১৬ বছর বয়স

১৬ বছর বয়স - এর সবগুলো পর্ব একসাথে

পর্ব – ১

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ১

দরজা খুলে শাওন রুমে ঢুকতেই আমার ভয় লাগতে শুরু হলো। লাগাটাই স্বাভাবিক। কারন কয়েকদিন আগেই আমি আমার বান্ধবীর ফুলসজ্জার গল্প শুনেছিলাম। ওর বিয়ে মাত্র ১০ দিন আগে হয়েছে। ওর বছস ১৫ বছর। আমার চেয়ে ও ১ বছরের ছোটো। ওর নাম তমা।

পর্ব – ২

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ২

(গত রাতের ঘটনা) – ” ছাড়ুন আমাকে। লাগছে আমার।” শাওন ওর আঙুল দিয়ে আমার ঠোঁটের লিপস্টিক মুছে দিল। আমি ওনাকে ধাক্কা দেবার চেষ্টা করে বললাম, “শাওন দা প্লিজ ছাড়ুন আমাকে।” *শাওন দা* কথাটা শুনা মাত্র শাওনের খেয়াল হলো যে এটা সুইটি না।

পর্ব – ৩

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ৩

শাওন দরজা ঠেলে রুমে ঢুকল। আমি তাকালাম। শাওনকে দেখে আমি সাথে সাথে মুখ ঘুরিয়ে নিলাম। উনি এখানে কেন! আমার কি ওনার সাথে এক রুমে থাকতে হবে এই ৭ দিন? শাওন এসে টেবিল ল্যাম্প এর পাস থেকে ওর ফোন টা নিয়ে আবার বেরিয়ে গেলে।

পর্ব – ৪

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ৪

দেখুন আমি কিন্তু চিৎকার করব, ছাড়ুন আমার হাত। “করো চিৎকার।” শাওন শান্তভাবে তীক্ষ্ণ চোখে তাকিয়ে বলল। আমি হাত ছাড়ানোর জন্য চেষ্টা করে বললাম, লাগছে আমার ছাড়ুন আমাকে। “কী মনে করো তুমি আমাকে?” শাওন বলল। তারপর এক ঝটকায় আমার হাত ছেড়ে দিল।

পর্ব – ৫

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ৫

শাওন আমার কাছে ঝুকে রাগী চোখে তাকিয়ে বলল, “সুবিধার না হলে কি হতে পারে সেটা আজ আমি তোমাকে দেখাব।” উনি কাছে আসতেই আমার শরীর কাপতে লাগল। আমি পিছাতে যাব এমন সময় উনি হাত ধরে আমাকে বিছানা থেকে টেনে নামালেন। কি করছেন আপনি?

পর্ব – ৬

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ৬

পিছাতে পিছাতে দেয়ালে পিট ঠেকে গেল আমার। উনি আমার অনেক কাছাকাছি চলে এসেছেন। আমি পাশ কাটিয়ে চলে যেতে চাইলাম সাথে সাথে উনি বা হাত দেয়ালে রেখে আমাকে আটকে দিলেন। উনি গম্ভীর মুখে তাকিয়ে আছেন আমার দিকে।

পর্ব – ৭

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ৭

“….আপনি অনেক ভারী।” আমি চোখ ছোট ছোট করে অভিযোগের সুরে বললাম। শাওন আমার কাছ থেকে সরে উঠে দাড়িয়ে কপাল কুচকে আমার দিকে তাকালো। আমিও উঠে বসলাম। শাওন কিছু বলতে যাবে এমন সময় ওর ফোন বেজে উঠল। – হ্যা সুমনা। আমি আড় চোখে তাকালাম।

পর্ব – ৮

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ৮

শাওন নিজের রুম থেকে কারো সাথে ফোনে কথা বলতে বলতে বেরিয়ে এলো। আজ সে সাদা শার্ট আর কালো প্যান্ট এর সাথে কালো টাই আর কালো জুতা পরেছে। সাথে হাতে নেভি ব্লু কোট টা ভাজ করে রাখা।

পর্ব – ৯

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ৯

আমি অবাক হয়ে ওনার দিকে তাকালাম আর মনে মনে বললাম, “ও..ওনার পালা মানে? উনি কি সত্যিই আমাকে কামড় দিবেন? এখন কি করব আমি। মিলা জলদি কিছু ভাব।” তারপর ভয়ে ভয়ে বললাম, “দেখুন আমি… ” উনি আমার কথায় কোনো উওর দিলেন না।

পর্ব – ১০

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ১০

“এত জলদি কিসের! শো ত মাত্র শুরু!” বলেই শাওন হেটে এগিয়ে আসতে লাগল। আমার সামনের ছেলেটাও রেগে শাওনের দিকে এগিয়ে গেল। কিন্তু পরে তার আর খবর পাওয়া গেল না। কারন এক ঘুষিতে ভয়ে সে কাচুমাচু হয়ে ফ্লোরে পরে আছে।

পর্ব – ১১

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ১১

পুরো রুমে এই রাত ২ টার সময় আলো জ্বলছে। আমি শাওনের বিছানায় বিরক্তির সাথে বসে আছি। শুধুমাত্র বলেছিলাম, “আমি আপনার সাথে ঘুমাব!” উনি মনে করেছে আমরা একসাথে ঘুমাব। তাই বলে দিলেন, “impossible.” হুহ আমি যেন বসে আছি ওনার সাথে ঘুমানোর জন্য।

পর্ব – ১২

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ১২

শাওন আমার পাশে এসে দাড়িয়ে আমার কপালে হাত দিল। সাথে সাথে আমি ছিটকে দূরে সরে গেলাম আর গায়ে চাদর টেনে নিয়ে বললাম,”টাচ করবেন না একদম আমাকে।” শাওনকে দেখে মনে হলো না যে ও আমার কথায় পাত্তা দিল।

পর্ব – ১৩

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ১৩

আমি ওনার দিকে তাকিয়ে রেগে জোরেই বলে উঠলাম,”কাল রাতে আপনি আমার সাথে কি করেছেন?” উনি থমকে দাঁড়িয়ে ঘুরে আমার দিকে তাকালেন। আমি আরো বললাম, “আপনি সত্যিই অনেক খারাপ৷ আপনি অসভ্য আর অমানুষ।” একটু থেমে বললাম,”কি হলো এখন চুপ করে আছেন কেন?”

পর্ব – ১৪

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ১৪

শাওন আরো কাছে আসতেই আমি চোখ বন্ধ করে শাওনের বাহু খামছে ধরে এক শ্বাসে বলে ফেললাম,”কারন আমি মনে করেছিলাম আপনি আমার শাড়ি খুলেছেন।” “What?” বলেই শাওন আমার ঘাড়ের নিচ থেকে হাত টা সরিয়ে নিল। আর আমি সাথে সাথে সোফার হেন্ডেলে বারি খেলাম।

পর্ব – ১৫

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ১৫

আমি ড্রয়ারটা আস্তে করে বন্ধ করে উঠে দাঁড়াতেই শাওন আমার এক হাত ধরে টান দিয়ে আমাকে বিছানায় নিয়ে এলো। আর আমার দুই হাত বিছানার সাথে চেপে ধরল। আমি চোখ বড়সড় করে তাকিয়ে বললাম আ… আপনি… ঘু…ঘু…ঘুমান নি!” “এত রাতে আমার রুমে কি করছ?”

পর্ব – ১৬

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ১৬

আমি ভয়ে একটা ঢোক গিয়ে বললাম,”আপনাকে আপনার মায়ের দিব্যি একদম ফেলবেন না।” শাওন ভ্রুকুচকে বলল,”what!” আমি এদিক ওদিক তাকিয়ে বললাম, আমাকে নামান।

পর্ব – ১৭

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ১৭

সুইটি অনেক রাগ আর ক্ষোভ নিয়ে আমার দিকে এমন ভাবে তাকিয়ে আছে যেন আমাকে কাচা চিবিয়ে খেয়ে নিবে। মেয়েটাকে সুন্দর মনে করেছিলাম। কিন্তু এখন মোটেও তা মনে হচ্ছে না। সুইটি দাতে দাত চিপে বলল, How dare you?!

পর্ব – ১৮

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ১৮

শাওন আমার দিকে এগিয়ে এসে আমার হাত ধরে টান দিতেই আমি মাঝখানে বসে থাকা স্নোবেলের সাথে পায়ে বেধে ব্যালেন্স হারিয়ে ফেললাম। কারন স্নোবেলের গায়ে যেন পা না লাগে সেই ভাবে পা ফেলতে গিয়েই শাওনের বুকে এসে পরলাম।

পর্ব – ১৯

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ১৯

আমি মনে মনে বললাম, ওনাকে কি প্রশ্ন করব আমরা একা কেন! শাওন উঠে দাড়ালো আর বলল, নামো। বলেই শাওন গাড়ি থেকে নেমে গেল। আমি ভ্রুকুচকে আশেপাশের সীট গুলার দিকে আর একবার তাকিয়ে দেখলাম। সত্যিই কেউ নেই। তারপর বাস থেকে নামলাম। অহো! সবাই নেমে দাঁড়িয়ে আছে।

পর্ব – ২০

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ২০

আজ অনেক দেরি করে শাওনের ঘুম ভাঙলো। হালকা চোখ খুলে সামনের বারান্দার দিকে তাকালো। সকালের ঝলমলে রোদ এসে রুমের মধ্যে ঢুকেছে আর হালকা বাতাসে দরজার কাছের লাল পর্দাটা উড়ছে।

পর্ব – ২১ (ফার্স্ট কিস)

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ২১ (ফার্স্ট কিস)

“কি করছেন আপনি? অসভ্য লোক একটা!” শাওন ভ্রুকুচকে তাকিয়ে বলল, হোয়াট! “বুঝতে পারছেন না! হোয়াট হোয়াট করছেন কেন? কি করতে যাচ্ছিলেন আপনি?” “ঠিক করছিলাম আমি ওটা।” শাওন ভ্রুকুচকে বলল। “মানে?” আমি প্রশ্ন সূচক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলাম।

পর্ব – ২২ (অনুভব)

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ২২ (অনুভব)

যখন চোখ খুললাম তখন সকাল হয়েছে। আমার গায়ে একটা কম্বল দেওয়া। যদিও আমি ঘামছি। মাথা হালকা ব্যথা এখনো। আমি ঘাড় ঘুরিয়ে পাশে তাকালাম। শাওন ফ্লোরে বসে থেকে বিছানায় দুই হাতের উপর মাথা রেখে ঘুমাচ্ছে।

পর্ব – ২৩ (Strange feelings)

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ২৩ (Strange feelings)

আমি পিছন ফিরে তাকালাম। দরজার হুকের সাথে ওড়নাটা বেধে গেছে। শাওন আমার দিকে ঘুরে তাকালো। আমিও শাওনের দিকে তাকালাম তারপর চোখ নামিয়ে নিলাম। আর ওড়নাটা জলদি করে টান দিয়ে ছাড়িয়ে নিলাম। তারপর বের হয়ে এলাম। পিশামনি বলল, রেডি? আমি হ্যাঁ সূচক মাথা নাড়লাম।

পর্ব – ২৪ (I am here now)

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ২৪ (I am here now)

শাওন আমাকে বাহু ধরে ওর আরো কাছে নিয়ে এসে কড়া চোখে তাকিয়ে বলল, কে করেছে? সাথে সাথে স্নোবেল আবার আমার দিকে তাকিয়ে ঘেউঘেউ করে উঠল। অর্থাৎ সেও জানতে চায় কে করেছে।

পর্ব – ২৫ (কত নম্বর বিপদ সংকেত)

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ২৫ (কত নম্বর বিপদ সংকেত)

সকালে যখন ঘুম ভাঙলো তখন বুঝলাম যে আমি শাওনের সাথে একই বালিশে শুয়ে শাওনকে জড়িয়ে ধরে আছি। সাথে সাথে চোখ বড়সড় করে মুখ তুলে শাওনের দিকে তাকালাম। উনিও আমার চোখের দিকে তাকালেন। আমি ফট করে ছেড়ে দিয়ে উঠে বসলাম আর অন্যদিকে তাকিয়ে চিন্তা করতে লাগলাম,

পর্ব – ২৬ (হাত ধরা)

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ২৬ (হাত ধরা)

শাওন আমার কাছে আরো এগিয়ে এসে বলল,”ওকে, আসো দেখাচ্ছি আমি কি?” আমি এবার ভয়ে অনেক কাপতে লাগলাম। শাওন আমাকে এভাবে কাপতে দেখে আমার দুই বাহু ধরে বলল, Are you ok?

পর্ব – ২৭

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ২৭

এটুকু বলেই আমি শাওনের পাশ কাটিয়ে চলে যেতে লাগলাম।আর সাথে সাথে শাওন আমার এক হাত ধরে টেনে ওর কাছে নিয়ে আসলো। আমি চোখ বড়সড় করে শাওনের দিকে তাকালাম। শাওন শক্ত চোখে তাকিয়ে বলল, আমাকে ধন্যবাদ দেওয়ার কিছুই হয়নি। আর আমি এখানে তোমার জন্য আসিনি।

পর্ব – ২৮ (মেবি এ কিস?)

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ২৮ (মেবি এ কিস?)

পাগলের মত হাসছ কেনো? শাওন ভ্রুকুচকে বলল। আমি কোনো কথা বললাম না। শাওন একটা নিঃশ্বাস ফেলে বলল, তুমি আমার শার্ট ভিজাচ্ছ। অহ তাই ত। আমার এবার খেয়াল হলো। আমি তাড়াতাড়ি সরে দাড়িয়ে ওনার শার্টের দিকে তাকালাম। ভালই ভিজিয়ে দিয়েছি। শাওন বিরক্তির সাথে আমার দিকে তাকালো

পর্ব – ২৯

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ২৯

গাড়িতে বসে আমি আড় চোখে শাওনের দিকে তাকালাম। উনি সামনের দিকে তাকিয়ে নিজের সীট বেল্ট পরে নিলেন। তারপর গাড়ি স্টার্ট দিলেন। আমি স্নোবেলের মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে জালানার বাহিরে তাকিয়ে রইলাম। গাড়ির মধ্যে বিরাজ করছে অনেক নিস্তব্ধতা। অনেকক্ষণ পর আমি নিস্তব্ধতা ভেঙে বলতে লাগলাম,”আপনি কি…”

পর্ব – ৩০ (Worth it)

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ৩০ (Worth it)

দরজার কাছে তাকাতেই দেখলাম দরজা বন্ধ করা। এটার কি মানে? আর উনি এত যে ঘুমাচ্ছেন! উনি কি আজ অফিস যাবেন না, নাকি? আমি শাওনের কাধে হাত দিয়ে নাড়িয়ে বললাম, “এইযে শুনছেন! উঠুন এখন আর আমার ওড়নাটা দয়া করে ছাড়ুন।”

পর্ব – ৩১ (A cup of tea)

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ৩১ (A cup of tea)

“আমি কাছে আসলে এত কাপাকাপি শুরু করো কিসের জন্য! আমি কি তোমাকে খেয়ে ফেলব নাকি?” আমি ঢোক গিলে বললাম, এ.. এ… একটু দূ…দূরে সরে ক…থা বলেন। শাওন ভ্রুকুচকে আমার দিকে তাকিয়ে সরে গেল।তারপর দরজা খুলে চলে গেল।

পর্ব – ৩২ (আপনি পছন্দ করেন আমাকে?)

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ৩২ (আপনি পছন্দ করেন আমাকে?)

“আমি জানি তুমি শাওনের সাথে ভাল নেই। তাই প্লিজ তুমি শাওনকে ছেড়ে দেও, I will marry you and believe me, you will be happy with me.” সৌরভ বলে উঠল। শাওন অতিরিক্ত রেগে নিজের ফোন কান থেকে নামিয়ে আবার কানে দিলো। মিটিং এর সবাই শাওনের দিকে হা করে তাকিয়ে রইল।

পর্ব – ৩৩

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ৩৩

“কুমড়ো তোমার এত পছন্দ?” পিছন থেকে একটা চেনা আওয়াজ ভেসে আসলো। আমি ঘাড় ঘুরিয়ে তাকালাম। পলক হাসিমুখে দাঁড়িয়ে আছে। আমি এদিক ওদিক তাকিয়ে মুখ ঘুরিয়ে নিলাম। তারপর জলদি চোখ মুছে নিলাম। পলক আমার সামনে এসে বসে বলল, কি হয়েছে? আমি অপ্রস্তুত হয়ে বললাম, মা…মানে?

পর্ব – ৩৪ (Shawon is acting strange)

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ৩৪ (Shawon is acting strange)

আমি নিজের ঠোঁট কামড়ে ধরে চোখ বন্ধ করে নিলাম। শাওন মুখ সরিয়ে নিয়ে আবার আমার দিকে তাকালো। আমি আস্তে আস্তে চোখ খুললাম কিন্তু চোখ নামিয়ে রাখলাম। ওনার দিকে তাকালাম না। বরং এখন আমার শরীর রীতিমতো কাপছে।

পর্ব – ৩৫

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ৩৫

আমি চোখ বড়সড় করে তাকিয়ে বিছানা থেকে নামতে চাইলাম। কিন্তু শাওন আমার দুই হাত নিয়ে আমাকে বিছানার সাথে চেপে ধরল। আমি ভয়ে রীতিমতো হাপাচ্ছি। উনি সাথে সাথে আমার গলায় মুখ ডুবিয়ে দিয়ে কিস করলেন। আমি চমকে বলে উঠলাম, কি করছেন আপনি! সারা শরীর শিউরে উঠল

পর্ব – ৩৬ (সব প্রশ্নের উত্তর)

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ৩৬ (সব প্রশ্নের উত্তর)

আমি থমকে গেলাম আর স্থিরভাবে দাঁড়িয়ে রইলাম। ‘ও কি আমাকে মেরে ফেলতে চাচ্ছে!’ আমি চোখমুখ শক্ত করে বন্ধ করে নিলাম। কিন্তু সুইটি আমার একদম সামনে এসে ব্রেক কষে থেমে গেল।

পর্ব – ৩৭ (ভালোবাসি বলেই ভালোবাসি বলিনা)

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ৩৭ (ভালোবাসি বলেই ভালোবাসি বলিনা)

“এখন ঘুমাবো আমি। লাইট অফ করো।” বলেই শাওন নিজের ল্যাপটপ বন্ধ করে রেখে বিছানায় শুয়ে পরলো। আমি হা হয়েই রইলাম। শাওন এক টান দিয়ে আমাকে শুইয়ে দিয়ে আমার পাশে থাকা লাইটের সুইচ অফ করে দিল। আমি বলে উঠলাম, আমার আরো প্রশ্ন আছে।

পর্ব – ৩৮ (আবার ফুলসজ্জা)

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ৩৮ (আবার ফুলসজ্জা)

শাওন বলল, “দুইদিনের মধ্যে কিভাবে বাচ্চা হবে? আমি ত এখনো কিছুই করি নি?” আমি ওনাকে ঠেলে সরিয়ে দিয়ে চলে যেতে লাগলাম কিন্তু উনি আমার হাত ধরে নিলেন। আমি দ্বিধায় পরে গেলাম আর ওনার দিকে ঘুরলাম। উনি সত্যিই অনেক জ্বালাচ্ছেন আমাকে।

পর্ব – ৩৯ (পরিশোধ)

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ৩৯ (পরিশোধ)

সকালে আগে আমার ঘুম ভাঙলো। শাওন আজও আমাকে পিছন থেকে কোমড় জড়িয়ে ধরে আছে। আমি হালকা ঘাড় ঘুরিয়ে ওনার দিকে তাকালাম। উনি এখনো ঘুমাচ্ছেন।আমি ওনার হাতটা আস্তে করে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করতেই উনি নড়েচড়ে আমার আরো কাছে চলে আসলেন আর সেভাবেই ধরে রইলেন।

পর্ব – ৪০

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ৪০

“তোরা এতসময় কোথায় ছিলি?” জিজ্ঞেস করল পিশিমনি। আমি কিছু না বলে শুধু হাসলাম। “মিলা এত জলদি পেলো কি করে তোমাকে? তুমি নিশ্চয়ই দরজা ধাক্কিয়েছ!” চোখ পাকিয়ে বলল নিপা।

পর্ব – ৪১ (অভিমান)

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ৪১ (অভিমান)

“আপনার আমাকে নিয়ে চিন্তা করতে হবে না।আপনি যান আপনার গুরুত্বপূর্ণ কাজে। এক মাস কেনো এক বছর কাটিয়ে আসুন।” রেগে বললাম আমি। “ওকে। যাব আমি।” শক্ত মুখ করে বলল শাওন। আমি থমকে গেলাম। শাওন বের হয়ে চলে গেল। উনি কি সত্যিই যাবেন নাকি?

পর্ব – ৪২ (এতটা ভালোবাসেন!)

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ৪২ (এতটা ভালোবাসেন!)

খাওয়া শেষ করে আমরা রুমে চলে এলাম। কিন্তু আমি এখনি ঘুমাতে চাচ্ছি না। বরং আজ আমি গল্প করতে চাই। আমি বালিশে হেলান দিয়ে বসলাম। উনি বিছানায় বসতে বসতে ভ্রুকুচকে তাকিয়ে বললেন, আজও কি আবার সেই প্রশ্ন উওর চলবে?

পর্ব – ৪৩ (50 Shades of Blue)

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ৪৩ (50 Shades of Blue)

মাত্র কয়েকদিন আগেই ত আমরা দুইজন দুইজনকে সহ্য করতে পারতাম না। আর এখন দুইজন দুইজনকে ছাড়া থাকতে পারিনা। সময়ের ব্যবধানে কতটা পরিবর্তন এসে গেছে! ভেবেই অবাক লাগে। আমি ওনাকে পেয়ে সত্যিই অনেক খুশি। কারণ আমি ওনার মত একজনকে পেয়েছি।

পর্ব – ৪৪ | সর্বশেষ পর্ব (অতিথি)

১৬ বছর বয়স | পর্ব – ৪৪ | সর্বশেষ পর্ব (অতিথি)

দিন ত ভালই যাচ্ছিল কিন্তু সমস্যা হয়ে গেল একটা ছোট্ট মেসেজের কারণে। আমি সেদিন সোফায় পা তুলে বসে আচার খাচ্ছিলাম আর টিভি দেখছিলাম। হঠাৎই শাওন আমার সামনে এসে দাড়ালো। আমি চোখ মুখ কুচকে ওনার দিকে তাকালাম আর বললাম, “উফ সরুন ত। ওগি শেষ হয়ে যাচ্ছে।”