নীরবতার আড়ালে
চলমান 13+

নীরবতার আড়ালে

রাত ২টা ১৭ মিনিটে আসা একটি অচেনা ফোনকল তছনছ করে দেয় মাইশার স্বাভাবিক জীবন। বারো বছর আগে হারিয়ে যাওয়া মায়ের অন্ধকার অতীত আর রায়হানের পরিবারের গোপন ইতিহাসের মাঝে দাঁড়িয়ে সে কি খুঁজে পাবে সত্যের সন্ধান, নাকি নীরবতার আড়ালেই হারিয়ে যাবে সব সম্পর্ক?

মোট সিজন
1
মোট অধ্যায়
33
মোট শব্দ
37,418
আনুমানিক পড়ার সময়
249 মিনিট পড়া
পড়া শুরু করুন (১ম পর্ব)সর্বশেষ পর্ব (33)
রেটিং ও রিভিউ

সিজন ১ সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে (মোট ৩৩ পর্ব)। পরবর্তী সিজন বা নতুন স্পিন-অফ সংক্রান্ত যেকোনো আনুষ্ঠানিক আপডেট গল্পহাবের এই পাতায় জানিয়ে দেওয়া হবে।

গল্পের বিশেষত্ব ও হাইলাইটস

রহস্য ও মনস্তাত্ত্বিক রোম্যান্স

বারো বছরের পুরোনো পারিবারিক অন্তর্ধানের তদন্তের সমান্তরালে গড়ে ওঠা এক অকথিত, গভীর ভালোবাসার গল্প।

কৈশোর ও বন্ধুত্বের উষ্ণতা

কলেজ ফেস্ট, খুনসুটি, পিকনিক ও বন্ধুত্বের মধুর মুহূর্তগুলোর নিখুঁত ও প্রাণবন্ত উপস্থাপন।

উত্তেজনাপূর্ণ সত্যের উন্মোচন

প্রতিটি পর্বে ছড়িয়ে থাকা সাংকেতিক ক্লু, পুরোনো চিঠি ও ডায়েরির পাতা ধরে চরম ক্লাইম্যাক্সের দিকে ধাবমান কাহিনী।

প্রধান চরিত্রসমূহ

6

মাইশা (মেহেজাবিন ইসলাম মাইশা)

নায়িকা (Protagonist)

মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের চঞ্চল, আত্মবিশ্বাসী ও স্পষ্টভাষী ছাত্রী। বারো বছর ধরে মায়ের হারিয়ে যাওয়ার লুকানো সত্য উদ্ঘাটনে আপসহীন।

রায়হান ব্যাপারী (আমির ইসলাম রায়হান)

নায়ক (Male Lead)

গম্ভীর, শান্ত ও অন্তর্মুখী স্বভাবের তরুণ। মাইশাকে সব বিপদ থেকে আগলে রাখতে গিয়ে নিজের পরিবারের অতীতের অন্ধকার রহস্যের মুখোমুখি হয়।

রফিকুল ইসলাম মিলন

মাইশার বাবা

মেয়ের সুরক্ষায় দীর্ঘদিন ধরে অতীতের রূঢ় বাস্তবতা লুকিয়ে রাখা একজন আত্মত্যাগী ও দায়িত্ববান পিতা।

তানিয়া

মাইশার মা

২০১৪ সালের এক ঝোড়ো রাতে মেয়ের জীবন বাঁচাতে পরিবারের চোখের আড়ালে চলে যেতে বাধ্য হওয়া রহস্যময়ী নারী।

রাশেদ ব্যাপারী

গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র

২০১৪ সালের রাতের সেই অচিন্ত্যনীয় ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এবং তানিয়ার সবচেয়ে বিশ্বস্ত আশ্রয়দাতা।

মোমো ও লামিয়া

সহচর ও বন্ধু

মাইশার সার্বক্ষণিক ছায়াসঙ্গী ও বিশ্বস্ত বান্ধবী, যারা জীবনের প্রতিটি সংকট ও আনন্দের মুহূর্তে তার পাশে দাঁড়িয়েছে।

সূচিপত্র ও সিজনসমূহ

33 টি অধ্যায়

সিজন 1

প্রথম খণ্ড: রুদ্ধশ্বাস সত্য ও নীরব ভালোবাসা

রাত ২টা ১৭ মিনিটের এক অচেনা ফোনকল থেকে শুরু করে ২০১৪ সালের অন্ধকার সত্য উদ্ঘাটন এবং নীরব ভালোবাসার পূর্ণতা পাওয়ার অবিস্মরণীয় আখ্যান।

33 টি অধ্যায়
মধ্যরাতের অচেনা সংকেত
অধ্যায় 1

মধ্যরাতের অচেনা সংকেত

বৃষ্টিভেজা রাতের গভীর নীরবতা ভেঙে হঠাৎ বেজে ওঠে মাইশার ফোন। স্ক্রিনে অচেনা নম্বর আর ওপাশে রায়হান ব্যাপারীর শান্ত অথচ শিহরণ জাগানো কণ্ঠ। তার দাবি—মাইশার মা সম্পর্কে সে যা জানে তা সত্য নয়। বারো বছর আগের হারিয়ে যাওয়া সত্য কি এই একটি আহ্বানেই বদলে দেবে সব হিসাব?

6 মিনিট পড়া পড়ুন →
নদীর ঘাটে পুরোনো খাম
অধ্যায় 2

নদীর ঘাটে পুরোনো খাম

সকালের নাস্তার টেবিলে রায়হান ব্যাপারীর নাম শুনতেই বাবার চোখের পাতা কেঁপে ওঠে। সত্যের টানে বিকেলে পুরোনো নদীর ঘাটে গিয়ে দাঁড়ায় মাইশা। রায়হানের হাত থেকে পাওয়া হলুদ খামে থাকা ‘রাশেদ’ নামটি কেন মাইশার পরিচিত অতীতকে নতুন কোনো সংকটের মুখে দাঁড় করিয়ে দেয়?

8 মিনিট পড়া পড়ুন →
অস্পষ্ট স্মৃতির মায়াজাল
অধ্যায় 3

অস্পষ্ট স্মৃতির মায়াজাল

শান্ত ক্যাফের টেবিলে ছড়িয়ে থাকা পুরোনো নোটবুকের পাতার ফাঁকে জন্ম নেয় মিষ্টি খুনসুটি। মাইশার চোখের তিল আর আত্মবিশ্বাস নিয়ে রায়হানের রসিকতা মুহূর্তের জন্য ভুলিয়ে দেয় ভয়ের ছায়া। কিন্তু ‘ভাই’ ডাকের আপত্তির আড়ালে রায়হান কি তার নিজের ভেতরের কোনো গোপন টান ঢেকে রাখছে?

5 মিনিট পড়া পড়ুন →
ক্যামেরায় বন্দি দ্বিধা
অধ্যায় 4

ক্যামেরায় বন্দি দ্বিধা

রহস্যের সমাধানের মুখোমুখি বসে গম্ভীর মুখে চকলেট মুখে পুরে নেয় মাইশা। তার এমন শিশুসুলভ জেদ রায়হানের কঠোর মুখেও হাসি ফুটিয়ে তোলে। চকলেটে মগ্ন মাইশার মুখের ছবি নিজের ক্যামেরায় বন্দি করে রায়হান; কিন্তু মাইশার অজান্তেই উচ্চারিত এক সত্য কি রায়হানের বুককে কাঁপিয়ে দিল?

4 মিনিট পড়া পড়ুন →
বন্ধ বাক্সের গোপন চাবি
অধ্যায় 5

বন্ধ বাক্সের গোপন চাবি

বাবার স্টাডি রুমের পুরোনো কাঠের বাক্স খুলতেই বেরিয়ে আসে মায়ের হাতে লেখা একটি অসম্পূর্ণ চিঠি এবং ‘G.B.B — 2014’ খোদাই করা এক অচেনা চাবি। ফোনে রায়হানের উদ্বেগভরা সতর্কবার্তা জানিয়ে দেয়—এই চাবি কোনো সাধারণ দরজার নয়। ২০১৪ সালের কোন রুদ্ধ সত্যের চৌকাঠে এসে দাঁড়িয়েছে মাইশা?

6 মিনিট পড়া পড়ুন →
ব্যস্ত রাস্তায় ক্ষণিক খুনসুটি
অধ্যায় 6

ব্যস্ত রাস্তায় ক্ষণিক খুনসুটি

কেমিস্ট্রির প্রশ্নপত্র হাতে নিয়ে ফুটপাতে দাঁড়িয়ে শিক্ষাব্যবস্থাকে তুমুল ঝাড়ি দিতে থাকে মাইশা। ঠিক তখনই গাড়ির গ্লাস নামিয়ে হাজির হয় রায়হান। পুরো কেমিস্ট্রি ডিপার্টমেন্টের বিরুদ্ধে মাইশার যুদ্ধ আর রায়হানের মুচকি হাসি কি এক মুহূর্তের জন্য তাদের চারপাশের সব গভীর শঙ্কা ভুলিয়ে দিতে পারল?

4 মিনিট পড়া পড়ুন →
ছবির পেছনের অন্ধকার ছায়া
অধ্যায় 7

ছবির পেছনের অন্ধকার ছায়া

পুরোনো জিনিসের ঘরে পাওয়া যায় মায়ের সাথে ‘সায়রা’ নামের এক অচেনা নারীর ছবি। সেই ছবির পেছনে দেখা যায় এক ভগ্নপ্রায় পুরোনো দালানের ফলক—গুনহাজী ব্যাপারী বাড়ি। গাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে রায়হানের কণ্ঠে গাওয়া অস্ফুট গান কি শুধুই সুর, নাকি কোনো গভীর অনুভূতির পূর্বাভাস?

5 মিনিট পড়া পড়ুন →
অমীমাংসিত প্রশ্নের দোলাচল
অধ্যায় 8

অমীমাংসিত প্রশ্নের দোলাচল

নিজের সাবেক প্রেমিক আর ‘এক বাচ্চার আম্মু’ হওয়ার নাটক সাজিয়ে রায়হানকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে মাইশা। কিন্তু রসিকতার ছলে মাইশা যখন বিয়ের কথা তোলে, রায়হানের অকপট শান্ত সম্মতি কেন মাইশাকে পুরোপুরি বাকরুদ্ধ করে দেয়? নিছক হাসাহাসির আড়ালে কোন সত্য অপেক্ষা করছে?

3 মিনিট পড়া পড়ুন →
উৎসবের আলোয় নীল শিহরণ
অধ্যায় 9

উৎসবের আলোয় নীল শিহরণ

আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ফেস্টে হালকা নীল শাড়িতে আবির্ভূত হয় মাইশা। ভিড়ের মাঝে তাকে দেখে ক্ষণিকের জন্য থমকে যায় রায়হানের পৃথিবী। গোপনে তোলা ছবি আর ‘নীল শাড়ির বিপদ’ ফোল্ডারের পেছনে যখন আনন্দের জোয়ার, ঠিক তখনই অচেনা নম্বর থেকে ভেসে আসে এক ভয়ংকর পারিবারিক সতর্কবার্তা।

11 মিনিট পড়া পড়ুন →
অপ্রত্যাশিত ক্রোধ ও দূরত্ব
অধ্যায় 10

অপ্রত্যাশিত ক্রোধ ও দূরত্ব

ক্লোজ ফ্রেন্ডসের স্টোরিতে রায়হানের দেওয়া পোস্ট বন্ধুদের মাঝে তোলপাড় ফেলে দেয়। পরদিন সকালে স্কুলের গেটে ক্রুদ্ধ মাইশাকে শান্ত করতে গিয়ে জানা যায় ক্লাসরুমের এক চরম অপ্রীতিকর ঘটনার কথা। কিন্তু আনিকাকে মাইশার থাপ্পড় মারার পেছনের পারিবারিক অপমানটি আসলে কী ছিল?

7 মিনিট পড়া পড়ুন →
রকমারি বুকশেলফ

পাঠকদের পছন্দের বই

পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই

ক্লাসরুমের বাইরে নীরব সুরক্ষা
অধ্যায় 11

ক্লাসরুমের বাইরে নীরব সুরক্ষা

রাগের মাথায় রায়হানের নম্বর ব্লক করে ক্লাসে গুম মেরে বসে থাকে মাইশা। কিন্তু পরদিন সকালে ৩০৮ নম্বর ক্লাসরুমের দরজায় শিক্ষিকার সামনে রায়হানের অপ্রত্যাশিত উপস্থিতি তাকে স্তব্ধ করে দেয়। ‘কাজিন’ পরিচয়ের আড়ালে রায়হান কি শুধুই এক অভিভাবক, নাকি তার চোখে খেলা করছে অধিকারবোধের অন্য কোনো আলো?

3 মিনিট পড়া পড়ুন →
শীতের সকালে অজানা যাত্রা
অধ্যায় 12

শীতের সকালে অজানা যাত্রা

নোয়াখালী যাওয়ার পথে গাড়ির পেছনের সিটে রায়হানের অপ্রত্যাশিত আগমন পুরো পরিবেশকে চঞ্চল করে তোলে। শীতের ভোরে গানের মৃদু ছন্দে রায়হানের কাঁধে হেলে পড়ে মাইশার ঘুমন্ত মাথা। কিন্তু পথিমধ্যে আলভির একটি সাধারণ ভিডিও কল কেন রায়হানের ঠোঁটের হাসি মুছে দিয়ে জাগিয়ে তোলে এক তীব্র নীরবতা?

8 মিনিট পড়া পড়ুন →
মিথ্যার আড়ালে গোপন স্বীকারোক্তি
অধ্যায় 13

মিথ্যার আড়ালে গোপন স্বীকারোক্তি

মাইশার মিথ্যা এনগেজমেন্টের সাজানো নাটক মুহূর্তে ওলটপালট করে দেয় রায়হানের মানসিক ভারসাম্য। অন্য কারও সাথে মাইশার সম্পর্কের ভীতিতে এতদিন মনের গভীরে চেপে রাখা সেই চরম সত্যিটি শেষমেশ প্রকাশ করতে বাধ্য হয় রায়হান। মোমো আর লামিয়ার চাতুরির কাছে কি ধরা পড়ে গেল তার অতল ভালোবাসা?

10 মিনিট পড়া পড়ুন →
পড়ন্ত বিকেলে যুগল স্মৃতি
অধ্যায় 14

পড়ন্ত বিকেলে যুগল স্মৃতি

উঠানের নরম আলোয় রায়হানের অনুরোধে তোলা তিনটি বিশেষ ছবি হয়ে ওঠে এক অনন্য স্মৃতিচিহ্ন। ইনস্টাগ্রামের পাতায় ভেসে ওঠা যুগল ছবি যখন মাইশার হৃদয়ে দোলা দেয়, তখন বারান্দায় দাঁড়িয়ে প্রথমবার জানা যায় তার পুরো নাম—‘আমির ইসলাম রায়হান’। এই নামের আড়ালে আর কী লুকানো রয়েছে?

5 মিনিট পড়া পড়ুন →
অচেনা সতর্কবার্তার নতুন জাল
অধ্যায় 15

অচেনা সতর্কবার্তার নতুন জাল

বন্ধুদের মেসেঞ্জারে মাইশাকে ‘ভাবি’ বানানোর উল্লাসে যখন হাসির জোয়ার, রায়হানের একা দাঁড়িয়ে থাকা ছাদের নীরবতায় তখন হঠাৎ ছিটকে পড়ে তীব্র অন্ধকার। ‘যাকে সবাই তোমার বৌ ভাবছে, তাকে নিয়ে নিশ্চিন্ত হয়ো না’—অচেনা নম্বরের এমন বিষাক্ত হুঁশিয়ারি কি তাদের অনাগত সম্পর্কের ওপর অশনিসংকেত?

9 মিনিট পড়া পড়ুন →
পুরোনো ঘড়ির ধূসর সংকেত
অধ্যায় 16

পুরোনো ঘড়ির ধূসর সংকেত

২০১৪ সালের পুরোনো এক ছবিতে অচেনা এক ব্যক্তির কব্জিতে জ্বলজ্বল করে ওঠে ‘R.B.’ খোদাই করা বিশেষ ঘড়ি। অচেনা নম্বরের দাবি—তানিয়া হারিয়ে যাওয়ার পেছনে রায়হানের বাবারও কোনো ভূমিকা ছিল। ভালোবাসার প্রস্ফুটিত কুঁড়ির ভেতরে কি তবে লুকিয়ে আছে কোনো রক্তক্ষয়ী বিশ্বাসঘাতকতা?

7 মিনিট পড়া পড়ুন →
জন্মদিনের আলোয় রঙিন বিভ্রম
অধ্যায় 17

জন্মদিনের আলোয় রঙিন বিভ্রম

সকাল থেকে সবার অবহেলায় একা রায়হান যখন বেদনায় নীল, ফুড ফরেস্টে সাদা মুক্তোর মতো শাড়িতে মাইশা সাজিয়ে তোলে এক স্বপ্নের মতো সারপ্রাইজ। গানের তালে রায়হানের হাত ধরে মাইশার নাচ যখন মুগ্ধতা ছড়ায়, ঠিক তখনই মেসেজের স্ক্রিনে আবারও ভেসে ওঠে তানিয়ার জীবনের গোপন সতর্কবার্তা।

9 মিনিট পড়া পড়ুন →
ভেজা চোখে নীরব হাহাকার
অধ্যায় 18

ভেজা চোখে নীরব হাহাকার

মাঠে ফুটবল খেলার সময় অসাবধানতায় বল গিয়ে আঘাত হানে মাইশার নাকে। রক্তের ধারা দেখেই পাথর হয়ে যাওয়া শক্তপোক্ত রায়হান আকস্মিকভাবে শিশুর মতো কান্নায় ভেঙে পড়ে। মাইশার একটু ব্যথায় রায়হানের এমন বাঁধভাঙা ব্যাকুলতা কি সম্পর্কের কোনো অলিখিত সীমানা অতিক্রম করে গেল?

8 মিনিট পড়া পড়ুন →
পশ্চিম ঘরের নিভে যাওয়া আলো
অধ্যায় 19

পশ্চিম ঘরের নিভে যাওয়া আলো

পুরোনো বাড়ির নীরবতার আড়ালে লুকিয়ে থাকা সেই রুদ্ধদ্বার পশ্চিম ঘরের চিরকুট পেয়ে স্তব্ধ হয়ে যায় মাইশা। সন্ধ্যার ঘন অন্ধকারে সেই বন্ধ ঘরের জানালায় ক্ষীণ এক আলো জ্বলে উঠতে দেখে রায়হানের চোখও জমে যায়। ২০১৪ সালের পুনরাবৃত্তির ভয় দেখিয়ে প্রেরিত মেসেজটি কার চক্রান্ত?

7 মিনিট পড়া পড়ুন →
বারো বছরের রুদ্ধদ্বার রহস্য
অধ্যায় 20

বারো বছরের রুদ্ধদ্বার রহস্য

হাতে থাকা G.B.B. চাবি দিয়ে তালা খুলতেই সামনে এসে দাঁড়ায় হেমেশ চাচা। তানিয়ার নাম শুনে তার চোখের আতঙ্ক ইঙ্গিত দেয় এক ভয়ংকর পরিণতির। কালো খামের নিচে লুকানো ‘মাইশাকে রায়হানের কাছ থেকে দূরে রেখো’ লাইনটি কি দুজনের সদ্য প্রস্ফুটিত বন্ধনকে ধ্বংসের মুখে দাঁড় করিয়ে দেবে?

9 মিনিট পড়া পড়ুন →
রকমারি বুকশেলফ

পাঠকদের পছন্দের বই

পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই

চশমার আড়ালে অভিমানে ভরা দৃষ্টি
অধ্যায় 21

চশমার আড়ালে অভিমানে ভরা দৃষ্টি

সারারাত জেগে থাকা ফোলা চোখে চশমা পরে বের হওয়া মাইশাকে দেখে রায়হানের দৃষ্টি আটকে যায়। কিন্তু আয়ানের সঙ্গে রাত জেগে কথা বলার গল্প আর পুরোনো প্রস্তাবের কথা উঠতেই রায়হানের মুখে নেমে আসে তীব্র মৌনতা ও ঈর্ষা। মাইশার ছোট্ট একটি গান কি তার সেই অভিমানের বরফ গলাতে পারবে?

7 মিনিট পড়া পড়ুন →
উৎসবের ভিড়ে আকস্মিক পতন
অধ্যায় 22

উৎসবের ভিড়ে আকস্মিক পতন

ড্রিম হলিডে পার্কের কোলাহলে সিফাত-লামিয়ার প্রেমের সূচনা যখন সবার মুখে হাসি ফোটায়, রায়হানের চার কাল্পনিক বান্ধবীর জবাবে হঠাৎ স্তব্ধ হয়ে যায় মাইশা। তীব্র জ্বরে ভারসাম্য হারিয়ে রায়হানের বুকেই ঢলে পড়ে সে। রায়হানের আতঙ্কিত দৃষ্টির আড়ালে কি নিছকই অসুখ, নাকি কোনো না-বলা মানসিক পীড়ন?

5 মিনিট পড়া পড়ুন →
হাতের রেখায় আঁকা অধিকার
অধ্যায় 23

হাতের রেখায় আঁকা অধিকার

বারবিকিউ পার্টির ধোঁয়ায় মোড়া রাতে মাইশার হাতে গভীর মনোযোগে মেহেদি পরিয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দেয় রায়হান। বিনিময়ে নিজের হাতে মাইশার এঁকে দেওয়া ‘My Spider Boy’ আর মাকড়সার নকশা রায়হানের চোখে এনে দেয় অপার তৃপ্তি। কিন্তু আনন্দের চরম শিখরে আসা সেই বিষাক্ত বার্তাটি কার?

9 মিনিট পড়া পড়ুন →
পুরোনো ফাইলে লুকানো নাম
অধ্যায় 24

পুরোনো ফাইলে লুকানো নাম

বাবার পুরোনো বাক্সের ভেতর থেকে পাওয়া যায় তানিয়া ও রাশেদের সাথে রায়হানের বাবার নাম খোদাই করা চিঠি ও সেই ঐতিহাসিক R.B. ঘড়ি। ওপাশের অচেনা কণ্ঠের দাবি—তানিয়ার অন্তর্ধানের রাতে রায়হানের বাবাও নদীর ঘাটে উপস্থিত ছিলেন। এই সত্য কি তাদের সদ্য গড়া বিশ্বাস ভেঙে চুরমার করে দেবে?

9 মিনিট পড়া পড়ুন →
নানির ফোনে কান্নার প্রতিধ্বনি
অধ্যায় 25

নানির ফোনে কান্নার প্রতিধ্বনি

নানির কল এক নতুন সত্যের দ্বার উন্মোচন করে—পুরোনো বাড়ির পশ্চিম ঘরে লুকানো রয়েছে তানিয়ার রেখে যাওয়া একটি ফোন এবং তার নিজস্ব ভয়েস রেকর্ডিং। দেয়ালের ভেতর লুকিয়ে থাকা সেই গোপন ডিভাইসে কী সংরক্ষিত আছে, যার কোড লুকিয়ে ছিল রাশেদের ঘড়ির কাঁটার পেছনেই?

9 মিনিট পড়া পড়ুন →
স্মৃতির অরণ্যে ভাঙা স্বর
অধ্যায় 26

স্মৃতির অরণ্যে ভাঙা স্বর

কোড ০২১৭ চাপতেই বহু বছর পর মায়ের অশ্রুসিক্ত কণ্ঠ শুনতে পায় মাইশা—‘আমি তোকে ছেড়ে যাইনি মাইশু!’ তানিয়ার স্বীকারোক্তি প্রমাণ করে রায়হানের বাবা ছিলেন রক্ষক, শত্রু নন। কিন্তু শেষ অডিও ফাইলে উল্লেখিত সেই অচেনা নারী কে, যে তানিয়াকে নদী পার হতে সাহায্য করেছিল?

9 মিনিট পড়া পড়ুন →
নদীর মোহনায় শেষ বিদায়
অধ্যায় 27

নদীর মোহনায় শেষ বিদায়

পুরোনো ফোনের গোপন ফোল্ডারে মেলে ২০১৪ সালের সেই ঝাপসা ভিডিও ক্লিপ। নদীর ঘাটে তানিয়ার কাতর অশ্রু আর এক অচেনা নারীর জোরপূর্বক তাকে সরিয়ে নেওয়ার দৃশ্য উন্মোচিত করে এক নারকীয় সত্য। কিন্তু ভিডিওর শেষ ফ্রেমে দাঁড়িয়ে থাকা সেই রহস্যময় ছায়ামূর্তিটি কার ছিল?

7 মিনিট পড়া পড়ুন →
চরবাগানের পরিত্যক্ত গুদামে সত্যসন্ধান
অধ্যায় 28

চরবাগানের পরিত্যক্ত গুদামে সত্যসন্ধান

নদীর ওপারে চরবাগানের ভগ্ন গুদামে তানিয়া ও রাশেদের ফেলে যাওয়া নিশানা খুঁজতে হাজির হয় মাইশা ও রায়হান। ঘড়ির ব্যাককভারের ভেতর লুকিয়ে থাকা চিরকুটে মেলে ‘সায়রা হক’ নামটি। তানিয়ার শেষ চিঠির সতর্কবাণী স্পষ্ট জানিয়ে দেয়—তাদের পরিবারের ভেতরেই ঘাপটি মেরে আছে আসল চক্রান্তকারী।

8 মিনিট পড়া পড়ুন →
ছেঁড়া ডায়েরির অশ্রুভেজা পাতা
অধ্যায় 29

ছেঁড়া ডায়েরির অশ্রুভেজা পাতা

পশ্চিম ঘরের পুরোনো আলমারিতে পাওয়া যায় তানিয়ার কালো ডায়েরি। পাতার পর পাতায় মাইশার জন্য মায়ের অতল স্নেহ আর এক গোপন শত্রুর আশঙ্কার বয়ান। ডায়েরি শেষ হতেই ফোনে ভেসে আসে স্বয়ং সায়রা হকের কণ্ঠ—তানিয়া বেঁচে ছিল! কিন্তু বাবার পাঠানো রাশেদ কেন তানিয়াকে রক্ষা করতে পারেনি?

10 মিনিট পড়া পড়ুন →
বাবার চোখে গভীর অনুশোচনা
অধ্যায় 30

বাবার চোখে গভীর অনুশোচনা

কালো ডায়েরি সামনে রাখতেই দীর্ঘ বারো বছরের পাথুরে নীরবতা ভাঙতে বাধ্য হন মাইশার বাবা। ২০১৪ সালের সেই রাতে তানিয়াকে বাঁচাতে রাশেদকে নদীর ঘাটে পাঠানোর নেপথ্য কাহিনী স্বীকার করেন তিনি। রাশেদ এখনও বেঁচে আছে জেনে বাবার দিক থেকে আসা নতুন ঠিকানা কি মাইশাকে মায়ের সামনে নিয়ে দাঁড় করাবে?

8 মিনিট পড়া পড়ুন →
রকমারি বুকশেলফ

পাঠকদের পছন্দের বই

পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই

চৌকাঠের ওপাশে দাঁড়িয়ে থাকা অতীত
অধ্যায় 31

চৌকাঠের ওপাশে দাঁড়িয়ে থাকা অতীত

দূরবর্তী শান্ত পল্লীতে রাশেদ ব্যাপারীর দরজায় কড়া নাড়তেই খুলে যায় ইতিহাসের শেষ রুদ্ধ দুয়ার। মাইশার মুখ দেখে রাশেদের চোখের বাঁধভাঙা জল আর তানিয়ার রেখে যাওয়া শেষ চিঠি তছনছ করে দেয় পুরোনো সব সন্দেহ। তানিয়া কোনোদিন মাইশাকে ত্যাগ করেনি—কিন্তু এত বছর কার ভয়ে সে আড়ালে ছিল?

11 মিনিট পড়া পড়ুন →
কুয়াশা ভেদ করে আলোকের স্পর্শ
অধ্যায় 32

কুয়াশা ভেদ করে আলোকের স্পর্শ

৩১ ডিসেম্বরের সাজানো আলো ঝলমলে প্রেক্ষাগৃহে গাঢ় মেরুন শাড়িতে পা রাখে মাইশা। সামনে দাঁড়িয়ে থাকা এক চিরচেনা নারীর মুখে ফুটে ওঠে একরাশ অশ্রুসিক্ত অপত্য স্নেহ—‘মাইশু!’ বারো বছরের সীমাহীন বিচ্ছেদ কি নিমেষেই বিলীন হয়ে গেল মায়ের এক গভীর আলিঙ্গনে?

10 মিনিট পড়া পড়ুন →
নতুন বছরের নীরব অঙ্গীকার
অধ্যায় 33

নতুন বছরের নীরব অঙ্গীকার

নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়ার রাতে ফিরে আসে প্রবাসে থাকা প্রিয়জনরা। ট্রুথ অর ডেয়ারের খেলায় রায়হানের চোখের দিকে তাকিয়ে মাইশার গান আর একগুচ্ছ রক্তগোলাপের বিনিময়ে রায়হানের অস্ফুট দৃষ্টির চাহনি জানিয়ে দেয়—কিছু ভালোবাসা মুখে প্রকাশ পায় না, কিন্তু নীরবতার গভীরেই বাঁধে আজীবনের ঘর।

13 মিনিট পড়া পড়ুন →

সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQs)

নীরবতার আড়ালে (Nirobotar Arale) উপন্যাসটির মূল পটভূমি কী?
উপন্যাসটি মাইশা নামের এক কলেজপড়ুয়া কিশোরী এবং রায়হান ব্যাপারী নামের এক যুবকের চারপাশে আবর্তিত। ২০১৪ সালে মাইশার মায়ের হঠাৎ হারিয়ে যাওয়া এবং সেই রাতের সঙ্গে রায়হানের পরিবারের যোগসূত্র ঘিরে তৈরি হওয়া রহস্য ও ভালোবাসার রোমাঞ্চকর দ্বন্দ্ব এর মূল ভিত্তি।
নীরবতার আড়ালে উপন্যাসের মোট কয়টি পর্ব রয়েছে?
উপন্যাসটির প্রথম সিজনে মোট ৩৩টি পূর্ণাঙ্গ পর্ব রয়েছে এবং সিজনটি আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত (Completed)।
নীরবতার আড়ালে উপন্যাসের লেখিকা কে?
এই হৃদয়গ্রাহী রোমান্টিক থ্রিলার উপন্যাসের লেখিকা মেহেজাবিন ইসলাম মাইশা (Mehazabin Islam Maisha)।
নীরবতার আড়ালে উপন্যাসটি কি বিনামূল্যে অনলাইনে পড়া যায়?
হ্যাঁ, GolpoHub-এ কোনো ধরনের সাবস্ক্রিপশন ফি বা ঝুঁকিপূর্ণ পিডিএফ ফাইল ডাউনলোড ছাড়াই সম্পূর্ণ উপন্যাসটি সরাসরি অনলাইনে পড়া যায়।
নীরবতার আড়ালে সিজন ২ (Season 2) কি আসবে?
উপন্যাসের প্রথম সিজনের সমাপ্তিতে মূল কাহিনীর মীমাংসা হলেও পাঠকদের আগ্রহের প্রেক্ষিতে নতুন সিজন কিংবা সিক্যুয়েল সম্পর্কিত যেকোনো তথ্য এই পাতায় সবার আগে প্রকাশ করা হবে।

পাঠক রিভিউ ও রেটিং

0 টি রিভিউ · 0 জন পাঠক

0.0

0 টি রিভিউ

5
0
4
0
3
0
2
0
1
0
এখনও কোনো রিভিউ দেওয়া হয়নি। প্রথম রিভিউটি দিয়ে পাঠকদের অনুপ্রাণিত করুন!
রকমারি অনলাইন বইমেলা

রকমারি বেস্টসেলার: বইমেলা কালেকশন

পাঠকদের জন্য এই ঘরানার শীর্ষ ট্রেন্ডিং ও পছন্দের বইসমূহ সংগ্রহ করুন রকমারি থেকে

বিজ্ঞাপন