#পদ্মজা
পদ্মজা ট্যাগসহ পর্বসমূহ।
৩৭. আমি পদ্মজা | শেষ চিঠি
আমিরের রেখে যাওয়া শেষ চিঠি দুটো পদ্মজার প্রতিদিনের সঙ্গী। এক চিঠিতে লেখা তাদের ভালোবাসার রূপকথা, অন্যটিতে আমিরের অনুশোচনা আর আত্মত্যাগের গল্প। এই চিঠিগুলো কি পারবে পদ্মজার বুকের ভেতরের দগ্ধ ক্ষত সারাতে? নাকি প্রতি মুহূর্তে তাকে মনে করিয়ে দেবে এক অসমাপ্ত ভালোবাসার কথা?
৩৬. আমি পদ্মজা | রক্তাক্ত প্রতিশোধ
ছাত্রীর উপর হওয়া অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে পদ্মজা যখন দেখে আইন তার পক্ষে নেই, তখন সে নিজের হাতে আইন তুলে নেয়। রাতের আঁধারে সে একাই বেরিয়ে পড়ে সেই লম্পট শিক্ষককে শাস্তি দিতে। হেমলতার মেয়ে পদ্মজা কি পারবে তার মায়ের দেখানো পথেই বিচার করতে?
৩৫. আমি পদ্মজা | দ্বিতীয় খণ্ড: নতুন সূচনা
তেরো বছর পর, পদ্মজা এখন তিন সন্তানের মা এবং একজন শিক্ষিকা। সে তার অতীতকে পেছনে ফেলে নতুন জীবন শুরু করেছে। কিন্তু যখন স্কুলের এক ছাত্রীর উপর শিক্ষকের পাশবিক নির্যাতনের ঘটনা সামনে আসে, তখন তার ভেতরের ঘুমন্ত সত্তা আবার জেগে ওঠে। সে কি পারবে মেয়েটিকে বাঁচাতে?
৩৪. আমি পদ্মজা | শেষ রাতের আর্তনাদ
পাঁচটি লাশ আর রক্তের সাগরের মাঝে পদ্মজা তার স্বামীর নিথর দেহ জড়িয়ে ধরে। তার চিৎকার, তার কান্না রাতের নিস্তব্ধতাকে ভেঙে খানখান করে দেয়। যে ভালোবাসা তাকে বাঁচার স্বপ্ন দেখিয়েছিল, সেই ভালোবাসাই তাকে আজ খুনী বানিয়েছে। এই যন্ত্রণা নিয়ে সে কীভাবে বাঁচবে?
৩৩. আমি পদ্মজা | রক্তাক্ত সমাপ্তি
শেষ রাতে পুকুরপাড়ে বসেছে বিচারের আসর। পদ্মজার হাতে রাম দা, সামনে বাঁধা পাঁচজন অপরাধী। সে একে একে সবাইকে তাদের পাপের শাস্তি দেয়। কিন্তু যখন তার ভালোবাসার মানুষ, তার স্বামীর সামনে দাঁড়ায়, তখন কি তার হাত কাঁপবে না? ভালোবাসার মানুষকে খুন করে সে কি পারবে নিজেকে ক্ষমা করতে?
৩২. আমি পদ্মজা | প্রতিশোধের আগুন
আমিরের দেওয়া তলোয়ার হাতে নিয়ে পদ্মজা তার জীবনের শেষ সিদ্ধান্ত নেয়। একদিকে ভালোবাসা, অন্যদিকে শত শত মেয়ের আর্তনাদ। সে তার স্বামীকে মুক্তি দেবে, নাকি তার পাপের সাম্রাজ্য ধ্বংস করবে? পদ্মজার এই সিদ্ধান্ত কি পারবে দুশো বছরের পাপের অবসান ঘটাতে?
৩১. আমি পদ্মজা | ধ্বংসের আহ্বান
আমিরের আসল পরিচয় জানার পর পদ্মজা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। তার ভালোবাসা ঘৃণায় পরিণত হয়। সে আমিরকে তালাক দিতে চায়, কিন্তু আমির তাকে মুক্তি দেবে না। পদ্মজা কি পারবে এই নরক থেকে নিজেকে এবং অসহায় মেয়েগুলোকে মুক্ত করতে, নাকি আমিরের পাতা জালে সে চিরদিনের জন্য আটকা পড়ে যাবে?
৩০. আমি পদ্মজা | ভালোবাসার মুখোশ
পাতালঘরের গভীরে প্রবেশ করে পদ্মজা যা দেখে, তা তার পায়ের তলার মাটি কাঁপিয়ে দেয়। তার ভালোবাসার স্বামী আমির হাওলাদারের আসল রূপ যখন তার সামনে আসে, তখন তার পুরো পৃথিবী মিথ্যা হয়ে যায়। যে মানুষটাকে সে নিজের সবটুকু দিয়ে ভালোবেসেছিল, তার এই পৈশাচিক রূপ কি পদ্মজা মেনে নিতে পারবে?
২৯. আমি পদ্মজা | অভিশপ্ত রাতের পুনরাবৃত্তি
হাওলাদার বাড়ির রহস্য উদঘাটনের জন্য পদ্মজা যখন জঙ্গলের গভীরে প্রবেশ করে, তখন এক অজ্ঞাত ব্যক্তির দ্বারা আক্রান্ত হয়। সে কি পারবে নিজেকে রক্ষা করতে? অন্যদিকে, পূর্ণা তার বোনের খোঁজে বেরিয়ে এক ভয়ংকর ষড়যন্ত্রের শিকার হয়। দুই বোনের জীবনে নেমে আসা এই বিপদ কি তাদের চিরতরে আলাদা করে দেবে?
২৮. আমি পদ্মজা | নতুন অধ্যায়ের সূচনা
চার বছর পর, পদ্মজা এখন একজন মা এবং শিক্ষিকা। সে তার মায়ের মৃত্যুবার্ষিকীর জন্য গ্রামে ফিরে আসে। কিন্তু তার শান্ত জীবনে আবার অশান্তির ছায়া পড়ে, যখন সে জানতে পারে তার বোন পূর্ণা এখনো অতীত ভুলতে পারেনি এবং হাওলাদার বাড়ির রহস্যের জাল এখনো কাটেনি। এই ফিরে আসা কি নতুন কোনো বিপদের সূচনা করবে?
২৭. আমি পদ্মজা | বিশ্বাসঘাতকতার যন্ত্রণা
মায়ের মৃত্যুর পর তার লেখা এক ডায়েরি থেকে পদ্মজা জানতে পারে, হেমলতা তার অসুস্থতার কথা দীর্ঘ দুই বছর ধরে লুকিয়ে রেখেছিলেন। এই সত্য জানার পর পদ্মজার পৃথিবী যেন দুলে ওঠে। যে মাকে সে অন্ধের মতো বিশ্বাস করতো, তার এই বিশ্বাসঘাতকতা কি পদ্মজা মেনে নিতে পারবে?
২৬. আমি পদ্মজা | শেষ নিঃশ্বাস
দীর্ঘ আট মাস পর মায়ের অসুস্থতার খবর পেয়ে পদ্মজা যখন গ্রামে ফেরে, তখন হেমলতা তাকে চিনতেও পারেন না। মেয়ের আকুল কান্না আর ভালোবাসা কি পারবে হেমলতাকে ফিরিয়ে আনতে? নাকি পদ্মজার চোখের সামনেই তার পৃথিবী, তার মা চিরতরে হারিয়ে যাবে?
