লাজুকপাতা | পর্ব – ১২

মনির জেদ কে হার মানতে হলো থানা পুলিশের কাছেও। সে কিছুতেই থাকবে না। উল্টো মায়ের নামে পুলিশের কাছে অভিযোগ করলো। মারের চিহ্ন গুলোও দেখালো। শেষ অবধি পুলিশও হার মানলো। মনির বয়স জন্ম নিবন্ধন পত্রে উনিশ বছর। সেই হিসেবে এখন আর ও নাবালিকা নয়। বাবা, মা চাইলেই ঘরে আটকে রেখে মারতে পারে না।

এক বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যা | পর্ব – ৫

খাঁনবংশে জন্ম গ্রহন করা টা বোধহয় মস্তবড় অন্যায় হয়েছে আমার। বংশের মানুষ একটু রগচটা টাইপের আছে।এখনো তারা পলিটিক্স এ জড়িত।মারামারি কাটাকাটি এগুলা তাদের নিত্যদিনের স্বভাব।বংশের নাম খাঁন বলেই রাজাকারের বংশের উপাধি দিয়েছেন বিহান ভাই।তার উপর আবার পলিটিক্স এ জড়িত উভয় মিলে আমাকে এই রাজাকার কথাটা শুনতে হয়।
আমি পদ্মজা

আমি পদ্মজা | পর্ব – ১৬

টিনের চালে ঝুম ঝুম শব্দ। বৃষ্টির এই ছন্দ অন্যবেলা বেশ লাগলেও এই মুহূর্তে ভয়ংকর লাগছে পদ্মজার। একেকটা বজ্রপাত আরো বেশি ভয়ানক করে তুলেছে পরিবেশ। সে কাচুমাচু হয়ে ফোঁপাচ্ছে। বৃষ্টির শব্দ একটু কমলে কিছু কথা ভেসে আসে বাতাসে,’আপনি ভয় পাচ্ছেন কেন?…

পাথরের বুকে ফুল | পর্ব – ৬

ওয়াসেনাত খুবই বিরক্তি নিয়ে অরিএানের দিকে তাকিয়ে আছে।কিন্তু ব্যাটা শয়তান অরিএানের সেদিকে ভ্রুক্ষেপ নেই।সে তার নিজের মত গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছে। তার ভাব দেখে মনে হবে তার আশেপাশের কোনো ব্যক্তি তো দূর কোনো প্রানিও নেই।ওয়াসেনাত কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে তার হাতে থাকা আইসক্রিমটা খাওয়া শুরু করে।ওয়াসেনাত খুব মনোযোগ দিয়ে আইসক্রিম খাচ্ছে।

অঙ্গারের নেশা | পর্ব – ৫

সদর দরজার দিকে সবার দৃষ্টি গেলো। ট্রলি হাতে দাঁড়িয়ে আছে রেয়ান। প্রানেশা উঠে দাড়িয়ে রেয়ানের কাছাকাছি যেতে নিলে সুফিয়ান হাত ধরে ফেললো৷ প্রানেশা দেখলো সুফিয়ানের মাঝে কোনো প্রকার অবাকের ছাপ নেই৷

অগোচরে তুমি | পর্ব – ২

স্টেডিয়ামের প্রত্যেকটা কোণায় কোণায় লোক লাগিয়ে রেখেছে অর্ক!ড্রেসিং রুমে যাওয়ার রাস্তার পাশের গ্যালারিতে একদম কিনার ঘেঁষে থাকা সিটের টিকিট টা অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে অর্কের জন্য জোগাড় করেছে।এখানে বসে আজকে কিরণ চৌধুরীর প্রত্যেকটা কদমের পই পই করে হিসাব রাখবে বলে।হুডির আড়ালে নিজেকে লুকিয়ে দর্শক সারিতে বসে আছে অর্ক।

অগোচরে তুমি | পর্ব – ৩৫

একটা স্টেজ শো তে কিরণকে বলতে শুনেছিলাম,“মানুষ আবহাওয়ার সাথে সম্পর্কযুক্ত!মানুষ তার চরিত্রের সাথে মুড অনুযায়ী পাল্টায়!” কিরণের বলা সেই কথাটার মানে আমি কখনই বুঝতে পারতাম না।আমরা জানি সময়ের সাথে সাথে প্রতিটা মানুষই পরিবর্তনশীল।

হৃদ রোগ | পর্ব – ২২

শান্ত পরিবেশ, শুধু মাঝে মাঝে কয়েকটা যানবাহনের শব্দ কানে আসছে তাও আবার ক্ষীণ । সুদেষ্ণা এখনো ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে আছে হিমাদ্রর দিকে। হিমাদ্রকে এবার বেশ ধৈর্য্যহারা দেখালো , হিমাদ্র একটু সময় নিয়ে বললো,,,,,, “বললে না যে,,,,,? সুদেষ্ণার ধ্যান এবার বোধ হয় ভাঙ্গলো। সুদেষ্ণার ভাবতেই অবাক লাগছে যে, এতক্ষণ সে নির্লজ্জের
বাইজি কন্যা

বাইজি কন্যা | পর্ব – ৬৩

-'আমি মরে যাইনি ভাই। সৃষ্টিকর্তা আমাকে যে হালে রেখেছেন এতেই আমি সন্তুষ্ট। আমি কোন কৃত্রিমতা নিয়ে ওর কাছে ফিরতে চাই না। বরং সৃষ্টিকর্তা আমায় যেটুকু দান করেছেন সেটুকু নিয়েই বীরের মতো মাথা উঁচু করে যেতে চাই।

হৃদ রোগ | পর্ব – ১৮

দুপুর আড়াইটে তখন , সূর্যের আলোর প্রখরতা খুব একটা নেই বললেই চলে। শীতকালে সূর্যের আলো গায়ে মাখতে বেশ ভালোই লাগছে । সুদেষ্ণারা বসে এখন আড্ডা দিচ্ছে আর মাঝে মধ্যে বাচ্চাদের দৌড়-ঝাঁপ দেখছে । বাচ্চাগুলোর তো খেয়াল রাখতে হবে , বড়োরা কয়দিকেই বা সামলাবে । সুদেষ্ণাদের একটু আগেই খাওয়া-দাওয়ার পর্ব শেষ

অফিডিয়ান | পর্ব – ২

লিভিং রুমে ঢোকার আগ মুহুর্তে বাবা আর ফুপ্পার কিছু কথা কানে এলো রুমাইশার৷ ফুপ্পা থেমে থেমে বলছেন, —দেখ শামসুল, ছেলে আমার আজ ও অপরাধ বোধে ভোগে৷ ওই ঘটনার পর থেকে ও নিজেকে সবার থেকে গুটিয়ে নিয়েছে৷

পরিজান | পর্ব – ৪৭

ছু*রি*টা নিয়ে পালঙ্কের দিকে এগিয়ে গেল নওশাদ। ইচ্ছামতো ছু*রি চালালো শুয়ে থাকা ব্যক্তির শরীরে। নওশাদ ভাবছে নিশ্চয়ই পরীর শরীর এতক্ষণে ক্ষ*ত বি*ক্ষ*ত হয়ে গেছে।

ফ্লোরেনসিয়া – ১২

ভ্যাম্পায়ার'রা রসুনের সংস্পর্শে আসা তো দূরের কথা, রসুনের গন্ধও সহ্য করতে পারে না। ওরা রসুনের কথা চিন্তা করলেই অস্থির হয়ে উঠে। প্যানিক এ্যাটাকের শিকার হয়।

এক বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যা | পর্ব – ১৭

শ্যামাপাখি জানো, আমি দিন দিন কত দুষ্টু হয়ে যাচ্ছি।তোমার দেওয়া ছবি আমি কতশত বার জুম করে দেখেছি।তোমার ওই গাড়ো লিপিস্টিক এর দিকে তাকিয়ে নেশাক্ত হয়ে গেছিলাম। এই পিচ্চি শুনছো তোমাকে শাড়িতে নীল রঙে রাঙানো নীলাভ সৌন্দর্যের অধিকারী লাগছে।
এক সমুদ্র প্রেম

এক সমুদ্র প্রেম – ৩৭

ইকবাল আপ্লুত চোখে বন্ধুর দিক চেয়ে থাকল। সেই চোখ জ্ব*লে উঠল পরপর৷ কোটর ছড়িয়ে পল্লব ছুঁলো। বদনের ঘাম মোছার ভাণ করে মাথা নীচু করে শার্টের হাতা দিয়ে মুছে নিলো জল।

প্রেমালিঙ্গণ | পর্ব – ৮

কিছুক্ষণ আগ মুহুর্তের ঘটনাটা বারবার মনে পরছে তার। স্বাক্ষরের এতো কাছে ছিল‚ ভাবতেই তার বুকে দ্রিমদ্রিম করতে শুরু করল। চুল থেকে বেলীফুলের তীব্র সুবাস ভেসে আসছে৷ কেমন একটা ঘোরের মাঝে বিচরণ করছে তন্দ্রা। চোখের সামনে বারবার স্বাক্ষরের অমলিন হাসি মুখটা ভেসে উঠছে৷ লজ্জায় দু’হাতের আড়ালে মুখ লুকাল তন্দ্রা।
লাভার নাকি ভিলেন

লাভার নাকি ভিলেন | পর্ব – ০৭

মেঘলা কাঁদতে কাঁদতে বলল সারাদিন কেউ আমার সাথে একটা কথা বলে না আমি সারাদিন একা একা থাকি। আমার একদম ভাল লাগে না😔 একটু টিভি দেখতে এসেছিলাম তাও এখন বন্ধ হয়ে গেল।কেউ আমায় সহ্য করতে পাড়ে না এর চেয়ে গ্রামেই ভাল…

পাথরের বুকে ফুল | পর্ব – ২৪

ওয়াসেনাত অরিএানের হাতের উপড় মাথা দিয়ে গা এলিয়ে আছে।আর অরিএান একদৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে আছে।কিছুসময়ের ব্যবধানে কি হয়ে গেছে কিছুই তার মাথায় ডুকছে না। রিমন আচ্ছা মত লোকটাকে মেরেই চলেছে।পার্টির সবাই প্রায় উপড়ে চলে এসেছে।ওয়াসেনাতের বাবা তাকে এভাবে দেখে হতভম্ভ হয়ে বসে পরে।ওয়াসেনাতের মা বার বার জিগ্যেস করছে ওয়াসেনাত