
প্রেমাতাল
বান্দরবানের বুনো পাহাড়ি পথে শুরু হওয়া মুগ্ধ ও তিতিরের রূপকথার মতো ভালোবাসা হঠাৎই অতীত এক পারিবারিক শত্রুতার বিষবাষ্পে থমকে দাঁড়ায়। ভাইয়ের নির্মম জেদ আর বাবার সম্মানের কাছে বলি হতে গিয়ে তিতির যখন অন্য কারো বাগদত্তা, তখন মুগ্ধর জীবনেও নেমে আসে চরম আত্মাহুতির ক্ষণ। পারিবারিক বাধা আর রক্তাক্ত অভিমানের দেয়াল ভেঙে এই মাতাল প্রেম কি নিজের ঠিকানা খুঁজে পাবে?
উপন্যাসটির প্রথম সিজন মোট ৫৭ পর্বে সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে। সম্পূর্ণ কাহিনীর প্রতিটি পর্ব গল্পহাবে বিনামূল্যে অনলাইনে পড়া যাচ্ছে।
গল্পের বিশেষত্ব ও হাইলাইটস
ভ্রমণের রূপকথায় বুনো ভালোবাসা
বান্দরবানের নাফাখুম, সাঙ্গু নদী আর সিলেটের বিছনাকান্দির অপার নৈসর্গিক রূপের সাথে জড়িয়ে থাকা দুই প্রেমিকের বাঁধনহারা রোমাঞ্চ।
পারিবারিক ইগো ও বিচ্ছেদের হাহাকার
এক নির্মম অতীতের ভুল বোঝাবুঝি কীভাবে দুটি পরিবার ও নিষ্পাপ ভালোবাসাকে চরম পরিণতির দিকে ঠেলে দেয়, তার নিখুঁত মনস্তাত্ত্বিক চিত্র।
আত্মত্যাগ পেরিয়ে অনন্ত সমর্পণ
প্রতিটি পদক্ষেপে বিচ্ছেদের আগুনের মুখোমুখি দাঁড়িয়েও বিশ্বাসের শক্তিতে এক হওয়ার এক অনবদ্য প্রেমের মহাকাব্য।
প্রধান চরিত্রসমূহ
6তিতির
নায়িকা (Protagonist)স্বাধীনচেতা, প্রাণোচ্ছল ও পরিবারের প্রতি দায়বদ্ধ এক তরুণী। মুগ্ধর ভালোবাসায় আত্মহারা হলেও বাবার আত্মসম্মান বাঁচাতে বারবার নিজের সুখ বিসর্জন দিতে বাধ্য হয়।
মুগ্ধ (মেহবুব চৌধুরী)
নায়ক (Male Lead)ভ্রমণপাগল, আত্মমর্যাদাসম্পন্ন ও দৃঢ়চেতা এক যুবক। কঠোর পৌরুষের আড়ালে তিতিরের জন্য অতল ভালোবাসা ও আগলে রাখার এক অনন্য পাগলামি লুকিয়ে রাখে।
তান্না
তিতিরের বড় ভাই (Antagonist)অহংকারী ও প্রতিশোধপরায়ণ। অতীতের এক পুরোনো অপমানের জের ধরে বোন তিতিরের ভালোবাসাকে ধ্বংস করতে যেকোনো ষড়যন্ত্র করতে দ্বিধাহীন।
সুহাস
তিতিরের বাগদত্তা (Supporting Character)ভদ্র, মার্জিত ও পেশাদার প্রকৌশলী। তিতিরের মন অন্য কারো জেনেও তাকে পাওয়ার আশায় নীরব ধৈর্যের পরিচয় দেয়।
পিউ
মুগ্ধর ছোট বোন (Supporting Character)আন্তরিক, চঞ্চল ও স্নেহপরায়ণ বোন। বড় ভাইয়ের ভালোবাসার পরিণতির জন্য সবসময় তিতিরের বিশ্বস্ত সঙ্গী হয়ে পাশে দাঁড়ায়।
ইকরা
মুগ্ধর ফুপাতো বোন (Supporting Character)মুগ্ধর প্রতি একতরফা পাগলাটে মোহে অন্ধ তরুণী, যে যেকোনো মূল্যে মুগ্ধকে নিজের করে পেতে মরিয়া।
সূচিপত্র ও সিজনসমূহ
57 টি অধ্যায়
প্রথম খণ্ড: মায়াজাল ও মিলন
নাফাখুমের বুনো পাহাড়ি ঝিরিপথ থেকে শুরু হওয়া উন্মাদ প্রেম, যা পারিবারিক চরম বাধা ও বিরহের অগ্নিপরীক্ষা পেরিয়ে পরম শান্তিতে পরিণতি পায়।
মধ্যরাতের ভাঙা সুরে
রাত গভীর হলে ফোনের ওপাশ থেকে ভেসে আসে বহুদিনের পরিচিত অথচ নিষিদ্ধ এক কণ্ঠস্বর। অতীতের অজস্র মধুর স্মৃতি আর ব্যথার আঁচড় আড়াল করে তিতির কি পারবে মুগ্ধর আকুল প্রশ্নের মুখে নিজের পাষাণ রূপ ধরে রাখতে, নাকি একটি পুরোনো গানের সুর ভেঙে দেবে সব প্রতিরোধ?
পাহাড়ি ট্রিপের প্রথম দেখা
পাঁচ বছর আগের সেই শীতের রাতে নাফাখুম ট্রিপের বাসে হঠাৎই এক অচেনা ছেলের সাথে জানালার সিট নিয়ে বাঁধে মৃদু বাকবিতণ্ডা। দূর পাহাড়ে একা পাড়ি জমানো নির্ভীক তিতির কি জানত, পাশের সিটের এই রাশভারী মুগ্ধই তার সারাজীবনের নির্ঘুম রাতের কারণ হয়ে দাঁড়াবে?
ভোরের আলোয় ফেলে যাওয়া
বান্দরবানের পাহাড়ি রাস্তায় মুগ্ধর কাঁধে মাথা রেখে হঠাৎ ঘুম ভেঙে চরম লজ্জায় পড়ে তিতির। কিন্তু হোটেলের সকালের খুনসুটি শেষ হতে না হতেই বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে তারা জানতে পারে পুরো দল তাদের রেখেই এক ঘণ্টা আগে চলে গেছে। দুর্গম পাহাড়ে এই চরম বিপদে তারা এখন কী করবে?
খাড়া পাহাড়ে সিএনজি রোমাঞ্চ
দলের সাথে যোগাযোগের সব পথ বন্ধ হয়ে গেলে একমাত্র ভরসা হয়ে ওঠে এক পাহাড়ি সিএনজি ড্রাইভার। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে হাজার ফুট উঁচুতে খাড়া পাহাড়ে ওঠার সময় তীব্র আতঙ্কে মুগ্ধর হাত চেপে ধরে তিতির। এক অচেনা তরুণের উষ্ণ হাতের ছোঁয়া কি তিতিরের হৃদয়ে নতুন অনুভূতির জন্ম দিচ্ছে?
মেঘের দেশে ট্রাভেলার মন
মিলনছড়ি আর্মি ক্যাম্পের আকাশে ভেসে থাকা মেঘ তিতিরকে যেন পাগল করে তোলে। ট্রাভেলার বনাম ট্যুরিস্টদের অদ্ভুত তফাত বুঝিয়ে দিয়ে মুগ্ধ যখন পাহাড়ি মিষ্টি পেঁপে কেটে তিতিরের মুখে তুলে দেয়, তখন তিতিরের নিস্পাপ ঘুমন্ত মুখের দিকে তাকিয়ে মুগ্ধর বুকে কিসের মাতাল তুফান ওঠে?
নীলগিরির পাহাড়চূড়ায় বিস্ময়
পাঁচ বছর পরের তিতির ড্রেসিংটেবিলের সামনে বসে যখন সেই পাহাড়ি স্মৃতির পেনহোল্ডার দেখে চোখের জল ফেলে, তখন মনে পড়ে নীলগিরির সেই রূপ। যেখানে ইট-পাথরের দেয়াল সরিয়ে তিতিরের হাত শক্ত করে ধরে মুগ্ধ তাকে নিয়ে গিয়েছিল খাড়া পাহাড়ের কিনারায়। কী ছিল সেই অপার্থিব দৃশ্যে?
মাঝপথে গাড়ির বিকল ফাঁদ
নীলগিরির মোহময় রূপ পেছনে ফেলে থানচির উদ্দেশ্যে রওনা হলেও মাঝপথে সিএনজি নষ্ট হওয়ার দাবি করে রহস্যময় চালক হাসু। সন্ধ্যা নামার মুখে জনমানবহীন পাহাড়ি রাস্তায় আটকে পড়া তিতিরকে ফেলে কেন মুগ্ধ তাকে দ্রুত উল্টো পথে নিয়ে ছুটল?
ডাকাত দলের ছায়া ও জঙ্গল
পাল্টা রাস্তায় আসা অন্য এক সিএনজির যাত্রীদের মুখে রক্ত হিম করা ডাকাতির খবর শুনে কেঁপে ওঠে তিতির। এক পরীর মতো সুন্দর মেয়েকে ছিনিয়ে নিতে পাহাড়ে ডাকাতরা হন্যে হয়ে খুঁজছে। হঠাৎ খাদের নিচে দাঁড়িয়ে থাকা মুগ্ধ আর তিতিরের মাথার ওপর এসে থামে ডাকাত দলের জিপ!
রক্তাক্ত খাদের মুখে তাঁবু
চোখের সামনে ঘটে যাওয়া এক নৃশংস হত্যাকাণ্ড দেখে খাদের কিনারে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে তিতির। মৃত্যুর মুখ থেকে তিতিরকে কোলে তুলে গহীন জঙ্গলে নিয়ে তাঁবু ফেলে মুগ্ধ। বরফশীতল সেই রাতে আগুনের পাশে বসে যখন মুগ্ধ মান্না দে-র গান ধরে, তিতিরের বুক কেন অচেনা লজ্জায় কাঁপতে থাকে?
একই কম্বলের ওম ও সকাল
তাঁবুর ভেতরে মুগ্ধর সুঠাম শরীরের দিকে তাকিয়ে নিজের অবচেতন মনের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারায় তিতির। কনকনে শীতে মুগ্ধকে কাঁপতে দেখে কখন যে সে একই কম্বলের নিচে উষ্ণতা খুঁজতে চলে যায়, তা সকালে ঘুম ভাঙতেই মুগ্ধকে স্তব্ধ করে দেয়। ভোরের আলোয় কেন মুগ্ধ তিতিরকে ফেলে একাকী বাইরে চলে গেল?
পাঠকদের পছন্দের বই
পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই
প্রাক্তনের গল্প ও বাসের ভিড়
পাহাড়ি পথ ধরে হাঁটতে হাঁটতে মুগ্ধ তার অতীত প্রেমের অদ্ভুত সব কারণ প্রকাশ করে তিতিরকে লজ্জায় ফেলে দেয়। লোকাল বাসের গাদাগাদিতে যখন খাঁড়া পাহাড়ে বাস ছিটকে পড়তে নেয়, তখন মুগ্ধর বুকে আঁকড়ে ধরে থাকা তিতির কি বুঝতে পারে এই আশ্রয় শুধুই ক্ষণিকের ভালোলাগা নয়?
স্বামী-স্ত্রী ও কাজলের ছদ্মবেশ
থানচি গেস্ট হাউজে রুম পাওয়ার জন্য তিতিরকে নিজের নতুন বিয়ে করা স্ত্রী পরিচয় দেয় মুগ্ধ। কিন্তু গোসল সেরে জারুল ফুলের মতো স্নিগ্ধ রূপ নিয়ে তিতির বের হতেই কেন মুগ্ধ জোর করে তার সারা মুখে আর কানে কাজলের কালো ছোপ মেখে তাকে কুৎসিত বানাতে চাইল?
সাঙ্গুর বুকে কৃষ্ণকলির রূপ
সাঙ্গু নদীর বুক চিরে ছুটে চলা নৌকায় কাঠের বঁটি আর স্টোভে রান্না করতে গিয়ে মুগ্ধর নিখুঁত যত্ন দেখে চোখ জুড়িয়ে যায় তিতিরের। মুখে কালি মেখে বসে থাকা তিতিরকে দেখে যখন মুগ্ধ 'কৃষ্ণকলি' গানটি গেয়ে পর্দা টেনে দেয়, তখন রেমাক্রি ফলসের উন্মাদ পানিতে নেমে কী ভয়াবহ বিপদ অপেক্ষা করছিল?
রেমাক্রির ঘাড়ে ক্ষত ও বার-বি-কিউ
রেমাক্রির পাথুরে নদীতে গোসল করতে গিয়ে কাজলের কালি তোলার পর তিতিরের পিঠ আর ঘাড়ের ক্ষত দেখে চমকে ওঠে মুগ্ধ। ঘাড়ে স্যাভলন লাগানোর সেই রোমাঞ্চকর স্পর্শের পর পূর্ণিমার আলোয় বার-বি-কিউয়ের আগুনে কোন গোপন আকুলতা দুজনের ঘুম কেড়ে নিল?
কপালে প্রথম ঠোঁটের ছোঁয়া
বারান্দায় ঘুমিয়ে পড়া তিতিরকে সন্তর্পণে কোলে তুলে বিছানায় শুইয়ে দিয়ে গভীর মোহে কপালে প্রথম চুমু এঁকে দেয় মুগ্ধ। ঘুমের ভান করে থাকা তিতিরের হৃদয় তখন আনন্দে আত্মহারা। খুব ভোরে এক দুর্গম পাহাড়ের চূড়ায় উঠে মেঘ ছোঁয়ার সময় মুগ্ধর দেওয়া কোন কথা তিতিরকে চিরদিনের ঋণী করে রাখল?
ঝিরিপথে রক্তের দাগ ও অধিকার
সাফিদের দলের সাথে আবার দেখা হলেও তিতিরের চোখে জমে থাকে অন্য কারো হিংসুটে দৃষ্টির ভয়। নাফাখুমের দুর্গম ঝিরিপথে জোঁকের কামড়ে রক্তাক্ত তিতিরকে সবার সামনে হঠাৎই পাঁকোলে তুলে নেয় মুগ্ধ। শত চোখের কৌতূহল উপেক্ষা করে এই প্রকাশ্য অধিকারবোধ কি অন্য কোনো বিপদের ইঙ্গিত?
নাফাখুমের জলপ্রপাতে সমর্পণ
চল্লিশ ফুট প্রশস্ত নাফাখুমের গগনবিদারী গর্জনে থমকে যায় পুরো ট্রাভেলার দল। যেখানে কেউ নামার সাহস পায়নি, সেখানে একই সুরক্ষার বেল্টে বাঁধা পড়ে উন্মত্ত জলধারার মাঝে ঝাঁপিয়ে পড়ে তিতির ও মুগ্ধ। স্রোতের তোড়ে ভেসে যাওয়ার মুহূর্তে তিতিরের চোখে মুগ্ধর কী অচেনা রূপ ধরা পড়ল?
বিচ্ছেদের আতঙ্ক ও ফেলে আসা পথ
নাফাখুম থেকে মুগ্ধর ঢোলা টি-শার্ট গায়ে জড়িয়ে ঢাকায় ফেরে তিতির। কিন্তু ধানমন্ডির বাসার সামনে দাঁড়িয়ে বিদায় নেওয়ার পরই তিতির বুঝতে পারে, দুজনের ফোন নম্বরটাই তো বিনিময় করা হয়নি! দোতলার সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে বাবার মুখোমুখি হওয়া তিতির কি চিরতরে হারিয়ে ফেলল মুগ্ধকে?
বৃষ্টিভেজা রাস্তায় ভালোবাসার ডাক
ফোন নম্বর জোগাড়ের আপ্রাণ চেষ্টা আর ভুল বোঝাবুঝির পর সন্ধ্যার বৃষ্টিতে তিতিরদের বাসার উল্টোদিকের রাস্তায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকে মুগ্ধ। বারান্দা থেকে লিপস্টিক ছুড়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করার পর নিচে ছুটে আসা তিতিরের ভেজা মুখের সামনে দাঁড়িয়ে মুগ্ধ কী চরম কথা বলে বসল?
ফোনের ওপারে নতুন সংসার
বৃষ্টিভেজা সেই জড়িয়ে ধরার পর ফোনে শুরু হয় সারারাত খুনসুটি আর অনাগত ভবিষ্যতের রঙিন গল্প। কিন্তু রূপকথার মতো সেই চার বছর পেরিয়ে আজ ফুটপাতে একা রক্তাক্ত হৃদয়ে মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়া তিতিরের খবর কি পৌঁছাবে সেই বহু দূরের মুগ্ধর কাছে?
পাঠকদের পছন্দের বই
পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই
অচেনা নম্বরের জরুরি কল
বনানীর রাস্তায় সেন্সলেস হয়ে পড়ে থাকা এক তরুণীর ফোনের ইমার্জেন্সি তালিকা থেকে মুগ্ধর নম্বরে ফোন আসে। ছুটে গিয়ে জীর্ণশীর্ণ তিতিরকে নিজের বুকে তুলে ক্লিনিকে নিয়ে যায় মুগ্ধ। সাত মাসের বিচ্ছেদের পর নিজের ঘরে অচেতন তিতিরের শিয়রে বসে মুগ্ধর ভেতর কোন অতীত হাহাকার জাগল?
রিকশায় বৃষ্টি ও চট্টগ্রাম যাত্রা
স্মৃতিতে ভেসে ওঠে চার মাস বয়সের প্রেমের এক বৃষ্টিভেজা রিকশাভ্রমণ। পুলিশের সামনে অবলীলায় কোলে তুলে নিয়ে যাওয়ার সেই উন্মাদ দিনটিতে মুগ্ধর মায়ের দেওয়া সম্মতি তিতিরকে ভাসিয়েছিল চরম আনন্দে। পরিবারের অমতে চট্টগ্রাম যাওয়ার কী গোপন সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তারা?
বাবার চোখে মিথ্যের জল
বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকা বাবার সরল মুখের দিকে তাকিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে তিতির, জীবনের প্রথম মিথ্যে বলে সে মুগ্ধর হাত ধরেছে। বাসের নির্জন অন্ধকারে ইকরার পুরোনো ঘটনা নিয়ে ক্ষোভের পর মুগ্ধর খোঁচা খোঁচা দাড়ির মাঝে প্রথম গাঢ় স্পর্শে কোন চরম আবেশ ছড়িয়ে পড়ল?
বিরিয়ানির বাক্স ও রাতের আদর
তিতিরের নিজ হাতে রান্না করা বিরিয়ানির ঘ্রাণে বাসের মধ্যরাতের ক্ষুধা মেটায় মুগ্ধ। ঘুমের ঘোরে অন্য মেয়েদের লিপকিস নিয়ে তিতিরের অবুঝ অভিমান আর কান্নার তোড়ে মুগ্ধ যখন তাকে কোলে নিয়ে গান গায়, তখন সেই বাসের সিটে মাথা রেখে তিতির কী স্বপ্ন দেখছিল?
টিলার ওপরে শ্বশুরবাড়ি
ভোরের চট্টগ্রামে চা বাগানের কোল ঘেঁষা এক সবুজ টিলার চূড়ায় মুগ্ধর পৈতৃক বাড়ি। মুগ্ধর মায়ের উষ্ণ আলিঙ্গন আর স্নেহে নিমেষেই দূর হয়ে যায় তিতিরের সব সংকোচ। কিন্তু দুপুরে মুগ্ধর ঘরে একা ঢুকে ঘুমন্ত বুকে প্রথম চুমু দেওয়ার পর কেন তিতির আতঙ্কে দৌড়ে পালাল?
পতেঙ্গার বাতাস ও মধ্যরাতের ছাদ
পতেঙ্গা রোডে তীব্র বাতাসের মাঝে বাইক রাইড আর নাভাল রোডে কাঁকড়া ভাজার স্বাদ যেন স্বর্গীয় হয়ে ওঠে। কিন্তু গভীর রাতে চাঁদনী ছাদের নির্জনতায় যখন মুগ্ধর উষ্ণ ঠোঁট তিতিরের ঠোঁট ছুঁতে যায়, তখন কোন অজানা সংস্কারে কেঁদে মুখ ফিরিয়ে নেয় তিতির?
নীল শাড়ির বধূ রূপ
মুগ্ধর পুলিশ বাবার গম্ভীর জেরার মুখে পড়ে তিতির যখন থতমত খায়, তখনই মেলে অপ্রত্যাশিত আশীর্বাদ। রাতে মুগ্ধর জন্য শাশুড়ির সাজিয়ে দেওয়া নীল তাঁতের শাড়ি পড়ে চায়ের কাপ হাতে ঘরে ঢুকতেই মুগ্ধর চোখের ভাষাই কি বলে দিল আজীবন এই রূপেই সে বাঁধতে চায় তিতিরকে?
বাসস্ট্যান্ডের মারমুখী সংঘাত
চিটাগাং থেকে ঢাকা না ফিরে হঠাৎই বান্দরবানের চড়ুইভাতিতে বাঁশ কুরুইল খাওয়ার লোভ তিতিরকে রোমাঞ্চিত করে। কিন্তু বাসস্ট্যান্ডে পা রাখতেই হঠাৎ পুরোনো সেই প্রতারক সিএনজি ড্রাইভার হাসুকে দেখে উন্মাদের মতো মারতে শুরু করে মুগ্ধ। রক্ত আর গালির সেই উগ্র রূপ কি তিতিরকে মুগ্ধ সম্পর্কে নতুন করে ভাবাল?
নীলাচলের নীল ও আশ্রয় সন্ধান
মুগ্ধর চরম উগ্র রূপ দেখে ভয়ে দূরে সরে থাকা তিতিরকে বুকে টেনে নিজের খারাপ দিকগুলো মেনে নেওয়ার পরীক্ষা নেয় মুগ্ধ। নীলাচলের চূড়ায় দাঁড়িয়ে দুজন মিলে এক রাত থেকে যাওয়ার পাগল করা সিদ্ধান্তের পর বান্দরবানের কোনো রিসোর্টেই যখন রুম মিলল না, তখন কিসে মিলবে সেই আশ্রয়?
বৃষ্টি, লাল শাড়ি ও প্রথম চুম্বন
হলিডে ইন রিসোর্টের লেকভিউ কটেজে পাওয়া যায় এক রাতের স্বপ্নময় ঠিকানা। উপহার দেওয়া লাল তাঁতের শাড়ি পেঁচিয়ে বারান্দায় নামতেই মুগ্ধর গান আর নাভিতে প্রথম উষ্ণ ছোঁয়া তিতিরের রক্তে আগুন ধরিয়ে দেয়। দেয়ালের সাথে চেপে ধরে জীবনে প্রথমবার ঠোঁটে ঠোঁট ছোঁয়ানোর পর তিতিরের চোখ দিয়ে কেন জল পড়ল?
পাঠকদের পছন্দের বই
পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই
মহুয়ার নেশায় মাতাল বাসর
সুখের সাগরে পা ডুবিয়ে তিতির নিজ হাতে মুগ্ধকে ভাত খাইয়ে দেয়। কিন্তু খাসিয়াদের মহুয়া পানের পর মাতাল তিতির যখন মুগ্ধর শার্ট খুলে লোমশ বুকে ঝাঁপিয়ে পড়ে অজস্র কামড় আর চুমুতে পাগল করে তোলে, তখন সেই আদিম বাসর রাতে নিজেকে সংযত রাখা কি মুগ্ধর পক্ষে সম্ভব হবে?
প্রস্তাবের রাতে রক্তের ছায়া
চার বছর পর পারিবারিকভাবে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে তিতিরের বাসায় যায় মুগ্ধর পরিবার। খুশিতে ডগমগ তিতির যখন লাল শাড়ি পড়ে অপেক্ষায়, ঠিক তখনই বাইরে থেকে ঘরে ঢোকে তার বড় ভাই তান্না। তান্নাকে দেখেই মুগ্ধর মুখ শুকিয়ে যায় কেন? কার রক্তে ভেসেছিল অতীতের সেই সিঁড়ি?
অপমানের ভাঙা আংটি ও পদতলে ক্ষমা
মুগ্ধই সেই ব্যাচেলর মেসের গুণ্ডা যে তান্নাকে মেরে হাসপাতালে পাঠিয়েছিল—এই সত্য প্রকাশ হতেই তিতিরের বাবা তৎক্ষণাৎ বিয়ে ভেঙে দেন। বাবার পা ধরে, তান্নার পা ধরে তিতিরের জন্য আকুল হয়ে কেঁদে ক্ষমা চায় উদ্ধত মুগ্ধ। অহংকারের এই চরম পতনেও কি তিতিরকে রক্ষা করা গেল?
পরিবারের অভিশাপ ও কঠিন দেয়াল
মুগ্ধকে বিয়ে করলে তিতিরকে চিরতরে মৃত ঘোষণা করার চরম আলটিমেটাম দেন বাবা। ভাইয়ের স্বার্থপর অভিযোগ আর মায়ের অভিশাপের মুখে দাঁড়িয়ে তিতির কি পারবে রক্ত আর ভালোবাসার এই অসম যুদ্ধে বেঁচে থাকতে, নাকি আজীবন এই বিরহ সয়ে যাওয়াই তার নিয়তি?
পাঁচ মাসের নীরবতা ও হঠাৎ মিলন
ফোনে তিতিরের পরিবারের ওপর মুগ্ধর ক্ষোভ এবং ব্লক করে দীর্ঘ পাঁচ মাস যোগাযোগ বন্ধ রাখা। অবশেষে সহ্য করতে না পেরে মুগ্ধর একটি ফোনকল কীভাবে সবকিছু লন্ডভন্ড করে দিল? ধানমন্ডি থেকে হাঁটতে হাঁটতে বনানীতে এসে জ্ঞান হারিয়ে ফেলা তিতির কি ফের মুগ্ধর বুকে ঠাঁই পাবে?
অফিসের সামনে ধরা পড়ার রোমাঞ্চ
বাসার নির্মম চড়-থাপ্পড় আর অবহেলার পর মুগ্ধর গান শুনে এক সকালবেলা বনানীর অফিসের উল্টোদিকের গাছের আড়ালে লুকিয়ে মুগ্ধকে দেখতে যায় তিতির। কিন্তু গানের শব্দে মুগ্ধর কাছে হাতেনাতে ধরা পড়ে যাওয়ার পর সব ফেলে হঠাৎ ঢাকার বাইরে পালিয়ে যাওয়ার এই অদ্ভুত প্রস্তাব কেন দিল তিতির?
শুকতারা রিসোর্ট ও শাওয়ারের নিচে আগুন
সিলেটের শুকতারা রিসোর্টের বুকিং ফর্মে 'মিসেস তিতির মেহবুব' লিখে আবেগে ভেসে যায় তিতির। বাথরুমের শাওয়ারের নিচে দাঁড়িয়ে ভেজা কাপড়ে জড়িয়ে ধরে তিতিরের উন্মাদ চুম্বন আর পিঠের চেইন খোলার পর, মুগ্ধ কেন এক চরম অপরাধবোধে পিছিয়ে এল?
সাতকড়ার স্বাদ ও শৈশবের তালগাছ
সিলেটের বিখ্যাত সাতকড়া দিয়ে গরুর মাংস খেয়ে কেটে যাওয়া ঠোঁট নিয়ে খুনসুটি করে তিতির। রিসোর্টের ঘরে ফিরে মুগ্ধ যখন তিতিরকে পেটের ওপর তুলে ছোটবেলার মতো 'তালগাছ' খেলায় দোলায়, তখন অনাগত ভবিষ্যৎ ভেবে কেন তিতিরের দুচোখ ভিজে ওঠে?
মোমবাতির আলোয় রূপোলি নেকলেস
অন্ধকার ঘরে শত মোমবাতির আলো জ্বেলে তিতিরকে কোলে তুলে নেয় মুগ্ধ। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে পরম মমতায় গলায় পরিয়ে দেয় এক অপরূপ নেকলেস। এমন অপার্থিব প্রেম পেয়েও কেন দুজনের মনে হয় মৃত্যুর চেয়ে বড় কোনো মুক্তি আর নেই?
বিছনাকান্দির নীল ও ক্ষুধার্ত ভালোবাসা
বিছনাকান্দির পিয়াইন নদীর বরফশীতল নীল জলে ভেসে সাঁতার কাটে তিতির ও মুগ্ধ। তুমুল বৃষ্টিতে ক্ষুধা মেটাতে এক সাধারণ দোকানদারের ঘর থেকে খুদের ভাত এনে নিজ হাতে মুগ্ধকে খাইয়ে দেয় তিতির। এমন নিঃস্বার্থ ভালোবাসাকে ফেলে মুগ্ধ কীভাবে একা বাঁচবে?
পাঠকদের পছন্দের বই
পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই
ভাঙের নেশা ও লাল মণিপুরী শাড়ি
সিলেটের মেলা থেকে ভাঙের শরবত খেয়ে নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে তিতির। লাল মণিপুরী শাড়ি আর কপালে লাল টিপ পরে ঘরের বিছানায় এসে সব নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিজের সর্বস্ব বিলিয়ে দিতে চায় তিতির। কিন্তু ভালোবাসার মর্যাদা রাখতে গিয়ে চরম মুহূর্তে কেন মুগ্ধ নিজেকে সরিয়ে নিল?
মায়ের কাছে মিথ্যে দাবির বাজিমাত
ঢাকা ফিরে তিতির বুঝতে পারে এভাবে চললে মুগ্ধকে হারানো ছাড়া গতি নেই। হঠাৎ মাথায় আসা এক চরম পরিকল্পনায় রান্নাঘরে গিয়ে নিজের মাকে ডেকে অবিশ্বাস্য এক কথা বলে বসে তিতির—সে নাকি দুই মাসের প্রেগন্যান্ট! মায়ের হাতের খুন্তি পড়ে গিয়ে কী ভয়াবহ স্তব্ধতা নেমে এল?
ক্লিনিকের রক্তচক্ষু ও কাঠের স্কেল
গর্ভপাতের উদ্দেশ্যে তিতিরকে ক্লিনিকে নিয়ে যায় মা, কিন্তু পরিচিত ডাক্তারের সামনে ফাঁস হয়ে যায় তিতিরের সব মিথ্যা। বাসায় ফিরে ড্রয়িংরুমে তিন ফুটের কাঠের স্কেল দিয়ে তিতিরকে পশুর মতো পেটাতে শুরু করে মা। রক্তাক্ত তিতিরের জন্য কি কোনো বিচার অপেক্ষা করছে?
পিঠের ক্ষত ও বিচ্ছেদের চূড়ান্ত আলটিমেটাম
গাড়ির ভেতরে তিতিরের পিঠের নীল হয়ে যাওয়া মারের দাগ দেখে ঘৃণায় ও রাগে ফেটে পড়ে মুগ্ধ। কিন্তু কিছুদিন পর মুগ্ধদের বাসায় গিয়ে তিতির যখন পায়ে পড়ে কাঁদতে থাকে, তখন কেন মুগ্ধ কঠোর হয়ে বলল—হয় পরিবার ছাড়ো, নয় আজই চিরতরে বিদায় নাও?
ভাঙা কাচের রক্ত ও নতুন পাত্র
মায়ের পাষাণ কথায় ডাইনিং টেবিলের সমস্ত থালাবাসন আছাড় দিয়ে ভেঙে রক্তাক্ত পায়ে নিজের ঘরে চলে যায় তিতির। এক বছর পর তিতিরের জীবনে আসে সুহাস—যার সামনে তিতিরকে বসতে বাধ্য করা হয়। তীব্র জ্বরে আক্রান্ত তিতির এক শুক্রবার সকালে কার বিছানায় গিয়ে ঢলে পড়ল?
জ্বরের ঘোরে রান্নাঘরে পাগলামি
ভয়াবহ জ্বরে বেহুঁশ তিতির মুগ্ধর গায়ের গন্ধ নিতে নিতে রান্নাঘরের কেবিনেটে উঠে বসে অদ্ভুত সব আবদার জুড়ে দেয়। মুগ্ধর পরম যত্নে ওষুধ খেয়ে ঘুমিয়ে ওঠার পর তিতির যখন বলে সে চিরতরে চলে এসেছে, তখন আগামীকালই বিয়ের সিদ্ধান্তের মাঝে কী বাধা এসে দাঁড়াবে?
ইকরার উপস্থিতি ও ঈর্ষার কান্না
স্নিগ্ধ মাকে আনতে কুমিল্লায় গেলে বাসায় হঠাৎ হাজির হয় ইকরা। ইকরা মুগ্ধকে স্পর্শ করেছিল শুনে হিংসা আর অভিমানে চিৎকার করে কাঁদতে শুরু করে তিতির। কান্না থামাতে গিয়ে তিতিরের কপালে হাত দিয়ে মুগ্ধ কেন আঁতকে উঠল?
বৃষ্টিভেজা রাত ও অডিওর গোপন সত্যি
বৃষ্টিতে ভিজে জ্বর বাড়িয়ে ফেলা তিতিরকে নিয়ে মধ্যরাতে যখন মুগ্ধ হিমশিম খাচ্ছে, তখন জ্বরের ঘোরে তিতির এমন সব পাগলামি করে যা মুগ্ধর নিঃশ্বাস বন্ধ করে দেয়। ফোনে সেই পাগলামি রেকর্ড করে রাখার পর সকালে ঘুম ভেঙে নিজের শরীরের দিকে তাকিয়ে কেন তিতির লজ্জায় মরতে বসল?
শাশুড়ির বেনারসি ও বাসরঘরের গান
মুগ্ধর মায়ের বিয়ের পুরোনো লাল বেনারসি আর গয়নায় বধূ বেশে সেজে ওঠে তিতির। গোলাপ আর বেলী ফুলে সাজানো বাসরঘরে মুগ্ধ যখন প্রিয় গানটি গেয়ে আজীবন কাছে থাকার অঙ্গীকার করে, তখন সন্ধ্যা নামার মুখে দরজায় এসে কে দাঁড়াল?
কাজলের চোখে মৃত্যুর খবর
বিয়ের কাজী আসার ঠিক আগের মুহূর্তে ফোনে আসে তান্নার বুক কাঁপানো মেসেজ—তিতিরের বাবা হার্ট অ্যাটাক করে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন! বাসরঘর, বেনারসি শাড়ি আর ভালোবাসার স্বপ্ন ফেলে কেন কাঁদতে কাঁদতে রাজপথে দৌড় লাগাল তিতির?
পাঠকদের পছন্দের বই
পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই
হাসপাতালের বারান্দা ও ফুলের সৎকার
হাসপাতালের বিছানায় বাবার দুর্বল হাত ধরে তিতির প্রতিজ্ঞা করে সে সুহাসকেই বিয়ে করবে। গভীর রাতে নিজের সাজানো বাসরঘরে ফিরে ফুলের বিছানা ছিঁড়ে ফ্লোরে ফেলে দেয় মুগ্ধ। দুই ভালোবাসার মানুষ কি চিরদিনের জন্য জীবিত লাশে পরিণত হলো?
হাতে সুহাসের আংটি, বুকে মুগ্ধ
বাবার মুখে হাসি ফোটাতে সুহাসের সাথে জাঁকজমকপূর্ণ বাগদান সম্পন্ন করে তিতির। রাত দুটোয় মুগ্ধকে ফোন করে যখন সে জানায় তার বাগদানের খবর, তখন ওপাশ থেকে মুগ্ধর নিভে যাওয়া কণ্ঠ কেন তিতিরের বুক চিরে দিল?
ভোররাতের কেক ও নীল শাড়ির সংকল্প
ইনসমনিয়ায় ভোগা তিতির ভোর পাঁচটায় উঠে পরম যত্নে বানায় মুগ্ধর প্রিয় রেড ভেলভেট চিজ কেক। নীল শাড়িতে সেজে অফিসের পিকনিকের মিথ্যা অজুহাতে সে কেন সেই বাক্স নিয়ে বনানীর উদ্দেশ্যে ছুটল?
পদ্মার পাড়ে ৩৪তম গোলাপ
রাস্তার পথশিশুদের দিয়ে তেত্রিশটি গোলাপ উপহার দেওয়ার পর চুত্রিশতম গোলাপটি নিজের হাতে মুগ্ধর দিকে বাড়িয়ে দেয় তিতির। মাওয়া ঘাটে স্পিডবোটে পদ্মার রূপ আর শেষবারের মতো গাড়ির অন্ধকারে এক গাঢ় চুম্বনের পর কেন তিতির বলল কাল থেকে সব শেষ?
ডায়েরির চিঠি ও ইকরার সাথে বিয়ের খবর
তিতিরের পাঠানো চিঠির প্রতিটি লাইনে ভালোবাসার ঋণ স্বীকার আর ঠোঁটের ছাপ দেখে ডুকরে কেঁদে ওঠে মুগ্ধ। কিন্তু চার মাস পর হঠাৎ তিতিরের কাছে মুগ্ধর ফোন আসে—সে এই শুক্রবারই ইকরাকে বিয়ে করছে! এই চরম খবরে কি তিতিরের হৃদস্পন্দন চিরতরে থেমে যাবে?
বিয়ের সন্ধ্যায় দুই প্রেমিকের কান্না
ইকরাকে বিয়ে করতে যাওয়ার আগমুহূর্তে সাদা পাঞ্জাবি পরে ফোনে তিতিরকে বিদায় জানায় মুগ্ধ। ফোনের ওপারে দুই প্রেমিকের বুকভাঙা চিৎকার আর বাঁধভাঙা কান্না পুরো আকাশকে যেন স্তব্ধ করে দেয়। কেন মুগ্ধ প্রার্থনা করল পৃথিবীতে যেন কোনো ভাইয়ের এমন বোন আর না জন্মায়?
প্রেমাতাল রাতের অনন্ত পূর্ণতা
ড্রয়িংরুমে ভাবীর বিস্ফোরক সত্য উন্মোচনে তান্নার কুৎসিত মুখোশ খসে পড়ে আর বাবার চোখ খোলে। বিয়ের মণ্ডপ থেকে মুগ্ধকে টেনে এনে অবশেষে তিতিরের হাতে তুলে দেন বাবা। বাসরঘরে ব্লাউজহীন পুরোনো সেই শাড়ির বেশে দাঁড়িয়ে থাকা তিতিরকে কোলে তুলে মুগ্ধ কোন স্বর্গের ঠিকানায় হারাল?
সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQs)
প্রেমাতাল (Prematal) উপন্যাসটির মূল উপজীব্য বিষয় কী?
প্রেমাতাল উপন্যাসের লেখক কে?
প্রেমাতাল উপন্যাসের মোট পর্ব সংখ্যা কত এবং এটি কি সমাপ্ত?
প্রেমাতাল উপন্যাসটি কি অনলাইনে বিনামূল্যে পড়া সম্ভব?
প্রেমাতাল উপন্যাসটির পরবর্তী কোনো সিজন প্রকাশিত হবে কি?
পাঠক রিভিউ ও রেটিং
0 টি রিভিউ · 0 জন পাঠক
0 টি রিভিউ
রকমারি বেস্টসেলার: বইমেলা কালেকশন
পাঠকদের জন্য এই ঘরানার শীর্ষ ট্রেন্ডিং ও পছন্দের বইসমূহ সংগ্রহ করুন রকমারি থেকে