#জোরপূর্বক বিয়ে
জোরপূর্বক বিয়ে ট্যাগসহ সিরিজসমূহ।
যুগলবন্দী পায়রা
এক জোড়া পায়রা, কিছু উড়ো চিঠি এবং একজন অদৃশ্য প্রেমিক—এই নিয়েই মহুয়ার জগত। সেই প্রেমিকের সন্ধানে ঘর ছেড়ে পালানোর রাতে ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে তার দেখা হয় ইয়ামিনের সাথে। ঘৃনা আর পরিস্থিতির শিকার হয়ে বাঁধা পড়া দুটি জীবন কি খুঁজে পাবে তাদের অতীতে হারিয়ে যাওয়া সেই গোপন সূত্র? নাকি ভুল ঠিকানায় পাঠানো চিঠির মতোই হারিয়ে যাবে তাদের ভালোবাসা?
You are mine
শহরের ত্রাস ঈশান শাহরিয়ার, যার নাম শুনলেই কেঁপে ওঠে অনেকে। অথচ তার হৃদয়ের সবটুকু জুড়ে শুধুই সাধারণ এক কলেজ ছাত্রী, ঈশা। কিন্তু ঈশার মন যে ছোটবেলার বন্ধু লিমনের দখলে। ভালোবাসার অধিকার আদায়ে ঈশান বেছে নেয় এক চরম পথ—জোরপূর্বক বিয়ে। একদিকে স্বামীর উগ্র ভালোবাসা ও পজেসিভনেস, অন্যদিকে প্রেমিকের মুক্তির প্রলোভন। এই ত্রিকোণ প্রেমের আড়ালে লুকিয়ে আছে কোন ভয়ানক পারিবারিক ষড়যন্ত্র? ঈশা কি পারবে ঈশানের পাগলামির পেছনের সত্যিকারের মানুষটাকে চিনতে, নাকি ঘৃণার অনলে পুড়ে ছাই হবে সব?
ভোরের শিশির
বিয়ের প্রথম রাতেই স্বামী হামিম শর্ত দেয়, স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি পেতে হলে আদিয়াকে হাঁটতে হবে জ্বলন্ত কয়লার উপর। বাহ্যিক নিষ্ঠুরতার আড়ালে হামিম কি লুকিয়ে রেখেছে অন্য কোনো উদ্দেশ্য? আহমেদ কোম্পানির শ্রমিকদের মৃত্যুরহস্য, পারিবারিক ষড়যন্ত্র এবং এক অসমাপ্ত ভালোবাসার গল্প নিয়ে গড়ে উঠেছে এই সিরিজ। আদিয়া কি পারবে হামিমের নিষ্ঠুর মুখোশের আড়ালের সত্যটা খুঁজে বের করতে, নাকি হারিয়ে যাবে ষড়যন্ত্রের ধোঁয়াশায়?
সত্যি ভালোবাসো
বোনের ভালোবাসাকে বাঁচাতে গিয়ে এক অচেনা বরের সামনে কনে সাজতে হয় তাহিয়াকে। কিন্তু যে বিয়েটা ছিল শুধু পরিবারের সম্মান বাঁচানোর উপায়, সেটাই ধীরে ধীরে তার জীবনের সবচেয়ে বড় পরীক্ষায় পরিণত হয়। তার স্বামী আরিশের ভালোবাসা আর ভাইয়ের ষড়যন্ত্রের মাঝে সে এক ভয়াবহ বিপদের মুখোমুখি হয়। পরিবারের গভীর ষড়যন্ত্র আর অতীতের প্রতিশোধের আগুন থেকে তাহিয়া কি পারবে তার ভালোবাসাকে বাঁচাতে?
অভিমানেই আছো তুমি
এক powerful মাফিয়া নির্দয়ভাবে সেই মেয়েটিকে প্রত্যাখ্যান করে যে তাকে পাগলের মতো ভালোবাসতো। কিন্তু মাসখানেক পর, মেয়েটি যখন নতুন করে জীবন শুরু করতে যায়, সেই মাফিয়াই তার বিয়ের আসরে এসে হুমকি আর ব্ল্যাকমেইলের জোরে তাকে জোর করে বিয়ে করে নেয়। অপমান আর জবরদস্তিতে শুরু হওয়া এই সম্পর্ক কি কখনো ভালোবাসার মুখ দেখবে?
আমার ক্রাশ
তুলি একতরফাভাবে সায়ানের প্রেমে পাগল, কিন্তু সায়ানের জীবনে আছে অন্য কেউ। জোর করে বিয়ে আর নানান পাগলামি দিয়ে সে সায়ানের জীবনে প্রবেশ করে, কিন্তু ভালোবাসা কি জোর করে আদায় করা যায়? তুলির এই অদ্ভুত ভালোবাসা কি সায়ানের মন গলাতে পারবে, নাকি তাদের সম্পর্কটা একটা ভুলের বোঝাপড়াতেই শেষ হয়ে যাবে?
সঙ্গীন প্রণয়াসক্তি
সৎ ভাইয়ের আগমনের পর অনাথ অরুর জীবনটা এক জটিল সমীকরণে আটকে যায়। ছেলেটার শীতল চোখের চাহনি, অকারণ শাসন আর অধিকার ফলানোয় অরু অতিষ্ঠ, কিন্তু তার প্রতিটি কাজেই লুকিয়ে থাকে এক তীব্র প্রণয়াসক্তি। এই সঙ্গীন প্রণয়াসক্তি কি অরুর জীবনে ভালোবাসা হয়ে আসবে, নাকি ডেকে আনবে এক ভয়ংকর পরিণতি?
প্রেমের পরশ
এক অনাথ মেয়ের জীবন যখন সৎ পরিবারের অত্যাচারে অভিশপ্ত, তখন তার জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসে এক অচেনা যুবক। কিন্তু এই বিয়েটা কি শুধুই সুরক্ষা, নাকি এর পিছনে লুকিয়ে আছে তার মায়ের মৃত্যু আর বিশাল সম্পত্তির এক ভয়াবহ ষড়যন্ত্র? ভালোবাসা আর বিপদের এই খেলায় নিরু কি পারবে নিজেকে আর তার অনাগত সন্তানকে রক্ষা করতে?
মেইড ফর ইচ আদার
এক জমকালো বিয়ের উৎসবকে ঘিরে পনেরো বছর পর এক হয় আহমেদ ভিলার কাজিনেরা। কিন্তু আনন্দের আড়ালে দানা বাঁধে নতুন প্রেম, পুরনো খুনসুটি আর এক ভয়ংকর গোপন ষড়যন্ত্র। যখন ভালোবাসা আর বিপদ একসাথে হানা দেয়, তখন কি অটুট থাকবে তাদের সম্পর্ক?
ত্রিধারে তরঙ্গলীলা
অভিভাবকদের অতীত ভুলের জেরে হওয়া একটি বিয়ে তিক্ত বিচ্ছেদে শেষ হয়। বহু বছর পর, অনুশোচনা আর নতুন করে জন্মানো ভালোবাসায় জর্জরিত সুহাস তার হারানো স্ত্রী আর অদেখা সন্তানের খোঁজে পাড়ি দেয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়। কিন্তু সেখানে গিয়ে এক অচেনা শিশুর মুখে 'পাপা' ডাক শুনে তার পৃথিবী ওলটপালট হয়ে যায়। এই ডাক কি শুধুই কাকতালীয়, নাকি তার পাওয়া না পাওয়ার সমস্ত হিসেব বদলে দেবে?
অঙ্গারের নেশা
প্রানেশা তার প্রেমিক রেয়ানের সাথে বিয়ের স্বপ্ন দেখে। কিন্তু বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে হাজির হয় রেয়ানেরই মতো দেখতে হুবহু আরেকজন, যে তাকে জোর করে বিয়ে করে নেয়। কে এই বহুরূপী? ভালোবাসার মানুষকে হারিয়ে ফেলা প্রানেশার জীবনে কী অপেক্ষা করছে—এক অন্ধকার রহস্য নাকি এক তীব্র ভালোবাসার গল্প?
১৬ বছর বয়স
১৬ বছর বয়সী এক কিশোরী, যার বিয়ে হয়েছে এমন এক পুরুষের সাথে যে তাকে চায় না। ফুলশয্যার রাতেই স্বামীর রূঢ় আচরণ আর পরিত্যক্ত হওয়ার পর, তাকে আবার সেই স্বামীর সাথেই থাকতে বাধ্য করা হয়। ঘৃণা আর অবহেলা নিয়ে শুরু হওয়া এই জোরপূর্বক সম্পর্ক কি ভালোবাসায় রূপ নেবে, নাকি মেয়েটির জীবনটা শেষ হয়ে যাবে এক না-পাওয়া আর অপমানের গল্পে?
