
সত্যি ভালোবাসো
বোনের প্রেমের সম্মান বাঁচাতে গিয়ে নিজেই অপ্রত্যাশিতভাবে বিয়ের পিঁড়িতে বসে পড়ে কিশোরী তাহিয়া। গম্ভীর ও রাশভারী ব্যবসায়ী আরিশের সাথে চুক্তিমতো সংসার শুরু হতেই সামনে আসে এক গোপন অতীত ও একতরফা ভালোবাসার নিদারুণ হাহাকার। পারিবারিক অনুশাসন আর অতীতের ভয়ঙ্কর প্রতিশোধের মুখে তাদের এই জটিল বন্ধন কি সত্যি ভালোবাসায় পূর্ণতা পাবে?
উপন্যাসটির প্রথম সিজন মোট ২৭টি পর্বে সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে। সকল পর্ব অনলাইনে বিনামূল্যে পড়ার জন্য উন্মুক্ত রয়েছে।
গল্পের বিশেষত্ব ও হাইলাইটস
অপ্রত্যাশিত দাম্পত্য ও মধুর খুনসুটি
বাধ্যতামূলক পরিস্থিতিতে শুরু হওয়া সম্পর্কের শীতলতা কাটিয়ে ধীরে ধীরে এক গভীর ভালোবাসার আত্মপ্রকাশ।
অব্যক্ত ভালোবাসা ও আত্মত্যাগের করুণ আর্তনাদ
প্রিয়জনের সুখের জন্য নিজের সর্বস্ব ত্যাগ করার তীব্র মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব ও অনুভূতির লড়াই।
রোমাঞ্চকর পারিবারিক রহস্য ও প্রতিশোধের জাল
অতীতের শত্রুতা ও মুখোশধারী চক্রান্তের পর্দা উন্মোচনে টানটান উত্তেজনার ক্লাইম্যাক্স।
প্রধান চরিত্রসমূহ
6তাহিয়া
নায়িকা (Protagonist)চঞ্চল, আবেগপ্রবণ ও স্পষ্টভাষী তরুণী। বোনের সম্মান রক্ষার্থে নিজের ভবিষ্যৎ বাজি রেখে আরিশের সাথে হঠাৎ দাম্পত্যে জড়িয়ে পড়ে।
আরিশ খান
নায়ক (Male Lead)গম্ভীর ব্যক্তিত্বসম্পন্ন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। আপাতদৃষ্টিতে রুক্ষ হলেও হৃদয়ে তাহিয়ার জন্য অতল যত্ন ও অটুট ভালোবাসা গোপন রাখে।
তাহসিন আহমেদ
সমান্তরাল নায়ক (Parallel Lead)গভীর আবেগী ও আত্মত্যাগী যুবক। তাহিয়ার প্রতি বহুদিনের অব্যক্ত প্রেম বুকে চেপে রেখে দূর প্রবাসে পাড়ি জমায় এবং পরে জারার প্রেমে জীবনের নতুন দিশা খুঁজে পায়।
জারা
সমান্তরাল নায়িকা (Parallel Female Lead)প্রাণবন্ত, আত্মবিশ্বাসী ও ঠোঁটকাটা তরুণী। তাহসিনের ভেতরের জমে থাকা কষ্ট দূর করে তাকে ভালোবাসার নতুন আলোয় ফিরিয়ে আনে।
তূর্য
প্রধান চরিত্র (Supporting Lead)তাহিয়ার বড় ভাই। পারিবারিক ভুল বোঝাবুঝি ও প্রতিশোধের এক কালো জালে জড়িয়ে পড়ে নিজের অজান্তেই বড় দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে।
রেজোয়ান হোসেন
প্রধান খলনায়ক (Antagonist)আন্তর্জাতিক অপরাধ চক্রের সাথে জড়িত এক প্রতিশোধপরায়ণ পুরনো শত্রু, যে ১৮ বছর আগের ক্ষোভ মেটাতে পুরো পরিবারকে ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করে।
সূচিপত্র ও সিজনসমূহ
27 টি অধ্যায়
প্রথম খণ্ড: অনাকাঙ্ক্ষিত বন্ধন ও ভালোবাসার পরীক্ষা
হঠাৎ ঘটে যাওয়া একটি বিয়ের মাধ্যমে তাহিয়া ও আরিশের দাম্পত্য জীবনের সূচনা, অব্যক্ত অনুভূতির সংঘাত এবং পরিবারকে ঘিরে চক্রান্তের উন্মোচন।
অপ্রত্যাশিত বিয়ের পিঁড়ি
বোনের ভালোবাসাকে বাঁচাতে গিয়ে পরিবারের সম্মান রক্ষায় এক আকস্মিক সিদ্ধান্ত নিতে হয় তাহিয়াকে। অপরিচিত গম্ভীর আরিশের সাথে বাসর রাতের মুখোমুখি হতেই শুরু হয় তীব্র মানসিক সংঘাত। অনাকাঙ্ক্ষিত এই বৈবাহিক বন্ধন কি তাহিয়ার জীবনে কেবল অশান্তিই বয়ে আনবে?
শাড়ির প্যাঁচ ও গোপন টানাপোড়েন
নতুন সংসারে সকালের আলো ফুটতেই শুরু হয় একের পর এক ভুল বোঝাবুঝি আর আরিশের ধারালো মন্তব্যের বাণ। অথচ তাহিয়ার ছোট্ট বিপদে আরিশের চোখের অপ্রত্যাশিত অস্থিরতা এক অচেনা বার্তা দেয়। তবে কি রুক্ষতার আড়ালে চাপা পড়ে আছে অন্য কোনো অনুভূতি?
মধ্যরাতের বিষাদবার্তা
অভিমান আর ছোটখাটো প্রতিশোধের খেলায় তাহিয়া ও আরিশের দূরত্ব যখন একটু কমে আসে, তখনই গভীর রাতে ফোনে ভেসে আসে এক রহস্যময় বার্তা। আরিশের চোখের পলক বদলে যাওয়া এবং পরিবারের উদ্বেগের মাঝে কি লুকিয়ে আছে ভবিষ্যতের কোনো কালো মেঘ?
ফুচকার মোড়ে কালো ছায়া
বাবার বাড়ি যাওয়ার পথে খুনসুটি আর আনন্দের মাঝে হঠাৎ ঘটে যায় এক বিভীষিকাময় মুহূর্ত। চোখের পলকে ধেয়ে আসা এক বেপরোয়া গাড়ি থেকে তাহিয়াকে বাঁচাতে এগিয়ে আসে অচেনা হাত। কিন্তু সেই কালো মাস্ক পরা চালকের চোখের নিশানা কি নিছকই দুর্ঘটনা ছিল?
বউভাতের ভিড়ে অচেনা অতিথি
ধুমধাম করে আয়োজিত বউভাতের অনুষ্ঠানে সবার হাসিমুখের আড়ালে জমে ওঠে এক অজানা অস্বস্তি। রহস্যময় পার্টনার রেজোয়ান হোসেনের উপস্থিতি এবং পুরোনো এক পরিচিত মুখের হঠাৎ আগমন কি তাহিয়ার জীবনে নতুন কোনো অতীত উন্মোচনের বার্তা বহন করছে?
নীল শাড়ির গোপন স্বীকারোক্তি
আরিশের দেওয়া নীল শাড়ির আড়ালে ধরা পড়ে বহুদিনের জমে থাকা না-বলা ভালোবাসার অদ্ভুত অনুভূতি। অথচ সেই আনন্দের মাঝেই অন্য এক প্রান্তে তাহসিনের নিঃশব্দ আত্মদহন ও অশ্রুপাত জানিয়ে দেয়, এই ভালোবাসার মূল্য কারও একজনের বুকভাঙা যন্ত্রণায় লেখা।
পার্কের কোণে অচেনা নজর
কলেজের খুনসুটি আর দুজনের একান্ত অনুভূতির পর হঠাৎ পার্কের নির্জনতায় আবার দেখা মেলে সেই চিরচেনা বিপদের। মাস্ক পরা রহস্যময় ছায়াটি কি কেবল তাহিয়াকেই অনুসরণ করছে, নাকি তার পেছনে জড়িয়ে আছে আরমান পরিবারের বহু পুরোনো কোনো অভিশাপ?
১৮ বছর আগের অভিশপ্ত নাম
রেজোয়ান হোসেন নামটি শোনামাত্রই কেঁপে ওঠে আরমান রহমানের বুক, কিন্তু সেই ভয় তাহসিনের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি এড়াতে পারে না। গভীর রাতে একাকী ছাদে চাঁদের আলোয় দাঁড়িয়ে থাকা তাহসিনের চাপা দীর্ঘশ্বাস কি অন্য কারও উপস্থিতিতে নতুন প্রশ্নের মুখোমুখি হবে?
ভোরের রক্তিম সূর্য ও আকস্মিক পতন
ছাদের কোণে দাঁড়িয়ে হৃদয়ের তীব্র রক্তক্ষরণ নিয়ে তাহসিন যখন নিজের প্রেয়সীকে ভাবছিল, তখনই এক অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শে পাল্টে যায় দৃশ্যপট। কিন্তু ভোরের আলো স্পষ্ট হওয়ার আগেই সেই নির্জন ছাদ থেকে তাহিয়ার ভয়াবহ পতনের পেছনে কে ছিল?
সমুদ্রের লোনা হাওয়ায় কাছে আসার রাত
বিপদের রেশ কাটিয়ে সুস্থ হতেই আরিশ তাহিয়াকে নিয়ে হাজির হয় কক্সবাজারের বালুকাবেলায়। সমুদ্রের গর্জনে দুজনের মনের সমস্ত দ্বিধা ধুয়ে মুছে এক হয়ে যাওয়ার মুহূর্তে জেগে ওঠে ভালোবাসার তীব্র সমর্পণ। তবে এই পূর্ণতার পেছনে কি কোনো বিদায়ের পূর্বাভাস লুকিয়ে আছে?
পাঠকদের পছন্দের বই
পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই
অচেনা দূরত্ব ও ফিরে আসার পদধ্বনি
কক্সবাজারের ভালোবাসাময় স্মৃতি সঙ্গে নিয়ে ঢাকায় ফিরে এসেই ঘরের ভেতরে এক নিস্তব্ধ থমথমে পরিবেশ লক্ষ্য করে তাহিয়া। ড্রয়িংরুমে বসা সবার নীরব চাহনি আর আরিশের কঠোর মুখের অভিব্যক্তি কি নতুন কোনো বিপদের পদধ্বনি ঘোষণা করছে?
ছাদের দেয়াল ও অবাধ্য স্পর্শ
তাহসিনের হঠাৎ বদলে যাওয়া রূপ আর বিষাদগ্রস্ত চোখের ভাষা বুঝতে গিয়ে ছাদে একা তার মুখোমুখি হয় তাহিয়া। তীব্র রাগ ও আক্রোশের বশে দেয়ালে চেপে ধরা তাহসিনের অবাধ্য নিঃশ্বাস কি তাহিয়াকে এমন কোনো অপ্রিয় সত্যের মুখোমুখি করবে যা সে সইতে পারবে না?
রুপক গল্প ও গোপন অপরাধের শিকড়
আরিশের শোনানো এক রূপক গল্পের ভেতর দিয়ে তাহিয়ার সামনে কি তার নিজের জীবনেরই অবচেতন সত্য উন্মোচিত হতে যাচ্ছে? অন্যদিকে রেজোয়ানের অন্ধকার অতীতের কালো ছায়া প্রকাশ্যে আসতেই ডাইনিং টেবিলে ভেঙে পড়ে দীর্ঘ ১৮ বছরের নীরবতা।
রক্তাক্ত প্রতিজ্ঞা ও মধ্যরাতের নীরব প্রশ্ন
অতীতের এক রক্তের দাগকে ঘিরে দুটি বন্ধুর মাঝে যে চিরশত্রুতার জন্ম হয়েছিল, তা আজ পুরো পরিবারকে ধ্বংসের মুখে দাঁড় করিয়েছে। ছাদের আড্ডার শেষে আরিশ যখন তাহসিনকে এক চরম কঠিন প্রশ্নের মুখোমুখি করে, তখন দুজনের চোখেই কেবল এক নিঃশব্দ হারানোর ভয় নেমে আসে।
কানাডার টিকিট ও শেষ আলিঙ্গন
সবার অজান্তে দেশ ছেড়ে চিরতরে চলে যাওয়ার চরম সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে তাহসিন। কলেজের গেটে দাঁড়িয়ে তাহিয়াকে জীবনের শেষবারের মতো বুকের মাঝে জড়িয়ে ধরে সে যে বিদায়বার্তা দিয়ে যায়, তা কি তাহিয়ার মনে এক চিরস্থায়ী অপরাধবোধের আগুন জ্বালিয়ে দেবে?
দুই বছরের ব্যবধান ও নিখোঁজ ভাই
তাহসিনের দূর প্রবাসে প্রস্থান এবং তূর্যের আকস্মিক বিলেত যাত্রার পর কেটে যায় দুটি দীর্ঘ বছর। উচ্চ মাধ্যমিকের আনন্দঘন মুহূর্তে হঠাৎ খবর আসে—বিদেশে গত কয়েকদিন ধরে তূর্যের কোনো খোঁজ নেই। তবে কি অতীতের সেই কালো থাবা আবার ফিরে এসেছে?
বাসস্ট্যান্ডের ধাক্কা ও গিটারে বিরহের সুর
বাবার অসুস্থতার মিথ্যা খবরের টানে অনিচ্ছা সত্ত্বেও দেশে ফিরতে বাধ্য হয় তাহসিন। কিন্তু বাসস্ট্যান্ডের কোলাহলে ঝগড়ুটে জারার সাথে অপ্রত্যাশিত ধাক্কাধাক্কি আর রাতের নির্জনে গিটারের তারে তোলা হাহাকার কি তার বিষণ্ণ জীবনে কোনো নতুন মোড় আনবে?
ছাদে মুখোমুখি পুরনো শত্রু
পরিবারের চাপে অনিচ্ছা সত্ত্বেও তাহসিন যখন পাত্রী দেখতে যায়, তখন ছাদের কোণে মুখোমুখি হয়ে চোখ ছানাবড়া হয়ে যায় দুজনেরই। রাস্তার সেই ঝগড়ুটে মেয়েটাই যে তার হবু বধূ—এই অদ্ভুত নিয়তির খেলায় তাহসিন কি বিয়েতে মত দেবে, নাকি সবকিছু বানচাল করবে?
ছাদের কার্নিশ ও হুমকির খেলা
বিয়ে ভাঙার দাবিতে অনড় তাহসিন জারাকে কোণঠাসা করতে ছাদের কার্নিশের কাছে নিয়ে গিয়ে এক চরম চাল চালে। কিন্তু নিজেকে বিপদমুক্ত করতে জারার চটজলদি আত্মসমর্পণ কি সত্যিই তার পরাজয়, নাকি তাহসিনের অহংকার ভাঙার কোনো চতুর ফাঁদ?
আংটিবদল ও আড়ালে চোখ টিপ
সবাইকে বিয়েতে না বলার কথা দিয়েও মোক্ষম সময়ে তাহসিনকে স্তব্ধ করে দিয়ে জারা নিজেই বিয়ের সম্মতি জানিয়ে দেয়। সবার চোখের আড়ালে জারার সেই চোখ টিপ তাহসিনকে যেমন রাগান্বিত করে, তেমনই অন্যদিকে মিতাকে ঘিরে তাহিয়া আর আরিশের মাঝে জমে ওঠে তীব্র মান-অভিমান।
পাঠকদের পছন্দের বই
পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই
ভাত মুখে তুলে দেওয়ার আদর
সারাদিন না খেয়ে থাকা অভিমানী তাহিয়ার মুখে নিজের হাতে খাবার তুলে দিয়ে আরিশ তার রাগ ভাঙানোর চেষ্টা করে। আপাতদৃষ্টিতে অফিসে কাজের কথা বললেও মধ্যরাতে আরিশের রহস্যময় ফিসফিসানি কি তাহিয়াকে কোনো অচেনা ষড়যন্ত্রের গন্ধ দিচ্ছে?
কালো শাড়ি ও চোখ ধাঁধানো সারপ্রাইজ
আরিশের পাঠানো কালো শাড়ি পরে যখন তাহিয়া গাড়িতে ওঠে, তখন তার চোখের সামনে কেবল রহস্যের কালো পর্দা। মাঝরাস্তায় চোখ বেঁধে অজানা কোনো ঠিকানায় নিয়ে যাওয়া আরিশের এই রোমাঞ্চকর উদ্যোগ কি তাহিয়ার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর মুহূর্ত হতে চলেছে?
ফুলসজ্জার কুটিরে গুলির প্রতিধ্বনি
গোলাপের সুবাস আর পূর্ণাঙ্গ ভালোবাসার অঙ্গীকারে নৌকা ভ্রমণের শেষে যখন দুজনের এক হওয়ার অপেক্ষা, তখনই এক জরুরি ফোনে চুরমার হয়ে যায় সব। আরিশের রেখে যাওয়া শূন্যতায় সিএনজি নিয়ে তাকে অনুসরণ করে এক নির্জন ভবনে ছুটে যেতেই তাহিয়ার কানে ভেসে আসে এক আকস্মিক গুলির শব্দ!
রক্তাক্ত ভাই ও বিশ্বাসের চপেটাঘাত
রক্তাক্ত হাতে বসে থাকা নিজের আপন ভাই আর তার বুকে পিস্তল তাক করে দাঁড়িয়ে থাকা আরিশকে দেখে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে তাহিয়ার। ভালোবাসার সমস্ত বিশ্বাসকে চুরমার করে দিয়ে আরিশের গালে সপাটে চড় বসিয়ে ভাইকে নিয়ে পালিয়ে আসা তাহিয়া কি কোনো ভয়াবহ চক্রান্তের ফাঁদে পা দিল?
অন্ধকার প্রকোষ্ঠে মুখোশের আড়ালে আপনজন
কলেজ গেট থেকে আকস্মিক অপহরণের পর চেয়ারের সাথে বাঁধা অবস্থায় জ্ঞান ফিরতেই তাহিয়ার সামনে উন্মোচিত হয় নারী পাচারকারী রেজোয়ানের ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা। কিন্তু সেই চক্রান্তে সাহায্য করতে ঘরে প্রবেশ করা মাস্ক পরা মানুষটির মুখোশ খোলার পর তাহিয়া যে সত্য দেখে, তা কি তার হৃদস্পন্দন চিরতরে থামিয়ে দেবে?
ছাদের শেষ বুলেট ও নিথর দেহ
এয়ারপোর্টের বদলে পুরনো ভবনের ছাদে গাড়ি ঘুরিয়ে যখন পুরো অপরাধের জাল ছিন্ন করা হয়, তখনই প্রতিহিংসায় জ্বলে ওঠা রেজোয়ানের পিস্তল গর্জে ওঠে। নিজের ভুল বুঝতে পেরে তাহিয়া ছুটে যাওয়ার আগেই মেঝেতে ঢলে পড়ে আরিশের রক্তভেজা দেহ। হাসপাতালের নিভু নিভু আলোর নিচে দাঁড়িয়ে তাহিয়ার কান্না কি আরিশকে ফিরিয়ে আনতে পারবে?
জোৎস্নাস্নাত নদীতে ভালোবাসার পূর্ণতা
সকল ঝড়, ভুল বোঝাবুঝি আর রক্তাক্ত স্মৃতি পেছনে ফেলে অবশেষে চার জোড়া ভালোবাসার মানুষ খুঁজে পায় তাদের চিরন্তন আশ্রয়। নদীর পাড়ে জোৎস্নার আলোয় হাত ধরে দাঁড়ানো তাহিয়ার চোখে চোখ রেখে আরিশ যখন শুধায় 'সত্যি ভালোবাসো?', তখন প্রকৃতির নীরবতায় রচিত হয় এক অমল ভালোবাসার চিরস্থায়ী উপাখ্যান।
সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQs)
সত্যি ভালোবাসো (Sotti Valobasho) উপন্যাসটির মূল কাহিনী কী?
সত্যি ভালোবাসো উপন্যাসে মোট কয়টি পর্ব রয়েছে?
সত্যি ভালোবাসো উপন্যাসটির লেখিকা কে?
সত্যি ভালোবাসো উপন্যাসটি কি বিনামূল্যে অনলাইনে পড়া যায় নাকি PDF ডাউনলোড করতে হবে?
সত্যি ভালোবাসো কি কোনো অসমাপ্ত উপন্যাস?
পাঠক রিভিউ ও রেটিং
0 টি রিভিউ · 0 জন পাঠক
0 টি রিভিউ
রকমারি বেস্টসেলার: বইমেলা কালেকশন
পাঠকদের জন্য এই ঘরানার শীর্ষ ট্রেন্ডিং ও পছন্দের বইসমূহ সংগ্রহ করুন রকমারি থেকে