বৃষ্টি হয়ে নামবো
চঞ্চল দোলা আর রাশভারী আদনানের মধ্যকার ছেলেমানুষি খুনসুটি ও কড়া অনুশাসনের পেছনে লুকিয়ে আছে দীর্ঘ এক দশকের না-বলা ভালোবাসা। কিন্তু বাবার কঠিন শর্ত আর অতীতের এক অনাকাঙ্ক্ষিত ষড়যন্ত্রের কালো মেঘ কি তাদের এক হতে দেবে, নাকি দুজনের স্বপ্নবৃষ্টি অকালেই ঝরে যাবে?
উপন্যাসটির ১ম সিজন সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে (মোট ৩১ পর্ব)। সবগুলো পর্ব বিনামূল্যে গল্পহাবে অনলাইনে পড়ার জন্য উন্মুক্ত রয়েছে।
গল্পের বিশেষত্ব ও হাইলাইটস
পারিবারিক টানাপোড়েন ও পজেসিভ রোম্যান্স
পাশাপাশি দুই পরিবারের অটুট বন্ধনের মাঝে এক রাশভারী অভিভাবকতুল্য তরুণের তীব্র প্রেম ও গভীর সুরক্ষার গল্প।
অম্লমধুর খুনসুটি থেকে গভীর আত্মত্যাগ
বাল্যকালের অকারণ রাগ আর মান-অভিমানের দেয়াল ভেঙে অনুভূতির চূড়ান্ত পরিণতির অনন্য রোমাঞ্চ।
বৃষ্টিস্নাত আবেগময় বাসর সমাপ্তি
দীর্ঘ প্রতীক্ষা, আঘাত ও ষড়যন্ত্রের মেঘ সরিয়ে অবশেষে ছাদের বৃষ্টিতে একাকার হওয়া নিখাদ প্রেম।
প্রধান চরিত্রসমূহ
4দোলা
নায়িকা (Protagonist)চঞ্চল, আবেগপ্রবণ ও দুরন্ত স্বভাবের তরুণী। আদনানের কঠোর অনুশাসনকে প্রথমে অসহ্য মনে করলেও ধীরে ধীরে তার অন্তরের গভীর ভালোবাসার অনুভূতি বুঝতে পারে।
আদনান
নায়ক (Male Lead)গম্ভীর, আত্মমর্যাদাবান ও অত্যন্ত অধিকারবোধসম্পন্ন সফল তরুণ। দোলার বাবার দেওয়া কঠিন প্রতিজ্ঞায় আবদ্ধ হয়ে দীর্ঘ দশ বছর ধরে হৃদয়ের অতল ভালোবাসা গোপন রেখে তাকে আগলে রাখে।
তিথি
প্রতিপক্ষ (Antagonist)আদনানের ভার্সিটি জীবনের একতরফা প্রেমিকা। আদনানের ভালোবাসা পেতে মরিয়া হয়ে যেকোনো ধ্বংসাত্মক ষড়যন্ত্রে জড়াতে দ্বিধা করে না।
আরাফাত
সহায়ক চরিত্রতিথির ভাই; আকস্মিক পরিচয়ে দোলার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়ে এবং তিথির অন্ধ ষড়যন্ত্রের মুখোমুখি দাঁড়ায়।
সূচিপত্র ও সিজনসমূহ
31 টি অধ্যায়
প্রথম খণ্ড: শাসনের আড়ালে শ্রাবণ
দুরন্ত দোলার প্রতি আদনানের রুক্ষ অনুশাসন, দীর্ঘদিনের চেপে রাখা প্রণয়, এক ঈর্ষাকাতর তৃতীয় ব্যক্তির আঘাত এবং বৃষ্টিভেজা মিলনের রোমাঞ্চকর উপাখ্যান।
নিষিদ্ধ খেলার খেসারত
আদনানের চোখ ফাঁকি দিয়ে পাড়ার বাচ্চাদের সাথে মেতে ওঠে দোলা। কিন্তু হঠাৎ ঢাকা থেকে ফিরে আদনান যখন রুদ্রমূর্তি ধারণ করে তাকে টেনে আনে, তখন কি কেবল শাসনেই শেষ হবে ঘটনা, নাকি দোলার এই জেদের পরিণতি হবে আরও ভয়াবহ?
আকস্মিক স্পর্শের শিহরণ
ভীষণ ভয়ে হাত থেকে পড়া ভারী কাঠের ব্যাটে দোলার পা রক্তাক্ত হয়ে ওঠে। ধমক দেওয়ার বদলে ক্ষুব্ধ আদনান যখন নিঃশব্দে তাকে কোলে তুলে বাড়ির পথ ধরে, তখন এই অপ্রত্যাশিত যত্নের আড়ালে জমে থাকা অনুভূতির রহস্য কী?
উন্মুক্ত দরজার ওপারে
আদনানের বাড়ি গিয়ে নুডুলসের বায়না ধরে সোজা তার দরজায় হাজির হয় দোলা। কিন্তু ঘরের ভেতরে খালি গায়ে আয়নার সামনে দাঁড়ানো আদনানকে দেখে চোখের পলক ফেলার আগেই কি চরম অপ্রস্তুত পরিস্থিতির মুখে পড়তে চলেছে সে?
দাবিকৃত গোপন চাবি
লুকিয়ে দেখার অপরাধে রক্ষা পেলেও আদনানের এক অপ্রত্যাশিত দাবিতে কেঁপে ওঠে দোলার বুক। প্রিয় সোশ্যাল আইডি হাতছাড়া হয়ে যাওয়ার পর আদনানের পৈশাচিক শাস্তির মুখে দাঁড়িয়ে দোলার অভিমানী চোখের জল কি কোনো দাগ কাটবে?
নিশাচর ছায়ার ফাঁদ
আদনানকে ভূতের ভয় দেখিয়ে উচিত শিক্ষা দিতে সাদা সুতি শাড়ি জড়িয়ে মাঝরাতে তার ঘরে ঢোকে দোলা। কিন্তু অন্ধকারের মাঝে হঠাৎ জীবন্ত আগুনের শিখা আর পেছনের শক্ত আলিঙ্গনে কি সত্যি কোনো অশরীরী হাজির হলো?
কান্নার আড়ালে অভয়
অন্ধকারে জ্ঞান হারিয়ে পরক্ষণে চোখ মেলে আদনানের ক্রুদ্ধ দৃষ্টির সামনে আবিষ্কার করে নিজেকে। কান্নার ভান করে বাঁচার আকুতি জানাতেই আদনানের বজ্রকণ্ঠের আড়ালে প্রকাশ পায় গভীর এক অজানা ব্যাকুলতা—কী সেই অদৃশ্য টান?
লেকের পাড়ে অনাহূত ঝড়
বান্ধবীদের পাল্লায় পড়ে ক্লাস ফাঁকি দিয়ে পার্কে ফাহাদের অদ্ভুত প্রপোজালের মুখোমুখি হয় দোলা। কিন্তু হাসাহাসির মাঝেই পাশ দিয়ে যাওয়া আদনানের ক্রুদ্ধ চোখ যখন তাদের ওপর পড়ে, তখন কি শুরু হতে চলেছে কোনো প্রলয়?
অপ্রত্যাশিত অতিথির আবির্ভাব
রেস্টুরেন্টে গিয়ে দোলার প্রিয় খাবার খাওয়ানোর মাঝে হঠাৎ উদয় হয় আবেদনময়ী তিথি এবং মুহূর্তেই জড়িয়ে ধরে আদনানকে। সম্পূর্ণ অচেনা এই সুন্দরীর চরম ঘনিষ্ঠতা দেখে দোলার বুকের ভেতর কেন এমন তোলপাড় শুরু হলো?
অশান্তির পদধ্বনি
আদনানের বাড়ি পর্যন্ত তিথির অনধিকার প্রবেশ ও আদিখ্যেতা দেখে দোলা সহ্য করতে না পেরে মাঠের বাচ্চাদের কাছে চলে যায়। কিন্তু বাড়ি ফিরে এসে আদনানের শোবার ঘরে যা দেখে, তাতে কি চিরতরে হারিয়ে যাবে তাদের সম্পর্কের স্বস্তি?
দেয়ালের মুখোমুখি জেরা
তিথির চতুর মিথ্যার পর আদনান যখন দোলাকে একা পেয়ে আলমারির সামনে কোণঠাসা করে ফেলে, তখন অন্য কারো সাথে প্রেমের প্রসঙ্গ তুলতেই ঘরের পরিবেশ কেন এমন থমথমে হয়ে ওঠে?
কুয়াশার মাঝে নীল চাদর
শাস্তিস্বরূপ ভেজা শরীরে শার্ট ধুতে গিয়ে ঠান্ডায় কেঁপে একাকার হয় দোলা। সন্ধ্যায় বারান্দায় বসে চায়ের কাপে চুমুক দেওয়ার সময় আদনানের ঘরে তিথির সোজাসাপ্টা প্রশ্নে আদনান কি তার বহুদিনের গোপনীয়তা ফাঁস করে দেবে?
ষড়যন্ত্রের বীজ
আদনানের মুখের নির্মম সত্যি শুনে প্রতিশোধের আগুনে জ্বলে ওঠে তিথি এবং নিজের ভাই আরাফাতকে ডেকে নেয় এক নোংরা খেলায়। অন্যদিকে বিজয় দিবসের শাড়ি জড়িয়ে বের হতেই দোলা কি বুঝতে পারছে কোন জাল বোনা হচ্ছে তার পেছনে?
নিষ্পলক দৃষ্টির মায়া
শাড়ি পরা দোলাকে গাড়িতে একা পেয়ে হঠাৎ নির্জন রাস্তায় গাড়ি থামায় আদনান। টিস্যু দিয়ে লিপস্টিক মুছে দেওয়ার ঘনিষ্ঠ মুহূর্তে তার নিশ্বাসের উত্তাপ কি বলে দেয় তার ভেতরের না-বলা ব্যাকুলতার সত্য?
ছায়াতলে গোপন দৃষ্টি
কলেজ প্রাঙ্গণে শাড়ির কুচি সামলাতে গিয়ে ব্যর্থ হওয়া দোলার সামনে নিচু হয়ে বসে সহায়তার হাত বাড়ায় আদনান। কিন্তু বন্ধুদের সামনে এই অপ্রত্যাশিত অনুভূতির পর পুকুরপাড়ে তাকে আবার একা পেয়ে আদনান কী করতে চলেছে?
প্রেমের ফাঁদে প্রথম পা
না খেয়ে বসে থাকা দোলাকে নিজের গাড়িতে তুলে যত্ন করে নিজ হাতে খাইয়ে দেয় আদনান। কিন্তু পরদিন কলেজের গেটে দাঁড়িয়ে থাকা তিথির রহস্যময় হাসি কি কোনো আসন্ন ঝড়ের পূর্বাভাস দিচ্ছে?
অচেনা যুবকের সাথে সংঘাত
বান্ধবীর জন্মদিনের কেক নিয়ে আসার পথে হঠাৎ এক রুক্ষ যুবকের সাথে ধাক্কা খেয়ে কেক নষ্ট হয়ে যায় দোলার। তর্কাতর্কিতে কেক ফিরে পেলেও লোভাতুর চোখে হাসতে থাকা এই অচেনা যুবক আসলে কে?
ললাটে আঁকা পরশ
অতিরিক্ত ফুচকা খেয়ে তীব্র পেটব্যথায় যখন জ্ঞান হারানোর দশা দোলার, তখন গভীর রাতে ডাক্তার নিয়ে হাজির হয় দিশেহারা আদনান। কিন্তু ক্ষোভের শেষে দোলার কপালে আলতো চুমু এঁকে দিয়েই কেন ঝড়ের বেগে ঘর ছেড়ে চলে গেল সে?
ছাদের ওপারে প্রেমের চ্যালেঞ্জ
আদনানের বুকে হুমড়ি খেয়ে পড়ার লজ্জা চেপে রেখে দোলা সরাসরি জিজ্ঞেস করে বসে তার ভালোবাসার কথা। অস্বীকার করলেও ছাদের রেলিংয়ে দাঁড়িয়ে দোলা যখন তাকে সরাসরি প্রেমের প্রস্তাব দেয়, তখন কি আদনানের দেয়াল ভাঙবে?
শাড়ির ভাজে লুকানো জেদ
আদনানকে মুগ্ধ করতে নিজে নিজে পেঁচিয়ে অদ্ভুতভাবে শাড়ি পরে দরজা খোলে দোলা। ঘরে ঢুকে আদনানের অট্টহাসির মাঝে আচমকা তার গলা জড়িয়ে ধরে দোলা কি পারবে আদনানকে দিয়ে সত্য স্বীকার করাতে?
মধ্যরাতের খুনসুটি
গভীর রাতে ফোন করে আদনানের ঘুম হারাম করে দেয় দোলা। পরদিন কলেজ গেটে আইসক্রিম খাওয়ার সময় সেই বিতর্কিত অচেনা যুবক আরাফাত যখন পরিচিত হতে আসে, তখন কোন গভীর ফাঁদের পথ তৈরি হচ্ছে?
ল্যাপটপ স্ক্রিনের প্রতিচ্ছবি
আদনানের ঘরে একা ঢুকে তার ল্যাপটপ খুলতেই চোখ ছানাবড়া হয়ে যায় দোলার—স্ক্রিনজুড়ে কেবল তার নিজেরই হাসিমুখের ছবি! এই গোপন ভালোবাসার প্রমাণ পেয়েও আদনান কি পারবে সবকিছু অস্বীকার করে দূরে থাকতে?
বুকের অতল হাহাকার
ক্লান্ত আদনানের মাথায় হাত বুলিয়ে দিতেই হঠাৎ দোলার হাত নিজের বুকের ওপর চেপে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়ে সে। না-বলা তীব্র যন্ত্রণার কথা প্রকাশ করেও পরক্ষণেই কেন আবার দোলাকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয় আদনান?
ঈর্ষার জ্বলন্ত শিখা
আদনানকে জেলাস করতে আরাফাতের নাম তুলতেই ক্ষোভে ফেটে পড়ে সে। দোলার গাল চেপে ধরে দেয়ালে ঠেকিয়ে হিংস্র বাঘের মতো শাসাতে গিয়ে আদনান কি তার ভালোবাসার উন্মাদনা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে?
চুম্বনের অতল শিহরণ
অভিমান করে গালে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা দোলাকে শক্ত করে কোলে টেনে নেয় আদনান। উত্তপ্ত নিশ্বাসের দোলাচলে অতর্কিতে দোলার গালে চুমু খেয়ে ফেলতেই দুজনের বুকের ভেতর কি প্রলয় ঘটে গেল?
ডিনার টেবিলের নীরব লড়াই
দুই পরিবারের সামনে খাবার টেবিলে বসেও আদনানের পায়ের সাথে খুনসুটি শুরু করে দোলা। কিন্তু ড্রয়িংরুমে তাকে একা পেয়ে আদনান যখন গলা চেপে ধরে প্রপোজালের শর্ত দেয়, তখন কি উন্মোচিত হবে তাদের আসল ভবিষ্যৎ?
দশ বছরের গোপন বন্দিদশা
তিথির আগমনে তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়ে আদনানের কলার চেপে ধরে দোলা। জবাবে আদনান তাকে নিজের বাহুডোরে আবদ্ধ করে দশ বছরের গোপন ভালোবাসার অশ্রুসিক্ত স্বীকারোক্তি দিতেই কি পৃথিবীর সব আলো তাদের ঘিরে ধরল?
কালো গাউনের মায়াবী মোহ
পার্টিতে আদনানের পাঠানো কালো গাউন পরে দোলা আসতেই সবার নজর কেড়ে নেয়। প্রকাশ্যে তিথিকে অপমান করে দোলাকে নিজের বলে জড়িয়ে ধরতেই দোলার এক অপ্রত্যাশিত পাল্টা চুম্বনে পুরো উৎসব কি স্তব্ধ হয়ে গেল?
বাগানের অন্ধকার ক্ষত
লজ্জা ঢাকতে নির্জন বাগানে একা দাঁড়িয়ে থাকা দোলার মাথায় হঠাৎ আঘাত হানে এক হিংস্র ছায়া। রক্তে ভেসে যাওয়া মাটিতে জ্ঞান হারানোর মুহূর্তে তিথির পৈশাচিক হাসি কি চিরতরে শেষ করে দিল দোলার বাঁচার আশা?
মৃত্যুশয্যায় জীবনের মিনতি
হাসপাতালের আইসিইউর সামনে পাগলের মতো ডাক্তারকে হুমকি দিয়ে কাঁদতে থাকে আদনান। মসজিদের জায়নামাজে চোখের জলে দোলার জীবন ভিক্ষা চাওয়ার পর কি ফিরে আসবে তার নিভে যাওয়া প্রাণভোমরা?
চক্রান্তের মুখোশ উন্মোচন
ডাক্তারদের আশা ছেড়ে দেওয়ার মুখে আকস্মিক অলৌকিকতায় ফিরে আসে দোলার জ্ঞান। অন্যদিকে রাজপথে তিথি আর আরাফাতের প্রকাশ্য লড়াই দেখে আদনান কি জানতে পারবে দোলার এই অবস্থার মূল কারিগর কে?
বৃষ্টিস্নাত পূর্ণতা
পাপের প্রায়শ্চিত্ত আর পিতা-মাতার শর্তের বেড়াজাল পেরিয়ে আসে সেই বহুকাঙ্ক্ষিত দিন। বাসর রাতে ঝুম বৃষ্টির ধারায় ছাদের বুকে দোলাকে কোলে তুলে নেওয়ার পর কি অবশেষে শান্ত হলো দীর্ঘ দশ বছরের অতৃপ্ত প্রণয়তৃষ্ণা?
কোনো অধ্যায় খুঁজে পাওয়া যায়নি।
সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQs)
বৃষ্টি হয়ে নামবো (Brishti Hoye Nambo) উপন্যাসের মূল কাহিনী কী?
বৃষ্টি হয়ে নামবো উপন্যাসের মোট কয়টি পর্ব রয়েছে?
বৃষ্টি হয়ে নামবো উপন্যাসের লেখিকা কে?
বৃষ্টি হয়ে নামবো উপন্যাসটি কি বিনামূল্যে অনলাইনে পড়া যায় নাকি PDF ডাউনলোড করতে হবে?
বৃষ্টি হয়ে নামবো উপন্যাসের পরবর্তী সিজন বা পর্ব কি আসবে?
পাঠক রিভিউ ও রেটিং
0 টি রিভিউ · 0 জন পাঠক
0 টি রিভিউ