?এবার লজ্জা +অস্বস্তি দুটো ঝেকে ধরেছে আমায়। পা টা একটু সরিয়ে নিতেই খুব জোরে চেপে ধরলেন তিনি।ব্যাথায় মনে হলো আমার অন্তর আত্মা বেরিয়ে যাবে।ঠোঁট দুটো চেপে বসে রইলাম আমি ব্যাথায়। কান্না পাচ্ছে ভীষণ।\nশ্রেয়ার মুখের দিকে এক পলক তাকিয়ে পা টা ছেড়ে দিল তূর্য। তাচ্ছিল্য কন্ঠে দাঁতে দাঁত চেপে বলে উঠল,,,,\n\n—ইশ খুব ব্যাথা লাগছে তাই না?ননসেন্স গার্ল। নিজের বিপদ ডেকে এনেছে তো এনেছে আবার অন্যের ঘুরা ও হারাম করেছে। পা কেটেছে ওনি আর রক্ত ঝড়ছে অন্য কারো হৃদয়ে। কেয়ারলেস মেয়ে একটা যেখানেই যায় আপদ ডেকে আনে। কে যে বলে এসব মানুষ কে কোথাও যেতে।\n\nওনার এমন কথায় চোখ থেকে জল গড়িয়ে পড়ল আমার। সবাই বলে আমি অপয়া আপদ ডেকে আনি। আজ ওনিও বললেন। ওনার মুখে এমন কথা শুনে মরে যেতে ইচ্ছে করছে আমার। কেন আপনি এমন করছেন তূর্য? আড়ালে ভালোবাসছেন তো প্রকাশ্যে অপমান করছেন কষ্ট দিচ্ছেন। কি অপরাধ আমার? কেন এভাবে আঘাত করছেন আমায়? মনের কথা গুলো মনে রেখেই বললাম,,,,\n\n—আমি আপনাকে একবারও বলে নি নিজের ঘুরাঘুরি বাদ দিয়ে আমায় সবার সামনে দরদ দেখিয়ে এখানে নিয়ে আসতে। আমার পা কেটেছে সেটা আমি বুঝব। আপনার এতো কিছু করার কোনো প্রয়োজন ছিল না। প্রথম থেকেই আপনি আমায় ঘৃণা করছেন অপমান করছেন কিছু বলি নি আমি। এখনও হেল্প করে আবার অপমান করছেন। ডক্টরের কাছে আমাকে বউ পরিচয় দিয়ে মহৎ সাজছেন। আমার এমন হেল্প বা দরদের কোনো দরকার ছিল না। আপনি আমায় ঘৃণা করেন করতে থাকেন সবসময়। কে বলেছে আপনাকে আনতে? ওখানে তো আয়ুশ,,,,,\n\nকথাটা শেষ করতে না দিয়ে পাশে থাকা ফ্লাওয়ার ভাস টা খুব জোরে ফ্লোরে ছুড়ে মারলেন তূর্য ভাইয়া। ভয়ে আঁতকে উঠলাম আমি।চোখ দুটো আগের থেকে ও বেশ লাল হয়ে উঠেছে তার। মনে হচ্ছে অগ্নি বর্ষণ হবে চোখ থেকে। তীব্র রাগে লাল বর্ণ ধারণ করেছে ওনার ফর্সা মুখটা। আমার দিকে তেড়ে আসতেই খাটের সাথে একদম সেঁটে গেলাম আমি। তীব্র রাগী কন্ঠে বলে উঠলেন,,,\n\n—তোর মতো মেয়ের জন্য তূর্য মরে না। চরিত্রহীন মেয়ে যার হাজার টা পুরুষ লাগে। এতো পুরুষের সাথে ঘেঁষা ঘেঁষি করার শখ তোর অথচ আমি একটু ছোঁয়াতেই ধার লাগছে তাই না?আমার কোলে উঠে তৃপ্তি মেটে নি আয়ুশের কোলে উঠার জন্য মরে যাচ্ছিস তাই না? এমন চরিত্রহীন নির্লজ্জ মেয়ে আমি কখনও দেখি নি। এই আভাসের চরিত্রে দোষ ছিল নাকি তোর চরিত্রে? আভাস তো বেঁচে গিয়েছে মরে তোর মতো দুশ্চরিত্রা মেয়ের হাত থেকে। কান খুলে শুনে রাখ শুধু মাত্র খালামণির জন্যই তোর হেল্প করেছি। নয়তো তোকে ধরতেও ঘৃণা হয় আমার।\n\nকথাগুলো বলেই দেয়ালে প্রচন্ড জোরে একটা ঘুষি দিল তূর্য ভাইয়া। ওনার কথাগুলো শুনার চেয়ে হয়তো মরণ ও ভালো ছিল। ডুকরে কেঁদে উঠলাম আমি। যাকে না দেখেই ভরসা করেছি ভালোবেসেছি তার মুখে এমন বিষাক্তময় কথাগুলো মেনে নিতে পারছি না আমি। দূরে চলে যাবো ওনার থেকে অনেক দূরে কখনও আর আসবো না ওনার সামনে। চোখের পানি আজ কোনো ভাবেই থামছে না।\n\nশ্রেয়ার কান্নারত চেহারা টা দেখে মনটা অস্থির হয়ে উঠল তূর্যর। কাছে যেতে চেয়েও গেল না। নিজের রাগ কিছুতেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। বেরিয়ে গেল রুম থেকে। তূর্য কে এভাবে বেরিয়ে যেতে দেখে অবাক হল দরজায় দাড়িয়ে থাকা প্রিয়ু ও আয়ুশ। এ মুহুর্তে শ্রেয়ার কাছে না গিয়ে তূর্যর কাছে যাওয়া উচিত আমার কথাটা মনে মনে ভেবেই ছুটে চলল আয়ুশ তূর্যর রুমের দিকে।\n\nপ্রিয়ু রুমে ঢুকেই দেখল শ্রেয়া কাঁদতে কাঁদতে চোখ ফুলে গেছে।প্রিয়ু কে দেখেই নিজের চোখ মুছার চেষ্টা করলাম। আমার হাত টা ধরল শ্রেয়া। ভয়ার্ত গলায় প্রশ্ন করল,,\n\n—কি হয়েছে শ্রেয়া?তূর্য ভাইয়া এভাবে রেগে বেরিয়ে গেলেন কেন?আর তুই বা কাঁদছিস কেন?\n\n—-এমনি।\n\n—আবার লুকাচ্ছিস?কি হয়েছে খুলে বল?তূর্য ভাইয়া তো সবার সামনেই তোকে কোলে তুলে নিয়ে আসল।আবার তুই কাঁদছিস।কি হয়েছে শ্রেয়া?\n\n—কিছু না। ওনি কি আমায় সহ্য করতে পারেন নাকি?তোকে না বলেছিলাম ওনি মার বোনের ছেলে?তাই একটু সাহায্য করেছে আরকি!!সাথে ফ্রি তে অপমান ও।(একটু হেসে বললাম আমি)\n\n—তূর্য ভাইয়া তোর সাথে এতো রুড বিহেভ কেন করে শ্রেয়া?কি দরকার ছিল ওনার সাথে তর্ক করার?আচ্ছা যাই হোক ওনার থেকে দূরে দূরে থাকাই বেটার এখন।\n\nহুম অনেক বেটার। ওনার থেকে দূরে থাকলেই ওনার মঙল হবে। আমি তো অপয়া আপদ তাই ওনার জীবনে কোনো আপদ ডেকে আনতে চাই না আমি। আমি জানি তূর্য তখন কথাগুলো আপনি রাগের মাথায় বলেছেন। কিন্তু কথাগুলো একদম সত্য ছিল।তবে আমি ক্যারাক্টারলেস নয়। পবিত্র ছিলাম আমি। চেয়েছিলাম আপনার হতে কিন্তু বাবার মিনতি আমি ফেলতে পারি নি তূর্য। তবুও ক্ষীণ আশা ছিল আপনি এসে নিজের কাছে নিয়ে যাবেন আমায়। সবকিছু শেষ করে দূরে সরে যাব আমি। আমি জানি আপনি পাগলের মতো ভালোবাসেন আমায়। যেকোনো ভাবে আমায় নিজের করতে চাইবেন।কিন্তু বিধবা হয়ে কীভাবে নিজের হাতে নিজের ভালোবাসার মানুষটার জীবন নষ্ট করে দেই বলেন?তাই কোনো পিছুটান না রেখে চলে যাব আমি।—কথাগুলো ভেবে একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লাম।কোনো কিছু না বলে শুয়ে রইলাম চোখ বুঝে।\n\nপ্রিয়ু খাওয়ার জন্য অনেক জোরাজোরি করলেও খেলাম না। মেডিসিন খাওয়ার ও ইচ্ছে নেই। এই মুহূর্তে মনে হচ্ছে আমি মরে গেলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।পালিয়ে ও বেড়াতে হবে না আর। প্রিয়ু এসে জানিয়ে গেল রুমে আজ একা থাকতে দেওয়া হয়েছে আমায়।কারণ জিজ্ঞেস করার ইচ্ছে নেই। তাই কিছু জিজ্ঞেস না করেই শুয়ে পড়লাম।\n——————————————–\n\nমাঝ রাতে কপালে কারো স্পর্শ পেয়ে কেঁপে উঠলাম আমি। দরজা তো বন্ধ কে আসবে রুমে? মনের ভুল ভেবে আবারও ঘুমের ঘোরে ডুব দিলাম। ঘুমের ঘোরে ব্যান্ডেজ করা পা টা নাড়তেই ব্যাথায় কুঁকড়ে উঠলাম আমি। গালে তরল কিছু অনুভব করতেই ভিতরটা আর্তনাদ করে উঠল আমার। উড়ে গেল ঘুম। চোখ দুটো বুঝে রইলাম।ফিল করতে পারছি আমার খুব কাছে আছেন ওনি।বুঝতে পারলাম ওনি কাঁদছেন। আবারও গালে ঠোঁটের ছোঁয়া পেতেই হৃদপিণ্ডে শুরু হলো উত্তাল ঢেউ। ওনার উপস্থিতি আর উপলব্ধি করতে পারছি না। তার মানে কি ওনি চলে গেলেন?মিট মিট করে চোখ দুটো খুলে দেখলাম ওনি নেই। হয়তো সত্যিই চলে গেছেন। মনের মাঝে দলা পাকিয়ে রাখা কষ্ট গুলো বেরিয়ে আসতে লাগল কান্না রুপে। আওয়াজ করে কেঁদে দিলাম। দহন হচ্ছে মনের ভিতর।কেন আল্লাহ এমন কঠিন পরিস্থিতিতে ফেলল আমাকে? কেন ভালোবাসা পেয়েও আঁকড়ে ধরতে পারছি না আমি?আজও মনে পড়ে সেই প্রথম দিনের কথা।\n।\n।\nইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে ভর্তি হয়েছি দু মাস হয়েছে। প্রায় পাঁচ দিন ক্লাস মিস হয়েছে বাবার সাথে গ্রামের বাড়িতে যাওয়ায়। কতো পড়া হয়তো জমে গেছে। মোবাইল ও নেই যে প্রিয়ুর থেকে ফোন দিয়ে সব জেনে নিব। বাড়ির কাজ শেষ করে হেঁটে আসায় অনেক লেট হয়ে গেছে।ক্লাস শুরু হতে মাত্র পাঁচ মিনিট বাকি আছে।গেইট দিয়ে তাড়াহুড়ো করে ঢুকতে যাবো তখনি থেমে গেলাম দারোয়ান চাচার ডাকে। একটু হেসে বললাম,,,\n\n—কিছু বলবেন চাচা? ক্লাস শুরু হয়ে যাবে তো তাই তাড়া আছে।\n\n—শ্রেয়া মা,,তোমার খুঁজে আইছিল এক সাহেব। অনেক বড়লোক বাড়ির পোলা মনে হইতাছিল। কি সুন্দর এক খান পোলা। দেখলেই চোখ জুড়ায় যায়।\n\nচাচার এমন কথায় ভ্রু কুঁচকালাম আমি।কোথাকার কোন ছেলে আমার সাথে তার কি সম্পর্ক? আমি তো এমন কাউকেই চিনি না। আমাদের এতো বড়লোক কোনো আত্মীয় ও নাই।তাই আগ্রহ নিয়ে জিজ্ঞেস করলাম,,,\n\n—আপনি কি শিওর আমার কথা বলছিল?\n\n–হ মা। তোমার কথাই কয়তাছিল। আমি কইলাম আপনে একটু দাঁড়ান মাইয়াডা হয়তো আইতাছে। কিন্তু পোলাডা দাঁড়াইলো না। আমার হাতে একখানা বক্স দিয়া কইল তোমারে দিতে। আমারে চকচকা এক খান এক হাজার টাকার নোট ও দিল। পোলাডা ভীষণ বড়লোক হইব।\n\nচাচার কথায় খুব অবাক হলাম আমি। আমার তো কোনো বয়ফ্রেন্ড ও নেই। অজানা আড়ালে কোনো আশিক ও নেই\nতবে কে হতে পারে?আগ্রহ বেড়ে গেল দ্বিগুণ। চাচা দাঁত কেলিয়ে আমার দিকে একটা বক্স এগিয়ে দিতেই চোখ দুটো কপালে উঠে গেল আমার। এতো সুন্দর কাঠের ছোট একটা বক্স আমি আগে কখনও দেখি নি। বক্সটার উপর খোদাই করে খুব সুন্দর করে লিখা–“আমার শুভ্রপরী।”\n\nলিখাটা পড়েই বজ্রপাতের ন্যায় ছলকে উঠল পুরো দেহ।জীবনে প্রথম এক নতুন অনুভূতি এসে হানা দিল হৃদয় দুয়ারে। বক্স টা হাতে নিয়ে কাঁপা কাঁপা হাতে হাত বুলালাম আমার শুভ্রপরী লিখাটার উপর। হৃদয়ের ধুকপুকানি শব্দ টা বেড়েই চলেছে ক্রমশ। মন বার বার আওড়াচ্ছে,,,,,–“”আমার শুভ্রপরী।”",
        "series": {
            "id": 81,
            "title": "তোমাতেই পূর্ণ আমি",
            "slug": "tomatei-purno-ami",
            "url": "https://golpohub.com/series/tomatei-purno-ami",
            "thumbnail_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/series-tomatei-puurn-ami-81-8c9d79.webp",
            "progress_status": "ongoing"
        },
        "author": {
            "id": 62,
            "name": "আসরিফা সুলতানা জেবা",
            "slug": "asrifa-sultana-zeba",
            "url": "https://golpohub.com/authors/asrifa-sultana-zeba",
            "avatar_url": "https://cdn.golpohub.com/avatars/author-asrifa-sultana-jeba-62-2114fe.webp",
            "bio": "আসরিফা সুলতানা জেবা সমসাময়িক বাংলা অনলাইন সাহিত্যের একজন আবেগপ্রবণ ও পাঠকপ্রিয় কথাশিল্পী। তাঁর লেখনীতে যৌথ পরিবারের বন্ধন, সম্পর্কের গভীরতা, তীব্র আবেগ, মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন এবং বিয়োগান্ত প্রেমের আকুলতা অত্যন্ত জীবন্তভাবে ফুটে ওঠে। চরিত্রের অন্তর্বেদনা ও আত্মত্যাগের মর্মস্পর্শী উপস্থাপনায় তিনি পাঠকহৃদয়ে স্থায়ী আসন করে নিয়েছেন।",
            "series_count": 0,
            "meta": {
                "bio": "আসরিফা সুলতানা জেবা সমসাময়িক বাংলা অনলাইন সাহিত্যের একজন আবেগপ্রবণ ও পাঠকপ্রিয় কথাশিল্পী। তাঁর লেখনীতে যৌথ পরিবারের বন্ধন, সম্পর্কের গভীরতা, তীব্র আবেগ, মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন এবং বিয়োগান্ত প্রেমের আকুলতা অত্যন্ত জীবন্তভাবে ফুটে ওঠে। চরিত্রের অন্তর্বেদনা ও আত্মত্যাগের মর্মস্পর্শী উপস্থাপনায় তিনি পাঠকহৃদয়ে স্থায়ী আসন করে নিয়েছেন।",
                "pen_name": "আসরিফা সুলতানা জেবা",
                "aliases": [
                    "Asrifa Sultana Zeba",
                    "জেবা",
                    "আসরিফা জেবা"
                ]
            },
            "timestamps": {
                "created_at": null,
                "updated_at": null
            }
        },
        "navigation": {
            "previous_episode": {
                "id": 2995,
                "ep_number": 10,
                "title": "পাথুরে সৈকতে রক্তক্ষরণ",
                "slug": "tomatei-purno-ami-s1-ep10",
                "url": "https://golpohub.com/episodes/tomatei-purno-ami-s1-ep10",
                "thumbnail_url": "https://golpohub.com/assets/images/og.jpg"
            },
            "next_episode": {
                "id": 2997,
                "ep_number": 12,
                "title": "স্মৃতির ডানায় শুভ্রপরী",
                "slug": "tomatei-purno-ami-s1-ep12",
                "url": "https://golpohub.com/episodes/tomatei-purno-ami-s1-ep12",
                "thumbnail_url": "https://golpohub.com/assets/images/og.jpg"
            }
        }
    }
}