#মন ভাঙা
মন ভাঙা ট্যাগসহ পর্বসমূহ।
১৬. এক বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যা | ভোরের অপেক্ষা এবং চূর্ণবিচূর্ণ বিশ্বাস
বিহানকে আটকানোর শেষ চেষ্টা হিসেবে দিয়া ভোরবেলায় টার্মিনালে হাজির হয়। কিন্তু অভিমানের বশে বিহান এমন কিছু কথা বলে যা দিয়ার বিশ্বাসকে চূর্ণবিচূর্ণ করে দেয়। বিহানের এই কঠিন রূপের আড়ালে কি সত্যিই কোনো ভালোবাসা নেই, নাকি পুরোটাই তার অভিমানের বহিঃপ্রকাশ?
৪. এক বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যা | একটি ফোন কল এবং ভাঙা মন
বিহানের ব্ল্যাকমেইলের শিকার হয়ে অনিচ্ছা সত্ত্বেও দিয়াকে মামার বাড়ি ফিরে আসতে হয়। সেখানে এক অপ্রত্যাশিত ফোন কলে সে জানতে পারে বিহানের জীবনে অন্য কেউ আছে। এই খবরে দিয়ার মন ভেঙে যায়। এমন পরিস্থিতিতে বিহানের রুমে কফি নিয়ে গেলে ঘটে আরেক বিপত্তি। বিহানের এই হঠাৎ রেগে যাওয়ার কারণ কি শুধুই কফি পড়া, নাকি অন্যকিছু?
২৮. অঙ্গারের নেশা | অঙ্গার যখন পুড়ে ছাই
পাঁচ বছরের বিরহের যন্ত্রণা যে কতটা গভীর, তা কি প্রানেশা অনুভব করতে পারবে? সুফিয়ানের নীরব কষ্ট আর ভালোবাসার তীব্রতা কি তাদের ভাঙা সম্পর্ককে জোড়া লাগাতে পারবে?
২২. অঙ্গারের নেশা | পাঁচ বছরের প্রতারণা
পাঁচ বছরের সম্পর্কটা যখন এক বিরাট মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়, তখন কি পুরোনো স্মৃতি ভুলে সত্যিটাকে মেনে নেওয়া যায়? প্রানেশা কি পারবে সুফিয়ানের ভালোবাসাকে বিশ্বাস করতে?
৮. অঙ্গারের নেশা | অসভ্যতার মুখোশ
প্রানেশার মন জয় করার চেষ্টায় এক পা এগোতেই রেয়ানের আসল রূপ বেরিয়ে আসে। যে ভালোবাসা ছিল প্রানেশার আশ্রয়, সেটাই যখন হয়ে ওঠে তার অসম্মানের কারণ, তখন সে কী করবে?
২৮. অগোচরে তুমি | বিদায়বেলার তুলনা
বন্ধুদের কাছ থেকে বিদায় নেওয়ার মুহূর্তে মেহেনূরের মুখ থেকে বেরিয়ে আসে অর্কের বলা কিছু তিক্ত কথা। কিরণ চৌধুরীর সাথে তার তুলনা যে তাকে কতটা কষ্ট দিয়েছে, সেটা কি অর্ক কখনো বুঝতে পারবে? এই বিদায় কি তাদের মধ্যে দূরত্ব আরও বাড়িয়ে দেবে?
২৭. অগোচরে তুমি | মিসেস শান্তর প্রতিশোধ
ভালোবাসার মানুষটি যখন অন্যের, তখন তনিমার মনে জ্বলে ওঠে প্রতিশোধের আগুন। সে কি পারবে শান্তকে দেখিয়ে দিতে যে তাকে হারানো কত বড় ভুল ছিল? নাকি এই প্রতিশোধের খেলায় সে নিজেই হারিয়ে যাবে?
১২. A Destination Wedding | সত্যের আঘাতে চুরমার সম্পর্ক
সব সত্যি জানার পর নিজেকে খেলার পুতুল মনে করে আয়রা। তীব্র অভিমানে দুই ভাইকেই প্রত্যাখ্যান করে সে জানিয়ে দেয় তার নিজের গোপন অনুভূতির কথাও। একদিকে আয়রার চলে যাওয়া, অন্যদিকে আদিয়াতের প্রতি পরিবারের চরম সিদ্ধান্ত—সম্পর্কের এই ভাঙা-গড়া কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে?
৩৩. ১৬ বছর বয়স | যদি স্বপ্ন হতো
শাওনের অবহেলা আর সহ্য করতে না পেরে মিলা বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তার এই সিদ্ধান্তে কি শাওনের কিছু আসবে-যাবে? নাকি তাদের এই অসম্পূর্ণ ভালোবাসার গল্পটা একটা দীর্ঘশ্বাসের মধ্যে দিয়েই শেষ হবে?
২৩. ১৬ বছর বয়স | স্বপ্ন ভাঙার সেই রাতে
শাওনের মায়ের মুখে ডিভোর্সের কথা শুনে মিলার পায়ের নিচের মাটি সরে যায়। যে মানুষটাকে সে ভালোবাসতে শুরু করেছে, তাকে হারানোর ভয়ে সে দিশেহারা। শাওন যখন তার সামনে দাঁড়ায়, মিলা কি পারবে তার মনের কথা বলতে, নাকি তাদের গল্পটা এখানেই শেষ হয়ে যাবে?
২৮. পাথরের বুকে ফুল | অপ্রকাশিত ভালোবাসা
অরিত্রানের জীবনের এক করুণ সত্য উন্মোচিত হয়। তার মায়ের ভয়ঙ্কর রূপ আর শৈশবের দুঃসহ স্মৃতি শুনে ওয়াসেনাতের পৃথিবী কেঁপে ওঠে। এই কঠিন সত্য কি তাদের ভালোবাসাকে আরও গভীর করবে, নাকি নতুন কোনো ঝড়ের পূর্বাভাস দেবে?
১৫. হৃদ রোগ | বিয়ে ঠিক হয়েছে!
পরীক্ষার মাঝে হঠাৎ খবর আসে, হিমাদ্রর বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে। খবরটা শুনে সুদেষ্ণার পৃথিবীটা যেন থমকে যায়। যার জন্য এত অপেক্ষা, এত স্বপ্ন, সে-ই যদি অন্যের হয়ে যায়, তাহলে এই ‘হৃদ রোগ’-এর শেষ কোথায়?
