#শারীরিক নির্যাতন
শারীরিক নির্যাতন ট্যাগসহ পর্বসমূহ।
১৪. ১৬ বছর বয়স | অমানুষের নমুনা
অফিসের অপমানের প্রতিশোধ নিতে শাওন মিলাকে এক নির্জন জায়গায় নিয়ে যায়। রাগের মাথায় সে এমন কিছু করে যা মিলার আত্মসম্মানে আঘাত হানে। শাওনের এই নিষ্ঠুরতার পর মিলা কি তাকে ক্ষমা করতে পারবে, নাকি তাদের পথ চিরদিনের জন্য আলাদা হয়ে যাবে?
১. ১৬ বছর বয়স | অচেনা স্বামীর সেই রাত
ফুলশয্যার রাতে একরাশ ভয় নিয়ে বসে আছে ষোলো বছরের মিলা। কিন্তু তার স্বামী শাওন যখন ঘরে ফেরে, তখন তার আচরণ স্বাভাবিক মনে হয় না। নেশাগ্রস্ত স্বামীর অচেনা রূপ দেখে সে কি নিজেকে রক্ষা করতে পারবে, নাকি তার বান্ধবীর সাথে ঘটে যাওয়া ভয়ঙ্কর কিছুই তার ভাগ্যে লেখা?
১০. ১৬ পৃষ্ঠায় | পিঠের সেই দাগ
এক গোপন কথোপকথনে বেরিয়ে আসে নিনির অতীতের এক ভয়ংকর নির্যাতনের কথা, যা সে এতদিন লুকিয়ে রেখেছিল। যখন এনোন তার পিঠের সেই কালো দাগগুলো নিজের চোখে দেখে, তখন তার ভেতরের সব সমীকরণ বদলে যায়। স্ত্রীর এই যন্ত্রণার প্রতিদান সে কীভাবে নেবে?
৪. ১৬ পৃষ্ঠায় | শাস্তির নতুন অধ্যায়
স্বামীর ঘরে থেকেও যার আশ্রয় হয় কখনো সোফায়, কখনো বারান্দায়, তার উপর অত্যাচার যেন থামার নয়। সামান্য তর্কের জেরে তাকে ঠেলে দেওয়া হলো বাথটাবের হিমশীতল পানিতে। এরই মাঝে বাড়িতে এক নতুন অতিথির আগমন ঘটতে চলেছে, যার আগমনে সবাই আতঙ্কিত। কে এই নতুন অতিথি?
১৭. লাভার নাকি ভিলেন | বন্দী জীবনের নতুন অধ্যায়
আকাশ শুধু নাবিলের পরিবারকে বন্দী করেই ক্ষান্ত হয় না, মেঘলাকে তুলে এনে নিজের কাছে রাখে। ভালোবাসার বদলে সে মেঘলার উপর চালায় অত্যাচার আর জোর করে তাকে পড়তে বসায়। আকাশের এই ভয়ঙ্কর রূপের পেছনে কি শুধুই ক্ষমতা, নাকি অন্য কোনো উদ্দেশ্য আছে?
১১. লাভার নাকি ভিলেন | বিশ্বাসের চরম পরীক্ষা
ইরার পাতা ফাঁদে পা দিয়ে মেঘলা আকাশকে চূড়ান্তভাবে অবিশ্বাস করে বসে। রাগের মাথায় আকাশ এমন এক কাজ করে, যা মেঘলাকে ঠেলে দেয় এক ভয়ঙ্কর সিদ্ধান্তের দিকে। এই এক ভুলের কারণে শুধু তাদের সম্পর্কই নয়, আকাশ আর নাবিলের বন্ধুত্বও চিরদিনের জন্য শেষ হয়ে যায়।
৭. বাইজি কন্যা | ধ্বংসাত্মক অভিযোগ
এক সময়ের প্রেয়সী আজ ভাইয়ের স্ত্রী। তার প্রতি হওয়া অন্যায় দেখে রঙ্গনের ভেতরটা জ্বলেপুড়ে যায়। ছাদে দাঁড়িয়ে থাকা মুনতাহার কাছে সে জানতে চায়, তার চোখের নিচের কালো দাগটা স্বামীর সোহাগের নাকি অবহেলার প্রতীক। এই কথোপকথন শুনে ফেলে পলাশ, যার পরিণতি হয় ভয়ংকর।
১৭. আমি পদ্মজা | কলঙ্কের বোঝা
মিথ্যা অপবাদে জর্জরিত পদ্মজাকে যখন গ্রামবাসী টেনেহিঁচড়ে অপমান করছে, তখন তার পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ নেই। পূর্ণা আর প্রেমা বোনকে বাঁচানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। ঠিক সেই মুহূর্তে হেমলতার আগমন ঘটে। নিজের মেয়ের এমন বিধ্বস্ত অবস্থা দেখে তিনি কি নীরব থাকবেন, নাকি তার ভেতরের ঘুমন্ত বাঘিনী জেগে উঠবে?
২. আমি পদ্মজা | প্রতিশোধের আগুন
মায়ের আশ্বাসে পদ্মজা অবশেষে প্রকাশ করে তার শৈশবের সেই ভয়ংকর রাতের কথা, যা ছয় বছর ধরে তাকে কুরে কুরে খাচ্ছিল। মেয়ের ওপর সৎ মামা হানিফের পাশবিক নির্যাতনের কথা শুনে মা হেমলতার কোমল রূপ বদলে যায়, তার চোখে জ্বলে ওঠে প্রতিশোধের আগুন। সন্তানের অপমানের প্রতিशोध নিতে একজন মা কতটা ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারে?
৩৬. তোমাকে | আলাদা থাকার সিদ্ধান্ত
শ্বাশুড়ির অত্যাচার যখন সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে গেল, তখন সবার সামনে পরীকে মারা হলো। এই অপমান কি তুর্য মেনে নেবে? ভালোবাসার মানুষকে রক্ষা করতে সে কি পরিবার থেকে আলাদা হয়ে যাওয়ার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নেবে?
২৯. তোমাকে | অভিশপ্ত রাত
বাবার জেদের কাছে পরী কি হেরে যাবে? ভালোবাসার মানুষকে হারানোর ভয়ে সে যখন দিশেহারা, তখন মায়ের দেওয়া একটি প্রস্তাব কি তাকে নতুন কোনো পথে ঠেলে দেবে? তুর্যকে না জানিয়েই কি পরী কোনো কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলবে?
২৬. লাভার নাকি ভিলেন | অজানা এক ষড়যন্ত্র
আকাশ মেঘলাকে তার কৃতকর্মের জন্য নির্মমভাবে শাস্তি দেয়। কিন্তু নাবিলের একটি ফোন কল আকাশের মনে সন্দেহের জন্ম দেয়। মেঘলার এই হঠাৎ বদলে যাওয়ার পেছনে কি অন্য কারো হাত আছে? আকাশ কি কোনো গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার হচ্ছে?
