#ব্ল্যাকমেইল
ব্ল্যাকমেইল ট্যাগসহ পর্বসমূহ।
৪. You are mine | ফুচকা বিলাসে হঠাৎ হানা
হাসিন ভাইয়ার সাথে ফুচকা খেতে গিয়েও নিস্তার নেই, যমদূতের মতো হাজির ঈশান। ভাইয়ার সামনেই চলে নীরব হুমকি আর জোরপূর্বক আংটি পরানোর নাটক। লিমনের পাঠানো মেসেজ দেখে ঈশানের মাথায় রক্ত উঠে যায়, কী আছে সেই ভিডিওতে যা দেখে আঁতকে উঠল ঈশা?
৪৭. এক চিলতে রোদ | অব্যক্ত ‘ভালোবাসি’ আর ফারিয়ার আগমন
ইহান যখন উষার চোখের দিকে তাকিয়ে ‘ভালোবাসি’ শুনতে চায়, উষার মুখ কেন পাথর হয়ে যায়? ফারিয়ার হঠাৎ উপস্থিতিতে কি উষার প্রেম নিবেদন অসম্পূর্ণ থেকে যাবে? রাতে উষার রুমে ইহানের লুকিয়ে থাকা আর সকালে ফারিয়ার সেই কটমট চাহনি—উষার সম্মান কি ধূলোয় মিশে যাবে? ফারিয়া কেন উষাকে ব্ল্যাকমেইল করছে?
৪. এক চিলতে রোদ | লিফটে অপ্রত্যাশিত মুখোমুখি
পালিয়েও রক্ষা নেই, শপিং মলের লিফটে আবার সেই অগ্নিমূর্তি। ভাঙা ফোনের ক্ষতিপূরণ নাকি অন্য কোনো হিসাব—রুদ্ধদ্বার লিফটে ইহান আসলে কী চায়?
২. অভিমানেই আছো তুমি | এক রাতের ছবি
এক রাতে আদিত্যের সাথে তোলা কিছু ছবিই আরুশির জীবনের কাল হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু সেই ছবির পেছনের গল্পে মিশে আছে আদিত্যের এক চরম অপমান, যা আরুশির ভালোবাসা চুরমার করে দিয়েছিল। যে অপমান তাকে দূরে ঠেলেছিল, সেই ছবির জোরেই কাছে টেনে আনার পেছনে আদিত্যের আসল উদ্দেশ্য কী?
৪. বৃষ্টি হয়ে নামবো | নুডলসের শাস্তি
আদনানের রুমে ধরা পড়ে দোলা ভয়ানক বিপদে। আদনান তাকে ব্ল্যাকমেইল করে তার ফেসবুক পাসওয়ার্ড নিয়ে নেয় এবং আইডি ডিলিট করে দেয়। কিন্তু তার আসল শাস্তি ছিল অন্যকিছু—দোলার প্রিয় নুডলস তার সামনে বসে খাওয়া। এই অদ্ভুত শাস্তির মানে কী?
৬. প্রেমের পরশ | প্রেমের ফাঁদ
নিজের ভুল বুঝতে পেরে শুভ নিরুর কাছে আসে, কিন্তু তাদের সম্পর্কের মাঝে বাধা হয়ে দাঁড়ায় শুভর প্রাক্তন প্রেমিকা সামিহা। সে ভালোবাসার নামে শুভকে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করে। এই নতুন ষড়যন্ত্রের মুখে নিরু আর শুভর সম্পর্ক কোন দিকে মোড় নেবে?
২০. ভালবাসার রাজপ্রাসাদ | দাবার ছক
গ্রামের বাড়িতে সুব্রত আর মৈথিলীর মুখোমুখি হয় অভিমন্যু। পুরনো ক্ষোভ আর অবিশ্বাসের মাঝে সে এক কঠিন চাল চালে—নিজের আর পরীর ভালোবাসার কথা প্রকাশ করে তাদের সাহায্য চায়। এই বিপজ্জনক খেলায় অভিমন্যু কি জিততে পারবে? নাকি তার এই চালেই সব স্বপ্ন তছনছ হয়ে যাবে?
৩. এক বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যা | নীল পরীর গোপন জগত
দিয়ার চালানো 'নীল পরী নীলাঞ্জনা' নামের ফেইক আইডিটি আবিষ্কার করে ফেলে বিহান। এই গোপন তথ্যকে কাজে লাগিয়ে সে দিয়াকে তার হুকুমের গোলাম বানিয়ে ছাড়ে। কিন্তু তার অদ্ভুত সব মন্তব্য, যেখানে সে নিজেকে দিয়ার স্বামী বলে দাবি করে, দিয়াকে এক নতুন দ্বিধায় ফেলে দেয়। বিহানের এই অদ্ভুত অধিকার খাটানোর পেছনের আসল রহস্যটা কী?
