একদিন তুমিও ভালোবাসবে
পরিবারের চাপে অনিচ্ছাকৃত বিয়েতে আবদ্ধ হয়ে ফুলশয্যার রাতেই স্বামীর চরম অবহেলার শিকার হয় মৌমিতা। কিন্তু নিয়তির অদ্ভুত খেলায় সেই একই ক্যাম্পাসে সিনিয়র-জুনিয়র পরিচয়ে দুজনের মুখোমুখি সংঘাত শুরু হয়। ঘৃণার কঠিন দেওয়াল ভেঙে আদিত্য কি পারবে মৌমিতার ভালোবাসাকে আপন করে নিতে, নাকি ভুল বোঝাবুঝির আগুনে পুড়ে ছারখার হয়ে যাবে দুটি তরতাজা জীবন?
উপন্যাসটির ১ম সিজন মোট ৬৬টি পর্বে সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে। সম্পূর্ণ উপন্যাসটি বিনামূল্যে অনলাইনে পড়ার জন্য উন্মুক্ত রয়েছে।
গল্পের বিশেষত্ব ও হাইলাইটস
বাধ্যতামূলক পরিণয় ও ক্যাম্পাসের সংঘাত
বাসর রাতের প্রত্যাখ্যান থেকে শুরু করে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের আঙ্গিনায় অপরিচিত হিসেবে আত্মপ্রকাশের টানটান উত্তেজনা।
পজেসিভ প্রেম ও অধিকারবোধ
মুখে অস্বীকার করলেও মৌমিতাকে অন্যের পাশে দেখে আদিত্যের তীব্র ঈর্ষা ও নিঃশব্দে আগলে রাখার এক অনন্য মনস্তাত্ত্বিক আখ্যান।
বন্ধুত্ব ও আত্মত্যাগের মেলবন্ধন
আদিত্য-রাজের অটুট ভ্রাতৃত্ব এবং কোয়েল-মৌমিতার অকৃত্রিম সখ্যতার মধ্য দিয়ে সামাজিক ষড়যন্ত্রকে পরাস্ত করার রোমাঞ্চকর কাহিনী।
প্রধান চরিত্রসমূহ
6মৌমিতা ব্যানার্জী (চৌধুরি)
নায়িকা (Protagonist)আত্মমর্যাদাসম্পন্ন, মেধাবী ও শান্ত স্বভাবের তরুণী। পারিবারিক কারণে জোরপূর্বক বিয়ে মেনে নিলেও স্বামীর অবহেলার মুখে নিজের পড়াশোনা ও যোগ্যতায় প্রতিষ্ঠিত হতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
আদিত্য ব্যানার্জী
নায়ক (Male Lead)বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিয়ন লিডার ও রাশভারী তরুণ। প্রেমে অবিশ্বাসী ও একগুঁয়ে স্বভাবের হলেও মৌমিতার প্রতি নিজের অজান্তেই চরম পজেসিভ ও প্রতিরক্ষামূলক ভালোবাসায় জড়িয়ে পড়ে।
কোয়েল ব্যানার্জী
প্রধান সহ-চরিত্র (Hero's Sister)আদিত্যের খুড়তুতো বোন এবং মৌমিতার পরম বিশ্বস্ত বান্ধবী। ব্যক্তিত্বময়ী, সাহসী এবং আত্মনির্ভরশীল তরুণী যে সবসময় ন্যায়ের পক্ষে আপসহীন।
রাজ রয়
প্রধান সহ-নায়ক (Hero's Best Friend)আদিত্যের হরিহর আত্মা এবং কোয়েলের অন্তরের গোপন ভালোবাসা। জীবনযুদ্ধে কঠোর সংগ্রাম করে নিজেকে সফল ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা এক লড়াকু তরুণ।
জিয়া সেন
খলনায়িকা (Antagonist)প্রভাবশালী পিতার অহংকারী কন্যা। আদিত্যকে পাওয়ার জন্য মৌমিতাকে ধ্বংস করতে যেকোনো হীন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে প্রস্তুত।
অঙ্কিত
সহায়ক চরিত্রবিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র ছাত্র ও আদিত্যের প্রাক্তন সহযোদ্ধা। মৌমিতার প্রতি গোপন ভালোলাগা থাকলেও বন্ধুত্বের মর্যাদা রক্ষায় নিবেদিতপ্রাণ।
সূচিপত্র ও সিজনসমূহ
66 টি অধ্যায়
প্রথম খণ্ড: প্রত্যাখ্যান ও আত্মোপলব্ধি
ফুলশয্যার রাতের নির্মম প্রত্যাখ্যান থেকে শুরু করে কলেজ ক্যাম্পাসের ষড়যন্ত্র পেরিয়ে দুটি অভিমানী হৃদয়ের এক মোহনায় মিলিত হওয়ার পূর্ণাঙ্গ আখ্যান।
ভাঙা কাঁচের দীর্ঘশ্বাস
ফুলশয্যার সজ্জিত ঘরে স্ত্রীর অধিকার চাইতে গিয়ে চরম অপমানের মুখোমুখি হয় মৌমিতা। রক্তক্ষত হাতে রাতের আঁধারে যখন সে নিয়তিকে মেনে নেওয়ার লড়াইয়ে নামে, পরদিন সকালে কী অপেক্ষা করছে তার জন্য?
ক্যাম্পাসে চেনা অচেনা
যাদবপুর ক্যাম্পাসে নতুন জীবনের শুরুতে সিনিয়রদের র্যাগিংয়ের মুখে রুখে দাঁড়ায় মৌমিতা। সেখানে এক নির্ভীক বান্ধবীর দেখা মিললেও আকস্মিকভাবে সামনে দাঁড়িয়ে থাকা প্রভাবশালী সিনিয়রকে দেখে কেন তার বুকের স্পন্দন স্তব্ধ হয়ে গেল?
অচেনা স্পর্শের স্মৃতি
এক অচেনা যুবকের ক্ষণিক উপকারে যে সম্মানের রক্ষা হয়েছিল, ভাগ্যের পরিহাসে সেই অতীতই কি নতুন করে বিয়ের বন্ধনে এনে দাঁড় করিয়েছিল মৌমিতাকে? ক্যাম্পাসের তিক্ত কটাক্ষের মাঝে তার লুকিয়ে রাখা দীর্ঘশ্বাস কি কেউ দেখতে পাবে?
অদৃশ্য প্রহরী
মৌমিতার বিয়ে হয়ে যাওয়ার কথা শুনে ভেতর থেকে কেঁপে ওঠে আদিত্য। প্রকাশ্যে কঠোরতা দেখালেও কেন সে আড়ালে মৌমিতার ওপর সুরক্ষার বলয় তৈরি করতে মরিয়া হয়ে উঠল?
সতর্কতার বার্তা
জিয়ার উদ্ধত বাড়াবাড়ির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে আদিত্য যখন চরম হুঁশিয়ারি দেয়, ক্যাম্পাসে শুরু হয় নতুন চাঞ্চল্য। কোয়েলের অসুস্থতার খবরে আদিত্যের তীব্র অস্থিরতা দেখে মৌমিতার মনে কোন সন্দেহের দোলাচল শুরু হলো?
বাইকের আকস্মিক নৈকট্য
কোয়েলের অসুস্থতার সুবাদে বাধ্য হয়ে আদিত্যের বাইকে চড়তে হয় মৌমিতাকে। হঠাৎ এক আকস্মিক ব্রেকের মুখে দুজনের শারীরিক দূরত্বের প্রাচীর ভেঙে গেলে আদিত্যের চোখের ভাষায় কী ফুটে উঠেছিল?
মদগর্বের থাপ্পড়
ফ্রেশার্স পার্টিতে নেশাগ্রস্ত সিনিয়রের অশালীন আচরণের মুহূর্তে গর্জে ওঠে আদিত্য। কিন্তু পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার পর নির্জন করিডোরে জিয়ার মুখের এক অবাধ্য দাবির উত্তরে আদিত্যের মুখ থেকে কী কথা বেরিয়ে এলো?
অন্ধকার মাঠের অশ্রুজল
ভুল বোঝাবুঝির দহনে রাতের অন্ধকারে নির্জন মাঠের শিব মন্দিরে একা বসে কাঁদছিল মৌমিতা। সেখানে একজোড়া চেনা হাত রুমাল বাড়িয়ে দিলে ক্ষোভ আর অভিমানে সে কী সিদ্ধান্ত নিল?
অপ্রত্যাশিত চ্যালেঞ্জ
ক্যাম্পাসে ফিরে মৌমিতা দেখতে পায় কোয়েল তার অজান্তেই নাচের প্রতিযোগিতায় নাম লিখিয়ে দিয়েছে। সেই ফর্ম যখন প্রতিদ্বন্দ্বী জিয়ার হাতে গিয়ে পড়ে, আত্মসম্মানের লড়াইয়ে মৌমিতা কি পারবে নিজের অবস্থান ধরে রাখতে?
ঘুঙুরের রণধ্বনি
ভারতনাত্যমের মুদ্রায় মঞ্চ কাঁপিয়ে প্রথম দুই রাউন্ডে জাদুকরী পারফরম্যান্স উপহার দেয় মৌমিতা। কিন্তু ফাইনাল রাউন্ডে ডুয়েট পার্টনারের চরম সংকটে তার ভবিষ্যৎ কি অন্ধকারের মুখে পড়তে চলেছে?
মঞ্চের বহ্নিশিখা
আদিত্যকে জিয়ার সাথে সালসা নাচতে দেখে বুকের ভেতর তীব্র ক্ষত সৃষ্টি হয় মৌমিতার। কিন্তু ক্ষণিক পরেই হিপহপের মঞ্চে অঙ্কিতের আকস্মিক এন্ট্রিতে মৌমিতার সাথে চরম ঘনিষ্ঠ নাচ দেখে ব্যাকস্টেজে কার ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটল?
দেওয়ালের বন্দিশালা
চ্যাম্পিয়ন ট্রফি হাতে নেওয়ার মুহূর্তে পরিবারকে সামনে পেয়ে আনন্দে ভেসে যায় মৌমিতা। কিন্তু সবাই চলে যেতেই গ্রিনরুমে নির্জন দেওয়ালে তাকে চেপে ধরে রক্তচক্ষু নিয়ে কী জবাব দাবি করল আদিত্য?
নিশীথ রাতের অস্থিরতা
আদিত্যর চোখের সামনে মৌমিতার হাত ধরে অঙ্কিত টান দিয়ে নিয়ে যেতেই পরিবেশ থমকে যায়। রাতের নির্জনতায় আদিত্যের সেই হারিয়ে ফেলার তীব্র আর্তনাদ কি মৌমিতার ঘুমের ওষুধে চাপা পড়বে?
রক্তাক্ত চোটের শাসন
ক্লাসরুমে মিথ্যা চক্রান্তে মৌমিতা যখন বহিষ্কারের মুখে, রক্তাক্ত ক্ষতবিক্ষত দেহে দরজায় এসে দাঁড়ায় আদিত্য। অসুস্থ শরীর নিয়ে মৌমিতাকে বাঁচাতে এসে কেন সে নিজের ড্রাইভারের সিটে এক অবাধ্য শর্ত মেনে নিল?
জ্বরের ঘোরে আধো নাম
অসুস্থ আদিত্যকে রেখে হোস্টেলে ফিরলেও মৌমিতার মন পড়ে থাকে তার শয্যাপাশে। মধ্যরাতে তীব্র জ্বরের ঘোরে যখন আদিত্যের ঠোঁট চেনা একটি নামের জন্য আকুল হয়ে কেঁপে ওঠে, পরদিন ভোরে কী সত্য উদঘাটিত হলো?
অনিবার্য ভালোবাসার স্বীকৃতি
ডাক্তারের কড়া বকা আর মৌমিতার স্পর্শে আদিত্যের জ্বরের প্রকোপ কমলেও কোয়েলের মুখে এক অপ্রত্যাশিত প্রশ্নের তীরে বিদ্ধ হয় সে। তবে কি অবচেতন মনের সেই অচেনা অধিকারবোধই ছিল ভালোবাসার আসল সত্য?
রক্ষাকবচের আবির্ভাব
আদিত্যর অনুপস্থিতিতে ক্লাসরুমে মৌমিতাকে কোণঠাসা করার শেষ চেষ্টা চালায় জিয়া। কিন্তু ইউনিয়নের দায়িত্বভার কাঁধে নিয়ে কে এসে জিয়ার ঔদ্ধত্য মাটিতে গুঁড়িয়ে দিল?
মধ্যরাতের রিংটোন
অনেক সংকোচ আর দ্বিধা কাটিয়ে গভীর রাতে আদিত্যের নাম্বারে কল করে মৌমিতা। ওপাশ থেকে ঘুমজড়িত কণ্ঠের সেই অপ্রত্যাশিত জবাবে কেন দুজনের মনের দূরত্ব মুহূর্তে বিলীন হয়ে গেল?
শপিংমলে আকস্মিক বদল
ক্যাম্পাসে সুস্থ হয়ে ফিরেও আদিত্য মৌমিতাকে সম্পূর্ণ অবহেলা করে জিয়ার সাথে হেঁটে যায়। সেই অপমানের প্রতিশোধ নিতে কোয়েল যখন মৌমিতাকে এক অত্যাধুনিক রূপান্তরে সাজিয়ে তোলার দায়িত্ব নিল, তার পেছনে কার ক্রেডিট কার্ড কাজ করছিল?
মার্সিডিজের রাজকীয় চমক
সাদা মার্সিডিজ থেকে ডেনিম জিন্স আর আধুনিক সাজে মৌমিতা যখন যাদবপুর ক্যাম্পাসে পা রাখে, গোটা ক্যাম্পাস স্তব্ধ হয়ে যায়। সবার সামনে এক প্রভাবশালী তরুণের সাথে মৌমিতার হাসিমুখে হাত মেলানো দেখে কার বুকে আগুন জ্বলে উঠল?
ক্রোধের পদধ্বনি
ক্যাম্পাসের করিডোরে পা মচকে পড়ে যাওয়া মৌমিতাকে যখন অন্য একজন কোলে তুলে নেয়, দূর থেকে ছুটে আসা আদিত্যের চেহারা কেন হিংস্র রূপ ধারণ করল? নির্জন কমনরুমে মৌমিতা যখন ডিভোর্সের ঘোষণা দেয়, আদিত্যের চোখে কি অশ্রু জমেছিল?
অচেনা অনুভূতির নাম
বাংলোর বাগানে বসে মৌমিতার বিচ্ছেদের কথায় অঝোরে কাঁদছিল আদিত্য। চার বছর পর ফিরে আসা বন্ধুর এক মোক্ষম প্রশ্নে সে কি অবশেষে নিজের হৃদয়ের সত্য উন্মোচন করতে পারবে?
লাইব্রেরির মায়াজাল
ক্যাম্পাসের মেইন গেটে নতুন অতিথির আগমনে শোরগোল পড়ে যায়। কিন্তু ভিড় এড়িয়ে লাইব্রেরিতে বই নামাতে গিয়ে উপর থেকে পড়ে যাওয়া কোয়েলকে নিজের বলিষ্ঠ বাহুতে কে বন্দি করে নিল?
প্রকাশ্য প্রেম নিবেদন
ক্যাম্পাসের শত শত শিক্ষার্থীর সামনে মৌমিতার হাত শক্ত করে ধরে প্রেম নিবেদন করে বসে এক বেপরোয়া তরুণ। সেই দৃশ্য দূর থেকে দেখে ফ্যাকাশে মুখে আদিত্য যখন সরে যায়, মৌমিতা কী চরম পদক্ষেপ নিল?
অদৃশ্য সিঁদুরের টান
রণিতকে চড় মারার পর আদিত্যের কোনো খোঁজ না পেয়ে ভেঙে পড়ে মৌমিতা। কোয়েলের এক তীক্ষ্ণ প্রশ্নে যখন তার নিজের সিঁথির গোপন সিঁদুরের মর্যাদা সামনে আসে, মৌমিতা কি নিজের অনুভূতির কাছে হার মানবে?
মিথ্যের আড়ালে মারামারি
আদিত্যর ডান হাতে ব্যান্ডেজ দেখে মৌমিতা জেরা শুরু করতেই রাজের সাথে মারামারির সাজানো গল্প বলে সে। কিন্তু মৌমিতা যখন আসল সত্যি ফাঁস করে দেয়, আদিত্যের মুখে কোন চোর ধরা পড়া হাসি ফুটল?
অভিমানের অন্তরালে
চার বছর পর ফিরে আসা রাজের সাথে বারবার কথা এড়িয়ে যায় কোয়েল। কিন্তু মাঝরাতে ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে থাকা আদিত্যের ফোনে যখন মৌমিতার অদ্ভুত কারণে ফোন আসে, রাতের নিস্তব্ধতা কি ভেঙে যাবে?
ঝড়ের পূর্বাভাস
ক্যাম্পাসজুড়ে আদিত্য ও রাজের রহস্যময় নিখোঁজ থাকা নিয়ে যখন চরম উৎকণ্ঠা, তখনই গেটে এসে দাঁড়ায় আদিত্যের পিতা। পরিবার ও রাজনীতির কোন বড়ো তোলপাড় শুরু হতে চলেছে ক্যাম্পাসে?
মুখোশ উন্মোচনের লড়াই
ক্যাম্পাসের প্রকাশ্য জনসমক্ষে জিয়ার প্রভাবশালী স্মাগলার বাবার দুর্নীতির মুখোশ ছিঁড়ে দেয় আদিত্য ও রাজ। কিন্তু পরাজিত শকুনের মতো প্রস্থান করার মুহূর্তে রাজের দিকে কার অমঙ্গলের তীর ছুড়ে দিয়ে গেলেন পরেশবাবু?
দুর্বলতার নিশানা
পরেশবাবু তার প্রতিশোধের হাতিয়ার হিসেবে রাজের প্রিয় মানুষটিকে টার্গেট করতেই টনক নড়ে ওঠে সবার। গাড়ির দরজা খুলে মৌমিতাকে হোস্টেলে নামিয়ে দেওয়ার মুহূর্তে আদিত্যের গম্ভীর চাহনির আড়ালে কোন বিপদের আশঙ্কা লুকিয়ে ছিল?
লেকের পাড়ে না-বলা কথা
লেকের পাড়ে রাজের সাথে অচেনা এক তরুণীর সান্নিধ্য দেখে কোয়েলের অন্তরে জ্বলে ওঠে অজানা ঈর্ষা। চায়ের দোকানে পুরোনো স্মৃতির অতলে দাঁড়িয়ে রাজ কেন সেই চার বছরের বিরহকে প্রকাশ করতে গিয়েও থমকে গেল?
নিশাচর শকুনের দৃষ্টি
হোস্টেলের গেটের বাইরে একদল অচেনা যুবকের সন্দেহজনক উপস্থিতি দেখে মৌমিতাকে দ্রুত ঘরের ভেতরে পাঠিয়ে দেয় আদিত্য। অন্ধকার গলিতে দাঁড়িয়ে কারা তাদের দুর্বল পয়েন্টে আঘাত হানার নীল নকশা আঁকছিল?
ফোনের ওপাশের নিঃশ্বাস
শত্রুর নজরদারি অগ্রাহ্য করে রাতে ফোনে দীর্ঘ কথোপকথনে মেতে ওঠে আদিত্য ও মৌমিতা। পরেশবাবুর দুর্বল পয়েন্টে আঘাতের আলোচনায় আদিত্য কেন মৌমিতার কোনো ক্ষতি সহ্য না করার কথা বলে থমকে গেল?
খোলাখুলি বিচ্ছেদ ঘোষণা
ক্যাম্পাসের জনসমক্ষে জিয়া যখন মৌমিতাকে তৃতীয় ব্যক্তি বলে অপমানের চেষ্টা করে, আদিত্য গর্জে উঠে তার সাথে সব সম্পর্কের চিরতরে ইতি ঘোষণা করে। সেই অপমানের জ্বালায় কার বাড়িতে ধ্বংসের প্রতিজ্ঞা নেওয়া হলো?
পুরোনো ক্ষতের জেরা
সৌভিক অতীতে কোয়েলের ওপর কতটা কুনজর দিয়েছিল তা জানার জন্য হিমশীতল কণ্ঠে জেরা শুরু করে রাজ। সানগ্লাসের আড়ালে লুকানো ক্ষোভ দমন করে রাজ কেন তড়িঘড়ি অফিসে চলে যাওয়ার বাহানা করল?
কমন রুমের ভাঙা ফুলদানি
কমন রুমের দরজার আড়াল থেকে কোয়েল ও অঙ্কিতের গভীর আলিঙ্গন দেখে নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারে না রাজ। অফিসে ফিরে রক্তাক্ত হাতে ফুলদানি চূর্ণ করার পর কোন গভীর রাতে তারা সবাই এক নাইটক্লাবে উপস্থিত হলো?
মোহ বনাম ভালোবাসা
অঙ্কিতের সাথে কোয়েলের নির্জন সাক্ষাতের পেছনের আসল কারণ জানতে পারে মৌমিতা। দুজন মানুষের ভালোবাসার তফাৎ বোঝার এই জটিল সমীকরণে অঙ্কিত কি নিজের হৃদয়ের দাবি ছেড়ে দিতে পেরেছে?
উইন্টার ট্যুরের নোটিশ
দুই বন্ধুর ঘরের খুনসুটিতে যখন অঙ্কিতের আসল রহস্য ফাঁস হয়ে রাজের বুকে স্বস্তি ফেরে, ঠিক তখনই ভার্সিটিতে আসে দার্জিলিং ট্যুরের অফিসিয়াল নোটিশ। সেই সফরের আগেই মৌমিতাকে কোথায় নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিল আদিত্য?
ভোরের ব্ল্যাক কফি
বাংলোতে মৌমিতাকে বরণ করে ঘরে তোলার পর ছুটিতে মৌমিতার বাপের বাড়িতে রাত কাটায় আদিত্য। ভোরে তীব্র মাথাব্যথায় আক্রান্ত আদিত্যের কপালে বাম মালিশ করতে গিয়ে মৌমিতা কোন মধুর সম্বোধন শুনতে পেল?
হাইওয়ের বাইক রাইডার
ট্যুরের বাসে না উঠে আদিত্যের বাইকে চেপে ক্যাম্পাসে ঢুকতেই সবার চোখ কপালে ওঠে। বাসকে পেছনে ফেলে হাইওয়েতে যখন মৌমিতা আর কোয়েল নিজেরাই বাইকের হ্যান্ডেল ধরে ঝড় তুলল, গন্তব্যে তাদের জন্য কী অপেক্ষা করছিল?
অভিমানী কেকের টুকরো
বাইক চালানোর পথে মৌমিতা জড়িয়ে না ধরায় মাঝপথে মুখভার করে আদিত্য। চায়ের দোকানে দাঁড়িয়ে মৌমিতা নিজ হাতে কেক খাইয়ে আদিত্যের কপালে বাম ছুঁইয়ে দিতেই দুজনের ভেতরের বরফ কি গলতে শুরু করল?
চলন্ত ট্রেনের আকুলতা
হাওড়া স্টেশনে ট্রেন ছাড়ার মুহূর্তে রাজকে খুঁজে না পেয়ে চরম বিপদে পড়ে আদিত্য। ট্রেনের দরজায় সিগারেট হাতে দাঁড়ানো রাজের হাত থেকে ছ্যাঁকা লাগার পর অশ্রুসজল কোয়েলকে বুকে জড়িয়ে রাজ কী শপথ করল?
চাঁদনি রাতের ভিনদেশী তারা
চলন্ত ট্রেনের কামরায় গিটার হাতে যখন আদিত্য ভিনদেশী তারার সুরে মৌমিতার চোখের দিকে তাকিয়ে গান গায়, পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। রাজের গানের প্রতিধ্বনি কোয়েলের মনের কঠিন প্রতিরোধে কি চিড় ধরাতে পেরেছিল?
অনাথ জীবনের অশ্রুগাথা
দার্জিলিংয়ের কুয়াশাঘেরা সকালে ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে রাজের জন্ম ও অতীত সংগ্রামের করুণ ইতিহাস মৌমিতার কাছে প্রকাশ করে কোয়েল। কিন্তু সব জেনেও কেন রাজ চার বছর আগে সবাইকে ফেলে পালিয়েছিল?
পাহাড়ের বাঁকে রক্তক্ষরণ
রাস্তার মাঝখান থেকে এক শিশুকে বাঁচাতে গিয়ে তীব্র গতির গাড়ির সামনে ঝাঁপিয়ে পড়ে মৌমিতা। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে কোলে তুলে গেস্ট হাউসে ছুটে আসা আদিত্যের দুই চোখে কেন মৃত্যুর মতো ভয় নেমে এসেছিল?
অন্ধকারে নিভৃত পাহারা
ডাক্তারের সামনে মৌমিতাকে নিজের স্ত্রী হিসেবে অকপটে পরিচয় দেয় আদিত্য। রাতের গভীর অন্ধকারে ব্যথায় কাতর মৌমিতার শয্যাপাশে নিঃশব্দে বসে থাকা আদিত্যের ভালোবাসার স্পর্শে কী অলৌকিক প্রশান্তি নেমে এলো?
টাইগার হিলের খাদের কিনারে
টাইগার হিলের বিপজ্জনক খাদে জিয়াকে বাঁচাতে গিয়ে মাটি ধসে অতলে তলিয়ে যায় আদিত্য। উপস্থিত সবার আতঙ্কের মাঝে মৌমিতার বুকের গভীরে কি চিরতরে হারিয়ে যাওয়ার হাহাকার বেজে উঠেছিল?
বনফায়ারের লাল গোলাপ
বনফায়ারের আগুনের শিখা নিভে আসতেই লাল গোলাপের তোড়া হাতে সবার সামনে হাঁটু গেড়ে বসে মৌমিতাকে ভালোবাসার কথা জানায় আদিত্য। কিন্তু সেই আবেগঘন মুহূর্তে মৌমিতা কেন কোনো জবাব না দিয়ে পালিয়ে গেল?
কুয়াশার প্রথম চুম্বন
রাস্তার ধারের রেলিংয়ে নেশাগ্রস্ত আদিত্যের পাশে জিয়াকে ঘনিষ্ঠ হতে দেখে সজোরে চড় কষিয়ে দেয় মৌমিতা। সব ভুল বোঝাবুঝি চুরমার করে রাতের কুয়াশাচ্ছন্ন পাহাড়ে মৌমিতার ঠোঁটে যখন আদিত্য নিজের ঠোঁট মেলাল, সময়ের গতি কি থমকে গিয়েছিল?
ভোরের উষ্ণ আলিঙ্গন
পাহাড়ের শীতল রোডে সারা রাত আদিত্যের বুকে মাথা রেখে ঘুমিয়ে ছিল মৌমিতা। সকালে গেস্ট হাউসে ফিরে শাওয়ারের পর আদিত্য যখন ঘরে ঢুকে মৌমিতাকে নিজের বাহুবন্দি করে 'তুমি' ডাকার শর্ত দিল, মৌমিতা কি অস্বীকার করতে পারল?
গাছের আড়ালে প্রথম পরশ
পাহাড়ে একা একা কোয়েলকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে পরম মমতায় কাছে টানে রাজ। ক্ষোভ আর অভিমানের দীর্ঘ দেয়াল ধূলিসাৎ করে গাছের আড়ালে রাজের ব্যাকুল অধরে কোয়েল কি নিজের প্রথম প্রেমের সমর্পণ করল?
তাল সে তাল মিলা
গেস্ট হাউসের বাগানে নাচের আসরে কোয়েল ও অঙ্কিতের পার্টনারশিপের গোপন রহস্য ফাঁস করে দেয় আদিত্য। কোনো পূর্ব প্রস্তুতি ছাড়াই 'তাল সে তাল মিলা' গানে মৌমিতা আর কোয়েলের যুগলবন্দি দেখে রাজের রক্তচক্ষু কেন নিস্তব্ধ হয়ে গেল?
রক্তের সম্পর্কের পরিচয়
কোয়েলের ওপর চরম অভিমান করে মৌমিতা যখন দূরে সরে যায়, আদিত্য এসে উন্মোচন করে তাদের বংশপরিচয়ের স্তব্ধকারী গোপন সত্য। কোয়েল আসলে আদিত্যের কে হয় তা জেনে মৌমিতার সমস্ত ক্ষোভ কি বাষ্পীভূত হয়ে যাবে?
ননদ-বউদির অশ্রুমিলন
আদিত্যর মুখে ছোটবেলার ছুটি ডাকার স্মৃতি শুনে আবেগে ভেসে যায় কোয়েল। মৌমিতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে সব দ্বিধাদ্বন্দ্ব ভুলে জড়িয়ে ধরার পর আদিত্যের বাংলোতে মৌমিতাকে জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার পেছনে কোন বিপদের ছক কাজ করছিল?
স্টাডি ল্যাম্পের নিস্তব্ধ প্রহর
পরীক্ষার রাতে এক টেবিলে পড়ার ফাঁকে মৌমিতাকে বুকে জড়িয়ে আদিত্য জানায় তার কাকার আকস্মিক প্রত্যাবর্তনের অশনি সংকেত। হোস্টেলের বাইরে নির্জন রাস্তায় রাজের একা গাড়ি নিয়ে জেগে থাকার পেছনে কী কারণ ছিল?
গলির মোড়ের তীব্র আঘাত
সকালে হোস্টেল থেকে বেরিয়ে নির্জন গলিতে অন্য এক তরুণীকে রাজের বুকে কাঁদতে দেখে বাকরুদ্ধ হয়ে যায় কোয়েল। প্রতিবাদ করতে গিয়ে রাজের সজোরে থাপ্পড় খেয়ে রাজপথে ছুটে যাওয়া কোয়েলের সামনে হঠাৎ কোন সাক্ষাৎ মৃত্যু এসে দাঁড়াল?
বন্ধুর কলার ধরে ক্ষোভ
কোয়েলের গায়ে হাত তোলার খবর পেয়ে ভার্সিটিতে রাজের কলার ধরে সজোরে চড় মারে আদিত্য। ক্ষুব্ধ ও অপমানিত রাজের চোখে রক্তের অশ্রু ঝরে পড়ার মুহূর্তে কার এক জরুরি মেসেজে সে ঝড়ের বেগে ছুটে গেল?
পার্কের রক্তাক্ত প্রতিশোধ
নির্জন পার্কে কোয়েলকে একা পেয়ে সৌভিক যখন জোরপূর্বক তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে, অন্ধকার ফুঁড়ে সেখানে কে উপস্থিত হলো? রাজের হিংস্র আঘাতে সৌভিকের হাড় চূর্ণ হওয়ার পর কোন অকল্পনীয় সত্য উন্মোচিত হলো?
বিশ্বাসঘাতকের শেষ চাল
অফিসে টিনাকে মুখোমুখি ধরে তার প্রতারণা ও টাকার লোভে বিক্রি হওয়ার প্রমাণ মুখের ওপর ছুড়ে দেয় রাজ। রাতে জ্বরতপ্ত শরীরে হোস্টেলের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা রাজের বুকে কেঁদে পড়ে কোয়েল কোন অভয় চাইল?
অভিমান ভাঙানোর আলিঙ্গন
কোয়েলের ছোটবেলার ট্রমার কথা জেনে অনুশোচনার আগুনে পুড়ে ছারখার হতে থাকে আদিত্য। মাঝরাতে বাংলোর গেটে দাঁড়িয়ে রাজকে পরম ভালোবাসায় বুকে জড়িয়ে ধরে আদিত্য কি তার ভুল শোধরাতে পেরেছিল?
সিঁদুরের প্রকাশ্য গর্জন
ক্যান্টিনে মৌমিতা ও কোয়েলের চরিত্র নিয়ে জঘন্য অপবাদ ছড়ায় জিয়া ও রণিত। মাঠের মাঝে রণিতকে মাটিতে ফেলে দিয়ে মৌমিতার সিঁথির সিঁদুর ও হাতের নোয়া উন্মোচন করে আদিত্য কী বিস্ফোরক ঘোষণা দিল?
ফাঁদের ওপর উল্টো ফাঁদ
রিসেপশনের প্রাক্কালে আয়োজিত পার্টিতে মৌমিতার পানীয়ে ড্রাগ মেশানোর ষড়যন্ত্র করে জিয়া। কিন্তু বুদ্ধির খেলায় সেই পানীয় জিয়ার নিজের গলায় ঢেলে দিয়ে রাজ কীভাবে দুর্নীতির সমস্ত তথ্য বের করে নিল?
হ্যান্ডকাফের অন্তিম খটখট
পরেশবাবুর বাড়িতে পুলিশসহ হানা দিয়ে মেয়ের স্বীকারোক্তির অডিও শুনিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করায় আদিত্য ও রাজ। কিন্তু রিসেপশনের মাত্র দুদিন আগে রাজের হঠাৎ মুম্বাই উড়ে যাওয়ার পেছনে কী গোপন রহস্য লুকিয়ে ছিল?
রিসেপশনের নতুন সম্বন্ধ
আদিত্য ও মৌমিতার জমকালো রিসেপশনের মঞ্চে কোয়েলের বিয়ের নতুন প্রস্তাব তোলেন কাকাই। রাজ ফিরে এসে দরজায় দাঁড়াতেই কোয়েল কেন কোনো কিছু না ভেবে অন্যের গলায় মালা দিতে রাজি হয়ে গেল?
দরজার আড়ালের অশ্রু
চার বছর আগে কোয়েলের বাবার দেওয়া চরম শর্তের কথা যখন রাজ সবিস্তারে জানায়, দরজার আড়ালে দাঁড়িয়ে থাকা কোয়েলের হাতের ট্রে কাঁপতে কাঁপতে ভেঙে পড়ে। সব হারিয়ে কোয়েল কেন কাউকে না জানিয়ে মুম্বাই পালিয়ে গেল?
শুভ লগ্নের পরম পূর্ণতা
মুম্বাইয়ের এপার্টমেন্টে পিতার ভুলের পর্দা উন্মোচন করে কোয়েলের হাত রাজের হাতে তুলে দেওয়া হয়। সাত বছর পর যমজ সন্তানদের কলকাকলিতে ভরা সংসারে দাঁড়িয়ে কোয়েল-রাজের শুভ বিবাহে কোন মধুর পরিসমাপ্তি ঘটল?
কোনো অধ্যায় খুঁজে পাওয়া যায়নি।
সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQs)
একদিন তুমিও ভালোবাসবে উপন্যাসটির মূল কাহিনী কী নিয়ে?
একদিন তুমিও ভালোবাসবে উপন্যাসের মোট কয়টি পর্ব রয়েছে?
একদিন তুমিও ভালোবাসবে উপন্যাসের লেখিকা কে?
উপন্যাসটি কি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে অনলাইনে পড়া যাবে?
একদিন তুমিও ভালোবাসবে উপন্যাসের মূল চরিত্র কারা?
পাঠক রিভিউ ও রেটিং
0 টি রিভিউ · 0 জন পাঠক
0 টি রিভিউ