#নায়কের অত্যাচার
নায়কের অত্যাচার ট্যাগসহ পর্বসমূহ।
১. এক বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যা | অপ্রত্যাশিত অতিথি ও একজোড়া অগ্নিচক্ষু
গোসল করার সময় ওয়াশরুমে হঠাৎ মামাতো ভাই বিহানের আগমন দিয়াকে হতবাক করে দেয়। কিন্তু বিহান দিয়ার আপত্তিতে কর্ণপাত না করে উল্টো তার চোখ বেঁধে দেয়। এই অদ্ভুত আচরণের পেছনে তার উদ্দেশ্য কী?
১৪. এক বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যা | কাপড় পোড়ানো এবং কফির প্রতিশোধ
বিহানের দেওয়া শাস্তি পালন করতে গিয়ে দিয়া বেশ কয়েকটি টি-শার্ট পুড়িয়ে ফেলে। এরপর চা-কফি বানানোর নামে বিহান তাকে যেভাবে হয়রান করে, তাতে দিয়ার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যায়। রাগের মাথায় সে এমন এক কাণ্ড করে বসে যা তাদের দুজনকে এক অস্বস্তিকর মুহূর্তে ফেলে দেয়। এই ঘটনার শেষ পরিণতি কী হবে?
১. এক বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যা | শাড়ির বিড়ম্বনা এবং অপ্রত্যাশিত শাসন
বোনের বিয়ের অনুষ্ঠানে শাড়ি পরার জন্য মামাতো ভাই বিহানের ঘরে ঢুকতেই এক অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়ে দিয়া। ক্লান্ত বিহান ঘর ছাড়তে নারাজ, আর তার তীক্ষ্ণ কথায় দিয়ার অবস্থা দিশেহারা। এই শাসন কি শুধুই ক্লান্তি প্রকাশের ভঙ্গি, নাকি এর পেছনে আছে অন্য কোনো অধিকারবোধের খেলা?
১২. ১৬ বছর বয়স | এবার আমার পালা
শাওনের প্রাক্তন প্রেমিকা সুইটির মেসেজ দেখে ফেলায় তাদের মধ্যে শুরু হয় নতুন করে দ্বন্দ্ব। শাওনের রাগের পারদ যখন চরমে ওঠে, সে মিলাকে দেয়ালের সাথে চেপে ধরে বলে, 'এবার আমার পালা'। শাওন কি তার রাগের বহিঃপ্রকাশ ঘটাবে, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য আছে?
৭. ১৬ বছর বয়স | রক্তাক্ত হাতের প্রতিশোধ
শাওনের প্রাক্তন প্রেমিকার ছবি খুঁজে পাওয়ায় দুজনের মধ্যে শুরু হয় তুমুল ঝগড়া। রাগের মাথায় শাওনের ধাক্কায় মিলা মারাত্মকভাবে হাত কেটে ফেলে। নিজের ভুলের জন্য অনুতপ্ত শাওন কি মিলার কাছে আসবে, নাকি তাদের মধ্যেকার দেয়ালটা আরও উঁচু হয়ে যাবে?
৪. ১৬ বছর বয়স | দরজার ওপারে নির্বাসন
পিশামশাইয়ের ফিরে যাওয়ার কথা থাকলেও তিনি ওকে একা ফেলেই চলে গেলেন। স্বামীর বাড়িতে একা থাকা মেয়েটি যখন সামান্য ভুলের জন্য তর্কে জড়ায়, শাওন তাকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয় বাসা থেকে। এই অচেনা শহরে, খালি পায়ে সে এখন কোথায় যাবে?
১. ১৬ বছর বয়স | অচেনা স্বামীর সেই রাত
ফুলশয্যার রাতে একরাশ ভয় নিয়ে বসে আছে ষোলো বছরের মিলা। কিন্তু তার স্বামী শাওন যখন ঘরে ফেরে, তখন তার আচরণ স্বাভাবিক মনে হয় না। নেশাগ্রস্ত স্বামীর অচেনা রূপ দেখে সে কি নিজেকে রক্ষা করতে পারবে, নাকি তার বান্ধবীর সাথে ঘটে যাওয়া ভয়ঙ্কর কিছুই তার ভাগ্যে লেখা?
৪. ১৬ পৃষ্ঠায় | শাস্তির নতুন অধ্যায়
স্বামীর ঘরে থেকেও যার আশ্রয় হয় কখনো সোফায়, কখনো বারান্দায়, তার উপর অত্যাচার যেন থামার নয়। সামান্য তর্কের জেরে তাকে ঠেলে দেওয়া হলো বাথটাবের হিমশীতল পানিতে। এরই মাঝে বাড়িতে এক নতুন অতিথির আগমন ঘটতে চলেছে, যার আগমনে সবাই আতঙ্কিত। কে এই নতুন অতিথি?
৫৫. এক সমুদ্র প্রেম | ভালোবাসার অধিকার
পিউয়ের সাথে ইফতির সামান্য কথা বলায় ধূসরের মধ্যে ঈর্ষার আগুন জ্বলে ওঠে। সে পিউকে একান্তে ডেকে নিয়ে তার ওপর নিজের অধিকার জাহির করে। ধূসরের এই পজেসিভনেস পিউকে একদিকে যেমন আনন্দ দেয়, তেমনি তার স্বাধীনতার ওপর এই নিয়ন্ত্রণ তাকে ভাবিয়ে তোলে।
৩১. এক সমুদ্র প্রেম | অপ্রকাশিত অধিকার
পিউকে আত্মহত্যা করতে চাওয়ার জন্য ধূসর প্রচণ্ডভাবে চড় মারে, কিন্তু তার জ্ঞান হারানোর অভিনয় ধূসরের ক্রোধকে উদ্বেগে পরিণত করে। রাতে ভূতের ভয়ে যখন পিউ কাতর, ধূসর তাকে নিজের ঘরে আশ্রয় দেয়। এই কঠোর শাসনের আড়ালে থাকা গভীর যত্ন কি পিউয়ের কাছে তার ভালোবাসার প্রমাণ হিসেবে যথেষ্ট?
২৭. এক সমুদ্র প্রেম | অমীমাংসিত রহস্য
কলেজের গেটের বাইরে ইফতি নামের এক ছেলের সাথে পিউয়ের আলাপ হয়, যা ধূসরের মধ্যে তীব্র ঈর্ষার জন্ম দেয়। পরে রেস্টুরেন্টে ধূসর ইচ্ছে করে প্রচণ্ড ঝাল খেয়ে সেই রাগ প্রকাশ করে। ওয়াশরুমে পিউয়ের মুখোমুখি হয়ে সে জানতে চায়, 'ইফতির সাথে এত হাসাহাসি কীসের?' ধূসরের এই অধিকারবোধ কি ভালোবাসার প্রকাশ, নাকি নিছকই নিয়ন্ত্রণ?
১৮. এক সমুদ্র প্রেম | অশালীন স্পর্শ, ভয়ানক রূপ
অনুষ্ঠানের ভিড়ে এক অদৃশ্য হাত পিউকে অশালীনভাবে স্পর্শ করে। ধূসর তা দেখে ফেলে এবং তার প্রতিক্রিয়া হয় ভয়ংকর। সে পিউকে একটি ঘরে টেনে নিয়ে যায়, তার কণ্ঠস্বর বিপজ্জনকভাবে শান্ত, এবং অবিলম্বে তাকে পোশাক পরিবর্তন করার দাবি জানায়। পিউ তার এমন এক রূপ দেখে যা সে আগে কখনও কল্পনাও করেনি।
