
সে কি জানে
অতীতের তিক্ত স্মৃতি আর একমাত্র সন্তানকে আগলে রাখা মিরার জীবনে আচমকা ঝড় তোলে প্রভাবশালী পুলিশ অফিসার রেয়ান। উদ্ধত শাসন আর তীব্র অধিকারবোধের আড়ালে লুকিয়ে থাকা অজানা সত্যি কি মিরার ক্ষতবিক্ষত হৃদয় জয় করতে পারবে, নাকি এই জোরজবরদস্তি রূপ নেবে নতুন কোনো ট্র্যাজেডিতে?
উপন্যাসটির ১ম সিজন সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে (মোট ২৫ পর্ব)। সকল পর্ব বিনামূল্যে অনলাইনে পড়তে সূচিপত্র অনুসরণ করুন।
গল্পের বিশেষত্ব ও হাইলাইটস
পজেসিভ রোম্যান্স ও মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন
একজন রাশভারী পুলিশ অফিসারের উদ্ধত আচরণ বনাম একাকী মায়ের আত্মমর্যাদার তুমুল সংঘাত।
অতীতের ক্ষত ও সত্যের উন্মোচন
বিশ্বাসঘাতকতা ও আকস্মিক বিচ্ছেদের পেছনে চাপা পড়ে থাকা করুণ ট্র্যাজেডি ও নিখাদ ভালোবাসার সন্ধান।
সম্পর্কের পুনর্নির্মাণ ও পারিবারিক মেলবন্ধন
ভুল বোঝাবুঝি ও তীব্র সামাজিক অপবাদের গণ্ডি পেরিয়ে এক অপূর্ব দাম্পত্য ও স্নেহের পূর্ণতা।
প্রধান চরিত্রসমূহ
5মিরা
নায়িকা (Protagonist)অতীতের বেদনাদায়ক বৈবাহিক স্মৃতি ও একাকী মাতৃত্বের লড়াইয়ে অবিচল এক তরুণী। রেয়ানের রুক্ষ ও অপ্রতিরোধ্য শাসনের মুখেও নিজের আত্মসম্মান রক্ষায় আপসহীন।
রেয়ান আহমেদ
নায়ক (Male Lead)ধনাঢ্য পরিবারের সন্তান ও ক্ষমতাবান পুলিশ কর্মকর্তা। বাইরে থেকে রাশভারী, উদ্ধত ও পজেসিভ হলেও ভেতরে লুকিয়ে রেখেছে গভীর অপরাধবোধ ও আত্মত্যাগী ভালোবাসা।
রিহান
মিরার সন্তানমিরার চার বছরের নিষ্পাপ পুত্র, যার ভালোবাসা ও নির্ভরতা রেয়ান ও মিরার মাঝের দূরত্ব ঘুচিয়ে দিতে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে।
শুভ
মিরার প্রাক্তন স্বামী (অতীত)মিরার জীবনের অতীতের মানুষ, যার আকস্মিক অন্তর্ধান ও মৃত্যুর পেছনে লুকিয়ে ছিল এক মর্মস্পর্শী সত্য ও ষড়যন্ত্র।
দিধা
রেয়ানের বোনরেয়ানের প্রাণোচ্ছল ও সহমর্মী বোন, যে পরিবারে মিরার মর্যাদা ও ভালোবাসার ভিত্তি আরও সুদৃঢ় করতে পাশে দাঁড়ায়।
সূচিপত্র ও সিজনসমূহ
25 টি অধ্যায়
প্রথম খণ্ড: সংঘাত ও আত্মউপলব্ধি
একাকী মায়ের আত্মমর্যাদা রক্ষার লড়াই এবং এক উদ্ধত পুলিশ অফিসারের তীব্র অধিকারবোধের আড়ালে লুকানো সত্যের মেলবন্ধন।
অপ্রত্যাশিত প্রস্তাব ও অপমান
অতীতের তিক্ততা ভুলে সন্তানকে নিয়ে বাঁচার লড়াইয়ে থাকা মিরার ঘরে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে হাজির হয় প্রভাবশালী পুলিশ অফিসার রেয়ান। কিন্তু রেয়ানের প্রথম বাক্যেই চূর্ণ হয়ে যায় সব ভদ্রতা। কী কারণে এক ক্ষমতাবান পুলিশ এমন কদর্য প্রস্তাব নিয়ে এসে দাঁড়াল একাকী মায়ের সামনে?
অন্ধকার অপহরণ ও গভীর রাতের ছায়া
ইন্টারভিউ দিতে যাওয়ার পথে দিনদুপুরে মিরার হাত-পা বেঁধে গাড়িতে তুলে নেয় রেয়ানের লোকেরা। অজ্ঞান করে নামিয়ে দিয়ে যাওয়ার পর মধ্যরাতে হঠাৎ নিজের শোবার ঘরের বারান্দায় পরিচিত সেই আতঙ্কের মুখোমুখি দাঁড়ায় মিরা। রেয়ানের এই দুঃসাহসিক অনুপ্রবেশের উদ্দেশ্য কী?
বারান্দার হুঁশিয়ারি ও থানার তলব
রেয়ানের চরম ঔদ্ধত্যের মুখে দাঁড়িয়ে আত্মমর্যাদার লড়াই চালায় মিরা, কিন্তু প্রত্যুত্তরে মেলে আরও ভয়ঙ্কর প্রতিশোধের হুমকি। পরদিন সকালে দরজায় কড়া নাড়ে পুলিশের গাড়ি, বন্দুকের মুখে জিম্মি করা হয় তার পরিবারকে। মিরার জন্য থানায় কী সাজিয়ে রেখেছে রেয়ান?
থাপ্পড়ের মাশুল ও অন্ধকারের গান
পরিবারকে বন্দি করার ভিডিও দেখে মেজাজ হারিয়ে পুলিশ কর্মকর্তার গালে সজোরে চড় বসায় মিরা। সেই ক্ষোভের প্রতিশোধে শুরু হয় নারকীয় টানাহেঁচড়া। অন্ধকার ঘরে চেয়ারে বন্দি মিরার কানে যখন এক চেনা সুরের গান ভেসে আসে, তখন ঠিক কার মুখোমুখি হতে চলেছে সে?
অচেনা টান ও অদ্ভুত দাবি
অন্ধকার কুঠুরির নিদারুণ ভয়ের পর রেয়ানের কোলে ফিরে নিজের সন্তানকে জড়িয়ে ধরে মিরা। কিন্তু চমকের তখনও বাকি—মিরার চার বছরের ছেলে রেয়ানকে পরম নির্ভরতায় ‘বাবা’ বলে জড়িয়ে ধরেছে। সন্তানকে নিজের পক্ষে টেনে রেয়ান কোন অসাধ্য সাধনের পথ খুঁজছে?
অতীতের খোঁজ ও জোরপূর্বক যাত্রা
খাবারের টেবিলে ছেলেমানুষি আবদার মেটাতে গিয়ে রেয়ানের তীক্ষ্ণ জেরা শুরু হয় মিরার বাল্যবিয়ে আর অতীতের স্বামীকে নিয়ে। শুভর প্রতি মিরার অন্ধ ভালোবাসা রেয়ানের ভেতর কীসের এত ঈর্ষা জাগায়? পরদিন প্রকাশ্য রাজপথে গাড়ি থামিয়ে মিরাকে কোথায় তুলে নিয়ে যায় রেয়ান?
অশ্রুসজল অতীত ও মধ্যরাতের মদ্যপ
সবুজ বাগানে বসে শুভকে নিয়ে জীবনের সমস্ত না-বলা কান্না রেয়ানের সামনে উগরে দেয় মিরা। কিন্তু সেই রাতের শান্তিময় মুহূর্ত ভেঙে চুরমার হয় যখন টিভিতে তাদের দুজনের ভিডিও ছড়িয়ে দিয়ে মিরাকে নোংরা অপবাদে বিদ্ধ করা হয়। আর গভীর রাতে দরজায় এসে দাঁড়ায় এক মাতাল রেয়ান!
চাঁদের আলোয় মাতাল হৃদয়
মদ্যপ অবস্থায় মিরার কোলে মাথা গুঁজে ঘুমিয়ে পড়ে উদ্ধত পুলিশ অফিসার। চাঁদের আবছা আলোয় সেই রুক্ষ চেহারার মাঝে মিরা হঠাৎ খুঁজে পায় এক পরম নির্ভরতা ও অপার্থিব মায়া। সকালে মিডিয়ার আক্রমণ প্রতিহত করে রক্তাক্ত হাতে ফিরে আসা রেয়ানের চোখে কীসের এত প্রতিজ্ঞা?
রক্তের দাগ ও নিঃশব্দ আত্মত্যাগ
মিরাকে রক্ষা করতে গিয়ে এক রিপোর্টারকে পিটিয়ে হাত রক্তাক্ত করে ফেলে রেয়ান। ক্ষতস্থানে মলম লাগাতে গিয়ে দুজনের চোখে চোখ পড়তেই বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে অব্যক্ত প্রেমের উষ্ণতা। পরদিন সকালে পুরো পাড়ার নিন্দুকদের পা ধরে ক্ষমা চাওয়ানোর পেছনে রেয়ান কোন খেলা খেলেছে?
পরিচয়ের ঘোষণা ও বাবার মুখোমুখি
নদীর পাড়ে বসে রেয়ান জানিয়ে দেয়—সে পুরো দুনিয়ার সামনে মিরাকে নিজের স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এরপরই শুরু হয় আরেক অগ্নিপরীক্ষা; রেয়ানের ধনকুবের বাবার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে মিরা জানতে পারে এমন কিছু সত্য, যা তার ধারণাকে নাড়িয়ে দেয়। কী লুকিয়ে আছে রেয়ানের দেওয়া সেই চিঠিতে?
পাঠকদের পছন্দের বই
পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই
চিঠির গোপন সত্যি ও অনুতাপের কান্না
রেয়ানের চিঠি খুলতেই স্তব্ধ হয়ে যায় পৃথিবী। শুভ কীভাবে আমেরিকায় গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছিল এবং সেই গাড়ির চালক আসলে কে ছিল? সম্পত্তি লুটের চক্রান্তকারী ননদ রিহার আসল রূপ যখন ফাঁস হয়, তখন রেয়ানের প্রতি মিরার হৃদয়ে কি জন্ম নেবে তীব্র ঘৃণা নাকি ক্ষমা?
ভার্সিটির প্রথম দিন ও সবুজ পাহাড়ের অঙ্গীকার
সব অপরাধের বোঝা কাঁধে নিয়েও মিরার পড়াশোনার স্বপ্ন পূরণ করতে তাকে ভার্সিটিতে ভর্তি করায় রেয়ান। কিন্তু ক্যাম্পাসে অন্য এক ছেলের সাথে মিরাকে কথা বলতে দেখেই হিংসায় জ্বলে ওঠে রেয়ান। পাহাড়ি নির্জনতায় হঠাৎ গাড়ি থামিয়ে কী দাবি করে বসল সে?
মধ্যরাতের লাল গোলাপ
রাত পৌনে চারটায় মিরার বাড়ির গেটের সামনে দাঁড়িয়ে হাঁটু গেড়ে লাল গোলাপ বাড়িয়ে দেয় রাশভারী সেই পুলিশ অফিসার। অদ্ভুত কথামালায় জড়ানো প্রেম নিবেদন ফিরিয়ে দিতে গিয়েও কেন বারবার লজ্জা আর শিহরণে হারিয়ে যায় মিরা? ভার্সিটি গেটে রাফির সামনে কী বোমা ফাটাল রেয়ান?
ফুচকার প্লেট ও পার্কের শাসন
বন্ধুদের সাথে রাস্তার পাশে ফুচকা খেতে গিয়ে রেয়ানের মারমুখী রূপের মুখে পড়ে মিরা। হাতের প্লেট আছড়ে ফেলে বন্ধুদের চরম শাসনে রেখে মিরাকে নিয়ে গাড়িতে তোলে রেয়ান। পার্কে বসে রেয়ানের গম্ভীর চোখ রাঙানি আর সর্বসমক্ষে চরম অস্বস্তিকর এক শাসনে মিরার বুক কেন কেঁপে উঠল?
হাতের মুঠোয় আজীবন বাঁধন
সার্বজনীন স্থানে রেয়ানের নির্লজ্জ বাচনিক আগ্রাসনে লজ্জা আর ক্ষোভে মুখ ফিরিয়ে চলে যেতে চায় মিরা। কিন্তু মরুভূমির মতো উত্তপ্ত সেই মন কি অত সহজে হাত ছাড়তে দেবে? পথচলতি মানুষের চোখের আড়ালে শক্ত করে ধরে ফেলা হাতটি কি সত্যিই আর কোনোদিন ছাড়বে না রেয়ান?
বোনের বিয়ের আসরে নতুন প্রস্তাব
রেয়ানের বোনের বিয়ের দিন মিরার শ্বাশুড়ি আর ননদ দিধা তাকে পরম আদরে বরণ করে নেয়। কিন্তু আনন্দঘন পরিবেশে বাজ পড়ে যখন পাত্রপক্ষের ছোট ভাই নির্ঝর প্রকাশ্যে মিরার গলায় বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে বসে। পাশে থাকা রেয়ানের শান্ত চেহারার আড়ালে কোন রক্তক্ষয়ী প্রলয় অপেক্ষা করছে?
বিপজ্জনক মিশন ও দূরত্বের আর্তনাদ
নির্ঝরকে ঘরের ভেতর চরম শিক্ষা দেওয়ার পর রাতেই মিরার কাছে ছুটে আসে রেয়ান। এক সপ্তাহের এক ঝুঁকিপূর্ণ পুলিশ অপারেশনে যাওয়ার আগে মিরার বুকে মুখ গুঁজে নিজের দুর্বলতা স্বীকার করে সে। এক সপ্তাহ পর ফোনের ওপারে রেয়ানের রক্তাক্ত পরিণতির ইঙ্গিত মিরাকে কতটা ক্ষতবিক্ষত করবে?
বুলেটের ক্ষত ও জন্মদিনের সারপ্রাইজ
হাতে গুলির ক্ষত আর মাথায় ব্যান্ডেজ নিয়ে ফিরে আসা রেয়ানকে দেখে চোখের পানি ধরে রাখতে পারে না মিরা। নির্ঝর নিখোঁজ হওয়ার রহস্যময় ধোঁয়াশা মিটিয়ে মাঝরাতে পুরো পরিবারকে সাথে নিয়ে মিরার জন্মদিনে হাজির হয় রেয়ান। গিটার হাতে রেয়ানের সুর কি মিরার সব অভিমান ধুয়ে দেবে?
কুড়ি প্লেট ফুচকা ও গায়ে হলুদের গর্জন
আবারও বারণ অমান্য করে ফুচকা খাওয়ার চেষ্টায় রেস্তোরাঁয় বসে কুড়ি প্লেট ফুচকা শেষ করার এক বিচিত্র শাস্তির মুখে পড়ে মিরা। সেই খুনসুটি শেষ হতে না হতেই দিধার গায়ে হলুদের রাতে নির্ঝরের লোলুপ দৃষ্টি টের পেয়ে সবার অলক্ষ্যে নির্ঝরকে টেনে নিয়ে যায় রেয়ান। সেখানে কী ঘটেছিল?
হলুদের ছোঁয়া ও গোপন স্বীকারোক্তি
হলুদের মঞ্চে অন্য মেয়েদের সাথে রেয়ানের গল্প দেখে ঈর্ষায় ফেটে পড়ে মিরা। সবার আড়ালে রেয়ানকে টেনে নিয়ে গিয়ে কাপড় ঠিক করতে গিয়ে উল্টো দেয়ালে পিঠ ঠেকে যায় তার। কোমড়ে হলুদের শীতল ছোঁয়া দিয়ে রেয়ান যখন ভালোবাসার প্রথম স্বীকারোক্তি জানায়, মিরার জবাব কী ছিল?
পাঠকদের পছন্দের বই
পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই
বৃষ্টিভেজা সুর ও আকস্মিক বিয়ের পিঁড়ি
রাত চারটায় বারান্দায় কফির উষ্ণতা আর মেহেদিরাঙা হাতে নিজের নাম খোঁজার খুনসুটিতে কাটে অদ্ভুত রাত। কিন্তু দিধার বিয়ের আসরে হঠাৎ উধাও হয়ে যাওয়া রেয়ান কাজী সাহেবের সামনে এসে মিরার হাত ধরে সরাসরি বিয়ের পিঁড়িতে টেনে বসিয়ে কী চমক সৃষ্টি করে?
জ্যোৎস্না বিলাস ও নতুন ভোর
বাসর রাতে ক্লান্তিতে চোখ ভেঙে আসা রেয়ান হঠাৎ মিরাকে কোলে তুলে নিয়ে হাজির হয় ফানুশ ও মোমবাতিতে সাজানো রূপকথার মতো এক ছাদে। একাকীত্বের অন্ধকার ফেলে আসা দুটি হৃদয় যখন এক হয়, তখনই ভোরের আলোয় কাজে বেরিয়ে যাওয়ার আগে রেয়ান কোন প্রতিশ্রুতির বন্ধনে বাঁধে মিরাকে?
বাপ-বেটার খুনসুটি ও অবাধ্য মায়া
নতুন সংসারে রেয়ানের আদরের মাঝে রিহান আর রেয়ানের খুনসুটি যেন এক স্বর্গীয় সুখ এনে দেয় মিরার জীবনে। গেম খেলা আর না খাইয়ে দিলে খাওয়ার বায়না ধরা এই মানুষটির অন্তরে কতখানি গভীরতা লুকিয়ে আছে, তা উপলব্ধি করতে গিয়ে মিরা কোন আবেগের সাগরে হাবুডুবু খায়?
অভিমানের ডাক ও গভীর রাতের আবদার
দিধার ফিরে আসায় ড্রয়িংরুমে আড্ডা দিতে গিয়ে বরকে ভুলে যাওয়ায় রেয়ান রুমে ঢুকে যা ঘটায়, তাতে মিরার মুখের ভাষা হারিয়ে যায়। সবার সামনে কোলে তুলে নিয়ে যাওয়া এই বেপরোয়া মানুষটির মনে আগামীর জন্মদিনের সারপ্রাইজ নিয়ে কী ষড়যন্ত্র আঁটছে মিরা?
ভালোবাসার পূর্ণতা ও জীবনের শেষ উত্তর
সারাদিন রেয়ানকে অবহেলা করার চরম নাটক শেষে রাত বারোটায় জন্মদিনের অপূর্ব সারপ্রাইজ দিয়ে ভালোবাসার বন্ধন পাকা করে মিরা। তার কিছুদিনের মধ্যেই ঘরে আসে নতুন অতিথি হওয়ার শুভসংবাদ। পাঁচ বছর পর তিন সন্তানের কলকাকলিতে পূর্ণ সংসারে দাঁড়িয়ে সেই বহুদিনের প্রশ্নটির কি পূর্ণতা পেল—'সে কি জানে'?
সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQs)
সে কি জানে (Se Ki Jane) উপন্যাসটির মূল কাহিনী কী?
সে কি জানে উপন্যাসের মোট পর্ব সংখ্যা কত এবং এটি কি সমাপ্ত?
সে কি জানে উপন্যাসের লেখিকা কে?
সে কি জানে উপন্যাসটি কি অনলাইনে বিনামূল্যে পড়া যায় নাকি PDF ডাউনলোড করতে হবে?
সে কি জানে উপন্যাসের পরবর্তী সিজন কি আসবে?
পাঠক রিভিউ ও রেটিং
0 টি রিভিউ · 0 জন পাঠক
0 টি রিভিউ
রকমারি বেস্টসেলার: বইমেলা কালেকশন
পাঠকদের জন্য এই ঘরানার শীর্ষ ট্রেন্ডিং ও পছন্দের বইসমূহ সংগ্রহ করুন রকমারি থেকে