পরিজান
সম্পূর্ণ 16+

পরিজান

নূরনগরের জমিদার বাড়ির চার দেয়ালের ভেতরে লুকিয়ে থাকা নির্মম অতীত ও কুৎসিত লালসার মাঝে বড় হওয়া এক নির্ভীক তরুণী পরী। যখন অন্ধকার ষড়যন্ত্র তার আপন বোন ও ভালোবাসার সখীদের জীবন কেড়ে নেয়, তখন সে কি পারবে প্রতিশোধের রক্তাক্ত লড়াই পেরিয়ে এক পরম আত্মত্যাগী ভালোবাসার কুটিরে আশ্রয় খুঁজে পেতে?

মোট সিজন
1
মোট অধ্যায়
60
মোট শব্দ
100,031
আনুমানিক পড়ার সময়
658 মিনিট পড়া
পড়া শুরু করুন (১ম পর্ব)সর্বশেষ পর্ব (60)
রেটিং ও রিভিউ

পরিজান উপন্যাসের প্রথম সিজন (পর্ব ১ থেকে ৬০) সম্পূর্ণ সমাপ্ত হয়েছে। পাঠকরা প্রথম থেকে শেষ পর্ব পর্যন্ত সবগুলো পর্ব একসাথে বিনামূল্যে অনলাইনে পড়তে পারবেন।

গল্পের বিশেষত্ব ও হাইলাইটস

তেজস্বী নারীর নির্ভীক প্রতিশোধ

ঐতিহ্যবাহী পরিবারের অবদমিত নারীর অচেনা রূপ—যেখানে রক্ষিতার পরিচয় নয়, বরং তলোয়ার হাতে অন্যায়ের শিকড় উপড়ে ফেলার গর্জন।

নিগূঢ় রোমাঞ্চ ও আত্মত্যাগী প্রেম

ভালোবাসার মানুষকে রক্ষা করতে নিজের সর্বস্ব বিলিয়ে দিয়ে কারাবরণ ও সাত বছরের সুদীর্ঘ অপেক্ষার মহাকাব্যিক গল্প।

রহস্যঘেরা গ্রামীণ বাস্তবতা

নব্বইয়ের দশকের সর্বনাশা বন্যা, জমিদারতন্ত্রের গোপন পঙ্কিলতা এবং পাহাড়ি কার্শিয়াংয়ের কুয়াশাঘেরা পুনর্মিলনের অপরূপ চিত্রায়ণ।

প্রধান চরিত্রসমূহ

6

পরী

নায়িকা (Protagonist)

নূরনগরের জমিদার আফতাব উদ্দিনের কনিষ্ঠ কন্যা। অপরূপ রূপবতী হলেও প্রচণ্ড তেজস্বী, লাঠিয়াল ও পরিবারের রক্ষাকর্ত্রী বাঘিনী।

সেহরান শায়ের

নায়ক (Male Lead)

সুদর্শন, রহস্যময় ও সুরমাচোখা যুবক। জমিদারের কর্মচারী হিসেবে এসে পরীর অটল ঢাল ও আত্মত্যাগী জীবনসঙ্গী হয়ে ওঠে।

আফতাব উদ্দিন

প্রধান খলনায়ক (Antagonist)

নূরনগরের চার গ্রামের প্রভাবশালী জমিদার। বাইরে সম্মানিত হলেও ভেতরে এক লোভী, স্বার্থপর ও অন্ধকার কারবারের মূলহোতা।

মালা বেগম

পরীর মা (Supporting Lead)

তিন কন্যার জননী। স্বামীর নিষ্ঠুর রূপ জেনেও মেয়েদের সুরক্ষা দিতে একাকী বহু ত্যাগ ও নীরব যন্ত্রণা সয়ে যান।

রুপালি

পরীর মেজ বোন (Supporting Character)

স্নেহময়ী ও কোমল স্বভাবের নারী, যে একসময় অন্যায়ের শিকার হলেও পরবর্তীতে বোনের সাথে প্রতিশোধের আগুনে জ্বলে ওঠে।

ডা. নাঈম

ডাক্তার ও নিঃস্বার্থ বন্ধু (Supporting Character)

শহুরে মেডিকেল ছাত্র। পরীর রূপে মুগ্ধ হয়েও পরবর্তীতে নিঃস্বার্থ বন্ধু হয়ে শায়ের-পরীর সন্তানের আজীবন অভিভাবকত্ব গ্রহণ করে।

সূচিপত্র ও সিজনসমূহ

60 টি অধ্যায়

সিজন 1

প্রথম খণ্ড: অন্ধকার নূরনগর ও ভালোবাসার আত্মত্যাগ

নূরনগরের রক্তক্ষয়ী পারিবারিক ষড়যন্ত্র, পরীর নির্ভীক প্রতিরোধ এবং শায়ের-পরীর প্রেম ও ত্যাগের সম্পূর্ণ আখ্যান।

60 টি অধ্যায়
নিষিদ্ধ ডায়েরি ও সর্বনাশা বন্যা
অধ্যায় 1

নিষিদ্ধ ডায়েরি ও সর্বনাশা বন্যা

বাবার দ্বিতীয় বিয়ের গোপন সত্য ও সোনালী আপুর ফেলে যাওয়া ডায়েরির পাতায় চোখ বুলাতেই হঠাৎ ডাক পড়ে পরীর। দাদির কটূক্তি আর মায়ের শাসনে ঘেরা চার দেয়ালের মাঝে নূরনগরে নেমে আসে প্রলয়ংকারী সর্বনাশা বন্যা। কিন্তু পানির বুকে নৌকা ভাসিয়ে শাপলা তুলতে গিয়ে কোন অচেনা মেহমানের আগমন ঘটে তাদের গ্রামে?

13 মিনিট পড়া পড়ুন →
শহুরে মেহমান ও আয়নার মোহ
অধ্যায় 2

শহুরে মেহমান ও আয়নার মোহ

বন্যার ত্রাণ আর চিকিৎসার দল নিয়ে পুরোনো জমিদার বাড়িতে ওঠে শহরের ছয় মেডিকেল শিক্ষার্থী। কিন্তু অন্দরমহলে এসে মেহমানদের দেখে কেন আগুন জ্বলে ওঠে পরীর চোখে? আর আয়নার সামনে ভেজা চুলের বাঁধন খুলতেই জমিদার কন্যার অপরূপ রূপ দেখে কেন স্তম্ভিত হয়ে যায় অচেনা অতিথিরা?

13 মিনিট পড়া পড়ুন →
অন্ধকার রাতে রক্তাক্ত লাঠি
অধ্যায় 3

অন্ধকার রাতে রক্তাক্ত লাঠি

পরীকে একপলক দেখার নেশায় যখন শহুরে যুবকদের মধ্যে গোপন পরিকল্পনা দানা বাঁধে, ঠিক তখনই মাঝরাতে জমিদার বাড়ির প্রাঙ্গণে ওঠে চোরের শোরগোল। ঘুটঘুটে অন্ধকারে হাতে রক্তমাখা লাঠি নিয়ে কাকে গাছে বেঁধে রাখল পরী? ভয় আর সন্দেহে কেন কেঁপে উঠল মেহমানদের বুক?

12 মিনিট পড়া পড়ুন →
বিচারের দরবারে নেকাবের গর্জন
অধ্যায় 4

বিচারের দরবারে নেকাবের গর্জন

চুরির দায়ে কানাইয়ের হাত কেটে ফেলার ঘোষণা দেন জমিদার আফতাব উদ্দিন। ঠিক তখনই পর্দার কঠোর শাসন ভেঙে নেকাবাবৃত পরী কেন বুক চিতিয়ে দাঁড়ায় পুরো দরবারের সামনে? ক্ষুধা আর মানবিকতার পক্ষে দেওয়া পরীর যুক্তি কি বদলে দেবে সভার রায়, নাকি উন্মোচিত হবে আরও এক রহস্যময় ব্যক্তি শায়েরের পরিচয়?

12 মিনিট পড়া পড়ুন →
হারানো বোনের খোঁজে ভেজা শায়ের
অধ্যায় 5

হারানো বোনের খোঁজে ভেজা শায়ের

হারিয়ে যাওয়া সোনালী আপুর কোনো খবর কি শহরের ডাক্তাররা এনে দিতে পারবে? ব্যাকুল হৃদয়ে পরীর মিনতি শুনে কেন কেঁপে ওঠে পালকের মন? অন্যদিকে কালবৈশাখীর তুমুল ঝড়ে ভিজে ভিজে জমিদার বাড়িতে ফেরা সুরমাচোখা শায়েরের নীরব উপস্থিতিতে কোন বিপদের সংকেত লুকিয়ে আছে?

12 মিনিট পড়া পড়ুন →
পদ্মার বুকে নিষিদ্ধ অভিসার
অধ্যায় 6

পদ্মার বুকে নিষিদ্ধ অভিসার

গৃহবন্দি জীবনের বাঁধন ছিঁড়ে সখী বিন্দুর সাথে পদ্মার বুকে রাতে নৌকা ভাসায় পরী। চাঁদের আলোয় সম্পান মাঝির ভাটিয়ালি গানের সুরে যখন চারপাশ মুগ্ধ, তখন হঠাৎ শায়েরের নৌকায় আগমন সব আনন্দকে কেন স্তব্ধ করে দেয়? ওদিকে জমিদার বাড়ির দেয়াল টপকে অন্দরমহলে ঢোকা নাঈমেরা কি শেষ পর্যন্ত ধরা পড়ে যাবে?

12 মিনিট পড়া পড়ুন →
কাঁটার স্পর্শ ও ঘরে ফেরা পায়ের ছাপ
অধ্যায় 7

কাঁটার স্পর্শ ও ঘরে ফেরা পায়ের ছাপ

নৌকার ছইয়ের ভেতরে নারী ও বিষাক্ত কাঁটার উপমা টেনে শায়েরের বলা গভীর কথাগুলো কেন পরীর মন ছুঁয়ে যায়? কিন্তু ছাদ বেয়ে নিজের ঘরে ফিরে অপরিচিত পুরুষের কাদা মাখা পায়ের ছাপ দেখতে পেয়ে পরী কেন আঁতকে ওঠে? হারিকেন হাতে বৈঠকখানায় যেতেই কার মুখোমুখি হতে হয় তাকে?

11 মিনিট পড়া পড়ুন →
প্রেমপত্রের স্মৃতি ও গোপন শাসন
অধ্যায় 8

প্রেমপত্রের স্মৃতি ও গোপন শাসন

সোনালী আপুর খাতা খুলে রাখালের হৃদয়স্পর্শী প্রেমপত্র পড়তে গিয়ে চোখের জলে ভাসে পরী। কিন্তু চিঠির শেষ পাতায় লেখা ‘তোর খুব কাছের মানুষ প্রিয় মানুষকে আঘাত করছে’—এই ভয়াল বার্তার রহস্য কী? পরদিন সকালে বৈঠকখানায় কাদের পায়ের দিকে তাকিয়ে এক রহস্যময় খেলায় মেতে ওঠে পরী?

11 মিনিট পড়া পড়ুন →
চোখের ভাষা ও আঁধারের অতর্কিত আঘাত
অধ্যায় 9

চোখের ভাষা ও আঁধারের অতর্কিত আঘাত

মেহমানদের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে পুরুষের প্রতি তীব্র ঘৃণা প্রকাশ করা পরীর চোখে হঠাৎ শায়েরের জ্বরের খবর শুনে কেন অস্থিরতা জাগে? এদিকে গভীর রাতে রোগী দেখে ফেরার পথে অন্ধকারের ভেতর শক্ত লাঠির প্রচণ্ড আঘাতে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে নাঈম—এই আক্রমণের নেপথ্যে আসলে কে?

12 মিনিট পড়া পড়ুন →
মায়ের অসুস্থতা ও গোপন কসমের রহস্য
অধ্যায় 10

মায়ের অসুস্থতা ও গোপন কসমের রহস্য

কোন কারণে পরীকে কোনো পুরুষের সামনে মুখ না দেখানোর কঠিন কসম দিয়েছিলেন মালা বেগম? হঠাৎ মালার তীব্র শ্বাসকষ্টে অন্দরে ছুটে আসে ডা. পালক। কিন্তু পরদিন সকালে সুস্থ হয়েই কেন মেয়ের চুলের মুঠি ধরে নির্মমভাবে আঘাত করতে লাগলেন মালা?

10 মিনিট পড়া পড়ুন →
রকমারি বুকশেলফ

পাঠকদের পছন্দের বই

পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই

কাঁচের লাল চুড়ি ও নিভে যাওয়া প্রাণ
অধ্যায় 11

কাঁচের লাল চুড়ি ও নিভে যাওয়া প্রাণ

বিন্দুকে নিজের বধূ করার স্বপ্নে লাল কাঁচের চুড়ি উপহার দিয়ে শহরে শাড়ির খোঁজে যায় সম্পান মাঝি। এদিকে পালকের জন্য এক অদ্ভুত ভালোলাগা তৈরি হওয়া সত্ত্বেও শায়েরের এক অদ্ভুত সতর্কবার্তা বাতাসে ভাসে। কিন্তু ঝড়ের রাতের পর সকালে কেন কুসুম এসে জানাল নদীর জলে ডাক্তার আপার নিথর দেহ ভাসছে?

11 মিনিট পড়া পড়ুন →
শেষ দেখা ও মাঝরাতের রুক্ষ হুকুম
অধ্যায় 12

শেষ দেখা ও মাঝরাতের রুক্ষ হুকুম

ঘাটে দাঁড়িয়ে পালকের বরফের মতো শীতল দেহে হাত রেখে চোখের জলে চিরবিদায় জানায় পরী। ডাক্তারদের ফিরে যাওয়ার পর নিঝুম জমিদার বাড়ির রন্ধনশালায় খাবার খেতে এসে কার ওপর চরম ক্ষোভে গর্জে ওঠে ক্ষুধার্ত শায়ের? যাকে কাজের লোক ভেবে ধমকাল, সে কি সত্যিই কুসুম?

11 মিনিট পড়া পড়ুন →
নূপুরের ঝংকার ও বিষম খাওয়া প্রস্তাব
অধ্যায় 13

নূপুরের ঝংকার ও বিষম খাওয়া প্রস্তাব

হারিকেনের আলোয় পরীর পায়ের নূপুর দেখে চমকে সরে গিয়ে শায়ের কেন বলে ‘আপনার উপস্থিতি পুরুষের জন্য বিপদজনক’? অভিমানে ভেঙে পড়া পরীর জীবনে মেজ বোন রুপালির সাথে আসা অচেনা ধনী যুবক নওশাদের কোন বিয়ের প্রস্তাবে বিষম খেলেন সকলে?

12 মিনিট পড়া পড়ুন →
গোবরের ফাঁদ ও বাঘিনীর ক্ষোভ
অধ্যায় 14

গোবরের ফাঁদ ও বাঘিনীর ক্ষোভ

নওশাদের সাথে বিয়ের খবর শুনেই জ্বলে ওঠে পরীর অন্তরাত্মা—যে রক্তকে সে ঘৃণা করে, তার হাতে নিজেকে সঁপে দেবে না। ভোরের আলো ফুটতেই নওশাদের ওপর কুসুম আর জুম্মানের সহায়তায় কোন হাস্যাস্পদ ফাঁদ পাতল পরী? আর হঠাৎ পরীর পা থেকে কোথায় উধাও হলো সোনালীর দেওয়া নূপুর?

13 মিনিট পড়া পড়ুন →
পদ্মফুলের লোভ ও জলে ডোবা অহংকার
অধ্যায় 15

পদ্মফুলের লোভ ও জলে ডোবা অহংকার

হারানো নূপুর খুঁজতে গিয়ে বৈঠকখানায় নওশাদের পেরেশানি দেখে আড়ালে হাসে শায়ের। পরীর মন জয় করতে গিয়ে শাপলা বিলে পদ্মফুল তুলতে গিয়ে কীভাবে ভারসাম্য হারিয়ে নোংরা পানিতে হাবুডুবু খেল নওশাদ? গভীর রাতে হারিকেন হাতে বৈঠকখানায় আবারও কার মুখোমুখি এসে দাঁড়ায় পরী?

10 মিনিট পড়া পড়ুন →
জ্বলন্ত কাঁচের দাগ ও বাল্যকালের রক্তমাখা ক্রোধ
অধ্যায় 16

জ্বলন্ত কাঁচের দাগ ও বাল্যকালের রক্তমাখা ক্রোধ

ক্ষত সারাতে মলম দিতে আসায় ক্ষিপ্ত হয়ে শায়েরের হাতের তালু হারিকেনের উত্তপ্ত কাঁচের সাথে চেপে ধরে পরী। অন্যদিকে কলপাড়ে পা পিছলে নওশাদের পা ভাঙার পেছনে কি ছিল কোনো রহস্য? আপন কাকার লালসার স্মৃতি মনে আসতেই কেন আজও ক্রোধের বটি হাতে তুলে নিতে চায় পরী?

13 মিনিট পড়া পড়ুন →
ধানক্ষেতের লড়াই ও লাঠিয়ালের বাঘিনী রূপ
অধ্যায় 17

ধানক্ষেতের লড়াই ও লাঠিয়ালের বাঘিনী রূপ

পোড়া হাতে ভাত খেতে না পেরে মায়ের মতো পরম স্নেহে শায়েরকে খাইয়ে দেন মালা। কিন্তু রুপালির শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে নওশাদের পরিবারের সাথে জমিদারের দ্বন্দ্ব শুরু হতেই ফেরার পথে কারা ঘিরে ধরে পরীদের গাড়ি? শায়েরের হাত থেকে শক্ত লাঠি নিয়ে কার ওপর বাঘিনীর মতো ঝাঁপিয়ে পড়ল পরী?

21 মিনিট পড়া পড়ুন →
রক্তাক্ত গাল ও নওশাদকে বিয়ের জেদ
অধ্যায় 18

রক্তাক্ত গাল ও নওশাদকে বিয়ের জেদ

ভোরবেলা আঘাতের ক্ষত নিয়ে বাপের বাড়িতে ফিরে আসে গর্ভবতী রুপালি। নিজের স্বামীর গোপন হিংস্রতা ও অত্যাচারের কথা বোনের কাছে বলতেই পরী কেন সিদ্ধান্ত নেয় সে নওশাদকে বিয়ে করবে? আফতাবের দরবারে গিয়ে এই আত্মঘাতী বিয়ের দাবি করতেই কি ঘটবে?

11 মিনিট পড়া পড়ুন →
পাগল ভালোবাসার তীব্র দহন
অধ্যায় 19

পাগল ভালোবাসার তীব্র দহন

পরীর জেদ ভেঙে দিয়ে শায়ের বুঝিয়ে দেয় একা যুদ্ধ করে কখনোই শত্রুদের জালে জয়ী হওয়া যায় না। ওদিকে সম্পান মাঝির সাথে বিন্দুর ভালোবাসার খবর পেয়ে চন্দনা দেবী লাল শাড়ি পুড়িয়ে নির্মম প্রহার করে। সখীর কান্না শুনে নিজের আলমারি থেকে বিন্দুর সিঁদুরের কৌটো বের করে কী সিদ্ধান্ত নিল পরী?

10 মিনিট পড়া পড়ুন →
কালী মন্দিরের বিয়ের ছক ও জাতের বিষ
অধ্যায় 20

কালী মন্দিরের বিয়ের ছক ও জাতের বিষ

বিন্দুর অন্য জায়গায় বিয়ে ঠিক হতেই সম্পানের মা ভিক্ষা চেয়েও প্রত্যাখ্যাত হয় জাতে ছোট হওয়ার অপবাদে। নিরুপায় বিন্দুর জীবন বাঁচাতে পরী এক দুঃসাহসিক ছক আঁকে—পশ্চিমের পরিত্যক্ত কালী মন্দিরে রাতের আঁধারে সম্পান আর বিন্দুর বিয়ে দেবে সে। কিন্তু ভাগ্য কি তাদের এই ভালোবাসাকে রক্ষা করতে দেবে?

12 মিনিট পড়া পড়ুন →
রকমারি বুকশেলফ

পাঠকদের পছন্দের বই

পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই

জঙ্গলে দাউদাউ আগুন ও গাছের ডালে ঝুলন্ত লাশ
অধ্যায় 21

জঙ্গলে দাউদাউ আগুন ও গাছের ডালে ঝুলন্ত লাশ

কুসুমের বেশ ধরে রাতে জঙ্গলের কালী মন্দিরে যায় পরী। কিন্তু সম্পান-বিন্দুর দেখা না পেয়ে উল্টো অচেনা পায়ের শব্দে পালাতে গিয়ে খড়ের গাদায় আগুন লেগে যায়। ক্ষতবিক্ষত পায়ে বাড়ি ফিরে সকালে রুপালির সন্তানের জন্মের পরমুহূর্তেই জুম্মানের এক চিৎকার—পশ্চিমের জঙ্গলে গাছে কে ঝুলছে?

12 মিনিট পড়া পড়ুন →
সিঁদুরের রক্তিম দাগ ও স্বীকারোক্তির বিস্ফোরণ
অধ্যায় 22

সিঁদুরের রক্তিম দাগ ও স্বীকারোক্তির বিস্ফোরণ

বিন্দুর ক্ষতবিক্ষত নিথর দেহের কপালে মুঠোভর্তি সিঁদুর দিয়ে স্তব্ধ হয়ে যায় সম্পান মাঝি। পুলিশ এসে সন্দেহ করে পলাতক অপরাধী শশীলকে। ক্রোধে উন্মাদ হয়ে বাবার সামনে গিয়ে পরী চিৎকার করে এক ভয়াল সত্য প্রকাশ করে—'শশীল কাউকে মারেনি, দুই বছর আগেই তাকে আমি নিজ হাতে খুন করেছি!'

11 মিনিট পড়া পড়ুন →
অতীতের দা ও শেখরের সাথে বিয়ের বন্দোবস্ত
অধ্যায় 23

অতীতের দা ও শেখরের সাথে বিয়ের বন্দোবস্ত

রুপালিকে বাঁচাতে তেরো বছর বয়সে কীভাবে শশীলের ঘাড় বরাবর দা চালিয়েছিল পরী? সেই স্মৃতি চাপা থাকলেও পরীর এই হিংস্র রূপ দেখে আফতাব দ্রুত শহরের ডা. শেখরের সাথে পরীর বিয়ে ঠিক করে। বন্ধুর এই বিশ্বাসঘাতকতায় নাঈমের পায়ের তলার মাটি সরে যায় কেন?

10 মিনিট পড়া পড়ুন →
চিতার জ্বলন্ত ছাই ও মধ্যরাতের জিজ্ঞাসাবাদ
অধ্যায় 24

চিতার জ্বলন্ত ছাই ও মধ্যরাতের জিজ্ঞাসাবাদ

বিন্দুর চিতার জ্বলন্ত ছাই বুকে চেপে উন্মাদ হয়ে হারিয়ে যায় সম্পান মাঝি। এদিকে জমিদার বাড়িতে বিয়ের শাড়ি দেখার আসরে পরীকে নিঃস্পৃহ দেখে সবাই অবাক। গভীর রাতে শায়েরের ঘরে এসে দরজা আটকে পরী কেন দাবি করে—'বিন্দুকে কারা মেরেছে আপনি সব জানেন, বলুন!'

8 মিনিট পড়া পড়ুন →
গায়ে হলুদ ও বিয়ের আসরে বরের নাম বিভ্রাট
অধ্যায় 25

গায়ে হলুদ ও বিয়ের আসরে বরের নাম বিভ্রাট

সারা বাড়িতে পরীর বিয়ের সাজ সাজ রব, গায়ে হলুদের মিষ্টি স্পর্শে কেঁদে ওঠে বধূ বেশে সাজা পরী। কিন্তু মাগরিবের পর বিয়ের আসরে কাজী সাহেব যখন দেনমোহরের কথা বলে বরের নাম উচ্চারণ করলেন—তখন 'সেহরান শায়ের' নাম শুনে কেন বাকরুদ্ধ হয়ে গেল পরী?

10 মিনিট পড়া পড়ুন →
তিন কবুল ও শায়েরের কোলে নবীনগরের যাত্রা
অধ্যায় 26

তিন কবুল ও শায়েরের কোলে নবীনগরের যাত্রা

তিন কবুল বলেই অচেতন হয়ে পড়ে পরী; তাকে সযত্নে কোলে তুলে নেয় সদ্য বিবাহিত স্বামী শায়ের। শেখর উধাও হয়ে যাওয়ায় মান বাঁচাতে শায়েরের সাথেই কেন বিয়ে দিলেন আফতাব? রাতের আঁধারে গরুর গাড়িতে করে কোন দূর গ্রাম নবীনগরে পরীকে নিয়ে পাড়ি জমাল শায়ের?

10 মিনিট পড়া পড়ুন →
মাঝরাতের কাদা-বরণ ও চম্পার ভাঙা বুক
অধ্যায় 27

মাঝরাতের কাদা-বরণ ও চম্পার ভাঙা বুক

মাঝরাতে নবীনগরের উঠোনে চিৎকার করে সবাইকে ডেকে শায়েরের বউ বরণ করায় খুসিনা ফুপু। ঘরের ভেতরের বেলিফুলের সুবাস আর পরীর অপরূপ রূপ দেখে কেন ফুপু হতভম্ব হয়ে যান? ওদিকে শায়েরের বিয়ের খবর শুনে উঠোনে দাঁড়িয়ে কার বুকের ভেতরটা কান্নায় ভেঙে পড়ে?

12 মিনিট পড়া পড়ুন →
ভয়াল দুঃস্বপ্ন ও হাতের উষ্ণ স্পর্শ
অধ্যায় 28

ভয়াল দুঃস্বপ্ন ও হাতের উষ্ণ স্পর্শ

মাঝরাতে বাজে দুঃস্বপ্নে গা ঘেমে জেগে ওঠে পরী। অন্ধকারে শায়েরের আশ্বাস পেয়ে যখন পরী তার হাত আঁকড়ে ধরে, তখন শায়ের বলে ওঠে—'আপনার হাসি বাড়াবাড়ি রকমের সুন্দর।' পরদিন বাপের বাড়িতে ফিরতেই পরী কেন অভিযোগ তোলে, 'আমি কি আপনার শুধুই দায়িত্ব?'

12 মিনিট পড়া পড়ুন →
ছাদের কার্নিশ ও রক্তাক্ত শেখরের প্রত্যাবর্তন
অধ্যায় 29

ছাদের কার্নিশ ও রক্তাক্ত শেখরের প্রত্যাবর্তন

ছাদের কার্নিশে দাঁড়িয়ে পরীর মান ভাঙাতে গিয়ে শায়ের যখন প্রথম দেখার গোপন কথা প্রকাশ করে কোলে তুলে নেয় পরীকে, ঠিক পরের দিন সকালে রক্তাক্ত ব্যান্ডেজ বেঁধে হাজির হয় শেখর! নাঈমের বিরুদ্ধে ছোট বোনকে অপহরণের অভিযোগ তুলে কেন শেখর আফতাবের কাছে ফের পরীর দাবি জানায়?

10 মিনিট পড়া পড়ুন →
অভিমানী পুরুষ ও অলক্ষ্মী অপবাদ
অধ্যায় 30

অভিমানী পুরুষ ও অলক্ষ্মী অপবাদ

নবীনগরে ফিরে শায়েরের নীরব দূরত্ব দেখে পরীর হৃদয়ে একাকীত্ব দানা বাঁধে। কিন্তু ভোরের আলো ফুটতেই এক বৃদ্ধা এসে কেন শায়েরের বউকে ‘অলক্ষ্মী’ বলে গালাগাল দিয়ে অভিশাপ দিতে থাকে? সেই অপবাদের অপমানে চোখের জলে ভাসা পরীকে শায়ের কীভাবে নিজের বুকে টেনে নেয়?

9 মিনিট পড়া পড়ুন →
রকমারি বুকশেলফ

পাঠকদের পছন্দের বই

পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই

আঁচলের ছায়া ও ভেজা রূপের আগুন
অধ্যায় 31

আঁচলের ছায়া ও ভেজা রূপের আগুন

রোদে পুড়ে আসা শায়েরের ঘাম পরম মমতায় মুছে দেয় পরী। কিন্তু দুপুরে গোসল সেরে ভেজা চুলে কাপড় মেলতে যাওয়া পরীর অপরূপ স্নিগ্ধ রূপ দেখে শায়ের কেন বলে—'এই দৃশ্য দেখার জন্যই তো আমি রোজ ছুটে আসি'? দিনশেষে এক অনন্য আত্মিক বাঁধনে জড়াতে থাকে এই নবদম্পতি।

10 মিনিট পড়া পড়ুন →
পুকুর ঘাটের লাঠি ও ভালোবাসার কান্না
অধ্যায় 32

পুকুর ঘাটের লাঠি ও ভালোবাসার কান্না

শায়েরের বারণ ভেঙে চামেলির কথায় পুকুরে গোসল করতে গিয়ে সাবান হারিয়ে চরম বিপাকে পড়ে পরী। কিন্তু পানি থেকে উঠতেই লাঠি হাতে দাঁড়ানো শায়েরকে দেখে কেন পরীর বুক কেঁপে ওঠে? শায়ের কি সত্যি তাকে শাস্তি দেবে, নাকি ভালোবাসার বাঁধনে আবারও কাঁদিয়ে দেবে পরীজানকে?

8 মিনিট পড়া পড়ুন →
বেলিফুলের নেশা ও রাতের দেবর-সাক্ষাৎ
অধ্যায় 33

বেলিফুলের নেশা ও রাতের দেবর-সাক্ষাৎ

শায়েরের অনুপস্থিতিতে রাতে বন্ধ দরজায় কড়া নাড়ে অচেনা দেবর পলাশ। পরীর বিচক্ষণতায় দেবর ফিরে গেলেও রাতে ফিরে শায়ের এনে দেয় পরীর প্রিয় বেলিফুল। কিন্তু পরদিন ইলিয়াস মাতব্বরের বাড়ি থেকে বিয়ের প্রস্তাব আসার পর শায়ের ও পরীর একান্ত সময়ে চালের ওপর বিকট শব্দে কী আছড়ে পড়ে?

10 মিনিট পড়া পড়ুন →
দাদির মৃত্যুশয্যা ও সম্পানের করুণ পরিণতি
অধ্যায় 34

দাদির মৃত্যুশয্যা ও সম্পানের করুণ পরিণতি

আট মাস পর দাদি আবেরজান বেগমের মৃত্যুর খবরে নূরনগরে ছুটে যায় পরী ও শায়ের। শোকের মাঝে কুসুমের মুখে সম্পান মাঝির আত্মহত্যার খবর শুনে পরীর বুকের ভেতর কী এক তীব্র হাহাকার জেগে ওঠে? সম্পান কেন বিন্দুর গাছেই নিজের জীবন বিসর্জন দিল?

9 মিনিট পড়া পড়ুন →
তাজমহল নয় কুঁড়েঘরের ভালোবাসা ও আচারের বিষ
অধ্যায় 35

তাজমহল নয় কুঁড়েঘরের ভালোবাসা ও আচারের বিষ

মমতাজের তাজমহল নয়, বরং কুঁড়েঘরে শায়েরের ভালোবাসাকেই শ্রেষ্ঠ সম্পদ বলে মেনে নেয় পরী। কিন্তু নবীনগরে ফিরে চম্পা যে আন্তরিকতার ছলে বাটি ভর্তি জলপাইয়ের আচার পরীর হাতে তুলে দিল—তার ভেতরে কোন কুৎসিত ষড়যন্ত্রের বিষ লুকিয়ে ছিল?

9 মিনিট পড়া পড়ুন →
হারানো নূপুরের অধিকার ও নিঃসন্তান হওয়ার চক্রান্ত
অধ্যায় 36

হারানো নূপুরের অধিকার ও নিঃসন্তান হওয়ার চক্রান্ত

জোছনা রাতে পথ চলতে চলতে পকেট থেকে পরীর সেই হারিয়ে যাওয়া নূপুর বের করে পায়ে পরিয়ে দেয় শায়ের। কিন্তু পরদিন সকালে ফুপুর মুখে—'পরীর কোনোদিন বাচ্চা হবে না, তাই চম্পাকে বিয়ে করো'—শুনে কেন রাগে আগুন হয়ে ওঠে পরীর চোখ?

10 মিনিট পড়া পড়ুন →
বিষাক্ত পায়েস ও বাঘিনীর রুদ্রমূর্তি
অধ্যায় 37

বিষাক্ত পায়েস ও বাঘিনীর রুদ্রমূর্তি

চম্পার আনা পায়েস জোর করে তার নিজের মুখেই ঢুকিয়ে দিয়ে গলা চেপে ধরে পরী—'আমার স্বামীকে কাড়ার স্বপ্ন দেখলে শেষ করে দেব!' রাতে জমি লোভীদের ঘরে ঢুকে তেরো বছর বয়সের রক্তমাখা খুনের ভয় দেখিয়ে তাদের থামিয়ে দিয়ে শায়েরের বুকে ফিরে কেন জ্বরে অচেতন হয়ে পড়ে পরী?

11 মিনিট পড়া পড়ুন →
জমির দলিল ও চিঠির বেনামী খাম
অধ্যায় 38

জমির দলিল ও চিঠির বেনামী খাম

পরীর শান্তির জন্য নিজের সমস্ত পৈতৃক জমির দলিল কাকিদের হাতে তুলে দিয়ে নিঃস্ব হতেও দ্বিধা করে না শায়ের। কিন্তু চম্পার বিয়ের আসর শেষ হতে না হতেই নূরনগর থেকে আসা এক বেনামী চিঠির খাম দেখে কেন চিন্তায় ডুবে যায় শায়ের?

9 মিনিট পড়া পড়ুন →
মায়ের অসুস্থতার মিথ্যা ও কদম গাছের কবর
অধ্যায় 39

মায়ের অসুস্থতার মিথ্যা ও কদম গাছের কবর

মায়ের মৃত্যুর খবর শুনে একাকী নূরনগরে ছুটে এসে পরী জানতে পারে—মালা সম্পূর্ণ সুস্থ, জুম্মানকে দিয়ে মিথ্যা বলিয়ে আনা হয়েছে তাকে ফাঁদে ফেলতে! ঠিক তখনই রুপালির মুখ থেকে উন্মোচিত হয় এক স্তব্ধ করা সত্য—রাস্তার ধারের কদম গাছের নিচে ঘুমিয়ে আছে সোনালী আপু, আর সুখান পাগলই হলো আপুর সেই রাখাল!

12 মিনিট পড়া পড়ুন →
বাগান বাড়ির তাসের ঘর ও সম্পানের নিষ্ঠুর সত্য
অধ্যায় 40

বাগান বাড়ির তাসের ঘর ও সম্পানের নিষ্ঠুর সত্য

বাগান বাড়ির অন্ধকার কুঠুরিতে হাত-পা বাঁধা পরীর সামনে বসে হাসতে হাসতে সোনালীকে নিজের বাবার হাতে খুন করানোর বীভৎস বর্ণনা দেয় কবির। কিন্তু নওশাদের মুখে—'বিন্দুকে ভালোবেসে নয়, বরং তোমাকে শেষ করতেই সম্পান নাটক করেছিল, আর শায়েরও তোমাকে মারতেই বিয়ে করেছিল'—শুনে পরীর পৃথিবী কি ভেঙে চুরমার হয়ে গেল?

9 মিনিট পড়া পড়ুন →
রকমারি বুকশেলফ

পাঠকদের পছন্দের বই

পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই

গলার ফাঁস ও কবিরের বুকে প্রথম ছুরি
অধ্যায় 41

গলার ফাঁস ও কবিরের বুকে প্রথম ছুরি

কবির যখন পরীর গলায় দড়ির ফাঁস পরাতে যাবে, তখনই রুদ্রমূর্তি ধারণ করে সেখানে ঝড়ের বেগে আছড়ে পড়ে শায়ের। কিন্তু বন্ধনমুক্ত হয়ে পিছপা না হয়ে টেবিল থেকে ধারালো ছুরি তুলে কার গলার ভেতর বসিয়ে দিয়ে প্রথম প্রতিশোধ নিল পরী?

13 মিনিট পড়া পড়ুন →
কবরের মাটি ছুঁয়ে প্রতিজ্ঞা ও ভালোবাসার বিষ
অধ্যায় 42

কবরের মাটি ছুঁয়ে প্রতিজ্ঞা ও ভালোবাসার বিষ

সোনালী আপুর কবরের মাটি স্পর্শ করে নওশাদ ও সব হত্যাকারীকে নিপাত করার শপথ নেয় পরী। কিন্তু যার ভালোবাসায় পরী বেঁচে ছিল, সেই শায়ের যখন সামনে এসে দাঁড়ায়—তখন ভালোবাসার বদলে একরাশ তীব্র ঘৃণা উগরে দিয়ে কেন শায়েরকে দূরে ঠেলে দেয় সে?

10 মিনিট পড়া পড়ুন →
পালকের স্বীকারোক্তি ও রক্তখেকো জমিদারের রহস্য
অধ্যায় 43

পালকের স্বীকারোক্তি ও রক্তখেকো জমিদারের রহস্য

শায়েরের বুকে আছড়ে পড়ে পরী যখন জানতে চায় ডা. পালকের মৃত্যুর সত্যি, শায়ের নির্দ্বিধায় স্বীকার করে—'হ্যাঁ, আমিই তাকে মেরেছি কারণ আমাদের মাঝে কাউকে আসতে দেব না!' এদিকে রুপালির কাছে আফতাবের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ পাচার ও নরপশু রূপের ইতিহাস জেনে কেন স্তব্ধ হয়ে যায় পরী?

11 মিনিট পড়া পড়ুন →
অস্ত্রের ধার ও সিরাজের বিষাক্ত মুখোশ
অধ্যায় 44

অস্ত্রের ধার ও সিরাজের বিষাক্ত মুখোশ

আফতাব ও আখিরের কুৎসিত চক্রান্তের মুখে শায়ের সাফ জানিয়ে দেয়—'পরীজানের গায়ে টোকা দিলে শত শত লাশ পড়বে!' কিন্তু বহু বছর পর সিরাজের অন্দরে আগমন এবং শায়েরের মুখ থেকে 'সিরাজও তোমার বাবার সাথে ছিল' শুনে রুপালির বুকে কোন নতুন আগুনের জন্ম নিল?

10 মিনিট পড়া পড়ুন →
মরচে ধরা তলোয়ার ও শেফালির সাজানো ফাঁদ
অধ্যায় 45

মরচে ধরা তলোয়ার ও শেফালির সাজানো ফাঁদ

সোনালী আপুর ঘর থেকে বহু পুরোনো মরচে ধরা তলোয়ার বের করে পাথরে শান দেয় পরী। নিজের ইজ্জত বাঁচাতে শেফালি ও কুসুমকে সাথে নিয়ে নওশাদের জন্য কোন লোভনীয় মরণফাঁদ সাজাল বাঘিনী পরী?

11 মিনিট পড়া পড়ুন →
শরবতে বিষের নাটক ও অন্ধকারের পা
অধ্যায় 46

শরবতে বিষের নাটক ও অন্ধকারের পা

শরবতে বিষ মেশানোর মিথ্যে নাটক করে আফতাবদের সম্পূর্ণ বিভ্রান্ত করে দেয় শেফালি। নওশাদকে ঘুমের ওষুধ দিয়ে পরীকে মারার পরামর্শ দিয়ে শেফালি রাতের আঁধারে অন্দরে ডেকে আনে। লাঠিতে ভর দিয়ে দোতলায় সোনালীর ঘরে ঢুকতেই নওশাদের ভাগ্যে কী অপেক্ষা করছিল?

10 মিনিট পড়া পড়ুন →
কাটা আঙুলের রক্ত ও জীবন্ত কবরের শাস্তি
অধ্যায় 47

কাটা আঙুলের রক্ত ও জীবন্ত কবরের শাস্তি

বিছানায় বালিশে ছুরি চালাতেই পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা পরীর তলোয়ার দেখে আত্মা শুকিয়ে যায় নওশাদের। এক এক করে আঙুল কেটে, ক্ষতবিক্ষত দেহে গরম পানি আর মরিচের গুঁড়ো দিয়ে জীবন্ত মাটিতে পুঁতে ফেলে পরী। কিন্তু এই পিশাচকে শেষ করে কার বুকে পরম শান্তি খুঁজতে ছুটে গেল সে?

11 মিনিট পড়া পড়ুন →
অভাবের লোভ ও পরবর্তী শিকার সিরাজ
অধ্যায় 48

অভাবের লোভ ও পরবর্তী শিকার সিরাজ

সম্পান আর বিন্দুর ভালোবাসার পবিত্র সত্য পরীর কাছে অকপটে তুলে ধরে শায়ের। সকালে উঠোন লেপা আর নওশাদ নিখোঁজ হওয়ার আতঙ্কে আফতাব যখন ক্ষিপ্ত, তখন শেফালির মাধ্যমে খবর পেয়ে কার ধ্বংসের ছক সাজাতে শুরু করল পরী?

9 মিনিট পড়া পড়ুন →
দশ বছর পরের ডায়েরি ও ফাঁসির মঞ্চের আসামী
অধ্যায় 49

দশ বছর পরের ডায়েরি ও ফাঁসির মঞ্চের আসামী

২০০৮ সালে নূরনগরের ধ্বংসস্তূপে সিমেন্টের মলাটের ডায়েরি পড়ে চমকে ওঠে সাংবাদিক মুসকান। স্বামী ডা. নাঈমের মুখ থেকে সে জানতে পারে—আর তিনদিন পরেই সেহরান শায়েরের ফাঁসি কার্যকর হবে! সাভার জেলখানায় শিকলে বাঁধা সুরমাচোখা শায়েরের সামনে দাঁড়িয়ে কোন প্রশ্নের জবাব খুঁজতে চায় মুসকান?

11 মিনিট পড়া পড়ুন →
বাগান বাড়ির রক্তগঙ্গা ও জুম্মানের উদ্ধার
অধ্যায় 50

বাগান বাড়ির রক্তগঙ্গা ও জুম্মানের উদ্ধার

শায়েরকে চেয়ারে বেঁধে রেখে রাতের আঁধারে বাগান বাড়িতে আক্রমণ চালায় পরী ও রুপালি। ছোট ভাই জুম্মানকে আটকে রাখার দৃশ্য দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে রক্ষীদের ঘায়েল করে ফেলে তারা। ঠিক তখনই ঘরে ঢুকে পড়া সিরাজের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে কে হাসবে শেষ হাসি?

10 মিনিট পড়া পড়ুন →
রকমারি বুকশেলফ

পাঠকদের পছন্দের বই

পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই

আগুনের মশাল, পোড়া মুখ ও সিরাজের পতন
অধ্যায় 51

আগুনের মশাল, পোড়া মুখ ও সিরাজের পতন

পরীর রূপের অহংকার গুঁড়িয়ে দিতে জ্বলন্ত মশাল মুখে চেপে ধরে সিরাজ। আর্তনাদে ফেটে পড়া পরীকে বাঁচাতে পেছন থেকে সিরাজের বুকে তলোয়ার বসিয়ে দেয় রুপালি! অর্ধেক ঝলসে যাওয়া পরীকে কোলে তুলে মধ্যরাতের পদ্মার উত্তাল ঢেউ পাড়ি দিয়ে কোন হাসপাতালে ছুটে যায় শায়ের?

11 মিনিট পড়া পড়ুন →
গর্ভের স্পন্দন ও গোপন আশ্রয়ের ঠিকানা
অধ্যায় 52

গর্ভের স্পন্দন ও গোপন আশ্রয়ের ঠিকানা

শরীরের ক্ষত আর পোড়া মুখের মাঝে ডা. রেবেকা জানান—পরী গর্ভবতী! শায়েরের চোখ দিয়ে বয়ে যায় জল। নূরনগরের রক্তচক্ষু থেকে বাঁচাতে পরীকে ডা. নাঈমের গোপন বাসায় রেখে শায়ের কি আবার ফিরে যাবে নূরনগরের সেই নরককুণ্ডে?

10 মিনিট পড়া পড়ুন →
পোড়া মুখের রূপ ও নূরনগরের শাসানি
অধ্যায় 53

পোড়া মুখের রূপ ও নূরনগরের শাসানি

জমিদার বাড়িতে ফিরে শায়ের স্পষ্ট জানিয়ে দেয়—'পরী আমার কাছেই আছে, তার গায়ে ফুলের টোকাও পড়তে দেব না!' রুপালি ও তার সন্তানকে নবীনগরে নিরাপদে পৌঁছে দিয়ে শহরের বাসায় ফিরে পোড়া মুখের পরীকে দেখে শায়ের কেন বলে—'আপনার ভালোবাসায় আমি বহুবার পুড়েছি, আজ ছাই হয়েও আপনার কাছেই থাকব'?

11 মিনিট পড়া পড়ুন →
সন্তান সঁপে দেওয়ার অঙ্গীকার ও সাতাইশ নম্বর চিঠি
অধ্যায় 54

সন্তান সঁপে দেওয়ার অঙ্গীকার ও সাতাইশ নম্বর চিঠি

ডা. নাঈমের কাছে নিজের অনাগত সন্তানকে বড় করার ভার সঁপে দেওয়ার আর্জি জানায় পরী। সুস্থ হয়ে ওঠার দীর্ঘ পাঁচ মাস পর হঠাৎ দরজার সামনে কোন চিঠির খাম দেখে স্তব্ধ হয়ে যায় পরী, যার ভেতরের বার্তা বদলে দেবে সবকিছু?

10 মিনিট পড়া পড়ুন →
পুত্রের কানে আযান ও রাতের আঁধারে অন্তর্ধান
অধ্যায় 55

পুত্রের কানে আযান ও রাতের আঁধারে অন্তর্ধান

রূপবতী পরীর গর্ভ থেকে ভূমিষ্ঠ হয় ফুটফুটে এক পুত্র সন্তান—শোভন। কিন্তু চার মাস পর সেই বুকের ধনকে রেখে রাতের আঁধারে চিরকুট লিখে পরী কেন আবারও ফিরে যায় রক্তের ঋণ শোধ করতে নূরনগরের জমিদার বাড়িতে?

10 মিনিট পড়া পড়ুন →
নারী শক্তির বিস্ফোরণ ও পিঠে বিঁধা তলোয়ার
অধ্যায় 56

নারী শক্তির বিস্ফোরণ ও পিঠে বিঁধা তলোয়ার

মা, বোন আর কাজের মেয়েদের সাথে নিয়ে তলোয়ার হাতে জমিদার আফতাবের মুখোমুখি দাঁড়ায় পরী। রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাঝে আখিরকে থামাতে গিয়ে আফতাবের পাথরের আঘাতে চিরতরে শান্ত হয়ে যায় রুপালি! আর ঠিক তখনই পরীর পিঠ ভেদ করে কে ঢুকিয়ে দেয় ধারালো তলোয়ার?

11 মিনিট পড়া পড়ুন →
ফাঁসি বাতিল ও সাত বছরের চিঠি
অধ্যায় 57

ফাঁসি বাতিল ও সাত বছরের চিঠি

মুসকানের রেকর্ডিংয়ের পর বাতিল হয়ে যায় শায়েরের ফাঁসির হুকুম; কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে নাঈম-মুসকানের হাত থেকে ছেলে শোভনকে বুকে জড়িয়ে নেয় শায়ের। কিন্তু পাঁচ মাস পর ডাকপিয়নের হাত দিয়ে আসা হলুদ খামের চিঠিতে লেখা সাত বছরের অপেক্ষার বার্তা কার?

11 মিনিট পড়া পড়ুন →
পাগলের পরিণতি ও কার্শিয়াংয়ের কুয়াশা
অধ্যায় 58

পাগলের পরিণতি ও কার্শিয়াংয়ের কুয়াশা

নূরনগরের রাস্তায় ভিখারি পাগলের বেশে ঘুরছে স্বৈরাচারী আফতাব ও আখির। এদিকে ছেলেকে নিয়ে রাতের ট্রেন ও পাহাড়ি বাস পাড়ি দিয়ে কার্শিয়াংয়ের চা বাগানে পৌঁছায় শায়ের। ভোরের তীব্র শীতে কাঁপতে কাঁপতে কার কোমল অবয়ব দেখতে পেয়ে দ্রুত পায়ে এগিয়ে যায় সে?

10 মিনিট পড়া পড়ুন →
সাত বছরের তৃষ্ণা ও মায়ের কোলে রাজকুমার
অধ্যায় 59

সাত বছরের তৃষ্ণা ও মায়ের কোলে রাজকুমার

কুয়াশার চাদর সরিয়ে চা বাগানে দাঁড়িয়ে সালাম দেয় পরী—'আসসালামু আলাইকুম মালি সাহেব!' সাত বছরের বিরহ আর অপূর্ণতা ঘুচিয়ে শায়ের ও পরীর পরম আলিঙ্গন এবং দূর থেকে ছুটে এসে শোভনের 'আম্মিজান' ডাকে প্রকৃতিও কি ভালোবাসার গভীরতায় মাথা নোয়ায় না?

9 মিনিট পড়া পড়ুন →
শখের পুরুষ ও কুয়াশাঘেরা অনন্ত নীড়
অধ্যায় 60

শখের পুরুষ ও কুয়াশাঘেরা অনন্ত নীড়

নাঈমের বুদ্ধিমত্তায় সমস্ত চিঠি পুড়িয়ে সব রহস্যের অবসান ঘটে ঢাকায়। আর ওদিকে কার্শিয়াংয়ের পাহাড়ে শায়েরের বুকে মাথা রেখে পরী বলে—'শাড়ির মতোই শখের পুরুষটিকে আজীবন জড়িয়ে রাখতে চাই।' অতীতের সব ক্ষত মুছে ফেলে ভালোবাসার অনন্ত নীড়ে কীভাবে চিরতরে এক হয়ে গেল পরী আর শায়ের?

16 মিনিট পড়া পড়ুন →

সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQs)

পরিজান (Porijan) উপন্যাসটির মূল উপজীব্য বিষয় কী?
নূরনগর গ্রামের জমিদার পরিবারের ভেতরে ঘটে চলা জঘন্য পারিবারিক ষড়যন্ত্র, অন্যায়ের বিরুদ্ধে জমিদারকন্যা পরীর সশস্ত্র লড়াই এবং শায়েরের সাথে তার অগাধ ভালোবাসার মহাকাব্যিক টানাপোড়েন নিয়েই উপন্যাসটির মূল কাহিনী গড়ে উঠেছে।
পরিজান উপন্যাসের মোট কয়টি পর্ব রয়েছে এবং এটি কি সমাপ্ত?
পরিজান উপন্যাসে মোট ৬০টি পূর্ণাঙ্গ পর্ব রয়েছে। গল্পটি ৬০তম পর্বে এসে সফল সমাপ্তি (Completed) লাভ করেছে।
পরিজান উপন্যাসের লেখিকা কে?
জনপ্রিয় সামাজিক ও রোমান্টিক থ্রিলার উপন্যাস ‘পরিজান’-এর লেখিকা ঈশিতা রহমান সানজিদা (সিমরান)।
পরিজান উপন্যাস কি অনলাইনে বিনামূল্যে পড়া যায়?
হ্যাঁ, GolpoHub-এ কোনো ধরনের ফি বা পিডিএফ ডাউনলোড করার ঝামেলা ছাড়াই সম্পূর্ণ পরিজান উপন্যাসের প্রতিটি পর্ব সরাসরি ব্রাউজারে বিনামূল্যে পড়া যায়।
পরিজান উপন্যাসের নায়ক ও নায়িকা কে?
উপন্যাসটির প্রধান নায়িকা জমিদারকন্যা পরী এবং নায়ক হলো রহস্যময় ও আত্মত্যাগী যুবক সেহরান শায়ের।

পাঠক রিভিউ ও রেটিং

0 টি রিভিউ · 0 জন পাঠক

0.0

0 টি রিভিউ

5
0
4
0
3
0
2
0
1
0
এখনও কোনো রিভিউ দেওয়া হয়নি। প্রথম রিভিউটি দিয়ে পাঠকদের অনুপ্রাণিত করুন!
রকমারি অনলাইন বইমেলা

রকমারি বেস্টসেলার: বইমেলা কালেকশন

পাঠকদের জন্য এই ঘরানার শীর্ষ ট্রেন্ডিং ও পছন্দের বইসমূহ সংগ্রহ করুন রকমারি থেকে

বিজ্ঞাপন