{
    "_links": {
        "html": "https://golpohub.com/episodes/tridhare-tarangalila-s1-ep74",
        "json": "https://golpohub.com/episodes/tridhare-tarangalila-s1-ep74?format=json",
        "markdown": "https://golpohub.com/episodes/tridhare-tarangalila-s1-ep74?format=md",
        "rss": "https://golpohub.com/episodes/tridhare-tarangalila-s1-ep74?format=rss",
        "atom": "https://golpohub.com/episodes/tridhare-tarangalila-s1-ep74?format=atom"
    },
    "seo": {
        "canonical_url": "https://golpohub.com/episodes/tridhare-tarangalila-s1-ep74",
        "title": "ত্রিধারে তরঙ্গলীলা পর্ব ৭৪ - জেনেভার বুকে মিলনবার্তা | Tridhare Tarangalila Part 74",
        "description": "পড়ুন ত্রিধারে তরঙ্গলীলা পর্ব ৭৪ (জেনেভার বুকে মিলনবার্তা)। জেনেভা শহরে নামীর সংগ্রাম এবং সৌধর ফোনে আসা বহু প্রতীক্ষিত ফোনকল।",
        "keywords": "ত্রিধারে তরঙ্গলীলা পর্ব ৭৪, tridhare tarangalila porbo 74, tridhare tarangalila part 74, নামী, সুহৃদ, সুহাস, সৌধ, জেনেভার বুকে মিলনবার্তা",
        "image_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-404-c65db2.webp",
        "schema": {
            "@context": "https://schema.org",
            "@graph": [
                {
                    "@type": "Chapter",
                    "name": "জেনেভার বুকে মিলনবার্তা",
                    "position": 74,
                    "description": "জেনেভায় অ্যালেনের আশ্রয়ে থাকা নামী আর সুহৃদের জীবনচিত্র উন্মোচিত হয়। সুহাস আর সৌধ হাসপাতালের সামনে দাঁড়িয়ে থাকার পর অবশেষে অচেনা নম্বর থেকে নামীর ফোনকল কি দীর্ঘ ১৬ মাসের দূরত্বের অবসান ঘটাবে?",
                    "url": "https://golpohub.com/episodes/tridhare-tarangalila-s1-ep74",
                    "inLanguage": "bn",
                    "timeRequired": "PT16M",
                    "datePublished": "2026-08-27T22:01:35+00:00",
                    "dateModified": "2026-09-06T00:07:16+00:00",
                    "wordCount": 2442,
                    "image": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-404-c65db2.webp",
                    "isPartOf": {
                        "@type": [
                            "BookSeries",
                            "CreativeWorkSeries"
                        ],
                        "name": "ত্রিধারে তরঙ্গলীলা",
                        "url": "https://golpohub.com/series/tridhare-tarangalila"
                    },
                    "author": {
                        "@type": "Person",
                        "name": "জান্নাতুল নাঈমা",
                        "url": "https://golpohub.com/authors/jannatul-naima"
                    }
                },
                {
                    "@type": "BreadcrumbList",
                    "itemListElement": [
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 1,
                            "name": "Golpo Hub",
                            "item": "https://golpohub.com"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 2,
                            "name": "সিরিজসমূহ",
                            "item": "https://golpohub.com/series"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 3,
                            "name": "ত্রিধারে তরঙ্গলীলা",
                            "item": "https://golpohub.com/series/tridhare-tarangalila"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 4,
                            "name": "জেনেভার বুকে মিলনবার্তা",
                            "item": "https://golpohub.com/episodes/tridhare-tarangalila-s1-ep74"
                        }
                    ]
                }
            ]
        }
    },
    "filters": [],
    "data": {
        "id": 404,
        "ep_number": 74,
        "title": "জেনেভার বুকে মিলনবার্তা",
        "slug": "tridhare-tarangalila-s1-ep74",
        "url": "https://golpohub.com/episodes/tridhare-tarangalila-s1-ep74",
        "reading_time": 16,
        "thumbnail_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-404-c65db2.webp",
        "yt_video_id": null,
        "yt_video_url": null,
        "timestamps": {
            "published_at": "2026-08-27T22:01:35+00:00",
            "updated_at": "2026-09-06T00:07:16+00:00"
        },
        "meta": {
            "word_count": 2442,
            "chapter_number": 74,
            "seo_title": "ত্রিধারে তরঙ্গলীলা পর্ব ৭৪ - জেনেভার বুকে মিলনবার্তা | Tridhare Tarangalila Part 74",
            "seo_description": "পড়ুন ত্রিধারে তরঙ্গলীলা পর্ব ৭৪ (জেনেভার বুকে মিলনবার্তা)। জেনেভা শহরে নামীর সংগ্রাম এবং সৌধর ফোনে আসা বহু প্রতীক্ষিত ফোনকল।",
            "keywords": "ত্রিধারে তরঙ্গলীলা পর্ব ৭৪, tridhare tarangalila porbo 74, tridhare tarangalila part 74, নামী, সুহৃদ, সুহাস, সৌধ, জেনেভার বুকে মিলনবার্তা",
            "characters_involved": [
                "আব্রাম হক অ্যালেন",
                "উইরা",
                "নামী",
                "সুহৃদ",
                "সুহাস",
                "সৌধ"
            ]
        },
        "content": "<p>”বাহির বলে দূরে থাকুক, ভিতর বলে আসুক না।</p>\n<p>ভিতর বলে দূরে থাকুক , বাহিরে বলে আসুক না।</p>\n<p>ঢেউ জানা এক নদীর কাছে, গভীর কিছু শেখার আছে। সেই নদীতে নৌকো ভাসাই, ভাসাই করে ভাসাই না। না ডুবাই না ভাসাই, না ভাসাই না ডুবাই</p>\n<p>জল ডাকে, আগুনও টানে আমি পড়ি মধ্যিখানে।</p>\n<p>দুই দিকে দুই খন্ড হয়ে যায় আবার যায়না, না নিভায় না জ্বালায় না জ্বালায় না নিভায়। বাহির বলে দূরে থাকুক, ভিতর বলে আসুকনা। ভিতর বলে দূরে থাকুক, বাহিরে বলে আসুকনা….। ”</p>\n<p>—————-</p>\n<p>আজ রবিবার। ভোর পাঁচটা। আব্রাম হক অ্যালেন রকিং চেয়ারে গা এলিয়ে চোখ বুজে আছে। শুনছে বাংলাদেশের বিখ্যাত কণ্ঠশিল্পি হাবিব ওয়াহিদ এবং ন্যান্সির গাওয়া গান। সে ইংলিশ গান, মুভির ভক্ত হলেও বাংলা গানের প্রতি আসক্তি জন্মেছে নামীর কারণে। মেয়েটা বেশ দারুণ গায়। এ সম্পর্কে অবগত হয়েছে জেনেভায় আসার পর পরই। অ্যালেনের স্ত্রী উইরা একজন প্যারালাইজড পেশেন্ট।</p>\n<p>কাজের সূত্রে অ্যামেরিকায় নানার বাসায় গিয়েছিল অ্যালেন। সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিল একমাত্র কন্যা অ্যারিনকে। যার বয়স মাত্র ছয় বছর৷ অ্যালেনের নানা আর নামীর বাবা প্রতিবেশী। পাশাপাশি ফ্ল্যাট তাদের। সেই সুবাদে অ্যারিনের মাধ্যমেই নামীর সাথে প্রথম পরিচয় হয়৷ দীর্ঘ কয়েকটি মাসে যা বন্ধুত্বে রূপ নেয়। বন্ধুত্ব গাঢ় হয়ে ওঠে নামীর ডেলিভারির সময়। আখতারুজ্জামান বাসায় ছিল না। আকস্মিক পেইন ওঠে নামীর। সৎ মা আলেয়া তখন পাশের ফ্ল্যাটের অ্যালেনের সাহায্য নেয়। হসপিটাল নিয়ে যাওয়া হয় নামীকে। এরপর বাচ্চা দুনিয়াতে আসে। টানা  কয়েকটি দিন সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছে অ্যালেন। নিঃসন্দেহে উদার মনের অধিকারী লোকটা। আর প্রচণ্ড বন্ধুসুলভ৷ গাঢ় বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থেকে প্রায়শই অ্যালেন আর নামী নিজেদের সুখ, দুঃখের গল্প করত। একদিন নামীর ভীষণ মন খারাপ দেখে অ্যালেন জেরা করে। নামী মন খারাপ হওয়ার পেছনের ঘটনা বলতে না চাইতেও বলে ফেলে। বয়সে বড়ো হবার সুবাধে অ্যালেনকে ভাইয়া  বলেও সম্বোধন করে সে,</p>\n<p>‘ ভাইয়া, আমি বাংলাদেশে ফিরে যাব৷ আমার এখানে আসা উচিত হয়নি। বোঝা উচিত ছিল, আমার মা নেই। বাবা তার দ্বিতীয় স্ত্রী আর সে ঘরের বাচ্চাদের নিয়ে ব্যস্ত। এটাও বোঝা উচিত ছিল, যেদিন সে দ্বিতীয় বিয়ে করে, আর যেদিন আমাকে পাত্রস্থ করে দেয় সেদিন থেকেই সে আমার পর হয়ে গেছে। এখন যতটুকু সম্পর্ক স্রেফ দায়িত্ব, ভালোবাসা নয়। ‘</p>\n<p>অ্যালেন নিশ্চুপ বসে সবটা শুনে। বারকয়েক শ্বাস নিয়ে নামী বলে,</p>\n<p>‘ আমি এখানে এসে শুধু আমার মানসিক বিপর্যয়ই ঘটাইনি। ক্যারিয়ারটাও নষ্ট করেছি। ছোটো বাচ্চা নিয়ে কোনদিক সামলাবো বুঝতে পারছি না। স্বামীর ঘর ছেড়ে আসায় বাবা আর তার দ্বিতীয় পরিবার আমার প্রতি প্রচণ্ড রুষ্ট এটাও বুঝতে পারছি। ‘</p>\n<p>‘ ফিরে যাবে তোমার হাজব্যন্ডের কাছে? ‘</p>\n<p>‘ না, আমি জাস্ট বাংলাদেশে ফিরতে চাই। ‘</p>\n<p>‘ আসল সমস্যাটি কী নামী? ‘</p>\n<p>‘ সমস্যা আমারি। আমি সবার কাছে প্রপারলি রেসপেক্ট চাই, ভালোবাসা চাই। এটাই আমার অপরাধ। ‘</p>\n<p>‘ তোমার ফ্যামিলি তোমাকে এটা দিচ্ছে না? ‘</p>\n<p>‘ হয়তো তারা তাদের মতো করে দিচ্ছে। আমারি গায়ে লাগছে না। ‘</p>\n<p>‘ ক্লিয়ার করে বলবা? ‘</p>\n<p>‘ আসলে আমার যে জমজ দু’টো ভাই আছে। আবির আর আলিফ। কিছুদিন ধরে ওরা আমাকে দেখলেই গলা ছেড়ে কান্নাকাটি শুরু করে। ওদের বুঝিয়েও থামানো যায় না৷ তাই সেদিন বাবা বলল, আমি যেন ওদের থেকে দূরে থাকি। বিষয়টা আমার সম্মানে লেগেছে। খটকাও লেগেছে হঠাৎ বাচ্চা দু’টোর আচরণে। তাই গতকাল ওদের মা যখন শাওয়ারে যায়, আমি দু’টো চকলেট বক্স দু’জনের হাতে দিয়ে জিজ্ঞেস করি, তোমরা আমাকে দেখে চিৎকার করো কেন? কী করেছি তোমাদের? ওরা চকলেট পেয়ে ভীষণ খুশি হয়ে বলে দেয়, ওদের মা বলেছে আমি ভালো মানুষ নই৷ এখানে এসেছি ওদের খামচি দিয়ে ব্লাড বের করতে। ওরা দু’জনই রক্ত খুব ভয় পায়। তাই এই ভয়টাই দেখিয়েছে। সবটা শুনে ওদের মাথায় হাত বুলিয়ে ঘরে ফিরে যাই। আর বুঝতে পারি, সৎ মা সৎ মা’ই হয়৷ সে কখনো আপন হতে পারে না। আমার হাজব্যন্ডের আলাদা কোনো মুখোশ ছিল না৷ সে অনেস্ট। আমার সঙ্গে যা করেছে সেটাও হুঁশ জ্ঞান রেখে করেনি। আমি জানি প্রখর বুদ্ধিজ্ঞান সম্পন্ন পুরুষ সে নয়। তবু সেদিন আত্মসম্মান আর আবেগে আঘাত লাগে। কঠিন জেদ, অভিমান নিয়ে তাকে ছেড়ে চলে আসি৷ আমার ওকে ছাড়াটা ভুল না হলেও জেদকে প্রাধান্য দিয়ে বাংলাদেশ ছাড়া ভুল হয়েছে। আমার বোঝা উচিত ছিল আমার ওপর শুধু আমি একা নির্ভরশীল নই। একটা ছোট্ট প্রাণও সম্পূর্ণভাবে আমাতে নির্ভরশীল। আমার সৎ মাকে আমি আগে থেকেই পছন্দ করতাম না৷ কেন জানি ফেইক ফেইক লাগত। এখন হারে হারে টের পাচ্ছি, সে পুরোটাই মুখোশধারী। খুবই তীক্ষ্ণ ষড়যন্ত্র করেছে আমার বিরুদ্ধে। এসব জানার পরও কী করে থাকব এখানে? সম্ভব না। ‘</p>\n<p>অবিশ্বাস্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে অ্যালেন বলে,</p>\n<p>‘ উনি এসব মিথ্যা কেন বলেছে? মজা করে? ‘</p>\n<p>মলিন হাসে নামী। বলে,</p>\n<p>‘ বাঙালি রমণীদের এই রাজনীতি আপনি বুঝবেন না অ্যালেন ভাই। ‘</p>\n<p>নামীর চোখ দু’টো ভীষণ বিষণ্ণ হয়ে ওঠে। অ্যালেন ব্যথিত হয়ে বলে,</p>\n<p>‘ ওদেশ থেকে মানসিক শান্তির আশায় এদেশে এসে আরো বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছ। এভাবেই ফিরে যাওয়া ঠিক হবে? আই নো দ্যাট তুমি ভীষণ লড়াকু মেয়ে। তাই তুমি যদি এভাবে হেরে ফিরে যাও বিষয়টা আমি মেনে নিতে পারব না৷ সেদিন তো বললে সুইজারল্যান্ড তোমার স্বপ্নের দেশ, প্রিয় দেশ। চলো তবে আমার সঙ্গে। জেনেভাতে কিছুকাল কাটিয়ে মাইন্ড ফ্রেশ করে  তারপর বাংলাদেশে ফিরে যেও। ‘</p>\n<p>‘ আমি আর্থিক অস্বচ্ছলতায় ভুগছি ভাইয়া। এ মুহুর্তে সেটা সম্ভব হবে না। ‘</p>\n<p>‘ কেন হবে না? তুমি একজন ইন্টেলিজেন্ট ডক্টর। আর্থিক অস্বচ্ছলতা দূর করা তোমার বা হাতের খেল। ‘</p>\n<p>অবাক হয়ে তাকিয়ে রয় নামী৷ অ্যালেন দেখায় আশার আলো। ফলশ্রুতিতে নামী সিদ্ধান্ত নেয় তার সঙ্গে জেনেভাতে যাওয়ার। এরপর অ্যালেনের সহায়তায় ট্যুরিস্ট ভিসায় জেনেভায় আসে। এখানে আসার পর মুখোমুখি হয় আরেক বিপত্তির। অ্যালেনের প্যারালাইজড স্ত্রী উইরা খাওয়াদাওয়া বন্ধ করে দেয়। কারণ স্বামী অ্যালেন অ্যামেরিকায় বেড়াতে গিয়ে ফেরার পথে বাচ্চা সহ এক যুবতী নারীকে সঙ্গী হিসেবে নিয়ে এসেছে। পৃথিবীর কোনো নারী কি এ দৃশ্য সহ্য করতে পারে? পারে না। পারেনি অসুস্থ উইরাও। ফলে তার অসুস্থতা আরো বৃদ্ধি পায়। শশুর, শাশুড়ি, স্বামী আর ছয় বছর বয়সী কন্যা অ্যারিন। কারো সাধ্য হয়নি তাকে সামলানোর। উইরার ধারণা তার অসুস্থতার সুযোগ নিচ্ছে অ্যালেন৷ নেবে নাই বা কেন? অ্যালেনের বয়স সবেমাত্র আটত্রিশ৷ আর তার বয়স চল্লিশ পেরিয়ে একচল্লিশে পড়েছে। শুধু তাই নয় একটি মেয়ে বাচ্চার জন্ম দিয়ে সুখী সংসার গড়ে তোলার আগেই দেহের বাম অংশ প্যারালাইজড হয়ে গেছে উইরার৷ নিজের চেয়ে জুনিয়র এক ছেলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিল সে। মাখোমাখো প্রেম, ভালোবাসা, সুখ। কোনোকিছুর কমতি ছিল না৷ তাদের সুন্দর, স্বাভাবিক সম্পর্ক আর সুখী সংসারে আকস্মিক বজ্রপাত ঘটে। কোনো কারণ ছাড়াই হঠাৎ ঘুমের ঘোরে স্ট্রোক করে উইরা। এরপর দেড়টা বছর চলে গেল। বিছানা আর হইল চেয়ারেই দিন, রাত কাটায় সে। শরীরের একাংশ অবশ থাকলেও মন, মস্তিষ্ক পুরোপুরি সবল। তাই প্রিয়তম স্বামীকে নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে এই নারী৷ যদি মন ঘুরে যায়? পৌরুষ চাহিদার কাছে যদি হেরে যায় অ্যালেনের পুরুষালি হৃদয়ের নিগূঢ় ভালোবাসা?</p>\n<p>অ্যালেন খুবই কর্মনিষ্ঠ মানুষ। কাজের সূত্রেই দেশ, বিদেশ ঘুরে বেড়ায়। নারী সঙ্গের দোষ কোনোকালেই ছিল না৷ তাই আকস্মিক নামীকে নিয়ে আসাতে হজম করতে পারেনি উইরা৷ দোষ নামী বা অ্যালেনকেও দেয়নি। নিজের অক্ষমতার প্রতি নিজেই রুষ্ট হয়েছে। চেয়েছে  নিজেকে কঠিনভাবে আঘাত করতে। কিন্তু যখনি অ্যারিনের নিষ্পাপ মুখটা দেখেছে দমে গেছে। আর সমস্ত ক্ষোভ গিয়ে পড়েছে অ্যালেনের ওপর। উইরার অবস্থা দেখে, অ্যালেনের দাম্পত্য জীবনে অশান্তি সৃষ্টি করে</p>\n<p>প্রচণ্ড লজ্জায় পড়ে গিয়েছিল নামী। আত্মসম্মানেও আঘাত লেগেছিল খুব। তাই সকলের সম্মুখেই ঘোষণা দিয়েছিল, সে যতদ্রুত সম্ভব চলে যাবে। উইরা বাংলা বুঝে না। তাই ইংরেজিতে বুঝিয়েছিল,</p>\n<p>” দেখুন আমি বিবাহিতা। আমার একটি মিষ্টি বাচ্চা আছে৷ পেশায় আমি একজন ডক্টরও। জেনেভাতে বেড়াতে এসেছি। জাস্ট কয়েক মাসের জন্য। অ্যালেন ভাইয়ার সঙ্গে আমার পরিচয় হয়েছে অ্যামেরিকায়, আমার বাবার বাসাতে। সুইজারল্যান্ড আমার স্বপ্নের দেশ। ইচ্ছে ছিল জীবনে কখনো না কখনো এ শহরে ঘুরতে আসব৷ কিন্তু আমি ফিনান্সিয়াল ইনসল্ভেন্সিতে ভুগছিলাম। আসা যাওয়ার খরচ থাকলেও ছোটো বাচ্চা নিয়ে দীর্ঘদিন এখানে থাকার মতো অর্থ নেই৷ বাবার সঙ্গে মনোমালিন্য চলায় তার থেকেও কিছু নেয়ার আগ্রহ ছিল না৷ অ্যালেন ভাইয়ার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ একটি সম্পর্ক গড়ে ওঠেছিল। তাই কথার ছলে অ্যালেন ভাইয়াই বলল, এ শহরে তার দু’টো হসপিটাল রয়েছে। আমি চাইলে সুইজারল্যান্ড আসতে পারি। যতদিন থাকব সপ্তাহে দু’দিন করে তার হসপিটালে বসলে যা সম্মানী দেবে এতে সবটা কভার হয়ে যাবে৷”</p>\n<p>অ্যালেনকে শ্রদ্ধাভরে ভাইয়া সম্বোধন এবং প্রফেশন সম্পর্কে জেনে উইরার বিচলিত ভাব দূর হয়৷ তীক্ষ্ণ দৃষ্টি নিক্ষেপ করে নামীর পানে৷ স্পষ্ট ইংরেজিতে প্রশ্ন করে,</p>\n<p>‘ প্রফেশনের ডিটেইলস জানতে চাই। শুধু ডক্টর বললেই বুঝব কী করে? ডক্টরদেরও ভাগ আছে।’</p>\n<p>মৃদু হেসে নামী বলে,</p>\n<p>‘ এ ফিজিসিয়ান ওর সার্জন কোয়ালিফায়েড টু প্রাকটিস ইন জিনেকোলজি। ‘</p>\n<p>নামীর স্নিগ্ধ মুখের অমায়িক হাসি, দৃঢ়তা পূর্ণ একজোড়া চোখ আর সাবলীল কণ্ঠস্বর শুনে উইরা মুগ্ধ হয়ে যায়। এটুকু একটা মেয়ের দাম্ভিকতা, আত্মসম্মান বোধ আকর্ষণ সৃষ্টি করে মনে৷ নিমেষে সকলকে অবাক করে দিয়ে এক হাত তুলে হাতজোড় করে ক্ষমা চায় উইরা। অ্যালেনের দিকে তাকিয়ে সরি বলে। অ্যালেন যেন হাঁপ ছেড়ে বাঁচে। উৎফুল্ল দু’টি চোখ নিয়ে তাকায় নামীর পানে। নামী তবু তাদের বাসায় থাকতে রাজি হয় না৷ কিন্তু শেষ পর্যন্ত থেকে যায় উইরা, অ্যারিন আর নিজের সন্তানের জন্য। বাচ্চাটাকে নিয়ে অবিরাম ছুটোছুটি না করাই শ্রেয়। যতটুকু হয়েছে যথেষ্ট। নামী থেকে যায়। ছোট্ট অ্যারিন আর তার প্যারালাইজড মায়ের সঙ্গে সময় কাটায়। নামীর সঙ্গ পেয়ে উইরার মানসিক বিকাশে উন্নতি ঘটতে শুরু করে। নামীর মুখে বাংলাদেশের গল্প শুনে উইরা। ইউটিউব ঘেঁটে বাংলাদেশের দর্শনীয় কিছু স্থান সম্পর্কেও জানে৷ এভাবে একদিন নামীর পছন্দ সই কিছু বাংলা মুভি দেখা হয়। শোনা হয় হাবিব ওয়াহিদ নামক কণ্ঠশিল্পির গানও। বাংলা ভাষা বুঝে না উইরা। তবু গানের সুর গুলো তাকে টানে। এ জন্য মাঝে মাঝেই নামী তাকে গান শোনায়। এভাবেই একদিন নামীর কণ্ঠে গান শোনা হয়ে যায়  অ্যালেনেরও। তার পূর্ব পুরুষদের জন্মস্থান বাংলাদেশে৷ দাদা পড়াশোনার উদ্দেশ্যে অ্যামেরিকায় এসে ফরাসি এক মেয়ের সঙ্গে প্রণয়ের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিল। যার বাসস্থান জেনেভা শহরে। এরপর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় তারা৷ পার্মানেন্টলি দেশে ফেরা হয়নি আর৷ জেনেভাতেই সেটলড করেছে দাদা। এছাড়া  অ্যালেনের মা অ্যামেরিকান নাগরিক। বাবা জেনেভা শহরের নাম করা বিজনেস ম্যান৷ সেই সুবাদে আব্রাম হক অ্যালেনও বিজনেস ম্যান হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। অ্যালেন যেহেতু বাংলা ভাষা বুঝে তাই চটজলদি প্রেমে পড়ে যায় নামীর কণ্ঠে গাওয়া এই গানটির৷ এরপর থেকে প্রায় রোজই তার দিনের শুরু ঘটে একটি বাংলা গান শুনে।</p>\n<p>.</p>\n<p>পরিচিত গানের সুর তন্দ্রাচ্ছন্ন রমণীর কর্ণে শিহরণ জাগালো। সহসা কেঁপে ওঠল মৃদুভাবে। ঘুম ছুটে গেল। ত্বরিত আড়মোড়া ভেঙে ওঠে বসল নামী। ভাবল, অ্যালেন আজো ঘুম থেকে ওঠে বাংলা গান শুনছে? নিমেষে গানের কথা গুলোতে হারিয়ে গেল যেন৷ বর্তমানে তার হৃদয়ে চলা অনুভূতি গুলোকেই ছন্দে ছন্দে বুনছে কেউ। ক্ষণকাল পেরুলে গান থেমে যায়। নামীরও হুঁশ ফেরে। বুকের ভেতর ধুকপুক শুরু হয়। আজ যে রবিবার। তার হসপিটালে যাওয়ার দিন৷ নিশ্চয়ই সুহাস আর সৌধ ভাইয়া আসবে? হৃৎস্পন্দনে চঞ্চলতা বাড়ল নামীর। দৃষ্টি ঘুরিয়ে তাকাল সুহৃদের পানে। মুহুর্তেই ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটে ওঠল। ঘুমুঘুমু দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে সুহৃদ। তার হাসিতে তাল মিলিয়ে ফোকলা দাঁতে হাসল কিঞ্চিৎ। নামীর হৃদয় বিগলিত হলো। আবেগে টইটুম্বুর হয়ে টলমল দৃষ্টিতে এগিয়ে গিয়ে ছেলের কপালে চুমু এঁটে বলল,</p>\n<p>‘ আমার পাপাটা ওঠে গেছে! মনটা খুব খুশি খুশিও লাগছে। ঘটনা কী সুহৃদ বাবা, কোন বেয়ানের মেয়েকে স্বপ্ন দেখে ঘুম ভাঙিয়েছ আজ? ‘</p>\n<p>ছেলের সাথে খুনসুটিতে মেতে ওঠল নামী। তার ছেলেটা হাতে পায়ে ভীষণ ছটফটে হলেও এখন পর্যন্ত মুখে কোনো বুলি আওড়ায়নি। খিদে বা ব্যথা পেলে কাঁদে। কিছু নিয়ে খুশি হলে হাসে৷ এটুকুই। সবে ন’মাস চলছে বলে খুব একটা চিন্তিতও নয়। তবে সে অনেকের কাছে শুনেছিল, বাচ্চারা স্পষ্ট না হলেও আধো ভাবে ছ’মাস পর থেকে মা, বাবা ডাকা আরম্ভ করে। যদিও ডাক্তারি বিদ্যা অন্য কথা বলে। তবু মায়ের মন তো৷ খচখচ করেই। নামীরও করছিল। সে যেন বাচ্চার মুখ থেকে মা ডাক শুনতে মরিয়া হয়ে ওঠেছিল। সব সময় কাছে নিয়ে মা মা বলত। কিন্তু সুহৃদ সেদিকে পাত্তা দেয় না৷ সে তার মতো করেই থাকে৷ একদিন অভিমান করে তাই মোবাইল ঘেঁটে সুহাসের অনেক ভিডিয়ো, ছবি দেখিয়ে বলে,</p>\n<p>‘ দেখো এটা তোমার বেআক্কল পাপা। পাপাকে ডাকো তো। ‘</p>\n<p>আশ্চর্য হলেও সত্যি সেদিন সুহৃদ কী বুঝেছিল কে জানে? মায়ের কথা বলার ভঙ্গি আর ছবিতে হাঁটা, চলা করা দুষ্ট মতোন অচেনা লোকটাকে দেখে খিলখিল করে হেসে ওঠেছিল। যে হাসিটা আত্মা শীতল করে দিয়েছিল নামীর। এরপর থেকে বেশ কয়েকদিন সুহাসের বিভিন্ন রকম ভিডিয়ো, ছবি দেখিয়েছে সুহৃদকে৷</p>\n<p>দু’দিন আগে লেকের দিকে সুহৃদকে নিয়ে বেড়াতে গিয়েছিল অ্যালেন। ফেরার পর শুনেছে সুহৃদের মুখে নাকি অস্পষ্ট ভাবে পাপা ডাক শোনা গেছে কয়েকবার৷ নামী বিশ্বাস করেনি৷ তবে বিস্মিত হয়েছে। কীভাবে সম্ভব? অবিশ্বাসটা গাঢ় হয়েছে সুহৃদের মুখে কোনো প্রকার বুলি না শুনে। পাপা তো দূরে থাকুক। যদি সত্যি এমন শব্দ বলে থাকত তার সামনে একবারো বলল না কেন? যতই সে সুহাসের ভিডিয়ো দেখাক, ছবি দেখাক। ন’মাস বয়সের বাচ্চা কীভাবে মনে রাখবে? যদিও বাচ্চাদের ব্রেইন অনেক বেশি শার্প হয় তবু নামী মানতে নারাজ। কারণ, আটমাস পেটে রেখে নয় মাস লালন করার পর ছেলের প্রথম বুলি পাপা হোক চায় না সে৷ সুহাসের প্রতি হিংসেয় বুক ভরে ওঠে ঠিক এ জায়গাতেই। ক্ষণে ক্ষণে মুখও বাঁকায়। কক্ষনো তার সুহৃদ এমন কাণ্ড ঘটাতে পারে না৷ সুন্দর হৃদয়ের ছেলে তার। এমন পাক্কা দুষ্টুমি করতেই পারে না।</p>\n<p>সুহাস, সৌধ দু’জনই জেনেভাতে এসেছে। জানে নামী। ওদের মুখোমুখি হওয়ার জন্য নিজেকে প্রস্তুতও করে নিয়েছে। যখন জানতে পেরেছিল, সুহাস অ্যামেরিকায় যাবে। তখন তার রাগটা গাঢ় হয়। অ্যালেনের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে ওঠার খাতিরে সুইজারল্যান্ডে চলে আসারও সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু সুইজারল্যান্ড আসার পর যখন জানতে পারে সুহাস বদ্ধ উন্মাদ হয়ে জেনেভাতেই আসছে। তখন আর রাগটা প্রগাঢ় করতে পারেনি৷ শুধু অভিমান গাঢ় হয়েছে। সুহৃদকে ভাগ্যবান মনে হয়েছে। মনে মনে আবার শান্তিও পেয়েছে। সুহাসের মাঝে পারফেক্ট স্বামী না দেখলেও পারফেক্ট বাবার আভাস পেয়ে।</p>\n<p>দীর্ঘশ্বাস ফেলে নামী। ভাবে এত কাঠখড় যখন পোহাচ্ছে।  একটা ফয়সালা তো হওয়াই উচিত। ঝুলে থাকা সম্পর্ক কারোরই কাম্য নয়৷ হয় এসপার নয় উসপার। বাবা ছেলের কাছে অতি সহজে আসতেই পারে৷ কিন্তু ছেলের মা অব্দি আসা এত সহজ নয়। যদি তাই হতো দীর্ঘ এক বছর পাঁচ মাস যুদ্ধ করত না সে। শ্বাসরুদ্ধকর ভাবনা গুলো ভাবতে ভাবতে সুহৃদকে নিয়ে বেরুবার সিদ্ধান্ত নিল। ভোরের স্নিগ্ধ, কোমল পরিবেশে স্বচ্ছ শহরে বেবি নিয়ে হাঁটাহাঁটি করার মজাই আলাদা। জেনেভা আসার পর রোজ সকালে এই অভ্যাসটা গড়ে তুলেছিল ডক্টর. নামী রহমান। আকস্মিক সিদ্ধান্তটি আতঙ্ক ছড়াল মনে। ডিসেম্বর মাস। শীতের প্রকোপ বেশি। এই ভোরবেলা স্নো পড়ে জেনেভা শহরের সৌন্দর্য অনেকটাই ঢাকা পড়ে গেছে৷ সুহৃদকে নিয়ে দূরে থাক। এ মুহুর্তে তার নিজেরই বেরুনো উচিত হবে না। গত কয়েকটি সপ্তাহ অ্যালেন তাকে বেরুতে দেয়নি। সুহৃদকে একদম নিজের সন্তানের মতো ভালোবাসে মানুষটা৷ মারাত্মক পজেসিভ! সুহৃদও অ্যালেন মামাকে ভীষণ পছন্দ করে। করবে নাই বা কেন? জন্মানোর পর নার্স তো প্রথম অ্যালেনের কোলেই দিয়েছিল সুহৃদকে। অ্যালেন যেমন নামীর প্রিয় বন্ধু। সুহৃদেরও এ পৃথিবীতে মায়ের পর  প্রথম বন্ধু।</p>\n<p>.</p>\n<p>.</p>\n<p>বাবার বাড়িতে বাবার কাছে এসেছে সিমরান। বাবা, মেয়ে মিলে ভীষণ উদগ্রীব হয়ে আছে। সকালবেলা সৌধ ফোন করে বাবার কাছে আসতে বলেছিল তাকে। কারণ, আজ নামীর সঙ্গে দেখা করার পর সে ভিডিয়ো কল করবে৷ দেখা করাবে নামী আর ক্ষুদে সদস্যটির সঙ্গে। সেই উত্তেজনাতেই দুপুরের খাবার খেয়ে সোহান খন্দকার আর সিমরান অপেক্ষা করছে। সুইজারল্যান্ড থেকে বাংলাদেশের সময় চার ঘন্টা এগিয়ে৷ তাই ওদের অপেক্ষার প্রহর বাড়তে লাগল। এদিকে দশটা থেকে হসপিটালের সামনে দাঁড়িয়ে আছে সৌধ, সুহাস৷ সময় গড়াতে গড়াতে দুপুর আড়াইটা৷ এমন সময় সহসা একটি অচেনা নাম্বার থেকে ফোন পেল সৌধ৷ নিমেষে চোখে, মুখে দীপ্তি ছাড়িয়ে পড়ল। ঠিক এই ফোন কলটারই অপেক্ষা করছিল ওরা৷ নিধি গতকাল রাতে জানিয়েছিল,  সঠিক সময়ে ঠিক নামী ফোন করবে তোকে৷ ধাতস্থ হয়ে ফোন রিসিভ করল সৌধ। সুহাস প্রায় লাফিয়ে কাছে এসে কান পেতে দিল ফোনে। শান্ত, শীতল, মিষ্টি সেই কণ্ঠটা শুনতেই বুকের গভীরে কম্পন ধরল সুহাসের। ঠিক ষোল মাস পর নামীর ভারিক্কি কণ্ঠ শুনে হৃদয়টা ঠান্ডা হয়ে গেল। যেন ষোল মাস নয় ষোলটা যুগ পর প্রিয়তমার কণ্ঠ শুনল সে। ফোন কেটে দিল সৌধ। আকস্মিক সুহাসকে জড়িয়ে ধরে উত্তেজিত গলায় অভিনন্দন জানালো,</p>\n<p>‘ কংগ্রাচুলেশনস দোস্ত, নামী আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। ঠিকানা |******| ‘</p>\n<p>®জান্নাতুল নাঈমা</p>\n<p>প্রিয় পাঠক, উপন্যাসটা কাল্পনিক। এ সম্পর্কে  আপনারা সবাই অবগত৷ গল্পের প্রয়োজনে নায়িকাকে সুইজারল্যান্ড নিয়ে গেলেও অনেক তথ্য বাস্তবের সঙ্গে মিলবে না। তাই এসব নিয়ে কেউ বিব্রত হবেন না৷ আমি আমার কল্পনায় যতটুকু পারি, যেভাবে পারি সাজিয়ে লিখব। যাইহোক, লাস্ট একটি ধামাকার জন্য সবাই তৈরি হন।</p>",
        "series": {
            "id": 6,
            "title": "ত্রিধারে তরঙ্গলীলা",
            "slug": "tridhare-tarangalila",
            "url": "https://golpohub.com/series/tridhare-tarangalila",
            "thumbnail_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/series-tridhare-trngoleela-6-57ad0f.webp",
            "progress_status": "completed"
        },
        "author": {
            "id": 5,
            "name": "জান্নাতুল নাঈমা",
            "slug": "jannatul-naima",
            "url": "https://golpohub.com/authors/jannatul-naima",
            "avatar_url": "https://cdn.golpohub.com/avatars/jannatul-naeema-5-2a35d5.webp",
            "bio": "জান্নাতুল নাঈমা সমকালীন বাংলা অন্তর্জাল কথাসাহিত্যের এক প্রতিশ্রুতিশীল ও বহুল প্রশংসিত কথাসাহিত্যিক। মানুষের মনের অতলান্ত জটিলতা, পারিবারিক দায়বদ্ধতা, দাম্পত্যের টানাপোড়েন এবং অপ্রকাশিত ভালোবাসার গভীর সংকটকে তিনি অত্যন্ত প্রাঞ্জল ও দরদি ভাষায় ফুটিয়ে তুলতে সিদ্ধহস্ত। তাঁর লেখনীতে একদিকে যেমন পাওয়া যায় মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত সমাজের বাস্তব দ্বন্দ্বের নিপুণ চিত্র, অন্যদিকে দেখা মেলে তীব্র আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন নারী চরিত্র ও মনস্তাত্ত্বিক রূপান্তর।\n\nপ্রেম ও সামাজিক বাস্তবতার মিশেলে রচিত তাঁর ধারাবাহিক উপন্যাসগুলো পাঠকমহলে বিপুল আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। সম্পর্কের সূক্ষ্ম অনুভূতি ও চরিত্রায়নের গভীর মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে তিনি বাংলা ওয়েব ফিকশন পাঠকদের কাছে এক বিশ্বস্ত ও আবেগী কণ্ঠস্বর হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন।",
            "series_count": 0,
            "meta": {
                "bio": "জান্নাতুল নাঈমা সমকালীন বাংলা অন্তর্জাল কথাসাহিত্যের এক প্রতিশ্রুতিশীল ও বহুল প্রশংসিত কথাসাহিত্যিক। মানুষের মনের অতলান্ত জটিলতা, পারিবারিক দায়বদ্ধতা, দাম্পত্যের টানাপোড়েন এবং অপ্রকাশিত ভালোবাসার গভীর সংকটকে তিনি অত্যন্ত প্রাঞ্জল ও দরদি ভাষায় ফুটিয়ে তুলতে সিদ্ধহস্ত। তাঁর লেখনীতে একদিকে যেমন পাওয়া যায় মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত সমাজের বাস্তব দ্বন্দ্বের নিপুণ চিত্র, অন্যদিকে দেখা মেলে তীব্র আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন নারী চরিত্র ও মনস্তাত্ত্বিক রূপান্তর।\n\nপ্রেম ও সামাজিক বাস্তবতার মিশেলে রচিত তাঁর ধারাবাহিক উপন্যাসগুলো পাঠকমহলে বিপুল আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। সম্পর্কের সূক্ষ্ম অনুভূতি ও চরিত্রায়নের গভীর মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে তিনি বাংলা ওয়েব ফিকশন পাঠকদের কাছে এক বিশ্বস্ত ও আবেগী কণ্ঠস্বর হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন।",
                "phone": null,
                "gender": "female",
                "address": {
                    "country": "Bangladesh"
                },
                "birth_date": null,
                "social_links": {
                    "facebook": "https://facebook.com/jannatulnaiymaa"
                },
                "pen_name": "জান্নাতুল নাঈমা",
                "aliases": [
                    "Jannatul Naima",
                    "নাঈমা",
                    "Jannatul Nayma"
                ]
            },
            "timestamps": {
                "created_at": null,
                "updated_at": null
            }
        },
        "navigation": {
            "previous_episode": {
                "id": 403,
                "ep_number": 73,
                "title": "বৃষ্টিভেজা দিনে প্রেমের নিবেদন",
                "slug": "tridhare-tarangalila-s1-ep73",
                "url": "https://golpohub.com/episodes/tridhare-tarangalila-s1-ep73",
                "thumbnail_url": "https://golpohub.com/assets/images/og.jpg"
            },
            "next_episode": {
                "id": 405,
                "ep_number": 75,
                "title": "রক্ত ও নাড়ির প্রথম স্পর্শ",
                "slug": "tridhare-tarangalila-s1-ep75",
                "url": "https://golpohub.com/episodes/tridhare-tarangalila-s1-ep75",
                "thumbnail_url": "https://golpohub.com/assets/images/og.jpg"
            }
        }
    }
}