ড্রামা

ড্রামা ক্যাটাগরির পর্বসমূহ।

২৬. পরিজান | অলুক্ষুণে অপবাদ

পরীর আগমনের পরেই গ্রামে এক ব্যক্তির আকস্মিক মৃত্যু ঘটে। কুসংস্কারাচ্ছন্ন গ্রামবাসীরা পরীকে 'অলুক্ষুণে' অপবাদ দেয়। এই মিথ্যা অপবাদ কি পরীর নতুন জীবনে কোনো কালো ছায়া ফেলবে? শায়ের কি পারবে তার পরীজানকে এই সংকট থেকে রক্ষা করতে?

২৫. পরিজান | পরীর প্রতিদ্বন্দ্বী

শায়েরের গ্রামে এসে পরী জানতে পারে চম্পা নামের একটি মেয়ে শায়েরকে ভালোবাসে। নতুন সংসারে পা রাখার সাথে সাথেই পরী এক নীরব প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হয়। চম্পার এই ভালোবাসা কি পরীর দাম্পত্য জীবনে কোনো অশান্তির কারণ হবে?

২৩. পরিজান | বিয়ে বিভ্রাট

পরীর সাথে শেখরের বিয়ের দিন ঘনিয়ে আসে। কিন্তু বিয়ের আসরে শেখরের বদলে যখন সেহরান শায়েরের নাম ঘোষণা করা হয়, তখন সবাই হতবাক। কেন এই আকস্মিক পরিবর্তন? শেখর কোথায়? এই অপ্রত্যাশিত বিয়ে কি পরীর জীবনকে নতুন কোনো পথে নিয়ে যাবে?

২১. পরিজান | পরীর স্বীকারোক্তি

বিন্দুর মৃত্যুর তদন্তে যখন শশীলের নাম উঠে আসে, তখন পরী এক বোম ফাটায়। সে দাবি করে, দুই বছর আগেই সে নিজ হাতে শশীলকে খুন করেছে। পরীর এই স্বীকারোক্তি কি সত্যি? যদি সত্যি হয়, তাহলে শশীলের লাশ কোথায়? আর বিন্দুর আসল খুনি কে?

১৯. পরিজান | শত্রুর সাথে আত্মীয়তা

আফতাবের সাথে শামসুদ্দিনের শত্রুতা যখন চরমে, তখন পরী জেদ ধরে বসে সে নওশাদকেই বিয়ে করবে। পরীর এই অদ্ভুত সিদ্ধান্তের পেছনে কি কোনো গভীর পরিকল্পনা লুকিয়ে আছে? সে কি প্রতিশোধের জন্য নিজেকে শত্রুপক্ষের হাতে তুলে দিতে চাইছে?

১৬. পরিজান | শাস্তির ছোঁয়া

গভীর রাতে হারানো নূপুর খুঁজতে বৈঠকঘরে আসে পরী। সেখানে তার মুখোমুখি হয় শায়ের। পরী যখন তার অপমানের প্রতিশোধ নিতে শায়েরের হাত পুড়িয়ে দেয়, তখন শায়েরের এক অদ্ভুত প্রশ্ন পরীকে থামিয়ে দেয়—'সামান্য কর্মচারীকে তো ছুঁয়ে দিলেন ছোট কন্যা।' এই স্পর্শ কি শুধুই শাস্তি নাকি অন্য কিছুর ইঙ্গিত?

১৫. পরিজান | হারিয়ে যাওয়া নূপুর

সোনালীর দেওয়া স্মৃতিচিহ্ন, এক জোড়া নূপুরের একটি হারিয়ে ফেলে পরী। নূপুর খোঁজার নাম করে নওশাদকে বোকা বানানোর এক নতুন খেলায় মাতে সে। কিন্তু এই খেলার আড়ালে পরী কি তার হারানো স্মৃতি খুঁজে পাবে? নাকি এই নূপুরই নতুন কোনো রহস্যের জন্ম দেবে?

১৪. পরিজান | পরীর বিয়ের প্রস্তাব

পরীর মেজো বোন রুপালি তার দেওর নওশাদের জন্য পরীর বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসে। কিন্তু পরী এই প্রস্তাবে তীব্র আপত্তি জানায়। পরীর এই আপত্তির পেছনে কি শুধু কবিরের প্রতি ঘৃণা, নাকি অন্য কোনো কারণ লুকিয়ে আছে? এই প্রস্তাব কি পরিবারে নতুন কোনো দ্বন্দ্বের জন্ম দেবে?

১৩. পরিজান | শেষ বিদায়

পালকের মৃত্যুর পর শহুরে ডাক্তাররা গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। যাওয়ার আগে, পরী শেষবারের মতো পালকের মুখ দেখতে আসে। এই বিদায়ের মুহূর্তে পরীর অশ্রুসিক্ত চোখ আর নাঈমের অতৃপ্ত চাহনি এক নতুন গল্পের আভাস দেয়। পালকের মৃত্যু রহস্য কি অধরাই থেকে যাবে?

১১. পরিজান | মায়ের কসম

পরীর মা মালার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরী যখন শহুরে ডাক্তারদের সাহায্য নিতে যায়, তখন তার সৎ মা জেসমিন অদ্ভুতভাবে বাধা দেয়। মায়ের অসুস্থতা এবং পরিবারের সবার রহস্যময় আচরণের মাঝে পরী এক ভয়ঙ্কর সত্যের মুখোমুখি হয়। কেন তার মা তাকে পুরুষের সামনে মুখ দেখাতে বারণ করেছিলেন?

৯. পরিজান | রক্ত গরম

শহরের ডাক্তারদের উপর পরীর সন্দেহ আরও তীব্র হয়। সে বুঝতে পারে গত রাতে তার ঘরে তারাই প্রবেশ করেছিল। পরী সরাসরি তাদের হুমকি দেয় এবং দ্রুত গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে বলে। পরীর এই রুদ্রমূর্তি আর পুরুষদের প্রতি তার তীব্র ঘৃণার পেছনে আসল কারণটা কি?

৬. পরিজান | ঝড়ের রাতে শায়ের

ঝড়-বৃষ্টির এক রাতে জমিদার বাড়িতে ফেরে আফতাবের বিশ্বস্ত কর্মচারী সেহরান শায়ের। তার রহস্যময় আচরণ আর ব্যক্তিত্ব শহুরে ডাক্তার পালকের মনে কৌতূহল জাগায়। অন্যদিকে, শহরের ডাক্তার নাঈম পরীকে এক ঝলক দেখার জন্য অন্দরমহলে ঢোকার পরিকল্পনা করে। এই ঝড়ের রাতে কি কোনো নতুন রহস্যের জন্ম হবে?