ড্রামা
ড্রামা ক্যাটাগরির পর্বসমূহ।
২৪. আমি পদ্মজা | বিয়ের দিনে দুঃসংবাদ
আমিরের সাথে বিয়ের সকল আনুষ্ঠানিকতা যখন প্রায় শেষ, তখন লিখন শাহ তার পরিবার নিয়ে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে হাজির হয়। তার স্বপ্নভঙ্গের কষ্ট আর পদ্মজার অসহায়ত্ব পুরো পরিবেশকে ভারী করে তোলে। একদিকে স্বামীর ঘর, অন্যদিকে এক heartbroken প্রেমিকের আকুতি— নিয়তির এই খেলায় পদ্মজা কোন পথে হাঁটবে?
২০. আমি পদ্মজা | বিয়ের আগের রাত
বিয়ের ঠিক আগের দিন বাড়িতে লিখন শাহর অপ্রত্যাশিত আগমনে পদ্মজা ও পূর্ণা দুজনেই বিচলিত হয়ে পড়ে। হেমলতা যখন জানতে পারেন লিখন পদ্মজার জন্য বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে এসেছিল, তখন তিনি হতবাক। একদিকে আমিরের সাথে বিয়ের আয়োজন, অন্যদিকে লিখনের আকুতি—এই জটিল পরিস্থিতিতে হেমলতা কোন সিদ্ধান্ত নেবেন?
১৯. আমি পদ্মজা | অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ
গ্রামের সালিশে মাতব্বর মজিদ হাওলাদার তার ছেলে আমিরের সাথে পদ্মজার বিয়ে প্রস্তাব দেন, যা শুনে সবাই হতবাক। হেমলতা এক কথায় রাজি হয়ে যান। একদিকে লিখন শাহর ভালোবাসা, অন্যদিকে মুহিবের সাথে করা ওয়াদা—এই পরিস্থিতিতে পদ্মজার বিয়ে আমিরের সাথে কেন হচ্ছে? এই সিদ্ধান্তের পেছনে কি হেমলতার কোনো গভীর পরিকল্পনা আছে?
১৮. আমি পদ্মজা | রক্তাক্ত বিচার
কলঙ্ক থেকে মেয়েকে বাঁচাতে মাতব্বরের দেওয়া বিয়ের প্রস্তাবে হেমলতা সম্মতি দেন। কিন্তু সেই রাতেই তিনি হাতে রাম দা নিয়ে বেরিয়ে পড়েন। ভোরবেলা যখন তিনি রক্তাক্ত রাম দা আর খুনিদের রক্ত মেয়েদের পায়ে ঢেলে দিয়ে বলেন আত্মরক্ষার কথা, তখন বোঝা যায় তার বিচার শুরু হয়ে গেছে। হেমলতা কাদের খুন করেছেন? এই রক্তের শেষ কোথায়?
১৭. আমি পদ্মজা | কলঙ্কের বোঝা
মিথ্যা অপবাদে জর্জরিত পদ্মজাকে যখন গ্রামবাসী টেনেহিঁচড়ে অপমান করছে, তখন তার পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ নেই। পূর্ণা আর প্রেমা বোনকে বাঁচানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। ঠিক সেই মুহূর্তে হেমলতার আগমন ঘটে। নিজের মেয়ের এমন বিধ্বস্ত অবস্থা দেখে তিনি কি নীরব থাকবেন, নাকি তার ভেতরের ঘুমন্ত বাঘিনী জেগে উঠবে?
১৬. আমি পদ্মজা | ঝড়ের রাতের অতিথি
প্রলয়ংকরী ঝড়ের রাতে বাড়িতে একা পদ্মজা। হঠাৎ এক অচেনা পুরুষের আগমন তার মনে তীব্র ভয় জাগিয়ে তোলে। লোকটি নিজেকে মাতব্বরের ছেলে আমির হাওলাদার বলে পরিচয় দিলেও পদ্মজার আতঙ্ক কাটে না। কিন্তু পরিস্থিতি ভয়ংকর রূপ নেয় যখন গ্রামের মাতব্বররা পদ্মজা আর আমিরকে আপত্তিকর অবস্থায় আবিষ্কার করে। এই পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের শেষ কোথায়?
৯. আমি পদ্মজা | অন্ধকারের প্রহরী
টাকার লোভে মোর্শেদ রাজি হলেও, হেমলতা কিছুতেই বাড়িতে শুটিং দলের উপস্থিতি আর সহ্য করতে পারছেন না। রাতের আঁধারে লাহাড়ি ঘরের পাশে পরিচালকের সন্দেহজনক আনাগোনা তার মনে ভয় ধরিয়ে দেয়। মেয়েদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি যখন একাই ষড়যন্ত্রকারীকে ধরার জন্য প্রস্তুত, তখন তার এই পদক্ষেপ কি নতুন কোনো বিপদ ডেকে আনবে?
৮. আমি পদ্মজা | অপ্রত্যাশিত বিপদ
বৃষ্টির মধ্যে স্কুলে যাওয়ার পথে কাদায় আছড়ে পড়ে পূর্ণার পা মচকে যায়। অসহায় পদ্মজা যখন বোনকে নিয়ে অথৈ সাগরে, ঠিক তখনই তাদের সাহায্যে এগিয়ে আসে চিত্রনায়িকা চিত্রা ও নায়ক লিখন শাহ। কিন্তু সেদিন বিকালেই আরেক দুঃসংবাদ আসে—মুন্না নামের এক অনাথ ছেলের বাবা খুন হয়েছে। কে বা কারা এই অসহায় মানুষটিকে হত্যা করলো?
৪. আমি পদ্মজা | লাহাড়ি ঘরে এক মাস
গ্রামে সিনেমার শুটিং দলের আগমনে পুরো পরিবেশ উৎসবমুখর, কিন্তু হেমলতার কড়া শাসনে পদ্মজা সকলের চোখের আড়ালে। সবার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা পদ্মজার রূপের কথা যখন নায়িকা চিত্রা দেবীর মুখে ছড়ায়, তখন নায়ক লিখন শাহের মনেও তীব্র কৌতূহল জাগে। এই কৌতূহল কি নিছকই দেখার ইচ্ছা, নাকি কোনো নতুন সম্পর্কের সূচনা?
৩৯. তোমাকে | হারানোর ভয়
শ্বাশুড়ির চাপে তুর্য কি সত্যি অন্য কাউকে বিয়ে করার কথা ভাবছে? পরীর ভালোবাসার চেয়ে কি সন্তানের আকাঙ্ক্ষা বড় হয়ে উঠবে? ভালোবাসার মানুষটিকে হারানোর ভয়ে পরী কি এবার নিজেকেই শেষ করে দেওয়ার কথা ভাববে?
৩৮. তোমাকে | অপূর্ণতার হাহাকার
সুখের সংসারে হঠাৎ নেমে এলো কালো মেঘ। পরী কোনোদিন মা হতে পারবে না, এই সত্যটা কি তাদের ভালোবাসা কেড়ে নেবে? তুর্যকে হারানোর ভয়ে পরী যখন কুঁকড়ে যাচ্ছে, তখন শ্বাশুড়ির নতুন বিয়ের প্রস্তাব কি তাদের সম্পর্ক ভেঙে দেবে?
৩৬. তোমাকে | আলাদা থাকার সিদ্ধান্ত
শ্বাশুড়ির অত্যাচার যখন সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে গেল, তখন সবার সামনে পরীকে মারা হলো। এই অপমান কি তুর্য মেনে নেবে? ভালোবাসার মানুষকে রক্ষা করতে সে কি পরিবার থেকে আলাদা হয়ে যাওয়ার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নেবে?
