পাথরের বুকে ফুল | পর্ব – ৩

লাস্ট একটা তাড় ওয়াসেনাতকে পেঁচিয়ে রেখেছে।তাও তার কোমরে।অরিএান তাড়টা খুলতে ওয়াসেনাতকে নিজের আরও কাছে টেনে আনে।যা দেখে ওয়াসেনাত আবার চিৎকার করে উঠে…………..

ওয়াসেনাত:এই এই আপনি আবার আমার কাছে আসছেন কেনো??দুরে যান।মেয়ে দেখলেই ইটিস পিটিশ করতে মন চায় না?যত সব সেরেন(নিজেকে ছাড়াতে চাইছে)

অরিএান:এই তোমাকে আমি কম কথা বলতে বলেছি না।আমি বেশি কথা একদম পছন্দ করি না। চুপ থাকলেও তোমাকে আমি এভাবে ধরে রাখবো আর চিৎকার করলেও আমি এভাবে ধরে রাখবো।soচুপ থাকা butter। আর তা না করলে আমি তোমাকে এখনই পুলে ফেলে দিবো।আসা করি বুঝতে পেড়েছ। (কোমরটা শক্ত করে চেপে ধরে কথা গুলো বলছে)

ওয়াসেনাত: আচ্ছা আচ্ছা চুপ থাকবো।এবার কোমর ছাড়েন ব্যাথা লাগছে।🙄🙄(কোমর থেকে অরিএানের হাত ছাড়াতে ছাড়তে)

ওয়াসেনাতের কথায় এবার অরিএান ওর কোমরটা হালকা ছেড়ে ওর সামনে হাটু গেড়ে বসে।তারপর ওয়াসেনাতের কোমর থেকে ফেড়ি লাইটের তাড়টা খুলতে শুরু করে।তাড় খোলা শেষ হলে দাড়িঁয়ে যায়।আর ভাবে একটা মেয়ের কোমরও কি করে এত আকর্ষণীয় হতে পারে???যেখানে
মেয়েরা ওয়েস্টার্ন dress পরে তাদের ফিগার দেখিয়ে তাকে ঘায়েল করতে চায়, যেখানে তাদের ছুঁয়েৈও সে আকৃষ্ট হয় না, সেখানে এই মেয়ের সামান্য কোমরের ছোঁয়ায় সে ঘায়েল। বেপারটা আসলেই ভাবার বিষয়।তাকে এত গভীর ভাবনায় ওয়াসেনাত রাখতে চায় না তাই তো বলে উঠে…………

ওয়াসেনাত: হাবার মত তাকিয়ে আছেন কেনো।তার গুলো গোছাতে সাহায্য করেন।(তাড়গুলো ঠিক করতে করতে)

অরিএানের এবার মাথা ঘুড়াবে ঘুড়াবে ভাব।এই মেয়ে কি তাকে দেখে একটুও ভয় পাচ্ছেনা???কেনো??এই কেনোর উওর অরিএানের কাছে নেই।কি হচ্ছে তার সাথে কিছুই বুঝতে পাড়ছে না।নিজের এত পরিবর্ত দেখে সে নিজেই হতবাগ। প্রথম দেখায় কোনো মেয়ে কারকে এত পরিবর্ত করতে পারে তা তার জানা ছিলনা।তার তো জানা আছে মেয়েরা বহুরুপি। তাহলে কি এটাও ওর একটা রুপ??হতেই পারে মেয়েরা পারে না এমন কিছু নেই।হতে পাড়ে তাকে ফাসাতে চাইছে নিজের রুপ দিয়ে।কিন্তু অরিএান ফাঁসবে না।তাই কিছু কঁড়া কথা শুনাবে বলে রেডি হয়েছে but বলতে পাড়ে নায়।তার আগেই ওয়াসেনাত বলে বসে…………………

ওয়াসেনাত:থাক আপনাকে আর সাহায্য করতে হবে না।আমি সব গুছিয়ে পেলেছি।যা করেছেন তার জন্য এক বালতি thanku . আমি যাই অনেক কাছ আছে।ওই পরিএানের পার্টি বলে কথা।কাজ শেষ হলেও থাকে(তাড়গুলো হাতে গুছিয়ে নিতে নিতে বলে উঠে)

অরিএান :ওটা পরিএান না অরিএান হবে।(দাঁতে দাঁত চেপে চোখ মুখ শক্ত করে বলে উঠে)

ওয়াসেনাত :ওরে চান্দু আপনার নাম তো আর ভেঙ্গাই নাই! তাইলে আপনার এত লাগে কা।ওই পোলারে তো আমি পরিএান এই ডাকমু।দেখি কার বাপের কি??হুু।আরে আপনিতো যানেন না কেনো ওনার নাম পরিএান দিছি। আমার বান্ধুবি রিমি আছে না ও তো এই লোকের জন্যে পাগল।সারা দিন কানের কাছে হালার নামে পক পক করে, ছবি দেখাতে চায়।কিন্তু আমিও কম না দেখবো না মানে দেখবো না।এসব আবাল সাবালরে আমি দেখি না।আচ্ছা আমি যাই।ওই আবার ওই শালার কছে এগুলো বলিয়েন না।চাকরী যাইবো গা।আমার😑😑(বলেই হাতে ফেড়ি লাইট গুলো নিয়ে সামনে চলে যায়। আবার ফিরে তাকিয়ে একটা মন কাড়া হাসি দিয়ে হাত তুলে টাটা👋 যানায়)

শেষ আর কি লাগে😁। অরিএান শেষ হয়ে নিজেই পরিএান হয়ে গেছে😁😁।এত সুন্দর হাসি হয়।বুকে হাত দিয়ে পাশের থাকা চৌফায় বসে পড়ে।আর ওয়াসেনাতের যাওয়ার পানে তাকিয়ে থাকে এবং মনে মনে ভাবে মেয়েটা কি আসলেই এত সুন্দরী না কি।তার কাছেই এমন মনে হচ্ছে।দেখে মনে হয় আল্লাহ স্পেশালি তৈরি করেছে মেয়েটা কে।মেয়েটার কথাগুলো শুনলে পেট ফেটে হাসি পায়।তার উপর আবার অরিএান এর নতুন নাম দিয়েছে পরিএান। কথাটা ভেবেই হালকা হাসলো অরিএান। তার এমন হাসি দেখে আকাশ থেকে পড়লো রিমন।অনেক আগেই অরিএানের পাশে এসে বসে পরে তবে অরিএান ভাবনার জগৎ এ এতোই busy তার চারপাশে কি হচ্ছে তার কোনো খবর নাই।রিমন এত সময় ধরে সব খেয়াল করছিলো।এবার বলে উঠলো……………

রিমন:কিরে কার কথা ভাবা হচ্ছে??🤨

অরিএান:ফেড়িপরীর কথা।মেয়েটা অনেক বাছাল।(আন মনে কথা গুলো বলে উঠে)

রিমন:তাই নাকি।🤔মেয়েটা কিন্তু অনেক সুন্দর তাই না।

অরিত্রান :হুম অনেক(বলতেই তার হুশ আশে। পাশে তাকাতেই একটু অবাক হয়। নিজেকে সামলিয়ে বলে উঠে)তুই এখানে, কখন এলি।

রিমন:তুই যখন সুন্দরীর ভাবনায় বিভোর ছিলি(হালকা ধাক্কা দিয়ে)😊

অরিএান:what ravished.বেশি কথা বলা বন্ধ কর।(রাগী চোখে তাকিয়ে)

রিমন:না আমি এমনেই বলছিলাম আর কি।🙄আচ্ছা আজ তো তোর আমেরিকায় যাওয়ার কথা।private বিমান রেডি আছে। তুই কখন বের হবি পার্টি থেকে??

অরিএান :cancel .(দাড়াঁতে দাড়াঁতে বলে উঠে)

রিমন:what.মনে কি?😲(অবাক হয়ে,সাথে সাথে দাড়িয়ে বলে)

অরিএান :আমার মনে হয় তুই English বুঝতে পাড়ছ।

রিমন:কিন্তু কেনো তা তো বল।

অরিএান:আমার ইচ্ছা। ভিতরের কি অবস্থা। পার্টি কতদূর।

রিমন:জানি না। তোর পিছনে পিছনে যে আসলাম আর তো যাই নাই।(বিড়বিড় করে বলে উঠে)

অরিএান :এই কি বিড়বিড় করছ।

রিমন:বলছিলাম কি মেয়েটা সুন্দর না?(দাতঁ কেলিয়ে😁)

অরিএান :তুই আবার……(বলতে না দিয়ে)

রিমন:ভাবছিলাম প্রপোজ করমু।কি বলছ(😁😁😉😉)

অরিএান কিছু বলছে না।সে রাগে ফুলছে তাই রিমন আবার বলে উঠে……………

রিমন:আচ্ছা যা করমু না।তোর কি মেয়েটারে বেশি পছন্দ হইছে??আমাকে বল। আজই তোর বেড পার্টনার বানামু। 😶

অরিএান:রিমন বেশি হচ্ছে কিন্তু। 😡😡

রিমন:sorry sorry bro.

অরিএান আর কিছু না বলে ভিতরে চলে গেলো।রিমন তার যাওয়ার দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে কি যেনো ভাবলো।তারপর ও মিষ্টি মিষ্টি হাসতে হাসতে তার পিছনে পিছনে যেতে লাগলো।
ভিতরে গিয়ে কিছু লোকের সাথে কথা বলে আবার বসে পরে সেম্পিনের গ্লাস হাতে নিয়ে।কিছুক্ষণ পরেই মাদৌলি তার পাশে এসে বসে।সব মেয়েরা তাদের দিকে তাকিয়ে আছে।কারন কারও এখনও পর্যন্ত সাহস হয় নায় অরিএানের পাশে বসার। তবে মাদৌলিকে যে সবার থেকে সুন্দর আর আকর্ষণীয় লাগছে এটা সবার যানা আছে।প্রথমে সে লাল রং এর জামা পরলেও পরে অরিএানের সাথে মিলিয়ে কালো রং এর হাটুর উপরে একটি ওয়েস্টার্ন dress পড়েছে।সবার দৃষ্টি তার দিকে থাকলেও অরিএান তো তার দিকে ফিড়েও তাকায় না।পাশে বসে তারপর বলে উঠে…………

মাদৌলি :hello. ( হাসি হাসি মুখ করে)

অরিএান একবার ভ্রু কুঁচকে তাকিয়ে আবার সামনে তাকায়। যেনো সে কিছুই শুনতে পায়নি।তার এমন ভাব দেখে মাদৌলির প্রচুর রাগ হলো তাও নিজের রাগ দমন করে আবার বলে উঠে……..

মাদৌলি :আমাকে চিন্তে পড়ছেন??? অরিএান।

অরিএান নিজের নাম এর মুখে শুনে প্রচুর রেগে যায়। ওয়াসেনাত নামের মেয়েটাও তো তার নাম নিয়ে কথা বলেছে তখনতো এত রাগ লাগে নায় তবে এখন কেনো এত রাগ লাগছে। ভেবে পাচ্ছেনা সে।তোবুও কথা বলছে না।কারন তার এখন কথা বলতে ইচ্ছে করছেনা। মাদৌলি মনে হয় আজ শপথ করেছে অরিএানের সাথে কথা বলবেই। তাই আবার বলে উঠে……………….

মাদৌলি:যানেন কাল আমার আর ঘুম হয়নি।সুধু আপনার কথা মনে পরেছে।আপনার স্পর্শ গুলো আমাকে রাতে আর ঘুমাতে দেয় নাই।(কিছুটা লজ্জা লজ্জা ভাব নিয়ে)আপনার ও কি আমার ক……………………

অরিএান :অরিএান খান পতিতাদের কথা মনে রাখে না।যেখানকার জিনিষ সেখানেই ভুলে যায়। so i don’t know who are you????(ভয়ংকরী ভাবে রেগে কথা গুলো বলে উঠে সামনের দিকে হাটতে শুরু করে।)

ওয়াসেনাত তো রাগে ফেটে যাচ্ছে।তাকে পতিতা বলেছে।ভাবতে তার সব কিছু ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিতে ইচ্ছে করছে।তোবুও নিজের রাগ কন্ট্রোল করে সামনের টেবিলে ভুল করে রেখে যাওয়া মোবাইলটা হাতে নিয়ে অরিএানের পিছু পিছু যায়।তার সুধু একটাই চিন্তা যে কোরেই হোক অরিএান কে নিজের করা।

অরিএানের এখন কিছু ভাল লাগছে না।তার মন এবং মস্তিষ্ক জুড়ে ওই একটা মেয়েরই বসবাস।কিন্তু কেনো তা তার যানা নেই। তার উপর এই মেয়ের পালতু কথা, তার মন চেয়েছে ঠাটিয়ে কয়েকটা চর বসিয়ে দিতে।তবে এখন তার mood প্রচণ্ড খারাপ তাই এর সাথে কথা বলতে চাচ্ছে না।তাই নিজে থেকে চলে এসেছে। হঠাৎ কিছুর সাথে তার বুক ধাক্কা খায়।এমনেতেই তার মেজাজ খারাপ তার উপর আবার ধাক্কা।আর নিতে না পেড়ে সামনে থাকা ব্যক্তিকে টেনে ঠাসসসসস করে চর বসিয়ে দেয়।তারপরও কিছু বলতে নিভে তখনই সামনের ব্যক্তিকে দেখে অরিএান থমকে দাড়ায় কারন সামনে আর কেউ না ওয়াসেনাত গালে হাত দিয়ে তার নীলাভ চোখের ছলছল পানি নিয়ে দাড়িয়ে আছে।যা দেখে অরিএানের বুকে ধাকধাক করে উঠে।আসলে সব রাগ একসাথে মাথায় ভর করেছে তাই থাপ্পড়টা জড়েই পড়েছে। পুরো মুখ লাল টুকটুকে হয়ে গেছে মুহুর্তে।অরিএান কিছু বলতে যাবে তার আগেই মাদৌলি এসে হাজির।অরিএান ওয়াসেনাতের দিকে তাকিয়ে আছে।গভীর ভাবে দেখছে তাকে।একটা মেয়ে কে চোখের পানিতে এত সুন্দর লাগতে পারে এটা তার যানা ছিলো না।সে তো অনেক মেয়েকে তার জন্যে কাদঁতে দেখছে কই তখন তো এত কষ্ট হয় নাই তবে এখন কেনো হচ্ছে। আর ওয়াসেনাতের তো মাথা গরম হয়ে আছে।সামান্য ধাক্কার জন্যে তাকে এত জড়ে থাপ্পড় দিলো লোকটা।তার এখন খুব কান্না পাচ্ছে।তার ইচ্ছা করছে এই লোকের নামে থাপ্পড় মারার অপরাধে কেইস করতে।কিন্তু সে এমন কিছুই করতে পাড়ছে না।তাই তার ভ্যাঁ ভ্যাঁ করে কাদঁতে ইচ্ছে করছে।তার সব ইচ্ছেতে দুই বালতি পানি মেড়ে মাদৌলি অরিএানের মোবাইলটা তার দিকে এগিয়ে দিয়ে বলে উঠে……………….

মাদৌলি:এই স্টাফ আমাদের কয়েকটা ছবি তুলে দেও তো।(অরিএানের বাম হাতটা ধরে কথাটা বলে)

অরিএান এখনো ওয়াসেনাতের চোখের দিকে তাকিয়ে আছে।তাই তার আশেপাশে কি হচ্ছে সেদিকে তার খবর নায়।ওয়াসেনাত মোবাইলটা নেয় তবে তাদের কোনো ছবি তোলে না। সে চোখের পানি ভালো করে মুছে মনের মত নিজের কয়েকটা সেলফি তুলে নেয় 😁😁।হিহি তার ধারনা একদম ঠিক কাজ করেছে সে।একে তো তাকে থাপ্পড় দিছে। আবার বেটার gf কয় ছবি তুলে দিতে।(ওয়াসেনাত ভেবেছে মাদৌলি অরিএানের gf। আর মোবাইলটা যে আরিত্রানের তাও সে যানে না)

ওয়াসেনাত:কচু দিমু তোরে শয়তান মাইয়া। আমি কি তোর ভাড়া করা photographer? যে তুই কইলি আর ছবি তুলে দিমু। হুম..দিমু না।আহারে বেচারি 😁😁by the রাস্তা আমার ছবি গুলা কত সুন্দর আসছে শালির মোবাইলে।এখন নিমু কেমনে তার উপর I phone 😣 নিতে পারমুনা। থাক delete করে দি।(মনে মনে কথা গুলো বলছে)

যেই না delet করতে যাবে তার আগেই অরিএান নিজের মোবাইলটা নিয়ে নেয়।ওয়াসেনাত তো ভোঁ দৌড়।তারে আর পায় কে।অরিএান প্রচণ্ড রেগে মাদৌলির হাত ঝাড়া দেয় আজ এই মেয়ের জন্যে সে ওয়াসেনাতের গায়ে হাত তুলেছে।ভাবতেই তার মাথাটা গরম হয়ে যাচ্ছে। নিজেকে কন্ট্রোল করে সে ওয়াসেনাতের কাছে যেতে লাগে কিন্তু তার আগেই চারিপাশে গান বেজে উঠে আর মাদৌলি অরিএানকে ধরে নাচতে শুরু করে। যেই না অরিএানের বুকের বা পাশটায় হাত দিতে যাবে তার আগেই অরিএান ঠাসসসসসস,ঠাসসসসসস করে দুটি চর বসিয়ে দেয় তার গালে।চারিপাশে গানের সাউন্ড হলেও তাদের দিকে সকলেরই দৃষ্টি ছিলো তাই সম্পর্ন পার্টি সুনসান নিরব হয়ে গেছে।অরিএান সেদিকে লক্ষ না করে।মাদৌলিকে ধাক্কা দিয়ে সামনে থেকে সরিয়ে বাহিরে চলে যায়।আর মাদৌলি তো রাগের সপ্তম আকাশে আছে।তার বাবা দৌড়ে আসে তার কাছে।রিমন বেপারটা অনেকটাই বুঝতে পেড়েছে। তাই পার্টি সমাপ্ত ঘোষনা করে সেও বাহিরে চলে আসে।আর মাদৌলি তো সেখানেই দাড়িঁয়ে আছে…………💖

[💖”””বাকিটা পরের পর্বে জানানো হবে””💖]
নায়িকার নাম নিয়ে একজনে বলেছে তার ভাল লাগে না।সবার কি একি মতামত তা যানাবেন।আসলে নামটা ইরানি নাম। ওয়াসেনাত নামের অর্থ সৌন্দর্য্যে মণ্ডিত। এখানে মণ্ডিত মানে ভিতর এবং বাহিরে দুটি দিকের সৌন্দর্য্যের কথা বলা হয়েছে।আর আমি নায়িকার মধ্যে দুটি গুনই দেওয়া চেষ্টা করবো।তাই এই নাম দেওয়া।তারপরও আপনাদের ভালো না লাগলে change করবো।যদি বেশি পাঠকের ভাল না লাগে।💞💞ভুল গুলো মহান আল্লাহর দেওয়া গুনের মাধ্যমে ক্ষমার চোখে দেখবেন।💞💞

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।