
আমৃত্যু ভালোবাসি তোকে
পারিবারিক অনুশাসনের অচলায়তন আর গোপন এক গভীর ভালোবাসার দ্বন্দ্ব নিয়ে গড়ে ওঠা উপন্যাস। শৈশবের অভিমান ভুলে আবির আর মেঘ কি পারবে সামাজিক নিয়মের প্রাচীর ভেঙে এক হতে, নাকি অপ্রকাশিত প্রেমের আগুনে পুড়বে তাদের ভবিষ্যৎ?
সিজন ১ সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে (মোট ৭৮ পর্ব)। সিজন ২ সম্পর্কিত যেকোনো নতুন আপডেট বা ঘোষণা এখানে সরাসরি প্রকাশ করা হবে।
গল্পের বিশেষত্ব ও হাইলাইটস
গভীর কাজিন রোম্যান্স ও পারিবারিক অনুশাসন
যৌথ পরিবারের শৃঙ্খলা ও অনুশাসনের আড়ালে বছরের পর বছর ধরে জমে থাকা নীরব ও অপার্থিব প্রেমের উপাখ্যান।
মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব ও তীব্র অভিমান
শৈশবের ভুল বোঝাবুঝি, দূরত্ব এবং একতরফা অপেক্ষার পর অপ্রকাশিত তীব্র অনুভূতির টানাপোড়েন।
পরিপূর্ণ ও মন ছুঁয়ে যাওয়া সমাপ্তি
পারিবারিক জটিলতা, দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে পূর্ণতা পাওয়া এক চিরন্তন ভালোবাসার গল্প।
প্রধান চরিত্রসমূহ
5সাজ্জাদুল খান আবির
নায়ক (Male Lead)রাশভারী, গম্ভীর ও অত্যন্ত প্রতিরক্ষামূলক স্বভাবের যুবক। বাহিরে কঠোর ব্যক্তিত্ব দেখালেও মেঘের জন্য বুকের ভেতর গভীর ও নিখাদ ভালোবাসা লুকিয়ে রাখে।
মাহদিবা খান মেঘ
নায়িকা (Female Lead)আবেগপ্রবণ, একগুঁয়ে ও চঞ্চল স্বভাবের তরুণী। আবিরের প্রতি সুপ্ত প্রেম ও গভীর অভিমানে যার জীবন প্রতিনিয়ত আলোড়িত হয়।
সাফিয়াদ্দীন খান তানভির
সহায়ক চরিত্র (Second Lead / Brother)মেঘের আপন বড় ভাই এবং আবিরের পরম বিশ্বস্ত সহযোগী। রাজনীতিতে সক্রিয় হলেও দিনশেষে বোন ও ভাইয়ের সুখের জন্য নিবেদিতপ্রাণ।
মেহের্নাজ মুনতাহা বন্যা
সহায়ক চরিত্র (Best Friend)মেঘের সবচেয়ে কাছের বান্ধবী। বাস্তববাদী, আত্মমর্যাদাশীল ও স্পষ্টভাষী তরুণী, যার সঙ্গে তানভিরের এক নিবিড় সম্পর্কের সূচনা হয়।
আলী আহমদ খান
পারিবারিক অভিভাবক (Family Patriarch)খান পরিবারের জ্যেষ্ঠ কর্তা। কঠোর নিয়মানুবর্তী ও নীতিবান ব্যক্তিত্ব, যার আদেশই পরিবারের শেষ কথা।
সূচিপত্র ও সিজনসমূহ
78 টি অধ্যায়
প্রথম খণ্ড: সূচনা, বিরহ ও আত্মনিবেদন
আবিরের সাত বছর পর ঘরে ফেরা, মেঘের মনের গোপন অনুভূতির জাগরণ এবং দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর পারিবারিক বন্ধনে প্রেমের আত্মপ্রকাশের মহাকাব্যিক গল্প।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অচেনা প্রত্যাবর্তন
সাত বছর পর নিজ আঙিনায় ফিরে আবির নিজের ঘরে বন্দি অতীত খুঁজে পায়। এদিকে মেঘের হাতে পৌঁছায় না চাইতেই পাওয়া এক মহামূল্যবান উপহার। কেন এত বছর পর ঘরে ফিরেও আবিরের হাতে রক্তাক্ত ব্যান্ডেজ?
রক্তাক্ত শার্ট ও গোপন সংঘাত
বিকেলে পরিপাটি শার্টে বের হওয়া আবির রাতে ফিরে আসে রক্তাক্ত কাপড়ে। পরিবারের মুরুব্বিদের কঠোর জেরা আর সন্দেহের মুখে নীরব থাকে দুই ভাই। দেশে ফিরেই কার সাথে সংঘাতে জড়াল আবির?
নীল রঙের বাইক ও প্রথম শিহরণ
পরিবারের কড়া নিয়ম উপেক্ষা করে নীল বাইকে বাড়ির আঙিনায় পা রাখে আবির। চোখে সানগ্লাস আর এলোমেলো চুলে আবিরকে দেখে অষ্টাদশীর বুকের ভেতর এক অদ্ভুত আলোড়ন ওঠে। মেঘের এই অজানা অনুভূতি কি শুধুই মুগ্ধতা?
কঠোর শর্ত ও মুখোমুখি দাঁড়ানো
বাবার রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে নিজের নতুন কোম্পানির ঘোষণা দেয় আবির, কিন্তু পরিবারের শর্তে হতে হয় কোম্পানির কর্ণধার। সিঁড়ির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আবিরের প্রখর চোখের দিকে তাকিয়ে কেন বুক কেঁপে উঠল মেঘের?
একান্তে ছোঁয়া ও বুকের কাঁপন
খাবার টেবিলে তানভিরের কথায় যখন জানা যায় আবিরের জীবনে কেউ আছে, মেঘের বুকটা ভারী হয়ে আসে। সকালে আবিরের ঘরে কফির কাপ নিয়ে যেতেই দরজায় হাত টেনে ধরে আবির। এত কাছে দাঁড়িয়ে কি বলতে চায় সে?
দেয়ালে আছড়ে পড়া তীব্র ক্ষোভ
মেঘের ফেসবুক আইডি খুলে নিজেই ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠায় তানভির আর আবির। কিন্তু মেঘের জন্য ঠিক করা নতুন ছেলে টিউটরকে দেখে কেন সোফার পাশের দেয়ালে সজোরে ঘুষি বসাল আবির?
অচেনা আগন্তুকের নীরব প্রস্থান
নতুন গৃহশিক্ষকের মুখোমুখি হতেই বদলে যায় পরিস্থিতি। আবিরের চোখ লাল হয়ে ওঠে এক অজানা ক্রোধে। পড়া শেষে টিউটর কেন আর কোনোদিন না আসার সিদ্ধান্ত নিল, কি ঘটেছিল তাদের অজান্তে?
মধ্যরাতের সুর ও ধোঁয়ার কুণ্ডলী
টিউটর হঠাৎ হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় মেঘের দায়িত্ব নেয় জান্নাত। মধ্যরাতে ছাদ থেকে ভেসে আসা গানের মায়াবী সুর শুনে এগিয়ে যায় মেঘ, কিন্তু সেখানে আবিরকে সিগারেট ধরাতে দেখে কেন বুক ভেঙে যায় তার?
নিজের হাতে পরানো রূপার নূপুর
কোচিং শেষে মেঘের সামনে নীল বাইক থামিয়ে চড়ার নির্দেশ দেয় আবির। শপিং কমপ্লেক্সে নিয়ে গিয়ে ২৪ রঙের হিজাব কিনে হাঁটু গেড়ে বসে মেঘের পায়ে নূপুর পরিয়ে দেয় সে। এই উপহার কি ভালোবাসার নাকি শাসনের বাঁধন?
দূরের ভাবনা ও অপ্রকাশিত অধিকার
হবু এমপির জন্মদিনের পার্টিতে যায় আবির ও তানভির। সেখানে এমপির মেয়ের খোলামেলা কমেন্ট আর আবিরের পোস্ট দেখে বুক ভেসে যায় মেঘের। তবে কি আবিরের জীবনে অন্য কারো ছায়া নেমে এলো?
পাঠকদের পছন্দের বই
পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই
সমুদ্রের গর্জন ও অন্তহীন বিরহ
কোম্পানির কাজে আবিরকে পাঠানো হয় চট্টগ্রামে, সেখান থেকে একা একা কক্সবাজারের বালুকাবেলায় হেঁটে সময় কাটে তার। আবির বাড়ি নেই ছয় দিন, না খেয়ে কেঁদে কেঁদে মেঘ কেন হসপিটালাইজড হওয়ার মতো দুর্বল হলো?
অপ্রত্যাশিত স্পর্শ ও কড়া শাসন
কক্সবাজার থেকে ফিরে শাওয়ার সেরে বের হতেই আবিরের ঘরে ঢুকে পড়ে মেঘ। খালি গায়ে আবিরকে দেখে হতভম্ব হয়ে যায় সে। উপহারের ব্যাগ এগিয়ে দিয়ে আবির কেন মেঘকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিল?
মধ্যরাতের স্বীকারোক্তি ও অমীমাংসিত প্রশ্ন
এমপির মেয়ের পথ আটকানো রুখে দিয়ে আবির স্পষ্ট জানায় সে অন্য কারো প্রেমে বন্দি। গভীর রাতে বাইক নিয়ে ঘরে ফিরে ব্যালকনিতে দাঁড়ানো মেঘকে দেখে আবিরের মনে কোন আশঙ্কার সৃষ্টি হয়?
বিদ্যুৎহীন রাত ও হাতের ক্ষতচিহ্ন
তানভিরের ঘরে নুডলস পার্টি শেষে হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যায়। বজ্রপাতের বিকট শব্দে ভয়ে কেঁপে উঠে আবিরের হাত খামচে ধরে মেঘ। সেই আঁচড়ে আবিরের হাত রক্তাক্ত দেখে কেন নিজের উপরই ক্ষোভ জন্মাল মেঘের?
ফুচকার টক ও বন্ধুদের আড্ডা
জীবনে প্রথমবার ফুচকার দোকানে গিয়ে মেঘের হাত থেকে টক মেশানো ফুচকা মুখে নেয় আবির। বন্ধুদের আড্ডায় আবিরের এই রূপ দেখে স্তব্ধ হয়ে যায় সবাই। কিন্তু মধ্যরাতে রান্নাঘরে ঢুকতেই কেন ধমকে উঠল আবির?
ঘুমন্ত মুখের স্পর্শ ও অবুঝ কাঁপন
শুক্রবার সকালে আবিরের ঘরে পা টিপে ঢুকে মেঘ। গভীর ঘুমে থাকা আবিরের গালে আলতো হাত ছোঁয়াতেই আবির ঘুমের ঘোরে হাত চেপে ধরে বলে—'আমি ছুঁয়ে দিলে সামলাতে পারবি তো?'
ছাদের বাগান ও অচেনা সন্দেহ
ছাদ ভর্তি ফুলগাছ দেখে অবাক হয়ে যায় মেঘ, জানতে পারে সব গাছ আবিরই এনেছে। কিন্তু সন্ধ্যার পর আবিরের ফোনের ওয়ালপেপারে অচেনা মেয়ের ছবি আর জান্নাতের সাথে মধুর কথা দেখে কেন থমকে দাঁড়াল মেঘ?
অপ্রত্যাশিত আঘাত ও একাকী বৃষ্টি
জান্নাতের সাথে সম্পর্ক নিয়ে জেরা করতে গিয়ে আবিরের হাতে অপ্রত্যাশিত চড় খায় মেঘ। ক্ষোভে-যন্ত্রণায় আবির অফিসে গিয়ে নিজের হাতে দেয়ালে ঘুষি মারে, আর মেঘ গভীর রাতে ছাদের তুমুল বৃষ্টিতে ভিজতে শুরু করে।
বৃষ্টির মাঝে নিথর দেহ ও কাতর আর্তি
রাতভর বৃষ্টিতে ভিজে ছাদের মেঝেতে অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকে মেঘ। আবির পাগলের মতো ছুটে এসে নিথর মেঘকে কোলে তুলে নিয়ে নামে। ডাক্তারের চেম্বার থেকে দৌড়ে ওষুধ এনেও কেন আবিরের বুকের ছটফটানি কমে না?
অতীতের কান্নার দাগ ও নীরব শপথ
জ্বরের ঘোরে মেঘকে খাইয়ে দিতে গিয়ে আবির শাঁসায়—'তুই আমার সবকিছু, তোকে ছাড়া আমি নিঃস্ব।' অতীতে কেন তানভিরকে জড়িয়ে কেঁদে দেশ ছেড়েছিল আবির, কী ছিল সেই ৯ বছরের গোপন রক্তক্ষরণ?
পাঠকদের পছন্দের বই
পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই
অফিসের সূচনা ও প্রার্থনার আবদার
সুস্থ হয়ে মেঘ অভিমান করে আবিরকে দূরে সরিয়ে রাখতে চায়। কিন্তু নিজস্ব অফিসের প্রথম দিনে আবির এসে মেঘের সামনে দাঁড়িয়ে সস্নেহে বলে—'আমার জন্য একটু দোয়া করিস।' মেঘের মন কি সত্যি গলল?
এক বস্তা চিপস ও বাড়ি ছাড়ার ঘোষণা
মেঘের পছন্দ বুঝতে না পেরে পুরো এক বস্তা চিপস নিয়ে হাজির হয় আবির। কিন্তু জান্নাত আপুর কাছে পড়ার কড়া শাসন সহ্য করতে না পেরে বন্যায় ফোন করে মেঘ জানিয়ে দেয়—'আমি বাড়ি ছেড়ে চলে যাব!' দরজায় দাঁড়িয়ে সব শুনে ফেলে আবির।
ভাঙা সানগ্লাস ও মিষ্টি মুখের মানভঞ্জন
মেঘের কথায় ক্ষুব্ধ হয়ে সানগ্লাস ভেঙে হাতে রক্ত ঝরায় আবির। মেঘের এইচএসসি রেজাল্টে গোল্ডেন এ-প্লাস আসায় পুরো এলাকায় মিষ্টি বিতরণ করলেও মেঘের সামনে গম্ভীর থাকে। রাতে নিজের হাতে মিষ্টি খাইয়ে আবিরের কি মান ভাঙাল মেঘ?
কুড়ি ডজন কাঁচের চুড়ি ও অচেনা কল
টেবিলের বক্সে ২০ ডজন কাঁচের চুড়ি আর স্বর্ণের ব্রেসলেট উপহার পেয়ে আপ্লুত হয় মেঘ। বান্ধবীর ফোন থেকে না চেনার ভান করে আবিরকে কল দেয় সে—'আমি তোমার বউ!' কিন্তু আবির কিভাবে মুহূর্তেই চিনে ফেলল তাকে?
স্ক্রিনে ভেসে ওঠা প্রিয় নাম
কাচ্চি নিয়ে এসে মেঘের ফোনে নিজের সেভ করা নাম 'Amar Abir Vai' দেখে কাশতে কাশতে বিষম খায় আবির। তানভিরের জন্য বাইক পছন্দ করতে গিয়ে আবিরের পিঠে মাথা রেখে বসে মেঘ। এই অদ্ভুত নির্ভরতা কি প্রেমের লক্ষণ?
বৃষ্টিভেজা গোধূলি ও বুকে তুলে নেয়া
বৃষ্টিতে ভিজতে গিয়ে শিকড়ে হোঁচট খেয়ে পড়ে যেতে নেয় মেঘ, চোখের পলকে শক্ত হাতে জাপটে কোলে তুলে নেয় আবির। বৃষ্টিস্নাত বিকেলে চায়ের দোকানে দাঁড়িয়ে আবির কেন বলল—'দুটো প্রিয় জিনিসের একটি বেছে নিতে পারলে তোকে প্রশ্ন করব'?
রুদ্ধশ্বাস রিংটোন ও আক্রোশের আঘাত
কোচিংয়ের সামনে এক বখাটে মেঘের হাত চেপে ধরে। কান্নাজড়িত গলায় ফোন পেয়ে মিটিং ছেড়ে ঝড়ের গতিতে বাইক নিয়ে ছুটে যায় আবির। রাস্তায় প্রকাশ্যে সেই ছেলেকে যেভাবে পেটালো, তা দেখে কেন ভয়ে কেঁপে উঠল মেঘ?
দেয়ালের রক্ত ও কাজিনের সীমানা
রাস্তায় মারামারির জন্য বড় আব্বু আবিরকে গুন্ডা অপবাদ দেয়। তীব্র ক্ষোভে আবির গর্জে ওঠে—'আমার গণ্ডিতে কেউ হাত দিলে হাত ভেঙে দিতে দ্বিতীয়বার ভাবব না!' কিন্তু পার্টির পর এমপির মেয়ের সামনে মেঘকে কেন শুধুই কাজিন বলে পরিচয় দিল আবির?
বিয়ের গুঞ্জন ও ভাঙা স্বপ্নের টুকরো
আবিরের সাথে জান্নাতের বিয়ের প্রস্তাব তোলে মালিহা খান। জান্নাতের পছন্দের মানুষ আছে জেনে মেঘের বুক ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। খাবার টেবিলে সবার সামনে বিয়ের কথা উঠতেই আবির কেন সরাসরি নাকচ করে দিল?
পোড়া খাতার ছাই ও যুদ্ধের শপথ
মেঘের পড়ার খাতায় পাতাজুড়ে নিজের নাম লেখা দেখে লাইটার জ্বালিয়ে পুরো খাতা পুড়িয়ে দেয় আবির। ভয়ার্ত মেঘের চোখে চোখ রেখে আবির বলে—'ডিইউতে চান্স না পেলে পা ভেঙে ঘরে বসিয়ে রাখব।' এই কঠোরতার আড়ালে কি বার্তা ছিল?
পাঠকদের পছন্দের বই
পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই
কাশবনের শুভ্রতা ও কড়া তিরস্কার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা শেষে মেঘকে নিয়ে দিয়াবাড়ির কাশফুলের রাজ্যে যায় আবির। কিন্তু মেডিকেলে চান্স না পেয়ে বাবার কঠোর তিরস্কারে যখন মেঘ রুম আটকে কাঁদে, আবির এসে কেন তার পাশে দাঁড়াল?
মাটির প্রদীপ ও বিয়ের আসরে চমক
আবিরের জন্মদিনে নিজের ঘরে মাটির প্রদীপ আর কেক সাজিয়ে অপেক্ষা করে মেঘ। সেই রাতে তীব্র অনুভূতির পর পরদিনই আবির মেঘকে সাজিয়ে নিয়ে যায় এক বিয়ের আসরে। সেখানে কনে বেশে জান্নাতকে দেখে কেন মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল মেঘের?
২৮ বছরের অতীত ও রক্তের ক্ষত
জান্নাতের বিয়ে হয়েছে আসিফের সাথে, যে আর কেউ নয় তাদের হারিয়ে যাওয়া ফুপুর ছেলে। প্রেমের বিয়ে করার অপরাধে ২৮ বছর ধরে বাবাকে দেখতে না পাওয়া ফুপুর মর্মান্তিক ইতিহাস শুনে কেন কেঁদে উঠল মেঘ?
ডিম ভাজার আবদার ও রাতের চিৎকার
পরিবারের রক্তের কঠোরতা জেনে মেঘের ভেতর তৈরি হয় অজানা শঙ্কা। গভীর রাতে আবিরের জন্য ডিম ভাজতে গিয়ে হঠাৎ রান্নাঘর থেকে বিকট চিৎকার ভেসে আসে মেঘের। কি ঘটেছে সেখানে?
খোলা পিঠের স্পর্শ ও অবাধ্য চেইন
মাইশার গায়ে হলুদে যেতে গাউনের পেছনে চেইন আটকাতে না পেরে আবিরকে ডাকে মেঘ। উন্মুক্ত পিঠের কালো তিলে আবিরের উষ্ণ আঙুল লাগতেই বিদ্যুৎ খেলে যায় শরীরে। এমন কাঁপন নিয়ে কিভাবে শুরু হবে যাত্রা?
কানের কাছে ফুল ও রাজশাহী যাত্রা
রাজশাহী যাওয়ার আগের রাতে মেঘের কানে হলুদ গাঁদা ফুল গুঁজে দিয়ে আবির বলে—'কখনো নিজের দুর্বলতা প্রকাশ করবি না।' দূর প্রবাসে থেকে ফোনে আবিরের মাথা ব্যথার কথা শুনে মেঘ কেন গভীর রাতে ফোন ডায়াল করল?
দুই ভাইয়ের দ্বন্দ্ব
খান বাড়িতে যখন আবির আর মেঘের বিয়ের আনন্দ চলছে, তখন দুই ভাইয়ের মধ্যে পুরোনো দ্বন্দ্ব নতুন করে মাথাচাড়া দেয়। আলী আহমদ খানের নেওয়া এক সিদ্ধান্তে কি দুই ভাইয়ের সম্পর্কে ফাটল ধরবে?
মায়াবিনীর শাড়ি ও রাতের মেহেন্দি
গোলাপি শাড়িতে মেঘকে দেখে সিঁড়িতে হোঁচট খায় আবির। মালা মেহেন্দির আসন থেকে মেঘকে অপমান করে সরিয়ে দিলে, মাঝরাতে প্যান্ডেলের ফাঁকা স্টেজে মেঘের হাত টেনে এনে নিজের হাতে মেহেন্দি পরায় আবির!
সরিষা খেতের স্নিগ্ধতা ও নামের আড়াল
ভোরবেলা মেঘকে সরিষা খেতে নিয়ে গিয়ে খোঁপায় হলুদ ফুল গুঁজে দেয় আবির। কিন্তু বিয়ের অনুষ্ঠানে মেঘের হাতে মেহেন্দিতে আবিরের নাম লেখা দেখে কেন অগ্নিদৃষ্টিতে গর্জে উঠল সে?
লেপ্টে দেয়া নাম ও নিস্তব্ধ বেদনা
মেঘের হাত থেকে নিজের মেহেন্দি রাঙা নাম মুছে দিয়ে আবির বলে—'আমি তোর খারাপ চাই না।' কষ্টের আগুনে পুড়তে পুড়তে বিয়ে শেষে ঢাকায় ফিরে মেঘের সাথে দেখা করতে এসে কোন যুবকের মুখোমুখি হয় আবির?
পাঠকদের পছন্দের বই
পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই
ভার্সিটি প্রপোজাল ও গর্জে ওঠা ভাই
ক্যাম্পাসের তামিম হঠাৎ বন্যাকে প্রপোজ করে বসে, রিজেক্ট করলেও তানভির খবর পেয়ে ক্রোধে উন্মত্ত হয়ে ওঠে। আবিরের অফিসে গিয়ে তামিমকে পিটিয়ে শেষ করার হুমকি দিলে আবির কেন তাকে দায়িত্বশীল হতে বলল?
রক্তাক্ত ড্রেসিং টেবিল ও ভাঙা কাঁচ
আবিরের ফোনে মালার মেসেজ আর আবিরের বলা মিথ্যা 'আমার বউ বাচ্চা আছে' শুনে হোস্টেলে যাওয়ার ফরম তোলে মেঘ। ড্রয়িংরুমে সবার সামনে হোস্টেলের কথা তুলতেই আবির কেন কাঁচের ড্রেসিং টেবিলে ঘুষি মেরে রক্ত ঝরালো?
জ্বরের প্রলাপ ও অতল সান্ত্বনা
রক্তাক্ত হাত আর তীব্র জ্বরে যখন আবির বিছানায় প্রলাপ বকছিল, মেঘ পাশে বসে জলপট্টি দেয়। জ্বরের ঘোরে আবির মেঘের কোল আঁকড়ে ধরে বলে—'তুই যাইস না প্লিজ।' মধ্যরাতে মেঘের এই সেবা কি আবিরকে শান্ত করবে?
গোলাপের চিরকুট ও নীরব অঙ্গীকার
রোজ ডে-তে আবিরের ঘরে গোলাপ আর চিরকুট রেখে আসে মেঘ। প্রমিজ ডে-তে আবিরকে শাসায় মেঘ—'আমাকে আর কখনো ধমকাবেন না!' আবির মুচকি হেসে যে প্রতিশ্রুতি দিল, তা কি মেঘের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেবে?
রমনা পার্কের ধাক্কা ও অচেনা ফুপু
পহেলা ফাল্গুনে বাসন্তী শাড়িতে মেঘকে দেখে বিমোহিত হয় আবির। কিন্তু বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে রমনা পার্কে পুরো পরিবারের সামনে হঠাৎ জান্নাত ও মাহমুদা খান উপস্থিত হতেই কেন থমকে দাঁড়াল আলী আহমদ খান?
হাসপাতালের রাত ও ক্ষোভের নির্বাসন
বোনকে দেখে অতিরিক্ত রক্তচাপে রাতে হাসপাতালে ভর্তি হন আলী আহমদ খান। বাড়ি ফিরে মেঘ নিজ হাতে বড় আব্বুর জন্য রান্না করে যত্ন নেয়। কিন্তু আবির এসে মেঘকে বড় আব্বুর এত সেবা করতে নিষেধ করল কেন?
নানুবাড়ির মেঠোপথ ও অভিমানের দেয়াল
আবিরের কথায় কষ্ট পেয়ে নানুবাড়ি চলে যায় মেঘ, বন্ধ করে দেয় ফোন। এক সপ্তাহ অপেক্ষার পর তানভির ও আবির বাইক ছুটিয়ে মেঘকে ফিরিয়ে আনতে যায় মেঠোপথে। মেঘের শীতল চাহনি কি আবিরের অভিমান ভাঙাতে পারবে?
ছাদের চিঠি ও হীরার আংটি
মেঘের ১৯তম জন্মদিনে ছাদজুড়ে শত শত চিরকুটে 'Sorry' লিখে রাখে আবির। রেস্তোরাঁয় সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের খাইয়ে মেঘের অনামিকায় চকচকে হীরার আংটি পরিয়ে দেয় আবির। তবে কি এবার সব জট খুলল?
নিষিদ্ধ শার্ট ও গোপন ঈর্ষা
আবিরের অনুপস্থিতিতে তার নীল শার্ট পরে আয়নায় দাঁড়িয়ে নিজেকে দেখে মেঘ। আবির হঠাৎ ঘরে ফিরে তাকে দেখে মৃদু হাসে। কিন্তু মিনহাজকে মেঘের ফেসবুক থেকে ব্লক করা নিয়ে ক্যাম্পাসে কি নাটক হতে চলেছে?
মিথ্যা প্রেম ও রক্তক্ষয়ী দুর্ঘটনা
আবিরের মুখ থেকে ভালোবাসার কথা বের করতে মিনহাজের হাতে লাল গোলাপের নাটক সাজায় মেঘ। আবির ঘটনাস্থলে এসে জিজ্ঞেস করে—'তুই কি ওকে ভালোবাসিস?' জেদের বশে মেঘের 'হ্যাঁ' বলাতেই কেন রক্তাক্ত দুর্ঘটনা ঘটল?
পাঠকদের পছন্দের বই
পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই
কেবিনের কান্না ও নিঃশব্দ রাতজাগা
হাসপাতালের বেডে অজ্ঞান আবিরের বুকে মুখ গুঁজে সারারাত কেঁদে নিজের ভালোবাসা উজাড় করে দেয় মেঘ। ভোরে চোখ মেলে আবির যখন মেঘের কান্না শুনল, কিন্তু মুখে কিছুই প্রকাশ করল না—কেন এই কৃত্রিম দূরত্ব?
বাবার ঘোষণা ও টেবিলের তীব্র বিদ্রোহ
সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরা আবিরের খাবার টেবিলে হঠাৎ বাবা ঘোষণা দেন—'শাকিল সাহেবের মেয়ের সাথে তোমার এনগেজমেন্ট হবে।' আবির প্রচণ্ড ক্রোধে খাবার ফেলে কেন পুরো পরিবারকে সতর্ক করে দিল?
দেয়ালের আঙুল ও অবাধ্য সীমানা
আবিরের রুমের দেয়ালে মেঘ আর্ট করতে গিয়ে নিজের অজান্তেই হাত আবিরের বুজে রাখা শরীরে লাগে। মেঘকে দেয়ালের সাথে চেপে ধরে আবির প্রশ্ন করে—'এটুকুতেই এই অবস্থা হলে বাকি জীবন কিভাবে সামলাবি?'
ক্যাম্পাসের দাপট ও কলিজার দাবি
বন্যাকে এক সিনিয়র উত্ত্যক্ত করতে আসতেই তানভির সেখানে গিয়ে তার বুক চেপে ধরে হুঙ্কার দেয়—'যাকে উত্ত্যক্ত করছিস সে একান্তই আমার!' অন্যদিকে মেঘ আবিরের রুমে এসে কি দেখে থমকে দাঁড়াল?
ঈদের সালামি ও নতুন সম্বন্ধের ছায়া
ঈদের সকালে আবিরের দেয়া নীল শাড়িতে পরী সেজে আবিরের পা ছুঁয়ে সালাম করে মেঘ। কিন্তু ঈদের বিকেলেই মেঘকে দেখার জন্য বাবার এক বন্ধু ছেলেকে নিয়ে আসার ঘোষণা দিলে কেন জ্বলে উঠল আবির?
মধ্যরাতের কান্না ও নতুন গাড়ি
রাকিবের বিয়ের রাতে আবির ফুপির কোলে মাথা রেখে অঝোরে কাঁদতে থাকে, যা দরজায় দাঁড়িয়ে দেখে ফেলে মেঘ। কিছুদিনের মাথায় আবির কেন আলাদা নতুন কালো প্রাইভেট কার কিনে আনল?
বান্ধবীকে ভাবি ডাকার শপথ
ক্যাম্পাসের আড্ডায় বন্ধুদের সামনে বন্যাকে নিজের ভাবি হিসেবে ঘোষণা করে মেঘ। তানভিরের অতীত কষ্টের কথা শুনে বন্যার মন কি গলল, নাকি তানভিরের রাগকে ভয় পেয়ে পিছিয়ে যাবে সে?
দ্বিতীয় পাত্র ও আবিরের অদৃশ্য চাল
পরিবারের কাউকে না জানিয়ে মোজাম্মেল খান দ্বিতীয়বার মেঘকে দেখার জন্য পাত্রপক্ষকে নিমন্ত্রণ করে। কিন্তু ছেলেপক্ষ বাসা পর্যন্ত আসার আগেই পথিমধ্যে এমন কি ঘটল যে তারা ভয়ে পালিয়ে গেল?
মাঝরাতের ছাদে কান্না ও ১৫০ দিনের সময়
গভীর রাতে ছাদে মেঘের হাত চেপে ধরে ক্ষমা চেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে আবির। চোখের জল মুছে দিয়ে আবির বলে—'আমাকে কি মাত্র ১৫০ দিন সময় দেয়া যাবে?' মেঘ কি এই অপেক্ষার মর্যাদা দিতে পারবে?
ভাঙ্গা স্বপ্ন ও পিস্তলের গর্জন
বাবার আনা পাত্রপক্ষের সামনে যেতে অস্বীকৃতি জানিয়ে মেঘ নিজের ঘরে দরজা বন্ধ করে দেয়। আবির ঘরে ফিরে পাত্রপক্ষকে দেখে চিৎকার করে কাঁচ ভেঙে ফেলে। বাবার সাথে চরম বিতণ্ডার পর বাড়ি ছেড়ে কেন হারিয়ে গেল আবির?
পাঠকদের পছন্দের বই
পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই
এক সপ্তাহের নিখোঁজ ও অপ্রত্যাশিত কল
এক সপ্তাহ ধরে আবিরের কোনো খোঁজ নেই, সমস্ত অফিস আর আত্মীয়স্বজনের বাড়ি খুঁজেও হদিস মেলে না। হঠাৎ তানভিরের ফোনে আবিরের ফোন আসতেই মেঘের গলার আওয়াজ শুনে কেন কল কেটে দিল আবির?
পাঁচ মাসের প্রবাস ও অশ্রুসিক্ত শপথ
আবিরের বিদেশ যাওয়ার ফ্লাইট ঠিক হয়ে গেছে। কান্নায় ভেঙে পড়া মেঘকে শেষ রাতে ছাদের সোফায় কোলে শুইয়ে কপালে চুমু দিয়ে আবির কথা দেয়—'পাঁচ মাস পর তুই যা চাইবি তাই পাবি।' মেঘ কি তার বিরহ সইতে পারবে?
অক্সিজেন মাস্ক ও দূরের চিৎকার
আবিরের দেশ ছাড়ার কষ্টে কাঁদতে কাঁদতে শ্বাসকষ্টে হাসপাতালে ভর্তি হয় মেঘ। খবর পেয়ে দূর পরবাসে ফোন কানে নিয়ে তানভিরের উপর পাগলের মতো হুংকার দেয় আবির। প্রিয়তমার কষ্ট কেন তাকে এতটা পাগল করে?
রিকশার নীরবতা ও মধ্যবিত্তের সীমানা
তানভির বন্যাকে রিকশায় এগিয়ে দিতে গিয়ে মনের কথা প্রকাশ করতে চাইলে বন্যা থামিয়ে দেয়। মধ্যবিত্তের বাস্তবতা আর পারিবারিক দূরত্বের কথা তুলে ধরে তানভিরকে ফিরিয়ে দিলে তানভিরের মনে কি প্রভাব পড়ে?
দুই কর্তার রান্না ও চ্যালেঞ্জের খেলা
আলী আহমদ খান আর মোজাম্মেল খানের মাঝে রান্নার চ্যালেঞ্জ লেগে যায়। মেঘ বড় আব্বুর সাথে রান্নাঘরে ঢুকে। দূর পরবাস থেকে ভিডিও কলে তা দেখে আবির কেন আতঙ্কে চোখ বন্ধ করে ফেলে?
বিয়ের ক্যাটালগ ও হৃদয়ের গোপন ছবি
তানভিরের আলমারি গোছাতে গিয়ে মেয়েদের ড্রেসের ক্যাটালগ খুঁজে পায় মেঘ। ঈদ উপলক্ষে তানভির যে গোপনে বন্যাকে দামি ড্রেস পাঠিয়েছিল, সেই সত্যি জানার পর মেঘ কি চাল চালল?
ভিডিও কলের আবেশ ও থাপ্পড়ের আঘাত
সারারাত ভিডিও কলে আবিরের মুখে চোখ রেখে ঘুমায় মেঘ। কিন্তু ক্যাম্পাসে তানভিরের সাবেক প্রেমিকা এসে দাঁড়িয়ে অধিকার ফলাতেই সবার সামনে তাকে সপাটে চড় বসায় তানভির! তানভিরের এই ক্ষোভের উৎস কি?
ভাইয়ে ভাইয়ে দ্বন্দ্ব ও মিষ্টি কল
তানভিরের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলী আহমদ খান ও মোজাম্মেল খানের মাঝে তীব্র বিবাদ তৈরি হয়। ফুপু এসে দুই ভাইকে বোঝান। ওদিকে মেঘ দূর প্রবাসে আবিরকে কল দিয়ে আবদার করে—'আই মিস ইউ ইনফিনিটি।' আবির কিভাবে সাড়া দিল?
পাঁচ মাস পর ঘরে ফেরা ও কপালে চুম্বন
পাঁচ মাসের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে হঠাৎ মেঘের ঘরে প্রবেশ করে আবির। ঘুমন্ত মেঘের কপালে আলতো ঠোঁট ছোঁয়াতেই সজাগ হয়ে এক লাফে আবিরের বুকে ঝাঁপিয়ে পড়ে মেঘ। এবার কি চিরতরে এক হবে তারা?
স্বপ্নের ড্রিমহাউস ও রাতের প্রপোজাল
আবির মেঘকে নিয়ে যায় তার নিজের গড়া 'Sparrow's Dreamhouse'-এ। প্রদীপ আর ফুলের সাজে সাজানো ছাদে হাঁটু গেড়ে বসে হীরার আংটি পরিয়ে আবির প্রশ্ন করে—'Will you be my soulmate?'
পাঠকদের পছন্দের বই
পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই
মাথায় ধরা অস্ত্র ও বিয়ের সত্য প্রকাশ
বাড়ি ফিরে মেঘের বিয়ের মিথ্যা খবর শুনে মাথায় পিস্তল ঠেকায় আবির। মুহূর্তেই কনে বেশে মেঘকে সামনে এনে আলী আহমদ খান জানিয়ে দেন—আজই তাদের বিয়ে! কি ছিল এই নাটকীয় পরীক্ষার পেছনের সত্য?
শুভ পরিণয় ও তিন বছর আগের কাবিন
কমিউনিটি সেন্টারে জমকালো আয়োজনে আবির ও মেঘের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বাসর ঘরে প্রবেশ করে আবির মেঘের মুখ দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ে। তবে তানভির সবাইকে যে গোপন খবর শোনাল তা কি সত্যি?
খোলা চিঠির প্রকাশ ও বাসর রাতের হুল্লোড়
ফেসবুকে আবিরের আবেগঘন চিঠি পড়ে পরিবারে হইচই পড়ে যায়। বাসর রাতে বন্ধুদের অতিরিক্ত আবদার মিটিয়ে মেঘের ঘরে ঢুকে এক অতল প্রেমে ডুবে যায় আবির। কিন্তু সকালে ঘুম ভেঙেই বাড়ি কেন ফাঁকা?
হানিমুনে পলায়ন ও তিন বছরের কাবিননামা
কাউকে না জানিয়ে সকালে মেঘকে নিয়ে ট্রেনে করে কক্সবাজার পালিয়ে যায় আবির! বাড়িতে তুলকালাম শুরু হলে আলী আহমদ খান সবাইকে জানান—তিন বছর আগেই আবির গোপনে মেঘের সাথে কাবিন করে রেখেছিল!
সমুদ্রের বুকে প্রেম ও নির্জনতার কথা
কক্সবাজারের ঢেউয়ে মেঘের সাথে আবিরের রোমাঞ্চকর সময় কাটে। এদিকে তানভির ঢাকায় বন্যাকে নিয়ে গিয়ে নিজের মনের আবেগ উজাড় করে দিতে চায় কিন্তু বন্যা কি সমাজের চোখ এড়িয়ে মেনে নিবে তানভিরকে?
সৈকতে তানভিরের জোয়ার ও ভালোবাসার প্রস্তাব
আবিরের ডাকে সম্পূর্ণ পরিবার কক্সবাজার এসে উপস্থিত হয়। সমুদ্রের ঢেউয়ের সামনে দাঁড়িয়ে তানভির হাঁটু গেড়ে বন্যাকে ভালোবাসার কথা জানায়। বন্যা কি তানভিরের সেই ভালোবাসার স্বীকৃতি দেবে?
সেন্ট মার্টিনের ঢেউ ও নবজাতকের আগমন
সেন্ট মার্টিনের ট্রলারে চড়ে আনন্দ ভ্রমণের পর হঠাৎ খবর আসে মাইশার ডেলিভারি। ঢাকা ফিরে হাসপাতালে ফুটফুটে শিশুর কান্না শুনে আবেগাপ্লুত হয় মেঘ। আবির মেঘকে কাছে টেনে কোন আশার কথা শোনাল?
আমৃত্যু ভালোবাসি তোকে
বন্যার বোনের বিয়ের দিনেই পুরো পরিবারের সম্মতিতে তানভির ও বন্যার বাগদান সম্পন্ন হয়। ঘরে ফিরে আবিরের পুরোনো লাগেজে ১৬ বছরের সাজানো উপহার আর দেয়ালে নিজের আঁকা ছবি দেখে বুকে আছড়ে পড়ে মেঘ। পূর্ণতা পায় এক অমর প্রেম।
সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQs)
আমৃত্যু ভালোবাসি তোকে (Amrittu Bhalobashi Toke) উপন্যাসটির মূল বিষয়বস্তু কী?
আমৃত্যু ভালোবাসি তোকে উপন্যাসের মোট কয়টি পর্ব রয়েছে?
আমৃত্যু ভালোবাসি তোকে উপন্যাসের লেখক কে?
আমৃত্যু ভালোবাসি তোকে উপন্যাসটি কি অনলাইনে বিনামূল্যে পড়া যায় নাকি PDF লাগবে?
আমৃত্যু ভালোবাসি তোকে উপন্যাসের সিজন ২ কি আসবে?
পাঠক রিভিউ ও রেটিং
0 টি রিভিউ · 2 জন পাঠক
0 টি রিভিউ
রকমারি বেস্টসেলার: বইমেলা কালেকশন
পাঠকদের জন্য এই ঘরানার শীর্ষ ট্রেন্ডিং ও পছন্দের বইসমূহ সংগ্রহ করুন রকমারি থেকে