{
    "_links": {
        "html": "https://golpohub.com/episodes/valobashar-rajprashad-s1-ep22",
        "json": "https://golpohub.com/episodes/valobashar-rajprashad-s1-ep22?format=json",
        "markdown": "https://golpohub.com/episodes/valobashar-rajprashad-s1-ep22?format=md",
        "rss": "https://golpohub.com/episodes/valobashar-rajprashad-s1-ep22?format=rss",
        "atom": "https://golpohub.com/episodes/valobashar-rajprashad-s1-ep22?format=atom"
    },
    "seo": {
        "canonical_url": "https://golpohub.com/episodes/valobashar-rajprashad-s1-ep22",
        "title": "ভালবাসার রাজপ্রাসাদ পর্ব ২২ - নীল শাড়ির ক্যানভাসে চিত্রিত পরী | Valobashar Rajprashad Part 22",
        "description": "পড়ুন ভালবাসার রাজপ্রাসাদ পর্ব ২২। নীল শাড়ির আবেশে পরীর প্রতিকৃতি অঙ্কন এবং মধ্যরাতের নিঃশব্দ আত্মিক মিলন।",
        "keywords": "ভালবাসার রাজপ্রাসাদ পর্ব ২২, ভালবাসার রাজপ্রাসাদ ২২, ২২তম পর্ব, valobashar rajprashad porbo 22, valobashar rajprashad part 22, valobashar rajprashad episode 22, valobashar rajprashad 22 link, অভিমন্যু, পরী, ছবি আঁকা, শিল্প",
        "image_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-1128-983cf4.webp",
        "schema": {
            "@context": "https://schema.org",
            "@graph": [
                {
                    "@type": "Chapter",
                    "name": "নীল শাড়ির ক্যানভাসে চিত্রিত পরী",
                    "position": 22,
                    "description": "নীল শাড়ির ময়ূরবেশে পরীর জীবন্ত প্রতিকৃতি আঁকা শুরু করে অভিমন্যু। ক্যানভাসের রঙ আর টেবিল ল্যাম্পের আলোয় আবারও এক আদিম নেশায় একে অপরকে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে ধরে তারা। কিন্তু ভালোবাসার সেই চরম পূর্ণতার রাত শেষ হতেই পরের সকালে বালিশের নিচে কী অপেক্ষা করছে তাদের জন্য?",
                    "url": "https://golpohub.com/episodes/valobashar-rajprashad-s1-ep22",
                    "inLanguage": "bn",
                    "timeRequired": "PT16M",
                    "datePublished": "2026-08-27T22:02:05+00:00",
                    "dateModified": "2026-09-06T01:33:12+00:00",
                    "wordCount": 2480,
                    "image": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-1128-983cf4.webp",
                    "isPartOf": {
                        "@type": [
                            "BookSeries",
                            "CreativeWorkSeries"
                        ],
                        "name": "ভালবাসার রাজপ্রাসাদ",
                        "url": "https://golpohub.com/series/valobashar-rajprashad"
                    },
                    "author": {
                        "@type": "Person",
                        "name": "পিনুরাম",
                        "url": "https://golpohub.com/authors/pinuram"
                    }
                },
                {
                    "@type": "BreadcrumbList",
                    "itemListElement": [
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 1,
                            "name": "Golpo Hub",
                            "item": "https://golpohub.com"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 2,
                            "name": "সিরিজসমূহ",
                            "item": "https://golpohub.com/series"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 3,
                            "name": "ভালবাসার রাজপ্রাসাদ",
                            "item": "https://golpohub.com/series/valobashar-rajprashad"
                        },
                        {
                            "@type": "ListItem",
                            "position": 4,
                            "name": "নীল শাড়ির ক্যানভাসে চিত্রিত পরী",
                            "item": "https://golpohub.com/episodes/valobashar-rajprashad-s1-ep22"
                        }
                    ]
                }
            ]
        }
    },
    "filters": [],
    "data": {
        "id": 1128,
        "ep_number": 22,
        "title": "নীল শাড়ির ক্যানভাসে চিত্রিত পরী",
        "slug": "valobashar-rajprashad-s1-ep22",
        "url": "https://golpohub.com/episodes/valobashar-rajprashad-s1-ep22",
        "reading_time": 16,
        "thumbnail_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/episodes/chapter-1128-983cf4.webp",
        "yt_video_id": null,
        "yt_video_url": null,
        "timestamps": {
            "published_at": "2026-08-27T22:02:05+00:00",
            "updated_at": "2026-09-06T01:33:12+00:00"
        },
        "meta": {
            "word_count": 2480,
            "chapter_number": 22,
            "seo_title": "ভালবাসার রাজপ্রাসাদ পর্ব ২২ - নীল শাড়ির ক্যানভাসে চিত্রিত পরী | Valobashar Rajprashad Part 22",
            "seo_description": "পড়ুন ভালবাসার রাজপ্রাসাদ পর্ব ২২। নীল শাড়ির আবেশে পরীর প্রতিকৃতি অঙ্কন এবং মধ্যরাতের নিঃশব্দ আত্মিক মিলন।",
            "keywords": "ভালবাসার রাজপ্রাসাদ পর্ব ২২, ভালবাসার রাজপ্রাসাদ ২২, ২২তম পর্ব, valobashar rajprashad porbo 22, valobashar rajprashad part 22, valobashar rajprashad episode 22, valobashar rajprashad 22 link, অভিমন্যু, পরী, ছবি আঁকা, শিল্প",
            "characters_involved": [
                "অভিমন্যু",
                "শুচিস্মিতা (পরী)"
            ]
        },
        "content": "<p>পর দিন, পরী অভির জন্য রঙ তুলি সব কিনে আনে। অভি জিজ্ঞেস করে, কি রকম ভাবে নিজের ছবি আকাতে চায় পরী। অভি জানত যে পরীর ছবি আঁকতে হলে বাবা মায়ের চোখের আড়াল করেই আঁকতে হবে না হলে তাঁরা একবার জেনে ফেললে সর্বনাশ হতে দেরি হবে না।</p>\n<p>পরী বিরক্ত হয়ে ওঠে ওরা প্রশ্ন শুনে, “পেন্টার কে, তুমি না আমি? আমি কি করে জানব?”</p>\n<p>অভি মজা করে বলে, “ঠিক আছে না একটা নুড পোট্রেট আঁকা যাবে।”</p>\n<p>আদর করে মারতে শুরু করে দেয় অভিকে, “তুমি একটা শয়তান, কুত্তা। আমি আর কোন দিন তোমাকে ক্ষমা করব না। আমি চাই না আমার ছবি কোন নোংরা লোক আঁকুক।”</p>\n<p>অভি ওকে জড়িয়ে ধরে দুহাতে, চোখে চোখ রেখে বলে, “সোনা পরী, আমি ত শুধু একটু মজা করছিলাম।” পরীর পেছনে হাত দিয়ে আঁকড়ে ধরে ওকে কোলে তুলে নেয়।</p>\n<p>পরী জোরে বলে, “আঃ ছাড়ো ছাড়ো, আমার ছবি আকবে কি না?”</p>\n<p>অভি ওকে ছেড়ে দেয়। পরী ওর দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করে, “কি পরে আসব, কি থিম নিয়ে ছবি আঁকবে?”</p>\n<p>অভি, “তুমি তোমার ওই গাড় নীল রঙের শাড়িটা পরে এস, ঠিক যেন ময়ুরের মতন দেখায়। কানে মুক্তোর দুল পড়বে। পেছনের ছবি আমি চিতকুলের পাহাড় আঁকবো, আর সামনে তুমি। তাড়াতাড়ি যাও, আমি ততক্ষণে আকার জিনিস পত্র ঠিক করি।”</p>\n<p>অভি কাগজ, পেন্সিল, চারকোল ইত্যাদি বের করে তৈরি পরীর ছবি আকার জন্য। ইসেল ব্যাবহার করতে পারবেনা কেননা মাঝে মাঝে মা আসেন ওর ঘরে, আর যদি ইসেলে পরীর ছবি দেখে তাহলে কথা নেই…</p>\n<p>এক ঘণ্টা পরে পরী একদম ময়ুরের মতন সেজে ওর ঘরে ঢোকে। জানালার পাশের চেয়ারে বসতে বলে ওকে। এক পা অন্য পায়ের ওপরে দিয়ে, বাঁ হাত মুড়ে তাঁর ওপরে থুতনি রাখতে বলে, আর অন্য হাত যেন ওর জানুর ওপরে আলতো করে পরে থাকে। পরীকে চেয়ারে বসিয়ে আঁকার জায়গায় দাঁড়িয়ে এক ভাবে দেখতে থাকে। হাতের পেন্সিল হাতে থেকে যায়, কাগজে দাগ কাটতে ভুলে যায় অভি।</p>\n<p>পরীর অপরূপ সৌন্দর্য দেখে একবারের জন্য মন একবারের জন্য বিচলিত হয়ে ওঠে কিন্তু নিজেকে সামলে নেই অভি, এই সৌন্দর্য দেখার, শুধু নয়নে উপভোগ করার। পরনে ময়ুরের গলার নীল রঙের শাড়ি, ছোটো হাতা কাঁচুলি। মাথার চুল খোঁপা করে বাঁধা। বাঁকা ধনুকের মতন ভুরু জোড়া, চোখের কনে অল্প কাজল। ঠোঁট জোড়ায় হালকা গোলাপি রঙ করেছে। দু’কানে সোনার দুল মুক্তো বসানো, গলায় মায়ের দেওয়া সোনার হার আর লকেট টা বুকের খাঁজে ঝুলছে। কবজি তে কয়েক গাছি সোনার চুড়ি। তাও অভির কেন জানেনা মনে হল কিছু যেন নেই পরীর ওই চেহারায়।</p>\n<p>হাঁটু গেড়ে হামাগুরি দিয়ে পরীর সামনে দাঁড়ায় অভি হাতে নীল রঙ মাখানো তুলি। পরী অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করে, “রঙ নিয়ে কি করছ?”</p>\n<p>আদর করে নাকে নাক ঘষে উত্তর দেয়, “এই সুন্দর মুখে কিছু যেন নেই, কিছু যেন বাদ পরে গেছে।”</p>\n<p>পরী, “কি?”</p>\n<p>শূন্য ব্রাস দিয়ে ভুরুর মাঝে একটা টিপ এঁকে বলে, “হ্যাঁ একদম ঠিক আছে।”</p>\n<p>পরী, “এখন শান্তি?”</p>\n<p>ওর গালে চুমু খেয়ে বলে, “না, এখনো যেন কিছু নেই নেই বলে মনে হচ্ছে।</p>\n<p>অনেকক্ষণ ধরে তাকিয়ে থাকে পরীর মুখের দিকে, মাথা চুলকায় অভি, চিন্তা করে পায়না, কি নেই।</p>\n<p>পরী বিরক্ত হয়ে ওঠে, “আর কি করতে বল আমাকে?”</p>\n<p>অভি ওর তর্জনী দিয়ে পরীর গালে আদর করে বলে, “তোমার ঠোঁট গুলো যেন একটু বেশি গোলাপি মনে হচ্ছে, যদি আমি একবার চেটে নেই তাহলে রংটা ঠিক হয়ে যাবে।”</p>\n<p>আদর করে চাঁটি মেরে বলে, “ধুর, তুমি না যখন তখন শুরু হয়ে যাও। আঁকতে বসবে না আমি চলে যাবো? তুমি যে রকম ভাবে আমার দিকে তাকিয়ে আছো না, বেশিক্ষণ ওই রকম ভাবে তাকালে কিন্তু আমার কিছু একটা হয়ে যাবে। প্লিস ওই রকম ভাবে না তাকিয়ে তাড়াতাড়ি আঁকা শুরু করো।”</p>\n<p>অভি ওর মাথার পেছনে হাত নিয়ে গিয়ে খোঁপা খুলে দেয়। পরী ককিয়ে ওঠে, “এই সোনা, কি করছ?”</p>\n<p>অভির শ্বাস গতি নেয়, উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ধিরে ধিরে। আধা বোজা চোখে ওর দিকে তাকিয়ে পরী।</p>\n<p>অভি, “তোমাকে একটু বেশি লাস্যময়ী করে তুলছি বেবি।”</p>\n<p>পরীর বুক ওঠা নামা করতে শুরু করে, গাল লাল হয়ে ওঠে অভির আঙ্গুলের ছোঁয়ায়। মৃদুকনে বলে, “প্লিস অভি, করো না। আমার বুকের মাঝে কিছু হচ্ছে।”</p>\n<p>অভি, “কি হচ্ছে বুকের মাঝে, একটি বারের জন্য বল, আমি তোমার ওই সব স্বপ্ন আমি পূরণ করে দেব।”</p>\n<p>পরী, “আমি কিন্তু এবারে রেগে যাবো, অভি। ”</p>\n<p>অভি ওর চুল খুলে ঘাড়ের ওপর দিয়ে সামনের দিকে এলিয়ে দেয়। চুলের এক গুচ্ছ তর্জনীতে নিয়ে গালের ওপরে এলিয়ে দেবার পরে পরীর চেহারা দেখে পরিতৃপ্ত হয়। মনে হয় যেন এক ময়ুর ওর সামনে এক সিংহাসনে বসে আছে। অভি দাঁতে দাঁত চেপে নিজের লোভ সংবরণ করে নেয়, পরীর চোখ, পরীর ঠোঁট যেন ওকে হাতছানি দিয়ে ডাকে। শুরু করে আঁকা, সাদা কাগজে ফুটে ওঠে পরীর রুপ রেখা।</p>\n<p>পরী ওর দিকে একভাবে তাকিয়ে থাকে অনেকক্ষণ, বসে বসে পা ধরে গেছে। ওকে জিজ্ঞেস করে, “এই শয়তান, তুমি আঁকছত, না শুধু শুধু আমাকে বসিয়ে রেখে আমাকে গিলে খাচ্ছো?”</p>\n<p>স্কেচ শেষ করার পর একবার পরীর দিকে তাকায় একবার সামনে কাগজের দিকে। পরী ওর দিকে জোর গলায় বলে ওঠে, “কি হল, আঁকা কি শেষ? বসে বসে কিন্তু আমার পা ব্যাথা করছে।”</p>\n<p>অভি ওকে হাতের ইশারায় কাছে ডাকে। পরী সাদা কাগজে নিজের রুপ রেখা দেখে অবাক হয়ে যায়। অভির গলা জড়িয়ে ধরে দুহাতে। পরীর পাতলা কোমর জড়িয়ে ধরে অভি, মাটি থেকে ওপরে তুলে নেয় কমনীয় দেহ। পরী মৃদুকনে বলে ওঠে, “আমি সত্যি এত সুন্দরী, না তুমি আমাকে এই রকম এঁকেছো?”</p>\n<p>পরীর গায়ের গন্ধ বুকের ভেতরে টেনে নিয়ে চোখে চোখ রেখে বলে, “আমার জলপরীত এর চেয়েও সুন্দরী।”</p>\n<p>পরী নিজের শরীর আবেগের বশে অভির বুকের ওপরে চেপে ধরে। কোমল সুগোল উন্নত বক্ষ যুগল পিষে দেয় অভির প্রসস্থ বুকের ওপরে। অভির কঠিন বাহু পাসে নিজেকে বিলিয়ে দেয়। অভি ঝুঁকে পরে পরীর গোলাপি ঠোঁটের ওপরে, চেপে ধরে নিজের ঠোঁট ওই কোমল গোলাপ পাপড়ির ওপরে। চুষে নেয় পরীর ঠোঁটের মধু। পরী আবেগে দুচোখ বন্ধ করে নেয়, হাত নিয়ে আসে অভির মাথার ওপরে আর টেনে ধরে মাথা যাতে ওদের চুম্বন আরও নিবিড় হয়ে ওঠে। বুকে মাঝে উত্তাল প্রেমের ঢেউ বারে বারে এসে ধাক্কা মারে, দুজনের শ্বাস গতি নেয়।</p>\n<p>পরী মৃদুকনে বলে, “সোনা, যখনি তুমি আমার দিকে তাকাও, আমার বুকের মাঝে উত্তাল ঢেউ খেলে বেড়ায় যেন। আমি তোমাকে ছাড়া বাঁচতে পারবোনা, অভি, আমি তোমাকে চাই। আমি জানিনা ভবিষ্যতে কি হবে, কি করে তুমি আমাদের স্বপ্ন পূরণ করবে। খুব ভয় করে অভি। যদি তুমি আমাকে ছেড়ে চলে যাও তাহলে আমি কিন্তু মারা যাবো, আমি নিজেকে মেরে ফেলব অভি।”</p>\n<p>অভি ঝুঁকে পরে পরীর বক্ষ বিভাজনের ওপরে চিবুক দিয়ে আদর করে বলে, “সোনা, কখন এই রকম কথা বলবে না। আমি তোমাকে এই জায়গা থেকে অনেক অনেক দুরে নিয়ে চলে যাবো। তোমার সেই চোর, তাঁর প্রেয়সী পরীকে নিয়ে দূর উঁচু পাহারে পালিয়ে যাবে, যেখানে কেউ ওদের খুঁজে পাবেনা।”</p>\n<p>ওর কথা শুনে পরীর চোখে জল এসে যায়। অভি জিব দিয়ে চেটে নেয় পরীর গালের ওপরে গড়ান অশ্রু। পরী ওর দিকে দুষ্টু মিষ্টি হাসি দিয়ে বলে, “সোনা, আমার খিদে পেয়েছে।”</p>\n<p>অভি, “আমাকেই খেয়ে নাও না কেন?”</p>\n<p>পরী, “ছোট্ট রাজকুমার, তুমি ত আমার খাবার পরের পায়েস।”</p>\n<p>পরীকে মাটিতে নামিয়ে দেয় অভি, পরী তাও ওকে ছাড়ে না, জড়িয়ে ধরে ওর বুকের ওপর মাথা রেখে দাঁড়িয়ে থাকে। পরী কিছু পরে নিজেকে অভির বাহু পাশ থেকে মুক্ত করে বলে, “সোনা আমি কিন্তু এখন তোমাকে ক্ষমা করিনি। পেন্টিং শেষ না হওয়া পর্যন্ত কিন্তু তুমি আমার ক্ষমা পাবে না।”</p>\n<p>খিলখিল করে হেসে ঘর থেকে বেড়িয়ে যায়।</p>\n<p>অভি দুষ্টুমি ভরা হাসি দিয়ে বলে, “দুষ্টু মেয়ে, আমাকে ক্ষমা না করলে কিন্তু আমি তোমাকে মেরে ফেলব।”</p>\n<p>পরী হেসে উত্তর দেয়, “আমি সেইদিনের অপেক্ষায় থাকব।”</p>\n<p>রাতের খাওয়ার পরে নিজের ঘরে গিয়ে অভি পরীর ছবি খুলে বসে। ড্রয়িং বোর্ডে কাগজ এঁটে টেবিল ল্যাম্পের তলায় আবার আঁকা শুরু করে। কিন্তু সামনে পরীর ছবি দেখে হাত থেমে যায়, কাগজের ওপরে পেন্সিলের দাগ, পরীর চোখ যেন ওকে দেখে হাসে। অভি রঙ মিশাতে ভুলে একমনে ছবিটা দেখে, মিষ্টি পাতলা ঠোঁট, কাজল কালো আঁখি যেন জীবন্ত মনে হয়। ঝুঁকে পরে পরীর ছবির ওই সাদা কালো ঠোঁটে চুমু খায়। ঠিক সেই সময়ে দুটি কোমল হাত পেছন থেকে ওর গলা জড়িয়ে ধরে।</p>\n<p>পরী, “কাগজে চুমু খাচ্ছো কেন, জলজ্যান্ত পরী তোমার সামনে দাঁড়িয়ে আছে যে।”</p>\n<p>পরীর হাত অভির বুকের ওপরে, পেশির ওপরে আদর করে নখের আঁচর কেটে দেয়। অভি ওর হাত দুটি বুকের ওপরে চেপে ধরে। পরী ওর কানের কাছে ঠোঁট নিয়ে এসে, কানের লতিতে আলতো করে দাঁত দিয়ে কেটে দেয়। সিক্ত জিবের ডগা আর মুক্তোর মতন দাঁতের পরশে অভির সারা শরীর কেঁপে ওঠে। চোখ বন্ধ করে মাথা পেছন দিকে হেলিয়ে দেয় অভি। ঘাড়ের পেছনে পরীর কোমল বক্ষ পিষে যায়, উষ্ণ নরম পরশে অভির গা গরম হয়ে ওঠে। পরী ওর কানের লতি চুষে নেয় বারবার।</p>\n<p>কানে কানে বলে, “এবারে বুঝতে পারছো, তুমি যখন আমাকে এই সব করো তখন আমার কি হয়!”</p>\n<p>অভিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে পরী, ঘাড়ের ওপরে জিবের ডগা আলতো করে বুলিয়ে দেয়। অভি শক্ত করে ধরে থাকে পরীর হাত, ফর্সা ত্বকে অভির আঙ্গুলের ছাপ পরে লাল হয়ে ওঠে কোমল কবজি।</p>\n<p>পরীর আদরে অভি আর থাকতে না পেরে চাপা গোঙ্গানি করে ওঠে, “পরী ইইইইইইই…”</p>\n<p>চেয়ার ঘুরিয়ে পরীর দিকে ফিরে বসে অভি, জোর করে কোলের ওপরে টেনে বসায় প্রেয়সীকে। ধুপ করে বসে পরে কোলের ওপরে আর তারপরে নিজেকে ঠিক করে ভালো করে বসে পরে। সুগোল নিতম্ব অভির জানুর ওপরে যেন দুই মাখনের তালের মতন লেপে যায় আর তার নিচে থাকা অভির তপ্ত সিংহ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। পরীর পরনে হাতকাটা লম্বা রাত্রিবাস, তার নিচে কোন অন্তর্বাস নেই সেটা বুঝতে অভির অসুবিধে হয় না।</p>\n<p>অভির প্রশস্ত বুকের ওপরে পরীর কোমল বক্ষ যুগল পিষে যায়। দুই বক্ষ যেন এঁকে ওপরের সাথে মারামারি করে জামার ভেতরে, ঠেলে বেড়িয়ে আসার জন্য যেন উন্মুখ হয়ে আছে দুই কোমল বক্ষ। নিচে অন্তর্বাস না থাকার ফলে, পাতলা কাপড় ভেদ করে বক্ষের মাঝের কঠিন হয়ে ওঠে দুই বৃন্ত ফুটে ওঠে পরিষ্কার। অভির দিকে উঁচু হয়ে উঠে যেন ওই দুই বৃন্ত হাতছানি দিয়ে ডাকে।</p>\n<p>পরী অভির গলা জড়িয়ে ধরে কানের লতিতে আঙুল দিয়ে আলতো করে আদর করে দেয়। কোমল তর্জনীর স্পর্শে অভির সারা শরীর কেঁপে ওঠে। অভি বাম হাতে পরীর কোমর জড়িয়ে ধরে, ওর ফুলে ওঠা বুকের ওপরে ঠোঁট বসিয়ে দেয়। উষ্ণ নরম ত্বকে ভিজে ঠোঁটের পরশে পরী চোখ বন্ধ করে নেয়। অভি ওর নরম মাংসে আলতো করে কামড় দিতে শুরু করে। দুই প্রেমঘন কপোত কপোতীর বুকে কামনার ঢেউ এসে দোলা দেয়। পরী কেঁপে ওঠে অভির দাঁতের কামরে, দাঁতে দাঁত পিষে মাথা পিছনে হেলিয়ে দেয় আর অভির প্রসস্থ বুকের পেশি খামচে ধরে।</p>\n<p>অভির ঠোঁট, ওর কাপড় ঠেলে নিচে করে বুকের বৃন্তের কাছে নিয়ে জিব দিয়ে চেটে দেয়। ঠিক ঠোঁটের নিচে পরীর কঠিন বৃন্ত খোঁচা দেয়। ডান হাত দিয়ে অভি, পরীর পেটের ওপরে নিয়ে পেটের কোমলতা নিয়ে খেলা করতে শুরু করে দেয়। বারে বারে মুঠি করে নিয়ে চেপে ধরে কোমল পেট আর পিষে দেয় নরম মাংস। পরী দুই জানু একে ওপরের সাথে শক্ত করে চেপে ধরে, সারা শরীরে আলোড়ন শুরু হয়ে যায় পরীর আর তাঁর সাথে অভির সিংহ মাথা উঁচু করে জানান দেয় পরীর কোমল নিতম্বের নিচে। অভির জিব বৃন্তের চারপাশে আলতো করে ভিজিয়ে দেয়, পরীর শরীর শক্ত হয়ে ওঠে।</p>\n<p>পরী ককিয়ে ওঠে, “সোনা আমি তোমাকে ক্ষমা করে দিলাম, সোনা, আমাকে বুকে টেনে নাও। আমি তোমার আলিঙ্গনে সর্বদা আদর খেতে চাই।”</p>\n<p>ভাঁজ করা দুই পায়ের নিচে হাত গলিয়ে দিয়ে পাজাকোলা করে কোলে তুলে নেয় পরীকে, চেয়ার ছেড়ে উঠে বিছানায় শুইয়ে দেয় প্রেয়সীর উষ্ণ দেহ। উন্মত্ত আদরের ফলে পরীর ডান বক্ষ রাত্রিবাস থেকে বেড়িয়ে পরে আর বাম বক্ষের বৃন্তের কাছে আটকে থাকে রাত্রিবাস, যেন একটা আলতো টানে উন্মুক্ত হওয়ার অপেক্ষায় ওর দিকে চেয়ে আছে। পরী ওর দিকে কামঘন চাহনি নিয়ে তাকিয়ে নিচের ঠোঁট কামড়ে ধরে।</p>\n<p>মৃদুকনে চিকচিক চোখে ওর দিকে তাকিয়ে বলে, “ওই রকম করে কি দেখছ তুমি?”</p>\n<p>অভি চাপা গলায় বলে, “আমার জলপরীকে দেখছি, তপ্ত জলপরী উষ্ণ সাগর জল ছেড়ে আমার বিছানার ওপরে বসে আমার প্রেমে ডুব দেবার জন্য।”</p>\n<p>অভি বিছানায় উঠে ওর পাশে শুয়ে পরে ওর মাথার পেছনে হাত নিয়ে যায়। মাথা টেনে ধরে নিজের মুখের ওপরে আর ওর ওপরের ঠোঁট নিজের ঠোঁটের মাঝে নিয়ে নেয়। পরীর দু চোখ অভির মুখের ওপরে নিবদ্ধ। দুহাতে ওর মাথা নিয়ে চুলে, গালে নরম আঙুল বুলিয়ে দেয়। উষ্ণ নগ্ন বক্ষ অভির তপ্ত বুকের পেশির ওপরে চেপে ধরে, কঠিন হয়ে থাকা বৃন্ত যেন খোঁচা মারে বুকের পেশির ওপরে।</p>\n<p>অভি ওর মাথার পেছনে নখের আঁচর কাটে। ওর সারা মুখের ওপরে পরীর উষ্ণ শ্বাস ঢেউ খেলে বেড়ায়। দুজনে যেন ঠোঁট দিয়ে মারামারি শুরু করে, কে ভাল চুম্বন দিতে পারে তার প্রেমের মানুষ কে সেই প্রতিযোগিতায় যেন দুজনে একে ওপরকে হারানোর প্রানপন চেষ্টা চালায়। অভির হাত নেমে আসে পরীর কোমল গোল পেটের ওপরে নাভির চারপাশের ফুলে ওঠা পেটের ওপরে চাপ দিতে থাকে।</p>\n<p>দুই জানু এঁকে ওপরের সাথে পিষে রাখে পরী। অভির হাতের আদরের ফলে, জানুর মাঝের সিক্ত হয়ে আসে নারী সুধায়। সারা শরীরে যেন তরল লাভা বয়ে চলেছে। হাঁটু ভাঁজ করে অভির শরীরের ওপরে উঠিয়ে আনে আর তাঁর ফলে রাত্রিবাস নিচের দিক থেকে উঠে এসে কোমরের কাছে চলে আসে। অভির হাতের সামনে পরীর উন্মুক্ত পেলব জানু। চোখের সামনে উন্মুক্ত পরীর নারীসুধার দ্বার।</p>\n<p>অভি এই প্রথম পরীর মিলনের উন্মুখ চাহিদা টের পায়, পরী হাত নিয়ে আসে অভির কোমরের কাছে, বোতাম খুলে অভির সিংহ কে মুক্ত করার জন্য উন্মুখ পরী। পরীর নরম আঙ্গুলের ছোঁয়ায় অভির সিংহ শত গুন বেড়ে ওঠে, কেশর ফুলিয়ে নিজের অস্তিতের জানান দেয়। আলতো করে কাঁধ নাড়িয়ে কাঁধের থেকে রাত্রিবাস নামিয়ে দেয় পরী, সারা ঊর্ধ্বাঙ্গ অনাবৃত। রাত্রিবাস কোমরের কাছে সরু এক বেষ্টনীর মতন জড়িয়ে। অভি বিছানায় শুয়ে পরে, পরীকে ওর ওপরে টেনে নেয়।</p>\n<p>পায়ের ফাঁকে কঠিন শলাকার পরশ পেয়ে পরী দুচোখ বন্ধ করে নেয়। অভি ওর কোমল নিতম্ব দুই হাতের মুঠিতে নিয়ে পিষে ফেলে আর ওর কোমর চেপে ধরে নিজের কোমরের ওপরে। অভির কঠিন শলাকা প্রেয়সীর সুখের দ্বারে বারে বারে ধাক্কা মারে। পরী অল্প ঠোঁট খুলে মৃদু শীৎকার করে ওঠে। অভি দুই হাতের থাবায় পরীর কোমল নিতম্ব চেপে পিষে একাকার করে দেয়। ফর্সা ত্বক লাল হয়ে ওঠে অভির কঠিন পেষণের ফলে।</p>\n<p>ওকে জড়িয়ে ধরেই অভি ঘুরে শুয়ে যায়, পরীকে নিচে ফেলে দেয়। পরী দুই পা ফাঁক করে, জানু ভাঁজ করে অভিকে আহবান জানায় ওকে গ্রহন করার জন্য। অভির কোমর থেকে প্যান্ট নিচে ঠেলে নামিয়ে দেয়, বেড়িয়ে পরে অভির কঠিন অঙ্গ, সোজা গিয়ে স্পর্শ করে পরীর সিক্ত নারী দ্বার। ককিয়ে ওঠে তপ্ত কঠিন পরশে। অভি ওর বাহুর নিচ থেকে হাত নিয়ে গিয়ে মাথার পেছনে ধরে নিজেকে পরীর জানু মাঝে নিবিষ্ট করে।</p>\n<p>ধিরে ধিরে অভির সিংহ পরীর সিক্ত কোমল গুহার মধ্যে প্রবেশ করে। সিক্ত গুহার দেয়ালে তপ্ত শলাকার পরশে পরীর কমনীয় দেহে ধনুকের মতন বেঁকে ওঠে। ঠেলে ধরে জানুসন্ধি অভির কঠিন অঙ্গের ওপরে। সুখের শীৎকার করে ওঠে পরী। অভি যেন উমত্ত এক প্রেমিক, মত্ত খেলায় মেতেছে প্রেমিকার কোমল শরীর নিয়। বারে বারে আছড়ে পিছরে একাকার করে দেয় পরীর কোমল শরীর।</p>\n<p>মত্ত খেলার চুরান্ত সময়ে পরী ওর পিঠের ওপরে উত্তেজনায় দশ নখ বসিয়ে দেয়, আঁচর কেটে রক্ত বার হয়ে যায়। অভির লাভা সিক্ত করে দেয় পরীর গহ্বর। অভি ওর ঘাড় কামড়ে ধরে, দাঁতের দাগ বসে যায় পরীর নরম ফর্সা ত্বকের ওপরে। উন্মত্ত প্রায় প্রেমের খেলার ফলে দুই কপোত কপোতীর সারা শরীরে সহস্র আঁচর কামরের দাগ পরে যায়। খেলা শেষে দুজনে হাঁপিয়ে ওঠে, অভি চুপ করে পরীকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে থাকে। পরী ওর বুকের ওপরে হাত ভাঁজ করে চিবুক রেখে ওর আধবোঝা চোখের দিকে তাকিয়ে থাকে। একে ওপরে নগ্ন দেহের উত্তাপ নেয়।</p>\n<p>পরী ওর দিকে তাকিয়ে দুষ্টু হেসে বলে, “আমার মিষ্টি শয়তান আজ যেন একটু বেশি উত্তেজিত ছিল। সবসময়ে যেন একটু বেশি বেশি রকমের উত্তেজিত থাকে। এবারে আমার ছোটো রাজকুমার তার পরীকে নিয়ে থাকতে পারবে বলে মনে হচ্ছে।”</p>\n<p>অভি, “আগে কি তোমার মনে কোন সংশয় ছিল নাকি?”</p>\n<p>মাথা দোলায় পরী, “না না, আমার সোনা কখন উদ্দাম হয়ে ওঠে আবার কখন শান্তি মনে প্রেম করে।”</p>\n<p>অভির সারা শরীর উদ্দাম খেলার বসে অবস হয়ে আসে, চোখ বুজিয়ে দুই হাতে চেপে ধরে পরীর কোমর।</p>\n<p>পরী ওর কানে কানে ফিসফিস করে বলে, “সোনা এবারে আমাকে যেতে হবে, আমার ঘুম পাচ্ছে।” বুকের ওপরে চুমু খেয়ে উঠে পরে পরী, “বাকি টুকু কাল রাতে হবে, অভি। কাল যখন তুমি কাগজে রঙ করতে শুরু করবে, তারপরে।”</p>\n<p>চোখ বন্ধ করে নেয় অভি, কখন যেন ঘুমিয়ে পরে।</p>",
        "series": {
            "id": 23,
            "title": "ভালবাসার রাজপ্রাসাদ",
            "slug": "valobashar-rajprashad",
            "url": "https://golpohub.com/series/valobashar-rajprashad",
            "thumbnail_url": "https://cdn.golpohub.com/covers/series-valbasar-rajprasad-23-03d714.webp",
            "progress_status": "completed"
        },
        "author": {
            "id": 22,
            "name": "পিনুরাম",
            "slug": "pinuram",
            "url": "https://golpohub.com/authors/pinuram",
            "avatar_url": "https://cdn.golpohub.com/avatars/pinuram-22-995484.webp",
            "bio": "পিনুরাম বাংলা কথাসাহিত্যের এক সংবেদনশীল ও মননশীল রূপকার। মানবজীবনের টানাপোড়েন, দায়িত্ববোধের কঠিন আত্মত্যাগ এবং সামাজিক শৃঙ্খলের ভেতর লুকিয়ে থাকা সূক্ষ্ম অনুভূতির রূপায়ণে তাঁর লেখনী অনন্য। তাঁর চরিত্ররা আবেগতাড়িত ভুলের ভেতর দিয়ে হেঁটে এসে অবশেষে গভীর আত্মোপলব্ধি ও দায়িত্বশীল মানবিকতায় পূর্ণতা পায়। বাস্তব জীবনের জটিল মনস্তত্ত্ব ও আত্মশুদ্ধির মেলবন্ধনে গড়ে ওঠা তাঁর গল্পগুলো পাঠকদের চিত্তে শুভ ও ইতিবাচক চেতনার বিস্তার ঘটায়।",
            "series_count": 0,
            "meta": {
                "bio": "পিনুরাম বাংলা কথাসাহিত্যের এক সংবেদনশীল ও মননশীল রূপকার। মানবজীবনের টানাপোড়েন, দায়িত্ববোধের কঠিন আত্মত্যাগ এবং সামাজিক শৃঙ্খলের ভেতর লুকিয়ে থাকা সূক্ষ্ম অনুভূতির রূপায়ণে তাঁর লেখনী অনন্য। তাঁর চরিত্ররা আবেগতাড়িত ভুলের ভেতর দিয়ে হেঁটে এসে অবশেষে গভীর আত্মোপলব্ধি ও দায়িত্বশীল মানবিকতায় পূর্ণতা পায়। বাস্তব জীবনের জটিল মনস্তত্ত্ব ও আত্মশুদ্ধির মেলবন্ধনে গড়ে ওঠা তাঁর গল্পগুলো পাঠকদের চিত্তে শুভ ও ইতিবাচক চেতনার বিস্তার ঘটায়।",
                "phone": null,
                "gender": "male",
                "address": {
                    "country": "India"
                },
                "birth_date": null,
                "social_links": [],
                "pen_name": "পিনুরাম",
                "aliases": [
                    "Pinuram",
                    "Pinu Ram"
                ]
            },
            "timestamps": {
                "created_at": null,
                "updated_at": null
            }
        },
        "navigation": {
            "previous_episode": {
                "id": 1127,
                "ep_number": 21,
                "title": "শ্রাবণের ধারা ও ক্ষুব্ধ হৃদয়",
                "slug": "valobashar-rajprashad-s1-ep21",
                "url": "https://golpohub.com/episodes/valobashar-rajprashad-s1-ep21",
                "thumbnail_url": "https://golpohub.com/assets/images/og.jpg"
            },
            "next_episode": {
                "id": 1129,
                "ep_number": 23,
                "title": "রক্তাক্ত শৃঙ্খল ও চির নির্বাসন",
                "slug": "valobashar-rajprashad-s1-ep23",
                "url": "https://golpohub.com/episodes/valobashar-rajprashad-s1-ep23",
                "thumbnail_url": "https://golpohub.com/assets/images/og.jpg"
            }
        }
    }
}