এক বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যা | পর্ব – ৩৯

যে চিঠি নিয়ে এত বড় একটা ইতিহাস হয়ে গেলো সেই চিঠি আসলে বিহান ভাই নয় বিভোর ভাই এর ছিলো।বিভোর ভাই এর মুখটা ফ্যাকাসে বর্ণ ধারণ করেছে।কারণ বিভোর ভাই ও শতভাগ নিশ্চিত ছিলেন যে ওই চিঠিটা বিহান ভাই এর ই হবে।
লাভার নাকি ভিলেন - সিজন ২

লাভার নাকি ভিলেন | সিজন – ২ | পর্ব – ৩৪

মেঘলাকে কাঁদতে দেখে আকাশ আরো ভেংগে পড়ল সে ছাদ থেকে নেমে নিজের ঘরে চলে গেল আর ভাবতে লাগল কি করা যায়। কারন অবনীকে এখন না করাটাও একটা বিশ্রি ব্যাপার অবনী লোভি মেয়ে না যে টাকা দিয়ে সরিয়ে দেয়া যাবে আর নাবিলও একবার যা বলে তাই করে...

তোমাকে | মুন্নি আক্তার প্রিয়া | পর্ব – ৩০

পরীক্ষা শেষেই বাসায় এসে শুয়ে পড়ে পরী। রেহেনা বেগমও পেছন পেছন আসেন। টেবিলের ওপর থেকে প্রশ্নপত্র হাতে নিয়ে জিজ্ঞেস করেন, “তুর্যর সাথে দেখা হয়েছিল?” না চাইতেও পরীর ঠোঁটের কোণে হাসির রেখা ফুঁটে ওঠে। শোয়া থেকে বসে বলে, “আমি তো ভেবেছিলাম…

বাইজি কন্যা

বাইজি কন্যা | পর্ব – ৭

-' প্রেমের আবার নতুন পুরানোও হয়? ' -' কেন নয়? আমরা যেমন বহুবার হাসি তেমন বহুবার কাঁদিও৷ আমাদের জীবনে যেমন বহুবার হাসি আসে,বহুবার কান্না আসে, ঠিক তেমনি বহুবার প্রেমও আসে। '

হৃদ রোগ | পর্ব ৬

চনন্দননগরের যান্ত্রিক শহরে শুরু হলো আবার নতুন দিনের সূচনা । আজকে সোমবার আর এই দিনে স্কুল কলেজ যাওয়ার একটু বেশিই তাড়া থাকে । পুরো সপ্তাহটা চলবে এবার ব্যাস্ততায়। ছুটির দিন গুলো অনেক তাড়াতাড়ি কেটে যায় বোঝাই যায় না । প্রতিদিনের মতো আজকেও স্ট্যান্ডে প্রচুর ভিড়
আমি পদ্মজা

আমি পদ্মজা | পর্ব – ২৩

ফাতিমা করুণ চোখে লিখনের দিকে তাকান। চোখে চোখ পড়তেই লিখন হাসার চেষ্টা করল। তার দৃষ্টি এলোমেলো। কী বলবে খুঁজে পাচ্ছে না। আমির চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ায়। ‘আব্বা আসছি’ বলে জায়গা ত্যাগ করে। শব্দর আলী মজিদ মাতব্বরকে প্রশ্ন করলেন,’মজা করছেন?’ মজিদ…

লাভার নাকি ভিলেন

লাভার নাকি ভিলেন | পর্ব – ৩৩

আকাশ হটাৎ করে নার্ভাস হয়ে পরেছে.. আকাশঃ আমি পারব তো নাবিল…??? নাবিলঃ হ্যা তোকে পারতে হবে… আকাশঃ প্ল্যান তো অনেক আগেই করেছিলাম কিন্তু এখন সব কেমন গুলিয়ে যাচ্ছে। মেঘলার খুব কস্ট হবে। নাবিলঃ হোক কত ভালভাবে বোঝালাম, কিন্তু বোঝলো কি?…

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ৪২ (এতটা ভালোবাসেন!)

খাওয়া শেষ করে আমরা রুমে চলে এলাম। কিন্তু আমি এখনি ঘুমাতে চাচ্ছি না। বরং আজ আমি গল্প করতে চাই। আমি বালিশে হেলান দিয়ে বসলাম। উনি বিছানায় বসতে বসতে ভ্রুকুচকে তাকিয়ে বললেন, আজও কি আবার সেই প্রশ্ন উওর চলবে?

পাথরের বুকে ফুল | পর্ব – ১৫

ওয়াসেনাত রাস্তার পাশে দাড়িয়ে আছে আর তার সাথে রিমি।ওয়াসেনাত প্রচণ্ড বিরক্ত ভঙ্গিতে রিমির দিকে তাকিয়ে আছে।কারন একটাই রিমির আজাইরা বকবক।যা ওয়াসেনাতের মোটেও পছন্দ হচ্ছে না।ওয়াসেনাতের এখন ইচ্ছে করছে রিমির মুখে কস্টিভ লাগিয়ে দিয়ে বলতে এবার বল কত কথা বলতে পারিস।কিন্তু দুঃখ জনক হলেও সত্যি ওয়াসেনাতের কাছে এমন কিছুই নেই।
লাভার নাকি ভিলেন

লাভার নাকি ভিলেন | পর্ব – ১০

পরদিন আকাশের বাবা নিজে গিয়ে মেঘলার ট্যুর ফি দিয়ে দিলেন। অনেকেই যাবে সবাই খুশি, কিন্তু মেঘলাদের ব্যাচ যেহেতু সবচেয়ে জুনিয়র ব্যাচ তাদের উপড় সিনিয়রা হুকুম চালাবে এটাই নিয়ম তাই মেঘলাদের ব্যাচের তেমন কেউ যাচ্ছে না। কিন্তু তাতে মেঘলার কি যায়…

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ২০

আজ অনেক দেরি করে শাওনের ঘুম ভাঙলো। হালকা চোখ খুলে সামনের বারান্দার দিকে তাকালো। সকালের ঝলমলে রোদ এসে রুমের মধ্যে ঢুকেছে আর হালকা বাতাসে দরজার কাছের লাল পর্দাটা উড়ছে।

অফিডিয়ান | পর্ব – ৪৬

রুমাইশা গিয়ে বেঞ্চে বসতেই ওর বান্ধবী সালিমা আর আফিয়া এসে বসলো ওর দুই পাশে৷ আর বাকি মেয়ে গুলো ওকে আশপাশ থেকে ঘিরে ধরলো। আর ছেলে গুলো উৎসুক হয়ে ওদের পাশের সারিতে বসে রইলো, মেয়েরা রুমাইশাকে কি প্রশ্ন করে আর রুমি কি উত্তর দেয় সেটা শোনার জন্য৷
আমি পদ্মজা

আমি পদ্মজা | পর্ব – ২২

মোড়ল বাড়ির আনাচেকানাচে আত্মীয়স্বজনদের কোলাহল। পদ্মজা বিছানার এক কোণে চুপটি করে বসে আছে। ঘরে দুষ্টু রমণী আছে কয়েকজন। নিজেদের মধ্যে রসিকতা করছে। উচ্চস্বরে হাসছে। অথচ এরাই বিপদের সময় পাশে ছিল না। ভীষণ গরম পড়েছে। পদ্মজার পরনে সুতার কাজ করা সুতি…

আমি পদ্মজা

আমি পদ্মজা | পর্ব – ২১

সারা বাড়ির সব কাজ শেষ করে, হেমলতা ক্লান্ত পায়ে হেঁটে ঘরে আসেন। মোর্শেদ সবেমাত্র শুয়েছেন। হেমলতা বিছানার এক পাশে কাত হয়ে শুয়ে চোখ বন্ধ করেন। মোর্শেদ হেমলতার দিকে ফিরে ধীরকণ্ঠে বলেন,’ধানের মিলটা পাইয়া যাইতাছি।’ মোর্শেদের গলা দূর্বল হলেও খুশিতে চোখ…

লাভার নাকি ভিলেন

লাভার নাকি ভিলেন | পর্ব – ০৭

মেঘলা কাঁদতে কাঁদতে বলল সারাদিন কেউ আমার সাথে একটা কথা বলে না আমি সারাদিন একা একা থাকি। আমার একদম ভাল লাগে না😔 একটু টিভি দেখতে এসেছিলাম তাও এখন বন্ধ হয়ে গেল।কেউ আমায় সহ্য করতে পাড়ে না এর চেয়ে গ্রামেই ভাল…

হৃদ রোগ | পর্ব ১৫

কুয়াশার চাদরে মোড়ানো সুন্দর সকাল, পুরো রাস্তাঘাট ফাঁকা। এখন চলছে নভেম্বর মাসের শেষের দিকে তাই হাড় কাঁপানো শীত এখনো পড়েনি তবে ঘুমানোর সময় লেপ তো লাগেই। এখন ঘড়িতে সকাল ৫ টা’ বেজে ৩০ মিনিট , এই সময় সুদেষ্ণার বাড়ির সবাই ঘুমে কাদা একমাত্র সুদেষ্ণা বাদে । আজকে সুদেষ্ণার ইকোনমিকস পরীক্ষা

পরিজান | পর্ব – ৪৫

-'চুপ থাক পরী। অনেক হয়েছে,শুধু শায়েরের জন্য তোকে বাঁচিয়ে রেখেছি। তোকে তো তাড়াতাড়ি শেষ করে দেব।'পরী গলা উচিয়ে বলে,'বের হন অন্দর থেকে নয়তো লা*শ পড়ে যাবে।'

অঙ্গনে হৃদরঙ্গন | পর্ব – ৪

নাস্তা করে বের হয়ে দাবা ঘরের দিকে যাচ্ছিলো সাদাফ। পথে চায়ের দোকান থেকে ডাকলো রাজীব সরকার। তার গ্রামের বাড়ির একটা মামলার কথা জানিয়েছিলো দু’সপ্তাহ আগে। শহুরে কোনো পার্টির কাছে ভালো দামে বিক্রি করতে চান তিনি। সাদাফকে বলেছে একটা ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য।