
আমি পদ্মজা
অলন্দপুরের এক অদ্ভুত রূপবতী তরুণী পদ্মজা, যার ভাগ্য জড়িয়ে যায় হাওলাদার বাড়ির দুশো বছরের নারকীয় রহস্যের সাথে। ভালোবাসা, প্রতারণা আর রক্তের হোলিখেলার মাঝে এক নারীর বুকভাঙা লড়াইয়ের চরম পরিণতি কী হতে পারে?
উপন্যাসটির সকল ৯১টি পর্ব সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। পাঠকবৃন্দ সম্পূর্ণ উপন্যাসটি অনলাইনে বিনামূল্যে পড়তে পারবেন।
গল্পের বিশেষত্ব ও হাইলাইটস
পাতালপুরীর রুদ্ধশ্বাস রহস্য
অভিজাত পরিবারের আড়ালে বহু বছর ধরে গড়ে ওঠা পৈশাচিক অপরাধ জগতের রোমহর্ষক উন্মোচন।
প্রতিবাদী নারীশক্তির জাগরণ
অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করে চরম বিপর্যয়ের মুখেও ন্যায়বিচারের পক্ষে দাঁড়ানোর নির্ভীক লড়াই।
ট্র্যাজিক প্রেমের উপাখ্যান
তীব্র ভালোবাসা আর ক্ষমার অতীত অপরাধের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে এক যুগল হৃদয়ের রক্তক্ষরণ।
প্রধান চরিত্রসমূহ
6পদ্মজা
কেন্দ্রীয় চরিত্র (Protagonist)অসামান্য রূপের অধিকারিণী, আত্মমর্যাদাসম্পন্ন ও ন্যায়পরায়ণ তরুণী। গভীর প্রতিকূলতার মুখেও আপসহীন এক প্রতিবাদী চরিত্র।
আমির হাওলাদার
নায়ক ও অ্যান্টি-হিরো (Male Lead)হাওলাদার পরিবারের প্রবল প্রতাপশালী ব্যক্তিত্ব। পদ্মজার প্রেমে অন্ধ অথচ নিজস্ব অন্ধকার পাপের আবর্তে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়ানো।
হেমলতা
পদ্মজার মাবীর মুক্তিযোদ্ধা ও কঠোর অনুশাসনে মেয়েদের বড় করা সাহসী নারী, যার অতীত জুড়ে ছিল নীরব ক্ষত ও গভীর আত্মত্যাগ।
পূর্ণা
পদ্মজার মেজো বোনচঞ্চল, আবেগপ্রবণ ও বোনের প্রতি অন্ধ অনুরাগে নিবেদিতপ্রাণ এক মায়াবতী কিশোরী।
মৃদুল
সহকারী চরিত্রঅহংকারী ও তেজস্বী স্বভাবের যুবক, পূর্ণার প্রেমে যার চঞ্চল হৃদয় উন্মাদ হয়ে ওঠে।
লিখন শাহ
চিত্রনায়কজনপ্রিয় অভিনেতা, যে পদ্মজার পবিত্র রূপের মোহে আজীবন একতরফা ভালোবাসার বহ্নিশিখায় পুড়েছে।
সূচিপত্র ও সিজনসমূহ
91 টি অধ্যায়
প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড: সূচনা, অন্ধকার ও রক্তিম মুক্তি
পদ্মজার শান্ত গ্রামীণ কৈশোর থেকে শুরু করে হাওলাদার বংশের পাতালপুরীর নারকীয় রহস্য উন্মোচন ও আত্মত্যাগের রক্তক্ষয়ী আখ্যান।
মৌনতার আড়ালে অতীত
রিমান্ডের নির্মম নির্যাতনেও নীরব এক পাথরপ্রতিম তরুণী, যার পরিচয় জানতে গিয়ে চমকে ওঠে পুলিশ। ১৯৮৯ সালের আটপাড়ায় মা হেমলতার কড়া শাসনে বড় হওয়া পদ্মজার জীবনে হঠাৎ কেন নেমে আসে সৎ মামা হানিফের ভয়ার্ত ছায়া?
শৈশবের দুঃসহ ক্ষত
অসুস্থ বাবার আকস্মিক ফেরা আর নিশুতি রাতের নীরবতায় মায়ের কাছে উন্মোচিত হয় পদ্মজার ছোটবেলার এক নারকীয় সত্য। পায়ের তালুর পুরোনো পোড়া দাগের রহস্য শুনে হেমলতার চোখে কেন জ্বলে ওঠে প্রতিশোধের আগুন?
খুনের ছায়া ও সিনেমার আগমন
সকালে নদীতে ভেসে ওঠে হানিফের ক্ষতবিক্ষত লাশ, অথচ মা হেমলতার শীতল চোখের ভাষা বুঝতে পারে না পদ্মজা। এই আতঙ্কের মাঝেই গ্রামে আগমন ঘটে চিত্রনায়ক লিখন শাহর, যা বদলে দিতে চলেছে সবার নিয়তি?
রূপের অভিশাপ ও অজানা আশঙ্কা
পদ্মজার রূপ নিয়ে ঘরে ঘরে পাত্রপক্ষের কানাঘুষা আর বাবার কটূক্তি হেমলতার বুকে জন্ম দেয় ঘোর অন্ধকার ভয়। এরই মাঝে মাতব্বর বাড়ির শুটিং দলকে মোড়ল বাড়িতে জায়গা দিলে পরিস্থিতি কোন বাঁক নেয়?
লাহাড়ি ঘরের নীরব কান্না
লাহাড়ি ঘরে এক কোণে বন্দি জীবন আর বাবার ছুঁড়ে ফেলা ভাতের থালার অপমানে ভেঙে পড়ে পদ্মজা। মা যখন শক্ত হওয়ার অমোঘ দীক্ষা দেন, তখন ঘাটে অচেনা সুরে গান শুনে কেন লজ্জা পায় তার হৃদয়?
টিনের ছিদ্রে প্রথম দর্শন
ঝড়ের রাতে পথ ভেঙে যাওয়ায় শুটিং দলের সামনে পড়তে হয় পদ্মজাকে। সবজি তোলার অছিলায় লিখন শাহর সাথে প্রথম মুখোমুখি হওয়া আর টিনের ছিদ্রে উঁকি দিতে গিয়ে ধরা পড়ার চরম অস্বস্তি কোথায় গড়ায়?
রাজরানীর রূপ ও অচেনা পদধ্বনি
লাহাড়ি ঘরের জানালায় বসে পদ্মজার মুখে নিজের রূপের অনন্য বর্ণনা শুনে নীরবে চোখের জল ফেলেন কালো রঙের কারণে আজীবন অবহেলিত হেমলতা। কিন্তু গভীর রাতে লাহাড়ি ঘরের পাশে কার অশুভ পায়ের আওয়াজ শোনা গেল?
কাদার বুকে পদস্খলন
বৃষ্টিভেজা রাস্তায় কাদায় পড়ে পূর্ণার পা মচকে যায়, আর ঠিক তখনই দেবদূতের মতো এসে হাজির হয় লিখন শাহ ও চিত্রা। এদিকে মুন্নার বাপের খুনের খবরে গ্রাম যখন স্তব্ধ, তখন মধ্যরাতে কে আঘাত পেল হেমলতার হাতে?
বিদায়বেলায় গোপন চিঠি
মধ্যরাতে হাতেনাতে ধরা পড়া ডিরেক্টরকে বাড়ি ছাড়ার চরম নির্দেশ দেন হেমলতা। শুটিং দলের বিদায়লগ্নে কড়া নজরদারি এড়িয়ে পদ্মজার হাতে আচমকা এক গোপন চিঠি গুঁজে দেয় কে?
কাগজের ভাঁজে প্রেমপত্র
হেমলতার জেরা থেকে বাঁচতে পূর্ণার মিথ্যা বলা এবং গোপনে পড়া লিখনের হৃদয়ের আকুলতাভরা চিঠি পদ্মজার কিশোরী মনকে দেয় দোলা। কিন্তু পদ্মজা কি পারবে এই নিষিদ্ধ প্রণয়ের জবাব দিতে?
পাঠকদের পছন্দের বই
পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই
কুয়াশা ঘেরা অনুভূতির টান
চার মাস পর মাঘের শীতে বাবার আনা সোয়েটার পেয়ে পদ্মজার চোখ ভেজে। হঠাৎ স্কুলের পথে আবার লিখনের আগমন দেখে কেন কেঁপে ওঠে পদ্মজার বুক? সে কি পালাবে নাকি ফিরে তাকাবে?
কুয়াশার চাদরে চিঠির উত্তর
লিখনের দ্বিতীয় চিঠির উত্তর লিখতে গিয়ে নিজের মনকে সংবরণ করে এক লাইনের সিদ্ধান্ত জানায় পদ্মজা। ১৯৯৬ সালে ইন্সপেক্টর তুষারের জেরায় কেন পদ্মজা নিজের মাকেই বিশ্বাসঘাতক বলে আর্তনাদ করে উঠল?
পিতার স্নেহ ও অচেনা নগরী
প্রান্তকে আঘাত করায় বাবার চণ্ড রূপ দেখে অবাক হয় পদ্মজা। মেট্রিক পরীক্ষা দিতে মা-মেয়ে পাড়ি জমায় শহরে সিংহাসনকুঞ্জে, কিন্তু পরীক্ষার আগের রাতে মায়ের কাছে কীসের সত্য জানতে চাইল পদ্মজা?
ময়ূর সিংহাসন ও মায়ের অতীত
সিংহাসনকুঞ্জের ছাদে জোছনা রাতে রানীর আসনে বসেন হেমলতা, শোনান পদ্মজার জন্মের বিষাদগাথা আর নিজের মামাকে খুনের রোমহর্ষক স্বীকারোক্তি। ঠিক সেই মুহূর্তে সিঁড়িতে কার অচেনা পদধ্বনি ভেসে আসে?
ঝড়ের রাতে অচেনা অতিথি
মুহিবের বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে গ্রামে ফেরা, অথচ ঝড়বৃষ্টির রাতে ফাঁকা মোড়ল বাড়িতে ঢুকে পড়ে অচেনা এক পুরুষ। ম্যাচের কাঠির আলোয় দীপ্ত সেই চোখজোড়া কার? কে এই আমির হাওলাদার?
অপবাদের বিষাক্ত ছোবল
ঝড় থামার আগেই মোড়ল বাড়ি ঘিরে ফেলে গ্রামবাসী। নির্দোষ পদ্মজাকে ঘর থেকে টেনে বের করে শুরু হয় কুৎসিত অপবাদ আর শারীরিক হেনস্তা। আমির কি পারবে এই অন্ধ উন্মাদনা রুখতে?
অপমানের আগুনে রক্তক্ষরণ
বোনের সম্ভ্রম রক্ষায় পূর্ণা ও পদ্মজার মরিয়া লড়াই, অথচ অমানুষদের হাত থেকে রেহাই মেলে না। কাদার মাঝে রক্তাক্ত মেয়েকে দেখে বুকফাটা চিৎকারে ছুটে আসেন হেমলতা; এরপর কী সিদ্ধান্ত নেবেন মাতব্বর?
রক্তের অভিষেক ও সালিশের রায়
মাঝরাতে রাম দা হাতে প্রতিশোধ নিয়ে ভোরে দুই মেয়ের পায়ে রক্ত ঢেলে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর চরম শপথ করান হেমলতা। স্কুলমাঠে বসা সালিশে মাতব্বর মজিদ হাওলাদার হঠাৎ কী প্রস্তাব দিলেন?
বিয়ের সম্মতি ও গোপন পত্রের ফাঁদ
মাতব্বরের বিয়ের প্রস্তাবে হেমলতার তাৎক্ষণিক সম্মতিতে হতবাক পুরো গ্রাম। বিয়ের প্রস্তুতি আর মায়ের জীবনের গল্পের মাঝেই পদ্মজার বালিশের নিচ থেকে লিখনের প্রেমপত্র আবিষ্কার করেন হেমলতা!
সোনার গহনা ও প্রেমকাব্য
হাওলাদার বাড়ির নারীদের দেয়া সোনার গহনায় রাজকন্যার মতো সাজে পদ্মজা। সবার সামনে আমির প্রকাশ করে তার অকপট মুগ্ধতা, আর বিদায়বেলায় পদ্মজার হাতে গুঁজে দেয় এক অদ্ভুত চিরকুট!
পাঠকদের পছন্দের বই
পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই
পর্দার আড়ালে হৃদস্পন্দন
বিয়ের মাত্র কদিন বাকি থাকতেই মাছ-তরকারির ঝুড়ি নিয়ে হাজির আমির, আবদার পদ্মজার সাথে একান্তে কথা বলার। পাতলা পর্দার ওপাশে দাঁড়িয়ে দুজনের রুদ্ধশ্বাস কথোপকথনে কী রহস্য লুকিয়ে ছিল?
নায়কের আগমন ও স্তব্ধ অন্দরমহল
পরিবার নিয়ে হাওলাদার বাড়িতে বিয়ের প্রস্তাব দিতে এসে লিখন শাহ জানতে পারে, পদ্মজার সাথে পরশুই মাতব্বরের ছেলে আমিরের বিয়ে! আকস্মিক এই বজ্রপাতে কেমন প্রতিক্রিয়া হবে লিখনের?
একতরফা ভালোবাসার আহাজারি
মোড়ল বাড়িতে ছুটে এসে হেমলতার পায়ে হাতজোড় করে পদ্মজাকে ভিক্ষা চায় লিখন শাহ। ভালোবাসার গভীর যুক্তির মুখে দাঁড়িয়ে কঠিন মনের হেমলতাও কি ভেতরে ভেতরে ভেঙে পড়লেন?
জোছনা রাতের নৌভ্রমণ
মাঝরাতে মা ও দুই মেয়েকে নিয়ে মাদিনী নদীর বুকে নৌকা ভাসায় মোর্শেদ। হাসন রাজার গানে আর চাঁদের মায়াবী আলোয় বহু বছর পর বাবা-মেয়ের আলিঙ্গনে ঝরে পড়ে অনুশোচনার অশ্রু!
হাওরের বুকে ভাসমান লাশ
হাওরে হেমলতার মুখে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের বীরত্ব ও ত্যাগের লোমহর্ষক ইতিহাস শোনার পর, ট্রলার থেকে নদীতে ছুঁড়ে ফেলা সাদা কাপড়ে মোড়ানো বস্তুটি দেখে কেন পানিতে ঝাঁপ দেয় পদ্মজা?
গায়ে হলুদ ও পালকি ছেড়ে দৌড়
গায়ে হলুদের আনন্দ আর লাল বেনারসিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে পালকিতে ওঠে পদ্মজা। কিন্তু শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে আকস্মিক আর্তচিৎকার দিয়ে পালকি থেকে নেমে মায়ের বুকে কেন ছুটে যায় সে?
অন্দরমহলে নতুন বধূ
১৯৯৬ সালে ইন্সপেক্টর তুষারকে পাঁচ খুনের দায় স্বীকার করে পদ্মজা। অন্যদিকে ফ্ল্যাশব্যাকে লাল বেনারসি পরা পদ্মজাকে কোলে তুলে অন্দরমহলে নিয়ে যায় আমির; সেখানে তার জন্য কী অপেক্ষা করছে?
অচেনা ঘরের কান্না
লাবণ্যকে চড় মেরে শ্বাশুড়ি ফরিনার দেওয়া কঠোর অনুশাসন আর কালরাত্রি নিয়ে পরিবারের কোন্দল। দাদীর ঘরে যাওয়ার পথে রুদ্ধ দরজার ভেতর থেকে কে এভাবে হাহাকার করে কাঁদছে?
গভীর রাতের নিষিদ্ধ স্পর্শ
রুম্পার পাগল হওয়ার পেছনের নিষিদ্ধ জঙ্গলের ভয়ঙ্কর সত্য জানান দাদী নূরজাহান। কিন্তু শেষরাতে ঘুমন্ত পদ্মজার শরীরে কার অশুভ হাত এসে ছুঁয়ে দিয়ে গেল?
গোলাপ শয্যায় প্রথম প্রহর
লাল গোলাপের সুবাসে সাজানো বাসর ঘরে পরপুরুষকে স্বামীরূপে গ্রহণের তীব্র সংকোচ ও ভয়। আমিরের কোমল ব্যবহার আর ভালোবাসার খেলায় দুজনের গভীর দাম্পত্যের সূচনা কীভাবে হলো?
পাঠকদের পছন্দের বই
পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই
বাপের বাড়ি ও গোপন খটকা
বিয়ের পর প্রথমবার বাপের বাড়িতে ফিরে মায়ের বুকে কান্নায় ভেঙে পড়ে পদ্মজা। কিন্তু খালা হানির কথায় হঠাৎ জানা যায়, মা কোনোদিন বড় মেয়ের বিয়ের জন্য ঢাকায় যাননি! তবে মা কোথায় গিয়েছিলেন?
সংসারে সতিনের পদার্পণ
মোড়ল বাড়ির উঠোনে ব্যাগ হাতে এসে দাঁড়ান মোর্শেদের প্রথম স্ত্রী বাসন্তী। হেমলতা কেন স্বেচ্ছায় সতিনকে নিজের সংসারে জায়গা করে দিলেন? আর শ্বশুরবাড়িতে ফিরে কার চিৎকারে কেঁপে ওঠে পদ্মজা?
জঙ্গলের ছায়া ও বন্দিনী রুম্পা
ভোরে রানিকে চোরের মতো পেছনের নিষিদ্ধ জঙ্গলে ঢুকতে দেখে পদ্মজা। দুর্গন্ধময় বদ্ধ ঘরে রুম্পা ভাবিকে দেখতে গিয়ে হঠাৎ তাঁর আক্রমণ ও দরজার ওপাশে কার ছায়া দেখে আঁতকে ওঠে সে?
সোনার ঔজ্জ্বল্য ও সিনেমার বেদনা
নূরজাহানের ঘরে উপচে পড়া সোনার অলংকার দেখে ধমক খাওয়া আর লাবণ্যের ঘরে লিখনের ছায়াছবি দেখে পদ্মজার বুকের গোপন কান্না। দরজায় দাঁড়ানো আমির কি দেখে ফেলল তার চোখের জল?
গোসলখানার গোপন চোখ
গোসলখানায় কাপড় বদলাতে গিয়ে ভাঙা ইটের ফাঁকে দুটি কুৎসিত চোখ দেখে ভয়ে চিৎকার করে ওঠে পদ্মজা। ক্ষিপ্ত বাঘের মতো ছুটে গিয়ে কার কলার চেপে ধরে রক্তাক্ত ঘুষি মারল আমির?
অরণ্যের পথে রহস্যের সন্ধানে
পদ্মজাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার অনড় সিদ্ধান্ত আমিরের। সন্ধ্যার অন্ধকারে রানিকে ফের জঙ্গলে ঢুকতে দেখে পদ্মজা একা ধাওয়া করে গভীর বনের শেষ প্রান্তে, সেখানে কে পথ আটকে দাঁড়াল?
অন্ধকারের জেরা ও সোহাগের টান
জঙ্গল থেকে ফেরা রানিকে পদ্মজার সরাসরি জেরা ও বিভ্রান্তিকর উত্তর। আমিরের কাছে সত্য উদঘাটনের প্রস্তাব দিলে আমির কি রাজি হবে নাকি ভালোবাসার আদরে ভুলিয়ে দেবে সব?
হারিয়ে যাওয়া স্মৃতির বিভ্রম
রুম্পার ঘরে যাওয়ার অনুমতি না পেয়ে পদ্মজার মন খারাপ। ওদিকে বাপের বাড়িতে গভীর ঘুম থেকে জেগে উঠে নিজের গর্ভের মেয়ে পূর্ণাকে দেখে কেন চিনতে পারলেন না হেমলতা?
গোপন গর্ভের অনাকাঙ্ক্ষিত প্রকাশ
পূর্ণার বাসন্তীকে উচ্চারণ শেখানোর মিষ্টি মুহূর্তের পরেই হাওলাদার বাড়িতে ঘটে যায় বিপর্যয়। মধ্যাহ্নভোজের টেবিলে রানির অবিরাম বমি ও শরীর খারাপ দেখে কেন গর্ভপাতের আশঙ্কায় আঁতকে ওঠে দাদী?
লাশের খবর ও প্রেমিকের সমাপ্তি
খলিল হাওলাদারের পৈশাচিক পিটুনিতে রক্তাক্ত রানি শিকার করে আবদুলের সাথে ভালোবাসার কথা। আমির যখন বিয়ের উদ্দেশ্যে আবদুলকে আনতে যায়, তখন কেন নদীর জলে ভেসে ওঠে প্রেমিকের নিথর লাশ?
পাঠকদের পছন্দের বই
পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই
সাফল্যের আলো ও বৈরী চাহনি
মেট্রিকে স্টার মার্ক পেয়ে পুরো এলাকায় আলোড়ন তোলে পদ্মজা। এই আনন্দের দিনে বোরকা পরে মা হেমলতা যখন জামাইর বাড়ি আসেন, রিদওয়ানের দিকে তাকিয়ে কেন তাঁর চোখ জ্বলে ওঠে সাপের মতো?
বাণিজ্যের আড়াল ও মধ্যরাতের হুঁশিয়ারি
আমিরের এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট বাণিজ্যের আড়ালে কী চলে? রাতের আঁধারে মেয়েদের সাথে শোবার পর ঘর থেকে বের হয়ে রিদওয়ানকে হাতেনাতে ধরেন হেমলতা; কী গোপন চুক্তির কথা বললো রিদওয়ান?
চোখের জলে বিদায়ের সুর
শ্বাশুড়ি ফরিনার অপ্রত্যাশিত ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয় পদ্মজা। ঝাওড়া খালের ঘাটে দাঁড়িয়ে হেমলতার বুকফাটা কান্নার বিদায় কেন শেষ বিদায়ের মতো শোনাল?
ট্রেনের রোম্যান্স ও নতুন ঠিকানা
ট্রেনের নির্জন কেবিনে আমির শোনায় তার তথাকথিত অবৈধ সন্তান হওয়ার বেদনাময় ইতিহাস। ঢাকার নতুন ডুপ্লেক্স বাড়ি 'পদ্ম নীড়ে' পা রেখে সুখের সাগরে ভাসা পদ্মজার জীবনে এটা কি সত্য নাকি নিপুণ অভিনয়?
মায়ের মৃত্যু ও শূন্য কোল
দীর্ঘ আট মাস পর গ্রামে ফিরে পাটিতে শোয়া কঙ্কালসার হেমলতাকে দেখে স্তব্ধ পদ্মজা। মায়ের শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের পর কবরে শুয়ে পদ্মজা কেন অভিযোগ তুলল, 'আম্মা তুমি আমার সাথে কেন বিশ্বাসঘাতকতা করলে?'
দ্বিতীয় খণ্ডের সূচনা ও প্রতিবাদের ডাক
১৯৯৬ সাল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলে এক ছাত্রীকে পাশবিক নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচাতে গিয়ে হিংস্র ছাত্রনেতাদের ছুরি দিয়ে ঘায়েল করে পদ্মজা। এই নির্ভীক নারী কি পারবে নিজের আত্মরক্ষা করতে?
চঞ্চল কিশোরী ও ভালোবাসার টান
মায়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে গ্রামে ফেরা পদ্মজার মন বিষাদে আচ্ছন্ন। রূপবতী পূর্ণার বিয়ের ভাবনা আর লিখন শাহর সাক্ষাৎকারে আজও পদ্মজার নাম উঠে আসার খবর কী নতুন অস্থিরতা ডেকে আনবে?
পারিজা হত্যার রক্তিম ক্ষত
হাওলাদার বাড়ির উঠোনে কলপাড়ে ফর্সা সুদর্শন মৃদুলকে দেখে পূর্ণার পা পিছলে পড়া। কিন্তু অন্দরমহলে ঢুকতেই পদ্মজার মনে পড়ে যায় তার তিন মাসের দুধের শিশু পারিজার গলাকাটা লাশের রক্তিম বিভীষিকা!
তালা ভেঙে আলোর সন্ধান
পাথর দিয়ে তিন তলার ঘরের তালা ভেঙে অভুক্ত, রক্তাক্ত রুম্পাকে উদ্ধার করে পদ্মজা। অন্যদিকে উঠোনে গোল্লাছুট খেলার মাঝে মৃদুলের মুখে নিজেকে 'কালি' শুনে কেন অভিমানে চোখে জল আসে পূর্ণার?
পাগলের মুখোশ ও চড়ের আঘাত
পদ্মজার কপালে স্টিলের গ্লাস লাগার পর রুম্পা প্রকাশ করে সে পাগল নয়, বাঁচার জন্য অভিনয় করছে! কিন্তু সত্য প্রকাশ পাওয়ার পূর্বেই খলিল হাওলাদার ঘরে ঢুকে পদ্মজার গালে কষে চড় বসান কেন?
পাঠকদের পছন্দের বই
পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই
রক্তারক্তি লড়াই ও অচেনা ত্রাতা
বউয়ের গায়ে হাত তোলার অপমানে অন্ধ হয়ে খলিল ও রিদওয়ানকে পশুর মতো পেটায় আমির। রিদওয়ানের ইটের আঘাতে আমিরের ঘাড় ক্ষতবিক্ষত হলে হঠাৎ সেখানে কার শক্ত হাত এসে তাকে বাঁচায়?
নারিকেল তলায় নীরব সাক্ষাৎ
ছাদে ছোপ ছোপ রক্তের দাগ দেখে কৌতূহলী পূর্ণা ও মৃদুল। রাতে পূর্ণাকে ঘরে ফেরাতে এসে অন্ধকারের বুকে নারিকেল তলায় দাঁড়িয়ে থাকা লিখন শাহর মুখোমুখি হয় পদ্মজা!
মাঝরাতে দেয়াল টপকে পলায়ন
লিখনকে অতীত ভুলে যাওয়ার মিনতি পদ্মজার। গভীর রাতে দড়ি বেয়ে তিন তলা থেকে রুম্পাকে নিয়ে নামেন আলমগীর, কিন্তু ঝোপঝাড়ের কালো আততায়ী বাবলু কেন লাঠি ছুঁড়ে মারলো পূর্ণার উপর?
আত্মরক্ষায় প্রথম রক্তপাত
পূর্ণার রক্তে ভেসে যাওয়া শরীর দেখে হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলে পদ্মজা। বাবলুর পৈশাচিক থাবা থেকে বাঁচতে মাটিতে পড়ে থাকা রাম দা দিয়ে কার পিঠে তীব্র কোপ বসালো সে?
ঘাটের পাড়ে জোছনার স্বীকারোক্তি
বাবলুর লাশ ভোরের আগেই রহস্যজনকভাবে গায়েব। মোড়ল বাড়িতে ফেরার পর মাঝরাতে প্রেম নিবেদনে ব্যাকুল হয়ে ঘাটের পাড়ে পূর্ণাকে একা ডেকে আনে কে?
স্মৃতিসৌধের কান্না ও রানির অন্তর্ধান
হেমলতার মৃত্যুবার্ষিকীতে মোর্শেদ ও পারিজার কবরের পাশে পদ্মজার অশ্রুঝরা হাহাকার। হাওলাদার বাড়িতে মদনের মাথায় ইট মেরে গভীর রাতে চিঠি লিখে কোথায় হারিয়ে গেল রানি?
গভীর অরণ্যে মরণফাঁদ
ফরিনার রহস্যময় আচরণ ও কান্নার পর টর্চ আর ছুরি নিয়ে নিষিদ্ধ জঙ্গলের গভীরে একা পা দেয় পদ্মজা। অন্ধকারের মাঝে পেছন থেকে এসে কার হিংস্র হাত পদ্মজার গলা চেপে ধরল?
সত্যের সন্ধানে নির্ভীক পদচারণা
শরীরে কাঁটার গভীর ক্ষত আর রক্তাক্ত পা নিয়ে অন্দরমহলে ফেরা পদ্মজার। আমিরের অনুপস্থিতিতে রিদওয়ানের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে কোন সত্য জানতে চাইলে চরম সংঘাত বাঁধে?
মেঠোপথের মান-অভিমান
আজিদের বাড়িতে আসমানির মুখে এক অমানবিক শর্তের কাহিনী শোনে পূর্ণা। কলসি কাঁখে ফেরার পথে মৃদুলের আগমন আর পদ্মজার চিঠি পড়ে কেন বুক কেঁপে ওঠে তার?
রক্তিম চোখে পাল্টা আঘাত
পাঁচ দিন পর আমিরের শার্টে রক্তের দাগ দেখিয়ে পদ্মজাকে ঢাকা ছাড়ার শর্ত দেয় রিদওয়ান। ক্ষিপ্ত পদ্মজা কাঁচের বোতল ও কাঠের চেয়ার দিয়ে কার মাথায় মরণঘাতী আঘাত হানল?
পাঠকদের পছন্দের বই
পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই
লোহার খাঁচায় রুদ্ধশ্বাস প্রহর
রক্তাক্ত রিদওয়ানকে দেখে পদ্মজাকে তিন তলার লোহার ঘরে তালা দিয়ে বাঁচানোর চেষ্টা করেন ফরিনা। মজিদের নির্মম লাঠিপেটার মুখেও কেন চাবি দিলেন না আম্মা? পদ্মজা কি পারবে জঙ্গল ভেদ করতে?
পাতালপুরীর বিভীষিকা ও চেনা রূপ
জঙ্গলের নিচে মাটির গভীরে লুকানো লোহার দরজায় চাবি ঘুরাতেই খুলে যায় পাপের নরকপুরী। দরজার আড়ালে নগ্ন মেয়েদের চাবুক মারতে দেখে কার চেনা শরীর দেখে হিম হয়ে গেল পদ্মজার রক্ত?
ভালোবাসার বুকে বিষাক্ত ছুরি
বিবস্ত্র মেয়েদের উপর নির্মম লাথি মারতে দেখে আরভিদকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে পদ্মজা। নিজের স্বামীকে আজরাইল রূপে দেখে পদ্মজা চিৎকার করে বলে, 'ছিঃ! আপনি এতো নিকৃষ্ট?'
দগ্ধ মনের বিষাক্ত আর্তি
চেয়ারে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় আমিরের মুখে থুথু ছুঁড়ে দিয়ে মেয়েগুলোকে মুক্তির আর্তি জানায় পদ্মজা। আমির কি তার পাপ ছেড়ে পদ্মজার ভালোবাসার ডাকে সাড়া দেবে?
অতীতের জেরা ও নতুন সংকল্প
ইন্সপেক্টর তুষারের সামনে খুনের পেছনে ভালোবাসার গভীর মনস্তত্ত্ব তুলে ধরে পদ্মজা। ফ্ল্যাশব্যাকে পাতালঘরের নির্মম শিকল ভেঙে সব মেয়েকে বাঁচানোর কী পরিকল্পনা করলো পদ্মজা?
দুইশত বছরের অভিশপ্ত সাম্রাজ্য
রিদওয়ানের মুখে হাওয়ালাদার বংশের ২০০ বছরের নারী পাচার, ধর্ষণ ও খুনের রোমহর্ষক সত্য প্রকাশ। শফিক এসে পদ্মজার শরীরে লোলুপ হাত দিতেই আমির কীভাবে তাকে ছিন্নভিন্ন করলো?
তলোয়ারের ধার ও ক্ষমার আর্তি
শফিকের রক্তে ভেসে যাওয়া পদ্মজার আর্তনাদ দেখে আমির এক নতুন ঘরের বিছানায় নিয়ে যায়। সেখানে নিজের প্রিয় না-ব্যবহার করা চকচকে তলোয়ারটি তুলে দিয়ে আমির কী বললো পদ্মজাকে?
অন্ধকারের খাঁচা ভাঙার লড়াই
আমির বাইরে যেতেই সুযোগ পেয়ে বন্দি মেয়েদের বাঁধন দাঁত দিয়ে খুলে বিদ্রোহ ঘটায় পদ্মজা। সবাই মিলে আরভিদকে পরাস্ত করে প্রধান দরজায় আসতেই খলিল ও আমির কীভাবে ঝাঁপিয়ে পড়লো?
মেলার আলো ও ঝড়ের শঙ্কা
রায়পুরের মেলায় পূর্ণা ও মৃদুলের আনন্দঘন মুহূর্তের মাঝে আচমকা দেখা হয়ে যায় আমিরের সাথে। পূর্ণাকে পরম স্নেহে শাড়ি কিনে দিয়ে বিদায় দেয়া আমিরের মনে কী অশুভ সংকেত বাজছিল?
ভালোবাসার দ্বন্দ্বে ক্ষতবিক্ষত হৃদয়
পদ্মজার গলা পেঁচিয়ে প্রায় মেরে ফেলার মুহূর্তে হঠাৎ সম্বিৎ ফেরে আমিরের। রাতে শুয়ে পদ্মজার বুকে মাথা রেখে কাঁদলেও কেন নিজের পাপের জগত থেকে মুক্ত হতে পারলো না সে?
পাঠকদের পছন্দের বই
পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই
একতরফা প্রেমের হাহাকার
লিখন শাহ মৃদুলকে শোনায় পূর্ণার সাথে ভালোবাসা পূর্ণ করার তাগিদ, প্রকাশ পায় তৃধার একতরফা প্রেমের বেদনা। এদিকে অসুস্থ ফরিনার পাশে বসে পদ্মজা কী শপথ নিলো?
এক মায়ের করুণ অতীতকথা
মৃদুলকে ডেকে পূর্ণার বিয়ের সম্মতি দেয় পদ্মজা। রাতে অন্ধকারের বুকে ফরিনা শোনান নিজের মা ফুলবানুর ট্র্যাজিক মৃত্যু এবং কিশোরী বয়সে মজিদের দ্বারা বলির শিকার হওয়ার ইতিহাস!
মায়ের মৃত্যু ও প্রতিশোধের প্রতিজ্ঞা
পদ্মজার কোলে মাথা রেখে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ফরিনা। ঘরে ঢুকেই মায়ের লাশ দেখে ক্ষিপ্ত আমির নিজের জন্মদাতা মজিদের বুকে ঝাঁপিয়ে পড়ে রক্তাক্ত আঘাত হানে কেন?
ভুল নিশানা ও রক্তের দাগ
আলমগীরের চিঠি উদ্ধার এবং মজিদের ঘরে হামলার প্রস্তুতি। গভীর অন্ধকারে সিঁড়ি বেয়ে নামা পুরুষটিকে খলিল ভেবে ঝাঁপিয়ে পড়ে পদ্মজা; ছুরির মুখে কার রক্ত ঝরল?
তলোয়ারের ছায়ায় ভালোবাসার কান্না
অন্ধকারে নিজের স্ত্রীর ছুরির আঘাতে আহত হওয়া আমিরের ক্ষতবিক্ষত হৃদয়। ডায়রি পুড়িয়ে তলোয়ার হাতে পদ্মজা যখন কান্নায় ভেঙে পড়ে, আমির কোন অমোঘ সিদ্ধান্তের দিকে এগিয়ে যায়?
ফাঁকা পাতালঘর ও সমাবেশের নাটক
চাবি নিয়ে পাতালে ঢুকে শূন্য ঘর দেখে মাথা ঘুরে যায় পদ্মজার—মেয়েরা কোথায় গেল? শীতবস্ত্র বিতরণের সমাবেশে যাওয়ার পথে পদ্মজার চোখ কাকে ব্যাকুল হয়ে খুঁজছে?
অপবাদের বিষে কলঙ্কিত মুখ
ঘাটে পদ্মজার মুখের ও গলার কালসিটে দাগ দেখে উন্মাদ হয়ে ওঠে লিখন। রিদওয়ানের সাথে হাতাহাতির পর হাজারো মানুষের সামনে পদ্মজা ও লিখনের নামে কী কুৎসিত মিথ্যা অপবাদ ছড়ালো মজিদ?
টিলার উপর রক্তক্ষয়ী তাণ্ডব
রিদওয়ানের মুখে থুথু আর পূর্ণার চড় মারায় রণক্ষেত্রে পরিণত হয় স্কুলমাঠ। বাঁশ হাতে মৃদুলের তাণ্ডবের মাঝেই কার ধারালো ছুরির আঘাতে রক্তাক্ত হয়ে লুটিয়ে পড়লো লিখন শাহ?
চাঁদের আলোয় শেষ প্রণয়
আহত পূর্ণাকে দেখতে এসে গভীর রাতে ছাদের মেঝেতে নিজের লুঙ্গি বিছিয়ে দেয় মৃদুল। জ্যোৎস্নার নরম আলোয় দুজনের আকুল ভালোবাসার মধুর আলাপ কি কোনো অশুভ বিচ্ছেদের পূর্বাভাস ছিল?
অপমানের আগুনে সম্পর্কের ভাঙন
সকালে মৃদুলের মা জুলেখা বানু এসে পূর্ণার কালো গায়ের রঙ আর পদ্মজার চরিত্রের কুৎসা তুলে চরম অপমান করে। সহ্য করতে না পেরে জুলেখার মুখে পানি ছুঁড়ে মেরে কী অঘটন ঘটালো পূর্ণা?
পাঠকদের পছন্দের বই
পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই
চিঠির পাতায় গোপন বিয়ের সত্য
আলমগীরের চিঠিতে আমিরের আগের দুটি বিয়ের নারকীয় পরিণতি ও রূপের মোহের সত্য পড়ে স্তব্ধ পূর্ণা। তবে আমিরের পক্ষ নিয়ে পদ্মজার কাছে ক্ষমা চাইতে গেলে পদ্মজার চড় কেন খেতে হলো তাকে?
ভেঙে যাওয়া স্বপ্নের কাচ
বোনের আঘাত আর ভালোবাসার অপমানে বাড়ি ফিরে যায় পূর্ণা। মৃদুল যখন অপমানের বোঝা মাথায় নিয়ে মা-বাবাকে বাঁচাতে পূর্ণাকে ত্যাগ করার ঘোষণা দেয়, তখন পূর্ণার হৃদয়ে কী ঘটে?
তালাকের দাবি ও ভাঙা বুক
আলমগীরের চিঠি আমিরের হাতে ধরা পড়ায় শুরু হয় চরম মুখোমুখি অবস্থান। পদ্মজা যখন তীব্র ঘৃণায় তালাক দাবি করে, তখন তার ভালোবাসার অবচেতন মন কেন ঝাঁপিয়ে পড়ে আমিরের বুকে?
প্রত্যাখ্যানের আগুন ও কান্নার রোল
পদ্মজাকে নিজের বুক থেকে সরিয়ে দিয়ে আমিরের প্রস্থান। পদ্মজা চিৎকার করে আজরাইল হয়ে উঠার হুমকি দেয়, অন্যদিকে আমিরের হাতে বন্দি হয় ইয়াকুবের লোক পলাশ মিয়া!
সাদা শাড়িতে রক্তের প্রথম ছাপ
নিজেকে বিধবা ঘোষণা করে সাদা শাড়ি গায়ে জড়ায় পদ্মজা। রাতের আঁধারে লতিফাকে ধর্ষণের চেষ্টা করতেই জসিমের গলার অর্ধেক রাম দা দিয়ে এক কোপে নামিয়ে দেয় পদ্মজা!
রাতের আঁধারে জোড়া লাগা মন
জসিমের খুনের কথা শুনে রিদওয়ানের আতঙ্কে মজিদের কাছে যাওয়া। অন্যদিকে রাতের আঁধারে পূর্ণার কাছে এসে কান্নায় ভেঙে পড়ে ক্ষমা চেয়ে শুক্রবার বিয়ের পাকা কথা দেয় মৃদুল!
সন্ধ্যার আঁধারে কলিজার টুকরো হরণ
পদ্মজাকে কালো শাড়ি পরিয়ে দিয়ে পূর্ণা হাওলাদার বাড়ি থেকে ফেরার পথে খলিলের পিছু নিয়ে জঙ্গলে যায়। সেখানে পাতালে ঢোকার মুখে রিদওয়ান ও খলিলের হাতে বন্দি হয়ে কী নারকীয় পরিণতি হলো তার?
লাল বেনারসিতে নিথর বধূ
নোয়াপাড়ার ঝোপে পূর্ণার ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার! বিয়ের স্বপ্ন বুকে নিয়ে লাল বেনারসি হাতে ছুটে আসা মৃদুল যখন পূর্ণার লাশের ওপর বেনারসি জড়িয়ে 'কবুল' বলে চিৎকার করে কাঁদে, পাথরও কি কেঁদে ওঠে না?
প্রতিশোধের মুখে পাপীদের কাঁপন
আসমানির কাছ থেকে পূর্ণার হত্যাকাণ্ডের সত্য জেনে আমিরের বুক জ্বলে ওঠে। রাতে পদ্মজার পাশে শুয়ে নিজের নীরব কান্নায় ভিজে আমির বালিশের ভেতর কী গোপন খাম রেখে দিল?
রক্তের স্রোতে পাপের মহাপ্রলয়
পুকুরপাড়ে ভোজ আসরের খাবারে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে মজিদ, খলিল, রিদওয়ান, আসমানি ও আমিরকে বেঁধে ফেলে পদ্মজা। তলোয়ার, রাম দা ও বিষ পিঁপড়ায় চারজনকে নিধনের পর আমিরের বুকে তলোয়ার বসিয়ে কী করলো সে?
পাঠকদের পছন্দের বই
পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই
চায়ের দেশে রক্তাক্ত পুনর্জন্ম
জেল থেকে মুক্তির পর সিলেটের চা বাগানে তিন সন্তানকে নিয়ে শিক্ষিকা পদ্মজার নতুন জীবন। কিন্তু স্কুলে এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির শিকার হতে দেখে রাতে রাম দা হাতে কার সামনে দাঁড়িয়ে ডাকলো, 'আমি পদ্মজা'?
সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQs)
আমি পদ্মজা (Ami Padmaja) উপন্যাসের মূল কাহিনী কী?
আমি পদ্মজা উপন্যাসের মোট কয়টি পর্ব রয়েছে?
আমি পদ্মজা উপন্যাসের লেখিকা কে?
উপন্যাসটি কি অনলাইনে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পড়া যায় নাকি PDF ডাউনলোড করতে হবে?
আমি পদ্মজা উপন্যাসের কি দ্বিতীয় সিজন বা সিক্যুয়েল আসবে?
পাঠক রিভিউ ও রেটিং
0 টি রিভিউ · 0 জন পাঠক
0 টি রিভিউ
রকমারি বেস্টসেলার: বইমেলা কালেকশন
পাঠকদের জন্য এই ঘরানার শীর্ষ ট্রেন্ডিং ও পছন্দের বইসমূহ সংগ্রহ করুন রকমারি থেকে